নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

দেশপ্রেম হচ্ছে দুবৃত্তদের সর্বশেষ আশ্রয়স্থলঃ Samuel Johnson

গতানুগতিক

এম আর সুমন

গতানুগতিক

এম আর সুমন › বিস্তারিত পোস্টঃ

অখ্যাত ব্লগারদের ধরা কি সরকারের আইওয়াশ??? সংবাদপত্রের বিরুদ্ধে অবস্থান কি দ্বিমুখী আচরন নয়??

০২ রা এপ্রিল, ২০১৩ বিকাল ৫:৪৭

কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর খোজা জরুরী।

১। কতিপয় অখ্যাত ব্লগারকে ধরে যে আইওয়াশ সরকার করতে চাচ্ছে তা কতটা সফল হবে?

২। ব্লগারেদের ধরা ও একই সাথে ব্লগারদের অপকর্ম ফাঁস করে দেয়া সংবাদপত্রগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার সরকারী সিদ্ধান্ত পরস্পর বিরোধী কিনা?

৩। সরকার আসলেই আন্তরীকভাবে ধর্ম বিদ্বেষী ব্লগারদের শাস্তি চায় কি না?

৪। সরকারের এই কর্মকান্ডে হেফাজতে ইসলামের লংমার্চে কোনো রকমের প্রভাব পড়বে কি না?

অথবা হেফাজতের দাবির সাথে এই গ্রেফতারের কোনো সম্পর্ক আছে কি না?

আসুন আমরা একে একে বিশ্লেষনে যাই,

প্রথম বিষয়টি নিয়ে যদি কথা বলি তবে দেখতে হবে কোন কোন ব্লগারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথা আসলে বলা হচ্ছে। বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় ও হেফাজতে ইসলামের বক্তব্যে যাদের নাম উঠে এসেছে, তারা হলেন,

আসিফ মহিউদ্দিন, আরিফুর রহমান ও থাবা বাবা সহ মোট ৮৪ জন।

সরকার প্রথম দিকের এসব ব্লগারদের গ্রেফতার তো দূরের কথা তাদের গানম্যান দিয়ে নিরাপত্তা দিচ্ছেন বলে শোনা যায়।

ব্লগার আসিফ মহিউদ্দিন সরকারের আয়ত্বে থাকলেও তাকে না ধরে কতিপয় অখ্যাত ব্লগারকে ধরে সরকার আসলে কি বোঝাতে চাইছে তা স্পষ্ট না।

জনগণ তাদের প্রানের ধর্ম ইসলামকে যারা গালাগালি করে পোষ্ট দিয়েছে তাদের সত্যিকারের বিচার চায়।

এখানে যুদ্ধাপরাধী ইস্যুর মত রাজনীতি হলে তার ফলাফল খুব একটা শুভ হবে না।

আমরা থাবা বাবা মারা যাওয়ার পরে দেখেছি আরো অন্তত সাতজন ব্লগারকে হত্যার টার্গেট ছিল খুনীদের। সুতরাং তাদের নিরাপত্তা দেয়ার দায় যেমন সরকারের তেমনি এইসব ব্লগারকে বিচারের আওতায় নিয়ে আসার দায়ও সরকারের।

এই আসিফ মহিউদ্দিন বা আরিফুর রহমানদের কেন আইনে সোপর্দ করা হচ্ছে না?

যদি তারা বাংলাদেশের আইনে দোষী না হন তবে ছাড়া পেয়ে যাবেন। আমাদের কারো কিছু বলার নাই। এমনকি মৌলবাদীরাও এটা নিয়ে কিছু বলতে গেলে আমরা সকলে মিলে প্রতিবাদ করবো।

অতীতের যে কোনো সময়ের মতই আমি সব সময় বাক স্বাধীনতার পক্ষে। কিন্তু সেই স্বাধীনতা তো আর অন্যের মনে আঘাত দেয়াকে সমর্থন করে না।

মুসলমানদের জন্য মুহম্মদ সঃ অনেক সম্মানের যা তাদের পিতার থেকেও অনেক বেশি। এখন আপনার পিতাকে কেউ গালি দিলে যেমন গায়ে লাগে এক্ষেত্রে তার থেকে বেশি গায়ে লাগার কথা।

সামু কিছুটা পরস্পরবিরোধী কাজও করেছে। তারা নিজেরাই আসিফ মহিউদ্দিনের নিক ব্যান করেছে। কারন সে অপরাধী। সে যা করেছে তা কোটি কোটি মুসলমানকে আঘাত করেছে। সুতরাং সামুও মেনে নিয়েছে যে এই কতিপয় ব্লগার অপরাধী ।

সেখানে তাদের মধ্যে অখ্যাত তিন জনকে গ্রেফতারের পরে সামুতে তাদের উদ্ধারের জন্য যে পোষ্টটি স্টিকি করা হলো, তা কতটা যৌক্তিক হয়েছে তা অবশ্যই ভাবনার বিষয়।



আজকে সরকার যখন কতিপয় ব্লগারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার সাথে সাথে তাদের এসব কর্ম প্রকাশকারী সংবাদপত্রগুলোর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিতে চাচ্ছে তখন তাদের উদ্দেশ্য নিয়েও জনমনে প্রশ্ন আসা স্বাভাবিক।

এটা একটি দ্বিমুখী আচরন। যদি সংবাদপত্রগুলোর রিপোর্টের প্রেক্ষিতে সরকার ব্লগারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে থাকে তাহলে তো সংবাদপত্রগুলো কোনো দোষ করেনি। তারা বরং জনস্বার্থে যা প্রকাশ করা দরকার তাই প্রকাশ করেছে। এবং সেই বিষয়ের বাস্তবতা আছে বলেই তো সরকার ব্যবস্থা নিচ্ছে।

সংবাদপত্রের রিপোর্টের বাস্তবতা ও প্রয়োগ আছে বলেই তো শাহবাগে ১২ দিনের পরে আযানের বিরতি দেয়া হয়েছে, বা কোরআন তেলাওয়াত করে অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে।

সুতরাং সংবাদপত্রের রিপোর্টগুলো হয় গ্রহনযোগ্য, আর না হয় গ্রহনযোগ্য না। যেহেতু সরকার সেই সব রিপোর্টের উপরে ভিত্তি করে কিছুটা হেলেও অ্যাকশনে যাচ্ছে, তার মানে সেই রিপোর্টগুলো ছাপানো দরকার ছিলো। সেক্ষেত্রে সরকার সংবাদপত্রগুলোর বিপক্ষে কোনো ব্যবস্থা বা অবস্থান নীতিগতভাবে নিতে পারে না।



সরকার কি তবে কতিপয় ব্লগারকে ধরে হেফাজতের লংমার্চকে কিছুটা হলেও নিস্ক্রিয় করতে চাচ্ছে? দেখাতে চাচ্ছে যে আমরা তো ব্যবস্থা নিচ্ছি। কিন্তু চিহ্নিত ধর্মবিদ্বেষি ব্লগারদের না ধরলে কি তাদের এই কর্মকান্ড অগনিত সাধারন ধর্মভীরু মানুষের কাছে গ্রহনযোগ্যতা পাবে?

এখানে কিছু বিষয় উল্লেখযোগ্য। মুহম্মদ সঃ এর নামে কটুক্তি কারী বা কার্টুন ছবি আকিয়েরা পৃথিবীর কোনো দেশেই কিন্তু খুব একটা প্রশংসিত হয়নি। কোনো না কোনোভাবে তাদের আইনের আওতায় পড়তে হয়েছে।

সুতরাং এই বিষয়ে বিচার চাওয়াটা কোনো ভাবেই ধর্মীয় গোড়ামী বা মৌলবাদ নয়। এটা নিতান্তই সাধারন ঘটনা।

এখন আমাদের বিবেচনা করার সময় এসেছে, আমরা কি বিষয়টি নিয়ে আবারো রাজনীতি হোক তা চাইবো,নাকি সাত্যিকারের বিচার চাইবো?

মন্তব্য ২৮ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (২৮) মন্তব্য লিখুন

১| ০২ রা এপ্রিল, ২০১৩ বিকাল ৫:৫০

মদন বলেছেন: ++++++++++++++++++++++++++++++++

০২ রা এপ্রিল, ২০১৩ বিকাল ৫:৫২

এম আর সুমন বলেছেন: ধন্যবাদ..................................................................................

২| ০২ রা এপ্রিল, ২০১৩ বিকাল ৫:৫৫

দিদিমা বলেছেন: Click This Link

০২ রা এপ্রিল, ২০১৩ বিকাল ৫:৫৯

এম আর সুমন বলেছেন: লেখাটি দেখলাম। ধন্যবাদ।
বিষয়বস্তুর দিক থেকে লেখাটিতে আমার লেখার একটি অংশের সাথে পুরোপুরি মিল রয়েছে। আপনাকে আবারো ধন্যবাদ।

৩| ০২ রা এপ্রিল, ২০১৩ বিকাল ৫:৫৬

বাঙ্গাল৭১ বলেছেন: দেশের সকল নাস্তিক আর ধর্মানভুতিতে আঘাতকারীদের গ্রেফতার করা হোক। গণমাধ্যম বাদ যাবে কেন?

০২ রা এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:০৩

এম আর সুমন বলেছেন: আপনাকে আসলে বিবেচনা করতে হবে , গনমাধ্যমের ভূমিকাটা কি?
আসলে যে যে ঘটনাকে তারা নিউজ বলে মনে করবে তাই গনমাধ্যমের জন্য প্রকাশ করা বৈধ। এটা গেল প্রথম কথা। দ্বিতীয় কথা হলো, ধর্ম অবমাননা নিয়ে একটি শান্তিপূর্ন লংমার্চের কথা আমরা শুনে আসছি। কিন্তু ধর্ম অবমাননা নিয়ে কোনো দাঙ্গা হয় নি। এই ইস্যুতে শাহবাগ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কিন্তু আমি আবারো বলছি কোনো দাঙ্গা হয় নি।

দেশের বর্তমান সহিংসতা কিন্তু ভিন্ন কারনে, বিএনপির তত্ব্বাবধায়ক ইস্যু, আর আওয়ামী লীগ ও জামাতের যুদ্ধাপরাধী ইস্যু নিয়ে।
সুতরাং সংবাদপত্র গুলো এখানে কোনো উস্কানী দিয়েছে তা বলা যাবে না। বরং সরকার তাদের রিপোর্টের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নিয়ে তাদের রিপোর্টের যৌক্তিকতা প্রমান করেছে।
সুতরাং স্বাধীন সংবাদমাধ্যমের উপরে ব্যবস্থা নেয়ার তো কোনো কারনই নাই।
আমি কি বোঝাতে পারলাম ভাই?

৪| ০২ রা এপ্রিল, ২০১৩ বিকাল ৫:৫৬

আমি মোঃ চয়ন বলেছেন: আরিফ জেবতিক এর নামটা মুছে দেন। তার কোন ধমবিদ্বেষী লেখা এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

এই উসিলায় পরে কিছু সুশীল আপনার পোস্টে ক্যাচার শুরু করবে।

০২ রা এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:০৬

এম আর সুমন বলেছেন: আরিফ জেবতিক নিজের জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছিলেন। একই প্রসঙ্গে। তার কোনো পোষ্ট না থাকলে তো ভাল। আমি সেটা নিয়ে কোনো তর্ক করবো না। তবে তার নাম এসেছে। এসেছে যেহেতু, তাকে আইনের আশ্রয়ে নিলে তো প্রমানিত হয়ে যাবে যে তিনি নির্দোষ।
সেক্ষেত্রে তো আর বলার কিছু থাকবে না। এখানে ক্যাচাল করার কোনো সুযোগ নাই। দেকি কে কে আসে !!

৫| ০২ রা এপ্রিল, ২০১৩ বিকাল ৫:৫৭

অনিক রহমান বলেছেন: কতিপয় অখ্যাত ব্লগার

B-)) B-)) B-)) :P তুমি বিখ্যাত ব্লগার?

০২ রা এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:১১

এম আর সুমন বলেছেন: অনিক , তুলনাটা আমার সাথে না। আমি তোমাদের লোকদের কেন যে বোঝাতে পারি না সেটা একটা বড় কষ্ট।
তুলনাটা হচ্ছে যারা ধর্মবিদ্বেষী লেখালেখি করে তাদের মধ্যে যারা অপেক্ষাকৃত বেশি পরিচিত ও যারা বেশি ধর্মবিদ্বেষী পোষ্ট দিয়েছে তাদের সাথে।
এই প্রসঙ্গে তারা বিখ্যাত তো বটেই। তাদের বিভিন্ন সময় পত্রিকায় নাম দেখা গেছে। তাদের মদের বোতল হাতে ছবিও পত্র পত্রিকায় এসেছে। সুতরাং তাদের গ্রেফতারটাই তো আসলে আগে করা উচিত ছিল, নাকি?
এটা বুঝেও না বোঝার ভান করার কোনো কারন নাই।
আর আমি কতটা বিখ্যাত বা অখ্যাত সেটা অন্য ব্লগাররা বলবেন। এখানে আমাকে নিয়ে আলোচনার সুযোগও নাই। এগুলো এক ধরনের হাম্বা অভ্যাস। না পারলেই ব্যক্তি আক্রমন করে বসে। সে আসিফ নজরুল হোক আর বিচারপতি শাহাবুদ্দিনই হোক বা বিচারপতি হাবিবুর রহামান ই হোক, তাদের সামালোচনা করলেই সে খারাপ। তাকে ব্যক্তি আক্রমন করে। এতে কি শেষ রক্ষা হয় ভাইজান?

৬| ০২ রা এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:০৭

মুদ্‌দাকির বলেছেন: পুরাই আই ওয়াস!!!!!!!!

একটা কুখ্যাত ব্যাটারেও ধরলনা !!!!!!!!

০২ রা এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:১২

এম আর সুমন বলেছেন: আমারও একই কথা।

৭| ০২ রা এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:০৮

শয়ন কুমার বলেছেন: আরিফ জেবতিক/ পিয়ালের এর নামটা মুছে দেন। তাদের কোন ধমবিদ্বেষী লেখা এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

এই উসিলায় পরে কিছু সুশীল আপনার পোস্টে ক্যাচার শুরু করবে।


Click This Link

০২ রা এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:১৪

এম আর সুমন বলেছেন: ক্যাচাল করার সুযোগ নেই, এই নামগুলো বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় এসেছে। তারা যদি নির্দোষ হয়ে থাকে তাহলে আমার কিছুই বলার নাই। আমি এ বিষয়টিতে শুধু পত্রিকার নিউজের উপরেই ভরসা করছি।
তবে আরিফুর রহমান নামে এক ব্লগারের বিষয়ে আমি নিশ্চিত। সেই লোক ও আসিফ মহিউদ্দিনকে নিয়ে আমি নিজেই কমেন্ট করেছি। তবুও আপনাদের দাবির প্রেক্ষিতে আমি এই দুজনের সরাসরি নাম মুছে দিচ্ছি।

৮| ০২ রা এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:১১

শয়ন কুমার বলেছেন: আরিফ জেবতিক/ পিয়ালের এর নামটা মুছে দেন। তাদের কোন ধমবিদ্বেষী লেখা এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

এই উসিলায় পরে কিছু সুশীল আপনার পোস্টে ক্যাচার শুরু করবে।
আরিফ জেবতিকের প্রায় ১ বছর আগের ধর্ম বিষয়ক একটি পোষ্টের লিংক দিলামঃ
Click This Link

তার সেই নোটটি এখানে সরাসরি নিচে কপিও করে দিলামঃ
নোটটির শিরোনাম ছিলঃ "রেইনার এবার্টবৃন্দকে একজন মুসলিম ভাইয়ের জবাব "



রেইনার এবার্টবৃন্দকে একজন মুসলিম ভাইয়ের জবাব

by Arif Jebtik (Notes) on Tuesday, October 23, 2012 at 6:16pm

রেইনার এবার্ট নামে এক ভদ্রলোকের নামে বিডিনিউজ২৪.কম এর মতামত পাতায় প্রায় ৫০ জন নানান ধর্ম, পেশা, লিঙ্গের লোকজন আমাদের, মানে মুসলিম ভাইবোনদের কাছে একটা খোলাচিঠি লিখেছেন। লেখা প্রকাশিত হওয়ার ২ দিনের মধ্যে এই লেখার কোনো জবাব কোনো মুসলিম ভাইদের পক্ষ থেকে দেয়া হয়নি। আমার কাছে মনে হয়েছে একজন মুসলিম হিসেবে অন্যের চিঠির জবাব দেয়ার ভদ্রতাটুকু আমি করতেই পারি। এজন্যই এই খোলা চিঠির জবাবের অবতারণা। রেইনার এবার্টদের চিঠিটি পড়তে পারবেন এখানে : Click This Link)





প্রিয় রেইনার এবার্ট এন্ড গং,আপনাদের চিঠি থেকে সারমর্ম যা উদ্ধার করতে পারলাম সেগুলো হচ্ছে,





১. " বর্তমান বাংলাদেশে হযরত মোহাম্মদ (সঃ)-এর সময়কার মরুভূমির জনগোষ্ঠির মত গোশত তেমন দুর্লভ মূল্যবান সম্পদ নয়। বর্তমানে আমরা দরিদ্র অভাবীদের সাহায্য করার জন্য প্রাণী কুরবানী দেবার টাকা আরও কার্যকরী খাতে ব্যয় করতে পারি।"





২. "মুসলমানদের জন্য কুরবানী ঈদ আনন্দের একটি পর্ব হলেও আল্লাহ্‌র প্রাণীদের জন্য এটা সুখের সময় নয়। এই উৎসবে বহু ছাগল, গরু ও অন্যান্য গৃহপালিত প্রাণীর জীবনের ইতি ঘটে। যে দেশে মানুষই হৃদয়বিদারক অবস্থায় বসবাস করছে, সে দেশের প্রাণীদের দুর্দশার কথা চিন্তা করা কঠিন। কিন্তু আমরা কিছু সময়ের জন্য আপনাদের এটাই বিবেচনা করার অনুরোধ করছি যে কুরবানী ঈদে উৎসর্গ হবার জন্য যে সমস্ত উট, ভেড়া, ছাগল ও গরু রাখা হয় তারা কতোটা অসহায়।"

অর্থাৎ দেখা যাচ্ছে যে আপনাদের কথা মূলত দুইটা। প্রথমটি হচ্ছে কোরবানির টাকা পয়সা অন্যান্য সামাজিক উন্নয়নের খাতে ব্যয় করা আবশ্যক এবং দ্বিতীয়টি হচ্ছে পশুদের প্রতি যত্নশীল হতে হবে।





আসুন, একটা একটা করে জবাব দেই।





প্রিয় রেইনার এবার্ট এন্ড গং,

আমি ঠিক জানি না কোন গবেষণা বলে আপনারা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হলেন যে বাংলাদেশে বর্তমানে 'মরুভূমির জনগোষ্ঠির মত গোশত তেমন দুর্লভ মূল্যবান সম্পদ নয়'। মরুভূমির জনগোষ্ঠির ইতিহাস যা আমি বুঝি, সেখানে সবসময়ই গৃহপালিত জীব হিসেবে উট এবং দুম্বার প্রচলন ছিল। বরং কৃষিজাত পণ্যের অভাবের জন্য সেই সময় তাঁদের পক্ষে গোশত বরং আমিষের জন্য বহুল প্রচলিত একটি খাদ্য ছিল। এই তুলনায় বাংলাদেশে এখন বরঞ্চ প্রাণীজ আমিষের অভাব অসহনীয়। খালে-বিলে মাছ নেই আজ বহু বছর ধরে। দেশ চলছে চাষ করা মাছের উপর নির্ভরশীল হয়ে, সেই মাছ কেনার সামর্থ্য এদেশের অধিকাংশ মানুষেরই নেই। প্রাণীজ আমিষের একটি বড় উৎস ছিল হাস-মুরগি, কিন্তু সেগুলোও আজকে সোনার হরিন। ডিমের দাম মাঝে মাঝে এমন পর্যায়ে চলে যায় যে একজন কৃষক, শ্রমিক, দিনমজুরের পক্ষে ডিম এখন শখের ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই সময় এই বিপুল জনগোষ্ঠির আমিষের চাহিদা পূরণে খাদ্য সরবরাহ করা এই রাষ্ট্রের পক্ষে স্বাভাবিকভাবেই সম্ভব নয়। এই বিকল্প হিসেবে কোরবানির ঈদ একটি বড় সুযোগ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যদিও কোনো পরিসংখ্যান নেই, তবু মোটামুটি যদি ধরে নেই এই দেশে কোরবানির ঈদের সময় ১৬ কোটি জনগোষ্ঠির ৫% বড়লোক পরিবার প্রতি ১টি করে প্রাণী কোরবানি করেন, তাহলেও ৯ লক্ষ প্রাণীর মাংস বিতরণ করা হয়। এই ৯ লক্ষ পশুর মাংস এই গরিব দেশের জন্য আমিষের একটা বড় ঘাটতি মেটাতে পারে।



আমি লক্ষ করছি বেশ কিছুদিন ধরে এদেশে এটা না করলে এই টাকা সমাজ উন্নয়নে ব্যয় করা যেত, এ ধরনের একটা দোহাই সবসময়ই দেয়া হয়। এই দোহাইয়ের বিরুদ্ধে আমার কিছু শক্ত কথা আছে। আপনারা কেন ধরেই নিচ্ছেন যারা কোরবানি দেন, তাঁরা সারাবছর সমাজ উন্নয়নে আর কোনো টাকা ব্যয় করেন না? আর কোরবানি দিয়ে দিলে সমাজের কাজে আর কোনো টাকা ব্যয় করা যাবে না, এরকম কোনো ধর্মীয় বিধান তো নেই, তাই না? তাহলে কোরবানির টাকাই সমাজ উন্নয়নে কাজে আসে এটি একটি গিমিক তৈরি করা যুক্তি হতে পারে, কিন্তু কার্যকারণে এটি বড় কোনো শক্ত যুক্তি নয়। ইসলাম কোরবানির পাশাপাশি সমাজে অর্থ প্রবাহের জন্য একটি বড় চাপ তৈরি করেছে জাকাতের বিধান তৈরি করে। জাকাতের টাকা বিলাস ব্যসনে ব্যয় করা যায় না, এই টাকা সরাসরি সমাজের দরিদ্র জনগোষ্ঠির উন্নয়নে ব্যয় করতে হয়। সুতরাং দরিদ্র জনগোষ্ঠির উন্নয়নের দোহাই দিয়ে কোরবানি বন্ধ করে দেয়া কোনো সুস্থ যুক্তিই নয়।



আপনারা যে বিষয়টি হয় খেয়াল করেননি নয়তো ইচ্ছে করে এড়িয়ে গেছেন, সেটি হচ্ছে যেকোনো উৎসবই সমাজে একটি বড় অর্থনৈতিক গতিপ্রবাহের সৃষ্ঠি করে। সুস্থ অর্থনীতিতে টাকার মুভমেন্ট খুবই জরুরি একটি বিষয়। টাকা যদি বাজারে না এসে আমার ড্রয়ারে আর আপনার পকেটে রয়ে যায়, তাহলে সেটি সমাজের কাজে আসে না, অর্থনীতিও দুর্বল হয়ে পড়ে। কোরবানীর ঈদ এদেশের সবচাইতে বড় একক অর্থনৈতিক গতিপ্রবাহের উৎসব। এখানে ৯ লক্ষ প্রাণীর মূল্যের বড় অংশ যায় গ্রামে। গ্রামের গৃহস্থরা পশুপালন করে বছরে একবার বিক্রি করতে পারেন, এতে করে তাঁদের একটি বড় বার্ষিক আয় হয়। একে কেন্দ্র করে পরিবহন খাতে চাঞ্চল্য সৃষ্ঠি হয়। ইজারাদার, পাহারাদার, টোল আদায়কারি, চাঁদাবাজ থেকে শুরু করে কসাইয়ের ছোকরা এসিসটেন্ট, ছুরি-কাঁচি শানদেনেওয়ালা কামার পর্যন্ত একটি বড় ধরনের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড তৈরি হয় যা সমাজের জন্য অত্যন্ত উপকারী। আমার দুঃখ আপনারা চল্লিশজন মিলেও অর্থনীতির এই জরুরি বিষয়টিকে এড়িয়ে গেলেন। সমাজের দরিদ্র মানুষকে দান করতে আপনাদের যে উৎসাহ, তাঁদের কর্মসংস্থানের বিষয়ে আপনাদের উৎসাহের একই ধরনের অভাব দেখে আমোদিত হয়েছি বলতে পারি। এর বাইরে দেশের চামড়া শিল্পের কথা বাদই দিয়ে গেলাম এখানে, অর্থনীতিতে সেটির প্রয়োজনীয়তা একটু ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করলেই বুঝতে পারবেন।



জনাব রেইনার এবার্ট এন্ড গং,

আপনাদের দ্বিতীয় আক্ষেপ হচ্ছে কোরবানির পশুদের প্রতি মুসলিমরা দয়ালু নয়। আসলে এই কথাটি এত ইনিয়ে বিনিয়ে ঘুরিয়ে প্যাচিয়ে বলতে চেয়েছেন যে কথা পরিস্কার হয়নি এখানে। সে যাক। এখানেও আপনাদেরকে প্রাকৃতিক মৌলিক বিষয়গুলোর দিকে লক্ষ্য করতে বলি। প্রকৃতি তার ভারসাম্য রক্ষার জন্যই ফুড চেনের উদ্ভব করেছে। ফুড চেন বন্ধ করে দিলে প্রকৃতিতে ভারসাম্য হীণতার সৃষ্ঠি হয়। একসময় আমাদের দেশ থেকে ব্যাঙ ধরে রপ্তানি করা হতো, দেখা গেল কয়েকবছরের রপ্তানিতে আমাদের দেশে ক্ষতিকারক পোকামাকড়ের প্রাদুর্ভাব হলো। এখন এই পোকামাকড় যাতে বেড়ে না যায় এজন্যই ব্যাঙের প্রয়োজন। আবার ব্যাঙ যাতে বেড়ে না যায় এজন্য সাপের দরকার পড়ে খালে-বিলে। এর সবই প্রাকৃতিক খাদ্য প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়ায় মানুষের যেখানে অবস্থান সেখানে প্রানীর আমিষজাত খাদ্য প্রকৃতির বিধান। সুতরাং পশু হত্যা করে খাওয়ার মধ্যে কোনো অযুক্তি নেই, পুরোটাই যৌক্তিক।আপনারা দোহাই দিচ্ছেন যে এই প্রাণীদের প্রতি নায্য আচরণ করা হয় না। এটা ভিন্ন আলোচনার বিষয়। ইসলামে পশু জবাইয়ের ক্ষেত্রে অনেকগুলো রীতিনীতি তৈরি করা হয়েছে, যে রীতিনীতিগুলো পশুদের কল্যানেই করা হয়েছে।এখানে পশু জবাইয়ের পর পশুটির বাঁধন খুলে দিতে হয়, পশু জবাইয়ের আগে তাকে পর্যাপ্ত খাবার খাওয়াতে হয়, কোরবানির পশুকে আগে গোসল দেয়ানোর একটি রীতি আছে আমাদের সমাজে, এক পশুর সামনে অন্য পশুকে হত্যা করার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা আছে ধর্মীয় রীতিতে- এর সবগুলোই আপনারা এড়িয়ে গিয়ে এমন ভাবে একটা লেখা লিখলেন যাতে মনে হয় মুসলিমরাই সবচাইতে বেশি অমানবিকভাবে পশু হত্যা করে চলছে! কয়েক হালি অপ্রয়োজনীয় ইসলামী সূত্রের দোহাই দেয়ার ব্যাপারে আপনাদের যে উৎসাহ, তাঁর চাইতে অনেক কম কষ্ট করেই আপনারা জানতে পারতেন যে কোরবানীর পশু এবং সব পশুদের বেলাতেই মহব্বত রাখার জন্য ইসলামের বিধান আছে।কোরবানির পশুর যে ক্লেশ পরিবহন এবং অন্যান্য কারণে হয়, সেগুলো হচ্ছে প্রায়োগিক সমস্যা। এই সমস্যা সমাধানে আইনের জোর প্রয়োগের দাবি করা যেতে পারে। প্রাণীদেরকে গাদাগাদি করে না রাখা, কষ্ট না দেয়ার জন্যও এদেশে পশুক্লেশ নিবারণী আইন আছে, সেই আইনের প্রয়োগ দাবি করা যেতে পারে, কিন্তু মাথাব্যথার জন্য মাথা কেটে ফেলার আবদার জানিয়ে চিঠি লেখা ঠিক হয় না।



জনাব রেইনার এবার্ট এন্ড গং,

আমাদের দেশে এখন নতুন ফ্যাশন হচ্ছে ধর্মীয় রিচুয়ালগুলোকে নিয়ে হাশি তামাশা করা অথবা খারিজ করে দেয়া। আপনারা কোরবানির মতো একটি রিচুয়ালকে খারিজ করে দিতে চিঠি লিখেছেন। এরকম করে সমাজ থেকে সব উৎসবই তাহলে খারিজ করে দিতে হয়। সব উৎসবের টাকাই সমাজন্নোয়নে কাজে লাগে। কিন্তু আসল কথা হচ্ছে, দানখয়রাত করে সমাজের উন্নয়ন করাটাই একটি অপরিপক্ক ধারণা। উৎসবই বরং বেশি করে অর্থনৈতিক জোয়ার তৈরি করে আর এজন্যই সমাজের দরকারেই আমাদেরকে উৎসবগুলো বাঁচিয়ে রাখতে হবে।পরম করুণাময় আপনাদেরকে সেই জ্ঞান অর্জনে সহায়তা করুন, আমীন।


--------(আরিফ জেবতিকের লেখার কপিকৃত অংশ শেষ)------------------------------------


কি বুঝলেল , যে লোকটি ইসলামের মহত্ব তুলে ধরে লেখালেখি করসে আজ তার নামেই মাহামুদুর রহমান প্রচারণা চালাইতাছে যে, সে নাকি ফেবু- ব্লগে আল্লাহ - রাসূলকে নিয়া অশ্লালীন কুটুক্তি করসে !!!!


এছাড়া পিয়ালকে ব্লগে কিংবা ফেবুতে কখনও কি আপনারা আল্লাহ - রাসূলকে কুটুক্তি করে পোষ্ট দিতে দেখেছেন ??? যারা তার লেখা নিয়মিত পড়েন, তারা সুষ্পষ্ট করেই জানেন পিয়ালের সকল লেখাই ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে জামাতের বিভিন্ন অপকর্ম নিয়ে ।


এবার ইমরান সরকারের কথা কইঃ আপনারা সকলেই জানেন লীগের রাজনৈতিক ব্যাকগ্রাউন্ড থাকার কারনে সে জাগরণ মঞ্চের নেতৃত্ব চেয়ার নিয়া নিছে , আদৌতে সে একজন ব্লগারেই নয় ।
আর যে ব্যক্তি ব্লগারই নয়, এখন তার নামেই যদি অপবাদ দেই সে ব্লগে আল্লাহ - রাসূলকে কুটুক্তি করে লেখসে !! তবে এর মতন হাস্যকর দাবি আর কি হইতে পারে??

০২ রা এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:২৫

এম আর সুমন বলেছেন: আপনার কথাটি নিয়ে তর্কে যাবো না। এই দুজনের নাম মুল পোষ্ট থেকে বাদ দিলাম। তবে পোস্টের বক্তব্য তাতে একই থাকবে। সেই সব নিউজে অনেকেরই তো নাম এসেছে। আর আমি অযৌক্তিকভাবে কাউকে দোষ দিতে চাই না। যারা দোষী কেবল তাদেরই বিচার হোক।

পিয়াল ভাই বা আরিফ জেবতিক ভাই যদি নির্দোষ হন তবে আমার মত খুশি কেউ হবে না।
আর সেই সব যুক্তিতে আসিফ মহিউদ্দিন বা আরিফুর রহমানরা যাতে আবার পার পেয়ে না যায় সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে।
আপনাকে এই দীর্ঘ কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ।

৯| ০২ রা এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:১২

কালো পতাকার খোঁজে বলেছেন: +++++++

০২ রা এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:২১

এম আর সুমন বলেছেন: আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই।

১০| ০২ রা এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:২৪

অনিক রহমান বলেছেন: আসিফের নাম নিলেইতো হতো নাকি?

০২ রা এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:২৬

এম আর সুমন বলেছেন: নিলাম তো। আপনারা যাদের নামে অবজেকশন দিলেন তাদের নাম বাদ দিলাম।
ভাই আমি সত্যের পক্ষে। জোর করে কিছু প্রতিষ্ঠিত করতে চাই না। অনিক ভাই আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

১১| ০২ রা এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:২৭

চাচ্চু বলেছেন: ++++++++

০২ রা এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৩৯

এম আর সুমন বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ চাচ্চু।

১২| ০২ রা এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৩৯

শয়ন কুমার বলেছেন: আরিফুর রহমান আর আসিফ মহিউদ্দিন এই দুই কুলাঙ্গারের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়া হোক ।

এদের কারনে কোথাও নিজেকে "ব্লগার" পরিচয় দিতে আত্ম সম্মানে বাধে! পুরো ব্লগার কমিউনিটির মাথা হেট করে দিয়েছে এই হাতে গোনা কয়েকজন কুলাঙ্গার


আরো যেইসব ধর্ম আবমাননাকারী ব্লগার সামুতে আছে তাদের তালিকা তৈরি করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করতে হবে আমাদের।

এখন আশা করছি এই গ্রেফতার এবং বিচার যেন শুধু দেখানো কিছু না হয়। আর যথাযথ প্রমান ও দেখাতে হবে যাতে নিরাপরাধ কেউ এর শিকার না হয়।

০২ রা এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৪১

এম আর সুমন বলেছেন: আপনার সাথে একমত। ভাই আমি যে ব্লগিং করি সেটা বলতেও লজ্জা লাগে এদের কারনে। কি যে অবস্থা !!

১৩| ০২ রা এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৪২

কমোরেড বলেছেন: পুরাটাই নাটক। আবার এ নাটকের সাথে সুর মিলিয়ে সামুর মায়াকান্নাও দেখার মতো।

সব নাটক মঞ্চস্থ হচ্ছে পালের গোদাগুলোকে বাচাবার জন্য।

০২ রা এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:১৮

এম আর সুমন বলেছেন: সেই রকমই তো মনে হচ্ছে।

১৪| ০২ রা এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:১০

মাইন রানা বলেছেন: পালের গোদা আসিফ মহিউদ্দিন কই? তাকে ধরছে না কেন? এই ব্লগে
সেইতো সবচেয়ে বেশী ইসলাম বিরোধী লেখা লিখত আশ্লীল ভাষা ব্যবহার করত।

০২ রা এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:১৯

এম আর সুমন বলেছেন: ঠিক বলেছেন। আসিফ কই!!!

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.