নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

দেশপ্রেম হচ্ছে দুবৃত্তদের সর্বশেষ আশ্রয়স্থলঃ Samuel Johnson

গতানুগতিক

এম আর সুমন

গতানুগতিক

এম আর সুমন › বিস্তারিত পোস্টঃ

বাম নিয়ন্ত্রিত সরকার কতৃক ডমেষ্টিক ব্লগার আসিফের গ্রেফতার ও ২৫০ টাকায় আলেম কেনার সুফল -কুফল

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৩৫

বামরা গনতন্ত্রে বিশ্বাস করে না। বিশ্বাস শব্দটির সাথে বামদের এক ধরনের শত্রুতাও সর্বজনবিদিত। বর্তমান বাম নিয়ন্ত্রিত জগাখিচুড়ি সরকার গত দু'দিন ধরে কতিপয় ধর্মবিদ্বেষী ব্লগারদের গ্রেফতার করা শুরু করেছে।

এই ধর্ম বিদ্বেষীদের গ্রেফতারের দাবি সাধারন মানুষ অনেক আগে থেকেই করে আসছিলো। এক বছর আগে হাইকোর্টও এদের বিরুদ্ধে রুলিং দিয়েছে।

এমনকি বর্তমানে তাদের লেখালেখি পত্রপত্রিকায় প্রকশিত হওয়ার পরে ২৩ দিন অতিবাহিত হয়েছে। অবশেষে দায়সারা হলেও সরকার চেষ্টা করছে ধর্ম সম্রাজ্যে তাদের হৃত গৌরব পুনরুদ্ধারের। সেই প্রয়োজনে তাদের নানাবিধ নাটক , উপনাটক, নাটিকা ইত্যাদি সাজাতে হচ্ছে। সেই নাটক সব যে একপর্বে সমাপ্য, তাও নয়। বরং ইন্ডিয়ার ঘটিষ্ট এই সরকারের বাম অংশ ইন্ডিয়ার সিরিয়ালগুলোর অনুকরন করতেই বেশি পছন্দ করছেন।

হেফাজতে ইসলামের লংমার্চ ঠেকানোর জন্য সরকারের আপ্রান চেষ্টায় আমরা কেউই বাধ সাধতে চাই না। তবে সরকারের কোন অংশ সেই চেষ্টা করছে তা একটু খতিয়ে দেখার চেষ্টা করা যেতে পারে।

দেখা যাক বর্তমান সরকারে বাম অংশগ্রহন কতটা.....

১। ব্যারিষ্টার শফিক আহমদ আইন মন্ত্রণালয়,

২। আবুল মাল আবদুল মুহিত অর্থমন্ত্রণালয়,

৩। হাসানুল হক ইনু তথ্য মন্ত্রণালয়,

৪। দিলীপ বড়ুয়া শিল্পমন্ত্রণালয়,

৫। দপ্তরবিহীনমন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত,

৬। আ ফ ম রুহুল হক স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়,

৭। নূরুল ইসলাম নাহিদ শিক্ষা মন্ত্রণালয়,

৮। বেগম মতিয়া চৌধুরী খাদ্য মন্ত্রণালয়,

৯। শাহজাহান খান নৌ মন্ত্রণালয়,

১০। এ্যাডভোকেট আবদুল মান্নান গণপূর্ত মন্ত্রণালয়,

১১। ইয়াফেস ওসমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

.......... .........

বাম নেতা নূহ উল আলম লেলিনকে প্রেসিডিয়ামের সদস্য করা হয়েছে। এ ছাড়াও আরো অনেক সাবেক বামনেতাদের প্রশাসন ও দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছেন, সবার নাম উল্লেখ করলাম না।



এখন কথা হচ্ছে, একসময় যারা বঙ্গবন্ধুর বিচার চেয়েছেন, বঙ্গবন্ধুর চামড়া দিয়ে ডুগডুগি বাজাতে চেয়েছেন, এমনকি এই বাম দলগুলো প্রথম বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ছয় দফারও বিরোধীতা করেছিলেন। তারা তাদের খোলস থেকে কতটা বের হয়ে আসতে পেরেছেন বা কতটা আওয়ামী মানসিকতায় আসতে পেরেছেন এটা নিয়ে আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেতাদের শুরু থেকেই সন্দেহ ছিলো।

তারপরেও ধরে নিলাম শাহবাগ আন্দোলনে এরা সরকারের উপকার করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু এদেশে সেই ৭২ সাল থেকে , বামরা যেদিকে চায় , সাগর শুকিয়ে যায় । এভাবেই তাদের বুদ্ধিতে শাহবাগ বুমেরাং হলো। শেখ হাসিনা ও তাদের আওয়ামী পন্থী অংশ ধারনা করলেন সমস্যা নাই, বাম অংশের হাতেই রয়েছে শাহবাগ আন্দোলন।

কিন্তু লেনিন সাহেব তার ম্যাডামকে জানিয়ে দিলেন এই আন্দোলনের বক্তৃতা আসলে তিনি লেখেন না।

মানে হচ্ছে অন্য কেউ লেখে। যাই হোক আওয়ামী পন্থিরা হয়তো ভুলে গেছেন যে এক জায়গায় ১০ জন বাম নেতা থাকলে সেখানে দল থাকে ১৩ টা। কারন এরা এক একজন এতই জ্ঞানী যে এক একজনে গড়ে একটা দলেও কুলোয় না। সেই বাম অংশের প্রতি ভরসা করে এখন বুমেরাং হয়ে গেল।

যতই গানম্যান দিয়ে নিরাপত্তা দেয়া ডমেষ্টিক ব্লগারদের গ্রেফতার করা হোক, ইসলাম পন্থীদের মান এই সরকার ভাঙাতে পারবেন বলে তো মনে হয় না। আর ভোটের রাজনীতিতে বামদের কোনো ভোট আছে বলে তো শুনিনি।

এদিকে ব্লগারদের এই গ্রেফতাদের মহাজ্ঞানী বাম অংশ চটে যাবে এতে কোনো সন্দেহই নাই।

ইতিমধ্যেই মহিউদ্দিনের পক্ষে বাক স্বাধীনতার জন্য অশ্রু বিসর্জনকারীদের কর্মকান্ডে তার যথেষ্ট প্রমানও মিলেছে।



তলে তলে যে হেফাজতকে ঠেকানোর চেষ্টা তারা করছেন না তাও না। এদেশে একমাত্র বামদেরই ধারনা যে তারা পৃথিবীতে সব থেকে বেশি বুদ্ধিমান। আর সবাই কম-বেশি বোকা। সুতরাং আলেমদের বিরুদ্ধে টাকা পয়সা দিয়ে কিছু আলেম দাঁড় করিয়ে দিলেই হলো !!!

এত বড় একটা বিষয়কে এত সহজে সমাধান করার প্রচেষ্টাই বলে দেয় যে বামরা এদেশে কেন ভোট পায় না।

নিচের খবরটি দেখেন,

হেফাজতে ইসলামের ৬ এপ্রিলের লংমার্চ প্রত্যাহার জানাতে বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে ‘সচেতন হক্কানী আলেম সমাজ’ নামের নতুন একটি সংগঠন। সরকারের পক্ষে কাজ করা এই সংগঠনটির সংবাদ সম্মেলনে জনপ্রতি ২৫০ টাকা দিয়ে লোক জমায়েত করা হয়।



বিষয়টি তখনই প্রকাশ পায় যখন প্রতিশ্রুত টাকার পরিমাণ কম হয়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে সংবাদ সম্মেলনে যোগ দেয়া কয়েকজন নতুন বার্তা ডটকমকে বলেন, “আমাদেরকে ২৫০ টাকা করে দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পরে প্রেস ক্লাবের নিচে এসে সবাইকে ২০০ টাকা করে দেয়া হয়।”



সংবাদ সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী আরেকজন নতুন বার্তা ডটকমকে বলেন, “আমাদের মধ্যে অনেকে মসজিদের ইমাম এবং ইসলামী ফাউন্ডেশনের লোক, তারা চাকরি বাঁচানোর জন্য এখানে এসেছেন। এছাড়া বাইরের লোকও আছে।”



টাকার বিষয়টি স্বীকার করে তিনি বলেন, “এখানে যে হুজুরে (সংগঠনের আহ্বায়ক মাওলানা জহিরুল ইসলাম মিঞা)বক্তব্য দিয়েছেন তিনি ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালকের কাছের লোক।” Click This Link

আমি মোটামুটি শিওর যে এটাও একটা বাম বুদ্ধি। এখন খবরটি প্রকাশিত হওয়ার পরে হিত হলো নাকি বিপরীত হলো তা তো আপনারা বুঝতেই পারছেন।

সত্যি কথা বলতে কি এ ধরনের প্রচারনা আসলে কোনো কাজে আসে না। আলেম সমাজকে এত তুচ্ছ জ্ঞান করারও কোনো সুযোগ নাই। দেশের সব প্রযুক্তিতে উন্নত টিভি চ্যানেলগুলো মিলেও শাহবাগের ভাবমূর্তী ভুলুন্ঠিত হওয়া কিন্তু ঠেকাতে পারেনি।

একা আমার দেশের কাছে সবাই পরাজিত হয়েছে। এগুলো কি কারনে, তা এখন আর বুঝলেও কোনো লাভ আছে কিনা জানি না। হয়তো অনেক দেরি হয়ে গেছে।



মন্তব্য ২৪ টি রেটিং +৬/-০

মন্তব্য (২৪) মন্তব্য লিখুন

১| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৪৪

শোয়াইব আহেমদ বলেছেন: এক জায়গায় ১০ জন বাম নেতা থাকলে সেখানে দল থাকে ১৩ টা। কারন এরা এক একজন এতই জ্ঞানী যে এক একজনে গড়ে একটা দলেও কুলোয় না। =p~ =p~ =p~

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৫২

এম আর সুমন বলেছেন: কথাটি শুনতে কেমন লাগলেও ঘটনা কিন্তু সত্য ভাই।

২| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৫৩

আশিকুর রহমান ১ বলেছেন: ভাই নতুন বার্তা ডটকমের এই নিউজটা পইড়া হাসতে হাসতে নিচে পইড়া গেছি ;)

এইটা দেখার পর ফরিদ উদ্দিন মাসউদের সেই কয়েক শত লোকের বিশাল মহাসমাবেশের কথা মনে পইড়া গেলো!

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:১৬

এম আর সুমন বলেছেন: আমিও সেই থেকে হাসতেই আছি। ..... =p~ =p~

৩| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:২৯

রাসেল মেটামোরফোজ বলেছেন: এক জায়গায় ১০ জন বাম নেতা থাকলে সেখানে দল থাকে ১৩ টা। কারন এরা এক একজন এতই জ্ঞানী যে এক একজনে গড়ে একটা দলেও কুলোয় না। সেই বাম অংশের প্রতি ভরসা করে এখন বুমেরাং হয়ে গেল।

সহমত।

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৩ রাত ৮:২৭

এম আর সুমন বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই।

৪| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৩০

আলনূর বলেছেন: Perfect

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৩ রাত ৮:২৮

এম আর সুমন বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ

৫| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৩ রাত ৮:৩৯

নষ্ট ছেলে বলেছেন: আওয়ামী লীগের এমপি গোলাম মাওলা রনির ধারণা এই বামরাই এক সময় আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করবে।

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৩ রাত ৯:৪৪

এম আর সুমন বলেছেন: ধ্বংস করবে কি বলছেন, করেছে বলেন।

৬| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৩ রাত ৯:৪৮

বিডি আইডল বলেছেন: ইনুর মত হাভাতেরা এই কারণেই দলীয় প্রতীক বিসর্জন দিয়ে নৌকাতে ভোটে দাড়ায়

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৩ বিকাল ৫:১১

এম আর সুমন বলেছেন: তাও লজ্জাহীনভাবে।

৭| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১২:৫৫

দন্ডিত বলেছেন: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এর রাজনীতি কোথায় শুরু হয়েছিল?

বিম্পিতে বাম নেই? সংখ্যায় কম হলেও আছে।

বাংলাদেশে একসময় বামরাজনীতি অনেক জনপ্রিয় ছিল। প্রবীণ অনেক রাজনীতিবিদ বাম ঘরানার ছিলেন একসময়। শুধুমাত্র বাম হওয়াটাকে দোষের কিছু দেখি না।

দিলীপ বড়ুয়া ব্যর্থ মন্ত্রী নিজের কারনেই। বাম ঘরানার লোক এইজন্যে নয়।

আমরা সবকিছুতেই খুব স্টেরিওটাইপিং করি। আমাদের অধিকাংশ সমস্যার গোড়া এই প্রবণতাতেই।

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৩ বিকাল ৫:৩০

এম আর সুমন বলেছেন: মির্জা ফখরুল ১৯৬৯ এর গন অভ্যুত্থানের সময় ছাত্র ইউনিয়নের ঢাবি শাখার সভাপতি ছিলেন। কিন্তু তিনি ৭২ এ রাজনীতি ছেড়ে দিয়ে শিক্ষকতা পেশায় যোগ দেন। এবং ৮২ সাল পর্যন্ত আর কোনো সক্রিয় রাজনীতি করেননি।
সুতরাং তার দোহাই দিয়ে যারা দেশ স্বাধীন হওয়ার পরে বঙ্গবন্ধুর চামড়া দিয়ে ডুগডুগি বাজাতে চেয়েছেন তাদের তুলনা করা হাস্যকর।
আর বিএনপি কখোনোই এতগুলো বাম, তাও মেইনিষ্ট্রিম বামদের হাতে মন্ত্রিত্ব বা ক্ষমতা দেয়নি। সুতরাং শাখ দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করবেন না।
আর বাংলাদেশে একসময় বাম রাজনীতি অনেক জনপ্রিয় ছিল , তথ্যটি সঠিক না। বাম রাজনীতির অবস্থা বর্তমানের চেয়ে ভাল ছিল, এভাবে হয়তো বলা যায়। আর ভাসানী ভিন্ন জিনিস। তার সাথে বর্তমান এইসব বামদের তুলনা করাটাই বোকামী।
যারা বর্তমান সরকারে বাম ঘরানার আছেন, আপনি জানেন কিনা , বঙ্গবন্ধুর বিরোধীতা করাই ছিল এদের একমাত্র রাজনীতি।
এমনকি ১১ দফার মধ্যে বঙ্গবন্ধুর মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও মুক্তি দাবিটি এরা রাখতে দেয়নি। মতিয়া ছিলেন এর মুল হোতা।
কিন্তু বামদের সব সময়ই বিধি বাম, শেষমেষ ১১ দফা বঙ্গবন্ধুর মুক্তির ১ দফা দাবিতে পরিনত হয়। সুতরাং আজ বলেন, আর গতকাল, এই সমস্ত বামদের এদেশের মানুষ বার বার প্রত্যাক্ষান করেছে। আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি বিরোধীতা করেছে, এমন বাম সংগঠনের সংখ্যা কমপক্ষে দুইটি। সুতরাং বামরা জনপ্রিয় ছিল সেটা এক ধরনের গায়ের জোরের কথা।
এদেশের মানুষ যেমন বামদের পছন্দ করেনি, তেমনি অতি ডানদেরও পছন্দ করেনি। এটাই বাস্তবতা। এই সব কারনেই এইসব বামরা আজকে আওয়ামী লীগে ভীড়েছে।
আর ব্যর্থ মন্ত্রীর কাতারে শুধু দিলীপ বাবুর নাম কেন বললেন তা আমার বোধগম্য না।
দেখেন, সুরঞ্জিত .... মাল মুহিত সহ লিষ্টের প্রায় সবাই ই নানা রকম বিতর্কের জন্ম দিয়ে এ সরকারকে বেকায়দায় ফেলেছে।
কিন্তু প্যারালাল ভাবে যদি আওয়ামী ত্যাগী নেতাদের তুলনা করেন, দেখবেন তারা অনেক সহনশীল ও কম বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন। তাদের যে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে তা সঠিক ভাবে পালনও করেছেন। যেমন তোফায়েল সাহেব একটি সংসদীয় কমিটির প্রধান হিসেবে, আব্দুল হামিদ স্পিকার হিসেবে, জিল্লুর রহমান রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রশংসাই পেয়েছেন।
আমাদের জাতির কলংক যে তোফায়েল আহমেদের মত নেতাকে সাইড লাইনে বসিয়ে রেখে খেলতে নেমেছে তার দল। এটা কেন বা কি কারনে তা বিশ্লেষনের দাবি রাখে। তবে এই সব নেতা নিয়ে কোনো বিতর্ক নেই। আমার কেন জানি মনে হয় তোফায়েল আহমেদকে যদি তত্বাবধায়ক প্রধান করা হয় তাহলে বিএনপিও নির্বাচনে যাবে। এবং তোফায়েল একটি সুস্ঠু নির্বাচন করবেনও। এতটাই গ্রহনযোগ্যতা আছে এসব নেতাদের। যাই হোক দন্ডিত ভাই, কি মনে করে আপনারা আওয়ামী লীগকে যখন বামরা গ্রাস করে , তখন তার পক্ষে কথা বলেন আমি জানিনা। আল্লাহ আপনাদের রক্ষা করুক।

৮| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:০৫

দন্ডিত বলেছেন: ১)আপনি আমার পয়েন্ট টা বুঝেন নাই। দিলীপ বড়ুয়া কে উল্লেখ করেছি টেস্টকেস হিসেবে। সবার লিস্টি দেবার দায় নাই আমার, আমি শুধু উদাহরন দিয়েছি।

২)বাম রাজনীতি দেশে জনপ্রিয় ছিল কথাটা অবশ্য ঢালাও ভাবে বলা হয়ে গেছে। বলা উচিত ছিল, কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে বাম রাজনীতি বেশ জনপ্রিয় ছিল। আমি বাম রাজনীতির সাফাই গাইতে আসি নাই। তবে বাম ঘরানার অর্থনৈতিক ব্যবস্থার প্রতি আমার ব্যাক্তিগত পক্ষপাত আছে। এর সাথে কমিউনিজমকে আশা করি গুলিয়ে ফেলবেন না।

৩) আমি আওয়ামী লীগ এবং বিএনপির অধপতনের জন্যে বামদের চেয়ে অরাজনৈতিক এলিটদের দোষ বেশী দেখি। দুই নেত্রী যেসকল উপদেষ্টা দ্বারা ঘিরে আছেন এরা অধিকাংশই বিভিন্ন পেশাজীবি, ব্যাবসায়ী ইত্যাদি ছিলেন। তৃণমূলে রাজনীতি করার অভিজ্ঞতা নাই বললেই চলে। তারা নিজেরা জনবিচ্ছিন্ন এবং নেত্রীদেরও জনবিচ্ছিন্ন করার পায়তারা কষছেন। এদের জন্যেই হাসিনা ডুববেন, খালেদাও ডুববেন। ক্ষমতায় যাওয়া শেষ কথা নয়। যদি বাংলাদেশের পতন ঘটে শুধুমাত্র রাজনৈতিক দুরদর্শীতার জন্যে ইতিহাস এদের ক্ষমা করবে না।

৪) মোহাম্মদ বিন তুঘলক নিজের বুদ্ধিতে নয়, কোন সভাসদের কুবুদ্ধিতেই রাজধানী পরিবর্তনের আত্নঘাতী সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। অথচ আমরা বলি "তুঘলকি কাণ্ড"। সুতরাং পর্দার ওপাশের গওহর রিজভী অথবা শফিক রেহমানরা বেচেবর্তে যাবেন। ইতিহাস দোষ দিবে হাসিনা খালেদাকেই।

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৫৮

এম আর সুমন বলেছেন: আপনার অনেক কথার সাথেই একমত। সুতরাং তেমন আর্গুমেন্টে যাওয়ার কিছু নাই। আর আপনি বামদের জনবিচ্ছিন্ন মনে করেন কিনা তা জানাননি। অবশ্য বামরা নিজেদের দলে কখোনো মন্ত্রী এমপি হয়েছে কিনা তা গবেষনার বিষয়। সুতরাং আপনি ভাবেন না নাই ভাবেন, বামরা জনবিচ্ছিন্ন।

আর গওহর রেজভী আর শফিক রেহমান একই কাতারে উদাহরনে আসে কিনা সেটা ভাবনার বিষয়। শফি ভাইকে খুব কাছে থেকে দেখার সুযোগ হয়েছে । সুতরাং খালেদা জিয়ার বক্তৃতায় তার প্রভাব স্বীকার করি। তবে দালালীটা কিকরে স্বীকার করবো বলেন দেখি। আমি তো নিজেই দেখছি সেই লোকটির নিজের বাবার বাড়িটা ছাড়া আর কোনো ধন সম্পদ নাই। পত্রিকাটা ছাড়তে হলো টাকার অভাবে। এমনকি বিএনপির মোর্শেদ খানও সেখানে কিছু টাকা ইনভেষ্টের কথা বলে তা করেননি। আর শফিক রেহমান একটি অনুষ্টান উপস্থাপনা করেন, বিবিসি থেকে এখোনো কিছু টাকা পান আর লেখালেখি। এভাবেই তার সংসার চলে। অবশ্য তার স্ত্রীও উপার্জন করেন। তার কাছে দালালীর কোনো পয়সা যে নেই এ বিষয়ে আমি গ্যারান্টি দিতে পারবো।
তবে আমি আবারো বলি ভূমিকার প্রশ্নে এ দূজনকে কিছুটা তুলনা করা যায় বটে। দুজন দু নেত্রীর পিছণে ভুমিকা রাখেন।

৯| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:১০

দন্ডিত বলেছেন: ৫) আমি বামদের ইতিহাস জানি ভাই। বাম রাজনীতির সাফাই গাইতে আসি নাই। বলতে চাচ্ছিলাম রাজনীতির ব্যাবসায়ী/পেশাজীবি মেরুকরনের কবলে দুইদলই পরেছে। সমস্যার গোড়াটা ঐখানেই।

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৫৯

এম আর সুমন বলেছেন: এটা একটা প্রসঙ্গ, এবং যৌক্তিকও, তবে তা আমার এই বাম তত্বকে অস্বীকারও করে না।
আমি বুঝতে পারছি যে আপনি বামদের ডিফেন্ড করতে আসেন নি।

১০| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:১৫

দন্ডিত বলেছেন: ৬) আসিফ মহিউদ্দিনকে সরকার সমর্থক ব্লগার/ফেসবুকারাও ভালো পায় না তার তীব্র আওয়ামী বিরোধীতার জন্যে। আসিফকে কোপানোর পর আওয়ামী ঘরানার অনেকই উল্লাস করেছিল। তার অনেক দোষ আছে, লেখালিখি চুরি করে, আজাইরা গালাগালি করে, কিন্তু অন্ধ আওয়ামী ঘরানার ছিল এটা বলা যায় না। সরকারের যখন শাহবাগের দরকার ছিল তখন এদের গানম্যান দিছে। যখন দরকার ফুরাইছে তখন রিমাণ্ডে নিয়ে পিটাইতেছে। একজন আসিফ রাষ্ট্র/সমাজের জন্যে কোন বিপদ নয়। এরকম অনেক হিটাসীকার লোকজন আগেও বাংলাদেশে ছিল, এখনও আছে, ভবিষ্যতেও থাকবে। কিন্তু রাজনৈতিক দলগুলা তারে কেন্দ্র করে যে খেলাটা খেলতেছে তাকে ঘৃণা জানানো ছাড়া আর কিছুই বলার নাই।

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৩ রাত ৮:০২

এম আর সুমন বলেছেন: এ পয়েন্টে পুরোপুরি সহমত।
ধন্যবাদ দন্ডিত ভাই, সময় করে আমার ব্লগে আসার জন্য।

১১| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৩ রাত ৮:১০

দন্ডিত বলেছেন: রাজারবাগীর পোস্টে একটি মন্তব্য করেছিলাম অনেকটা এরকম:(পোস্ট মুছে দেয়া হয়েছে দেখে এখানে দিচ্ছি)

আপনাকে আমার দেশ স্টাইল বলি নাই। বলেছি ঐ পোস্ট টাকে। ঐ পোস্ট ছিল অপ্রাসংগিক "ক্যারেক্টার এসাসিনেশন"। একি কাজ অনেকদিন থেকেই নিষ্ঠার সাথে আমার দেশ করে গেছে।

হেফাজতে ইসলামের সাথে দ্বিমত হতে আমার তার নেতার ক্যারেক্টারের অপ্রাসংগিক আলোচনার চেয়ে জরুরী আন্দোলনের দাবী দাওয়া কি কি। সেখানে যদি আমি দ্বিমত হৈ তাহলে তাদের নেতারা কিভাবে কি করেছে ঐগুলো অপ্রাসংগিক হয়ে পরে। শাহবাগের সাথে একমত হবার জন্যে তাদের দাবীদাওয়া কর্মসূচী ইত্যাদিই যথেষ্ঠ। আন্দোলনের সাথে সম্পর্ক হীন আপাত অপ্রাসংগিক জিনিসপত্র আমার জানার দরকার নাই। জানার দরকার নাই ইমরান এইচ সরকার কবে কোন টয়লেটে প্রাকৃতিক কাজ করেছে। কারন যেমনভাবে হেফাজতে ইসলামের সাথে ব্রিটিশ/ওহাবী পৃষ্ঠপোষকতার খবর অপ্রাসংগিক তেমনভাবে শাহবাগের সাথে কে কবে ব্যাক্তিগত জীবনে কি করেছে সেটাও অপ্রাসংগিক।

ক্যারেক্টার এসাসিনেশন খারাপ জিনিস। নিজে ভুক্তভোগী না হলে এর গুরুত্ব বোঝা যায় না। আশাকরি আপনিও বুঝেছেন অপ্রাসংগিক ক্যারেক্টার এসাসিনেশন কাররই ভাল লাগে না।

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৩ রাত ৮:৪৩

এম আর সুমন বলেছেন: আপনি আমার দেশ ষ্টাইল বলার আগে @ আমার নাম ও নস্ট শয়তান এর নাম উল্লেখ করেছিলেন। যাই হোক, এটা আমাকে উদ্দেশ্য করে না বললে আমার বলার কিছু নাই।
আর ব্যক্তিগত বিষয়াদি নিয়ে ঘাটাঘাটি করাটাও আমি প্রাসঙ্গিক মনে করি না।
তবে শাহবাগের বিষয়টিতে কিছুটা ভিন্নতা আছে। সেখানে উদ্যোক্তারা ব্লগার পরিচয়ে ই কিন্তু গিয়েছেন। যদিও ইমরান কোনো ব্লগার না বলেই আমরা জানি। এই ইমরান কিন্তু প্রথম দশদিন নেতার স্থানেও ছিলেন না। কারন সেই সময়টাতে আন্দোলন ছিল স্বতঃস্ফূর্ত।
তো ব্লগার পরিচয় যখন আপনি দিবেন তখন ব্লগে আপনি ঠিক কি ধরনের লেখালেখি করেন সেটাও গুরুত্বপূর্ন হয়ে দাঁড়ায়। ব্লগে লেখা প্রকাশ কি ব্যক্তিগত পর্যায়ে থাকে?
সেখানে তারা যেভাবে ধর্ম ভিত্তিক দল নিষিদ্ধ করার দাবি করেছিলো তার সাথে তাদের পূর্বের এই লেখালেখির একটি সম্পর্ক খুব স্বাভাবিকভাবেই এসে যায়।
এখন ধর্মভিত্তিক দল থাকতে পারবে কিনা সেটা নিয়ে আমাদে মধ্যে দ্বিমত থাকতে পারে। কিন্তু যারা ধর্মভিত্তিক রাজনীতির পক্ষে তাদের তো গায়ে লাগারই কথা।
দুই ধরনের যুক্তি এখানে আছে, ধর্মের নামে আপনি দল করতে পারবেন না। ধর্ম ও রাজনীতি আলাদা আলাদা বিষয়। এটা এক ধরনের মত।
আবার গনতন্ত্রে ধর্ম কেন আমি যদি কলাগাছের নামে ভোট চাই তাও আপনাকে চাইতে দিতে হবে। তবে দেশের কনষ্টিটিউশন মেনে। তাছাড়া ইসলাম ধর্মের স্বয়ং মহানবী সঃ থেকে শুরু করে অনেক বুজুর্গ ব্যক্তি রাজনীতি করেছেন। সেটাও একটা যুক্তি। দুটি যুক্তির পক্ষেই লোক থাকবে। কোনোটায় কম, আবার কোনোটায় বেশি।
যাই হোক বিভিন্ন কারনে শাহবাগের যারা ধর্মবিদ্বেষী ব্লগার আছেন তাদের নিয়ে সন্দেহ ও সংশয় প্রকাশ করেছে বিশাল এক জনগোষ্ঠি। কিন্তু তাদের যে মূল দাবি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সেই প্রশ্নে কিন্তু এক জামাত ছাড়া কেউ বিরোধীতা করেছে বলে শুনিনি। সর্বোচ্চ যে কথাটি এসেছে তা হলো, বিচার মানেই ফাঁসি নয়। ফাঁসি চাই না বলে বিচার চাই বলাই ভাল ছিল।
যাই হোক, ধর্মের বিষয়ে ব্যক্তিগত বিদ্বেষের কারনে এই দাবি অনেকে তুলেছেন নাকি সত্যিই দেশপ্রেম এর কারনে তুলেছেন এটা নিয়ে অবশ্যই তর্ক হতে পারে।

১২| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৩ রাত ৯:০৩

দন্ডিত বলেছেন: '@' দেয়াটা কনফিউজিং ছিল। ভুল বুঝে থাকলে স্যরি। আমার বক্তব্যটার দিকে আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলাম।

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৩ রাত ৯:০৫

এম আর সুমন বলেছেন: ঠিক আছে ভাই। এমনটি হলে তো আর কথা থাকে না। আপনাকে ধন্যবাদ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.