| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
তাহলে ভাইজান , কি দাঁড়াইলো বিষয়টা?
ঘাদানিক ও ইদানিং হরতাল ডাকতাছে !!!!
একেবারে দেশব্যাপী। অবশ্য কোনো কর্ম দিবসে না, তারা বন্ধের দিনে হরতাল ডাকছে!!!
বন্ধের দিনে এরা আর কি বন্ধ করবো কে জানে !!
আমার দৃঢ় বিশ্বাস, সারা বাংলাদেশে তো অনেক দূরের কথা , দেশের যে কোনো একটি উইনিয়নেও সর্বাত্মক হরতাল করার মত লোকবল, বা জন সমর্থন ঘাদানিকের নাই। এরা আবারো প্রমান করলো যে তারা কতটা আওয়ামী লীগের বাই প্রডাক্ট।
আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় যে শাহরীয়ার কবির পাকিস্তানী সেনাদের মুরগী সাপ্লাই দিত, আর সেই মুরগী খাইয়া মোটাতাজা হইয়া পাকিস্তানিরা আমাদের সাধারন নাগরীকদের গুলি করেছে, সেই লোকের মুখে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা শুনতে হচ্ছে।
বলি, দেশে কি সত্যিকারের মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পক্ষের লোকজনের এতই ঘাটতি পড়ছে ???
যারা বার বার মুক্তিযুদ্ধের নাম ভাঙিয়ে রাজনীতি করার কারনে দেশের মানুষের ও সাধারন মুক্তিযোদ্ধাদের কাছ থেকে ধিকৃত হয়েছে তাদের কথায় আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা শিখতে হবে???
সাথে যোগ হয়েছে সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম। এই ফোরামে সত্যিকারের সেক্টর কমান্ডার কয়জন আছে সেটা খুঁজতে রীতিমত স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডের গোয়েন্দা লাগবে। আর আওয়ামী অপসংস্কৃতি ব্যক্তিত্ব ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন তো জাতির কাছে আজ ঘৃনীত । শাহবাগের ফুটন্ত গোলাপের মত পবিত্র ও স্বতঃষ্ফূর্ত একটি আন্দোলনকে সরকারের হাতে এভাবে তুলে দিয়ে , রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার সুযোগ দেয়ার জন্য এই লোকই সব থেকে বেশি দায়ি।
সুতরাং এরা জনবিচ্ছিন্ন ও সুবিধাভোগী শ্রেনী। এদের কাছ থেকে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা শিখতে হবে ???
মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কি এতই ঠুনকো !!!
হেফাজতে ইসলাম যে ১৩ টি দাবি করেছে তার মধ্যে কোনো যুদ্ধাপরাধী বা তত্বাবধায়ক বা অন্য কোনো রাজনৈতিক ইস্যুই নাই। হেফাজতে ইসলামের বক্তব্য দেখেন, সংগঠনটির এই কর্মসূচি যুদ্ধাপরাধের বিচার বানচাল করার ষড়যন্ত্র কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে শাহ আহমদ শফী বলেন, ‘আমাদের সংগঠন অরাজনৈতিক। আমাদের আন্দোলনও অরাজনৈতিক। যুদ্ধাপরাধের বিচার, পদ্মা সেতুর দুর্নীতি ও তত্ত্বাবধায়কব্যবস্থা—এগুলো রাজনৈতিক। এসব বিষয় আমাদের আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়।’
Click This Link
খুবই স্পস্ট এবং ঝকঝকে কথা। এখানে কোনো ঘোরপ্যাচ নাই।
এখন এদের মধ্যে যুদ্ধাপরাধী ইস্যু কেন দেখলেন এনারা?
এই উত্তর দিতে গেলে কয়েকটি দিক খেয়াল রাখতে হবে।
১। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের প্রশ্ন নিয়া রাজনীতি করা ছাড়া শাহরীয়ার কবির বা হুমায়ুন ভাইদের আর তেমন কোনো কাজও নাই। এরা যতটুকু রাজনৈতিক ফায়দা লোটার তা এই ইস্যুর মাধ্যমেই করে থাকে।
২। সরকারের একটি অংশের ধারনা তাদের সকল ক্রান্তিকালে এই ইস্যুই তাদের বাঁচিয়ে দেবে। সুতরাং তাদের অনুগত টিম মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হলো।
৩। কোনো ভাবে হেফাজতের এই কর্মকান্ডে যুদ্ধাপরাধী ট্যাগ লাগাতে পারলে আন্দোলন স্তিমিত হয়ে যাবে বলে ধারনা করছে সরকার।
৪। এই কারনটি শেষে উল্লেখ করলেও এটিই প্রধান কারন হতে পারে, আর তা হলো, যেহেতু ১৮ দলের সমর্থন আছে এই লংমার্চে সুতরাং তাদের সরকার কোনো কারনেই জনগনের সমর্থন পেতে দিতে চায় না। মানে ভোটের রাজনীতি। মানে বিষয়টি নিয়ে হয়তো যুদ্ধাপরাধী, ইসলাম, এন্টি ইসলাম কোনো কিছুই তাদের বিবেচনায় নাই, শুধু ভোটের রাজনীতি ছাড়া।
সরকারের একটি অংশের ধারনা হেফাজতের যেহেতু জন সমর্থন অনেক এবং তাদের মধ্যে অনেকে আওয়ামী সমর্থক রয়েছেন। সেহেতু তাদের চটানোর কোনো কারন নাই। তারা তাদের কর্মসূচী পালন করুক। আর সেটা করতে দেয়া না হলে,যারা আসলে ভোটার সেই গ্রামের সাধারন মানুষের মধ্যে যখন এই সরকারকে ধর্ম বিদ্বেষী আখ্যা দিবেন আলেমরা তখন সাধারন মানুষও আর হাসিনাকে পছন্দ করলেও ণৌকায় ভোট দিবে না।
এই ধারনাটার আমি পক্ষে অবস্থান করছি। কারন আমি নিজে দেখেছি গ্রামের ভোটারদের মনোভাব। ২০০১ সালে আওয়ামী লীগের নামে যখন বলা হলো যে তারা কুকুরের মাথায় টুপি পরিয়ে ধর্মের অবমাননা করেছে, যখন বলা হলো বায়তুল মোকাররমের সামনে দাড়ি টুপি ওয়ালাদের গুলি করে করে শুইয়ে দিয়েছে, তখন লাখ লাখ সাধারন ভোটার কিন্তু আওয়ামী লীগের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিলো।
হতে পারে হেফাজতের এই যে লাখ লাখ সমর্থক তারা কেউ আওয়ামী লীগকে ভোট দেয় না। কিন্তু হেফাজতকে চটালে যে শুধু হেফাজতের ভোট পাবেনা তা নয়, এখানে মুল ভোটে সাধারন ভোটারদের আওয়ামী বাক্সের বাইরে নিয়ে যাওয়ার জন্য একটা বিশাল হাতিয়ার কিন্তু বিরোধীদের হাতে চলে যাবে।
কিন্তু অন্য একটি গ্রুপ আছে সরকারে, যাদের ধারনা যারা হেফাজতে আছে তারা আসলে কেউ আওয়ামী লীগে ভোট দেয় না। সুতরাং তাদের চটালেই বা কি হবে?
কিন্তু গত তিনদিনের ইতিহাস প্রমান করে যে এই শেষোক্ত তত্বটি খোদ সরকারই পুরোপুরি গ্রহন করেনি।
তার মানে হেফাজতে ইসলামকে সর্বাত্মকভাবে চটিয়ে তুলতে চাইবে না সরকার , যদি তাদের আক্কল থাকে। বরং হেফাজতের এই আন্দোলনে যে যুদ্ধাপরাধী ইস্যু কোনোভাবেই নাই সেই কথাটিকে বার বার প্রচার করাই সরকারের কৌশল হতে পারতো।
তারা যদি ঘাদানিক বা এই জাতীয় জনবিচ্ছিন্ন সংগঠনের নাম সর্বস্ব নেতাদের কথা শুনে প্রমান করতে চায় যে এই লংমার্চে যে লাখ লাখ বা কোটি সমর্থক আসবেন তারা সবাই যুদ্ধাপরাধের বিচারের বিরোধী তাতে কোনো লাভ তো নাই ই , বরং এই বিচারের ক্ষতিই হবে।
কারন আওয়ামী অতি উৎসাহী একটি গোষ্ঠি ইতিমধ্যেই বিএনপি সহ ১৮ দল , জাতীয় পার্টি ইত্যাদি দলকে এই বিচারের বিরোধী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করছে। তাতে কি এই বিচারের কোনো উপকার হবে , নাকি ক্ষতি?
ধরেন আমরা যদি বার বার কোটি কোটি মানুষ দেখিয়ে বলি যে এরা সবাই হাসিনা বিরোধী , এরা সবাই হাসিনার বিপক্ষে, তাহলে আমরা কতটা হাসিনার ভাল চাই ?
আমরা যদি সত্যিই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই , তবে এই বিচারের পক্ষেই বেশি লোক, সেইটা দেখানোর চেষ্টা করবো, তাইনা?
নাকি যে কোনো মূল্যেই হোক সব প্রতিপক্ষকে যুদ্ধাপরাধীর বিচার বিরোধী বলে বিচার প্রক্রিয়াকে হাল্কা করে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে চাইবো?
শেষ করবো হেফাজতের আজকের সংবাদ সম্মেলনে করা একটি উক্তির বিশ্লেষন করে। তা হলো , ওনারা বলেছেন , দেশের মিডিয়াগুলো এখোনো আলেম ওলামাদের অনেক নেগেটিভ দৃষ্টিকোন থেকে তুলে ধরা হয়। যা আমাদের তরুন, কিশোর ও কিশোরীদের মনে এক ধরনের ধর্ম বিদ্বেষ তৈরি করে দেয়।
আমি মনে করি কথাটি সত্য। আলেম দেখলেই রাজাকার, প্রযুক্তি বিরোধী বা অপ্রগতিশীল ভাবার কোনো কারন নাই। কেউ কেউ দশ ডিগ্রী উপরে গিয়ে দাড়ি টুপি দেখলেই জঙ্গি বলতেও ছাড়েন না।
চোখ বন্ধ করে ভেবে দেখেন , আপনার আমার দাদা , নানারাও এই রকম দাড়ি -টুপিতে সজ্জিত হয়ে থাকেন। তারা ধর্মভীরু। তারা এইসব ইসলামী স্কলারদের ভক্তি করেন। কিন্তু তারাই বেশিরভাগ মুক্তিযোদ্ধা। তারাই স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তি।
সুতরাং তাদের যদি কোনো মিডিয়া হেয় করে দেখায়, তাদের ভাবমূর্তী নষ্ট করতে চায় তবে আমরা কোনো শাহরীয়ার কবীরদের ইশারায় চুপ থাকতে পারি না। শুধু তাই নয় সরকারও যদি জনবিচ্ছিন্ন হতে না চায় তবে তাদেরো উচিত হবে এই আলেম ওলামাদের বিভিন্ন ট্যাগ না লাগিয়ে তারা যে দাবি করেছেন সেই দাবির যতটুকু সম্ভব মেনে নেয়া। আর তাদের কর্মসূচি যাতে শান্তিপূর্ন ও সফল হয় তার সর্বাত্মক চেষ্টা করা।
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৫৯
এম আর সুমন বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই।
২|
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:০১
আজিব শিমু বলেছেন: লেখক বলেছেন, সুতরাং তাদের যদি কোনো মিডিয়া হেয় করে দেখায়, তাদের ভাবমূর্তী নষ্ট করতে চায় তবে আমরা কোনো শাহরীয়ার কবীরদের ইশারায় চুপ থাকতে পারি না। শুধু তাই নয় সরকারও যদি জনবিচ্ছিন্ন হতে না চায় তবে তাদেরো উচিত হবে এই আলেম ওলামাদের বিভিন্ন ট্যাগ না লাগিয়ে তারা যে দাবি করেছেন সেই দাবির যতটুকু সম্ভব মেনে নেয়া। আর তাদের কর্মসূচি যাতে শান্তিপূর্ন ও সফল হয় তার সর্বাত্মক চেষ্টা করা।
+++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:০৭
এম আর সুমন বলেছেন: ধন্যবাদ আপু।
৩|
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:০৪
নেক্সাস বলেছেন: সুতরাং এরা জনবিচ্ছিন্ন ও সুবিধাভোগী শ্রেনী। এদের কাছ থেকে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা শিখতে হবে ???
মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কি এতই ঠুনকো !!
দারুন লিখা লিখে যান। এরা এখন রাজনৈতিক দেউলিয়া। রাজনীতির জলাতঙ্ক রোগে ধরেছে এদের
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:০৭
এম আর সুমন বলেছেন: রাজনীতির জলাতঙ্ক রোগে ধরেছে এদের
আমি একমত ..............
৪|
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:১৯
নষ্ট শয়তান বলেছেন: উস্তাদ আব্দুল রে কন তামুক দিতে, হাম্বা গুলা কৈ? আমি এত্তাও পাইনা। থাকলে খবর দিয়েন।
অই আব্দুল আব্দুল..........
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৩১
এম আর সুমন বলেছেন: ইদানিং এগো কম দেখতাছি................
৫|
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৪৮
আমার স্বপ্নগুলি বলেছেন: ভাল বলেছেন। আপনার কথাগুলিতে যুক্তি আছে।
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৫০
এম আর সুমন বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ। আপনার স্বপ্নগুলি সত্য হোক।
৬|
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৩ রাত ৮:০৫
নায়করাজ বলেছেন: ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির উপর আপনার এত রাগ কেন ?
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৩ রাত ৮:৪৭
এম আর সুমন বলেছেন: আমার মনে হয় পোষ্টে তা উল্লেখ করা হয়েছে। শুধু বলেন , মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কি শুধু এই মুষ্টিমেয় কিছু লোক ধারন করে? অবশ্যই না। কিন্তু তারা একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠির পদলেহন করতে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ব্যবহার করছেন। এটা কাম্য না। তাও যদি তাদের নেতা কোনো বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা হত, মেনে নিতাম। কিন্তু বিষয়টি তো সে রকমও কিছু না।
৭|
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৩ রাত ৮:৩৭
এই আমি সেই আমি বলেছেন: এক পোনা রাজাকার ( বেবি রাজাকার ) কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ আর তার জন্য জামাত শিবির হরতাল ডাকতে পারে।
যারা বাংলাদেশই চায়নি , একবারের জন্যও যারা বলেনি ৭১ এ তারা ভুল করেছে ,যারা বাংলাদেশের অভ্যুদয়কে এখনও মেনে নেয়নি । আর সেই রাজাকারের বাচ্চার জন্য বাংলাদেশে হরতাল হবে। রাস্তায় গাড়িতে মানুষ পুড়িয়ে মারবে , পাকিস্থানের আদলে পুলিশকে এভাবে পিটিয়ে মধ্যযুগীয় কায়দায় রক্তাক্ত করবে । নিভিয়ে দিবে অন্তুর চোখের দৃষ্টি , আর আমরা দেখব অন্তুর অসহায় মায়ের করুণ ভয়ার্ত চাহনি । আজকে দেখলাম ঢাকা চট্টগ্রাম রেল লাইন উপড়ে ফেলেছে । ৩০ জন আহত হয়েছে । এক ভয়ানক দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছে রেলের অগণিত যাত্রী । ইঞ্জিন সহ কয়েকটি বগি লাইন চ্যূত হয়েছে । এই তস্য রাজাকারের জন্য ঘটে যেতে পারত বাংলাদেশের ভয়াবহতম দুর্ঘটনা ।
যারা দাঁড়িপাল্লায় ভোট চেয়ে বেহেশত ফেরি করে , যারা সাইদীর ছবি চাঁদে দেখা গিয়েছে বলে ভন্ডামি করে জঘন্যতম নারকীয় তান্ডব চালায় তাদের গ্রেফতার করলে এই বাংলাদেশে হরতাল হবে আর এই বেবি রাজাকারের জন্য সাফার করবে দেশের ১৬ কোটি জনগণ ।
আর মুক্তিযুদ্বের স্বপক্ষ শক্তি হরতাল ডাকলে উপরে দেখেন ম্যাতকার শুরু হয়ে গেছে । এই পাকি রাজাকারের ঔরসে যাদের জন্ম কিংবা জন্মই যাদের আজন্ম পাপ(অবশ্য নিয়তির অমোঘ বিধান যা আর এড়ানো যাবে না পাকি বীর্যে জন্ম নেয়া এই বেবিরা তাদের এই জন্ম পরিচয় উল্লেখ করলে খুব মাইন্ড করে )তারা পোস্ট দিয়ে খোলা তলোয়ার হাতে মন্তব্যের জন্য আহবান করে আবার মন্তব্য করলে কুরুচিপূর্ণ গালিগালআজ দিয়ে ব্যান করে দেয় ।
হ্যা ভাই , বর্তমানে হরতালকে জামাত বিম্পি যেই শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গেছে এদের পক্ষে সম্ভব নয় আপনারা যেই অর্থে হরতালকে সফল বলেন সেটা করা । কারন এদের দ্বারা সম্ভব নয় রাজাকারদের মত এক হাতে কোরান কে ঢাল স্বরুপ ব্যবহার করে অন্য হাতে চাপাতি গ্রেনেড ছোড়া ।
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৩ রাত ৯:০২
এম আর সুমন বলেছেন: এই পোষ্টে জামাত শিবির আসার কোনো কারন ছিল না। এটাই আওয়ামী ষ্টান্টবাজী। এরা এখন আর জামাত এর নাম কোথাও না থাকলে রাজনীতিই করতে পারেনা।
আমি পুরো পোষ্টে বার বার বিভিন্ন উক্তি ইত্যাদি দিয়ে প্রমান দিয়েছি যে এই হেফাজতে ইসলাম কোনো ভাবেই জামাত না। আর তাদের নেতা সর্বজন শ্রদ্ধেয় আলেম আল্লামা শফি নিজের মুখে বলেছেন যে এটা যুদ্ধাপরাধী বা তত্বাবধায়ক এসব ইস্যুর জন্য না। যাই হোক বিস্তারিত আমার পোষ্টে আছে।
শুধু হরতাল নিয়ে একটি কথা বলি,আজকের বড় বড় কথা যারা বলে সেই আওয়ামী লীগ জামাতকে সাথে নিয়ে বর্তমানে যে কয়টি হরতাল হয়েছে তা ১১ গুন বেশি হরতাল করেছে। আবার গান পাউডার দিয়ে মানুষ খুন করেছে। ভাংচুর ও কম করেনি। সিরাজগঞ্জে ট্রেন পুড়িয়ে দিয়েছে। সুতরাং কেউ দুধে ধোয়া না। মিমাংসিত তত্বাবধায়ক ইস্যুটিকে চোরের মত পরিবর্তন না করলেও হত।
আর আজ যাকে রাজাকারের বাচ্চা বললেন , তাদের নিয়ে যখন আপনাদের বুবু আন্দোলন করেছে আর খালেদার নামে গালাগাল করেছে , তাকে ভুরু ছাচা পামেলা বলেছে তখন তাদের এই পরিচয় আপনাদের জানা ছিল না? যদি জানা থাকে , তবে জাশিকে দিয়ে যে গালি আপনারা খালেদাকে দিয়েছেন, সেই গালি এখন আপনাদের নেত্রীও খাবে। তাতে এত অবাক হওয়ার তো কিছু নাই ভাই।
যাই হোক, আমার এই পোষ্টের পরেও আপনি যেহেতু আবার জাশির কথা তুললেন তাতে আপনাকে বোঝাবে এ সাধ্য কার? শুধু বলি যুদ্ধাপরাধী ইস্যুটি এই আন্দোলনে নাই। সেটা যদি বোঝেন তো ভাল, আর না বুঝলে স্বেচ্ছায় এই ইস্যুটির ক্ষতি করবেন না। এটা আওয়ামী অভ্যাস।
আর ভন্ডামী না করে সিরিয়াসলি বলেন, যারা হরতাল ডেকেছে এদেশে তারা মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তির প্রতিনিধিত্ব করে? মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি এতই ছোট?
আজ মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ধারক এমন একজন যে পাকিস্তানি আর্মিদের মুরগী সাপ্লাই দিত যুদ্ধের সময়ে? ভাই ভন্ডামীরও তো একটা সীমা পরিসীমা আছে। সেটা আপনারা ভুলে যাচ্ছেন কেন।
৮|
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৩ রাত ৯:৩২
দন্ডিত বলেছেন: ১। সংবিধানে ‘আল্লাহ্্র উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’ পুনঃস্থাপন এবং কোরান-সুন্নাহ্্ বিরোধী সকল আইন বাতিল করতে হবে।
[/sb
সংবিধান সংশোধনীর দাবীর সাথে আপনি একমত?
২। আল্লাহ্, রাসুল (সা.) ও ইসলাম ধর্মের অবমাননা এবং মুসলমানদের বিরুদ্ধে কুৎসা রোধে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে জাতীয় সংসদে আইন পাস করতে হবে।
লেখালিখির জন্যে আপনি মৃত্যুদণ্ড দাবী করছেন?
৩। কথিত শাহবাগী আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী স্বঘোষিত নাস্তিক-মুরতাদ এবং প্রিয় নবী (সা.)-র শানে জঘন্য কুৎসা রটনাকারী কুলাঙ্গার ব্লগার ও ইসলাম বিদ্বেষীদের সকল অপপ্রচার বন্ধসহ কঠোর শাস্তিদানের ব্যবস্থা করতে হবে।
নেতৃত্বস্থানীয় বলতে কাদের বুঝাচ্ছেন? ইমরান/আরিফ জেবতিক/পিনাকী/মারুফ রসুল এদের কে কে নাস্তিক মুরতাদ(আমার জানামতে এদের কেউ ধর্মবিদ্বেষী তো দুরে থাক, নাস্তিক ই না)
৪। ব্যক্তি ও বাক-স্বাধীনতার নামে সকল বেহায়াপনা, অনাচার, ব্যভিচার, প্রকাশ্যে নারী-পুরুষের অবাধ বিচরণ, মোমবাতি প্রজ্বলনসহ সকল বিজাতীয় সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে হবে।
প্রকাশ্যে নারী পুরুষের চলাফেরা কে আপনি খারাপ মনে করেন? মোমবাতি প্রজ্জলনকে বন্ধ করার জন্যে আইন হোক এইটা চান?
৫। ইসলামবিরোধী নারীনীতি, ধর্মহীন শিক্ষানীতি বাতিল করে শিক্ষার প্রাথমিক স্তর থেকে উচ্চ মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত ইসলাম ধর্মীয় শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করতে হবে।
শিক্ষা নীতির পরিবর্তন চান?
৬। সরকারিভাবে কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণা এবং তাদের প্রচারণা ও ষড়যন্ত্রমূলক সকল অপ-তৎপরতা বন্ধ করতে হবে।
গত ১০০ বছরের ইতিহাসে একজন মুসলিম পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পেয়েছিলেন। সেই আবদুস সালামের কবর ভাংচুর করেছিল পাকিস্তানীরা। আমাদের দেশেও একি পরিস্থিতি হোক সেটা চান? কাউকে অমুসলিম ঘোষণা করা কি রাষ্ট্রের দায়িত্ব?
৭। মসজিদের নগরী ঢাকাকে মূর্তির নগরীতে রূপান্তর এবং দেশব্যাপী রাস্তার মোড়ে ও কলেজ-ভার্সিটিতে ভাস্কর্যের নামে মূর্তি স্থাপন বন্ধ করতে হবে।
অপরাজেয় বাংলা/জাগ্রত চৌরঙ্গীকে কি আপনার পুজার বেদী মনে হয়? ভেঙ্গে ফেলতে চান এসব?
৮। জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমসহ দেশের সকল মসজিদে মুসল্লিদের নির্বিঘ্নে নামাজ আদায়ে বাধা-বিপত্তি ও প্রতিবন্ধকতা অপসারণ এবং ওয়াজ-নসিহত ও ধর্মীয় কার্যকলাপে বাধাদান বন্ধ করতে হবে।
বাংলাদেশে ধর্মীয় কোন কাজে বাধা দেয়া হয়?
হেফাজতে ইসলাম কি চায় সেটার চেয়ে যারা হেফাজতে ইসলামের প্রতি একাত্নতা ঘোষণা করছে তাদের মন জানা জরুরী বেশী। এজন্যেই প্রশ্নটা করলাম।
০৫ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১২:০৮
এম আর সুমন বলেছেন: মূল কথা হচ্ছে আপনি ওনাদের কোনো দাবির সাথে একমত নাও হতে পারেন। আবার হতেও পারেন। আমি যেমন যারা আমাদের প্রফেটকে গালি দিয়ে লেখালেখি করেছে তাদের বিচার চাই। এ দাবিতে একমত।
তারা অত্যন্ত গনতান্ত্রিক উপায়ে লংমার্চ করবে। সেই লংমার্চে বাধা দেয়ার অধিকার তো কারোর নাই। এমনকি এই মুরগীওয়ালা কবির আমাদের মুক্তিযুদ্ধকে ও তার চেতনাকে ব্যবহার করে লাখ লাখ মুসল্লিদের শান্তিপূর্ন একটি সমাবেশে বাধা দিবে , এটা তো মেনে নেয়া যায় না।
আর আপনি প্রত্যেকটা দাবিরই অপব্যাখ্যা করেছেন। এগুলো বুঝতে হলে একটু সহজ মন নিয়ে বসতে হবে। আগে বুঝতে হবে যে আমাদের মহানবী সঃ বা আল্লাহ সম্পর্কে এই ধরনের আজেবাজে কথা লেখালেখি হলে সমাজে তার কতটা বিরূপ প্রতিক্রিয়া হতে পারে। শুধু প্রতিক্রিয়াই নয়, এর প্রভাবও অত্যন্ত মারাত্মক। এগুলো ছোটদের মনেও ধর্মবিদ্বেষ তৈরি করে দেয়।
সেখানে যে পরিস্থিতিতে এই ঘটনা ঘটেছে সেই পরিস্থিতি যাতে আর ঘটতে না পারে তার ব্যবস্থা নেয়ার প্রয়োজনেই কিন্তু এই আন্দোলনে এত এত দাবি।
আপনি সংবিধান সংশোধন বা শিক্ষা নীতির পরিবর্তন এর কথা তুলেছেন। এগুলো পরিবর্তনের জন্য সাধারন জনগনের কাছ থেকে দাবি আসতেই পারে। এতে দোষের কি দেখলেন ?
তারা তাদের জনপ্রিয়তা বা দাবির স্বপক্ষে কতটা জনসম্পৃক্ততা আছে তা প্রমানের জন্য লংমার্চ ডেকেছে। আপনি তাতে বাধা দেয়ার কে ?
যদি সেটাতে কেউ বাধা দেয় তবে সে আর জীবনে কখোনো গনতন্ত্রের কথা বলতে পারে না। আর গনতন্ত্র তো আমাদের মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনাগুলোর একটা। সেটাই যদি না থাকে তবে আপনি কিসের মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তি?
আমি আপনার প্রত্যেকটা দাবি নিয়ে আলোচনা করতে পারতাম। কিন্তু করলাম না , কারন আমি অন্তত মূল যে দাবি সেই দাবিতে একমত। এখানে আলোচনা করার কিছু নাই। কারন প্রত্যেক মুসলমানের কাছে তার বাবা বা মায়ের থেকেও মুহম্মদ সঃ হাজার কোটি গুন প্রিয়। সেখানে তাকে গালাগালি করার শাস্তি তো মুসলমান মাত্রই চাইবে। বরং আমার কষ্ট হয় তাদের জন্য যারা আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ ও এর চেতনাকে তাদের রাজনৈতিক ও অধর্মের কাজে ব্যবহার করছে। যারা যুদ্ধকালীন সময়ে বিতর্কীত ছিল, তাদের দ্বারাই আমাদের স্বাধীনতার চেতনা ভুলুন্ঠিত হচ্ছে।
আমার মনে হয় আমি বোঝাতে পেরেছি বিষয়টা।
৯|
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৩ রাত ৯:৪০
এই আমি সেই আমি বলেছেন: নায়করাজ বলেছেন: ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির উপর আপনার এত রাগ কেন ?
তাহলে মুক্তি যুদ্বের সপক্ষ শক্তি কারা ? যারা গুয়াজম নিজামীর মুক্তি চায় আর ফাসি চায় শেখ হাসিনার বেয়াই , মহিউদ্দিন খান আলমগির আর ইমরানের দাদার ।
এটাই দুঃখ জনক স্বাধীনতার ৪২ বছর পর দুইটি পক্ষ থাকবে কেন?
ভাই থাক আর লিখলাম না । আপনাদের যখন যুক্তির ভাণ্ডারে টান পড়ে তখন শুরু করেন তখন হয় শুরু গালি গালাজ নতুবা করে দেন ব্যান ।
উপরে দেখেন ৪ নং কমেন্টের ভ্রস্ট শয়তানের শব্দ চয়ন আর ভাষা ব্যবহারের নমুনা । আপনাকে মধ্যস্থতা মানছি সাহস থাকলে বলেন আমার ব্যান তুলে নিয়ে যুক্তি দিয়ে আমাকে মোকাবিলা করতে কাপুরষতা দিয়ে নয় ।
০৫ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১২:২০
এম আর সুমন বলেছেন: আপনি আবারো জামাতকে টেনে আনছেন কি জন্য? আপনার এই প্রবনতাই তো আওয়ামী প্রবনতা। খালি মনে করেন যত যাই আকাম কুকাম করি না কেন, জামাত শিবির আর যুদ্ধাপরাধী শব্দগুলি বললেই বুঝি মাফ পেয়ে যাবো। আসলে বিষয়টা তা না। বিষয়টি সম্পূর্ন ভিন্ন।
দুইটা পক্ষ কই দেখলেন? পক্ষ আসলে কিছু না। সবই ভোটের রাজনীতি। জামাত বিএনপির সাথে থাকলে আপনারা বলেন রাজাকার। আর আওয়ামী লীগের সাথে থাকলে তখন আর রাজাকার থাকে না। সিদ্ধ হয়ে যায়। এখানে কোনো পক্ষ নাই। প্রশ্ন হচ্ছে জামাত কার সাথে থাকবে সেটা নিয়ে। আর কিছুই না।
আপনাকে কখন ব্যান করলাম? ব্যান করলে লিখছেন কিভাবে?
খালি খালি অভিযোগ করেন কেন? যারা আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ ও এর চেতনাকে নিজেদের ক্ষমতায় যাওয়ার হীন স্বার্থ চরিতার্থ করতে ব্যবহার করে, যারা তাদের সকল অকর্ম ও তার দায় ঢাকতে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের চেতনাকে বার বার অপপ্রয়োগ করে, আর মানুষের মনে ধোকা দেয় তাদের যুক্তিতে ঘাটতি পড়তে পারে। কোনো সত্যের পক্ষের মানুষের যুক্তিতে ঘাটতি পরে না।
আপনাদের কোনো যুক্তি থাকে না বলেই পৃথিবীর যে কোনো বিষয়ে জাশি আর যুদ্ধাপরাধী ইস্যু টেনে আনেন। কারন আর কিছু আপনাদের বলার নাই।
আর সেই বিচারটাও যে ঠিকমত করতে পেরেছেন তাও তো না। সেখানেও বিতর্কীত ট্রাইবুনাল, নিজেরা নিজেরা ট্রাইবুনালের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে একেবারে বিচ্ছিরি অবস্থা করে ছাড়ছেন। একটা কাজও এই সরকার ঠিকমত করতে পারে নি। এমনকি জামাত নিষিদ্ধ বিষয়টিও আদালতের ঘাড়ে পেন্ডিং করে দিলেন। সুতরাং দোষ নিজেরা করে পরের ঘাড়ে চাপানোর স্বভাব ত্যাগ করেন। আর সেই সাথে প্রত্যেকটি বিষয়ের সাথে বাই হুক অর কুক, যুদ্ধাপরাধী ইস্যু না আনার আবারো অনুরোধ করছি।
১০|
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৩ রাত ৯:৪৭
আশিকুর রহমান ১ বলেছেন: পাকিস্তানী সেনাদের মুরগী সাপ্লাই দেয়া শাহরিয়ার কবির, ইমরান গংদের আসল চেহারা আজ জাতির কাছে পরিষ্কার। এরা গণ মানুষের আবেগকে ব্যবহার করে আজ আমার স্বাধীনতা এবং ধর্মকে মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। এরাই সত্যিকারের স্বাধীনতা বিরোধী
০৫ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১২:২২
এম আর সুমন বলেছেন: মুরগী কবির..............!!!
১১|
০৫ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১২:৩৭
দন্ডিত বলেছেন: তারা দাবী করার অধিকার আছে কি না তা তো আমি প্রশ্নে জিজ্ঞাসা করি নাই। নাগরিক হিসেবে অবশ্যই আছে।
আমি জাস্ট জানতে চাচ্ছিলাম তাদের এই ১৩ টি দাবীর ব্যাপারে যারা হেফাজতকে সমর্থন করছে তাদের চিন্তাভাবনা কি?
১২|
০৫ ই এপ্রিল, ২০১৩ সকাল ১০:২২
মাজহারুল হুসাইন বলেছেন: নতুন যে শিক্ষা ব্যবস্থা সরকার নিয়ে এসেছে । এর ডিটেইল সরকার পর্যন্ত খোলাসা করেনি । দন্ডিত@ আপনি কি যানেন এতে কি আছে ? জানলে আমাকে জানিয়ে বাধিত করবেন । আমাদের এই বিষয়ে আলোকিত করুন ।
শুধু এটুকু জানি প্রাইমারীতে ৩য় শ্রেনী থেকে ধর্ম শিক্ষা থাকবে তাও ৮ম শ্রেনী পর্যন্ত । আবার ধর্ম বই এর নাম হবে ---ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা । এই স্টুপিড আইডিয়া কার মাথা থেকে বের হয়েছে ?
আপানার এ ধরনের শিক্ষা ব্যবস্থায় সমর্থন থাকতে পারে আমার নাই ।
১৩|
০৬ ই এপ্রিল, ২০১৩ সকাল ১০:২৭
বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: ডুবন্ত মানুষ যেমন খড়কুট্র আকড়ে ধরে
এই সরকার এবং তাদের চমুচরা তেমনি এলোমেলো গণ মানুষের থেকে বিচ্ছিন্ন... জীবনেও এক সিট না পাওয়া বাম রামদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে তারছিড়ার মতো আচরন করছে!!!!!!
শাহবাগ যদি গণ জাগরন মঞ্চ হয় -আজকের শাপলা মোড় তবে কি! মহা গণ জারন মঞ্চ নয়!!!!!
না হলেও ১০-২০ শাহবাগীদের চেয়ে বেশী জনসমাগত হতো- তাইতো সরকার বাস, ট্রেন লঞ্চ বন্ধ করে দিয়েছে!!!!!!
তাতেও যা লোক এই রকম ৪-৫ শাহবাগ তো হবেই।
সময় থাকতে হুশ ফিরালে সরকারেরই লাভ। জনতাও শান্তি পায়। হুশ ফিরবে কি????
©somewhere in net ltd.
১|
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৫৩
বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: সুতরাং এরা জনবিচ্ছিন্ন ও সুবিধাভোগী শ্রেনী। এদের কাছ থেকে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা শিখতে হবে ???
মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কি এতই ঠুনকো !!!
++
আপনার আমার দাদা , নানারাও এই রকম দাড়ি -টুপিতে সজ্জিত হয়ে থাকেন। তারা ধর্মভীরু। তারা এইসব ইসলামী স্কলারদের ভক্তি করেন। কিন্তু তারাই বেশিরভাগ মুক্তিযোদ্ধা। তারাই স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তি।
সুতরাং তাদের যদি কোনো মিডিয়া হেয় করে দেখায়, তাদের ভাবমূর্তী নষ্ট করতে চায় তবে আমরা কোনো শাহরীয়ার কবীরদের ইশারায় চুপ থাকতে পারি না। শুধু তাই নয় সরকারও যদি জনবিচ্ছিন্ন হতে না চায় তবে তাদেরো উচিত হবে এই আলেম ওলামাদের বিভিন্ন ট্যাগ না লাগিয়ে তারা যে দাবি করেছেন সেই দাবির যতটুকু সম্ভব মেনে নেয়া। আর তাদের কর্মসূচি যাতে শান্তিপূর্ন ও সফল হয় তার সর্বাত্মক চেষ্টা করা।