| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সরকার দলীয় এমপি কামাল মজুমদার এক মহিলা সাংবাদিককে মারধোর ও শারীরিক নির্যাতন করেছিলেন। তখন অনেকে সেই ঘটনার বিচার চেয়েছিলেন, তবে বর্তমানে যারা চিল্লাচিল্লি করছেন তারা তখন কেউ মুখ খুলেননি।
Click This Link
কেউ তখন সেই মহিলা সাংবাদিককে প্রকাশ্যে অপমান ও মারধোর করার ঘটনাটিকে মধ্যযুগীয় বর্বরতা বা স্বাধীন গনমাধ্যমের উপর আঘাত ইত্যাদি বলেনি।
এমনকি এই হেফাজতের লংমার্চের দিনেই জাহাঙ্গিরনগর সহ দেশের অন্তত তিনটি পয়েন্টে গনজাগরন আওয়ামী কর্মীরা যখন হেফাজতের লোকজনকে বাধা দিচ্ছিলো তার ছবি তুলতে গেলে তাদের ক্যামেরা ছিনিয়ে নেয়। সেখানে জোর জবরদস্তি ও মারপিট করা হয়। জাহাঙ্গিরনগরের সেই ঘটনায়ও দুটি মিডিয়ার মহিলা সাংবাদিক অপমানিত হন। সেই ঘটনায় কেউ মধ্যযুগীয় বর্বরতা দেখেনি, দেখেনি স্বাধীন সংবাদ মাধ্যম বা ইনুর মতে গনতন্ত্রের উপর আঘাত হিসেবে কেউ দেখেনি।
ইনুরা গনতন্ত্রে বিশ্বাস করে , এমন কথা এদেশের কোনো সুস্থ মানুষ মনে করেন বলে আমি বিশ্বাস করি না। কারন এই দেশ ও গনতন্ত্র তাদের কিছুই দেয় নি। আমার মনে হয় দেশের একটি ইউনিয়নেও তারা নিজেদের একক সমর্থনে চেয়ারম্যান হতেও পারবে না। সেই লোক হেফাজতের এই ঘটনায় স্বাধীন সংবাদমাধ্যমের উপর আঘাত খুজছে। মানুষ কতটা নির্লজ্জ হলে পরে এ ধরনের কথা বলতে পারে পারে !
সত্যকে সত্য বলতে তো দোষ নাই। কিন্তু আজীবন এই আওয়ামী ও বামদের সত্যের সাথে বিরোধ। তারা স্বীকার করবেন না যে হেফাজতের লংমার্চে অন্তত ৪০ লাখ লোক সমাগম হয়েছে। সেখানে এক নারী সাংবাদিকের উপরে হামলা একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা।
তারপরেও হেফাজতে ইসলামী একটি পুরোপুরি অরাজনৈতিক সংগঠন হয়েও বাংলাদেশের রাজনীতিবিদদের রাজনীতি কি করে করতে হয় তা শিখিয়ে দিয়ে গেল। তারা দেখিয়ে দিলেন, কি করে একটি ঘটনার দায় স্বীকার করে দুঃখ প্রকাশ করতে হয়।
মুখে গনতন্ত্র বলতে বলতে যারা ফেনা উঠিয়ে ফেলেন , সেই আওয়ামী লীগকে তো কখোনো দেখলাম না বিশ্বজিতকে এভাবে মারার জন্য দুঃখ প্রকাশ করতে। কই দেখলাম না তো হলমার্ক বা শেয়ার বাজার নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করতে। সুতরাং শুধু রাজনীতি না, গনতন্ত্র কি জিনিস তাও শিখিয়ে দিয়েছে হেফাজতে ইসলামী।
এখন হাম্বা আর বাম্বারা একত্রে লেগেছে হেফাজত মধ্যযুগীয় দাবি করেছে এটা প্রমান করতে। সেটা যে কতটা অযৌক্তিক তা বুঝিয়ে দিচ্ছি।
হলুদ মিডিয়াগুলো ও হাম্বারা বার বার হেফাজতের দুটি দাবি নিয়ে কথা বলছে। নারী পুরুষের মেলামেশার বিষয়ে আর নতুন মূর্তি না করার বিষয়ে। কিন্তু হেফাজত মূল যে দাবিটি করেছে সেটি হলো , ধর্মবিদ্বেষী ব্লগারদের শাস্তি, ও সেই সাথে তাদের সহযোগীতা করছে যে সংগঠনগুলো, ও মানুষগুলো তাদের শাস্তি। এদের মধ্যে মুরগীওয়ালা থেকে শুরু করে অনেক ভন্ড আছেন। এটাই মূল দাবি। আবার এক রাজাকারের নাতি দম্ভোক্তি করে বলে হেফাজতের রক্ত দিয়ে আমরা শুদ্ধ হব ,, বা এই জাতিয় কথাবার্তা। কোনটা মধ্যযুগীয় বর্বরতা, আমার খুব জানতে ইচ্ছে করে।
কোটি কোটি মানুষের রক্ত দিয়ে হোলি খেলতে চায় যারা তাদের সাপোর্ট দেয়াটা বর্বরতা, নাকি যারা স্মরনকালের সবথেকে বড় সবাবেশ ঘটিয়েও কোনো সহিংস বক্তব্য না দিয়ে চলে গেলেন তাদেরটা বর্বরতা?
এই দম্ভোক্তি কি এদের মানায়? এরা এই বর্বর দম্ভোক্তি কোন সাহসে করে? এরা তো মুক্তিযুদ্ধের কেউ না। তাহলে তারা এই শক্তি পায় কোথায় ?
মুরগীওয়ালা লাখ লাখ ধর্মপ্রান মুসলমানকে জঙ্গি বলে গালি দেয়ার ধৃষ্টতা কিভাবে দেখাতে পারে?
এই ভন্ডই তো কিছু দৈনিক পত্রিকা বন্ধ ও আসিফ নজরুল, মাহমুদুর রহমান, পিয়াস করিমদের শাস্তি দাবি করেছিলেন। এই লোকই তো মধ্যযুগীয় বর্বর।
হেফাজত যে সকল দাবি করেছে তার সবগুলি মানার মত না। এটা যেমন আমরা বুঝি তেমনি হুজুররাও বোঝেন। তবুও মূল দাবিটির সাথে তারা কিছু পুরোনো দাবিও জুড়ে দিয়েছে। এ ধরনের দৃষ্টান্ত আমাদের সমাজে প্রত্যেক ক্ষেত্রেই আছে। দেখবেন যে কোনো আন্দোলনেই ১০ দফা বা ১৫ দফা ইত্যাদি দাবি থাকে। তার মধে সাধারনত প্রথম দুটি বা তিনটি মেনে নিয়েই আন্দোলন থামিয়ে দেয়া যায়। এটা যুগ যুগ ধরে এদেশে হয়ে আসছে।
অনেক্ইে হেফাজতের এই সমাবেশ থেকে বিএনপির যেটুকু লাভ হয়েছে তা খোয়ানোর আশায় একটা ভুল যুক্তি উপস্থাপন করার চেষ্টা করছে। তারা বার বার প্রশ্ন তুলছে যে বিএনপি তাদের সব দাবির সাথে একমত কি না।
আরে ভাই সব দাবির সাথে তো একমত হতে হবে না। প্রধান দাবির সাথে একমত কি না সেটাই দেখার বিষয়।
উদাহরনটা একটু হাম্বা আর বাম্বাদের গায়ে লাগিয়ে দেয়া যাক,
শাহবাগ আন্দোলনে মূল দাবি যুদ্ধাপরাধের বিচার। কিন্তু সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব করা, মাহমুদুর রহমানের গ্রেফতার , আমার দেশ বন্ধ, ইসলামী ব্যাংক বন্ধ, বা কাদের সিদ্দিকীকে রাজাকার বলতে হবে, অথবা ধর্মবিদ্বেষী ব্লগার রাজিব মুক্তিযুদ্ধের শহীদ, এগুলো কথায় যারা একমত না হবেন, বা এসব দাবির সাথে যারা একমত না হবেন তারা যে এই শাহবাগ আন্দোলনে সমর্থন দিতে পারবেন না এমনটি তো নয়। যারা যারা শাহবাগে গেছেন তারা সবাই সংবাদপত্রের স্বাধীনতা খর্ব করতে চান এটা আমি বিশ্বাস করি না। এটা বিশ্বাস করলে তো মানতে হয় শাহবাগীরাই দেশকে মধ্যযুগে নিয়ে যেতে চাচ্ছে।
কিন্তু আমি তা বলতে চাই না। আমি বলতে চাই , অন্যান্য দাবি না, কেবল যুদ্ধাপরাধের বিচার প্রশ্নে এখানে সবাই একমত। এটাই এক নম্বর দাবি।
সুতরাং একটা আন্দোলনে একাত্মতা যারা জানাবেন, তারা যে আন্দোলনকারীদের সকল দাবির সাথেই একমত হবেন এমনটি নয়।
যদি না বুঝে থাকেন কথাটা, তবে আবারো আবারো কষ্ট করে একবার পড়ুন। তারপরে নোংরা অপপ্রচার বন্ধ করুন।
যতই মুখ ঝুলিয়ে ঝুলিয়ে হেফাজত খারাপ, তাদের দাবি খারাপ, তাদের কাছে যারা গেছিল তারা খারাপ, তাদের যেসব সাধারন মানুষ স্বতঃস্ফ’র্তভাবে খাবার ও পানি খাইয়েছে তারা খারাপ ইত্যাদি বলার চেষ্টা করেন, ততই প্যাচে পড়বেন। ততই মানুষ হাম্বাদের আসল চেহারাটা চিনতে পারবে। এটাই বাস্তবতা।
এই হাম্বা সরকারের বিরুদ্ধে কথা বললেই, জাষ্টিজ হাবিবুর রহমান খারাপ, ড. ইউনিস নোংরা, ব্যারিষ্টার রফিকুল হক বয়স্ক পাগল, তাদেরই সাবেক এমপি, বিশিষ্ট সাংবাদিক এবিএম মুসা মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে যান। সেই দল যে হেফাজতের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও অন্যায়ভাবে ব্যক্তিগত আক্রমনের চেষ্টা করবে তা তো আমরা সবাই জানতাম।
তার পরেও যে হেফাজত তেমন কোনো বিতর্কের মধ্যে পড়েনি, তারপরেও যে তারা স্মরনকালের সব থেকে বড় সবাবেশ অত্যন্ত শান্তিপূর্ন ভাবে করতে পেরেছে, এটাই সবথেকে বড় শিক্ষা । সেই শিক্ষা অন্তত ইনু সাহেবদের বোঝার কথা না। কারন তারা জনগন নিয়ে দল করেন না। তাদের ডাকে একসাথে ৩০০ লোক আসে কিনা তাও অনেকের সন্দেহ আছে।
জাতির আজ সবথেকে বড় দুর্ভাগ্য হচ্ছে সেই চালচুলোহীন , জনবিচ্ছিন্ন মানুষগুলোই আজকে ক্ষমতায়।
০৮ ই এপ্রিল, ২০১৩ বিকাল ৫:১৩
এম আর সুমন বলেছেন: ধন্যবাদ
২|
০৮ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১২:১০
১৪ বলেছেন: সবার মুখ বন্ধ কেন?
০৮ ই এপ্রিল, ২০১৩ বিকাল ৫:১৪
এম আর সুমন বলেছেন: কি জানি, এরা বেগতিক দেখলে আর কাছে আসে না।
৩|
০৮ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১২:১২
আশিকুর রহমান ১ বলেছেন: হাম্বারা এখন টিনের চশমা লাগাইয়া ঘুরে! তাই তারা দেশের ইতিহাসের স্মরনকালের সর্ববৃহত্ সমাবেশে জমতি কানেকশন খুইজা পায়।
আর হনুদের কথা কি কমু। এরা হাম্বাদের কাঁদে বইসা হাম্বাদের নাচাইতাছে। হনুরা খালি বড় বড় কথা কইতে পারে। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায় মুরগী চুরার মতো পাবলিকের দৌড়ানি খাইয়া সেলুনের ভিতরে যাইয়া লুকায়।
০৮ ই এপ্রিল, ২০১৩ বিকাল ৫:১৪
এম আর সুমন বলেছেন: হাম্বারা এখন টিনের চশমা লাগাইয়া ঘুরে!
৪|
০৮ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১২:১২
শোয়াইব আহেমদ বলেছেন: + দিলাম। তবে সব চেয়ে অবাক হয়েছি মিডিয়ার ভূমিকা দেখে, হলুদ রঙেরও ত একটা সম্মান আছে এরা দেখছি সেটাও রাখবেনা ।
০৮ ই এপ্রিল, ২০১৩ বিকাল ৫:১৫
এম আর সুমন বলেছেন: ঠিক বলেছেন।
৫|
০৮ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১২:১৫
এম এম হোসাইন বলেছেন: ++++++++++++++++++
০৮ ই এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:১০
এম আর সুমন বলেছেন: ধন্যবাদ
৬|
০৮ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১২:১৯
দখিনা বাতাস বলেছেন: হেফাজতের ১ম দাবির সাথে আমি একমত। সরকারও একমত। সরকারও কয়টারে ধরছে।
শাহবাগের আসল দাবির সাথে আমি একমত। সরকারও একমত। সরকারও বিচার চালাইতাছে।
তাইলে কি করমু এখন/ কি বুজমু?
আমার সমস্যা আছে ১টা বিষয়ে হেফাজতরে নিয়া। ওরা ব্লগার মানেই সব নাস্তিক বানাইয়া দিল কেন? কয়েক হাজার ব্লগারের মাঝে হাতের ১০ আন্গুলে গুইনা শেষ করা যায়- এমন কয়টা নাস্তিকের জন্য সবাইরে নাস্তিক বানাইলো কেন? ব্লগ জিনিসটা না জাইনা না বুইজা যারা এমন লাফালাফি শুরু করে-- তাদের কাছ থেকে আমি কি শিখমু?
১১০ কোটি মানুষের দেশে ১৪ কোটির উপর মুসসলমান আছে ভারতে। ভারত কি মুসলমানের দেশ কমু তাইলে? সংখায় বেশি হইলেই তার কথা ঠিক? এমন হিসাব করলে তো দুনিয়াতে মুসলমানের চাইতে অন্য ধর্মের লোকই বেশি। হেরা সবডি মিল্লা যখন একলগে কইবো, মুসলমানরা ঠিক না, এইটা কইলেই কি আমি মানতে বাধ্য যে, তারা সংখায় বেশি, কাজেই তারা ঠিক?
৯১ এ নির্বাচনের আগে আওয়ামীলীগ এমন বিশাল বিশাল সমাবেশ করছিল। দেইখা শালা মনে হইছিল, দেশটা আওয়ামীলীগের। কিন্তু ভোটের পরে কি দেখছিলেন? মানুষের সংখ্যা দিয়া বিচার না কইরা বুদ্বি দিয়া করেন।
০৮ ই এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:১৪
এম আর সুমন বলেছেন: আপনার কথার একটি অংশের উত্তর দেখলাম অন্যরা দিয়ে দিযেছেন। আর বাকি কথা গনতন্ত্রের সাথে সাংঘষির্ষক। আমরা জানি এদেশের মানুষ বামদের গোনে না। এদের এই যুক্তি ছাড়া আর কি ই বা বলার থাকতে পারে ?
সংখ্যা তত্ব আপনি উল্টা বুঝেছেন। এটাই আপনাদের দ্বারা স্বাভাবিক।
যাই হোক এক কথায় বলি, একটি নির্দিষ্ট ভুখন্ডে বা দেশে সংখ্যাগরিষ্ট যা বলে, তাই যদি মেনে নেয়া হয় সেটাই তো গনতন্ত্র । না হলে হাসিনা এখন কোন বলে ক্ষমতায় আছেন?
৭|
০৮ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১২:৪২
মোহাম্মদ সোহেল হাসান বলেছেন: +++++++++++++++++
++++++++++++++++++
০৮ ই এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:১৪
এম আর সুমন বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই।
৮|
০৮ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১:০৯
বিডি আমিনুর বলেছেন: ++++
৯|
০৮ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১:১১
ফরেক্স ট্রেডার বলেছেন: দখিনা বাতাস বলেছেন: আমার সমস্যা আছে ১টা বিষয়ে হেফাজতরে নিয়া। ওরা ব্লগার মানেই সব নাস্তিক বানাইয়া দিল কেন? কয়েক হাজার ব্লগারের মাঝে হাতের ১০ আন্গুলে গুইনা শেষ করা যায়- এমন কয়টা নাস্তিকের জন্য সবাইরে নাস্তিক বানাইলো কেন? ব্লগ জিনিসটা না জাইনা না বুইজা যারা এমন লাফালাফি শুরু করে-- তাদের কাছ থেকে আমি কি শিখমু?
চোখ থাকিতে অন্ধ হইয়া গেলে তো আর কিছু করার থাকে না। ওরা সব ব্লগারকে নাস্তিক বলে নাই। বলছে নাস্তিক ব্লগারদের শাস্তি চাই।
১০|
০৮ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১:১৯
শরীফ উদ্দীন বলেছেন: দফিনা বাতাস ভাই, আপনি যেমন জানেন তেমন তারাও জানে যে ব্লগ বিষয়টার সাথে তারা সবাই তেমন পরিচিত নয়। কিন্তু কিছু কিছু বিষয় দৃষ্টিগোচরে আসায় তারা মাঠে নামে কিন্তু কোন ক্রমেই এটা সব ব্লগারদের বুঝানো হয় নাই। শুধু ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতকারী নাস্তিক দের বুঝানো হয়েছে।
১১|
০৮ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১:৩৬
সীমানা ছাড়িয়ে বলেছেন: অন্যায় অন্যায়ই, সেটা যখন যেখানে যে পরিস্থিতিতেই ঘটুক না কেন। সেজন্য হেফাজত দায় এড়াতে পারে না। যেমন পারে না অন্যান্য সকল অন্যায়কারী।
১২|
০৮ ই এপ্রিল, ২০১৩ সকাল ৯:২১
পথহারা সৈকত বলেছেন: +++++++++++
০৮ ই এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৩৯
এম আর সুমন বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই।
১৩|
০৮ ই এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:২১
হুমায়ুন তোরাব বলেছেন: ++++++++++++
১৪|
০৮ ই এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৩৩
কপোতাক্ষের তীরে এক অসামাজিক বলেছেন: "মধ্যযুগীয় বর্বর" এই কথাটা নিয়া আমার একটু কথা আছে।
এই শুশিল গুলারে ইতিহাসটা পড়তে বলি।
যে সময়ে মুসলমান শহর গুলা হাসপাতাল, লাইব্রেরী, রাস্তা-ঘাট, ল্যম্প-পোস্ট, থেকে শুরু করে সভ্যটার সব মানদন্ডে উপরে ছিলো, তখন এইগুলার বাপেরা যে, কুড়ে ঘরে থাকতো, খাইতোও বন বাদারে ঘুরে, দুই চার খান বই খুজলে হয়তো পাওয়া যেতো।
এরা কি এই ইতিহাস পড়ে নাই, নাকি বই কেনার মত পয়সা এদের নেই। আর নাকি ইচ্ছা করেই মিথ্যা বলে।
০৮ ই এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৪১
এম আর সুমন বলেছেন: আমার মনে হয় আপনার শেষ উক্তিটি ই ঠিক। এরা ইচ্ছে করেই মিথ্যে বলে। কারন তাদের বিবেকও হাম্বা হয়ে গেছে !
১৫|
০৮ ই এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৩৬
দন্ডিত বলেছেন: ১)আপনি সত্যিই বিশ্বাস করেন যারা হেফাজতিদের বিরুদ্ধে কথা বলেছে সবাই আওয়ামী বাম?
২) আপনি নিশ্চিত যে যারা হেফাজতের সমালোচনা করছে তাদের মাঝে এমন একটা গ্রুপ নেই যারা সরকারের সমালোচনায় মুখর ছিল?
সবকিছুরই মেরুকরণ হয়ে যায়। এইটাই খারাপ লাগে। গণতন্ত্র কি জিনিস সেইটা আওয়ামীরাও বোঝে না, বিম্পিরাও বোঝে না, বামরাও বোঝে না।
টমাস পেইনের বইগুলা আমাদের সকলের পাঠ্য হওয়া উচিত। আর অবশ্যই অমর্ত্য সেনের "আইডেন্টিটি এন্ড ভায়োলেন্স"।
খুবি হতাশ।
০৮ ই এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৪৯
এম আর সুমন বলেছেন: দন্ডিত , আপনি এসেছেন ভাল হয়েছে।
আপনার প্রথম প্রশ্নের উত্তর.....আমরা তো যারা যারা হেফাজতের বিরুদ্ধে করা বলেন তাদের নামগুলোও জানি। শাহরীয়ার কবির, হুমায়ুন বা ডা. ইমরান, সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম সহ আরো ২৪ টি দল। এরা কোন দল সেটা আমি নিশ্চিত। আপনি কোনো দায়বদ্ধতার কারনে নিশ্চিত নাও হতে পারেন। তাই বলে আমি যাদের চিনি তাদের বিষয়ে নিশ্চিত কেন হব না?
এমনকি ব্লগারদের মধ্যেও কোন নিক কোন পক্ষে বলে , তা কি আমরা জানি না?
সরকারের সমালোচনায় মুখর ছিল, আবার হেফাজতের সমালোচনাও করছেন এরা কারা? নাম ও সংগঠনের নামগুলো একটু লেখেন প্লিজ। ওপেনে আলোচনা হয়ে যাক। প্যাচাবেন না। সরাসরি লেখেন। তারপরে দেখি এমন কেউ আছে কি না। আর থাকলে তারা কত শতাংশ লোক?
বরং সরকারের সাথে থেকে তাদের সবথেকে বড় শরীক এখন হেফাজতের পক্ষে। এটার কি কোনো নাম বা প্রমান চান?
আর মেরুকরন নিয়ে যা বললেন তা সত্য। এটা আমাদের উপমহাদেশের প্রত্যেকটা দেশেই অবধারিত। সেখানে কিছু বলার নাই। আপনি আপনার বিবেকের কাছে প্রশ্ন করে দেখেন। আপনাকে আমি আজ পর্যন্ত আমার কোনো পোষ্টে স্পষ্টত আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে যায় এমন কোনো কথা বলতে দেখিনি। বরং অতীতের অনেক উদাহরন দিয়ে আওয়ামী অনেক কুকর্মের বৈধতা দেয়ার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু কেন করেছেন, কি কারনে তা আমি জানি না।
সুতরাং মেরুকরন তো আমাদের অনেকের মনেও আছে। কেউ তা স্বীকার করে, আবার কেউ করে না।
১৬|
০৮ ই এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:০৭
দন্ডিত বলেছেন: ১) তেল গ্যাস রক্ষা জাতীয় কমিটি
২) আমি
৩) সিপিবি/বাসদ(এরা মহাজোটের শরীক নয়, তেলের দাম বৃদ্ধি নিয়ে হরতাল করতে গিয়ে সরকারের ব্যাপক পিটানি খাইছে, পিএসসি নিয়া পিটানি খাইছে)
বাংলাদেশে জ্বালানী নিয়ে বাটপারি নিয়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন গবেষণা গুলো এদের করা। আপনি এই ব্লগে দিনমজুর বা ফেসবুকে কল্লোল মোস্তফার স্ট্যাটাস গুলো ফলো করতে পারবেন, কিভাবে সরকার এবং হেফাজতে ইসলামের সমালোচনা একসাথে করা যায়।
৪) ফেসবুকে শূণ্য আরণ্যক, এবং চতুর্মাত্রিক ব্লগের অনেকেই এইরকম। শূণ্য আরণ্যকের আওয়ামী বিদ্বেষ এত প্রবল যে তার ফেসবুকে বিম্পির ছড়াছড়ি। দাসত্ব ভাই সম্ভবত শূণ্য আরণ্যক কে চিনেন।
৫) ফেসবুকের/সামুর বাঙ্গাল।
আপাতত এইটুকুতেই থাক। খুজলে আরো পাওয়া যাবে।
আদর্শিক দিক থেকেই হেফাজত বিরোধী হওয়া যায়, সেজন্যে আওয়ামী হওয়া লাগে না। এই সত্যটি যদি বুঝতে না পারেন তাহলে বোঝা যায় ট্যাগিং এর দায়ে জাতীয়তাবাদীরাও কম যায় না।
০৮ ই এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:২৫
এম আর সুমন বলেছেন: শতাংশ চাওয়াটা সঠিক ছিল। হেফাজতের বিরোধীতা সব বামরাই করবে। এটাই তো বলতে চেয়েছি। নতুন কোনো আইডিয়া তো দেখছি না যে আপনি আইডিয়াকেই বেশি গুরুত্ব দিবেন।
আপনি ফিজিক্সের লোক হেলে ফিজিক্সের উপরেই তো পৃথিবীর তাবত বিজ্ঞান প্রতিষ্ঠিত, সুতরাং গুরুত্ব না দেয়ার তো কিছু নাই।
আপনি যাদের নাম লিখেছেন, আমি জানি এরা কারা। সিপিবি তো মোটা দাগে হিসেব করলে এখন আওয়ামী লীগের থেকেও বেশি সরকারে আছে। এটা ব্যাখ্যা করতে হবে বলে মনে হয় না।
আর যাদের নাম লিখলেন, ( আপনি সহ, ) তাতে আমার দাবিটা আরো পাকা হয়েছে বলেই আমি মনে করি।
ভাল হয়েছে নামগুলো লিখে দিয়েছেন। এখন জনগনই বুঝুক কে কি, আর কার কথা বলার কারন কি।
১৭|
০৮ ই এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:১০
দন্ডিত বলেছেন: আপনি সংখ্যাকে খুব গুরুত্ব দেন তাই না? অফটপিকে বললাম। মাইন্ড কইরেন না। কারন আপনি শুধু তালিকা চান নাই, সাথে তাদের প্রতিনিধিত্বকারী শতাংশও হিসেব করতে ট্রাই করতেছেন।
ভাগ্য ভালো একাডেমিক মানুষ আমি। এইখানে আইডিয়াই মুল। কয়জন সেই আইডিয়ার সমর্থক সেইটা ব্যাপার না।
ভাবতেছি, পদার্থবিজ্ঞান যদি ডেমোক্র্যাসি হইত তাইলে আমি না খাইয়া মরতাম।
০৮ ই এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৩২
এম আর সুমন বলেছেন: কথাটির জবাব উপরেই দিয়েছি।
কোনো আইডিয়াও তখনই গুরুত্ব পায় যখন সেটার পক্ষে জনসমর্থন থাকে।
তার আগে তো আর গুরুত্ব পায় না। সুতরাং দেখতে হবে যে গোষ্ঠিগুলো কারা। তারা সমাজে কোনো প্রতিনিধিত্ব করে কিনা। তাদের দফা হিসেবে ধরা কতটা সম্ভব, ইত্যাদি খুবই গুরুত্বপূর্ন। অন্তত গনতন্ত্র যদি আপনি মানেন তবে এটা মানতেই হবে।
আর আপনি যেভাবে বলছেন সেভাবে হেফাজতের প্রথম দাবির পক্ষে আমিও আছি। সুতরাং আমিও একটি পক্ষ।
আওয়ামী লীগের বড় কোনো দাবি, যেটা নিয়ে তারা রাজনীতি করে, এমন কি আছে যার সাথে আপনি একমত নন?
যদি থেকে থাকে , তার পক্ষে আপনার কোনো পোষ্ট থাকলে তার লিংক দেন। আমি দেখতে চাই।
আর না থাকলে আমি আপনাকে আলাদা গোষ্ঠি হিসেবে কেন মানবো?
একই কারনে শেষোক্ত কাউকে মানবো না। মেরুকরন তো অবশ্যই আছে ভাই। যখন দেখি বটগাছ মার্কা, কুড়াল মার্কা, কাস্তে মার্কা সব শেষমেষ নৌকা নিয়ে দাঁড়িয়ে যায়, তখন তো আর আলাদা গোষ্টি হিসেবে এদের মানতে পারি না ভাই।
১৮|
০৮ ই এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৫২
দন্ডিত বলেছেন: সিপিবি/বাসদ কিভাবে সরকারে আছে বুঝলাম না।
এরা আওয়ামী লীগের সাথে জোট করার কথাও তো জানি না।
সব ইসলামী দল যেমন জামাত না, সব বামই সরকার সমর্থক না, তাই না?
ঐ লিস্টে বিশেষত ব্লগাররা যতদুর জানি বাম নন। যেমন শুণ্য আরণ্যক।
আওয়ামী লীগের জামাতফোবিয়ার মত আপনেরও তো দেখি বামফোবিয়া আছে।
১) যারা আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কথা বলবে সবাই রাজাকার।
২) যারা হেফাজতের বিরুদ্ধে কথা বলবে সবাই আওয়ামী(নাস্তিক না হলেও নাস্তিকের সহকারী
এই দুইটা বাক্যের মধ্যে যদি কোন মিল না খুজে পান তাহলে আর তর্কের মানে নাই।
বোনাস প্রশ্ন: হেফাজতে ইসলামের দাবী অনুসারে ইমরান এইচ সরকারকেও ফাসী দিতে হবে(মহাসমাবেশে বক্তৃতায় এরকম দাবী করা হয়েছে) আপনি যেহেতু তাদের মূল দাবীর সাথে একমত, সেহেতু তাকে ফাসি দেয়াটার ব্যপারে আপনি কি ভাবছেন?
যাদের ধরা হয়েছে এদের কি সত্যিই আপনি ফাসি চান? অর্থাত এরা যা করেছে তাতে মৃত্যুদণ্ড দেয়া যায় বলে মনে হয়?
০৮ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ৮:০৮
এম আর সুমন বলেছেন: সত্যিই আপনাকে বোঝাতে হলো ভাই.........
এ সরকারের মন্ত্রীদের যারা যারা সিপিবি ও বিভিন্ন বাম দলের প্রডাক্ট তাদের একটি লিষ্ট দিয়েছিলাম সেদিন। আপনার মনে হয় মনে আছে। সুতরাং এখানে প্রকাশ্যে কে কাকে কতটুকু সমালোচনা করলো তা আমি বিবেচনায় আনার পক্ষে না।
আর বাম ফোবিয়া আমার না, বরং আওয়ামী লীগের থাকা উচিত ছিল, তাহলে দলটি আজ বেঁচে যেত বলে মনে হয়।
ইমরানদের আমি সম্পূর্ন ভিন্ন একটি কারনে দোষি সাব্যস্ত করবো। তা হলো আমাদের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ব্যবসা করার যে প্রচেষ্টা তারা করেছে। তারা স্বাধীন সংবাদমাধ্যমের উপরে যে আঘাত দেয়ার চেষ্টা করেছে এবং তারা যেভাবে শাহবাগের এই মহান আন্দোলনটিকে দলীয়করন করেছে। এগুলো জাতি কোনোদিন ক্ষমা করবে না। আমিও না। আজ আওয়ামী লীগ-বাম সরকার না থাকতে পারে, বিএনপিও না থাকতে পারে, কিন্তু শাহবাগের এই গন আন্দোলনটি কিন্তু মানুষের মনে থাকবে। একই সাথে এই ইমরান আর কবিরদের সহযোগীতায় সেটা কিভাবে হাইজ্যাক হয়ে গিয়েছিলো , তাও মানুষের মনে থাকবে। সুতরাং আপনি যাদের দুধে ধোয়া তুলসী পাতা মনে করছেন তাদের পক্ষে আমি নই।
আর আমি সকল প্রকার মৃত্যুদন্ডের নীতিগতভাবে পক্ষে না। কিন্তু খেয়াল করেন, মৃত্যুদন্ড কিন্তু কোরআন শরীফেও আছে। এবং আমি বিশ্বাস করি সেটাই সঠিক। কিন্তু আমার মনে কেমন খারাপ লাগে কারো মৃত্যুদন্ড হলে। এটা অস্বীকার করবো না।
আমার মনে আছে, বিএনপির প্রথম সরকারে, সেই খুকুর মামলায় মনিরের ফাঁসি হয়েছিলো, এই সেদিন এরশাদ শিকদারের ফাঁসি হয়েছিলো এমনকি বঙ্গবন্ধুর খুনীদের ফাঁসি হলো, আমর ভাল লাগেনি।
বঙ্গবন্ধুর খুনীদের বিষয়ে আমি একটি পোষ্ট দিয়েছিলাম প্রস্তাবনা দিয়ে। আমার মনে আছে। আমি লিখেছিলাম এই খুনীদের ফাঁসি না দিয়ে একটি ছোট কারাগার করে বঙ্গবন্ধুর ৩২ নম্বরের বাসায় রাখা হোক। ও তাদের টিকিট কেটে যেন দেখা যায় সেই ব্যবস্থা করা হোক। যাতে সবাই বঙ্গবন্ধুর খুনের ঘটনার সাথে সাথে সেই ঘটনায় যারা দায়ি তাদেরও দেখতে পারে এবং ঘৃনা জানাতে পারে। শুনতে অদ্ভুত লাগতে পারে। তবে আমার মন তাই চাইছিলো।
আর আমি হেফাজতের যে দাবিটির সাথে একমত তা হলো ধর্মবিদ্বেষী ব্লগারদের শাস্তি। যা আমাদের আইনে আছে তাই অন্তত হোক। আসলে আমি অন্তর থেকে চাইনা , ভবিষ্যতে এদেশে আবারো কেউ ধর্মকে এভাবে গালাগালি করুক। আবারো কেউ আমার রাসুল সঃ কে কটুক্তি করুক। সে জন্যই শাস্তির পক্ষে আমি।
১৯|
০৮ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ৮:২৪
দন্ডিত বলেছেন: ব্লাসফেমী আইন খুব বেশী দেশে নেই।
পাকিস্তানে জিয়াউল হক ৮২ তে এইটা ইন্ট্রোডিউস করেছিল। এর অনেক এবিউজের ঘটনা আছে। এধরনের আইন ভালো নয়। কারন এদের অপব্যাখ্যা করা সহজ।
কারন "সমালোচনা" এবং "কটুক্তি" এর সীমারেখাটা অনেক ব্লার। এইসব আইন হলে সরকার নিপীড়ণের একটা হাতিয়ার পাবে।
সরকার বিরোধী নাস্তিক আছে অনেক। যারা হয়ত বিভিন্ন কারনে ধর্মের "সমালোচনা" করেছে। তাদের এই "সমালোচনা"কে "অবমাননা" হিসেবে দেখানো কঠিন হবে না। যেসকল দেশে ব্লাসফেমী আইন আছে, সেসব দেশে এই আইনের এবিউজের উদাহরণ অনেক বেশী।
এর কারন কোনটা "সমালোচনা" আর কোনটা "কটুক্তি" তা ব্যক্তি ভেদে ভিন্ন হবে। তাই অপব্যাখ্যার সুযোগ অনেক বেশী।
এদের প্রতিরোধ করতে চাইলে বুদ্ধিবৃত্তিকভাবেই করা উচিত। শক্তিপ্রয়োগে কথাবার্তা বন্ধ হলে তার ফল ভালো হয় না কখনই।
অনেকেই বাবা মার সাথে গালগালিকে এইব্যাপারটা তুলনীয় মনে করেন। এটা আসলে ভুল। কারন বাবা মা কে গালাগালি কোন "মতাদর্শিক ব্যাপার" নয়। তাছাড়া বাবা মাকে গালাগালিকারীর কেউ "ফাসি" চায় না।
মতাদর্শিক মোকাবেলা কেমন হতে পারে তার একটা উদাহরণ আমি দিচ্ছি। অসংখ্য হুংকারের চেয়ে নীচের লেখাটা অনেক বেশী ইফেক্টিভ বলে আমি মনে করি।
লেখাটির লিংক দেয়ার আগে কয়েকটি লাইন উদ্ধৃত করার লোভ সামলাতে পারলাম না,
The right to atheism - as well as the right to criticize Islam or any other religion as a system of belief - is as fundamental as the right of any religious adherent to practice their faith. Islam as an intellectual movement is not above scrutiny any more than any other religious tradition, and attempts to shut down legitimate debate using the charge of Islamophobia should be rejected.
However, what is being pursued today by individuals such as Harris and others under the guise of disinterested observation is something far more insidious. By resurrecting the worst excesses of scientific racism and its violent corollaries, Harris is heir to one of the most disreputable intellectual lineages in modern history.
Click This Link
এত মানুষ হেফাজতের পক্ষে অথচ হিটসীকার গালাগালিসর্বস্ব নাস্তিকদের বুদ্ধবৃত্তিকভাবে মোকাবেলার মত মানুষ খুবই অপ্রতুল। আশাকরি আমার অবস্থানটা ক্লীয়ার হয়েছে আপনার কাছে।
০৮ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ৮:৪২
এম আর সুমন বলেছেন: ব্লাসফেমি আইন করা বা না করা নিয়ে আলোচনা হতে পারে। তবে আপনি যে যুক্তিগুলো দিলেন তার ভিত্তিতে না।
কারন আমাদের দেশের প্রায় সব আইনেরই তো অপপ্রয়োগ হয়। অপপ্রয়োগ যাতে না হতে পারে সেজন্য আইন করার সময় অনেক সতর্ক থাকতে হয়। এগুলো যেমন আমাদের রাজনীতির ভুল তেমনি আইন প্রনেতাদেরও ভুল।
এত এত প্রায়রিটি দিয়ে যে যুদ্ধাপরাধী ট্রাইবুনাল ( মানবতাবিরোধী) করা হলো , দেখেন তাও কতবার কত রকম সংশোধন করতে হলো। কত বিতর্কের মধ্যে পড়লো। দুই পক্ষের থেকেই কত রকমের আপত্তি আসলো। সুতরাং আমাদের আইন প্রনেতাদের কিছু গাফেলতি বা অযোগ্যতা আছে।
আর দ্রুত বিচার আইন, জনরিরাপত্তা আইন বা এই কনডেম অফ কোর্ট ল , সবই দেখবেন মিসইউজ হয়েছে চিরকাল। এই যে বিএনপির শীর্ষ নেতাদের জামিন না মঞ্জুর করা হলো, সেটাও তেমন একটি উদাহরন। আইন করার সময়ই এগুলো বিবেচনা করা উচিত।
আর অন্যান্য ধর্মের সাথে ইসলামের একটু টেকনিক্যাল পার্থক্য আছে। এগুলো আপনাকে বুঝতে হবে। সব ধর্মের প্রতি রেসপেক্ট রেখেই বলছি, দেখবেন হিন্দু , বৌদ্ধ বা খ্রিষ্টানদের ধর্মের প্রবাক্তা বা অন্যদের মূর্তি বা ছবি আঁকা যায়। কিন্তু ইসলামে এগুলো নিষিদ্ধ। ফলে মুহম্মদ সঃ এর কোনো ভাল ছবিও কেউ আঁকতে চাইলে তা ইসলামে আঘাতের সমতুল্য হয়। যিশুর টা হয় না। কোনো কোনো ধর্মে মূর্তি বানালে বরং ভালই লাগে তাদের। সুতরাং ইসলাম ধর্মটি একটু সেনসিটিভ এসব বিষয়ে। তাই তাদের ক্ষেত্রে আরো সতর্ক থাকা উচিত।
২০|
০৯ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ২:১২
কাঠুরে বলেছেন: আপনি চমৎকার লিখেন ভাই। ++++++
১০ ই এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৫১
এম আর সুমন বলেছেন: ধন্যবাদ ভাইজান।
২১|
১০ ই এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৪৪
করোনী বলেছেন: By Nature আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসী দল । সন্ত্রসীদের কাছে শিক্ষনীয় কিছু আছে কি ?
১০ ই এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৫১
এম আর সুমন বলেছেন: লজ্জা লাগতাছে, কি যে কন !!
২২|
১০ ই এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৫৪
বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: জাতির আজ সবথেকে বড় দুর্ভাগ্য হচ্ছে সেই চালচুলোহীন , জনবিচ্ছিন্ন মানুষগুলোই আজকে ক্ষমতায়।
এবং তাদের পদলেহী চাটুকারের তাদের সাহায্য করছে বিবেক, বুদ্ধি আর আত্মমযাদা বিকিয়ে দিয়ে!!!!
আমজনতার জগরণে তাদের পিলে তো চমকাবেই!!!!!
২৩|
১১ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১০:৪৪
আশফাক সুমন বলেছেন: " ইনুরা গনতন্ত্রে বিশ্বাস করে , এমন কথা এদেশের কোনো সুস্থ মানুষ মনে করেন বলে আমি বিশ্বাস করি না। কারন এই দেশ ও গনতন্ত্র তাদের কিছুই দেয় নি। আমার মনে হয় দেশের একটি ইউনিয়নেও তারা নিজেদের একক সমর্থনে চেয়ারম্যান হতেও পারবে না। সেই লোক হেফাজতের এই ঘটনায় স্বাধীন সংবাদমাধ্যমের উপর আঘাত খুজছে। মানুষ কতটা নির্লজ্জ হলে পরে এ ধরনের কথা বলতে পারে পারে !" --- সহ মত।
©somewhere in net ltd.
১|
০৮ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১২:১০
ফরেক্স ট্রেডার বলেছেন: সহমত