| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
স্বপ্নের শঙ্খচিল
আমার মনের মাঝে শঙ্খচিল ডানা মেলে প্রতিদিন,ভুলতে পারিনি সেই অভিমান আবার ফিরে আসা তোমার কাছে !
অল্টারনেটিভস : নূতন রাজনৈতিক দল
সাবেক উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের উদ্যোগে নতুন প্ল্যাটফর্ম ‘অল্টারনেটিভস’
বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের উদ্যোগে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের আত্মপ্রকাশ হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার (০৬.০৩.২০২৬ইং) ‘অল্টারনেটিভস’ নামের এই প্ল্যাটফর্মের ১৭ সদস্যের ন্যাশনাল অর্গানাইজিং কমিটি
(জাতীয় সাংগঠনিক কমিটি) ঘোষণা করা হয়েছে।
তাঁদের মধ্যে তিনজন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সাবেক নেতা আছেন ৷
রাত সোয়া নয়টার দিকে অল্টারনেটিভসের ফেসবুক পেজে এই কমিটিসংক্রান্ত একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।
পরে মাহফুজ আলমের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে ওই পোস্টসেমর্থন করা হয়।
মাহফুজ আলম ছাড়া অল্টারনেটিভসের ন্যাশনাল অর্গানাইজিং কমিটির অন্য সংগঠকেরা হলেন আহমদ ইবনে আরিফ (অনি), ইমন সৈয়দ, ইমরান আহমেদ, জাহিন ফারুক আমিন, তানভীর চৌধুরী, তাজনূভা জাবীন, দুর্জয় দাশ গুপ্ত, ফরহাদুল আলম সবুজ, মায়িদা তানহা বিদুষী, মুতাসিম বিল্লাহ, মনিরুজ্জামান, মো. রায়হানুর রহমান (রাবি), মোহাম্মাদ এরফানুল হক, সাজ্জাদ হোসেন শহীদুল্লাহ, শেখ ফরিদ ও হাসান আলী। তাঁদের মধ্যে তাজনূভা জাবীন ও হাসান আলী এনসিপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক, ইমন সৈয়দ দলটির সাবেক যুগ্ম মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল)।
সাংগঠনিক প্রয়োজনের ভিত্তিতে পরে ন্যাশনাল অর্গানাইজিং কমিটির সদস্যসংখ্যা ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি করা হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে অল্টারনেটিভসের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।
পিছন ফিরে দেখা :জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়।
মাহফুজ আলম সেই অভ্যুত্থানের নেপথ্যের অন্যতম ব্যক্তি ছিলেন। অভ্যুত্থানের পর তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের লিয়াজোঁ কমিটির সদস্য হিসেবে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের তালিকা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় ছিলেন।
জুলাই অভ্যুত্থানের নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের বড় অংশ এনসিপিতে যোগ দেন। শুরুতে এনসিপির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকলেও
পরে নানা সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে মাহফুজ আলমের সঙ্গে দলটির শীর্ষ নেতৃত্বের দূরত্ব তৈরি হয়।
কারণে মাহফুজ আর এনসিপিতে যোগ দেননি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগেই নতুন একটি রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম গঠনের উদ্যোগ নেন, তারই ধারাবাহিকতায় সেই প্ল্যাটফর্মের কমিটি ঘোষণা করা হলো।
লক্ষ্য ‘পুনর্গঠন’ ও শক্তি সন্চয় :
অল্টারনেটিভসের ন্যাশনাল অর্গানাইজিং কমিটি গঠনসংক্রান্ত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে,
দেশের তরুণদের রাজনীতিতে ইতিবাচক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা, জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার হৃত স্বপ্ন পুনরুদ্ধার করা
এবং দায় ও দরদের বাংলাদেশ গড়ার জন্য সারা দেশের ছাত্র-নাগরিকদের পুনর্গঠন করার লক্ষ্য নিয়ে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম অল্টারনেটিভস ৷নবগঠিত এই কমিটির সদস্যরা সংগঠক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়,
তাঁদের প্রধান দায়িত্ব হবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে রাজনীতি-সচেতন তরুণদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করা, জুলাইয়ের শহীদ পরিবার, আহত যোদ্ধা ও নীরবে থাকা সক্রিয় আন্দোলন কর্মীদের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে নতুন নেতৃত্ব গড়ে তোলা এবং একই সঙ্গে
একটি দায়িত্বশীল ও অংশগ্রহণমূলক রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সংগঠনকে সারা দেশে বিস্তৃত করা।
এই প্ল্যাটফর্ম আগামী দিনে দেশব্যাপী সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য উপদেষ্টার পদ থেকে পদত্যাগ করা মাহফুজ আলম নতুন ধারার রাজনৈতিক শক্তি তৈরির লক্ষ্যে আবারও সক্রিয় হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন। শনিবার রাত ১২টার দিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেছেন,
যাঁরা নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত নিয়ে একসময় আশাবাদী ছিলেন, তাঁদের সঙ্গে আলোচনার পর তিনি আরেকবার চেষ্টা করে দেখতে চান। জনাব আলম আরও জানান, নতুনভাবে কাজ শুরু করার কথা বলার পর গত দুই সপ্তাহে তিনি কয়েকশ ছাত্র ও নাগরিকের সঙ্গে কথা বলেছেন, যাঁরা নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত ও বিকল্প রাজনৈতিক শক্তি নিয়ে একসময় আশাবাদী ছিলেন। সেই আলোচনার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি লেখেন, ‘যাঁদের সাথেই কথা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে এক ধরনের হতাশা ও আস্থাহীনতা দেখেছি।
কথা শেষে আমরা এ সিদ্ধান্তে এসেছি যে আমরা সবাই আরেকবার চেষ্টা করে দেখতে চাই।’
মাহফুজ আলম আরও লিখেছেন, ‘আপনারা যাঁরা বৈষম্যহীন ব্যবস্থা, মানবাধিকার, ন্যায়বিচার ও নতুন আর্থরাজনৈতিক বন্দোবস্তে বিশ্বাসী, দ্বিদলীয় (এবারে জোট) কাঠামো নিয়ে অনাগ্রহী, তদুপরি আদর্শিকভাবে আপসহীন এবং পলিসি বেজড রাজনীতি প্রত্যাশা করেন, তাঁরা আশা করি যোগাযোগ করবেন।’
মাহফুজ আলম বলেন, ‘আমরা আপনাদের ক্ষোভ, হতাশা, অপ্রাপ্তি যেমন শুনতে চাই, তেমনি আমাদের দিক থেকে হওয়া ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক ভুল, বাস্তব সংকট ও কমতিগুলো নিয়েও কথা বলতে চাই। গত দেড় বছরের পর্যালোচনা শেষে আমরা কীভাবে নতুন করে শুরু করতে পারি, সে সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করতে চাই।’
মাহফুজ আলম বলেন, ‘আমাকেও তো এই বাংলাদেশে থাকতে হবে। আমাকেও তো এখানে এই এত শত্রু পরিবেষ্টিত, এত কম্প্রোমাইজিং এলিমেন্টের সামনে কোনো সাহসী ভূমিকা রাখা খুবই কঠিন। আমি যতটুকু সাহস দেখাতে যাব, ততটুকুই বলা হবে যে উনি ব্যর্থ। ব্যর্থ এ জন্যই কারণ হচ্ছে, এখানে যদি রাষ্ট্রের আরও অন্যান্য অঙ্গ আমাকে সাপোর্ট না দেয়, যদি দালালি করার অভিযোগে যাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, সে যদি হাইকোর্টে দাঁড়িয়ে আবার দালালি করার সুযোগ পায়—এটা তো আমার দায় না।’
মাহফুজ আলম বলেন, ‘অলিগার্করা যারা টাকা দিয়েছে, তাদের আপনি গ্রেপ্তার করলেন না, তাদের বিচারের আওতায় আনলেন না, তারা এখনো ফান্ডিং করে যাচ্ছে এবং তারা ভুলের পর ভুল এবং মিথ্যা অপপ্রচার করে যাচ্ছে—তাদের আপনি ধরবেন না, এটা তথ্য মন্ত্রণালয়ের কাজ না। আমি শেখ মুজিব হতে চাই না যে আমি পত্রিকা বন্ধ করে দেব, মিডিয়া বন্ধ করে দেব। বরং আমরা চেয়েছিলাম যে নতুন মিডিয়া দেব। নতুন মিডিয়া কি আমাদের দিতে দেওয়া হয়েছে?’
নতুন বন্দোবস্তের বিষয়ে মাহফুজ আলম বলেন, ‘রাষ্ট্রের পুনর্গঠনের প্রশ্নটা অথবা নতুন বন্দোবস্তের প্রশ্নটা আজকে মানুষের কাছে হাসির খোরাক। আজকে অনেক সুন্দর সুন্দর আলোচনা হয়, বক্তৃতা হয়—এই করে ফেলব, হেন কারেঙ্গা তেন কারেঙ্গা। কিন্তু আমরা করতে পারি নাই। কেন করতে পারি নাই? কারণ, পুরোনো বন্দোবস্তের লোকদের বসিয়ে নতুন বন্দোবস্ত সম্ভব নয়। অথবা পুরোনো বন্দোবস্তের সঙ্গে আঁতাত করে, পুরোনো বন্দোবস্তের কাছে সমর্পণ করে কোনো নতুন বন্দোবস্ত সম্ভব নয়। আমরা যদি সাহস করতে পারতাম, আমরা যদি যেই সাহস আমাদের ৫ আগস্টের আগের দিনও ছিল, সেই সাহসটা যদি আজকেও থাকত, ইনক্লুডিং মাইসেলফ, তাহলে আমরা নতুন বন্দোবস্ত করতে পারতাম, আমরা এতক্ষণে ক্ষমতাকাঠামোর পুনর্বিন্যাস করে ফেলতাম।’
নতুন যেই রাজনৈতিক দল মানুষের স্বপ্ন ছিল, সেই রাজনৈতিক দল একটা ভুল পদক্ষেপ নিয়েছে, সেই ভুল পদক্ষেপ নেওয়ার কারণে তিনি সেটার সঙ্গে নেই বলে উল্লেখ করেন মাহফুজ আলম। তিনি বলেন, ‘গণ–অভ্যুত্থানের সময়ে যেই সময়টা ছিল, সেই সময়টাতে রাজনৈতিক দলের যে ভূমিকা বা কাজের ধরন ছিল বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে একটা ক্ষেত্র প্রস্তুত করা—সেই ক্ষেত্র হয়তো প্রস্তুত করে নিতে পেরেছি বা কিছুটা কাজ করতে পারছি। কিন্তু এখন আমাদের জন্য যে বিষয়টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে গেছে, সেই বিষয়টা হচ্ছে বাংলাদেশের সামনের দিনগুলোকে দেখতে পারা এবং সামনের দিনগুলো দেখার জন্য অতীত দেখা গুরুত্বপূর্ণ।’
পোস্টের শেষে ইংরেজিতে তিনি লেখেন, ‘উই নিড ফ্রেশ ব্লাড। উই নিড নিউ পিপল উইথ হায়ার আইডিয়ালস অ্যান্ড লং-টার্ম কমিটমেন্ট।’ পোস্টটি তিনি ‘#জাস্টিস_ফর_শহীদ_ওসমান_হাদি’ হ্যাশট্যাগ দিয়ে শেষ করেন।
০৮ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:৩৯
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: সভ্যদেশে ৪/৫টরি বেশী রাজনৈতিক দল থাকেনা
........................................................................................
থাকার প্রয়োজন পড়েনা ।
এখানে যত মত তত পথ । মুক্ত স্বাধীনতা তাই দলের অভাব নেই ।
অথচ স্বাধীনতার সৌন্দর্য তার স্বকীয়তায় ।
২|
০৮ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪
ডার্ক ম্যান বলেছেন: রমজান মাস। তাই খারাপ কিছু লিখতে চাচ্ছি না। ইফতারের পর সময় হলে মন্তব্য করবো।
০৮ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:৩৫
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: রমজান মাস।বরকতের মাস ।
...........................................................
রাজনীতিতে বরকত আসুক তাই চাই ।
৩|
০৮ ই মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২০
নিমো বলেছেন: শিরোনামে ভন্ড শব্দটা বাদ গেছে।
০৮ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:৩৩
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: শিরোনামে ভন্ড শব্দটা বাদ গেছে।
..........................................................................
কে ভালো , কে খারাপ হবে এমন কোন আবহাওয়া দপ্তর নেই ।
সবাই তো অনেক আশায় বুক বেধেঁছিলো ,
নবেল লরিয়েট আমাদে র উদ্ধার করবে, এমনই করি ৎর্কমা তি নি
১৫ বৎসরের গোলামী চুক্তি করে গেছেন ।
৪|
০৮ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৩১
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: বিষয়টি বুঝতে হলে আমাদের আগে ইতিহাস জানতে হবে।
০৯ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১:২০
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: ভারতীয় বক্তব্য আমাদের প্রয়োজন নাই,
আমরা প্রতিদিনে হেনস্তা হচ্ছি,
পাকী আর মোদীর খেলা ধূলায় ।
.......................................................................
একজন রয়েল লরিয়েট আসল , আমেরিকার খায়েশে
তিনি আবার ১৫ বৎসরের গোলামী চাপায়ে দিয়ে গেলেন।
আমরা বাঙাল এবার হত দরিদ্র বাঙাল হয়ে গেলাম ।
আমরা সবাই বেকুব বাঙাল !!!
৫|
০৯ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ১০:৫১
রাজীব নুর বলেছেন: এগুলো আজাইরা। এরা অযোগ্য অদক্ষ।
©somewhere in net ltd.
১|
০৮ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৫:০৬
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আর কত নতুন দোকান ? রসুন কোয়া কোয়া হলেও এদের টিয়া এক ।