| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আরএনিটএনএন (চট্টগ্রাম): গত ৫ মে রাতে মতিঝিলে শাপলা অভিযানের পর অবশেষে নীরবতা ভেঙে ফের কর্মসূচি দিতে যাচ্ছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ।
পবিত্র রমজান মাসে শাখা ও ইউনিট পর্যায়ে জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি দেয়া হলেও ঈদের পরে জাতীয় ওলামা-মাশায়েখ সম্মেলনের মাধ্যমে বড় কর্মসূচিতে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
মঙ্গলবার হেফাজতের কেন্দ্রীয়, চট্টগ্রাম উত্তর, দক্ষিণ ও মহানগরের এক যৌথ জরুরি সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কার্যক্রমকে তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছে দেয়া এবং ১৩ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ব্যাপক গণজাগরণ সৃষ্টির জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে-
এক. পবিত্র মাহে রমজানের পর জ্বিলকদ মাসের প্রথম সপ্তাহে সারাদেশে ওলামা-পীর-মাশায়েখ ও হেফাজতে ইসলামের জেলা-মহানগর কমিটির নেতৃবৃন্দকে নিয়ে জাতীয় ওলামা-মাশায়েখ সম্মেলন।
দুই. ১৩ দফা দাবি বাস্তবায়নের জন্য প্রতিটি জেলা-উপজেলা, গ্রামে-গঞ্জে আলোচনা-সভা, সেমিনার ও দোয়া মাহফিল আয়োজন করা।
তিন. আগামী ২০ শে রমজান এ’তেকাফের পূর্বে প্রত্যেক শাখায়/ইউনিটে ইফতার মাহফিল আয়োজন করে জনসচেতনতা সৃষ্টি করা।
চার. যেসব মহানগর ও জেলা-উপজেলায় কমিটি গঠিত হয়নি, সেখানে কমিটি গঠন করা এবং পূর্বগঠিত কমিটিসমূহের তালিকা হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় কার্যালয় দারুল উলূম হাটহাজারীর মাসিক মুঈনুল ইসলাম কার্যালয়ের ঠিকানায় প্রেরণ করা।
মঙ্গলবার সকালে হেফাজতের কেন্দ্রীয় কার্যালয় দারুল উলূম হাটহাজারী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত জরুরি সভায় সারাদেশে নাস্তিক্যবাদবিরোধী চলমান গণআন্দোলনে হেফাজতে ইসলামের তৎপরতা, ৫ মে ঢাকা অবরোধ ও শাপলা চত্বরের মহাসমাবেশে যৌথ বাহিনীর বর্বরোচিত গণহত্যা, শোহাদায়ে কেরাম, হেফাজতের মহাসচিব আল্লামা জুনাইদ বাবুনগরীসহ আহত নেতাকর্মীদের সুচিকিৎসা, সারা দেশে নেতাকর্মীদের নামে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা ও ভবিষ্যত কর্মসূচি সম্পর্কে বিস্তরিত আলোচনা হয়।
২|
২৫ শে জুন, ২০১৩ রাত ১১:২১
সাবু ছেেল বলেছেন: বিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে বড় ফিতনা হচ্ছে এই হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ।প্রতিটি ইমানদার মুসলিমের মহান কর্তব্য হওয়া উচিত এদের সমূলে প্রতিরোধ করা!!
৩|
২৬ শে জুন, ২০১৩ রাত ১:৩৫
গেস্টাপো বলেছেন: বিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে বড় ফিতনা হচ্ছে এই আওয়ামী লীগ।প্রতিটি ইমানদার মুসলিমের মহান কর্তব্য হওয়া উচিত এদের সমূলে প্রতিরোধ করা
৪|
২৬ শে জুন, ২০১৩ রাত ১:৩৭
গেস্টাপো বলেছেন: আওয়ামী লীগের উচিৎ উপরের সূত্রধর সাহেবদের ভোট চাওয়া।বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার ১০% তো তারা আছেই।বাকি ৯০% মুসলিমের ভোট তাদের না পেলেও চলবে বলে আমি মনে করি
৫|
২৬ শে জুন, ২০১৩ রাত ১:৫৫
নষ্ট ছেলে বলেছেন: সাধারণ মানুষের উপর হেফাজতের প্রভাব আছে নাকি নাই সেটা গত চারটা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বুঝা গেছে। জাতীয় নির্বাচন যদি তত্ত্ববধায়ক সরকারের অধীনে হয় তাহলে সেটা ভাল ভাবেই চোখে পরবে!
হেফাজতকে নিয়ে যে সরকার চরম বিব্রতকর অবস্থায় আছে সেটা সরকারের আচরণ দেখলেই বুঝা যায়। বাবুনগরীকে ছেড়ে দেওয়া, আল্লামা শফিকে গ্রেফতার না করে পুলিশ প্রটেকশনে চট্টগ্রামে পৌছে দেওয়া, একাধিক নেতা পাঠিয়ে আল্লামা শফির সাথে সমজোতার চেষ্টা।
কিছুদিন আগে একটা খবর শুনলাম, হেফাজতের নেতৃত্তে পরিবর্তন আসতে পারে। আল্লামা শফি অন্য কারো হাতে হেফাজতের দ্বায়িত্ব দিয়ে দিবেন।
©somewhere in net ltd.
১|
২৫ শে জুন, ২০১৩ রাত ১০:৪৩
যাদব সূত্রধর বলেছেন: জামাত বিএনপি মনে হয় ওদের বড় অংকের টাকা দিচ্ছে।
এরা ধর্মে আছে কর্মে নাই !
রাজনৈতিক ইস্যু নিয়ে পাগলপারা। ভেতরে খায় ঘুষ। এটাকি তাদের ধর্ম!!!