| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ঘুমাতে অত্যন্ত ভালোবাসি। আর ভালোবাসি পড়তে। স্বপ্ন দেখি একটি স্বপ্নীল পৃথিবীর। সত্যকে ভালোবাসি, হোক তা নিজের মতের বিপরীত।
দীর্ঘ কষ্টকর রাত্রি শেষ হয়ে এসেছে। আরবের মরুভূমির বুক চিরে দেখা দিচ্ছে ভোরের আলো। নিদ্রামগ্ন শহর মক্কার সবগুলো বাড়ি। আবদুল মোত্তালিবের বাড়িটিই শুধু জেগে আছে। সম্ভ্রান্ত কুরাইশ বংশের মাথা তিনি। ক'মাস আগেই প্রিয়তম পুত্র আব্দুল্লাহকে হারিয়েছেন। সেই আব্দুল্লাহর বিধবা স্ত্রী আমিনা প্রসব বেদনায় অস্থির; তাঁর চোখে ঘুম আসে কী করে? একটু পরেই ভুমিষ্ট হল একটি শিশু- চাঁদের মত সুন্দর। রূপ দেখে তাঁর আকাশের চাঁদও মুখ লুকালো বুঝি? আনন্দাশ্রু আবদুল মুত্তালিবের দু'চোখে; নবজাতক পৌত্রের মাঝে প্রয়াত পুত্রের ছায়া খুঁজে পেলেন বুঝি?
প্রাচীরের ওপাশেই আবদুল উয্যার বাড়ি- আবদুল মোত্তালিবের আরেক সন্তান। প্রচন্ড ফর্সা বলে 'আবু লাহাব' নামে সুপরিচিত। হাড়কেপ্পন আর রগচটা বলে সমাজে তার অনেক সুনাম(!)। তারই কৃতদাসী সুয়াইবা সারারাত আমিনার শিয়রে বসে ছিল। শিশু ভুমিষ্ট হতেই দৌড়ে গিয়ে মালিককে জন্মের পুর্বেই ইয়াতীম ভ্রাতুষ্পুত্রের সংবাদ দিতে গেল। মৃত ভ্রাতার এই একমাত্র নিশানীর আগমনে তার কী হল কে জানে! আনন্দে আত্মহারা সে এক কথায় সুয়াইবাকে মুক্তি দিয়ে দিল! সমগ্র জীবনে এই বোধ হয় ছিল আবু লাহাবের প্রথম আর শেষ ভাল কাজ!
চার দশক পর। ইয়াতীম সেই ভ্রাতুষ্পুত্র এখন মধ্যবয়সী। সততা আর সুন্দর আচরন তাঁকে আরবের সবচেয়ে জনপ্রিয় মানুষে পরিণত করেছে। 'আল-আমীন' (সত্যবাদী) নামে সবাই এক ডাকে চেনে। আবু লাহাবের ও বয়স হয়েছে। সেই সাথে কৃপণতা, সম্পদের মোহ আর রগচটা স্বভাব- সবই বেড়েছে। এমনি একদিন, ভোর হতেই আল-আমীন উঠলেন শহরের নিকটবর্তী সাফা পাহাড়ের চূড়ায়। ডাক দিলেন সকলকে। বললেন, "আজ আমি যদি বলি, এই পাহাড়ের ওপাশে রয়েছে বিপদ, একদল সৈন্য জমায়েত হয়েছে তোমাদের আক্রমন করবে বলে, তবে তোমরা কি আমার কথা বিশ্বাস করবে?" রবাহুত জনতার সমস্বরে জবাব, "কেন নয়? তুমি তো আল-আমীন। তুমি তো কখনো মিথ্যে বল না!" তখন তিনি বলে উঠলেন, "তাই যদি হয়, তবে ক্বাবার প্রভুর শপথ, জেনে রাখ, এর চেয়েও ভয়াবহ বিপদ তোমাদের দিকে ধেয়ে আসছে। মৃত্যুর পর জাহান্নামের আগুন তোমাদের অপেক্ষা করে আছে। সময় থাকতেই আল্লাহকে এক ও অদ্বিতীয় সত্ত্বা-সৃষ্টিকর্তা-পালনকর্তা বলে স্বীকার করে নাও, আর আমি সেই সত্ত্বার পক্ষ হতে প্রেরিত হয়েছি তোমাদের সাবধান করে দেবার জন্য।" সমবেত জনতা নিশ্চুপ-বাক্যহারা। শুধু একটি মুখ ঔদ্ধত্য আর অহংকারে কথা বলে উঠল। দুর্বাক্যে জর্জরিত করে দিল সাবধানকারীকে। "এজন্যই কি তুমি আমাদেরকে এখানে ডেকেছো? ধবংস হও তুমি।" এক জোড়া হাত পাথর তুলে নিয়ে ছুঁড়ে দিল পর্বতারীহীর দিকে। মুখ আর হাতের মালিক আর কেউ নয়- আবু লাহাব। ক্বাবার কর্তৃত্ব হারাবার ভয় ভ্রাতুষ্পুত্র মুহাম্মাদের (স) প্রতি তার ভালবাসাকে হারিয়ে দিল সেদিন।
পরবর্তী এক যুগ ছিল নির্যাতনের যুগ। কুরাইশের সমস্ত মনোযোগ কেন্দ্রীভূত হল এ নতুন আদর্শের কণ্ঠরোধে। স্ত্রী উম্মে জামিলাকে সাথে নিয়ে আবু লাহাব এ অপকর্মে সকলকে ছাড়িয়ে গেল। প্রথমেই মুহাম্মাদের (স) দুই কন্যা, যাদের সে স্বীয় পুত্রবধুরূপে বরণ করেছিল, তাঁদের পিতার গৃহে ফেরত পাঠিয়ে দিল। পথের উপর কাঁটা বিছিয়ে তাঁর চলাচলে বাধার সৃষ্টি করতে লাগল। আদর্শের কথা বলতে পথে বেরুলেই পেছনে গালিগালাজের নহর বইয়ে দিতে লাগল। 'উন্মাদ', 'যাদুকর', 'কবি' - আরও কত কী! তীব্র আক্রোশে সে এতটাই অন্ধ হয়ে গেল যে, সদ্য দুই শিশুপুত্রকে হারিয়ে শোকাতুর মুহাম্মাদের(স) প্রতি সমবেদনা জানানো তো দূরে থাকুক, সে তাঁকে লেজকাটা-বংশহীন অপবাদ দিয়ে বেড়াতে লাগল।
সাত বছর পর। মুহাম্মাদের (স) সত্য আদর্শের প্রচারে কুরাইশের মিথ্যে প্রাসাদের ভীত টলটলায়মান। প্রতিবিধান সাধনে ব্যর্থ হয়ে সকলে মিলে তাঁকে আর তাঁর সাথীদের সামাজিকভাবে বয়কট করল। মুহাম্মাদের (স) পরিবার বনু হাশিমের অনেকেই তখন তাঁর আদর্শের পথিক হন নি। কিন্তু, আত্মীয়তার বন্ধনকে গুরুত্ব দিয়ে তাঁরা মুহাম্মাদের সাথে থেকে বয়কটের যন্ত্রনাকে মেনে নিলেন, কেবল একজন ছাড়া। আবার সেই আবু লাহাব! আত্মীয়তা কিংবা রক্তের সম্পর্কের যে অটুট বাঁধনকে আরব সমাজ হাজার বছর ধরে মেনে চলেছে, এক ঝটকায় তা ছিন্ন করে দিল সে।
এমন ব্যক্তির পরিণতি শুভ হতে পারে কখনো। তারও হয় নি। হিংস্র জন্তুর আঘাতে ছিন্নভিন্ন হয়ে প্রথমে নিহত হয় তার পুত্র। এরপরে অজানা রোগে সারা শরীরে পচন ধরে বিনাচিকিৎসায় নির্বান্ধব অবস্থায় মারা যায় সে। মৃত্যুর সপ্তাহখানেক আগেই তার কাছে বদর যুদ্ধে কুরাইশের পরাজয় সংবাদ আসে। নিজের সমগ্র সত্ত্বা দিয়ে যাঁদের বিরোধীতায় নেমেছিল সে, তাঁদের বিজয় যেন আবু লাহাবের মৃত্যুকে তরান্বিত করে। তার মৃতদেহ এতটাই দূর্গন্ধ ছড়াচ্ছিল যে, আত্মীয়স্বজন যথাযথ সৎকার ব্যতীরেকেই ক'জন কৃতদাসের হাতে একে মাটি চাপা দিতে বাধ্য হয়। আর শোকে-দুঃখে গলায় দড়ি দেয় স্ত্রী উম্মে জামিলা। এভাবেই নির্বংশ হয়ে যায় আবু লাহাব।
বিঃদ্রঃ ব্লগার তানভীর চৌধুরী পিয়েল পরশুরাতে "একটি সুরা ও কয়েকটি প্রশ্ন" শিরোনামে একটা পোষ্ট দিয়েছিলেন, সুরা লাহাবের ব্যাখ্যা জানতে চেয়ে। কোরআনের পাঠ সংক্রান্ত বিষয়ে তাঁর এই পোষ্টের প্রশ্নগুলো আমার কাছে শিশুশুলভ মনে হলেও মন্তব্য করা থেকে বিরত থেকে পড়ে যাচ্ছিলাম। অনেককথা উঠে আসছিল। হঠাৎ করে পোষ্টটি সরিয়ে দেয়া হল! পোষ্টের বিষয়বস্তু আমার পছন্দ হয় নি। তাই বলে এটি সরানোরও তো কোন যৌক্তিকতা দেখি নি! এভাবে মুখবন্ধ করে রাখা যায় না- এটা কবে মানুষ বুঝতে শুরু করবে! যাই হোক, আমার এই পোষ্টের প্রেরনা ঐ পোষ্টটি যার কিছু স্ক্রীনশট পাবেন এখানে। এই পোষ্টটি প্রচলিত অর্থে সুরা লাহাবের ব্যাখ্যা কিংবা পিয়েলের পোষ্টের জবাব নয়, বরং আবু লাহাব সম্পর্কে আমার জানা তথ্যের সংকলন মাত্র। স্মৃতির উপর ভিত্তি করে লেখা হয়েছে। তবে, বিভিন্ন তাফসীর গ্রন্থে এবং সীরাত সংকলনে এ সব তথ্য ছড়িয়ে রয়েছে।
এ সংক্রান্ত আগের দুইটি লেখা।
তাদের গল্প,আল-কুরআন যাদের বদলাতে পারে নি।-১
ওমর (রা)- আল-কু'রআন যাঁকে বদলে দিয়েছিল!
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৪৩
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: ধন্যবাদ।
২|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩৮
শ।মসীর বলেছেন: ধন্যবাদ ভ্রাতা।
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৫৯
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: আপনাকে স্বাগতম, দেশী অগ্রজ।![]()
৩|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩৯
পাথুরে বলেছেন:
হুমম, সকালে স্ক্রীণশট নিয়ে দেয়া পোষ্ট টা পড়লাম। যার যার নিজস্ব বিশ্বাস-অবিশ্বাস থাকতেই পারে.. কিন্তু ঐ পোষ্ট ডিলিট করে দেয়ার মত কিছু তো দেখলাম না।
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৪৩
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: আমারো একই মতামত।
৪|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৪৬
চতুষ্কোণ বলেছেন: হুমম। ভালো লিখছো। ব্যাপারটা নিয়ে বেশ ক্যাচাল গেছে দুইদিন। ফালতু ক্যাচাল।
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:৩৮
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: ক্যাঁচাল থেকেও যদি ভাল কিছু বেরিয়ে আসে, তবে সেটা সকলেরই জন্য ভাল। আর যদি এরকম চলতে থাকে, তাহলে কোন আশা নেই।
৫|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৪৯
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: +। কষ্ট করে সুন্দর লেখার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৪৮
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: কষ্ট করে পড়ে কমেন্ট করে যাওয়ার জন্যও ধন্যবাদ।
৬|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৫০
এস. এম. রায়হান বলেছেন: মৃত্যুপরবর্তী জীবনে শাস্তির কথা লিখা থাকাতে চৌদ্দশ' বছর আগের কারো জন্য দেখা যাচ্ছে অনেকের মন কাঁদে! রাতে ঘুম হয় না! ইনিয়ে-বিনিয়ে একই পোস্ট বার বার দেয়া হয়। ইসলাম কত্ত খারাপ! অথচ তারা ঘরের ভেতর হাতি দেখতে পায় না।
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৫৪
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: হা হা হা.....
মজার কথা বলেছেন তো!
৭|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৫৩
কায়েস_ বলেছেন:
সূরা লাহাবের আরেকটা কাহিনী আছে যা সবাই এড়িয়ে যায়। গ্যারী মিলার রচিত দ্যা এমেজিং কোরান পড়ে দেখুন
ডাউনলোড করেন http://www.islamhouse.com/p/1407
এই সে লাহাব, রাসূল (সঃ) দিন বললে সে সবাইকে বলতো রাসূল (সঃ) রাত বলেছে। রাসূল (সঃ০ সকাল বললে সে সবাইকে বলত রাসূল (সঃ) বিকেল বলেছেন।
এই সূরাটার মানে আবু লাহাব কখনোই জান্নাতে যাবে না। এই সূরা রিভিল হওয়ার পর ও লাহাব ১০ বছর জিবীত থাকে। সে যদি একটি বারের জন্যও বলত , আমি ইসলাম ধর্ম গ্রহন করলাম, তাহলে সে জান্নাতে যায় আর মুহাম্মদ(সঃ) ও কোরান সম্পূর্ন মিথ্যা হয়ে যায়।
কিন্তু তা হয়নি। অতএব..............।
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:০৪
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: বইটা নামিয়েছি।
আপনাকে ধন্যবাদ।
৮|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৫৩
আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন: ভালো লিখেছেন! ![]()
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:৪০
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
৯|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৫৫
লাল সাগর বলেছেন: এস. এম. রায়হান বলেছেন: মৃত্যুপরবর্তী জীবনে শাস্তির কথা লিখা থাকাতে চৌদ্দশ' বছর আগের কারো জন্য দেখা যাচ্ছে অনেকের মন কাঁদে! রাতে ঘুম হয় না! ইনিয়ে-বিনিয়ে একই পোস্ট বার বার দেয়া হয়। ইসলাম কত্ত খারাপ! অথচ তারা ঘরের ভেতর হাতি দেখতে পায় না।
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:৪১
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: হুমমমম.......
সেটাই।
১০|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৫৮
প্রশ্নোত্তর বলেছেন: আল্লাহ তো সর্বজ্ঞ - তিনি তো অতীত, বর্তমান, ভবিষ্যৎ সবই জানেন! তিনি তো জানতেনই একদিন আবয় লাহাব ঠিক এরকমটিই করবে! নাকি তিনি জানতেন না? বলতে পারেন আল্লাহ সুযোগ দিয়েছিলেন, নবীর মাধ্যমে ভালো পথে চলবার আদেশ-উপদেশের বাণী পাঠিয়েছিলেন। আবু লাহাব সেই সুযোগ নেয়নি - ভুল পথে থেকেছে, তাই আল্লাহ তাকে অভিশাপ দিয়েছেন। সেই অভিশাপ মুসলমানরে পড়ছে কোরাণের সুরা হিসেবে।
ভাইজান, কোরান তো লওহে মাহফূজে রক্ষিত ছিল। তখন তো আবু লাহাবের বাপেরও জন্ম হয়নি। সে সময় সুরা লাহাবে কি লেখা ছিল? যদি আবু লাহাবের জন্মেরও আগে সুরা লাহাব এখনকার মতই অভিশাপে পূর্ণ থেকে থাকে তাহলে তো বলতেই হয় - আল্লাহ আবু লাহাবের জন্মের আগেই ঠিক করে রেখেছিলেন যে আবু লাহাব খারাপ মানুষ হোক, আর সেই উপলক্ষ্যে সুরা লাহাব পয়দা হোক। আবু লাবাহের দোষ নাই কোন এইখানে। সে কেবল তার পিতৃধর্ম রক্ষার চেষ্টা করেছে - যেমন করছেন আপনি।
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:০৩
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: আমি এই প্রশ্নের সঠিক জবাব দিতে অক্ষম।
১১|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:০১
সারওয়ার ইবনে কায়সার বলেছেন: এই সে লাহাব, রাসূল (সঃ) দিন বললে সে সবাইকে বলতো রাসূল (সঃ) রাত বলেছে। রাসূল (সঃ০ সকাল বললে সে সবাইকে বলত রাসূল (সঃ) বিকেল বলেছেন।
এই সূরাটার মানে আবু লাহাব কখনোই জান্নাতে যাবে না। এই সূরা রিভিল হওয়ার পর ও লাহাব ১০ বছর জিবীত থাকে। সে যদি একটি বারের জন্যও বলত , আমি ইসলাম ধর্ম গ্রহন করলাম, তাহলে সে জান্নাতে যায় আর মুহাম্মদ(সঃ) ও কোরান সম্পূর্ন মিথ্যা হয়ে যায়।
কিন্তু তা হয়নি। অতএব..............।
এই কথাটাই আমি কালকে বলেছি![]()
কমেন্টে প্লাস
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৪২
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: সত্য কথা কাল বললেও যা, আজ বললেও তাই।
ধন্যবাদ।
১২|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:০৩
শ্রাবনের ফুল বলেছেন: আসলে পিছনের কথা না জেনে ফাও ক্যাচালের ঝোঁক অনেকের একটু বেশিই, তাই অনেকের কন্ঠে শুনি আবু লাহাবের জন্য দরদ, তারা বিশ্লেষনে যাবেন না, তারা প্রশ্নটুকুতেই সীমাবদ্ধ থাকবেন, তারা ঘটনা জানতে চান না, ঘটনার নিশানা তাদের কাছে মুখ্য।
তারা যেখানে মুক্ত সেখানে আলোচনা করবেন না, বদ্ধ ঘর বানিয়ে সেখানে আলোচনা করবেন, আর তামাশা করবেন একে অপরের সাথে।
আমি আপনার লেখার ভঙ্গীতে মুগ্ধ হয়েছি, অনেক ভাল লাগলো।
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৩৪
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: তাদের কথা বাদ দিন।
আন্তরিক মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
১৩|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:০৫
হোরাস্ বলেছেন: প্রশ্নোত্তর বলেছেন: ভাইজান, কোরান তো লওহে মাহফূজে রক্ষিত ছিল। তখন তো আবু লাহাবের বাপেরও জন্ম হয়নি। সে সময় সুরা লাহাবে কি লেখা ছিল? যদি আবু লাহাবের জন্মেরও আগে সুরা লাহাব এখনকার মতই অভিশাপে পূর্ণ থেকে থাকে তাহলে তো বলতেই হয় - আল্লাহ আবু লাহাবের জন্মের আগেই ঠিক করে রেখেছিলেন যে আবু লাহাব খারাপ মানুষ হোক, আর সেই উপলক্ষ্যে সুরা লাহাব পয়দা হোক।
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:২১
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: লেখক বলেছেন: আমি এই প্রশ্নের সঠিক জবাব দিতে অক্ষম।
১৪|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:২৬
ভূতুম প্যাঁচা বলেছেন: সুন্দর লেখার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:২১
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।
১৫|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৩৪
ঝড়১২৩ বলেছেন: আমি তেমন লেখক নই। লেখালেখি আমার কাজ নয়, তবে বলতে পারি। তাই লেখার ভিতর হয়ত বানানগত ভুল থাকতে পারে, সেজন্য ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। আবার ইহাও বলে নিচ্ছি ইহা আমার একান্ত ব্যক্তিগত অভিমত (যদিও এই কথাও কাটমোল্লারা বুঝতে চায়না, তাও তারা চিৎকার করেই যায়)। কাউকে আঘাত দেয়ার জন্য, নির্দিষ্ট করে কিছু বলা আমার উদ্দেশ্য নয়।
যারা মারেফত বুঝেনা তারা ফাছেক। আর যারা ফাছেক হয়, - ধর্ম বিষয় কোন কথা বলাই তাদের উচিত নয়। জগত দুইটি। আধ্যাত্ন জগত আর জড় জগত। সৃষ্টি সম্পর্কে উভয় জগতের জ্ঞান ব্যতিত কোরানের অর্থ করা, বা কোরান পড়া বা কোরান নিয়ে বিশ্লেষন করাই উচিত নয়, এর দ্বারা সুধু ব্যাখ্যা নয় বরং অর্থও পরিবর্তন হয়ে যায়। এক্ষেত্রে সাধারন মানুষদের উচিত ধর্ম জ্ঞানীরা যা বলেন তা শুনে পালন করে যাওয়া। সুধু বস্তু জ্ঞান দিয়েও সৃষ্টি রহস্য বুঝা যায়না, যাবেনা। হাজার হাজার বস্তা পচা বই, কেতাব পড়েও নয়। মসজিদ মাদ্রাসায় পড়ে ওলী-আউলিয়া নবী রসুল বানানো যায়না। বই পড়ে আমানুই হওয়া যায় না, ওলী আউলিয়া নবী রসুল অনেক দুরের কথা।
মূলত কোরান কি সেটা আলেমরা জানেনা, দুই একজন জানলেও মুখ খুলে সত্য বলতে নারাজ। দুই কলম আরবী জানলেই কোরানের ব্যাখ্যা লিখা যায় না। লিখতে গেলেই লাগে যত গোন্ডগোল। এই গন্ডগোলের অনেক খেয়াসারত দিতে হয়েছে বা হচ্ছে সাধারন মুসলমানদের। ব্যাখ্যার সুরুতে যে সত্য টুকু থাকে তা অসীম মিথ্যার মাঝে বন্যার জলে ভেষে কোথায় হারিয়ে যায়, উপসংহারটা হাজার চেষ্টা করেও মিলানো যায় না।আবার তাহলে সৌদীর ঘরে ঘরে বিজ্ঞানী জন্ম নিত। বিশ্ব দরবার পরিচালনা করত। যাইহোক এসব কথা আমি আমার ধর্ম ডাকাতি বইতে লেখার ক্ষুদ্র চেষ্টা করতেছি, সব লেখা শেষ হয়নি। তাও এখানে যতটূকু দিয়েছি তাও যদি কেউ মন দিয়ে বুঝতে চায় তাহলেও মন হালকা দোলা দিবেই, মস্তিষ্কে নাড়া দিবে। উহা পড়ার আহবান রইল, আবার বাকি যা লেখা আছে সেটা পড়ারও আহবান রইল। যদিও বলে রাখি বই পড়েই জ্ঞানী হওয়া যায়না, জ্ঞানীর নিকট যেয়ে বই এর বিশ্লেষন জানা চাই।
খুব সংক্ষিপ্তে একটা ব্যাখ্যা দেই আপাতত, পরে বিস্তারিত দেবার চেষ্টা করিব।
সুরা লাহাবঃ
১। আজীবন অগ্নিশিখার পিতার হাত দুইটি ধ্বংশ হয় এবং সে-ও ধ্বংশ হয়।
২। তাহার মাল এবং উহার উপার্জন আজীবন তাহার কোন কাজে আসে না।
৩। শীঘ্র সে একটি অগ্নিতে জ্বলে, যে অগ্নি একটি শিখার অধিকারী।
৪। এবং তাহার নারীত্ব (অগ্নিতে জ্বলে)। (তাহার নারীত্ব) গ্রহন করে (বা বাহন করে) পশ্চাদ গমনকারী ইন্ধনবিশেষ( বা আবর্জনা)
৫। তাহার সুন্দর গলায় শক্ত একটা দড়ি।
ব্যাখ্যাঃ
আবু লাহাব নামে যে ব্যক্তির কথা সবাই বলছেন মুলত কোরান সেই লাহাবের কথা বলেনি। কোরান রুপক। লাহাব নামে মুলত কেউ ছিলনা। একজনকে লাহাব নামে ডাকা হত।
জন্মকাল হতে শুরু করিয়া সালাতের সাধনা আরম্ভ না করা পর্যন্ত প্রত্যেকটি মানুষই ‘আবু লাহাব’ অর্থাৎ মোহাগ্নি শিখার জন্মদাতা। আবু লাহাব অগ্নিশিখার জন্ম দাতা অর্থ মোহাগ্নি শিখার জন্মদাতা। বিষয়বস্তুর মোহে আকৃষ্ট হলে আধ্যাত্নিক শক্তি বা মানসিক শক্তি দূর্বল হইয়া পড়ে। ‘হাত’- ইহাকে আত্নিক শক্তির প্রতীক রুপে বলা হইয়াছে( ৩৫-১দ্রষ্টব্য)।
মাসুম সন্তান ব্যতীত শৈশব এবং বাল্যকালে মানব সন্তান যে বিষয়বস্তু মোহে আকৃষ্ট হয়ে পড়ে, মস্তিষ্কে বিভিন্ন ধর্মরাশি দ্বারা পরিপূর্ন হইয়া যায়, তাতে তার আধ্যাত্নিক হস্ত কর্তিত হতে থাকে।
আমাদের চারপাশে যে সকল বিষয়রাশি বা ধর্মরাশি আমাদের ইন্দ্রিয় দ্বার দিয়ে আমাদের মস্তিষ্কে (ব্রেন) প্রবেশ করে এবং আমরা জমা করে রাখি, এবং এই ধর্মরাশির মাঝেই আমরা মোহবিষ্ট হয়ে থাকতে পছন্দ করি। ইহাই এক সময় আমাদের দুঃখ আনায়ন করে। এই মোহবিষ্ট ধর্ম রাশি হইল অগ্নি যা আমাদের জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ফেলে। এর দ্বারা আমাদের আত্নিক শক্তি বিলুপ্ত হয়ে যায়।
বস্তুমোহ-ই হল অগ্নি শিখা। সালাতের সাধনা দ্বারাই কেবল জাহান্নামের এই অগ্নিশিখা নির্বাপিত হয়। এই সুরাতে অসালতী ব্যক্তির মনের মধ্যে যে মোহের শিখা স্বাভাবিকভাবেই জওলিয়া উঠে তাহারই একটি চিত্র রুপ অংকিত হইয়াছে।
এখানে হাদীসে আমরা যে শানে নজুল পাই তাহা সম্পুর্ন মিথ্যা। আবু লাহাব নামক কোন ব্যক্তির উপর এইরকম কোন ঘটনাই ঘটেনি। মিথ্যা ইতিহাস, বর্ননা, ব্যাখ্যায় আজ ভরপুর আমাদের ধর্ম সাহিত্য। কোরান মানুষকে চেনাতে, জানাতে। কোন কিচ্ছা কাহিনী শুনাতে অবতারিত হয়নি। মানুষ তার নিজেকে চিনবে, জানবে, বুঝবে, তবেই সে তার স্রষ্টাকে চিনবে, জানবে, দেখবে। পরজগতে নয় বরং ইহ জগতেই।
বিষয়রাশির প্রতি মোহ থাকলেই জীবন অগ্নিতুল্য হবেই। ইহাই স্বাভাবিক। ইহাই প্রথমের দিকে বোঝাতে চেয়েছে। তোমরা বস্তুর গুনকে ভালোবাস, বস্তুকে নয়। যাইহোক এই সুরার মুল সত্য পরে লিখব। আপাতত অল্পই লিখছি। বস্তু মোহ মানুষকে বন্ধনে আবদ্ধ করিয়া রাখে সৃষ্টির সাথে। যতসময় সৃষ্টির এই বন্ধন হতে মুক্ত হতে না পারে কেউ তত সময় কোরানের মতে সে একজন নারী। নারী অর্থ যাহা উৎপাদনশীল। আমাদের মস্তিষ্কে প্রতি নিয়ত অহরহ অসংখ লোভ, মোহ, কামনা, বাসনা, রাগ বিভিন্ন কিছু উৎপন্ন হয়েই যাচ্ছে। আমরা সৃষ্টি থেকে, প্রকৃতি থেকে মুক্ত নই। সে আকারে পুরুষই হোক আর মহিলাই হোক হকিকতে সে নারী। নারী অর্থ প্রকৃতি। নারীগনই কেবল নরকাগ্নিতে জ্বলিয়া থাকে। মানুষ তোমরা সৃষ্টির সেরা জীব, তোমরা নিজেকে চিন, মুক্ত কর এই প্রকৃতির বন্ধন হতে, লোভ, লালসা, মোহ হতে, তবেই মুক্তি, পুরুষ। নজরুলের ভাষায়ঃ “জগদীশ্বর ঈশ্বর আমি পুরুষোত্তম সত্য”।
অজ্ঞান নারী প্রকৃত মুক্তি হতে চায়না। এই কারনে সে তাহার নরক জীবনে তাহার মন-মানসিকতা দ্বারা যে সকল জ্বালানী সংগ্রহ করে। বিষয়-মোহ সংগ্রহ করাই আবর্জনা তুল্য।
মানুষের গলা যদিও সুন্দর, তবুও এই জাতীয় মোহগ্রস্থ গলাকে শক্ত রজ্জুতে আবদ্ধ বলা হইয়াছে। এখানে শক্ত রজ্জু দিয়া আল্লাহ বাধতে যাবে কেন? যে যার কর্মের ফল ভোগ করবে। আল্লাহ এইসব দেখার ভিতর যাবেন কেন? তিনিত বলেই দিয়েছেন মানুষ তুমি শ্রেষ্ট, তুমি এই প্রকৃতির প্রতিনীধি, তোমার হাতেই সব। আমি তোমার ভিতরে আছি, তুমি মাথা খাটাও, তুমি তোমার নিজেকে চিন আমাকে চিনবে, আমিত তোমার সাথেই। তুমি তোমার কর্মফল ভোগ করবে। মানুষ এই পৃথিবীতে এসে এই প্রকৃতির মোহে আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে, লোভে আকৃষ্ট হয়ে পড়ে। আর তখনি দুঃখ, জ্বালা যন্ত্রনা। বন্ধন মানুষের জন্য নয়। অথচ সে এই বস্তু মোহে আটকে যায়।সমস্তু সৃষ্টির উপর সে বন্ধন মুক্ত হয়ে মাথা উচু করে দাঁড়াবে। কিন্তু মোহ বন্ধনের কারনেসে সৃষ্টির উর্ধ্বে উঠতে পারেনা। এই বন্ধনই রুপক আকারে গলায় দড়ি দেয়া বুঝানো হয়েছে।
এই সুরাটির বক্তব্য সার্বজনীন। ইহা কোন ব্যক্তিগত ঘটনার সাথে যুক্ত নয়। দুর্বল মানব চিত্ত কিভাবে মোহে আচ্ছন্ন হইয়া জাহান্নামের আগুনে ঢলে পড়ে তারই বর্ননা।
সব কথা আবার লিখে প্রকাশ করা যায়না, কেননা বুঝেনইত-আমার ঘাড়ের উপর মাথা আমার খুবই প্রিয়। এখানে অনেক কিছু আছে যা চাপাইয় রাখতে হয়েছে। পরে এই সুরার বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিব। এখানে উল্লেখিত ‘সালাত’ আমরা যে নামাজ পড়ি পাচ বার তা নয়।
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:২৬
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: বড় মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। আপনার কথার উত্তরে অনেক কথাই বলা চলে। সেদিকে যাচ্ছি না।
শুধু বলুন, "এখানে হাদীসে আমরা যে শানে নজুল পাই তাহা সম্পুর্ন মিথ্যা। আবু লাহাব নামক কোন ব্যক্তির উপর এইরকম কোন ঘটনাই ঘটেনি। "- এ কথার ভিত্তি কী? তারপরেই বাকী আলোচনায় যাওয়া যাবে। যেমন-তেমন করে কুরআন বোঝা গেলে তো ঘরে ঘরে মুফাস্সিরের জন্ম হোত!
১৬|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৪৩
নির্ণয় বলেছেন:
"সততা আর সুন্দর আচরন তাঁকে আরবের সবচেয়ে জনপ্রিয় মানুষে পরিণত করেছে। 'আল-আমীন' (সত্যবাদী) নামে সবাই এক ডাকে চেনে।
- আইয়ামে জাহেলিয়াতের কালেও তাহলে সত্যবাদীতার কদর ছিল।
"মৃত ভ্রাতার এই একমাত্র নিশানীর আগমনে তার কী হল কে জানে! আনন্দে আত্মহারা সে এক কথায় সুয়াইবাকে মুক্তি দিয়ে দিল!"
- এই কারণেও তো ক্ষমা মহৎ গুণ টাইপের কিছু নাজিল হতে পারতো, তাই না?
"এমন ব্যক্তির পরিণতি শুভ হতে পারে কখনো। তারও হয় নি। হিংস্র জন্তুর আঘাতে ছিন্নভিন্ন হয়ে প্রথমে নিহত হয় তার পুত্র। এরপরে অজানা রোগে সারা শরীরে পচন ধরে বিনাচিকিৎসায় নির্বান্ধব অবস্থায় মারা যায় সে।"
"এভাবেই নির্বংশ হয়ে যায় আবু লাহাব।"
- যদি আবু লাহাবের লোকজন লিখতো তাহলে হয়তো লিখতো তারও হয়নি। একটি দাঁত হারিয়েছেন। পুত্ররা মারা গেছে অল্প বয়সেই। পৌত্রের মৃত্যু হয়েছে দুর্ভাগ্যজনকভাবে... , তাই না?
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৩৩
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: আপনার কথার টোনে বোঝা যাচ্ছে যে, আপনি বিজয়ীদের লিখিত ইতিহাসে বিজিতের মানহানী সংক্রান্ত বিষয়ের অবতারনা করতে চাইছেন।
এ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার অবকাশ এখানে না থাকায় শুধু এটুকুই বলবো, ইসলামের ইতিহাস ঐ দৃষ্টিকোন হতে লেখা হয় নি কখনো। আরেকটু নিরপেক্ষ (আনবায়াসড্) ভাবে পড়া উচিৎ।
১৭|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৫০
ভূতুম প্যাঁচা বলেছেন: পরবর্তী লেখা পড়বার অপেক্ষায় ।
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৪০
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: লজ্জায় ফেলে দিলেন।
দেখা যাক।
১৮|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৪৭
ঝড়১২৩ বলেছেন: ভাইজান,
কোরান আল্লাহর তরফ থেকে নাজিল হয়েছে সত্য, কিন্তু শানে নজুল আল্লাহর তরফ থেকে নাজেল হয় নাই। বুঝতেই পারছেন কি বোঝাতে চাচ্ছি।আর শানে নজুলের উপর ভিত্তি করে কোরান ব্যাখ্যা দেয়া যায় না। এত তর্ক, এত বিবাদ, এত দ্বীমত তার অনেক কারনের ভিতর এটিও যে আমরা কোরান বুঝতে হাদীস নিয়ে আসি, বা শানে নজুল নিয়ে আসি। বরং হাদীস কোনটি সত্য হবে কোনটি মিথ্যা হবে তার মানদন্ড হবে কোরান। কেননা কোরান সত্য। আমার একাউন্টে যেয়ে কষ্ট করে একটু দেখেন ধর্ম ডাকাতি (১) নামে একটি লেখা দেয়া আছে, পড়েন। একবার নয়, বেশ কয়েকবার পড়েন। আমার এইখানে যেই লেখা আছে সেটাও পড়েন দেখেন অনেক কিছুই বলে গেছি, যতবার পড়বেন ততবার নতুন কিছু প্রশ্ন উদয় হইবে।
মানুষ এর সাত ইন্দ্রিয় দ্বার দিয়ে যে সকল ধর্মরাশি মস্তিষ্কে প্রবেশ করে তার সাথে রয়েছে অসংখ্য বিষয়মোহ, লোভ। এগুলো মানুষকে সৃষ্টির সাথে আটকে রাখে...এই সকল লেখা কি বুঝতে সমস্যা হচ্ছে? নিজের ভিতরে তাকান। কোরান বাইরে কোথাও নয়। নিজের দিকে, নিজের ভিতরে তাকান, কোরানের উত্তর ব্যাখ্যা দেয়া আছে।
নজরুলের ভাষায়ঃ তোমাতে রয়েছে সকল শাস্ত্র জ্ঞান...খুলে দেখ নিজ প্রান। ইহা তার কথা শুধু নয়, কোরানেরও কথা। মানুষই সব। মানুষের বাইরে কিছুই নাই। স্রষ্টা মানুষের ভিতরে। তাহলেই সব মিলে যাবে। নিজেকে চিনলে খোদাকে চেনা যায়।
এর জন্য লালনের মত বলতে হয়ঃ
সহজ মানুষ ভোজে দেখনারে মন দিব্য জ্ঞানে...
ভালো থাকবেন
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:১৫
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: আপনার লেখা পড়লাম। বিশাল আলোচনা। তার উপর, বানান ভুল আর গুরুচন্ডালী দোষে দুষ্ট লেখাটি পড়তে জান খারাপ হয়ে গিয়েছে। সত্য বলেছেন। বেশ কয়েকবার করে পড়তে হবে।
এই ফাঁকে আসুন আলোচনা চালাই।
আপনার বক্তব্য অনুসারে, "কোরান আল্লাহর তরফ থেকে নাজিল হয়েছে সত্য, কিন্তু শানে নজুল আল্লাহর তরফ থেকে নাজেল হয় নাই। বুঝতেই পারছেন কি বোঝাতে চাচ্ছি।আর শানে নজুলের উপর ভিত্তি করে কোরান ব্যাখ্যা দেয়া যায় না।"
কুরআন তাওরাতের মত একসাথে নাযিল হয়নি, বরং সুদীর্ঘ ২৩ বছরে একটু একটু করে বিভিন্ন ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে নাযিল হয়েছে- একথা তো মানেন? অন্যথায় কুরআনকে জীবনবিধান হিসেবে মেনে চলার কী যৌক্তিকতা থাকতে পারে? এখন, শানে নুযুল (নাযিলের পটভূমি) না জানলে ঐ আয়াতস্থিত আদেশ-নিষেধের মেজাজ উপলব্ধি করা কীভাবে সম্ভব?
এখনকার কথা বাদ দিলাম, পৃথিবীর প্রাচীন মুফাস্সিরগণ (আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদের মত সাহাবারা) কুরআনের ব্যাখ্যায় শানে নুযুলকে গুরুত্ব প্রদান করেছেন। তাঁদের এমন ভুল পথে ধাবিত হবার কারন কী?
১৯|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৫১
ঝড়১২৩ বলেছেন: কোরানের উত্তর ব্যাখ্যা দেয়া আছে-ইহা লিখতে চাচ্ছিলাম যে উত্তর বাইরে কোথাও নেই, নিজের ভিতরেই।
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৮
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: আরো পরিষ্কার করে বলুন। বুঝতে সুবিধা হবে।
২০|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৫৮
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন: এটা আমার ডিলিটেড পোস্ট......................................
সুরা লাহাব নিয়ে কিছু কথা ..
সূরা আললাহাব (১১১)
(মক্কায় অবতীর্ন)
১.ধ্বংস হোক! আবু লাহাবের উভয় হাত, আর সেও ধ্বংস হোক।
২. তার ধন-সম্পদ যা সে উপার্জন করেছে তা তার কোন কাজে আসবে না।
৩. তাকে অচিরেই লেলিহান আগুনে ঠেলে দেওয়া হবে।
৪. আর তার স্ত্রীকেও, লাকড়ীর বোঝা বহনকারিনী। (কোন কোন অনুবাদে লেখা ইন্ধন বহনকারিনী )
৫. তার গলায় থাকবে খেঁজুর গাছের ছালের তৈরি রশি।
তানভীর চৌধুরী পিয়েল এর "একটি সুরা ও কয়েকটি প্রশ্ন" (যা ইতিমধ্যে ডিলিটেড
) শীর্ষক পোস্ট পড়ে আমার মতে কোরআনের সবচেয়ে বিদ্বেষপূর্ণ সুরাটার কথা মনে পড়ে গেলো। যেসব সুরা আমার মোহ কাটাতে সাহায্য করেছে সেগুলোর মধ্যে এটা অন্যতম। আমি প্রথম যখন অনুবাদটা পড়লাম- (অনেকদিন এটা আরবীতে মুখস্থ ছিল এবং নামাজে বেশ ব্যবহার করতাম)- তখন কোনমতেই বিশ্বাস করতে পারছিলাম না যে , এটা আল্লাহর ভাষা হতে পারে!!! একজন মানুষের উপর খেপলে এমন ভাষা তো মানুষে ব্যবহার করে!!! তাই বলে আল্লাহও ... !!!! তাফসীরে আছে- লাহাব কত খারাপ, ইসলামের কত বড় শত্রু ছিল ইত্যাদি। কিন্তু তারপরেও কোনভাবেই মেনে নিতে পারছিলাম না যে, আল্লাহ এমন খেপতে পারে- তাও তারই তৈরি একজন মানুষের উপর!!! এই সুরা যতবার পড়েছি- ততই মনে হয়েছে, এ-তো মুহম্মদ সা বা ঐ সময়কার মুসলমানদের রাগ-ক্ষোভের বহিপ্রকাশ!!!
ছবিঃ ধ্বংসপ্রাপ্ত (হাত ও স্ত্রী সমেত) লাহাব
যাহোক ঐ পোস্টে তানভীর কয়েকটি প্রশ্ন করেছে। খুবই সংগত ও যৌক্তিক প্রশ্ন। উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এখানে উল্লেখ করছি:
১। এখানে আবু লাহাব নামে একজন ব্যাক্তিকে অভিশাপ দেওয়া হচ্ছে যে মোহাম্মদ স: এর প্রতিপক্ষ। এখন প্রশ্ন আল্লাহ তারই সৃষ্ট একজন মানুষকে অভিশাপ দেবেন কেন? কার্যকর ব্যাবস্থা না নিয়ে অভিশাপ দেওয়াতে কি আল্লাহর দূর্বলতা প্রকাশ পায় না? অভিশাপ তো দেওয়ার কথা মানুষের আল্লাহর কাছে যাতে তিনি বিচার করেন।
২। স্বামীর অপরাধে লাকড়ীর বোঝা বহনকারিনী স্ত্রীকে কেন জান্নামের আগুনে পুড়তে হবে?
ছবিঃ দোযখে লাহাবের স্ত্রী
৩। "তার গলায় থাকবে খেঁজুর গাছের ছালের তৈরি রশি।" - এখানে কি আঞ্চলিকতার প্রভাব দেখা যাচ্ছে না? জান্নামের মধ্যে খেঁজুর গাছের ছালের তৈরি রশি খাকবে কেন? এখানে বিদেশী নাইলনের রশি কিংবা বাংলাদেশে তৈরি উন্নতমানের পাটের রশি কিংবা কাঁটাওয়ালা অন্য কোন রশিও থাকতে পারত। অল্লাহ কি খেঁজুর গাছের ছালের তৈরি রশি ছাড়া অন্য কোন প্রকার রশির কথা জানতেন না।
যথারীতি মোল্লারা এসে ভুলভাল বুঝ দেয়া শুরু করলো। সেগুলোরই জবাব দেয়ার চেস্টা করছি:
১। ঘাতকঃ আল্লাহ কারে অভিশাপ দিবেন না দিবেন সেটা তার ইচ্ছা, মানুষের বুঝার সাধ্য নাই। আর কার্যকর ব্যবস্হা আল্লাহ নিবেন সেই ক্থাই আয়াতগুলাতে বলা হইসে।
রায়হানঃ এখানে শাস্তির কথা লিখা আছে। অভিশাপ কি-না সেটা আপেক্ষিক ব্যাপার। তাছাড়া এই আয়াতে মৃত্যুপরবর্তী জীবনের কথা বলা হয়েছে। ফলে মৃত্যুপরবর্তী জীবনে বিশ্বাস না করলে বলার কিছু নাই।
অন্যরকম : কার্যকর ব্যবস্থাও নেওয়া হইছে। ইতিহাস ভাল কইরা পইড়া আইসেন।
============>>>>>
না.ধঃ
তিনজনে তিন ব্যাখ্যা হাজির করলেন! (যেইটা লাগে আর কি...)
শাস্তির কথা ভাই- আরো অনেক জায়গাতেই আছে- অবিশ্বাসীদের নরক অভিজ্ঞতার কথা, দারুন দারুন সব ভয়ের কথা কোরআনে মেলাই লেখা হয়েছে। কিন্তু এমন ধ্বংস কামনা, হাতের ধ্বংস কামনা, একজন ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে এমন জীঘাংসা - এটা আসলেই ইউনিক!
আল্লাহর সবচেয়ে রাগ থাকলে তো থাকবে ইবলিশ শয়তানকে কেন্দ্র করে, অথচ দেখেন- ইবলিশকে কেন্দ্র করে আয়াতগুলোও এইরকম বিদ্বেষপূর্ণ কি না!
আপনি নিজেও একটু চিন্তা করে দেখুন তো- কোন মিথিক্যল একটা দুষ্ট ক্যারেক্টর আর আপনার চরম শত্রু একজন বাস্তবের মানুষ- এই দুজনের বিরুদ্ধে বাক্যবাণ করতে দিলে আপনার কার বিরুদ্ধে আক্রোশপূর্ণ বাক্য বেশী বর্ষিত হবে?
২। ঘাতকঃ আবু লাহাবের ন্যায় তার স্ত্রীও রসূলের প্রতি বিদ্বেষ ভাবাপন্ন ছিল। সে রসুলুল্লাহর পথে খেঁজুর কাঁটা বিছিয়ে রাখত।
রায়হানঃ অন্যায়কারী আর অন্যায়ের সাহায্যকারী একই দোষে দুষ্ট।
অন্যরকম : স্ত্রীও অপরাধী ছিল।
============>>>>>
না.ধঃ
লাহাবের স্ত্রী যে কাজ করতো তার চেয়ে আরো যন্ত্রণা আরো অনেকেই দিয়েছে- তাদের নিয়ে তো এমন কোন ঘৃণা ছড়ানো হয় নি। খেজুরের কাঁটা নিয়ে এক বুড়ির গল্পের কথাও আমরা জানি! যারা নবীরে পাথর নিক্ষেপ করে দাঁত পর্যন্ত ভেঙ্গে দিলো (শহীদ!!) তাদের নিয়েও এমন একটা বাক্য নেই- অথচ লাহাবের স্ত্রী এতই বেশী ঘৃণিত হয়ে গেল!!!
আরে, এটা কেন বুঝতে পারছেন না- স্ত্রীর কথাটাও এসেছে লাহাবের উপর রাগ ঝাড়ার জায়গা থেকে। এই ধনী কোরাইশ নেতা নবীরে যে পরিমাণ বাঁধা দিয়েছেন- সেটা সহ্য হয়নি। নবী প্রথম যখন মক্কায় কোরাইশদের ডেকে তাদের ধর্ম ত্যাগ করতে বলেন ও আল্লাহর আহবান জানান তখন সর্বপ্রথম এই লাহাবই আপত্তি জানায়। লাহাব মক্কার পৌত্তলিকদের নিজ নিজ ধর্ম রক্ষার্থে সংগঠিত করে- অর্থ সম্পদও ব্যয় করে। ফলে রাগের জায়গাটা অনেকটা রাজনৈতিকও বটে। কিন্তু লাহাবের স্ত্রীর স্বতন্ত্র কি ভূমিকা ছিল- সে সময়ে কতটুকুই বা একজন নারী ভূমিকা রাখতে পারতো? (আপনাদের দাবি মোতাবেক এটাতো আইয়ামে জাহেলিয়াতের যুগে অসম্ভব)। সুরার নামটাও দেখেন- লাহাবের নামে। লাহাবই মূল- স্ত্রী কোন ব্যাপারই না- স্ত্রীর কথা এখানে এসেছে- লাহাবের প্রতি রাগ ঝাড়ার অংশ হিসাবে।
৩। ঘাতকঃ "খেঁজুর গাছের ছালের তৈরি রশি" প্রতীকি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। আল্লাহ সমসাময়িক মানুষদের কোনো বার্তা দিতে চাইলে তাদের সীমিত গন্ডি থেকে উদাহরণ টেনেই দেবেন, সেটাই স্বাভাবিক
রায়হানঃ জান্নামের মধ্যে খেঁজুর গাছের ছালের তৈরি রশি থাকলে সমস্যা কোথায়! বিদেশী নাইলনের রশি বললে তখন কেউ বুঝত না, যেহেতু তখন 'বিদেশী নাইলনের রশি' বলে কিছু ছিল না
অন্যরকমঃ আরবীয়দের বুঝানোর জন্য উপমা হয়তে পারে। অবশ্য মরুভূমির খেজুর গাছের ছাল দেখলে কারও প্রশ্ন আসার কথা নয় কেন এইটাকে উপমা হিসেবে ব্যবহার করছে। সুযোগ পাইলে একবার মরুভূমির খেজুর গাছ দেইখা নিয়েন।
============>>>>>
না.ধঃ
এইটা হইছে- সবচেয়ে সার্কাস টাইপের জবাব।
নরকটা কি হিসাবে তৈরি করা হয়েছে? যেসময় এই ধর্মটা অবতীর্ণ করা হবে সেই সময়ের মানুষের বোধগম্য উপাদান দিয়েই কি কেবল নরক তৈরি হয়েছে? মানুষের বোধগম্যতার উপর নির্ভর করে আল্লাহ শাস্তির কথা ভেবেছেন?
ভাই- মাথাটা একটু খুলেন। মানুষের অবস্থান-কাল-পাত্র ভেদে জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা থাকে, সেটা তো আল্লাহর থাকার কথা নয়! আজকে যদি ইসলামের উৎপত্তি হতো, তবে নিশ্চিতভাবেই- দোযখে আগুন-পুঁজ-সাপটাপের বদলে গ্যাস চেম্বার, ইলেকট্রিক শক, সায়ানাইডের বিষক্রিয়া এইসব থাকতো। আপনি এটারে হয়তো বলতেন যে, আজকের মানুষের বোধগম্য শাস্তির ব্যবস্থা করা হয়েছে, কিন্তু যতই এটা বলেন না কেন- আল্লাহ কি দোযখ নির্মানের সময় বা মানুষের শাস্তির উপায় উদ্ভাবনের সময় মানুষের কোন একটা কালে বোধগম্যতার উপর নির্ভর করতে পারেন? এরচেয়ে এটাই হওয়ার সম্ভাবনা বেশী নয় যে- মানুষ তার বোধগম্যতার সীমা থেকে কল্পনাগুলোকে সাজায়?
(ফেসবুক এ প্রকাশিত এবং মুক্তমনায় প্রকাশিতব্য)
পরিশেষেঃ তানভীর চৌধুরী পিয়েল এর পোস্টখানি ডিলিটের তীব্র প্রতিবাদ জানাই এবং ঐ পোস্ট ফিরিয়ে দেয়ার দাবি জানাই।
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:১৯
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: পোষ্টটি কি সন্ধ্যায় একবার করে ডিলিট করে দিয়েছিলেন?
তানভীর চৌধুরী পিয়েল এর পোস্টখানি ডিলিটের তীব্র প্রতিবাদ জানাই এবং ঐ পোস্ট ফিরিয়ে দেয়ার দাবি জানাই, যদিও পোষ্টের প্রশ্নের ব্যাপারে আমার আপত্তি ছিল।
আর এ আলোচনায় আমি নীরব দর্শকের ভূমিকা নিতে চাই।
২১|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:৪৯
বন্ধু-কথন বলেছেন: সুন্দর লেখনির জন্য অনেক ধন্যবাদ। নিজের সারথের বিরুদ্ধে যায় বলে গোম্রাহীতে লিপ্ত আবুলাহাব নবীকে মেনে নেয় নি।
'প্রশ্নোত্তর' আর 'হোরাস' যে প্রশ্ন করেছেন - তা তাদের নাস্তিক চিন্তা-চেতনা থেকে করেছেন। যেহেতু তাদের আল্লাহর অস্তিত্তে ফেইথ নেই, তাই তাদের 'তকদীর' সম্পরকে নেগেটিভ ধারণা থাকা সাভাবিক।
গত জুমায় খুতবার একটা টপিক মনে পড়ে গেল - আমরা রোগ হলে ডাক্তারের কাছে যাই, কারন তারা ওই লাইনের নলেজ রাখেন। একজন ইঞ্জিনিয়ার আমার রোগের চিকিতসা করতে পারবেন না। অথচ, ধরমীয় (রিলিজিয়াস) ব্যাপারে আমরা আলেমদের কাছে যাই না। বরং দিনকাল যা পড়েছে, আমরা শয়তানের প্ররচণায় পড়ে তাদেরকে ঠাট্টার বিষয়ে পরিণত করেছি।
কেউ যদি (অধিক) মুক্তমণা হোন + বরতমান আলেমদের থোরাই কেয়ার করেন + আল্লাহকে বিসশাস করেন, তাহলে নিজেরা আলেম হবার প্রয়োজনীয় এডুকেশন গ্রহণ করেন।
[আমার বাংলায় টাইপিং এর দক্ষতা খুব খারাপ। তাই ক্ষেত্রবিশেষে ইংরেজি বা ভাংগা বাংলায় লিখেছি- দুঃখিত।]
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৯
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: ভাল বলেছেন। ধন্যবাদ।
২২|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:০৪
সাহোশি৬ বলেছেন: ইসলামী ধারণা মতে কোরান হলো সর্ব যুগের কিতাব, এবং এটা সর্ব কালে এবং সর্ব যুগে পঠিত হবে।
এই সুরাটা ১৪০০ বছর আগে অবতীর্ন হয়েছে এবং এই সুরা অবতীর্ণ হবার ১১ কিংবা ১২ বছর পর আবু লাহাবের মৃত্যু হয়েছে। তাহলে:
1. বর্তমান যুগে আমরা কেন পড়ব "ধ্বংস হোক! আবু লাহাবের উভয় হাত, আর সেও ধ্বংস হোক।" আবু লাহাব যেহেতু ১৪০০ বছর আগেই মরে গেছে আমাদের তো পড়া উচিৎ ধ্বংস হয়ে গেছে আবু লাহাব! আবু লাহাবের উভয় হাত, আর সেও ধ্বংস হয়ে গেছে (কোরানের বানীকে এখানে আমি বিকৃত করতে চাইছি না, বরং বোঝাতে চাইছি বর্তমান যুগে কোন বাক্যটা বেশী যৌক্তিক).
2. আমরা কেন পড়ব, "তার ধন-সম্পদ যা সে উপার্জন করেছে তা তার কোন কাজে আসবে না।" আমাদের পড়া উচিৎ তার ধন-সম্পদ যা সে উপার্জন করেছিল তা তার কোন কাজে আসে নি।
উপরে উদ্ধৃত এই দুইটা বাক্যকে এখনো ১৪০০ বছর আগের মতোই present tense এবং future tense এ পড়া খানিকটা অযৌক্তিক ঠেকে বৈকি। কোরান কি তাহলে এ যুগের জন্য নয়? যদি এ যুগের জন্যই হবে, তাহলে কেন আমরা এখনো কোরানে আবু লাহাবে ধ্বংস কামনা করি? ওতো ধ্বংস হয়েই গেছে। আমরা কেন বলি সে তার ধন-সম্পদ কাজে লাগাতে পারবে না? সে তো ধন-সম্পদ কাজে লাগাতে পারেই নি। ব্যাপারটা কি contradictory না?
২৩|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:০৭
সাহোশি৬ বলেছেন: @বন্ধু-কথন : আপনি তো প্রশ্নোত্তরের করা প্রশ্নের জবাব দিলেন না।
১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:২৫
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: বন্ধুকথন বলেছেনঃ 'প্রশ্নোত্তর' আর 'হোরাস' যে প্রশ্ন করেছেন - তা তাদের নাস্তিক চিন্তা-চেতনা থেকে করেছেন। যেহেতু তাদের আল্লাহর অস্তিত্তে ফেইথ নেই, তাই তাদের 'তকদীর' সম্পরকে নেগেটিভ ধারণা থাকা সাভাবিক।
২৪|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:৩০
শয়তান বলেছেন: আলোচনা জমে উঠেছে ।
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:২০
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: তাইতো দেখছি। কিন্তু, ঘুমাতে হবে এখন। বিকেলে আবার.........।
২৫|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:১২
হাসিব মীর বলেছেন: @ সাহোশি৬, আরবীতে কোন কাল ব্যবহার করা হয়েছে আমি নিশ্চিত না। তবে আবু লাহাব কি বর্তমান যুগে নাই।এখনকার আবু লাহাবদের জন্য বর্তমান কালে পরা কি খুব অপ্রাসংগিক ?
১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:২৭
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: আবু লাহবের চরিত্রধারীদের জন্য এই সূরা চিরকালই প্রাসঙ্গিক।
ধন্যবাদ।
২৬|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:০৭
সাহোশি৬ বলেছেন: @হাসিব মীর: দয়া করে সুরাটা আবার পড়ুন, ১.ধ্বংস হোক! আবু লাহাবের উভয় হাত, আর সেও ধ্বংস হোক।
২. তার ধন-সম্পদ যা সে উপার্জন করেছে তা তার কোন কাজে আসবে না।
দেখেন, এখানে Proper Noun ব্যবহার করা হয়েছে, অর্থাৎ একজন নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে বোঝানো হয়েছে, কোন গোষ্ঠী বা জাতিকে নয়। কোরানে বহু জায়গায় কাফেরদের চিহ্নিত করতে common noun ব্যবহার করা হয়েছে ('কাফেরুন')। কিন্তু এক্ষেত্রে সে সুযোগ নেই, বরং Proper Noun ব্যবহার করে কোরান এটা প্রমাণ করে দিয়েছে যে এই গ্রন্থ শুধু মাত্র একটা নির্দিষ্ট কালকেই represent করে, এবং একটা নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর মানুষের জন্যই প্রযোজ্য।
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:১৮
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: যদি এভাবে বলি, 'যা কিছু ঘটবে, তাতো ঘটেই আছে'; তাহলে, কেমন হয়?
২৭|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:১৯
মদনদেব বলেছেন: নিশ্চয়ই আল্লাহ আপনাকে উপযুক্ত প্রতিদান দিবেন,
নাস্তিকদের ফাঁকা বুলীগুলো ইগনোর কববেন প্লীজ ।
জাঝাকাল্লাহ
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:২৫
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: ধন্যবাদ।
২৮|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:৩৬
সাহোশি৬ বলেছেন: @লেখক: 'যা কিছু ঘটবে, তাতো ঘটেই আছে'। এটাই হলো মূল কতা। যদি তা-ই হয় তাহলে আর আবু লাহাব, ইবলিশ এদের দোষ দিয়ে কি লাভ?
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৩
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: আমি এই প্রশ্নের জবাব দিতে অক্ষম।
২৯|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৪০
ঝড়১২৩ বলেছেন: কোরান কি প্রকৃত আবু লাহাব ঐ ব্যটাকে নিয়েই লিখেছে??? না। তাহলে কেন বার বার ঐ লাহাব ব্যটাকে নিয়ে এত কথা চালিয়ে যাচ্ছে সবাই?
আপনে এখানেও প্রমান পেয়ে যাচ্ছেন যে এই শানে নজুল অতিরিক্ত বোঝার কারনে এই প্যচাল বাধছে। যদিও ইহাই মানুষ অধিক পছন্দ করে থাকে।
যেমন ধরেন সুরা ফিল এর কথা। ঐ শানে নজুল সম্পর্কে কি বলবেন? এখনো বিগ্গানের যুগে সৌদিতে হাতি পালা যায় না। হাতি মরুভূমীতে থাকতে পারেনা। সেখানে ঐ সময় হাজার হাজার হাতি নিয়ে ...আমি পরে এইটার বিষয় লিখব।
তবে প্রশ্ন করবার পুর্বে চিন্তা করুন। বারবার চিন্তা করুন। সকল গ্গান আপনার ভিতরেই।
আমি বলেছি, কোরানের ব্যাখ্যা দিতে আর বুঝতে ইহকাল, পরকাল ইহজগত, আধ্যাত্নজগত সব বিষয় পরিপুর্ন গ্গান থাকা চাই। যাদের আছে সেইসকল গ্গানীদের নিকট যান। এর আগে কোনকালেই সম্ভব নয়। হাজার কোরান বাইটে খান, কাগজের কোরান মাথার উপর দিয়ে রাখেন ২৪ঘন্টা ৩৫৬ দিন...লাভ হবেনা।
আমি আবার শানে নজুল দিয়েও সব মিলায় দিতে পারব, সেটা আপনে পারবেন না। কেননা কোরান রুপক। আপাতত সুরা লাহাবের যে ব্যাখ্যা দিয়েছি সেটা পড়েন, ভালো করে দেখেন, আবারো এখানে যারা পড়ছেন সবাইকে বলি কোরান কাগজে ছাপা হয়ে আছে, প্রকৃত কোরানের ব্যখ্যা আপনাদের ভিতরেই আছে। ইহা চিন্তাশীলদের জন্য। চিন্তা আপনার মস্তিষ্কের যেখানে হয় সেখানে যান, চোখ বুজিয়া দেখ নিজের ভিতরে, হাসিতেছেন তিনি হিয়ার অন্তরালে। খোদাকে খুজিতেছ(?) আপনারে রেখে খুজিতেছ ফিরি। ইহা জানাই সালাত। এই ধ্যান সালাত করলেই দেখবেন প্রতিটি মানুষের ভিতরে 'আবু লাহাব' বাস করে।
আবু লাহাব নির্দিষ্ট কোন ব্যক্তি নয়। প্রতিটি মানুষ আবু লাহাবকে নিয়ে জীবন ধারন করে, যত সময় না সে মোহ মুক্ত হয়। ঐ খেজুর গাছের ছালা, ঐ স্ত্রী, সব কিছুই রুপক। নারী কি আমি উপরেই লিখেছি। চিন্তা করেন।
ভালো থাকবেন
ধন্যবাদ
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:১২
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: "কুরআন তাওরাতের মত একসাথে নাযিল হয়নি, বরং সুদীর্ঘ ২৩ বছরে একটু একটু করে বিভিন্ন ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে নাযিল হয়েছে- একথা তো মানেন? অন্যথায় কুরআনকে জীবনবিধান হিসেবে মেনে চলার কী যৌক্তিকতা থাকতে পারে? এখন, শানে নুযুল (নাযিলের পটভূমি) না জানলে ঐ আয়াতস্থিত আদেশ-নিষেধের মেজাজ উপলব্ধি করা কীভাবে সম্ভব?
এখনকার কথা বাদ দিলাম, পৃথিবীর প্রাচীন মুফাস্সিরগণ (আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদের মত সাহাবারা) কুরআনের ব্যাখ্যায় শানে নুযুলকে গুরুত্ব প্রদান করেছেন। তাঁদের এমন ভুল পথে ধাবিত হবার কারন কী?"
এই প্রশ্নের জবাব তো এড়িয়ে গেলেন।
সুরা ফীলের 'ফীল' (হাতি) নিয়ে অন্যদিন আলোচনা করা যাবে।
আপনি বলেছেন, "এই শানে নজুল অতিরিক্ত বোঝার কারনে এই প্যচাল বাধছে।" এটি নিশ্চয়ই শানে নুযুলের দোষ নয়? যিনি অতিরিক্ত বুঝছেন, তাঁরই সমস্যা।
৩০|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:০৮
সারওয়ার ইবনে কায়সার বলেছেন: নাস্তিকের ধর্মকথা যে অনুবাদটা দিলেন......সেইটা তিনি পুরা আক্ষরিক অনুবাদ তুলে দিলেন........যা সবসময়ই কনফিউশন তৈরি করে.....
আমরা যে অনুবাদ পড়েছি তা আমি তুলে দিচ্ছি....
"আবু লাহাবের হস্তদ্বয় ভাঙিয়া যাউক এবং সে বিনষ্ট হোক।না তাহার ধন সম্পদ তাহার কোন কাজে আসিয়াছে আর না তাহার উপার্জন।অচিরেই সে এক শিখাবিশিষ্ট আগুনে প্রবেশ করবে।এবং তার স্ত্রী ও।যে কাষ্ঠ বহন করিয়া আনে।এবং দোযখে তাহার গলায় একটি রশি হইবে-খুব পাকানো।
স্পষ্ট ভবিষ্যতবানী।!!
কুরআনের আক্ষরিক অনুবাদ করা কখোনোই সম্ভব না....
প্রচুর কনফিউশন হবে......
নরমাল একটা ইংরেজী উপন্যাস যদি আপনি বাংলায় আক্ষরিক অনুবাদ করেন তাহলেই দেখবেন পুরা আউলা হইয়া যাবেন........
আর এইটা তো কুরআন.....
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৫
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: এক ভাষা হতে অন্য ভাষায় অনুবাদে এ ধরনের সমস্যা হয়েই থাকে। ঠিকই বলেছেন। ধন্যবাদ।
৩১|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:১৮
সারওয়ার ইবনে কায়সার বলেছেন: নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন-কিন্তু তারপরেও কোনভাবেই মেনে নিতে পারছিলাম না যে, আল্লাহ এমন খেপতে পারে- তাও তারই তৈরি একজন মানুষের উপর!!! এই সুরা যতবার পড়েছি- ততই মনে হয়েছে, এ-তো মুহম্মদ সা বা ঐ সময়কার মুসলমানদের রাগ-ক্ষোভের বহিপ্রকাশ!!!
তাইলে আর দোজখ বলিয়া কিছু রাখার দরকার আছে???
সবাইরে বেহেশতে পাঠাই দিলেই হয়......যদিও বেহেশত আর দোজখ বলে কিছু আছে আপনি মানবেননা.....
আল্লাহ কুরআনে অনেক বারই আমাদের কে তার নিদর্শন খুজে নিতে বলেছেন......যেসব নিদর্শন তিনি বিভিন্ন ঘটনা,বক্তব্যের মাধ্যমে কুরআনে রেখে দিয়েছেন......
আবু লাহাবের ঘটনা তেমনি এক নিদর্শন......যা আল্লাহ সকলের জন্য রেখে দিয়েছেন......অবিশ্বাসীরা কখোনোই বিশ্বাস করবেনা.....তারা ভিন্ন যুক্তি খুজে বের করবে......এইটাও কুরআনে বলা আছে......
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৮
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: আগে থেকে পুঞ্জীভূত মন-মানসিকতা নিয়ে কুরআন পাঠ এ ধরনের ধ্যান-ধারনার জন্ম দেয়।
৩২|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৪৮
ঝড়১২৩ বলেছেন: 1. বর্তমান যুগে আমরা কেন পড়ব "ধ্বংস হোক! আবু লাহাবের উভয় হাত, আর সেও ধ্বংস হোক।" আবু লাহাব যেহেতু ১৪০০ বছর আগেই মরে গেছে আমাদের তো পড়া উচিৎ ধ্বংস হয়ে গেছে আবু লাহাব! আবু লাহাবের উভয় হাত, আর সেও ধ্বংস হয়ে গেছে (কোরানের বানীকে এখানে আমি বিকৃত করতে চাইছি না, বরং বোঝাতে চাইছি বর্তমান যুগে কোন বাক্যটা বেশী যৌক্তিক).
অবশ্যই আবু লাহাব কোন কালের গন্ডির ভিতর সীমাবদ্ধ নয়। প্রতিটি মানুষের সাথে আবু লাহাব রয়েছে। মোহ থেকে আবু লাহাবের জন্ম বা আবু লাহাব হল বস্তু মোহাগ্নি শিখা। হাত হল আত্নিক শক্তির প্রতিক। আপনে ভোগে, লোভে, মোহে জড়িয়ে গেলেই আপনার আত্নিক শক্তি লোপ পাবেই। ইহা যে কারো জন্যই প্রজজ্য।
কোরান চির বর্তমান। কালের গন্ডির মাঝে সীমাবদ্ধ নয়। এটা বুঝলেইত হয়।
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:১৬
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: "আবু লাহাব কোন কালের গন্ডির ভিতর সীমাবদ্ধ নয়। প্রতিটি মানুষের সাথে আবু লাহাব রয়েছে। মোহ থেকে আবু লাহাবের জন্ম বা আবু লাহাব হল বস্তু মোহাগ্নি শিখা। "
রূপকার্থে হয়তো মেনে নেয়া যায়। কিন্তু, আবু লাহাব বলে বাস্তবে কেউ ছিল না, এমন কথা পর্যাপ্ত প্রমান ছাড়া আপনি কীভাবে বলছেন? বিগত দেড় সহস্রাব্দ ধরে যে কথা প্রচলিত আছে, তাকে মিথ্যে প্রমান করতে শক্ত ভিত্তির প্রয়োজন। দুঃখের সাথে বলতে হচ্ছে, আপনি এখনো তা দেখাতে পারেন নি।
৩৩|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৪৭
সাহোশি৬ বলেছেন: @লেখক: "আগে থেকে পুঞ্জীভূত মন-মানসিকতা নিয়ে কুরআন পাঠ এ ধরনের ধ্যান-ধারনার জন্ম দেয়।"
সত্য কথা বলি? বাংলাদেশে মুসলিম বাবা-মায়ের ঘরে জন্ম নেয়া অধিকাংশ ছেলে-মেয়ে যখন কোরান পড়তে বসে (এখানে পড়া বলতে আমি আরবীতে কোরান পড়া বোঝাচ্ছি না, বরং অর্থ সহ কোরান পড়া বোঝাচ্ছি) তখন তার একটাই ধারণা থাকে, তা হল কোরান শাশ্বত, কোরান সত্য, কোরান পবিত্র, কোরান আল্লাহর বানী, কোরান বিশুদ্ধ (এ ধারণা সে পায় তার পরিবার, সমাজ, এবং পরিবেশের কাছ থেকে)। কারুর কারুর ক্ষেত্রে সমস্যাটা শুরু হয় যখন সে দেখে কোরানে যা লেখা আছে তা তার পুর্ব ধারণার সাথে মিলছে না, তখন সে কোরানের বিশুদ্ধতা নিয়ে সন্দিহান হয়ে পড়ে।
সুতরাং আপনি যা বলছেন ("আগে থেকে পুঞ্জীভূত মন-মানসিকতা নিয়ে কুরআন পাঠ এ ধরনের ধ্যান-ধারনার জন্ম দেয়।"), বাস্তব হল তার সম্পূর্ন উল্টো, অর্থাৎ মুসলিম ঘরে জন্ম নেয়া অধিকাংশ ছেলে-মেয়েই কোরান বিশুদ্ধ এই মন-মানসিকতা নিয়ে কোরান পাঠ শুরু করে, কোরান নিয়ে সন্দেহ (কারুর কারুর ক্ষেত্রে) শুরু হয় পাঠ শুরুর পর থেকে।
৩৪|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫২
সাহোশি৬ বলেছেন: @সারওয়ার ইবনে কায়সার "কুরআনের আক্ষরিক অনুবাদ করা কখোনোই সম্ভব না....
প্রচুর কনফিউশন হবে......
নরমাল একটা ইংরেজী উপন্যাস যদি আপনি বাংলায় আক্ষরিক অনুবাদ করেন তাহলেই দেখবেন পুরা আউলা হইয়া যাবেন........
আর এইটা তো কুরআন..... "
তাহলে কি কোরান সকল মানুষের জন্য নয়? কোরান জানা এবং বোঝার জন্য কি তাহলে আমাকে আরবী ভাষা জানতে ও বুঝতে হবে? এটা কি শুধু আরবের লোকেদের জন্য?
কোরান যদি পৃথিবীর সমস্ত মানুষের জন্য প্রযোজ্য হয় তাহলে যেকোন ভাষায় অনুবাদ করলেই কোরান বুঝতে পারা উচিৎ, কারণ পৃথিবীর প্রতিটা মানুষ তার নিজের মাতৃভাষা যত ভালো বোঝে অন্য কোন ভাষা এত ভালো বুঝতে পারে না।
০৯ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:১৪
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: কতটুকু সন্তোষজনক জবাব দিতে পারব, বুঝতে পারছি না। তারপরেও চেষ্টা করছি।
কুরআনের ভাষা আরবী হওয়া নিয়ে দু'টি কথা। পৃথিবীর সব ধর্মগ্রন্থই স্ব স্ব প্রচারকের মাতৃভাষায় রচিত হয়েছে। এতে এর অনুসারীদের পথনির্দেশিকা হৃদয়ঙ্গম করতে ভাষাগত সমস্যায় পড়তে হোত না। সমস্যাটা হলো কুরআনের বিশ্বজনীনতা নিয়ে। একটি আরবী কিতাব কী করে সকল ভাষার মানুষের পথপ্র দর্শক হয়?! যেটুকু বুঝেছি, তা হলো, কুরআন এক মহান বিপ্লবের ঘোষনা নিয়ে এসেছিলো আর সেজন্য প্রয়োজন ছিল একদল একনিষ্ঠ কর্মী। চুড়ান্ততম বর্বর ঐ জাতিকে পথনির্দেশ দিতে গেলে তাদের মাতৃভাষাতেই দিতে হবে। যতদুর জানি, কোন ম্যানুয়েল একাধিক ভাষায় অনূদিত হলে সমস্যা নিরসনে যে কোন একটি ভাষাকে মূল পাঠ হিসেবে রাখা হয় এবং যে কোন রকমের বিরোধে ঐ পাঠটিকেই আদর্শ বলে মানা হয়। (যেমন- বাঙলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ-১৫৩ অনু্যায়ী এ সংবিধান পাঠের ক্ষেত্রে বাঙলাকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে)। কুরআনের ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে। অন্য সকল ভাষার উপরে আরবীকে (সুনির্দিষ্টভাবে বললে কুরাইশ পঠনরীতি) প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। অন্যথায়, পরিভাষাগত সমস্যা সামলিয়ে একতাবদ্ধ থাকাটা সম্ভব হোত না! এর বাইরে পৃথিবীর প্রায় সকল প্রধান-অপ্রধান ভাষায় কুরআনের অনুবাদ হয়েছে। তাফসীরেরও অভাব নেই। এতে কুরআন বোঝার প্রতিবন্ধকতা অনেকাংশেই দুর হয়েছে। প্রশ্ন হতে পারে, সহজে যদি বোঝা যাবেই তাহলে এত এত তাফসীরের কী দরকার? রবীন্দ্রনাথের "শেষের কবিতা" কে নিয়ে শত শত রিভিউ লেখা হয়েছে; তার মানে এই নয় যে, শেষের কবিতা কেউ বোঝে না। বরং এত এত রিভিউ উপন্যাসটির বহুল পঠন ও তুমুল জনপ্রিয়তার পরিচায়ক। আর সত্যি কথা বলতে কি, এক আরবী ভাষাতেই কুরআনের যতগুলো তাফসীর আছে, অন্য সব ভাষা মিলিয়ে ও এতগুলো লিখিত হয়েছে কীনা আমার সন্দেহ।
৩৫|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:০৫
সারওয়ার ইবনে কায়সার বলেছেন: কোরান জানা এবং বোঝার জন্য কি তাহলে আমাকে আরবী ভাষা জানতে ও বুঝতে হবে???
আমার উত্তর -------- হ্যা.......আপনাকে আরবী জানতে ও বুঝতে হবে...আপনি যদি দিনরাত খেটে টোফেল আর আইএলটিএস দিতে পারেন আর স্পোকেন ইংলিশের ক্লাসে দৌড়াতে পারেন.......ইংরেজী নামক একটি ভাষা শিখার জন্য........তাইলে আপনার আরবী শিখতে সমস্যা কোথায়??
এটা তো কোন অসম্ভব কাজ না!!......
এটা কি শুধু আরবের লোকেদের জন্য?
কেন??আরবী কেবল আরবের লোকের ভাষা হতে যাবে কেন?আপনার শিখতে সমস্যা কোথায়??আপনার অসাধ্য হলে তাইলে আপনি বলতে পারতেন যে কোরান শুধুমাত্র আরবের লোকের জন্য....
কারণ পৃথিবীর প্রতিটা মানুষ তার নিজের মাতৃভাষা যত ভালো বোঝে অন্য কোন ভাষা এত ভালো বুঝতে পারে না।
আমার জানামতে এখন আমাদের দেশেই অনেকে আরবী শিখছেন শুধুমাত্র কুরআন ভালকরে বুঝার জন্য.............তারা শিখছেন এবং খুব ভালভাবেই শিখছেন......এবং তারা এখন বেশ ভালই কুরআন বুঝেন....যেমনভাবে আমি বেশ ভালভাবেই ইংরেজী বই পড়তে ও বুঝতে পারি এবং ইংরেজী সিনেমা এক পলকেই বুঝে নেই........
০৯ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:১৬
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: ৩৪ নং মন্তব্যের উত্তর আপনার কথার কতটুকু মেলে?
৩৬|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:০৬
পারভেজ বলেছেন: ঝড়১২৩ এর মন্তব্যগুলো বেশ চিন্তা প্রসূত বোঝা যায়।
'দাজ্জাল' সংক্রান্ত এমন কিছু ব্যাখ্যা আমি অন্য কোথাও শুনেছিলাম; বেশ যৌক্তিক মনে হয়েছিলো।
আসলে কোরআন এর ব্যাখ্যা কেবল মাত্র কোরআন ই দিতে পারে।
এ নিয়ে আরো গবেষণা হওয়া উচিত।পার্থিব কোন বস্তু অবশ্যই পৃথিবী ধ্বংস হবার সাথে সাথে লোপ পাবে। পরকালে কি পার্থিব বস্তু জগতের কোন কিছু অস্তিত্ত্ব থাকা সম্ভব? আমার তো মনে হয় না!
০৯ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:২০
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: "ঝড়১২৩ এর মন্তব্যগুলো বেশ চিন্তা প্রসূত বোঝা যায়।" সত্য।
তবে, একটাও তিনি কোন শক্ত ভিত্তির উপর দাঁড় করাতে পারেন নি।
৩৭|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:২৩
ফাহিম আহমদ বলেছেন: নাস্তিক ধ্বংস হোক
০৯ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:০৮
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: নাস্তিকের ধ্বংস না চেয়ে নাস্তিকতার ধ্বংস চান। ওটাই ভাল হবে।
৩৮|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:২৫
ঝড়১২৩ বলেছেন: আবু লাহাব বলে কেউ ছিল না। আবু জাহেল বলে একজন ছিলেন, তাকেই আবু লাহাব বলে ডাকা হত, মূলত আবু লাহাব বলে কেউ ছিলেন না।
কোরানইত রুপক। তো সুরা রুপক হবেনা কেন? ‘লাহাব’ শব্দের অর্থ ‘অগ্নিশিখা’; ‘আবু’ শব্দের অর্থ ‘পিতা’। তাহলে কি দাড়ালো? আবু লাহাব অর্থ হল অগ্নিশিখার পিতা। এখন একে একটু ভাঙ্গেন- যাহারা মোহপ্রবিস্ট হয়ে বস্তুর প্রতি আকৃষ্ট হইয়া থাকে তারাই নিজেদের ভিতর অগ্নি সৃষ্টি করে। আপনারাতো চিন্তা করতে চাননা –আরও একটু চিন্তার খোরাক দেই;
আল্লাহ মানুষকে দিয়েছে সাত সেফাত; তথা আপনার চোখ, কান, নাক, মুখ ইত্যাদি। যাইহোক- একটা উদাহরন দেই ধরেন তরুন সমাজ প্রথমে সিগারেট দেখল, তারপর তাকে কেউ সাধল ধরানোর জন্য, এরপর সেই ছেলে স্বাদ নিল। ঘ্রান নিল নাক দিয়ে। তারপর থেকে সেই ছেলে সিগারেট দেখলেই তার মস্তিষ্কে এক ধরনের ক্যমিকেল রিয়াকশন হয়, তার মানে তার চোখ তখন তার কন্ট্রোল হারিয়ে ফেলেছে, নিচে নেমে গেল একটা সিফাত; এরপর তার নাকে ঘ্রান ঢুকল তখন সে কেনার জন্য তার মস্তিষ্কে আদেশ দিল, পতন হল নাক সেফাতের, কেননা সেটাও তার কন্ট্রোল নাই। তারপর সে কিনে টান দিল। জিহবা আর শক্ত থাকতে পারলনা, তারও পতন ঘটে গেল। সামান্য একটা ছোট উদাহরন। দেখুন বস্তু মোহে আটকে গেল। জীবন কি জাহান্নামে পরিনত হল না? জাহান্নাম কোথায়? সাত আসমানের উপরে? হা।।হা।।হা।।আল্লাহ কখনোই বলেন নাই জান্নাত জাহান্নাম সাত আসমানের উপরে ঝুলায় রাখছেন। পড়ে দেখুন সুরা হুদের ১০৬-১০৮। যতকাল আসমান জমিন থাকবে ততকাল জান্নাত আর জাহান্নাম থাকছে। এই পৃথিবীর বাইরে কিছুই নয়। একটা নিয়ে বলতে গেলে হাজার কথা চলে আসে।
ছেলেটার জীবন জাহান্নাম কেমন- এরপর থেকে তার অর্থ অপচয় শুরু, অনেক সময় পরিবারে গন্ডগোলে আটকায় যাবে, আত্নীয়সজন সব কিছু থেকে দূরে সরে যেতে হবে ধীরে ধীরে। জাহান্নাম কি > কষ্টের জায়গা। কি হল না কষ্ট? পারিবারিক, সামাজিক, আর্থিক, মানবিক???? এইত জাহান্নাম । বাইরে কই কি দেখবেন? আমার আর একটা লেখা আছে ধর্ম ডাকাতি (জান্নাত জাহান্নাম) , পরে দিবনে, পড়ে দেখবেন আশা রাখি। জান্নাত জাহান্নাম কোথাও না, ইহা মানুষের মস্তিষ্কেই অবস্থিত। তার চিন্তা চেতনায় কর্মে। যাইহোক অফট্র্যাক না যাই।
আবু লাহাব কোন ব্যক্তি নয়। ইহা আপনে, ইহা আমি, ইহা আর সবাই যারা এই প্রকৃতির মোহে আবদ্ধ। কোরান এই সুরা দেয়ার কারন হইল, তোমরা সবাই এই মোহ থেকে মুক্ত হও, পুরুষ হও, ফিরে এস আমার কাছে। আমি প্রকৃতির দাস নই, তুমি আমার প্রতিনীধি হয়ে তুমি কেন দাস হবে?
আর যা বলছিলেন ১৫০০ বছর ধরে...ভাই সে কথার কি জবাব দিব বলেন? ইহা তকদির বলতে হয়। আমরা কারা আল্লাহকে দেখে বিশ্বাস করেছি বলেন? ইতিহাস কিছুটা ঘাটেন হয়ত পাবেন। একটা ঘটনা বলি সেই ঘটনা দেখেন শুনতে পান কিনা সবার কাছে; ‘গাদিরে খুম’। যারা জ্ঞানী তারাই জানে। ইহা জানলেও হয়। আর কিছু বললাম না। এমনি আপনে মানতে নারাজ আমার কথা, তারপরও এত কিছু মাথায় ঢুকবেনা। কেননা সত্য জানতে তকদির লাগে। সবার হয়না। আর কোন প্রশ্ন নয়। এবার বাকিটা আপনার।
ভালো থাকবেন।
ধন্যবাদ
০৯ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৩২
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: আপনি এত বেশী বিতর্কিত বিষয়ের অবতারনা করছেন যে, এক একটার উত্তর দিতেই এক পৃষ্ঠা লাগবে।
একটু একটু করে দিচ্ছি।
আপনি বলেছেন, "আবু লাহাব বলে কেউ ছিল না।"
ভাল কথা। কুরআনের সবচেয়ে পুরাতন তাফসীরের একটি তাফসীর ইবনে কাসীর কিন্তু বলছে যে, আবু লাহাব নামে আল্লাহর রাসূলের(স) একজন চাচা ছিলেন! বুখারী শরীফের হাদিসও তাই বলছে।
দেখুন এখানে।
Click This Link
আবু লাহাব অর্থ অগ্নিশিখার পিতা হলে আবু জাহেল অর্থ মুর্খতার পিতা। এই যুক্তিতে আবু জাহেলও কোন ব্যক্তি ছিলেন না- বলা যায়, তাই নয় কি?
আর 'গাদিরে খুম' এর ঘটনারকে কথা যেহেতু বললেনই (যদিও এখানে প্রাসংগিক নয়, তবু বলছি), তাহলে এটাও নিশ্চয়ই জানেন যে,শিয়া সম্প্রদায় এ ঘটনার এত বেশী বিকৃতি সাধন করেছে যে, সেটা জেনে সাহাবাদের একটা বিশাল সংখ্যা বিশেষ করে আবুবকর(রা)। উমার(রা) এবং উসমানকে(রা) ক্ষমতালোভী মিথ্যুক ছাড়া আর কিছু মনে হয় না।
উত্তর দেবেন আশা করি।
৩৯|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:২৭
পল্লী বাউল বলেছেন: পোস্ট পর্যবেক্ষনে।
০৯ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৫২
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: কেনু? কেনু? কেনু? ![]()
৪০|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫৭
সাহোশি৬ বলেছেন: @ সারওয়ার ইবনে কায়সার "আপনি যদি দিনরাত খেটে টোফেল আর আইএলটিএস দিতে পারেন আর স্পোকেন ইংলিশের ক্লাসে দৌড়াতে পারেন.......ইংরেজী নামক একটি ভাষা শিখার জন্য........তাইলে আপনার আরবী শিখতে সমস্যা কোথায়??"
-রাত-দিন দৌড়িয়ে টোফেল, আইইএলটিএস পাশ করতে পারি, কিন্তু মাতৃভাষার মতো করে ইংরেজী ভাষা শিখতে পারি না।
আপনার হিসাবে কোরান বোঝার জন্য যদি আরবী ভাষা শিখতে হয় তাহলে বলতেই হবে কোরান আরবের লোকদের জন্যই প্রযোজ্য। তবে কোরান বোঝার জন্য আরবী শেখার প্রয়োজন আছে, আপনার একথার সাথে আমি সম্পূর্ণ দ্বিমত পোষণ করছি, বরং যে কোন ভাষাতেই যে কোন ভালো বই অনুদিত হলে ঐ বইয়ের মূল বিষয়বস্তু বুঝতে পারা উচিৎ। যেমন শেক্সপিয়রের নাটকগুলো বাংলায় পড়ার পরও আমরা বুঝতে পারি শেক্সপয়র কি বোঝাতে চেয়েছেন।
আপনি কিন্তু আরেকটা ব্যাপার এড়িয়ে যাচ্ছেন, তা হলো ১৪০০ বছর আগের আরবী (যে আরবীতে কোরান লেখা হয়েছে) আর আজকের আরবী এক নয়। সময়ের সাথে সাথে ভাষার পরিমার্জনা হয়। বম্কিম কিংবা ইশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের সময়ের বাংলার সাথে এখনকার বাংলার কত তফাৎ!!!! ভিক্টোরিয়ান যুগের ইংলিশের সাথে আজকের ইংলিশের তফাৎট চোখে পড়ার মতো। তা-ই আপনার কথা মতো কোরান বোঝার জন্য শুধু আরবী শিখলেই হবে না, একেবারে ১৪০০ বছর আগের আরবী জানতে হবে। এ সট্যি এক আশ্চর্য কিতাব বই কি!!!
৪১|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০৮
সার্কিট বলেছেন: আপনার পোস্টের সূত্র ধরেই বলি....... আবু লাহাব যেহেতু মোহাম্মদ (সা.) এর জম্মের খবর শুনার পর ক্রীতদাসী মুক্ত করে দেয়ার মতো মহান মনের পরিচয় দিয়েছেন সেহেতু ধরে নেয়া যায় তিনি অনেক বড় হৃদয়ের মানুষ ছিলেন। যেহেতু তখন পর্যন্ত ইসলাম এর আবির্ভাব হয়নি সেহেতু বলা যায় পরকালে বেহেস্ত লাভ বা হুরপরী পাওয়ার আশা ছাড়াই তিনি একাজটি করেছেন। তাহলে আবু লাহাবের সাথে মোহাম্মদ (সা.) এর বিরোধটা কিসের যে লাহাবকে ধ্বংস হওয়ার জন্য স্বয়ং আল্লাহকেই একটি পুরোপুরি সুরা নাজিল করতে হলো। এটার জন্য আসলে আরো বড় ব্যাখার প্রয়োজন। আবু লাহাবের দুইপুত্রের সাথে মোহাম্মদ (সা.) এর দুকন্যার বিবাহ এবং পরবর্তীতে তালাক ইত্যাদি বিষয়গুলো বিবচেনা করলে বলা যায় ধর্মীয় দিক ছাড়াও এখানে আবু লাহাব এবং মোহাম্মদ (সা.) এর পারিবারিক বিষয়ও জড়িত। কিন্তু আশ্চর্য হয়ে যাই যখন দেখি উনাদের পারিবারিক ঝগড়ার মধ্যে স্বয়ং আল্লাহ জড়িয়ে যান। এবং আবু লাহাবকে অভিশাপ দিতে কিংবা তার পরিনতি সম্পর্কে ভবিষ্যতবানী করতে আল্লাহকেই একটি পূর্নাঙ্গ সূরা নাজিল করতে হয়।
যদি এমন হতো মোহাম্মদ (সা.) নিজে বলতেন যে আবু লাহাবের দুই হাত ধ্বংস হবে কিংবা তার সম্পতি কোন কাজে লাগবে না বা তার স্ত্রী দোজখের আগুনে জ্বলবে তবে কি তৎকালীন মক্কার লোকেরা এটাকে স্রেফ মোহাম্মদ(সা.) এর ব্যাক্তিগত আক্রোশ হিসেবে ভেবে নিতেন। এজন্যেই কি আবু লাহাবকে অভিশাপ দেয়ার জন্য আল্লাহর আশ্রয় নিতে হয়েছে?
আবারো আপনার পোস্টে ফিরে যাই ... আপনি আবু লাহাবের করুন পরিণতি উল্লেখ করেছেন কারন এরুপ লোকের পরিণতি শুভ হতে পারে না। তাইতো স্বয়ং আল্লাহকে এবং তার নবীকে যে অস্বীকার করে তার পরিনতি শুভ হয় কিভাবে। তার পুত্র হিংস্র জন্তুর হাতে নিহত হয়েছে, সে প্লেগ (বা অন্যকোন ভয়াবহরোগে) আক্রান্ত হয়ে মরেছে তার স্ত্রী আত্মহত্যা করেছে, আবু লাহাব নির্বংশ হয়েছে এইতো স্বাভাবিক। স্বয়ং আল্লাহ এবং তাঁর নবীর সাথে বেয়াদবী করেও যে সূরা লাহাবের অভিশাপ কিংবা ভবিষ্যতবানী অনুসারে আবু লাহাবের যে দুই হাত ধ্বংস হয়ে যায়নি কিংবা উক্ত সূরা নাজিল হওয়ার ১০ বছর পরও আবু লাহাব জীবিত ছিল বা মৃত্যুকালেও যে আবু লাহাবের দুই হাত অক্ষত ছিল এটাইতো আশ্চর্যের। আবু লাহাবের নির্বংশ হওয়ার বিষয়টি নাইবা বললাম তাহলে কিন্তু কেচোঁ কুড়তে সাপ বেরিয়ে যেতে পারে। ব্লগের কিছু নাস্তিক আবার আবিস্কার করে ফেলতে পারে তখন আল্লাহর প্রিয় আর কার কার পুত্র সন্তান ছিল না বা নির্বংশ ছিল।
১১ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪২
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: আপনার মন্তব্যের প্রথম অংশের জবাব ৪৭নং মন্তব্যের উত্তরে দেবার চেষ্টা করেছি। দেখে নেবেন আশা করি।
"যদি এমন হতো মোহাম্মদ (সা.) নিজে বলতেন যে, আবু লাহাবের দুই হাত ধ্বংস হবে কিংবা তার সম্পতি কোন কাজে লাগবে না........... " এর জবাবে বলছি। কুরআন বলুন আর হাদীস বলুন, সবই আমরা পেয়েছি মুহাম্মাদের(স) মুখ হতে। তিনি যেটাকে কুরআন বলেছেন সেটিকে কুরআন আর বাদবাকীগুলোকে হাদিস বলে মেনে নিয়েছি। ব্যক্তিগত আক্রোশ মেটানোর প্রয়োজন তাঁর থাকলে, সেই অন্ধ শ্রোতার প্রতি বিরক্তি প্রদর্শনের কারনে আল্লাহ যখন তাঁকে সাবধান করেছেন, সেটা তিনি সহজেই গোপন করতে পারতেন; তায়েফবাসীর এমন নির্মম নির্যাতনের প্রত্তুত্তরে আল্লাহর শাস্তিমূলক বাণী প্রদান করতে পারতেন, পারতেন মক্কা বিজয়ের দিনে বিজিতদের কচুকাটা করে ফেলতে এবং এর স্বপক্ষে আল্লাহর বাণীও নিয়ে আসতেন। তাতো হয় নি, তাই না?
"আবু লাহাবের নির্বংশ হওয়ার বিষয়টি নাইবা বললাম তাহলে কিন্তু কেচোঁ কুড়তে সাপ বেরিয়ে যেতে পারে।" এর উত্তরে পোষ্টেই বলা আছে, "তীব্র আক্রোশে সে এতটাই অন্ধ হয়ে গেল যে, সদ্য দুই শিশুপুত্রকে হারিয়ে শোকাতুর মুহাম্মাদের(স) প্রতি সমবেদনা জানানো তো দূরে থাকুক, সে তাঁকে লেজকাটা-বংশহীন অপবাদ দিয়ে বেড়াতে লাগল।" অতএব, এর জন্য "ব্লগের কিছু নাস্তিক আবার আবিস্কার করে" ফেলার নতুন কোন সুযোগ নেই।
কতটুকু সন্তোষজনক জবাব দিতে পেরেছি, জানি না। ধন্যবাদ।
৪২|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:২২
সারওয়ার ইবনে কায়সার বলেছেন: তবে কোরান বোঝার জন্য আরবী শেখার প্রয়োজন আছে, আপনার একথার সাথে আমি সম্পূর্ণ দ্বিমত পোষণ করছি, বরং যে কোন ভাষাতেই যে কোন ভালো বই অনুদিত হলে ঐ বইয়ের মূল বিষয়বস্তু বুঝতে পারা উচিৎ
সেই অনুবাদ কে করবে?? একজন বাংলা জানা লোক নিশ্চয়ই??
তারচেয়ে কোনটা ভাল??
আপনার নিজের আরবী শেখা কি না??
শেক্সপিয়ার আপনি আমার চেয়ে একজন ইংলিশ সাহিত্যের লোকেরা অনেক ভাল বুঝে......মানেন কি না??
আপনি কিন্তু আরেকটা ব্যাপার এড়িয়ে যাচ্ছেন, তা হলো ১৪০০ বছর আগের আরবী (যে আরবীতে কোরান লেখা হয়েছে) আর আজকের আরবী এক নয়। সময়ের সাথে সাথে ভাষার পরিমার্জনা হয়। বম্কিম কিংবা ইশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের সময়ের বাংলার সাথে এখনকার বাংলার কত তফাৎ!!!!
আমার জানামতে আরবীতে জবর,যের,পেশ সংযোজন ব্যতিত তেমন কোন পরিবর্তন হয়নাই.....সামান্য যা পরিবর্তন হয়েছে তা কেবল কথ্য রুপে,লেখ্য রুপে নয়।
আর কপালকুন্ডলা পড়তে তো আমার তেমন কোন সমস্যা হয়নাই....![]()
"পথিক,তুমি পথ হারাইয়াছো??"-----বাক্যটির সাথে তো বর্তমান বাংলার কোন কন্ত্রাডিকশন দেখিনা.....
৪৩|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪১
সাহোশি৬ বলেছেন: @সারওয়ার ইবনে কায়সার: আমার যুক্তি হলো পৃথিবীর যে কোন ভাষার বইয়ের অনুবাদ পড়েই বইটা সম্পর্কে ভালো ধারণা পাওয়া যায় (অনুবাদটা ভালো হলেই হলো)। কোন বই পড়ার জন্য সে ভাষা শিখতে হবে এরকম কোন বাধ্যকতার আবশ্যকতা নেই। আপনার মত এ ব্যাপারে ভিন্ন হতে পারে, যেহেতু এই ব্যপারটায় আমাদের দুজনের মত সম্পূর্ণ ভিন্ন এ ব্যাপারে কথা বাড়িয়ে লাভ নেই।
১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:২২
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: আলোচনা শেষ করে দিলেন দেখে খারাপ লাগল। ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গির সাথে পরিচিত হচ্ছিলাম। যাই হোক, ৩৪ নং মন্তব্যের জবাবে আমি যা বলার চেষ্টা করেছি, সে ব্যাপারে আপনার মতামত জানতে ইচ্ছুক।
৪৪|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৫০
সারওয়ার ইবনে কায়সার বলেছেন: সেইটাই তো আমার কথা.......শুধুমাত্র ভুল অনুবাদের কারনে কুরআন নিয়ে যত বিভ্রান্তি হয়েছে পৃথিবীতে আর কোন গ্রন্থ নিয়ে হয়নাই,হবেওনা......
অনেক ক্ষেত্রে ভুলটা ইচ্ছা কৃত করা হয়েছে....।আর সাধারন মানুষ এতে বিভ্রান্ত হচ্ছে....যার প্রমান পিয়েলের পোস্ট......
যাই হোক তর্কের খাতিরে আসলেই তর্ক করে কোন লাভ নাই....
ভাল থাকবেন
০৯ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:২৫
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: আলোচনা কি শেষ করে দিলেন? কোন প্রকার ক্যাঁচালে না গিয়ে এত সুন্দর আলোচনা হচ্ছিল যে, মন্তব্যের উত্তর না দিয়ে পড়তেই বেশী ভাল লাগছিল।![]()
৪৫|
০৯ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৬
স্পেলবাইন্ডার বলেছেন: এই ধরণের আলোচনার প্রয়োজন আছে। +
০৯ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৭
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: সহমত পোষনের জন্য ধন্যবাদ।
৪৬|
০৯ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:০৪
রহমানরক্তিম বলেছেন: নিশ্চয়ই আল্লাহ আপনাকে উপযুক্ত প্রতিদান দিবেন,
++++++++++++++++++++++++++++++++
০৯ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:২২
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: সবার জন্যই উত্তম প্রতিদান আশা করছি।
৪৭|
০৯ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:১৪
সিংহ বলেছেন: Amar ekta Question chilo,
Abu Lahab er vumika world history te kototuku important je take niye Quran er moto eto boro influencial book e ekta pura sura nazil korte hobe? Onek topic niye Quran er position ekhono clear hoyni. Alem olamara ekhono oi sob topic niye contradictory statement dey. Sekhane Lahab Namer kothakar kon ek arab netar upor likhe Quraner eto jayga nosto korar mane ki ?? Atleast Hitler or Alexander ke niye holeo na hoy bujtam. Ami jototuku jani Quran is applicable in past, present and future simaltaneously. Tahole kothakar kon ek chunoputi (compare to other historical figures) arab neta ke niye pura ekta sura, othoco world er other boro boro figure (Good and bad) ke completely ignore korata thik ki indicate kore??
Dhonnobad
১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:১৮
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: উত্তর দেবার চেষ্টা করছি।
আবু লাহাবের বিশেষত্ব তার ব্যক্তিগত গুরুত্বে নয়, বরং তার শত্রুতার ধরনে। আরবের অন্যদের সাথে ইসলাম ও এর রাসুলের(স) শত্রুতা ছিল মূলতঃ আদর্শিক। কিন্তু, আবু লাহাব এই শত্রুতাকে আদর্শের গন্ডি ছাড়িয়ে ব্যক্তিগত পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছিল এবং তা করেছিল কেবল তার ব্যক্তিগত লোভ আর অহংকারের বশবর্তী হয়ে। সেই অন্ধকার যুগেও আরব সমাজের বিশেষ কিছু গুনাগুন ছিল, যেগুল চিরকালের জন্য প্রশংসনীয়। অথচ, সে এ সব গুনাবলী হতেও বঞ্চিত ছিল। এ দৃষ্টিকোন হতেই ইসলামের বিকাশকালে আবু লাহাবের একটি বিশিষ্ট স্থান ও গুরুত্ব রয়েছে। আর এ কারনেই তার দুঃখজনক পরিণতিকে সবার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়া দরকার ছিল বলে মনে হচ্ছে।
৪৮|
০৯ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৫
ক্লান্ত দুচোখ বলেছেন: @ঝড়১২৩:
জাহান্নাম কোথায়? সাত আসমানের উপরে? হা।।হা।।হা।।আল্লাহ কখনোই বলেন নাই জান্নাত জাহান্নাম সাত আসমানের উপরে ঝুলায় রাখছেন। পড়ে দেখুন সুরা হুদের ১০৬-১০৮। যতকাল আসমান জমিন থাকবে ততকাল জান্নাত আর জাহান্নাম থাকছে। এই পৃথিবীর বাইরে কিছুই নয়। একটা নিয়ে বলতে গেলে হাজার কথা চলে আসে।
আপনি এতক্ষন ধরে চিৎকার করে বোঝাতে চেয়েছেন যে, কোরআন রুপক। আবার আপনিই কোরআনের রেফারেন্স দিয়ে বলতেছেন জান্নাত আর জাহান্নাম পৃথিবীতেই আছে! আজব তো!! কেন এইখান কোন রুপক ব্যাবহার করে নাই?
আরেকটা রুপকীয় ব্যাখ্যা দিয়ে একটু বুঝায়ে দিবেন কি? কেয়ামতের পরে পৃথিবী যখন ধংস হয়ে যাবে, তখন ঐ জান্নাত আর জাহান্নামের কি হবে?
০৯ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:২১
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: উনি কোন রকম ব্যাখ্যার ধারেকাছে গিয়েছেন বলে তো একবারও চোখে পড়ে নি।
৪৯|
০৯ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৫১
সারওয়ার ইবনে কায়সার বলেছেন: ৩৪ নং মন্তব্যের উত্তরে ঝাঝা.....
আসলে বিতর্কটা উনিই শেষ করে দিতে চেয়েছিলেন....আর এ ধরনের বিতর্কের আসলেই কোন শেষ নাই![]()
আমাদের জানার পরিধিটাও আসলে বেশী বড় না...
.এইটা এতক্ষনে খেয়াল হইলো যে বলি নাই "আপনার পোস্ট টা দারুন হয়েছে..."
১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৪৩
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: ![]()
ধন্যবাদ।
৫০|
১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:০৩
জনৈক আরাফাত বলেছেন: পোস্ট পর্যবেক্ষণ।
----------------
আপনাকে লিখতে দেখে ভালো লাগলো!
১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৪৫
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: ল্যাপ্পী কিনে ফেলেছি। এখন হতে আবার লিখব, ইনশাআল্লাহ্।
৫১|
১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:২৬
ঝড়১২৩ বলেছেন: ভাই, আপনে কি “আবু লাহাব” কি বোঝানো হয়েছে সেটা বুঝেছেন? আবু লাহাবের বিষয় নিয়ে চিন্তা করেন। বাকিটা বুঝবেননা এখন।
কোরানে রুপকই আছে। তার প্রমান দেখুন, আপনে কিন্তু বুঝেননাই আয়াতে কি বলা হয়েছে। জিজ্ঞাসা করে বসলেন কেয়ামতের পরে এই জান্নাত ও জাহান্নামের কি হবে?
আর কিছুনা ভাই যা বলার বলে দিয়েছি যদি বোঝার মাথা থাকে তাহলে এখান থেকেই বুঝবেন। নয়ত বলব ভাই তকদির।
ভালো থাকবেন।
১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৫৭
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: আবু লাহাব দ্বারা কি বোঝানো হয়েছে কিংবা আমি কী বুঝেছি, সেটা ৩৮ নং মন্তব্যের উত্তরে দিয়েছি। সেখানকার রেফারেন্স ধরে আলোচনায় আসুন। খাপছাড়া "যা বলার বলে দিয়েছি যদি বোঝার মাথা থাকে তাহলে এখান থেকেই বুঝবেন। নয়ত বলব ভাই তকদির " বলে তো সারাজীবন চেষ্টা করেও কাউকে কিছু বোঝাতে পারবেন না! নিদেনপক্ষে আপনি যে মুখরোচক কথাগুলো বলেছেন তার সপক্ষে কয়েকটি রেফারেন্স দিন। না হয়, বিগত দেড় সহস্রাব্দে আপনার মত করে আবু লাহাবের অর্থ করেছেন এমন একজন মুফাস্সিরের নাম বলুন।
৫২|
১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:২৮
ঝড়১২৩ বলেছেন: দু:খিত লেখক ভাই, আমি মন্তব্য আসলে ক্লান্ত দুচোখ ভাইকে দিয়েছি। কিন্ত উনার নামটা লিখতে ভুল হয়েছে।
আর আমি আপনার কাছে ওস্তাদ কোন উত্তর চাইনাই। আমি করেছি একটা মন্তব্য, ভালো লাগলে গ্রহন করবেন, না লাগলে ছুড়ে ফেলে দিন, আপত্তি নাই। আপনার বিবেক কি বলে সেটাই মূল।
সবার ব্যাখ্যা দেখেন, আমারটা দেখেন। আবু জাহেল মানেও অগ্গ এর পিতা। ঠিকআছে। আবারো বলি আক্ষরিক অর্থে কোরান পাঠ হয়না। থাক আর না আগাই।
ধন্যবাদ,
ভালো থাকবেন।
১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৩৫
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: আপনি আর এগুতে না চাইলে কিছু বলার নেই। কিন্তু, কথা হলো এই যে, আপনি আপনার আলোচনায় অনেকগুলো বিতর্কিত বিষয়ের অবতারনা করেছেন, অথচ কোন রেফারেন্স দেন নি। ফলে, কথাগুলো যে আপনার মনগড়া নয়, তা কীভাবে বুঝবো?
ভাল থাকুন!
৫৩|
১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৫৫
ক্লান্ত দুচোখ বলেছেন: @ঝড়১২৩ আপনি বলেছেনঃ
এই ধ্যান সালাত করলেই দেখবেন প্রতিটি মানুষের ভিতরে 'আবু লাহাব' বাস করে।
তা মুহাম্মদ (সঃ) ও তো মানুষ হিসেবেই পৃথিবীতে এসেছিলেন, তাই নাহ? উনার মাঝেও আবু লাহাব ছিলো নাহ?
আপনার উত্তর আমিই দিয়ে দিচ্ছি,
১) হ্যা ছিলো, কিন্তু ছোট বেলাতেই তিনি সেই অন্তঃস্থ আবু লাহাব কে হত্যা/নিঃমুল করে দিতে পেরেছিলেন। তাহলেও প্রশ্নটা থেকে যায়, "ছিল তো?"। তাহলে অনুরূপ ভাবে উনার আগের নবী/রাসুলদের মাঝেও ছিলো।
২) না ছিলো নাহ, তাহলে উনাকে আপনের কথা অনুযায়ী মানুষ বলা যাবে না। কখনই উনাকে আমাদের(মানুষদের) সাথে তুলনা করে বলতে পারবেন না যে, সর্বকালে সর্ব শ্রেষ্ট মানব, ইত্যাদি...ইত্যাদি। কি এইসব উপাধী উঠায়ে নিতে পারবেন তো?
আপনার মতবাদ আমি বুঝতে পেরেছি... ব্যাপারটা অনেকটা "যেই দিকে বাতাস দিলে আমার নৌকা আগাইবে, সেইদিকে বাতাস দেও।"
তবে আপনার একটা বাক্যে আমি একমত, "সৃষ্টিকর্তা আমাদের মাঝেই"। আমরা যেইভাবেই সৃষ্টিকর্তাকে বানাইতে চাইবো, সেইভাবেই হবে।
১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৭
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: "যেই দিকে বাতাস দিলে আমার নৌকা আগাইবে, সেইদিকে বাতাস দেও।"
হা হা হা....
মজা পেলাম!
৫৪|
১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:১৫
সব্যসাচী প্রসূন বলেছেন: ব্লগে আবার কি ঘটছিল!! জানি না ... জানতেও চাই না
... তোমার লেখাটা যথারীতি ভাল লেগেছে
১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৬
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: কতকিছু ঘটে যায়!![]()
ভাল লাগাতে পেরে ভাল লাগল।
৫৫|
১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:২৫
সিংহ বলেছেন: Amar answer ta ??
১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৪০
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: পান নি?
#)
৫৬|
১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৩২
আহমেদ রাকিব বলেছেন: পর্যবেক্ষনে। কমেন্টের জবাব গুলা ভালো লাগতেছে। ক্যারী অন।
১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৪৮
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: থ্যাঙ্কস্ আ লট্।
৫৭|
১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৩৬
এস বাসার বলেছেন: লেখা ভাল লেগেছে। কিন্তু ব্যাপক কেচাল হয়ে গেলো।
ধর্ম খুব একটা বুঝিনা, তাই কোন বিতর্কে অংশঘ্রহন করার ইচ্ছে ও নেই।
ভাল থাকুন।
১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৪৭
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: এইটাকে যদি আপনি ক্যাঁচাল বলেন, তাহলে আসল ব্লগীয় ক্যাঁচাল দেখলে কী বলবেন? এখানে প্রায় কিছুই হয় নি, বরং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বজায় রেখেই সবাই আলোচনা করার চেষ্টা করেছেন।
ধর্ম আমিও যে খুব বেশী বুঝি তা নয়, তবে বোঝার চেষ্টা করছি।
৫৮|
১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৮
সিংহ বলেছেন:
Sorry for the previous comment. Apni jodi apotti na koren to
erpore kono comment korle ta English e likhbo.
Apnar answer ta thik amar question ke address koreni.
Quran world e jonmo neya protita manusher jonno most applicable ebong most important.
World history ebong direction change kore deya onek manush prithibite eseche. Tader sathe compare kore only Lahab er ghotonake keno exemplary incident hisebe Quran e consider kora holo? Atleast bakider kotha to mention o kora jeto. Quran to only contemporary incident in arab world ba apnar kothay Only islamer enemy no 1 ke niye busy thakar kotha na. Atleast overall human civilization er enemy no 1 (jemon Hitler) ke niye dui charta kotha thaka uchit chilo. Ki bolen ?
Keno khali arab world ke focus kore Quran ? Onno Societir kotha na hoy bad dilam. Khali islamic historir dike takai. Sei somoy anti-islamic hardcore character hisebe Lahab ke amra chini. At least History tai bole.Islamer bikaskaler ekjoner kotha hadise thakte pare. Kintu tar kotha emon ekti boi te importance diya lekhar karon ki jei boi manob somajer jabotio kichur guideline dey? Er pore Juge juge aro onek anti Islamic character eseche. Tara Lahab jototuku opposition ba pain Islamic society ke diyeche tar cheye onek onek beshi pain inflict korte pereche. Tader Satrutar dhoron o Lahab er cheye kom chilona. Tarao Shudhu adorsic dhoron noy, borong Tader Sotrutar dhoron ke personal Porjay niye giyechilo. Tader kotha Quran e nei keno. Tader kotha ki almighty jantenna ?
Ar prithibite Lahab er cheyeo onek kharap character er lok History ghatlei onek paoa jabe. Tader ke bypass kore Lahab ke select kora hoyeche Almighty written ekta boi te. Jekhane almightir human civilization er past,present and furture nijer hatei lekhar kotha tar ki janar kotha noy je lahab er ghotona sei somoykaler arab tribe gular kache important hote pare kintu world event e temon kono importance rakhena. Shudhumatro Arab world er choto ekta event ke ekta boi e eto importance keno deya holo jekhane sei boi sara world er protita society and atmosphere e equally applicable bola hoye thake ? Afterall Quran to shudhumatro arab der jonno noy.
Orthat Quran e example tanar somoy khali predominantly Arab societir example keno tana hoy. Hadis ba Tafsir holeo na hoy bujhtam. Kintu Quran to Almightir nijer hate lekha. Almightir ki sei somoykar major past, present othoba future event gulo jana chilona??
Eto important ekta boi te shudhu seisomoyer ghotonaboli ke eto importance deya othcho baki world events ke ignore korar karon ki??
১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:০৫
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: সমসাময়িক ঘটনার উপর কুরআন এতটা জোর দিয়েছে কেন? - এইতো আপনার প্রশ্ন। এটি একটু বিস্তারিত ব্যাখ্যার অবকাশ রাখে। একটু সময় নিয়ে আলোচনা করি?
আলোচনায় সঙ্গ দেবার জন্য ধন্যবাদ।
৫৯|
১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:১৮
আরিফুর রহমান বলেছেন: ১০ নম্বর প্রশ্নের জবাবে আরেকটা গপ্পো খাড়া কৈরালান, লেখক সায়েব..
১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:১৬
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: আজাইরা খোঁচাখুচির অভ্যাসটা আর ছাড়তে পার্লেন না! ![]()
গল্প দাঁড় করাতে চাইলে তো অনেক কথাই বলা যায়। ১০ নং প্রশ্নের জবাবে আমি আমার অক্ষমতা প্রকাশ করা সত্ত্বেও উপহাস করা একই সঙ্গে আপনার ঔদ্ধত্য-অহং এবং নির্বুদ্ধিতার পরিচয় বহন করছে।
৬০|
১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৯
যীশূ বলেছেন: কোন বিষয় একপাক্ষিক শুনে কোন সিদ্ধান্তে আসলে আসা যায় না। আপনি ঘটনাগুলো ইসলামের দৃষ্টিতে ব্যাখা করেছেন। ইতিহাস চিরদিন বিজয়িদের পক্ষে। হেরে যাওয়া আবু লাহাবেরও হয়ত কোন ব্যাখা থাকতে পারতো, কিন্তু সে ইতিহাস তো কেউ জানে না।
১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:২৭
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: আপনার এই কথার উত্তর ১৬ নং মন্তব্যের জবাবে দেবার চেষ্টা করেছি। দেখে নেবেন, আশা করি।
ইসলামের ইতিহাস রচনার শুরুটা হয়েছে হাদীস চর্চার মধ্য দিয়ে আর হাদীস শাস্ত্রের মাপকাঠিতে সহীহ্ (শুদ্ধ) বলে রায় পাবার জন্য এক একটি ঘটনার বর্ণনাকে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হোত। এখন, ইতিহাসের কোন এক প্রান্তের সমসাময়িক সোয়া লক্ষ মানুষের বর্ণনা আর প্রায় পাঁচ লক্ষ মানুষের জীবনী যদি অবিশ্বাসের উপলক্ষ্য হয়, তাহলে সে ইতিহাসের রহস্য উদ্ঘাটনে আমি অক্ষম।
৬১|
১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৪
তারিক মাহমুদ (তারিক) বলেছেন:
প্রথেমই কৈফিয়ত দিয়া লই।
আমি আসলে এই আলোচনায় ঢুকতে চাই নাই। তারপরেও ঢুকলাম। করণ আলোচানা বেশ প্রানবন্তই চলতাছিল। যাই হোক আমি মূলত 'ঝড়১২৩' এর কথা প্রসঙ্গে আলোচনা করমু।
'ঝড়১২৩' যে বিষয়টা নিয়া তার আলোচানা শুরু করছে তারে কয় 'মারেফত'। এইটা ইসলামের অনেক ফ্যাকরার একটা। ভাই, ফ্যাকরা শব্দটা লইয়া আবার ফ্যাকরামি তে যাইয়েন না। উনার কিছু কথার উদৃত্তি দেওয়া যাক।
উনি বলেছেন: "যারা মারেফত বুঝেনা তারা ফাছেক। আর যারা ফাছেক হয়, - ধর্ম বিষয় কোন কথা বলাই তাদের উচিত নয়"।
খেয়াল করেন। উনার কথা মতে যারা শুধু শরিয়ত বোঝে তারা ফাছেক। ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতায়ই এমন যে, মারেফত পন্থিরা শারিয়ত পন্থিদের এবং শরিয়ত পন্থিরা মারেফত পন্থিদের অস্বীকার করে আসছেন। তারা পরস্পর পরস্পর কে বাতিল করে দিতে চেয়েছেন।
ইসলামের এই ইতিহাস গুরুত্বপূর্ণ। যদি আপনি ঠিক-ঠাক মত ইসলামকে বুঝতে চান।
এরপর তিনি বলেছেন: "জগত দুইটি। আধ্যাত্ন জগত আর জড় জগত। সৃষ্টি সম্পর্কে উভয় জগতের জ্ঞান ব্যতিত কোরানের অর্থ করা, বা কোরান পড়া বা কোরান নিয়ে বিশ্লেষন করাই উচিত নয়, এর দ্বারা সুধু ব্যাখ্যা নয় বরং অর্থও পরিবর্তন হয়ে যায়। এক্ষেত্রে সাধারন মানুষদের উচিত ধর্ম জ্ঞানীরা যা বলেন তা শুনে পালন করে যাওয়া। সুধু বস্তু জ্ঞান দিয়েও সৃষ্টি রহস্য বুঝা যায়না, যাবেনা। হাজার হাজার বস্তা পচা বই, কেতাব পড়েও নয়। মসজিদ মাদ্রাসায় পড়ে ওলী-আউলিয়া নবী রসুল বানানো যায়না। বই পড়ে মানুষই হওয়া যায় না, ওলী আউলিয়া নবী রসুল অনেক দুরের কথা।"
উপরের কথাগুলি শুনতে যেমনি লাগুক মিথ্যা কইয়া বাতিল করা যাইবো না, আমার ধারণা। আপনের কি ধারণা?? আইচ্ছা। এইবার তাইলে ওনার কথা প্রসংঙ্গেই আমাদের চিন্ত আগাইয়া নেওয়া যাক, কি বলেন?
উনার মতে, এই ক্ষেত্রে, 'ধর্ম জ্ঞানী'দের কথা শোনা ছাড়া আমাদের গতি নেই। তাই তো। কারণ একমাত্র ধর্মজ্ঞানীরাই কেবল আধ্যাতিক ও জড়- উভয় জগতের জ্ঞান লাভ করতে পারে। আমি একটা জিনিস খেয়াল করিছি, সম্ভবত আপনেও করবেন যে, এই যে দুই জগতের জ্ঞানের যে দার্শনিক ধারণা বা চিন্তা, তা কিন্তু নতুন না। এই জায়াগায় আমার প্লেটোর আদর্শ রাষ্ট্রের 'আর্দশ রাজাদের' কথা মনে পড়লো। আর্দশ রাজাদের যোগ্যতা হল, তারা বস্তুগত জ্ঞান এবং র্দাশনিক জ্ঞান- উভয়েরই অধিকারী। বেশ ইন্ট্রেস্টিং। কি বলেন?
আচ্ছা যাই হোক, আমরা প্রেসংঙ্গে ফিরে আসি। প্রশ্নদিয়েই প্রসংঙ্গে ফিরে আসা যাক। ধর্মজ্ঞানীরাই পারেন কোরআনের ব্যাখ্যা দিতে? তাহলে র্ধমজ্ঞানী কে? তিনি কি আছেন আমাদের মাঝে? ধরে নিলাম, ধর্মজ্ঞানী আছেন, কিন্তু তাকে আমার পাইতাছিনা। তো তাকে আমার পাবো কি ভাবে? কি করে বুঝবো যে তিনি সেই জন যাকে আমরা খুজতাছি? কোন কোন বৈশিষ্ট্যের কারণে আমারা তাদের ফাইন্ড আউট করতে পারবো? এই জায়গায় আরো প্রশ্ন আসতে পারে, যিনি ধর্মজ্ঞানী তিনি কি নিজে নিজেই তা হইছেন? যাদি হইয়া থাকেন, তাইলে ক্যামনে? ধর্মজ্ঞানীর কি কোন গুরু আছেন? তবে তিনি কে? ইসলামের যদি কোন গুরু থাকেন এবং আমার যদি ধারাবাহিক ভাবে খুজি তো আলটিমেটলি যাকে পাই তিনিতো আমাদের দূরের কেউ নন। তিনি 'রাসুলুল্লাহ'। কারণ তিনিই প্রকৃত আধ্যাত্বিক এবং জড় বা বস্তুগত- উভয় জ্ঞানেরই অধিকারী। কোন সন্দেহ আছে? 'ঝড়১২৩' কেও এই প্রশ্ন করলাম।
তাহলে মারেফত এবং শরিয়ত উভয়কেই এই ব্যাপারে একমত হতে হয় 'রাসুলুল্লাহ' ব্যাতিত আর কোন বড় র্ধমজ্ঞানী বা গুরু নাই। কারণ কেতাব তার উপরেই নাজিল হয়েছেন এবং তিনি্ই সেই নাজিলকৃত কেতাবেরে জীবন-যাপনে, র্চচায় আমাদের দেখিয়ে গেছেন। তাইলে 'ঝড়১২৩' যখন বলেন, "এখানে উল্লেখিত 'সালাত' আমরা যে নামাজ পড়ি পাচ বার তা নয়।" তখন তো আমারদের তাকে প্রশ্ন করতেই হয়, রাসুলু্ল্লাহ তবে কেন পাচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করেছিলেন? এবং শুধু আদায় নয়, তিনি সালাত কায়েম করার কথাও বলেছিলেন?
তো এইবার মারেফত পন্থিদের একট বৈশিষ্ট বিষয়ে বলি। এইসব কথা বা ধরণা হয়তো আপনিও জানেন। তো আবারো 'ঝড়১২৩' এর কথা দিয়াই শুরু করি। তিনি বলছেন: "নিজের ভিতরে তাকান। কোরান বাইরে কোথাও নয়। নিজের দিকে, নিজের ভিতরে তাকান, কোরানের উত্তর ব্যাখ্যা দেয়া আছে।" তো ওনার এই কথার মোটা-মোটি সহজ ব্যাখ্যা এই রকম, স্রষ্টা-আল্লাহ-দয়ময় লুকাইয়া আছেন ব্যাক্তি মানুষের নিজের ভিতরে। তো কোরআনরে বুঝতে হইলে ব্যাক্তি মানুষের নিজেরে বুঝতে হইবো। তারে পাচওয়াক্ত সালাতে না, জাকাতে না, হজ্জে না, খুজতে হইবো নিজের ভেতরে। তো সালাত, জাকাত, হজ্জ বাদ দিয়া সেই ভিন্ন পদ্ধতিটা কি রকম? আর তা কি গুরু 'রাসুলু্ল্লার' দেখানো পথের রাস্তা ছাইড়া দিয়া, না কি তা আকড়াইয়া ধইরা? কোনটা সেই পথ, যে পথে ব্যাক্তি মানুষ নিজের ভিতবে তাকাইবো, স্রষ্টারে খুজবো?
এখন একটা ঐতিহাসিক ধটনার কথা উল্লেখ করি, যা একই সাথ মারেফত পন্থিদের উল্লেখযোগ্য উদাহরণ। তা হইলো 'মন্সুর হেল্লাজ' এর ঘটনা। নাম ঠিক আছে তো? কনফিউশনে আছি। যাই হোক। মন্সুর হেল্লাজ উনার আধ্যাতিক ও জাগতি জ্ঞানের সাধনার সমন্বয়ে যা পাইলেন তা হইলো, ‘আনালহক’। মারেফত পন্থিদের মতে, তিনি নিজের ভেতরে স্রষ্টাকে খুজে পাইলেন। আমাদেরও তাই পাওয়া উচিত।
আসলে এই বিষডা নিয়া যে আলোচানা তুললাম তা কিছু প্রশ্নের প্রবল চাপে। এবং মুন্সুর হেল্লাজের ঘটনা উল্লেখ কইরা 'ঝড়১২৩' কে একটু সহায়তা করতে চাইলাম যেন তিনি তার, নিজের ভেতরে তাকানো বিষয়টাকে খোলাসা করতে পারেণ। একই সাথে কিছু প্রশ্নও তো করলাম। দেখা যাক মারেফত পন্থিরা তার কি উত্তর দেয়।
তবে শেষ-মেষ এইডা কই যে, 'ঝড়১২৩' আবু লাহাব সর্ম্পকিত সূরার যে ব্যাখ্যা দিছে তাতে ঐতিহাসিক ভাবে ব্যাক্তি আবু লাহবের উপস্থিতি আস্বীকার করা ছাড়া আরো কোন গুরুতব দোষ দেখি নাই। কারণ, আবু লাহাবের মত চরিত্রের অধীকারি ব্যাক্তি আমাদের ভেতরেও আছে। তারা উকি-ঝুকি মারে। তাই এই সূরা এখনও প্রাসঙ্গিক।
যাই হোক পরে আরো আলোচানা চালানো যাইবো।
কমেন্ট অনেক বড় হইয়া গেল।
১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:১৫
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: বড় কমেন্ট থেকে বোঝা গেল যে, আপনি আলোচনার শুরু থেই ছিলেন। সেজন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
অনেকগুলো প্রশ্ন করেছেন, যাদের বেশীরভাগই বিস্তারিত আলোচনার দাবী রাখে।
ছোট আকারে বলছি।
কুরআন নিজেই জানাচ্ছে যে, ইটি সকল মানুষের হেদায়েতের জন্য এবং বোঝার জন্য সহজ করে নাযিল করা হয়েছে। তাহলে, নির্দিষ্ট কিছু মানুষের বোঝার জন্য একে রেখে দেবার যৌক্তিকতা কোথায়? ভাল শিক্ষক আর একটু শ্রমই এটি কাজ চলার মত বোঝার জন্য যথেষ্ট বলে আমার মনে হয়েছে।
মারেফতের প্রসঙ্গে বলছি। শরীয়াতের মূলনীতি মেনে নিয়ে পথ চললে, মারেফত নিয়ে আমার কোন মাথাব্যাথা নেই। কিন্তু, শরীয়াতের গন্ডি কিংবা ইসলামের স্বীকৃত মূলনীতিসমূহের প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শন করে কোন প্রকার আধ্যাত্মিকতার ইসলামী চেহারা প্রদানকে আমি স্বীকার করি না।
আবু লাহাবের মত চরিত্রের অধীকারি ব্যাক্তি আমাদের ভেতরেও আছে। তারা উকি-ঝুকি মারে। তাই এই সূরা এখনও প্রাসঙ্গিক। আমিও মানি। কিন্তু, ইসলামের ইতিহাসে আবু লাহাবের ব্যক্তি পরিচয় এতটাই সুষ্পষ্ট যে, এই সূরার প্রসঙ্গে তার উপস্থিতি কিংবা পরিচয়কে অস্বীকার করা এই সূরার নাযিলের প্রেক্ষাপট এবং সম্যক উপলব্ধির ক্ষেত্রে অনতিক্রম্য বাধা সৃষ্টি করে। এ অনেকটা গাছের গোড়া কেটে আগায় পানি দেবার মত ব্যাপার।
যে স্বীকৃত ও যৌক্তিক পরম্পরার মাধ্যমে কুরআন অনুধাবনের প্রকৃয়া চলে আসছে ইস্লামের একেবারে জন্মলগ্ন থেকে, তাকে এক ফুঁ দিয়ে উড়িয়ে দিতে হলে যে পরিমান শক্ত ভিত্তি কিংবা রেফারেন্স দেখাবার প্রয়োজন, তা দেখাতে 'ঝড়১২৩' প্রতি পদক্ষেপেই ব্যর্থ হয়েছেন। কথার জোর, ভাষার চাতুর্য কিংবা আবেগের আতিশয্য দিয়ে কোন কিছু প্রমান করা যায় না, অন্যকে বোঝানোও যায় না। এ কথাটাই তাঁকে বোঝাতে পারি নি।![]()
৬২|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:০২
ইশতিয়াক অাহমেদ বলেছেন: অসাধারণ...
লেখার ষ্টাইলও জটিল হয়েছে...মন ভালো হয়ে গেলো...
১১ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৩৬
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: আপনার মনে ভাল করতে পেরে আমার আনন্দের সীমা নেই।![]()
৬৩|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:২৬
সাইফ বাঙ্গালী বলেছেন: +++++.
@arifur Rahman
১১ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৭
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।![]()
আরিফুর রহমানের কথা আর কী বলবো? ![]()
৬৪|
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৭
কানা বাবা বলেছেন:
ঝড়১২৩, আপ্নেরে পিলাচ্...
ক্যামোন্ লাগতেচে এই বেনোবন?
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:১৯
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: কেমন লাগছে, সেটা উনি ভালই টের পাচ্ছেন এবং অন্যদেরও পাওয়াচ্ছেন!![]()
৬৫|
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:০৫
মোহাম্মদ লোমান বলেছেন: মাশাআল্লাহ। অনেক সুন্দর করে লিখেছেন। এক চুমুকে পড়ে নিলাম। ধন্যবাদ।
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩২
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
©somewhere in net ltd.
১|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩৫
হোদল রাজা বলেছেন: ভালো লাগলো!
+