| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
তালপাতারসেপাই
লিন্ক সহ পোষ্টের বাহবা/দায়, মূল লেখকের।
আমদের অনেকেই "শিবির" শব্দটিকে গালির সমার্থক হিসাবে ব্যবহার করি। কিন্তু আমাদের অনেকেই জানি না শিবিরের প্রকৃত ইতিহাস। না জেনে কাউকে দোষারোপ করা শোভন উচিৎ নয়।
বলার আগে জেনে নিন শিবিরের ইতিহাস।
কি করে কোথা থেকে এলো .. তা জেনে নেই......

ছাত্র সংঘ' নাম পাল্টিয়ে 'বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির' নামে যাত্রা শুরু করে।
১৯৭৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ধর্মব্যবসায়ী জামাতের ছাত্র সংগঠন ছাত্রশিবির' রাজনৈতিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে।
তবে বাংলাদেশের ইতিহাসে ইসলামের নামে ছাত্র রাজনীতি শুরু হয়েছিল বিগত শতাব্দীর চল্লিশের দশকে।
ইঙ্গ-মার্কিন দালাল ধর্মব্যবসায়ী মাওলানা মওদুদীর আদর্শকে ধারণ করে ১৯৪৭ সালের ২৩ ডিসেম্বর লাহোরে 'জামাতে ইসলামী পাকিস্তান' চালু করেছিল তাদের ছাত্র সংগঠন 'জামাত-ই তলাবা' (আরবিতে তলাবা অর্থ ছাত্র)।
১৯৫৫ সালে পূর্ব পাকিস্তানে এ সংগঠনের পূর্ণ যাত্রা শুরু হয়েছিল, যার বাংলা নাম দেয়া হয়েছিল 'ইসলামী ছাত্রসংঘ। মূলত মাদরাসা ছাত্রদের সংগঠিত করে এবং তথাকথিত জামাতে ইসলামী পাকিস্তানের সহায়তায় ফান্ড সংগ্রহ করে সংগঠনটি পরিচালিত হতে শুরু করে। ছাত্র রাজনীতিতেও রাখতে শুরু করে লাইমলাইটে আসার মত ভূমিকা। ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যূত্থানে প্রথমবারের মতো ছাত্রসংঘ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে অংশ নেয়। ১১ দফা দাবির সমর্থকদের অন্যান্য ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে তাদের এক সংঘর্ষে দু'জন ছাত্র মৃত্যুবরণ করে।
১৯৭১ সালে পুরো পূর্ব-পাকিস্তানের সর্বস্তরের জনসাধারণ ও রাজনৈতিক সংগঠন সবাই যখন স্বাধীনতার লড়াইয়ে অংশ নিয়েছিল তখন জামাত ও ছাত্রসংঘ পাকিস্তান আর্মির সহযোগীর ভূমিকা গ্রহণ করে। তারা মুক্তিযুদ্ধে বিরোধিতার জন্য পাল্টা কমিটি গঠন করেছিল।
ছাত্রসংঘ সারাদেশে গঠন করেছিল 'আল-বাদর' বাহিনী। আল-বাদর বাহিনীর কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ের অধিকাংশ নেতা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী ছিল মূল সংগঠন জামাতের শীর্ষ নেতারা।
ধর্মব্যবসায়ী ছাত্রশিবিরের প্রথম সভাপতি মীর কাসেম আলী ও সাবেক দুই সভাপতি মোহাম্মদ কামারুজ্জামান এবং আব্দুল জাহের মোহাম্মদ আবু নাছের আল-বাদরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত ছিল।
জোট সরকারের শিল্পমন্ত্রী মইত্যা রাজাকার মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী আল-বাদর বাহিনীর প্রধান ছিল। বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ক্রাইম এগেইনস্ট হিউম্যানিটি' শীর্ষক প্রামাণিক দলিলপত্রের ভিত্তিতে এ তথ্য মেলে। স্বাধীনতার পর শেখ মুজিবুর রহমান রাষ্ট্রদ্রোহী কর্মকা-ে জড়িত থাকার অভিযোগে ছাত্র সংঘসহ সব ধর্মব্যবসায়ী দলের রাজনৈতিক কর্মকা- নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমানের নির্মম হত্যাকা-ের পর জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় আসে। ১৯৭৬ সালের ৪ মে সে এ নিষেধাজ্ঞা তুলে দেয়। এরপর ১৯৭৭ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি ধর্মব্যবসায়ী 'ইসলামী ছাত্র সংঘ' নাম পাল্টিয়ে 'বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির' নামে যাত্রা শুরু করে।
তবে ছাত্রশিবিরের নেতারা নিজেদের সংগঠনের জন্মের প্রকৃত ইতিহাসকে অস্বীকার করে মিডিয়াকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বলেছে, 'ছাত্রসংঘ থেকে ছাত্রশিবিরের জন্ম হয়নি। ১৯৭৭ সালে শিবির সম্পূর্ণ নতুন আঙ্গিকে নতুন নেতৃত্ব নিয়ে বাংলাদেশের ছাত্র সমাজের মাঝে যাত্রা শুরু করেছে।' ছাত্রসংঘের সঙ্গে ন্যূনতম কোনো সম্পর্ক থাকার কথাও তারা অস্বীকার করে যাচ্ছে নিলর্জ্জভাবে।
সুত্র
২|
২৬ শে নভেম্বর, ২০১২ সকাল ১০:০৯
তালপাতারসেপাই বলেছেন: জাফর ইকবাল স্যার বরাবরই স্পষ্ট ভাষী.
৩|
২৬ শে নভেম্বর, ২০১২ সকাল ১০:৪২
জানকিরান বলেছেন: দারুন ভাই, চালিয়ে যান।
৪|
২৬ শে নভেম্বর, ২০১২ সকাল ১১:১৭
আয়না বাবা০০৭ বলেছেন: জানকিরান বলেছেন: দারুন ভাই, চালিয়ে যান।
৫|
২৬ শে নভেম্বর, ২০১২ সকাল ১১:২১
গাজুরিয়া মাইর বলেছেন: sibir re chudar o dorkar nai,hego dhore impotent bananor kam!
৬|
২৬ শে নভেম্বর, ২০১২ সকাল ১১:২২
জাগরূ৪৯ বলেছেন:
"এই দেশের সাথে সবচেয়ে বড় বিশ্বাসঘাতকতা করেছিল জামাতে ইসলাম"।
কথাটা কি ঠিক হলো? জামাত কখোনো বলেনি যে সে বাংলাদেশের স্বাধীনতা চায়। ১৯৭১ এ জামাত অখন্ড পাকিস্তানের পক্ষ নিয়েছিল এবং সেটা ছিল প্রকাশ্যে।
এই দেশের সাথে সবচেয়ে বড় বিশ্বাসঘাতকতা করেছিল আওয়ামি লীগ। নিরস্ত্র মানুষকে পাক বাহিনীর হত্যাযগ্যের মুখে ফেলে আওয়ামি লীগ নেতারা ভারতে পালিয়েছিল।
২৭ শে নভেম্বর, ২০১২ সকাল ৯:৩৭
তালপাতারসেপাই বলেছেন: তাই? আপনার আব্বারা তাই শিখিয়েছেন?
৭|
২৬ শে নভেম্বর, ২০১২ সকাল ১১:৩৩
মুহাই বলেছেন: +++
৮|
২৬ শে নভেম্বর, ২০১২ সকাল ১১:৪২
রুদ্র মানব বলেছেন: শিবিরের ইতিহাসটা জানতে পেরে খুবই ভাল লাগল ,
বেঈমানী কাজকর্ম থেকেই তাদের আসল উতপত্তি ।
৯|
২৬ শে নভেম্বর, ২০১২ দুপুর ১২:০০
মহাজাগতিক মুসাফির বলেছেন:
শিয়াল গুলো এক হয়েছে।
১০|
২৬ শে নভেম্বর, ২০১২ দুপুর ১:৫৯
জ্ঞাতিবৈর বলেছেন: বিশ্বাসঘাতকতা যদি নাই করে তাইলে যুদ্ধের পর গুয়াজম চেলাপেলা লইয়া পালাইল কেন?? দেখতাম কত বাপেরবেটা। আর তখন আওয়ামি লীগ নেতারা না থাকলে এদেশে মানুষ থাকতো না, খালি শকুন থাকত আর গুয়াজমরা থাকত। আওয়ামি লীগের নেতৃত্বেই এ দেশ স্বাধীন হইছিল।
"১৯৭১ এ জামাত অখন্ড পাকিস্তানের পক্ষ নিয়েছিল"- অখন্ড পাকিস্তান নয়,পাকিস্তানের পক্ষ নিয়েছিল। এই জন্যই অরা স্বাধীনতা বিরোধী। আর হত্যাযজ্ঞের জন্যই রাজাকার-দালাল। এরা এখনও বাংলাদেশকে স্বীকার করে না।
১১|
২৬ শে নভেম্বর, ২০১২ দুপুর ২:০৩
জ্ঞাতিবৈর বলেছেন: অগো পতাকা দেখছেন, এখনও চাদ- তারা লাগানো......
©somewhere in net ltd.
১|
২৬ শে নভেম্বর, ২০১২ সকাল ১০:০২
কনিফউজড_েনিটেজন বলেছেন: আমরা সবাই জানি এই দেশের সাথে সবচেয়ে বড় বিশ্বাসঘাতকতা করেছিল জামাতে ইসলামী। জার্মানীতে নাৎসী বাহিনী নেই, ইতালীতে ফ্যাসিস্ট বাহিনী নেই কিন্তু আমাদের দেশে কেমন করে জামাতে ইসলামী থেকে গেল? এখন আমরা সবাই জানি কেন এবং কেমন করে সেটা ঘটেছে কিন্তু যেটা এখনো আমি বিশ্বাস করতে পারি না সেটা হচ্ছে সেই জামাতে ইসলামীর একটা ছাত্র সংগঠন আছে । মুক্তিযুদ্ধ করে স্বাধীন হওয়া বাংলাদেশের কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা কেমন করে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী জামাতে ইসলামীর ছাত্র সংগঠন করে? কম বয়সী তরুনদের দেশ নিয়ে স্বপ্ন দেখার কথা, দেশের জন্যে লাগাম ছাড়া ভালোবাসার আবেগে ডুবে যাবার কথা, মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে অহংকার করার কথা, মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে উচ্ছাস করার কথা, পয়লা বৈশাখে রবীন্দ্র সঙ্গীত গাওয়ার কথা, ছাব্বিশে মার্চ বঙ্গবন্ধুর ভাষণ শুনে রক্ত গরম করার কথা, ষোলই ডিসেম্বর মাথায় লাল সবুজ পতাকা বেধে পথে নেমে যাবার কথা, একুশে ফেব্রুয়ারীতে ফুল নিয়ে শহীদ মিনারে প্রভাতফেরী করার কথা অথচ সেই বয়সের তরুনেরা এসব কিছু না করে কেমন করে দেশোদ্রোহী বিশ্বাসঘাতক যুদ্ধাপরাধীদের নেতা হিসেবে মেনে তাদের আজ্ঞাবহ হয়ে কাজ করতে পারে? দেশকে ভালো না বেসে কেমন করে সেই দেশকে মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্ন থেকে ঠেলে সরিয়ে পাকিস্তান বানানোর চেষ্টা করতে পারে? আমি জানি আমি কখনোই এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাবনা, কেউ যদি কিছু একটা উত্তর আমাকে দেয়ার চেষ্টাও করে আমি সেটা বুঝতে পারব না।
জাফর ইকবাল : রাজনীতি নিয়ে ভাবনা থেকে উদ্ধৃত।