নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
লিন্ক সহ পোষ্টের বাহবা/দায়, মূল লেখকের।
এবার বাংলা লিকস ফাঁস করেছে বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার টেলিসংলাপের অডিও টেপ।
ইউটিউবে বাংলা লিকস নামের ওই এ্যাকাউন্ট থেকে আপলোড করা এসব কথোপকথনে রয়েছে নেতাকর্মীদের প্রতি খালেদা জিয়ার দেয়া নাশকতামূলক নানা নির্দেশনা। একটি টেপে মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্দেশ করেও রয়েছে অবজ্ঞাসূচক বক্তব্য। বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার এ ধরনের টেলিফোন সংলাপের অডিও টেপ প্রকাশে সারাদেশে তোলপাড় শুরু হয়েছে। এই কথোপকথন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমেও জন্ম দিয়েছে ব্যাপক আলোচনার।
২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর ঢাকায় মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশে সারাদেশ থেকে জনসমাগমের প্রস্তুতি নিয়েছিল বিএনপি। অনুষ্ঠানস্থল ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে সকালে আগতদের পুলিশ লাঠিপেটা করে বের করে দিলে ঢাকার বিভিন্নস্থানে সংঘর্ষ বাধে এবং তা ছড়িয়ে পড়ে অন্যান্য জেলায়ও। ঢাকায় বোমা বিস্ফোরণে একজন মারা যায়, পোড়ানো হয় কয়েকটি গাড়ি। সিলেটে বাসে আগুন দেয়া হলে পুড়ে মারা যান এক যাত্রী। বাংলা লিকস খালেদার যে পাঁচটি কথোপকথন প্রকাশ করেছে তার চারটিই ওই সমাবেশ শুরুর আগে কয়েকজ নেতার সঙ্গে খালেদার কথোপকথন শোনা যায়।
এর আগে যুদ্ধাপরাধী দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ও বিএনপি নেতা জয়নাল আবদীন ফারুকের টেলিফোনে প্রেমিকার সঙ্গে ব্যক্তিগত আলাপের অডিও টেপ ফাঁস করে আলোচনায় আসে বাংলা লিকস। এছাড়াও বিএনপি নেতা আমানউল্লাহ আমান, সাদেক হোসেন খোকা, মারুফ কামাল খান ও খালেদা জিয়ার কার্যালয়ের দুই কর্মচারীকেও টেলিফোনের অন্যপ্রান্তে নাশকতা চালানোর নির্দেশ দেয়া সংবলিত কথোপকথনও প্রকাশ করেছে বাংলা লিকস। এ্যাকাউন্টটিতে যুদ্ধাপরাধী দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী, শমসের মবিন চৌধুরী, তারেক রহমান, এম কে আনোয়ার, জয়নাল আবদীন ফারুকের ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক আলাপের অডিও টেপ আপলোড করা হয়।
খালেদার প্রথম টেপ ॥
খালেদা জিয়ার নাশকতামূলক কর্মকান্ডের নির্দেশনা-০১
প্রথম টেপটিতে অন্য প্রান্ত থেকে খালেদা জিয়ার কাছে জানতে চাওয়া হয়- ‘ম্যাডাম, মুক্তিযোদ্ধাদের প্রোগ্রামটা কি অন থাকবে?’ তখন খালেদাকে বলতে শোনা যায় ‘এখন পর্যন্ত অন থাকবে। কিন্তু ওখানে কেউ থাকবে না। ছেলেপেলেরা সব রাস্তায় থাকবে। ভেতরে কাউকে আমি দেখতে চাই না। ছেলেরা সব রাস্তায় যাবে।’ এই টেপে ঢাকা মহানগর বিএনপির তৎকালীন আহ্বায়ক সাদেক হোসেন খোকা ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালামকে ‘লোক নামানোর’ নির্দেশও দিতে শোনা যায় খালেদাকে। ‘খোকা আর সালামকে বলে দেন, বেশি করে লোক নামাতে। ওরা যদি লোক নামাতে না পারে, দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিক। আমি রাস্তায় লোক দেখতে চাই।’ এর পর খালেদাকে বলতে শোনা যায় ‘আপনি কি ওদের সঙ্গে কথা বলেছেন।’ অন্য প্রান্ত থেকে যখন ‘জি’ বলে আরও কিছু বলা শুরু হয় তখন তাকে থামিয়ে দেন বিএনপি চেয়ারপার্সন। ‘না না, ওই যে, অন্যদের, আপনি যাদের সঙ্গে কথা বলেন। ওরা এখনও নামেনি কেন?...আরও নামাতে বলেন। আমাদের লোকজনদের বল, সব প্রেসক্লাব ও ইঞ্জিনিয়ার (ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন) ছেড়ে রাস্তায় চলে যাও। কাউকে আমি ওখানে দেখতে চাই না। ওখানে শুধু মুক্তিযোদ্ধা যেগুলো আসছে, ওই কয়টা থাকবে। আর সব রাস্তায়।’
খালেদার দ্বিতীয় টেপ
খালেদা জিয়ার নাশকতামূলক কর্মকান্ডের নির্দেশনা-০২
দ্বিতীয় কথোপকথনে তৎকালীন মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবদুস সালামকে খালেদা বলেন, ‘তাড়াতাড়ি করে যত পার লোক পাঠাও। দেরি করো না, দেরি করলে অসুবিধা হয়ে যাবে। বুঝছ।’
খালেদার তৃতীয় টেপ ॥
খালেদা জিয়ার নাশকতামূলক কর্মকান্ডের নির্দেশনা-০৩
তৃতীয় কথোপকথনে বিএনপির জোটসঙ্গী জামায়াতে ইসলামীকে সক্রিয় করতে একজনকে নির্দেশ দেন খালেদা। ‘জামায়াতকে বলেন, ওদের লোকজন নামাই দিতে বলেন। শুধু ঢাকায় না, সব জায়গায়।... আর মৃদুলকে বলেন যে ও ওর জায়গাটা ভাল করে করতে।’
খালেদার চতুর্থ টেপ ॥
খালেদা জিয়ার নাশকতামূলক কর্মকান্ডের নির্দেশনা-০৪
চতুর্থ কথোপকথনটি খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাদেক হোসেন খোকার। খালেদা বলেন, ‘আপনার কমিশনারদের বলুন, যার যার লোক এলাকায় নিয়ে যাক। রাস্তাগুলো ব্লক করে দিক আর কী।...এলাকাভিত্তিক।’
খালেদার পঞ্চম টেপ ॥
খালেদা জিয়ার নাশকতামূলক কর্মকান্ডের নির্দেশনা-০৫
পঞ্চমটিতে চট্টগ্রামের গোলাম আকবর খন্দকারের সঙ্গে চট্টগ্রাম মহানগর কমিটি নিয়ে কথা বলেন, যাতে নগর বিএনপির সভাপতি আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেনের নাম এসেছে। ডাঃ শাহাদাত দলীয় চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার ছেলে ও বিএনপির সিনিয়র ভাইস-চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। খালেদাকে বলতে শোনা যায়, ‘শাহাদাতকে বলেছি, একটা কাজের দায়িত্ব দিয়েছি। খসরু যেন কোন কাজে বাধা না দেয়, তাকে এই মেসেজ দেন।’ অন্য প্রান্ত থেকে কিছু বলতে চাইলে খালেদা বেশ জোরের সঙ্গে বলেন, ‘সে বাধা দিচ্ছে, আপনি তাকে বলে দেন। বলে দেন যে কোন কাজে বাধা দেবে না। বাধা দিলে আমি ইমিডিয়েটলি রিমুভ করব তাকে। এক পর্যায়ে অন্য প্রান্তের ব্যক্তির ওপর বিরক্ত হয়ে খালেদা বলেন, ‘আপনি ডিপ্লোম্যাট (গোলাম আকবর খন্দকার খালেদার শাসনামলে ওমানের রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব পালন করেন) ছিলেন, বাট ইউ ডোন্ট নো হাউ টু টক। আপনি ইমিডিয়েটলি খসরুকে বলেন, কোন বাধা দেবে না, বুঝছেন কি না।’
সুত্র
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ সকাল ৯:৪১
তালপাতারসেপাই বলেছেন: আপনার বাপ আপনারে জন্মদিছে সত্যতা কি?
২| ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ সকাল ৯:০৪
চলতি নিয়ম বলেছেন: @রেজওয়ান26, বাংলা ভালো ভাবে বোঝেন তো?
আপনি ইমিডিয়েটলি খসরুকে বলেন, কোন বাধা দেবে না, বুঝছেন কি না।’ এর মানে কি ?
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ সকাল ৯:৪২
তালপাতারসেপাই বলেছেন: বেজন্মান26
৩| ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ সকাল ৯:২৬
মায়াবী রূপকথা বলেছেন: কি মজা! এখন কি যুদ্ধ হবে?
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ সকাল ৯:৪৫
তালপাতারসেপাই বলেছেন: রাজাকারের ঝার যুদ্ধ খুব মজা? ধর্ষণ করা জায় লুট করা জায়? তাই না? আসল নাম ঠিকানা দে মজা কারে কয় তোকে দেখাচ্ছি
৪| ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ সকাল ৯:৪৩
নিস্পাপ একজন বলেছেন: বেশি লোক নামানোর নির্দেশ দিলেই কি নাশকতা হয়? কনসভা হলো শো ডাউন।
৫| ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ সকাল ৯:৫২
চলতি নিয়ম বলেছেন: এইগুলা তো পুরানো।
এখন শেয়ারের মানে কি ??
৬| ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ দুপুর ১:২৭
চলন বিল বলেছেন: অডিওতে কিছুই নেই। হাম্বারা সব কিছুতেই নাশকতা খুজে পায়।
৭| ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ দুপুর ১:৫৬
হাম্বাখোর বলেছেন: বিডিনিউজ২৪ দেশের অনেক বড়
মিডিয়া হাউস। এ দেশে অনলাইন নিউজ
পোর্টালের যে 'স্বর্নযুগ' তার পথিকৃৎ
বিডিনিউজ২৪। অজস্র ভূয়া 'টোয়েন্টিফোর'
সংবাদ পোর্টালের ভীড়ে যে কয়টি পোর্টাল
পেশাদার, তার মধ্যে এটি শীর্ষে। আজ খালেদা জিয়ার ফোনালাপ প্রকাশ
করেছে তারা, অনেকে শেয়ার দিয়েছেন।
'নাশকতার নির্দেশ' দিয়েছেন খালেদা জিয়া,
সংবাদের শিরোনামটা ছিল এমন। কিন্তু
আমি পুরো রেকর্ডিং শুনেও, কোথাও
'জ্বালিয়ে দাও, পুড়িয়ে দাও' বক্তব্য পাইনি। শুনেছি, তিনি রাস্তায়
ছেলেপেলে নামাতে নির্দেশ দিয়েছেন
অন্যান্য নেতাদের। এটা তো প্রকাশ্যেই
নেতানেত্রীরা বলে থাকে! কর্মীদের
রাস্তায় থাকার কথা কোন নেতা বলেন না?
যদি টেকনিক্যালি আমি ভুল ধরার চেষ্টা করি, সেহেতু আমি কি প্রমাণ করতে পারবো যে,
রাস্তায় নামতে বলার মানে হচ্ছে, নাশকতার
নির্দেশ দেয়া? সুতরাং, একজন
সংবাদকর্মী হিসেবে আমি কী করে বিচার
করতে পারি যে, খালেদা জিয়া রাস্তায়
থাকতে বলার অর্থ নাশকতার নির্দেশ দেয়া। জয়েন্ট এডিটরের সঙ্গে এক সাংবাদিক বড়
ভাইয়ের কথা হয়েছে। বলা হলো,
উর্ধ্বকমা দিয়ে ছাপিয়েছেন তারা। এতেই
কি দায়িত্ব শেষ হয়ে যায়? মানুষ কি আর
'উর্ধ্বকমা'র মানে বোঝে? আমি জানি না,
তবে খুবই ক্ষুদে একজন সংবাদকর্মী হিসেবে আমার আরও খুবই ক্ষুদ্র
জ্ঞ্যান বলছে, এসব সাংবাদিকতার এথিকসের
বাইরে। আমার মনে হয়নি, অন্তত
খালেদা জিয়া এমন কোনো কথা উচ্চারণ
করেছেন, যাকে নাশকতার নির্দেশ
বলা যেতে পারে! যদিও অনেকে আমাকে বলতে পারেন, এথিকস
শিক্ষা দেয়ার তুমি কে? তাদেরকে বলবো, এ
অধমকে একটু এথিকস শিখিয়ে যাবেন প্লিজ। এবার একটি প্রশ্ন করি। গতকাল দেখলাম,
কলম্বিয়ার সাবেক ইন্টিলিজেন্স
চীফকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তৎকালীন
বিরোধী দলীয় নেতার ফোনে আড়ি পাতার
অভিযোগে। উন্নত দেশে এমনটা চিন্তাই
করা যায় না। খালেদা জিয়ার ফোনে আড়িপাতা কি আইন ও এথিকসে লঙ্ঘণ নয়?
অথচ আমরা অবাক হয়ে লক্ষ্য করলাম,
সে ফোনালাপের রেকর্ডিং মন্ত্রীসভার
বৈঠকে পর্যন্ত বাজিয়ে শোনানো হয়েছে।
ফোনে আড়িপাতা যে একটি অপরাধ
সেটি কি কারো মনে হচ্ছে না?
৮| ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ দুপুর ২:৫৫
রঙতুলি বলেছেন: হাহাহা শুরু হয়ে গেল গায়েবে মেলা নাশকতার সব চিত্র
মাত্র তো শুরু বেশ বেশ .।
বহুদুর যেতে হবে কিন্তু
আসলেই কত্তমিল এদের বাঁশের কেল্লার সাথে বাশের কেল্লা চান্দে নেতার ছবি দেখে , আর ইনারা গায়েবী আওয়াজে নাশকতার গন্ধ শোকে ।
©somewhere in net ltd.
১| ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ সকাল ৯:০১
রেজওয়ান26 বলেছেন:
সত্যতা কি?
খালেদার ফোনালাপ: শিরোনামে ‘নাশকতা’ থাকলেও অডিওতে নেই!