নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

তাইরে নাইরে না...

একলাহুতুম

যা হইছে তা হইছে যা হয় নাই তা হয় নাই যা হবে না তা নাও হইতে পারে

একলাহুতুম › বিস্তারিত পোস্টঃ

আলোকচিত্রে লালন মেলা : একদিন সাঁইজির সনে

২৬ শে অক্টোবর, ২০১০ সকাল ১১:০৩

লালনের ১২০তম তিরোধান দিবস উপলক্ষ্যে কুষ্টিয়ার ছেঁউরিয়ার অনুষ্ঠিত হয়ে গেল লালন মেলা (তিন পাগলের মেলা নয় কমপক্ষে তিন লক্ষ পাগলের মেলা... আরিব্বাস!!)। মেলায় লালন ভক্ত, অনুসারিদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। যাই, যাবো করে এর আগে লালন মেলায় যাওয়া হয়নি (মন সহজে কী সই হবা?)। এবার গো ধরলাম যাবোই এবং চলেও গেলাম। সে এক অম্ল-মধুর অভিজ্ঞতা। একেই বোধহয় বলে বাড়ির পাশে আড়শি নগর... । যাই হোক সে অভিজ্ঞতা না হয় অন্য একদিন শেয়ার করবো। আপাতত কিছু ছবি শেয়ার করলাম। ছবিগুলো দেখে কিছুটা বোঝা যাবে এ অভিজ্ঞতা কেন অম্ল-মধুর।





লালন শাহ্ এর মাজার







মাজারের পাশেই মৃতপ্রায় কালিগঙ্গা নদী। এই নদীর ঘাট থেকেই বসন্ত রোগে আক্রান্ত মুমূর্ষু অবস্থায় লালনকে গ্রামবাসী উদ্ধার করেন







উৎসব মঞ্চ। উৎসবে রাতভর লালনগীতি পরিবেশনের পাশাপাশি চলে আমন্ত্রিত এমপি, মন্ত্রী, প্রশাসন এমনকি আয়োজকদের নিলর্জ্জ রাজনৈতিক গলাবাজি







মঞ্চে জায়গা না পেয়ে সাধু দলবল নিয়ে মেলার পাশে একটু জায়গা খুঁজে পেয়ে জমিয়েছেন লালনগীতির আসর







মেলায় আগত লালন ভ্ক্ত, অনুসারীরা লালন একাডেমির সামনে, পাশে, বারান্দায় এভাবেই যে যার মত রাতের আশ্রয় খুঁজে নিয়েছেন







হাতে ক্যামেরা দেখেই সাধু বললেন, একটা ছবি তুলে দে... ঘোড়াশাহ বাবার দরবার শরীফে পাঠাইয়া দিবি... আমি পাইয়া যাব







লালন একাডেমির পাশেই জাদুঘর। দুই টাকা টিকেট। জাদুঘরে লালন শাহের ব্যবহৃত মাত্র দুটো জিনিস আছে। এটি তাঁর ঘরে ব্যবহৃত দরজা







জাদুঘরে মিলল লালন শাহের ব্যবহৃত দুইটি জিনিসের একটি এই জলচৌকি







এগুলো লালন শাহ এর নয়। তার ভক্তদের ব্যবহৃত তৈজসপত্র। এমন গুটিকয়েক তৈজসপত্র এবং লালন শাহ এর ছবি (বিভিন্ন জনের হাতে আঁকা) জাদুঘরে রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুরের আঁকা লালনের একটি স্কেচ







রাতের আলোয় লালন শাহ এর মাজার। বোঝা যায় উৎসব উপলক্ষে এই বাড়তি আলো। বাকিটা সময় শুধুই আঁধার।























মন্তব্য ১০ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (১০) মন্তব্য লিখুন

১| ২৬ শে অক্টোবর, ২০১০ সকাল ১১:১১

চে গুয়েভারা ২ বলেছেন: ভাই গাঞ্জার খাওার ছবি দিলেন না ওইখানের প্রধান আকর্ষন , ত বে আপাদত ++

২| ২৬ শে অক্টোবর, ২০১০ সকাল ১১:১২

কাব্যহীন কবি বলেছেন: দোসরা যোগ

২৬ শে অক্টোবর, ২০১০ দুপুর ১২:১৯

একলাহুতুম বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩| ২৬ শে অক্টোবর, ২০১০ সকাল ১১:২৪

স্বপ্নশিকারী বলেছেন: ভাইজান হাওয়া ভক্ষন করেন নাই?

৪| ২৬ শে অক্টোবর, ২০১০ সকাল ১১:৪১

যীশূ বলেছেন: ভালো হয়েছে ছবি

২৬ শে অক্টোবর, ২০১০ দুপুর ১২:১৯

একলাহুতুম বলেছেন: ধন্যবাদ।

৫| ২৬ শে অক্টোবর, ২০১০ সকাল ১১:৫০

গোঁপা বলেছেন: একটা দুখের বিষয় হলো আমাদের শিক্ষিত সমাজ এই আসরটিকে মেলা বলে থাকে!কিন্তু সাঁইজীর ঘরের মানুষরা এই আসরকে সাধুসঙ্গ বলে থাকে।সাধুসঙ্গের একটা বিশেষ নিয়ম আছে,,,,,,,,আর মেলার?

যাই হোক আপনার যাত্রা শুভ হোক।

২৬ শে অক্টোবর, ২০১০ দুপুর ১২:২৩

একলাহুতুম বলেছেন: সহমত। কিন্তু সাধুসঙ্গের পরিবেশ তো সেখানে পেলাম না। পাপর ভাজা থেকে শুরু করে দেখলাম সোফা, খাট বিক্রি হচ্ছে। আরেকটা ব্যাপার, আমি জানি এবং বলি লালন সাঁই। কিন্তু জাদুঘরে গিয়ে দেখলাম লালন শাহ্ লেখা আছে।

৬| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১০ বিকাল ৩:৩২

গোঁপা বলেছেন: শাহ আর সাঁই নিয়ে বিতর্কের অবকাশ নেই।রাজা ধিরাজদের উপাধি ছিলো শাহ আর সেই শাহ এনে সাঁইজীর নামের সাথে যুক্ত করা হয়েছে এক ধরনের মনোবান্ছা থেকে এই যা।আর সাধুসঙ্গ সেখানে হয়,তবে সঠিক জায়গা খুজে পেতে হবে যেমন মেলার মধ্যে কোথায় বায়োস্কপ দেখায় সেটা যেমন আমরা খুজে নেই।অবশ্য মাঠে বা দোকনের মধ্যে সাধুসঙ্গ খুঁজলেতো আর হবে না।

৭| ২৮ শে অক্টোবর, ২০১০ দুপুর ১:২৯

একলাহুতুম বলেছেন: মাঠে বা দোকানে সাধুসঙ্গ খুঁজলে হবে না- কথাটা বোধহয় পুরোপুরি ঠিক নয়। হাটে, মাঠে, ঘাটে সবখানেই সাধুর সঙ্গ পাওয়া যেতে পারে যদি সাধু থাকে। তবে পরিবেশ নিশ্চয়ই একটা ব্যাপার। আমি শুধুমাত্র সেকথাটাই বলতে চেয়েছি।


আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.