নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

নারীর হৃদয় - প্রেম - শিশু - গৃহ - নয় সবখানি;

প্রেম ছিল, আশা ছিল

তারেক.মাহমুদ

আমার শপথ শুনিয়েছি, আমি প্রস্তুত হচ্ছি, আমি সব কিছুর নিজস্ব প্রতিশোধ নেবো আমি আমার ফিরে আসবো

তারেক.মাহমুদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

জিন্নাহ উর্দূ ভাষা জানেতন না

৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৩

এখনও একদল মানুষ বাংলাদেশকে পাকিস্তান বানানোর চেষ্টাই ব্যস্ত। স্বাদের পাকিস্তান ভেঙ্গে যাওয়ার দুঃখ আজও ভুলতে পারেনা সেই রাজাকাররা। ফণা উঠিয়ে রাখে সুযোগ বুঝে কামড় দেবার জন্য। ভারত-পাকিস্তান ভাগ হয়েছিল দ্বিজাতি তত্বের ভিত্তিতে। পাকিস্তানের লেজের সাথে বাংলাদেশকে জুড়ে দেওয়া হয়েছিল কারণ এদেশের বেশীরভাগ মানুষ মুসলমান। কে হিন্দু আর কে মুসলমান সেই পরিচয় সেদিন বড় হয়ে দেখাদিয়েছিল সেই সময়ের ক্ষমতালোভী কোন কোন নেতার কাছে। মানবতা সেইদিন লঙ্ঘিত হয়েছিল চরমভাবে। সেই সময় মুসলমানদের জন্য আলাদা রাষ্ট্রের দাবি তুলেছিলেন মোহাম্মদ আলি জিন্নাহ। সেটা যে শুধুই ক্ষমতার মোহ ছিল এই কথা মানতে নারাজ আমাদের দেশের অনেকেই বিশেষ করে মওদুদীর আন্ডা বাচ্চারা। আপাদমস্তক বিলেতি এই জিন্নাহ পাকিস্তান পাকিস্তান বলে চিৎকার করলেও তিনি নিজে পাকিস্তানি উর্দূ ভাষা জানেতন না।

মন্তব্য ৩৭ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (৩৭) মন্তব্য লিখুন

১| ৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৭

আবু আব্দুল্লাহ মামুন বলেছেন: তাহলে মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ কোন ভাষায় কথা বলতেন? হিন্দি না পশতু? তাতো আপনি বললেন না!

৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:১৫

তারেক.মাহমুদ বলেছেন: মুহাম্মদ আলী জিন্নার জন্মস্থান ভারত সেখানকার ভাষা জানতেন।

২| ৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:০২

সামী মিয়াদাদ বলেছেন: জিন্নাহ সাহেব খাটি মুসলমানও ছিলেন না। তিনি প্রায়ই মদ্যপান করতেন, নামাজও নিয়মিত পড়তেন না। ইসলামী বাদ বাকি জীবনচর্চাতো বাদই দিলাম। ই ফিশার তার লিখিত মহাত্মা গান্ধীর জীবনীতে এ বিষয়ে আলোকপাত করছেন।

৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:১৭

তারেক.মাহমুদ বলেছেন: ধন্যবাদ তথ্যের জন্য। উনি আদৌ নামাজ পড়তেন কিনা তা নিয়েও বিতর্ক আছে।

৩| ৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:০৬

মো. লুৎফর রহমান বলেছেন: জিন্নাহ উর্দু জানতেন না, আপনার এই তথ্য সঠিক নয়। আজগুবি কথাবার্তা কোথায় শুনেছেন?

আবার লিখেছেন, পাকিস্থানী উর্দু জানতেন না। পাকিস্থানী উর্দুটা আবার কি? পাকিস্থানেরই তো প্রধান ভাষা উর্দু।

৪| ৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:১৮

তারেক.মাহমুদ বলেছেন: সঠিক তথ্যটি দিন তাহলে আমরা জানতেই পারবো ।

৫| ৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:২০

হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: অনেক বইয়েই আছে এই তথ্যটা। এই মুহুর্তে মনে পড়ছে ফ্রিডম এট মিডনাইট বইটির কথা।

দেশভাগের সিদ্ধান্তের পরে রেডিওতে দেয়া জিন্নাহর প্রথম ভাষনটি ছিল ইংরেজিতে। একটিমাত্র উর্দু বাক্য ছিল – পাকিস্তান জিন্দাবাদ। হঠাৎ ইংরেজি থেকে উর্দু বলায় অনেকে নাকি ভেবেছিল, কথাটি - পাকিস্তান ইন দ্যা ব্যাগ।

৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৩

তারেক.মাহমুদ বলেছেন: চমৎকার লিখেছেন।

মোহাম্মদ আলি জিন্নাহ মুসলমানদের জন্য আলাদা রাষ্ট্রের দাবি তুলেছিলেন ঠিকই তবে প্রথম রেডিও ভাষণে তিনি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ডাক দিয়েছিলেন। এবার বুঝেন তার মাঝে কি ছিল- ক্ষমতার লোভ নাকি মুসলিম প্রীতি?

৬| ৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:২৩

সৈয়দ আমিরুজ্জামান্ বলেছেন: জিন্নাহ ঢাকার কার্জন হলে ইংরেজীতে বক্তব্য দিয়েছিলেন।

৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৫

তারেক.মাহমুদ বলেছেন: ধন্যবাদ তথ্যটির জন্য।

৭| ৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:২৮

বাঙ্গাল৭১ বলেছেন: জিন্নাহর দ্বিজাতি তত্বের খেসারত আজ পাকিস্থান হারে হারে উপলব্ধি করতে পারছি।

৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:৪২

তারেক.মাহমুদ বলেছেন: পাকিস্তানিদের কোন উপলব্ধি নেই। ওরা মানুষ হিসাবে এতটাই জঘন্য যে তাদের বাঁশ দিলে সেই বাঁশটাই নষ্ট হয়।

৮| ৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:২৯

প্রিয়তমেষু বলেছেন: Click This Link

৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৪

তারেক.মাহমুদ বলেছেন: ধন্যবাদ

৯| ৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:৩০

বাঙ্গাল৭১ বলেছেন: মো. লুৎফর রহমান বলেছেন: জিন্নাহ উর্দু জানতেন না, আপনার এই তথ্য সঠিক নয়। আজগুবি কথাবার্তা কোথায় শুনেছেন?
ভাই লুৎফর আপনার তথ্যের অপেক্ষায় আছি। আপনার কাছে কোন তথ্য না থাকলে ব্লগারদের কাছে মাফ চান।

৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:০৫

তারেক.মাহমুদ বলেছেন: ওদের সেই বোধটাই নেই, মাফ চাইবে কেমনে?

১০| ৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:৩৪

মইন বলেছেন: হ, তয় এই শালা আপাতত কামডা বালা করছে, নাইলে হয় পাকিস্তান নাইলে ইন্ডিয়ার লগে থাকবার লাগতো।

এইবার আসেন আরেকটা খবর দেহি, জিন্নাহরে লইয়া চিল্লাচিল্লি হইতাছে এখন জসবন্দ সিংয়ের বইডা লইয়া। সেই সিং আবার একটা সাক্ষাৎকার দেন, সেইখান থেকে কিছু টুকরা খবর দেই:


জিন্নাহ মোটেও দেশভাগ করতে চাননি ভারতের ভেতরেই ‘পাকিস্তান’ চাইতেন
‘জিন্নাহ ইন্ডিয়া-পার্টিশন ইন্ডিপেনডেন্স’-এর জন্য ইতোমধ্যে যশোবন্ত সিংকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে বিজেপির শীর্ষ নেতারা। তার আগে গত ১৬ আগস্ট বর্ষিয়ান এ রাজনীতিবিদ ও লেখক এক দীর্ঘ সাক্ষাৎকার দিয়েছেন সিএনএন-আইবিএন চ্যানেলে। করন থাপারের নেয়া সেই সাক্ষাৎকারটি প্রকাশ করেছে সাপ্তাহিক হলিডে।

তারই কয়েকখান ডায়লগ দিলাম এইখানে:

করন: ভারত জিন্নাহকে ঠিক কতোটুকু ভুল বুঝেছে?
যশোবন্ত- আমার ধারণা, আমরা ভূল বুঝেছি কেননা আমাদের একটা দানবের প্রয়োজন ছিল।
করণ: তো তিনিনই (জিন্নাহ) হচ্ছেন সেই বলির সুবিধাজনক পাঁঠা?
যশোবন্ত- তিনি সুবিধাজন ছিলেন কিনা জানি না। তবে বিংশ শতাব্দী জুড়ে দেশভাগ এমন একটি ইস্যু হয়েছিল যাতে আমাদের একটি পিশাচ চরিত্রের প্রয়োজন ছিলই।


তয় পরবর্তী প্রশ্নে জিন্নাহের ক্ষমতা প্রীতি লক্ষ্য করা যায়:

: কংগ্রেসের সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জিন্নাহর ভয় কিংবা উদ্বেগটা ছিল যৌক্তিক ও বোধগম্য? যার প্রমান হিসেবে বইতে আপনি লিখেছেন ১৯৩৭ সালের উত্তর প্রদেশের নির্বাচনের কথা, যেখানে মুসলিম লিগের সংগে কংগ্রেস সরকার গঠনে নারাজ ছিল; এ কারণে জিন্নাহর ভয় ছিল বস্তুনিষ্ঠ ও সত্য?
- হাশুধু ১৯৩৭ ই নয়। ১৯৪৬ এর নির্বাচনে আসুন। মুসলিম লীগ সবকটা মুসলিম আসনে জয়লাভ করলেও অফিসে আসার মতো ভারি দল তাদের ছিলনা। সেখানে কোন মুসলিম ছাড়াই সরকার গঠনের ক্ষমতা ছিল কংগ্রেসের। তারা (মুসলিম লীগ) সরকারের বাইরেই ছিল। সুতরাং এটি বোঝা গিয়েছিল যে, নির্বাচনই যথেষ্ট ছিল না।

তয় এর পরের উত্তরে জিন্নাহের ক্ষমতা প্রীতির উদ্দেশ্যটাকেই পরিবর্তন করে ফেললেন সিং:
: তো পাকিস্তান হচ্ছে আপনার মতে মুসলমান জন্য একটি 'স্পেস'?
- তিনি (জিন্নাহ) কেন্দ্রীয় প্রশাসন ও প্রদেশগুলোতে একটি অবস্থান চেয়েছেন। তিনি সংখ্যালঘু মুসলমানদের নিরাপত্তা চেয়েছিলেন, যাতে করে তারা তাদের রাজনীতি, অর্থনীতি ও সামাজিক ভাগ্য নির্ধারণে ভূমিকা রাখতে পারে। (আমার মতামত: মনে লয় জিন্নাহ বর্তমান ভারতে যে প্রদেশ বিভাগ আছে, সেইরকম ভাগের কতা কইছিলেন)

: অর্থাৎ ওটা ছিল তার প্রাথমিক লক্ষ্য। ভারতবর্ষ ভাগ কিংবা দুটো দেশ তৈরি করা না?
- না বস্তুত তিনি এমন একটা পর্যায়ে পৌছেছিলেন, যেন মনে হবে তিনি চাচ্ছেন, ভারতের ভেতরেই একটি পাকিস্থান।


কয়েকটা প্রশ্ন টপকাইয়া


: সুতরাং নেহরুর সংখ্যাগরিষ্ঠতাই জিন্নাহর জন্য কোন জায়গা রাখেনি?
- এরফলেই অতিমাত্রায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা ও সংখ্যালঘু নিয়ে অতিরঞ্জিত ইস্যুগুলোর ফলেই বিরোধের সূত্রপাত, যেখানে রেফারির বাশি চলে গিয়েছিল ব্রিটিশদের হাতে। দেশভাগের পর নেহরু বুঝতে পারেন তিনি কতো ভুল করেছেন। কিন্তু ততোদিনে অনেক দেরি হয়ে গেছে।

আরো কয়েকটা প্রশ্ন টপকাইয়া

- তো তিনি জিন্নাহকে মুসলিম টার্মেই দেখেছেন?
: হ্যা, তবে জিন্নাহ তেমনটি চাননি।



আমাদের সময়, রোববার, ৩০ আগস্ট ২০০৯
প্রথম ও ষষ্ঠ পৃষ্ঠা হইতে।

৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:২২

তারেক.মাহমুদ বলেছেন: ধন্যবাদ।

১১| ৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:৩৭

মইন বলেছেন: জিন্নাহ-এর মাতৃভাষা ছিলেন গুজরাটি।
তিনি উর্দু ভাষা ততটুকুই জানতেন, যতটুকু আমাদের মা বধূরা হিন্দি জানে হিন্দি সিরিয়াল দেখতে দেখতে।

Click This Link

৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৪

তারেক.মাহমুদ বলেছেন: তখন স্যাটেলাইট ছিলনা!!!!!

১২| ৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:২১

মো. লুৎফর রহমান বলেছেন: @বাঙ্গাল৭১,
জিন্নাহ উর্দু ভাষা জানতেন। তার জানার পরিমান কি, তা তো আমার জানা থাকার কথা নয়। আপনার মাতৃভাষা বাংলা (আমারও তাই)। তাই বলে কি আপনি ইংরেজি ভাষা জানেন না? যদি জানেন, তাহলে কি ইংরেজ বা আমেরিকানদের মতো জানেন????

আমি শুধু বলতে চেয়েছি, জিন্নাহ উর্দু ভাষা জানতেন। কতটুকু জানতেন, আপনি তথ্য ঘেটে বের করুন।

৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৮

তারেক.মাহমুদ বলেছেন: আশাকরি হাসান শহীদ ফেরদৌস এর লেখা থেকে উত্তর পেয়েছেন। ব্লগ তো সব শ্রেনীর মানুষের জন্য। আপনার এই অস্ত্রের ছবি বদলানোর অনুরোধ করছি।

১৩| ৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:২৪

ইনক্রেডিবল বলেছেন: একটি গল্প প্রচলিত আছে জিন্নাহ-র নামাজ পড়া নিয়ে। দেশ ভাগের আন্দোলন তখন তুঙ্গে। মওলানা আজাদ একদিন জিন্নাহকে বললেন মুসলমানদের জন্য স্বাধীন রাষ্ট্র হতে যাচ্ছে আর তুমি সেই দেশের স্বপ্নদ্রষ্টা তোমার তো নামায পড়া দরকার (লোক দেখানোর জন্য হলেও)। জিন্নাহ মওলানাকে বললেন আমি তো নামায পড়তে পারিনা। মওলানা বললেন খুব সহজ, আমি নামাযে দাড়িয়ে যা যা করি তুমিও তাই তাই করবা ব্যস। জিন্নাহ আর মওলানা আজাদ দাড়ালেন নামায পড়ার জন্য। সবকিছু ঠিকঠাক চলছে কিন্তু বিপত্তি দেখা দিল সেজদার সময়। সেজদাতে যাওয়ার পর জিন্নাহ আর কিছু দেখতে পান না। যেমন উপুড় হয়ে পড়ে ছিলেন ঔরকমই কিছুক্ষন থাকার পর অধৈর্য হয়ে জিন্নাহ বললেন "মওলানা! হোয়াট নেক্সট"। :)

৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:৫১

তারেক.মাহমুদ বলেছেন: দারুণ ! ! !

১৪| ৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:২৪

হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: মো. লুৎফর রহমান - উদাহরণটা পরিস্কার হল না। বাংলা আর ইংরেজি জানলেও পৃথিবীর আরো ২৫০০ ভাষা আছে জা আমি জানি না। জিন্নাহ সারা জীবনে কারো সাথে ঊর্দুতে আলাপ বা বক্তৃতা দিয়েছে বলে কোন রেফারেন্স বলতে পারবেন? আসলে ইন্ডিয়ার জন্য যেমন হিন্দি, পাকিস্তানের জন্য তেমনি উর্দু। ভারতের অনেক অঞ্চলের মানুষ হিন্দি তেমন একটা জানে না, জানার দরকারো পরে না, ওদের ২৬টা মাতৃভাষা, প্রত্যেক প্রদেশের স্বাধীনতা আছে নিজেদের ভাষা বেছে নেবার। পাকিস্তানের তেমনি বিভিন্ন ভাষাভাষী মানুষের মধ্যে সংযোগ সাধনের জন্য উর্দু কমন ভাষা, তবে সার্বজনীন নয়।

৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৩

তারেক.মাহমুদ বলেছেন: ভাষা না জানাতে কোন দোষ নেই। আর পৃথিবীর সবাইকে সব জানার দরকারও নেই। গান্ধী এবং জিন্নাহর মাতৃভাষা ছিল একই। এটা শুধু এদেশের জামাত, শিবির ও রাজাকারদের জ্ঞাতার্থে একটি তথ্য দেয়া যে, তাদের পিতা পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা জানতেন না। অথচ চেষ্টা করেছিলেন সেই ভাষা আমাদের ঘাড়ে চাপানোর জন্য।

কষ্ট লাগে পাকিস্তানিদের নিয়ে চরম সত্য কথা বললেও তাদের এদেশীয় আন্ডা-বাচ্চারা তা সহ্য করতে পারেনা।

১৫| ৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৯:৩৮

মামুন বিদ্রোহী বলেছেন: কষ্ট লাগে পাকিস্তানিদের নিয়ে চরম সত্য কথা বললেও তাদের এদেশীয় আন্ডা-বাচ্চারা তা সহ্য করতে পারেনা।



100% haq kotha...

৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:১২

তারেক.মাহমুদ বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৬| ৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৯:৪৯

রায় চৌধুরী বলেছেন: এ দেশের রাজাকাররা কি উর্দু জানে?

৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:১৪

তারেক.মাহমুদ বলেছেন: না জানলেও জানার ভান করে।

১৭| ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫৫

হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: ১৪ নং মন্তব্যে একটা কথা যুক্ত করতে চাই। ভাষা নিয়ে জিন্নাহর/পশ্চিম পাকিস্তানীদের দৃষ্টিভঙ্গী নিয়ে একটা মতবাদ পড়েছিলাম, রেফারেন্স মনে করতে পারছি না। পশ্চিম পাকিস্তানের অধিকাংশ জনগনের মাতৃভাষা নাকি পাঞ্জাবী। কিন্তু উর্দু একমাত্র ভাষা যা প্রায় সব প্রদেশের মানুষ কমবেশী জানে। তাই সেখানকার প্রেক্ষিতে উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করাটাই সমীচিন ছিল।
যদি পাকিস্তানের শাসকবৃন্দ আরেকটু সুবিবেচক হত তাহলে উর্দু আর বাংলা দুটোকে রাষ্ট্রভাষা করলেই কোন সমস্যা হত না, যেমনটা আছে ইন্ডিয়াতে। কিন্তু ওরা বাংগালীদের কথা মাথায় আনতেই রাজী ছিল না, শক্তি প্রয়োগে বিশ্বাসী ছিল। তাতেই যত গোলযোগ।

১৮| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৬

তারেক.মাহমুদ বলেছেন: ধন্যবাদ হাসান শহীদ ফেরদৌস। আমি কিছুদিন আগে আমার পাঞ্জাবী ইউনিভারসিটির এক শিক্ষেকর কাছেও শুনেছি- পশ্চিম পাকিস্তানের অধিকাংশ জনগনের মাতৃভাষা নাকি পাঞ্জাবী।

যদি পাকিস্তানের শাসকবৃন্দ আরেকটু সুবিবেচক হত তাহলে উর্দু আর বাংলা দুটোকে রাষ্ট্রভাষা করলেই কোন সমস্যা হত না........পাকিস্তানের লোকের মাথা আর কত উর্বর হবে বলেন।

১৯| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:১৪

নির্ণয় বলেছেন: মো. লুৎফর রহমান বলেছেন: পাকিস্থানেরই তো প্রধান ভাষা উর্দু।

হুঁ, গায়ের জোরে। সাড়ে ৭ পার্সেন্টেরটা যদি প্রধাণ ভাষা হয়, তাহলে ৪৪ পার্সেন্টেরটা কি ধরণের ভাষা? পাকিস্তানের জনসংখ্যার ৪৪ পার্সেন্টের ভাষা পাঞ্জাবী। উর্দু প্রেম একেবারে উথলে উঠলো।

০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৪৩

তারেক.মাহমুদ বলেছেন: এই দেশের মানুষদের মাঝে পাকিস্তান প্রীতি দেখলে জানতে ইচ্ছা হয় এরা কাদের সন্তান?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.