| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
পুলিশের তালিকাভুক্ত দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী এবং এক ডজন মামলার আসামি বিকাশ কুমার সাহার জামিনের আবেদন নাকচ করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১-এর বিচারক মোজাম্মেল হোসেন গতকাল রোববার এই আদেশ দেন।
গত মঙ্গলবার নিরাপত্তাহীনতা ও অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে বিকাশের আইনজীবী সময় চেয়ে আবেদন করেছিলেন। ওই দিন তেজগাঁও থানায় দায়ের করা একটি জোড়া খুনের মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য দিন ধার্য ছিল।
আইনজীবী মুসলেম উদ্দিন ভূঁইয়া আবেদনে বলেছিলেন, নিরাপত্তা ও অসুস্থতার কারণে বিকাশ আদালতে হাজির হতে পারেননি। তবে বিকাশ অসুস্থ, এই মর্মে আদালতে চিকিৎসকের কোনো ব্যবস্থাপত্র জমা দেওয়া হয়নি।
গত ১৪ ডিসেম্বর কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে বের হন বিকাশ। এরপর গত মঙ্গলবার ছিল ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩-এ হাজির হওয়ার প্রথম তারিখ। সেদিন আদালতে সময় চেয়ে আবেদন করা হয়, গতকাল তা নাকচ করে আদেশটি প্রকাশ করা হয়।
পুলিশ জানায়, জামিন পাওয়ার পর থেকে বিকাশ গা ঢাকা দিয়েছেন। তাঁর অবস্থান সম্পর্কে পুলিশের কাছে তথ্য নেই। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে না জানিয়ে দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী বিকাশকে কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়। এই মুক্তি নিয়ে বিভিন্ন মহলে সমালোচনার ঝড় ওঠে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সদস্যরাও বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
তেজগাঁও থানায় দায়ের করা জোড়া খুনের মামলায় জামিনে থাকা আসামি বিকাশের কারাগার থেকে হাজির করাসংক্রান্ত পরোয়ানা (প্রডাকশন ওয়ারেন্ট-পিডব্লিউ) গত ১১ ডিসেম্বর প্রত্যাহার করা হয়। ১৯৯৯ সালের ২০ জুন এ মামলায় হাইকোর্ট থেকে বিকাশ জামিন পান।
১৯৯৭ সালের ২ এপ্রিল শেরেবাংলা নগর গণপূর্ত কার্যালয়ে খালিদ হোসেন মামুন ও শামীমকে হত্যা করা হয়। ১৯৯৮ সালের ৭ জুলাই বিকাশসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেন সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আকরাম হোসেন। অন্য আসামিরা হলেন: আবদুল জব্বার ওরফে মুন্না, মুরাদ হোসেন, কামাল পাশা ওরফে পাশা, রাশেদ মোস্তফা ও মোহাম্মদ ইসহাক। মামলাটি বর্তমানে সাক্ষ্য পর্যায়ে রয়েছে।
আদালত সূত্র জানায়, এর আগে আরও চারটি মামলায় পর্যায়ক্রমে পিডব্লিউ প্রত্যাহারের আবেদন করেন বিকাশের আইনজীবী। তেজগাঁও থানার জোড়া খুনের মামলায় হাইকোর্টের তৎকালীন বিচারপতি মোহাম্মদ গোলাম রাব্বানী ও বিচারপতি লতিফুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ অন্তর্বর্তীকালীন জামিনের আদেশ দেন। সম্প্রতি পাঁচটি মামলায় পিডব্লিউ প্রত্যাহারের আবেদন করা হয়।
বিকাশের বিরুদ্ধে ১২টি মামলা: বিকাশের বিরুদ্ধে পাঁচটি হত্যা, একটি অস্ত্র, ছয়টি হত্যাচেষ্টা ও মারধরের অভিযোগে মামলা রয়েছে। এগুলো হলো: তেজগাঁও থানায় দুটি হত্যা, মিরপুর থানায় দুটি হত্যা এবং মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে তিনটি; রমনা ও লালবাগ থানায় একটি করে যথাক্রমে হত্যা ও অস্ত্র আইনে মামলা রয়েছে। এর মধ্যে পাঁচটি মামলা বর্তমানে ঢাকার বিভিন্ন আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। বাকি সাতটি মামলায় অব্যাহতি ও খালাস পেয়েছেন বিকাশ।
ঢাকার জননিরাপত্তা বিশেষ ট্রাইব্যুনাল ২০০৮ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর লালবাগ থানার একটি অস্ত্র মামলায় বিকাশকে বেকসুর খালাস দেন। প্রায় ১৬ বছর কারাবাসের পর তিনি জামিনে মুক্তি পান।
১৯৯৭ সালে মিরপুরের শাহ আলী বাগের বাসা থেকে বিকাশকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ২০০৯ সালের ১ নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তাঁকে গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে পাঠানো হয়েছিল।
২|
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৩:০৮
কলম.বিডি বলেছেন: জামীন আদেশ আরো কয়দিন পড়ে দিলে হতনা!!
৩|
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৩:২১
নিয়েল ( হিমু ) বলেছেন: হেতে তো হুনছি দেশে নাই
©somewhere in net ltd.
১|
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৩:০৫
মাহমুদডবি বলেছেন: বিকাশকে সরকারি নিরাপত্তায় প্রথমে ইন্ডিয়া সেখান থেকে ফ্রান্সে পাঠানো হইছে। পুলিশ তারে পাইবো কই। মখা হারামি যখন জেলে গেছিলো এই বিকাশ তার সাথে চুক্তি করে । চুক্তি অনুজায়ী মখা তারে জামিনের ব্যাবস্থা করে।