| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
চর্যার হাজার বছরের রাস্তায় বিলীন হয়েছে বিলোল ইতিহাস। রচনাকারীরা কোনঠাসা হয়েও- শাসকদের ফাঁদে পড়ে- কূপমণ্ডুক স্থানে মণ্ডিত করলেন এক অন্যরূপ মণ্ডপ। তারা পার্থিব প্রাপ্তির অক্ষমতায় মুক্তি খুঁজলেন অপার্থিব প্রণোদনার। তাদের অপ্রাপ্তি-ভালোলাগা-মন্দলাগা-ঘৃণা-করুণা-দারিদ্র্য-যন্ত্রণা একসাথে মণ্ড পাকিয়ে হয়ে গেল চর্যাপদ। ধারণ করলো সত্যি কথার এক অস্পষ্ট বয়ান- সময়ের মাঝে চিরন্তনতার- অথচ কি বলিষ্ঠ তার ভূম-উদ্ভূম।
আমরা সাধারণীকরণে বলতে গেলাম যে চর্যাকরেরা তাদের শারীরিক ব্যর্থতা ও অপ্রাপ্তির জন্য খোঁজ করলেন মরমীয়তার। ধর্মের সংযমে ও আত্মনিয়ন্ত্রণের কঠিন আবরণে যেন হলেন সামুদ্রিক ঝিনুক! সত্যি কি তাই? চর্যাপদ কি শুধু আত্মমগ্নতা, পলায়নপরতা, অশরীরি ইশারা, ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি- এমনতর কিছু!
চর্যার ২২ নং পদ পাঠ করিয়ে সরহপাদ আমাদের তেমন কিছুই কি জানালেন?
নিজের মনে ভবনির্বাণ রচনা করে মিথ্যাই লোকে নিজেকে বাঁধে । যা অচিন্ত্য তাকে আমরা জানি না। (আরও জানি না) জন্ম-মরণ কীভাবে হয়, যেমন জন্ম মরণও সেই রকম জীবিত ও মৃতের মধ্যে পার্থক্য নেই। যার এখানে জন্ম এবং মৃত্যুতে আশঙ্কা, সে রসরসায়নের আকাঙ্ক্ষা করুক। যারা সচরাচর ত্রিদেশ ভ্রমণ করে (দেবলোক, লোক ও অন্তরীক্ষ) তারা কোনভাবেই অজরাময় হয় না (হতে পারে না)। জন্ম থেকে কর্ম, কি কর্ম হতে জন্ম এই সমস্যায় সরহ বলেছেন- সেই ধর্ম অচিন্ত্য।
বিস্তারিত
©somewhere in net ltd.