নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

টেলি সামাদস পাঙ্কু ব্লগ

পাঙ্ক পাঙ্ক পাঙ্ক পাঙ্কু আমি বলি পাঙ্কা

টেলি সামাদ

বাংলা পাংকের জনক

টেলি সামাদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

জিজিয়া কর বিষয়ক আউট অফ কন্টেন্ট একটা কোশ্চেন ছিল, ইসলামী চিন্তাবিদদের প্রতি।

০৫ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ২:৪৭

আইচ্ছা মুসলমানরা জাকাত দিব, মানলাম।



ইসলাম যেহেতু বহুত শান্তির ধর্ম, তাই ইসলামী দ্যাশে বিধর্মীরা বাইচা বর্তায় থাকতে হইলে জিজিয়া ট্যাক্সো দিব, তাও মানলাম।



যেই যুক্তিতে জিজিয়া কর হালাল দেখন হইতেছে সেইটা হইলঃ

(ইসলামের বহুত পন্ডিত এই যুক্তির মুলা দেখায়া পার পায়)

- যেহেতু ইসলামী দ্যাশে প্রত্যেক সাবাল সামর্থ্য মোমিন মুসলমানের জিহাদে যাওয়া ফরজ, আর জিহাদ যেহেতু ধর্ম যুদ্ধ, আর বিধর্মীরা যেহেতু বিধর্মী ( :| ) আর তাই তাগো যেহেতু ধর্ম যুদ্ধ মানে জিহাদে যাওয়া লাগবেনা ... তাই তাগো জিজিয়া কর দেওন লাগবে। ওক্কে এইটাও মানলাম।

পরম রহমতুল্লা আলাইহিম যেহেতু জেবমবিধান দিছে, আর না মাইনাই বা ক্যাম্নে কি!

ইসলাম শান্তির ধর্ম। বাচ্চা লোক তালিয়া বাজাও। ইসলামে শান্তি উপচায় পরে। মারহাবা ! মারহাব !





যাউজ্ঞা, এইবার কামের কথায় আহি।

যে কোশ্চেনটা করবার চইসলামঃ ইসলাম, আই মিন দ্বীনের নবী মোস্তফ, আই মিন পরম করুনাময় রহমতুল্লাআলাইহিম; কি ধইরাই নিছিল যে, -পৃথিবীতে অলটাইম যুদ্ধ চলবে। এই যুদ্ধের শেষ কোথায়? শেষ শত্রুটার কল্লা কাটার পরও কারলগে যুদ্ধ হইব?

নাকি শত্রু থাউক আর না থাউক যুদ্ধ চলছে, চলবে?



মন্তব্য ৭০ টি রেটিং +১৬/-১৪

মন্তব্য (৭০) মন্তব্য লিখুন

১| ০৫ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ২:৫২

যুদ্ধবাজ বলেছেন: ওরে টেলি নাকি? আইজক্যা দেহি ছগাফুর এন্ড গং-রা হারা রাইত টহলে আছে।

০৫ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ২:৫৬

টেলি সামাদ বলেছেন: গুরু সামালকে। প্রশ্নর জবাব দাও, নাইলে গতকাল যা কইছিলাম তাই ............. :D

২| ০৫ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ২:৫৩

দুরের পাখি বলেছেন: হা হা হা । এইভাবে মাথায় রক্ত উঠায়া দিছেন, কমেন্টের ধরণ দেইখাই হাহাউপ ।

০৫ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ২:৫৭

টেলি সামাদ বলেছেন: এইটারে কয় কোয়েন্সিডেন্স ........... আপনেরটা আমারটা ......... হা হা হা হা হা হা হা হা

৩| ০৫ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ২:৫৯

শয়তান বলেছেন: ইতিহাস ভালো কৈরা ঘাইটা দেখেন আম্রিকানগো মতন ওয়ার বিজনেসের ধান্ধা তখনও হয়ত ছিল। ;)

০৫ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ৩:০২

টেলি সামাদ বলেছেন: আবার জিঙ্ঘায় :-B :-B

৪| ০৫ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ৩:০০

টেলি সামাদ বলেছেন: ঘুমাইতে গেলাম ইসলামী চিন্তাবিদ ভাইয়েরা। কাইল সকালে উইঠঠা যেন দু একটা উত্তর পাই।


এই ফাকে মাইনাস দিয়া বাড়তি দুয়েক্টা হুরপরী হাসিল কর্তারেন। মাইন্ড খামু না B-)) B-)) B-)) B-))

৫| ০৫ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ৩:০৫

ব্ল্যাকম্যাজিশিয়ান বলেছেন: বেহুদা ফালতু পোস্ট। কাম অন ম্যান, সমালোচনাও একটু ক্রিয়েটিভভাবে করা যায়। অলসো শো লিটল ম্যাচিউরিটি।

০৫ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ৩:০৯

টেলি সামাদ বলেছেন: কাম অন, ইটস নট আ ক্রিটিসাইজ, জাস্ট সাম ক্যয়ারী! টু হোম এট মে কন্সার্ন

৬| ০৫ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ৩:০৭

হোরাস্‌ বলেছেন: যুদ্ধ সবকালেই একটা ভালো ব্যবসা। তখনও, এখনও।

০৫ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ৩:১০

টেলি সামাদ বলেছেন: তাই বইলা শান্তির ধর্মে এরম বিধান :|| :||

৭| ০৫ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ৩:১৫

ব্ল্যাকম্যাজিশিয়ান বলেছেন: লেখক বলেছেন: কাম অন, ইটস নট আ ক্রিটিসাইজ, জাস্ট সাম ক্যয়ারী! টু হোম এট মে কন্সার্ন
--------------------
ক্যয়ারী করারও স্টাইল আছে। সাহায্য বা জিজ্ঞাসামুলক পোস্টগুলি আরও বিনীত হয়।

এনিওয়ে, আমি ইসলামি এক্সপার্ট না। লজিক দিয়ে আপনার প্রশ্ন বিবেচনা করি, চলেন। আমাকে একটা কথা বলেন, কোন দেশের আর্মিকে কি বানানো হয়, এত খরচ দিয়ে পালা হয় সারাবছর, সারাজীবন যুদ্ধ করার জন্য? নাকি যুদ্ধ লাগলে তারা রণক্ষেত্রে নামবে, সেই জন্য?

০৫ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ৩:২৩

টেলি সামাদ বলেছেন: মাম্মা এই লাইনে নাগলেই ভালা। মুটামুটি শিউরযে আপনে ধরা খাইবেন। সো, সম্পর্কডারে নষ্ট না করি।
খালি ছোট্ট একটা স্যাম্পল দেই, বাংলাদেশের আর্মি হিন্দু মুসলমান বোদ্ধ খৃষ্টান সক্কলের ট্যাক্সে চলে। ইস্পিশাল মুসলিম ট্যাক্সে না।

আমি ওয়েটাইতেছি স্পেশাল কিছু চিজ ধরনের লিগা। হেরা আহুক। তারবাদে আপনের লগে আসুমনে। ওক্কে?

৮| ০৫ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ৩:১৮

হোরাস্‌ বলেছেন: ব্ল্যাকম্যাজিশিয়ান বলেছেন: একটা দেশের আর্মিতে কি সকল ধর্মের নাগরিক রিপ্রেজেন্ট করে নাকি করেনা?

৯| ০৫ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ৩:১৯

হোরাস্‌ বলেছেন: ধুরু, উপরের কমেন্টটা @ ব্ল্যাকম্যাজিশিয়ান

১০| ০৫ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ৩:২০

ব্ল্যাকম্যাজিশিয়ান বলেছেন: হোরাস্‌ বলেছেন: ব্ল্যাকম্যাজিশিয়ান বলেছেন: একটা দেশের আর্মিতে কি সকল ধর্মের নাগরিক রিপ্রেজেন্ট করে নাকি করেনা?
------------------------------
করে, তো কি হইল?

আপনি কিন্তু আমার প্রশ্নের জবাব দেন নাই।

১১| ০৫ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ৩:২১

হোরাস্‌ বলেছেন: @ ব্ল্যাকম্যাজিশিয়ানঃ রাস্ট্রের প্রয়োজনে সব নাগরিক যুদ্ধ করবে, যেমন করেছিলো ৭১ সালে। এটাই হওয়া উচিৎ ছিলো। ধর্ম দিয়ে এটাকে বিভাজনের কোন কারণ নাই। অতএব সব নাগরিকের সমান ট্যাক্স হওয়াটাই যুক্তিযুক্ত ছিলো। এখন রাস্ট্রের উদ্দেশ্যই যদি হয় ধর্ম যুদ্ধ করা তাইলে সেটাও নিন্দনীয় এবং তার জন্যে আলাদা ট্যাক্স বসানোও নিন্দনীয়।

০৫ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ৩:২৫

টেলি সামাদ বলেছেন: এইটা উনি এখন বুঝলেও মানতে চাইবে না।

১২| ০৫ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ৩:৩৪

ব্ল্যাকম্যাজিশিয়ান বলেছেন: হোরাস্‌ বলেছেন: @ ব্ল্যাকম্যাজিশিয়ানঃ রাস্ট্রের প্রয়োজনে সব নাগরিক যুদ্ধ করবে, যেমন করেছিলো ৭১ সালে। এটাই হওয়া উচিৎ ছিলো। ধর্ম দিয়ে এটাকে বিভাজনের কোন কারণ নাই। অতএব সব নাগরিকের সমান ট্যাক্স হওয়াটাই যুক্তিযুক্ত ছিলো। এখন রাস্ট্রের উদ্দেশ্যই যদি হয় ধর্ম যুদ্ধ করা তাইলে সেটাও নিন্দনীয় এবং তার জন্যে আলাদা ট্যাক্স বসানোও নিন্দনীয়।
--------------------------------
আপনার এই কথার সাথে ১০০% একমত। আমি ইসলামি ভাবধারার লোক না। আমার বক্তব্য হইল, আপনি ইসলামের সমালোচনা করেন, ঠিক আছে। কিন্তু তারে গালি দিয়েন না। তাকে নিয়ে ফান কইরেন না। আপনের রাইট নাই আরেকজনের অনুভুতিতে আঘাত দেয়ার। আমার দেশ যতই খারাপ হোক, যতই করাপ্টেড আমাদের জনগন হোক, এটা আমার দেশ। আমার সফট কর্নার। কোন ক্যানেডিয়ান বা অন্য দেশের লোক আমার দেশরে নিয়ে কিছু বললে আমার ভাল লাগে না। লাগার কোন কারন নাই।

আমি যে জিনিসটা এই পোস্টে বলতে চাচ্ছিলাম, এই পোস্টটা বেহুদা আরেকজনের পাছায় আঙ্গুল দেওয়া টাইপ। লেখকের পয়েন্ট কি? আর্মির উদাহরন দিয়ে বুঝাইতে চাইসিলাম (আপনি কিন্তু এইবারও প্রশ্নের জবাব দেন নাই!), যে আর্মি রাখা হয় সারাবছর যুদ্ধ করার জন্য না, বরং যখন যুদ্ধ লাগবে, তখন মাঠে নামার জন্য। ইসলামে প্রতিটা মুসলিমই আর্মি। তাদের সারাবছর যুদ্ধ করতে বলে নাই, বলসে যে যখন যুদ্ধ লাগবে, তখন যেন কেউ খাটের নিচে পলায় না থাকে।

০৫ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ৩:৪৬

টেলি সামাদ বলেছেন: হা হা হা হা হা মাম্মা এত্ত কনফিডেন্ট না খেলি। জিহাদ মানে জাইনা আসেন। কুরান হাদিস এক্টূ ঘাটায় আসেন। এরবাদে দেখা হবে এনশায়াল্লা।



আই হ্যাভ ভেরি মাচ রাইট টু লাফ আউট লাউড অন বুলশিট জোক্স।

১৩| ০৫ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ৩:৩৭

কাক ফ্রাই বলেছেন:
বর্তমানে সৌদি আরবে কোন জিজিয়া কর প্রথা আছে কিনা আমার জানা নাই । প্রাচিন ইতিহাস সম্পর্কে আগ্রহ নাই তাই আলোচনায় অংশ গ্রহন করছিনা তবে টপিকটা তখন কার অর্থ সামাজিক এবং রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের আলোকে বিষয়টা বিবেচনা করতে অনুরোধ করছি ।
টেলি ভাই আপনি এখানে ধর্ম শিধতে আসেন নাই আর আপনাকে তা শিখানোর মতো ক্ষমতা অন্য কারে আছে বলে বিশ্বাস হচ্ছেনা তাই দর্শক হিসাবে পাশে আছি ।

০৫ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ৩:৫০

টেলি সামাদ বলেছেন: ওক্কে পাশে থাকেন।

একটা জীবনবিধান সর্বসময়ের জীবনবিধান তাই না।

এই যে ধরা খাইলে য়াপনেরা শুইন্না মুসলমানরা "তখনকার সময়, তখনকার সামাজিক রাজনৈতিক অবস্থা" বইলা চিল্লান এইটা কোন ধরনে ঈমানের লক্ষন সেইটা একজন আলেমের কাছে জিগায় নিয়েন।

১৪| ০৫ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ৩:৩৯

নিরাভরন বলেছেন: যদিও আপনি প্রশ্নটি ইসলামি চিন্তাবিদদের উদ্দেশ্যে করেছেন আর আমি "ইসলামি চিন্তাবিদ" নই---- তারপরও আপনার প্রশ্নের পেছনের একটা অনুমান সংশোধন করে দেয়া দরকার মনে হচ্ছে।
আমি যতদূর জানি জিজিয়া করের মূল কারন অমুসলিমদের জন্য জিহাদের যাওয়ার বিকল্প উপায় নয়। বরং এটা মূলত যাকাতের বিকল্প। যাকাত বিষয়টিতে যেহেতু খোদাভীতির একটা বিষয় জড়িত এটাকে কর বলে হচ্ছে না। কিন্তু এটা রাষ্ট্রের কাজে লাগে এমন অনেক খাতে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে আধুনিক রাষ্ট্রগুলোতে কর যেটা করে ইসলামি রাষ্ট্রে যাকাত সেই উদ্দেশ্যই পুরণ করে। আর জিজিয়া অমুসলিমদের দেয়া করের নাম। অন্তত আমি এটাই বুঝেছি। সেক্ষেত্রে আপনার প্রশ্নটি মনে হয় সংশোধন করা দরকার।

আবার এই প্রশ্নটির আরেকটি মাত্রা আছে...। ধরেন বাংলাদেশে এত বড় একটা সেনাবাহিনী আছে। কিন্তু সারা বছরতো যুদ্ধ লেগে থাকে না তাহলে সারাবছর সেনাদেরকে বসিয়ে খাওয়ানো আর ট্রেনিং কেন দেয়া হয়? পৃথিবীর বেশির ভাগ দেশের উপরই এই প্রশ্ন খাটে। আপনি যে প্রশ্নটি উপরে করেছেন সেটা এই প্রশ্নের সমতুল্য আরকি!!

০৫ ই আগস্ট, ২০১০ ভোর ৪:২২

টেলি সামাদ বলেছেন: দুনিয়ায় সবসময় আর্মি ছিল আছে থাকবে। যুদ্ধ থাউক আর না থাউক। এইখানে সহমত। মাগার কুন জায়গায় কয়নাই। আরমি থাউক আর না থাউক যুদ্ধ অলটাইম থাকব।


জীবনবিধান কিন্তু সেইতাই কইতেছে, যুদ্ধ অলটাইম থাকবেই। সেইজন্ন্য নিয়মবিধান কইরা কর সিস্টেমই আলাদা কইরা দেওয়া হইছে। এবং সেইটা শান্তির ধর্ম ইস্লামে।

১৫| ০৫ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ৩:৪০

ব্ল্যাকম্যাজিশিয়ান বলেছেন: লেখক বলেছেন: এইটা উনি এখন বুঝলেও মানতে চাইবে না।
----------------------------
খিলাফতি ব্যবস্থা বা পিউর ইসলামী সমাজের আমি যতটা বিরোধী, ততটাই আমি বিরোধী অন্যের ধর্মানুভুতিতে আঘাত করাকে। আমি একজন হিন্দুকে মালাউন বলে ডাকব না (শাব্দিকভাবে এর মধ্যে কোন ভুল কিন্তু নাই), একজন মুসলমানের সামনেও তার আল্লাহ-রাসুলকে বেহুদা গালাগালি করব না।

যে যার বিশ্বাস নিয়ে থাকুক, আমাদের কার কি সমস্যা? এই মুহুর্তে বাংলাদেশের সবাই নাস্তিক হয়ে গেলে কি দেশের সমস্যা বাড়বে নাকি কমবে? আসলে বাড়বে। কারন আমাদের আইনশৃঙ্খলার করুন অবস্থা, কিছু লোক অন্তত ধর্মের ভয়ে চুরি-ডাকাতি-ঘুষ থেকে দূরে আছে। পুলিশরে তো কেউ পুছেই না, ধর্মের ভয় না থাকলে কি হবে, বুঝতে পারেন?

০৫ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ৩:৫৫

টেলি সামাদ বলেছেন: নৈতিকতা ধর্মের ঔরশে জন্ম নেয়া গায়েবী বিধান না। এইটা প্রাচীন মানুষ সমাজ গঠনের শুরুথ্যে চর্চা কইরা আইতেছে।
সো এরম মরাকান্না জুইরা ধর্ম টিকায় রাখার যৌক্তিকতা নাই।


আর প্রথম প্যারায় যা কইলেন, ১২এর প্রতিউত্তরের লাস্ট লাইন আবারও

১৬| ০৫ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ৩:৪০

মেহেদী_হাসান বলেছেন: যুদ্ধের কারণ সম্পর্কে আমি কিছু বলতে পারব না; তবে আমি যেটা জানি সেটাই বলব।

সামর্থ্যবান মুস্লিমদেরকে যাকাত দেয়া বাধ্যতামুলক, তেমনি সামর্থ্যবান বিধর্মীদের জন্য ট্যাক্স দেয়ার নিয়ম। এই ট্যাক্সই জিজিয়া। অসামর্থ্যবান বিধর্মিদের জন্য ট্যাক্স দেওয়া জরুরী নয়।
কোন গরীব বিধর্মীর জন্য ট্যাক্স কখনোই যরুরী নয়।

০৫ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ৩:৫৬

টেলি সামাদ বলেছেন: অলটাইম যুদ্ধ ক্যান করন লাগব সেইটা নিয়াই প্রশ্নটা ছিল

১৭| ০৫ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ৩:৪৩

নাঈম_নাজিউর বলেছেন: ব্ল্যাকম্যাজিশিয়ান : আপনার এই কথার সাথে ১০০% একমত। আমি ইসলামি ভাবধারার লোক না। আমার বক্তব্য হইল, আপনি ইসলামের সমালোচনা করেন, ঠিক আছে। কিন্তু তারে গালি দিয়েন না। তাকে নিয়ে ফান কইরেন না। আপনের রাইট নাই আরেকজনের অনুভুতিতে আঘাত দেয়ার। আমার দেশ যতই খারাপ হোক, যতই করাপ্টেড আমাদের জনগন হোক, এটা আমার দেশ। আমার সফট কর্নার। কোন ক্যানেডিয়ান বা অন্য দেশের লোক আমার দেশরে নিয়ে কিছু বললে আমার ভাল লাগে না। লাগার কোন কারন নাই।
++++++++++++++++++++++++++++++

০৫ ই আগস্ট, ২০১০ ভোর ৪:২৬

টেলি সামাদ বলেছেন: দ্যাশ জিনিষ্টা বায়ুবীয় গায়েবী অহি না। এইটারে ছোয়া যায়, থাকা যায়, খাওয়া যায়, হাগা যায় মুতা যায়। এইটা ফিজিকাল থিং।


ধর্ম হইল রুপকথার ঝুলি। জ্বীন, পেত্নি, কথা বলা ব্যাং এগুলারে রুপকথার চটি বইয়েই মানায়, বাস্তবে ধরা যায় না, ছোয়াও যায়না। সো আক্রমন হাসাহাসি চলবেই ... ... ... ... ...


১৮| ০৫ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ৩:৪৩

ব্ল্যাকম্যাজিশিয়ান বলেছেন: এনিওয়ে, হ্যাপি ব্লগিং। গেলাম আমি এখন।

১৯| ০৫ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ৩:৪৬

মেহেদী_হাসান বলেছেন: @কাক ফ্রাই , সৌদি আরবে জিজিয়া কর নেই বলেই জানি। এখানে কাউকে কোন ট্যাক্স দিতে হয় না। এটা ট্যাক্স ফ্রি কান্ট্রি।

২০| ০৫ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ৩:৪৭

কাক ফ্রাই বলেছেন:
আমিও গ্যলাম

২১| ০৫ ই আগস্ট, ২০১০ ভোর ৪:০২

দুরের পাখি বলেছেন: কিছু লোক এখনো এই মিথ্যাচার চালাইতাছে ।

কোরানে, হাদিসে কোথাও জিযিয়া প্রযোজ্য হওয়ার সামর্থ্য বা বয়স বা অবস্থা উল্লেখ করা নাই

অর্থাৎ সব বয়সের সব অবস্থার সব সামর্থ্যের অমুসলিমকেই জিযিয়া দিতে হবে ।

মিথ্যুকের দল সব ।

০৫ ই আগস্ট, ২০১০ ভোর ৪:২৭

টেলি সামাদ বলেছেন: ধর্ম নাকি আবার নৈতিকতা শিখায় /:) /:)

২২| ০৫ ই আগস্ট, ২০১০ ভোর ৪:১২

ওরাকল বলেছেন: যেহেতু ইসলামী দ্যাশে প্রত্যেক সাবাল সামর্থ্য মোমিন মুসলমানের জিহাদে যাওয়া ফরজ, আর জিহাদ যেহেতু ধর্ম যুদ্ধ, আর বিধর্মীরা যেহেতু বিধর্মী ( :| ) আর তাই তাগো যেহেতু ধর্ম যুদ্ধ মানে জিহাদে যাওয়া লাগবেনা ... তাই তাগো জিজিয়া কর দেওন লাগবে।

--> কোন রেফারেন্স নাই :) এই রকম বিতর্কিত কোন কিছু বলার আগে কি রেফারেন্স দেয়া উচিত নয়? অনেক মন্তব্যকারী জিজিয়া কে বিধর্মীদের কর বলছেন (আমি ও তাই জানি)। সুতরাং আগে আপনার জিজিয়া সম্পর্কিত বক্তব্য ঠিক করেন।


লেখক বলেছেন: হা হা হা হা হা মাম্মা এত্ত কনফিডেন্ট না খেলি। জিহাদ মানে জাইনা আসেন। কুরান হাদিস এক্টূ ঘাটায় আসেন। এরবাদে দেখা হবে এনশায়াল্লা।


--> জিহাদ মানে শুধু অমুসলিমদের সাথে যুদ্ধ করাই নয় নিজের মধ্যে থাকা খারাপ দোষ-ত্রুটির সাথে যুদ্ধ করার নাম ও জিহাদ (এবং একেই সর্বাপেক্ষা বড় জিহাদ বলা হয়েছে)। এত যখন জানেন তখন, আপনি আপাতত নিজের সাথেই জিহাদ করেন।


হোরাস্‌ বলেছেন: @ ব্ল্যাকম্যাজিশিয়ানঃ রাস্ট্রের প্রয়োজনে সব নাগরিক যুদ্ধ করবে, যেমন করেছিলো ৭১ সালে। এটাই হওয়া উচিৎ ছিলো। ধর্ম দিয়ে এটাকে বিভাজনের কোন কারণ নাই।

-> যা নিয়ে এই পোস্ট তা একটি বিশুদ্ধ ধর্ম ভিত্তিক রাষ্ট্রের আইন। তাই ঐ রাষ্ট্রের সব কিছু ধর্মকে ঘিরে পরিচালিত হবে এটাই স্বাভাবিক :) আর কি ভাল কি ভাল নয় তা ঐ ধর্মের সৃষ্টেকর্তাই সবচেয়ে ভাল জানবেন তাই না।





০৫ ই আগস্ট, ২০১০ ভোর ৪:২৮

টেলি সামাদ বলেছেন: উত্তর কই?

০৫ ই আগস্ট, ২০১০ ভোর ৪:৩৩

টেলি সামাদ বলেছেন: রেফারেন্স লাগব? ইসলামী সাইত থেকেই দিলাম

http://www.answering-islam.com/jizyah.htm

২৩| ০৫ ই আগস্ট, ২০১০ ভোর ৪:৩৮

দুরের পাখি বলেছেন: ওহ সরি, ঐটা ডট কম । উপ্রের কমেন্টটা ভুল হয়া গেছে । মুইচ্যা দেন ।

উপ্রের কথাটা ডট অর্গ এর জন্য প্রযোজ্য ।

০৫ ই আগস্ট, ২০১০ ভোর ৪:৪১

টেলি সামাদ বলেছেন: ডট কম কি ঠিক আছে? এই প্যাচ ঘোচ খানাখন্দ বুঝিনারে ভাই :| :|

২৪| ০৫ ই আগস্ট, ২০১০ ভোর ৪:৫০

দুরের পাখি বলেছেন: হ, ডট কম খুলছে প্রতিথযশা মোসলেমরা, ডট অর্গ এর জবাবে । এইজন্য ডট কমরে মোটামুটি অথেনটিক ইসলামি সাইট বলা যায় ।

০৬ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ১:০৬

টেলি সামাদ বলেছেন: ওরাকলে ভাগছে দেইখা বিনোদন লাগতেছে। এই গুলা কোনজাতের মুসলমান বুঝিনা। ধর্মটর্মনিয়া জ্ঞান নাই।

২৫| ০৫ ই আগস্ট, ২০১০ ভোর ৬:৩৮

সজীব আকিব বলেছেন: ভাই, কোরানের পত্থম সূরা 'সুরা ফাতিহা" যেটারে অনেকে কোরানের অংশ বলে মানে না কারণ এইডা হইল গিয়া দোয়া আর আল্যায় কার কাছে দোয়া করব , কারে কইব "আমারে সরল পথ দেখাও"। যাউকগা, দুই নং সুরা "সুরা বাকারা" এর ৫ টা আয়াত কোনো মতে বইলাই শুরু করে দিয়েছেন অভিশাপ আর ৬ নং টায় থ্রেট।

হাঃ হা। যেমন মহম্মদ, তেমন তার আল্যা। এর লাইগ্যাই কে জানি কইছিল ALLAH IS THE PERFECT FACE OF MUHAMMOD.

আর জিজিয়ার কথা? হেইডা নিয়া কথা না বইলা বলব এইডা পড়ে দেখতে- যে সত্য বলা হয়নি

০৬ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ১:০৯

টেলি সামাদ বলেছেন: আমি খালি ভাবি আল্লায় যদি সত্যি সত্যি থাকতো, তাইলে মোহম্মদের খবরই কইরা ফেলব। খোদার উপর খোদকারি, এক্কেরে এমন ডলা দিত ............... হা হা হা হা হা হা হা

২৬| ০৫ ই আগস্ট, ২০১০ সকাল ৭:০০

মেহেদী_হাসান বলেছেন: লেখক বলেছেন: অলটাইম যুদ্ধ ক্যান করন লাগব সেইটা নিয়াই প্রশ্নটা ছিল।

উইকি থেকেঃ http://en.wikipedia.org/wiki/Jizya

"From the point of view of the Muslim rulers, jizya was a material proof of the non-Muslims' acceptance of subjection to the state and its laws, "just as for the inhabitants it was a concrete continuation of the taxes paid to earlier regimes."[6] In return, non-Muslim citizens were permitted to practice their faith, to enjoy a measure of communal autonomy, to be entitled to Muslim state's protection from outside aggression, to be exempted from military service and the Zakat as obligatory upon Muslim citizens.[7][8][9]"



Military service and the Zakat মুসলমানদের জন্য বাধ্যতামুলক। যখন ইসলামী রাজ্যকে রক্ষা করার জন্য বাইরের শত্রু আক্রমণ করবে, তখন মুসলমানদের জন্য জিহাদে অংশগ্রহণ বাধ্যতামুলক। কিন্তু অমুসলিমদের জন্য নয়। তবে এটা ঠিক যে, যুদ্ধ সব সময় থাকবে না; কিন্তু মুসলমানদের কে আত্বরক্ষার বা ইসলাম রক্ষার যুদ্ধ করার জন্য সবসময় মানসিক ভাবে প্রস্তুত থাকতে হয়। ব্যাপারটা এমন যে, একটা দেশের সেনা-বাহিনী সবসময় যুদ্ধ না থাকলেও তারা তাদের কে প্রস্তুত করা হয় এবং যুদ্ধ না থাকলেও তাদেরকে বেতন দেওয়া হয়। এই কারনে যদি এক প্রকার ট্যাক্স মওকুফ করা হয়... তাহলে এই ব্যাপারটা কি খুবই অবোধগম্য।
তারপরও যদি আপনার কাছে বোধগম্য না হয়, তাহলে আরেকটা পয়েন্ট আছে।

Military service সবসময় না করতে হলেও যাকাত কিন্ত মুসলমানদের জন্য বাধ্যতামুলক। ধনি মুস্লিমকে যাকাত দিতেই হবে। অমুস্লিমদের কে যাকাত দিতে হয় না।
তেমনি ভাবে তাই তাদের উপর যাকাতের পরিবর্তে অন্য ট্যাক্স এপ্লাই করা হয় তাহলে জিনিশটা কি আপনার কাছে খারাপ মনে হয়?

একমাত্র ইসলামী রাষ্ট্রেই অন্য ধর্মাবলম্বীদেরকে সর্বোচ্চ সম্মান দেয়া হয়। In return, non-Muslim citizens were permitted to practice their faith, to enjoy a measure of communal autonomy, to be entitled to Muslim state's protection from outside aggression, to be exempted from military service and the Zakat as obligatory upon Muslim citizens. মুসলমানরা তাদের নিজের জান বাজি রেখে অন্যান্যদের রক্ষা করার অসংখ্য ইতিহাস ইতিহাসের পাতায় পাতায় আছে।

০৬ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ১:১০

টেলি সামাদ বলেছেন: মুসলমানরা তাদের নিজের জান বাজি রেখে অন্যান্যদের রক্ষা করার অসংখ্য ইতিহাস ইতিহাসের পাতায় পাতায় আছে।



এক্কেরে পচায় দিছেন গো। পাগলেও হাসতেছে

২৭| ০৫ ই আগস্ট, ২০১০ সকাল ৮:৫৬

রাজসোহান বলেছেন: হুদাই প্যাচাল :(

০৬ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ১:১১

টেলি সামাদ বলেছেন: পোলাপান এইখানে কেন?

২৮| ০৫ ই আগস্ট, ২০১০ সকাল ১০:২০

মেগামেন বলেছেন: জিযিয়া তাদেরকে দিতেই হবে যারাই সামরিক দায়িত্ব থেকে মুক্ত থাকতে চায়। এখানে মুসলিম ও অমুসলিম বলে কোন কথা নেই।

আর জিযিয়া যুদ্ধ করতে সক্ষম এমন ব্যক্তিদের উপরই প্রযোজ্য তার মানে যুবকদেরই উপরই। এখানে নারী, বৃদ্ধ, শিশু অন্তুর্ভুক্ত নেই।

এমন অনেক ঘটনা আছে যেখানে মুসলিমদের জিযিয়া দিতে হতো অনের অমুসলিম আছে যারা সামরিক বিভাগে কাজ করত আর তাদেরকে জিযিয়া দিতে হতো না।

০৬ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ১:১৩

টেলি সামাদ বলেছেন: জ্বে কাহিনি জানি। ঘ্যানর ঘ্যানর না কইরা কন- ধর্মযুদ্ধ কি দুনিয়া ধ্বংসের আগ পর্যন্ত চলবে?

২৯| ০৫ ই আগস্ট, ২০১০ সকাল ১০:৩৬

রাজীব বলেছেন: ১২ নং কমেন্টে লেখক বলেছেন: হা হা হা হা হা মাম্মা এত্ত কনফিডেন্ট না খেলি। জিহাদ মানে জাইনা আসেন। কুরান হাদিস এক্টূ ঘাটায় আসেন। এরবাদে দেখা হবে এনশায়াল্লা।


আমি যতদুর জানি, যদি দেখেন কোথাও কোন নারীর উপর অসদাচরন হচ্ছে বা কোন দুর্বলেরই উপর অত্যাচার হচ্ছে তখন সেই অত্যাচারীর (সে মুসলমান বা কাফের যাই হোক না কেন) বিরুদ্ধে রুখে দারানোও জিহাদ। মুসলমানদের জন্য একজন ধর্ষনে সেন্চুরীকারী (সে মানিক, মনজ বা মং যাই হোক না কেন )বা অত্যাচারীর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা প্রতিরোধ করাও ধর্মযুদ্ধ।

০৬ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ১:১৩

টেলি সামাদ বলেছেন: তাল হারাইয়াছেন। ব্যাপারনা।

৩০| ০৫ ই আগস্ট, ২০১০ সকাল ১০:৫৬

স্টাডি-ইটিই বলেছেন: মুহাম্মাদ দুনিয়ার মানুষরে করদাতা বানাইতে আসিয়াছিলেন। তাহার এহেন পরচেষ্টার বিরোধীতাকারীদের মাইনাস। যেখানে দয়াল নবী বলেছেন যে লা ইলাহা পড়লে আরবের নেতা হওয়া যাইব আর অনারবেরা করদাতায় পরিণত হইব। সেইখানে আফনে কেমনে এই কর প্রথার বিরোধিতা করেন? যারা কাফের তাগো জন্যে এইটা অফমানের বোঝা। মুহাম্মাদের ধর্ম কবুল করলেই তো সব ঝামেলা চুইকা যায়। সবাই মিলা ভাই বেরাদার হইয়া জীবন কাটানো যাইব। তয় আলীর পর থেইকা নিজেকে মইদ্ধ্যে যে ক্যারফা লাইগা রইছে। তার কারনে শান্তির ধর্ম শান্তির গ্যারান্টি দিবার পারতাসে কিনা এইডা ভাববার বিষয়।

০৬ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ১:১৬

টেলি সামাদ বলেছেন: মুহাম্মাদের ধর্ম কবুল করলেই তো সব ঝামেলা চুইকা যায়।


ঠিক, সক্কলে মোমিন হইয়া গেলে কল্লা কাটীবার অমোমিন আর কোথায় বা পাইবে।

৩১| ০৫ ই আগস্ট, ২০১০ সকাল ১১:০৯

কানা বাবা বলেছেন:
@স্টাডি-ইটিই,
তাতে কৈরাও শেষরক্ষা হৈবো বৈলা মুনয় নাহ্...
খলিফা মুয়াবিয়া তো জিযিয়া সিস্টেম এডিট কোর্চিলো এই যুক্তিতে যে- জিযিয়া দেওনের ডরে লুকজন বেবাক মুস্লিম হৈয়া জাইতেচে; সুতরাং নওমুস্লিমরাও এখোন থিকা জিযিয়ার আওতা থিকা রেহাই পাইবো না...

বুজেন্ ঠ্যালা!

০৬ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ১:১৭

টেলি সামাদ বলেছেন: মোমিন হইয়াও শেষ রক্ষা হইল না :(

৩২| ০৫ ই আগস্ট, ২০১০ সকাল ১১:১৭

প্র।ইভেট বলেছেন: যুদ্ধ চলছে, চলবে?

০৬ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ১:১৮

টেলি সামাদ বলেছেন: চলুক

৩৩| ০৬ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ১:২০

শেলী বলেছেন: জিযিয়া করতো তাদের দিতে হত যারা যাকাত দিতনা। আমি পড়েছিলাম উমরের আমলের একটা ঘটনা,যেখানে একজন বিধর্মী বলছিল,আমি যাকাত দিতে চাই,জিযিয়া নয়। উমর বলছিলেন,একই কথা।

০৬ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ১:৫১

টেলি সামাদ বলেছেন: তাইলে জাকাত জিজিয়া আলাদ নামের দরকার কি?

৩৪| ০৬ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ২:৪৫

পূবালী বাতাস বলেছেন: কি রে বেটা হারামজাদা কুকুরপোলা হারাদিন কি খালী ব্লগে পইরা থাক, না প‌্যাপার ঠেপার পড়? কথা বার্তা ঠিক মত কাইয়ো নাইলে বাবা ণারায়নের দশা হইব।ইয়া ভাইবনা যে ৭২ সংবিথানে ফিরা গেছো-ইসলামের জিবন শেষ। নারে পাগল মুসলমান এহনো মরে নাই। একবার যদি ধরে বাপের নাম মনে থাকবনা কই যাইব এই চেটাংগিড়ি

০৬ ই আগস্ট, ২০১০ ভোর ৪:১১

টেলি সামাদ বলেছেন: সাব্বাশ। শান্তির ধর্মের ঈমানী পরিক্ষায় তুমি ১০০ তে ১০০ পাইয়াছ।

৩৫| ০৬ ই আগস্ট, ২০১০ ভোর ৪:১৪

শেলী বলেছেন: কারন যাকাত দিতে ধর্মীয় কারন লাগে। এক্ষেত্রেতো ওদের বাধ্য করা যায়না।

০৬ ই আগস্ট, ২০১০ ভোর ৪:১৮

টেলি সামাদ বলেছেন: খুব ভালো যুক্তি হইছে। লাউ যেহেতু লাউ, কদু সেহেতু কদু।

৩৬| ০৬ ই আগস্ট, ২০১০ ভোর ৫:৩৫

মেগামেন বলেছেন: জিযিয়া তাদেরকে দিতেই হবে যারাই সামরিক দায়িত্ব থেকে মুক্ত থাকতে চায়। এখানে মুসলিম ও অমুসলিম বলে কোন কথা নেই।
আর জিযিয়া যুদ্ধ করতে সক্ষম এমন ব্যক্তিদের উপরই প্রযোজ্য তার মানে যুবকদেরই উপরই। এখানে নারী, বৃদ্ধ, শিশু অন্তুর্ভুক্ত নেই।

এমন অনেক ঘটনা আছে যেখানে মুসলিমদের জিযিয়া দিতে হতো অনের অমুসলিম আছে যারা সামরিক বিভাগে কাজ করত আর তাদেরকে জিযিয়া দিতে হতো না।



স্যার আরনল্ড The preaching of islam এ বলেছেনঃ
" পক্ষান্তরে মিসরের কৃষকের মধ্যে যারা মুসলমান ছিল তাদের যখন সামরিক দায়িত্ব থেকে মুক্ত রাখা হতো তখন উহার বিনিময়ে তাদের উপর ঐরূপ করই আরোপ করা হতো যেরূপ আরোপ করা হতো খৃষ্টান্দের উপর। (পৃষ্ঠা-৬৩)


তিনি আরও বলেনঃ
"পূর্বেই বলা হয়েছে যে, জিযিয়া কেবল স্বাস্থ্যবান পুরুষদের নিকট থেকেই তাদের সামরিক দায়িত্ব পালনের বিনিময়ে আদায় করা হতো- যা তাদেরকে মুসলমান হলে প্রদান করতে হত।
আর এটাও উল্লেখযোগ্য যে, যখন কোন খৃষ্টান মুসলিম সেনাবাহিনীর অন্তর্ভুক্ত হয়ে সামরিক দায়িত্ব পালন করতো তখন তাকে এই জিজিয়া কর দিতে হতো না।

আন্তাকিয়ার নিকটবর্তী এলাকা আল জুরাইজিমার খৃষ্টান গোত্র মুসলিমদের সাথে এই মর্মে সন্ধি স্থাপন করে যে, তারা তাদের মিত্রগোত্র হিসেবে বসবাস করবে, যুদ্ধে তাদের পক্ষ হয়ে যুদ্ধ করবে এবং এর বিনিময়ে তাদেরকে কোন জিজিয়া দিতে হবে না। বরং যুদ্ধলব্ধ (গনীমতের) মালেরও নির্ধারিত অংশ লাভ করবে।(পৃষ্ঠা ৬২)






০৬ ই আগস্ট, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪৯

টেলি সামাদ বলেছেন: যে কোশ্চেনটা করবার চইসলামঃ ইসলাম, আই মিন দ্বীনের নবী মোস্তফ, আই মিন পরম করুনাময় রহমতুল্লাআলাইহিম; কি ধইরাই নিছিল যে, -পৃথিবীতে অলটাইম যুদ্ধ চলবে। এই যুদ্ধের শেষ কোথায়? শেষ শত্রুটার কল্লা কাটার পরও কারলগে যুদ্ধ হইব?
নাকি শত্রু থাউক আর না থাউক যুদ্ধ চলছে, চলবে?

৩৭| ০৬ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:১৩

ASDFGHJ বলেছেন: জ্বী আপনার কথায় যুক্তি আছে। আর এই জিজিয়া প্রথা কেয়ামতের আগেই বিলুপ্ত হয়ে যাবে।
রেফারেন্স:
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, শপথ সেই সত্তার, যাঁর হাতে আমার প্রাণ। অচিরেই তোমাদের মাঝে ন্যায় বিচারকরূপে মারইয়ামের পুত্র [ঈসা (আ.)] অবতরণ করবেন। তারপর তিনি ক্রুশ ভেঙ্গে ফেলবেন, শূকর হত্যা করবেন, জিজিয়া রহিত করবেন এবং ধন-সম্পদের এরূপ প্রাচুর্য হবে যে, কেউ তা গ্রহণ করবে না। (২৪৭৬, ৩৪৪৮, ৩৪৪৯, মুসলিম ১/৭১, হাঃ ১৫৫, আহমাদ ৭৬৮৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০৬৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২০৮১)
আর আপনি সংযত ভাষায় প্রশ্ন করবেন।

৩৮| ০৮ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৩:৪৪

টারজান০০০০৭ বলেছেন: বিচিতে জোয়ার আসায় পাঁঠারা এহন ব্লগে আসিয়া বীর্যপাত করে দেহা যায় !
জানার ইচ্ছা থাকিলে পাঁঠারা এইখানে জিজ্ঞাসা করিতে পারে!
http://www.alkawsar.com/

নাহয় খামোখা ব্লগরে গর্ভবতী করার চেষ্টা বন্ধ করুক !
ব্লগ ভরিয়া গেলো পাঁঠাদের দুর্গন্ধে !

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.