নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

তুমি কেমন করে গান করো হে গুনী, আমি অবাক হয়ে শুনি, কেবল শুনি ।।

ঠাকুরমাহমুদ

sometimes blue sometimes white sometimes black even red, even golden ! yes dear - its me - i am sky ! color your life, than your life will be colorful

ঠাকুরমাহমুদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

বিভ্রম

০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:৪৪



ধর্মেশ্বর একজন চিকিৎসক। যথেষ্ট পরিমাণ পড়ালেখা করেছেন, দেশে ও প্রবাসে পড়ালেখা সহ ট্রেইনিং নিয়েছেন। তারপরও তিনি শহর ছেড়ে - জেলা শহর ছেড়ে অন্ধগ্রাম থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরে আছেন। সম্ভব হলে হয়তো আরও গ্রাম বা চরাঞ্চলে চলে যেতেন। ধর্মেশ্বর নিতান্ত একজন ভালো মানুষ, আর তাই হয়তো জীবনে তাঁর তেমন চাহিদাও নেই।

ইদানিং ধর্মেশ্বরের শখ হয়েছে একটি ভালো আধুনিক ক্যামেরা কিনবেন। নতুন ঝকঝকে ক্যামেরা হাতে পাওয়ার পর মনে হলো, গ্রামের খাল বিল নদী সবকিছুই যেনো ছবি তোলার মতো সুন্দর। পুরোনো বাড়ি, গাছের ছায়া সবকিছু।

সেদিন সন্ধ্যার একটু আগে নদীর পাড়ে হাঁটতে বেরিয়েছিলেন। আকাশে তখন শেষ বিকেলের আলো। নদীর ওপারে কুয়াশা জমতে শুরু করেছে। দূরে কয়েকজন জেলে নৌকা নিয়ে মাছ ধরছিলো। দৃশ্যটি ছবি তোলার মতো। ধর্মেশ্বর ক্যামেরার লেন্স ঠিক করে বেশ কয়েকটি ছবি তুলেন। একটি যখন জেলে জাল ছুড়ছিলেন। আরেকটি যখন নৌকায় জেলে জাল গোছাচ্ছেন। শেষ ছবিটি তুলেছেন একটু দূর থেকে নদীর মাঝে ডুবন্ত সূর্য আর একাকী নৌকায় বসা জেলে। ধর্মেশ্বর প্রতিটি ছবি তিন চারটি করে তুলেছেন।

সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসছিলো। তাই ধর্মেশ্বর বাড়ি ফিরে এলেন। রাতে কম্পিউটারে ছবিগুলো ডাউনলোড দিলেন। প্রতিটি ছবি খুবই সুন্দর হয়েছে। ছবির ফ্রেমিং, ছবির আলো সবই।

কিন্তু সমস্যা হচ্ছে -
ছবিতে নদী আছে, আলো আছে
সূর্য আছে
শুধু নৌকা আর জেলে নেই।

ধর্মেশ্বর কম্পিউটারে দ্বিতীয় ছবি দেখেন - একই সমস্যা।
ছবিতে নৌকা আর জেলে নেই।

তৃতীয় ছবিতে তিনি হতবাক হয়ে অনেক্ষন কম্পিউটারের স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকেন।
এই ছবি ধর্মেশ্বর ক্যামেরায় তোলেননি। ছবিতে - নদীর পাড়ে একটি তাল গাছ। তাল গাছে শকুন আর শকুন! - অথচ এতো শকুন দেশে থাকার কথা না। শকুনের ধারালো ঠোঁট, এমনকি শকুনের চোখ। শকুনগুলো অস্বাভাবিক রকমের স্বাস্থ্যবান। প্রত্যেকটির চোখ যেনো ক্যামেরার দিকেই তাকানো।





সিরিজ: -
ধর্মেশ্বর



মন্তব্য ১৪ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (১৪) মন্তব্য লিখুন

১| ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৬:৫৯

আহমেদ জী এস বলেছেন: ঠাকুরমাহমুদ,




বেশ পরিপুষ্ট রূপক!
ধর্মেশ্বর মনে হয় ৪ঠা আগষ্ট ক্যামেরায় ছবি তুলেছিল এবং ৫ই আগষ্ট কম্পিয়্যৃটারে আপলোড করেছিলো.. :|

১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:২৫

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



ভাইজান, সালাম নিবেন। গল্পের ভেতরে গল্প থাকে। আর সেই গল্প বুঝতে পারা কঠিন কাজ! - আপনি খুব সহজে এই কঠিন কাজটি করতে পারেন। আপনাকে অশেষ অশেষ ধন্যবাদ।


২| ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:১৪

রাজীব নুর বলেছেন: মাঝে মাঝে বিভ্রম ভালো।

১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:২৬

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



দু:খজনক বিষয় এই বিভ্রম যদি দেশের সাধারণ মানুষ জানতে পারতো বুঝতে পারতো - - -




৩| ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:৩৮

শায়মা বলেছেন: বাপরে!! শকুনী চক্ষু!!!
ঘরে বাইরে দেশে বিদেশে সব খানেই ভয়ংকর!

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৩:০৯

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



সত্যি সত্যি তাই। মহাভারতের শকুনি মামা’কে তোমার মনে থাকার কথা।


৪| ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:০৫

মেহবুবা বলেছেন: কোনটা বিভ্রম আর কোনটা নয় আজকাল আলাদা করতে পারি না ! ঠিক বেঠিকের পার্থক্য ঘুচে গিয়েছে!

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৩:১০

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



আমরা খবুই খারাপ ধরনের গোলকধাঁধায় পরে গিয়েছি।

৫| ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:২৫

শ্রাবণধারা বলেছেন: আমিতো শেষটায় এসে একটু ভয়ই পেয়ে গেলাম! শুরুতে কী সুন্দর একটা হাসি-খুশি গল্প বলে মনে হচ্ছিল। ভেবেছিলাম, জানতে চাইব - ধর্মেশ্বরটা আপনি কি না। কিন্তু শেষে এসে সব গুবলেট হয়ে গেল!

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৩:১১

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



সত্যি বলতে কি আমরা খুবই খারাপ ধরনের গোলকধাঁধায় পরে গিয়েছি। এখন সময়ের জন্য অপেক্ষা করা ছাড়া আরতো পথ দেখি না।


৬| ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:০০

নিমো বলেছেন: সুখে থাকার অন্যতম ভালো উপায় হলো বিভ্রম।

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৩:১২

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



বিভ্রম হওয়াটা ভালো, সত্যি সত্যি। কারণ মোটা তাজা শকুনদের দেখতে খুবই বিশ্রি লাগছে।

৭| ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:০৮

রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্টে আবার এলাম। কে কি মন্তব্য করেছেন, সেটা জানতে।

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৩:১৩

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



আপনি ভালো কাজ করেছেন। ধন্যবাদ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.