নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

তুমি কেমন করে গান করো হে গুনী, আমি অবাক হয়ে শুনি, কেবল শুনি ।।

ঠাকুরমাহমুদ

sometimes blue sometimes white sometimes black even red, even golden ! yes dear - its me - i am sky ! color your life, than your life will be colorful

ঠাকুরমাহমুদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

দৃষ্টিকটু পোশাক ও দৃষ্টিকটু আচরণ

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৪



আপডেট - হাফপেন্ট আন্দোলন: ৩০/০৯/২০২৬
হাফপেন্ট পরে মেট্রো ট্রেন ও বাসে চলাচল বাংলাদেশের একটি নাগরিক চাহিদা হতে পারে। যেহেতু সমস্যা মেট্রোতে হয়েছে, আমি ধারণা করেছি বাংলাদেশে ফেসবুকে “হাফপেন্ট আন্দোলন” হওয়ার সম্ভবনা আছে। হাফ প্যান্ট পরে মেট্রোরেলে যাওয়ার কর্মসূচি, সাড়া দিয়েছেন প্রায় ১৬০০। হয়েছেও তাই খুব সম্ভব আগামী কয়েকদিনের মধ্যে শত সহস্র যুবক যুবতী তরুণ তরুণী মধ্যবয়সী নারী পুরুষ হাফপেন্ট পরে একই সময়ে একই স্টেশন হতে মেট্রোতে চড়বেন। আশা করছি উক্ত আয়োজনে মোবাইল ফোন ক্যামেরা সাংবাদিকদের বিশেষ ডাল ও ভাতের ব্যবস্থা হবে। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, পড়ালেখা ও জ্ঞান বিজ্ঞানে না হোক, অন্তত হাফপেন্ট নিয়েই এগিয়ে যাক। হাফপেন্ট আন্দোলন সফল হোক। হাফপেন্টই হোক বাংলাদেশের জাতীয় পোশাক। সকলের জন্য শুভ কামনা।


দৃষ্টিকটু পোশাক ও দৃষ্টিকটু আচরণ
যে কেউ যে কোনো ধরনের পোশাক পরে যে কোনো সমাজে যেতে পারেন, সাধারণত কেউ বাধা দেয় না। তবে সর্বসাধারণের ক্ষেত্রে “দৃষ্টিকটু” বলে একটি বিষয় উল্লেখ্যযোগ্য। যা সময় স্থান কাল পাত্র ভেদে - পরিবেশ পরিস্থিতি ও সমাজ হিসেবে যে কোনো দেশে, উক্ত দেশের সমাজই নিয়ম নীতি তৈরি করে দেয়।

দৃষ্টিকটু পোশাক:
১। আমাদের দেশে সাধারণত শুক্রবার ও সরকারি ছুটির দিন সকালে সুপারশপগুলোতে দেখা যায় কিছু চল্লিশোর্ধ্ব - পঞ্চাশোর্ধ পুরুষ পুরাতন অপরিষ্কার হাফপেন্ট ও টিশার্ট পরে চলে এসেছে শপিং করতে। হাতে পায়ে কাঁচাপাকা বড় বড় পশম এমনকি টিশার্টের বোতাম খোলা বুকেও কাঁচাপাকা বড় বড় পশম। শরীরে সিগারেট ও লিকারের গন্ধ - পাশে দিয়ে হেটে যাওয়ার সময় মনে হয় কোনো মানুষ না, হয়তো কোনো নোংরা জলহস্তী হেটে যাচ্ছে।

২। মৃত্যুবাড়িতে দেখা যায় কোনো না কোনো নারী খুব সম্ভব তার মূল্যবান পোশাক ও সকল অলংকার পরে চলে এসেছেন। বাড়িতে লাশ। গ্লসি মেকআপে তিনি নিশ্চিন্তে ঘুরে বেড়াচ্ছেন এবং মরা বাড়িতে নিজেদের উচ্চবিলাসী জীবন যাপনের গল্প করছেন। গত মাসে মোলডিপ (মালদ্বীপ) ভ্রমণে কোন রিজোর্টে ছিলেন ইত্যাদি ইত্যাদি।

দৃষ্টিকটু আচরণ:
১। মোটামোটি ভালো রেস্টুরেন্ট যেমন: বিরিয়ানী হাউজ ও চাইনিজ রেস্টুরেন্ট। সবাই খাওয়া দাওয়া করছেন - কাউকে না কাউকে দেখা যাবে সকলের সামনে হা করে কাঠি দিয়ে দাঁত খোঁচাচ্ছেন। হাত মুখ ধোয়ার বেসিনে গিয়ে ভৌতিক শব্দে গড়গড়া কুলি করছেন।

২। কোনো অনুষ্ঠানে, বাসে ট্রেনে এমনকি ফ্লাইটে বসে কাউকে না কাউকে দেখা যাবে ভয়ঙ্কর মুখের দৃশ্য তৈরি করে নাক কান পরিস্কার করছেন। ছোট বাচ্চারা এই দৃশ্য দেখে তাৎক্ষণিক কান্না শুরু করে দেয়।

৩। বাসে ট্রেনে ফ্লাইটে হাসপাতালে এমনকি মৃত্যুবাড়িতে উচ্চস্বরে কথা বলা। বাংলার সাথে কিছু ইংলিশ বলা - খুব সম্ভব, এই গুলো এখন আর দৃষ্টিকটু আচরণ না! দেশে রাতের ট্রেনে কি পরিমাণ চিৎকার চেচামেচি আর গান বাদ্য হয়! - তা একমাত্র ভুক্তভোগী ছাড়া কেউ অনুভব করা সম্ভব না।

হাফপেন্ট সমাচার: হাফপেন্ট পরে কে কোথায় দৌড়াবেন তাতে আমাদের দেশে কোনো সমস্যা হওয়ার কথা না। সড়ক-মহাসড়ক, চন্দ্রিমা, রমনা, হকার মার্কেট, গুলিস্তান যাত্রাবাড়ি শনির আখড়া - যে কোনো পথে দৌড়াতে পারেন। তবে যখন কেউ নিজের পরিচয় দিবেন “সে একজন স্পোর্টসম্যান”। তখন জানতে হবে তিনি কি তালিকাভূক্ত স্পোর্টসম্যান? কারণ, স্পোর্টসম্যানদের জন্য স্টেডিয়ামে যাবতীয় সুযোগ সুবিধার ব্যবস্থা করা আছে - লকার, বাথরুম, শাওয়ার, ড্রেসিং রুম ইত্যাদি ইত্যাদি। এতোসব সুযোগ সুবিধা থাকার পর একজন স্পোর্টসম্যানকে কেনো স্পোর্টস ড্রেস পরে ট্রেনে মেট্রোতে চড়তে হবে? তারপরও সমস্যা হলে মেট্রোতে অফিসগামী যাত্রীদের কাছে জানতে চাওয়া উচিত ছিলো “হাফপেন্ট পরিহিত ঘর্মাক্ত একজন যাত্রী” সাধারণ যাত্রীদের কোনো সমস্যা হবে কিনা? নাকি মেট্রো ট্রেনে যাত্রীরা পক্ষে বিপক্ষে মারপিট লেগে যাবে! একজন স্পোর্টসম্যানকে হাফপেন্টের অজুহাতে ভিডিও করে হুলুস্থুল করার প্রয়োজন নেই। স্পোর্টসম্যান যেইভাবে চিৎকার চেচামেচি করেছেন তাতে তার নিজের ইমেজ নষ্ট হওয়ার কথা। এবং ক্রীড়া অধিদপ্তরের উচিত উক্ত স্পোর্টসম্যানের ডোপ টেস্ট ও মেডিক্যাল টেস্ট করা। আর দুইজন পুলিশের আচরণ ছিলো খুবই অদক্ষ আচরণ। তাদের উচিত ছিলো একজন সার্কেল অফিসারের সাথে ওয়াকিটকিতে যোগাযোগ করা। তাতে করে নেগেটিভ/পজেটিভ সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধান হয়ে যেতো।

আইন: আইন হচ্ছে খাদ্যে লবণের পরিমাণের মতো। কমও না বেশিও না। তারপরও খাবারের পাশে লবণের ছোট পট থাকে প্রয়োজনে মানুষ যার যার মতো খাবারে লবণ যোগ করে নেন। এখন খাবার না খেয়ে বা লবণের পরিমাণ না বুঝে তাতে বাড়তি লবণ যোগ করা যায় না। ঠিক তেমনই, নাগরিক জীবন যাপনের গতির সাথে একই গতিতে আইনও চলমান থাকে। তাই যে কোনো সমস্যার আগেই আইনী হস্তক্ষেপ হতে পারে একটি ভুল হস্তক্ষেপ। আইনী হস্তক্ষেপ হতে হবে সমস্যা তৈরির পর। সমস্যা তৈরির আগে না।

ড্রেসকোড: যে কোনো স্থানে পোশাকের কিছু নিয়ম নীতি থাকে, আর তা জানতে হলে উক্ত বিষয়ে ট্রেইনিং ও কোর্স করতে হয়। ব্লগে এই বিষয়ে কথা বলার মতো তেমন কিছু নেই, সকলেই এই বিষয়ে কমবেশি জানেন। দুইজন পুলিশের উচিত ছিলো স্পোর্টসম্যানকে অন্ততপক্ষে বাংলাদেশের সহজ পোশাক একটি লুঙ্গি পরিয়ে মেট্রোতে উঠিয়ে দেওয়া। ৯০% মুসলিম উম্মাহর দেশে শুধুমাত্র নারী কেনো আব্রু করবেন। পুরুষদেরও আব্রু করা ও আব্রু মেনে চলা উচিত।

মক্কাহ চুক্তি: মক্কাহ চুক্তি সম্পর্কে আমাদের দেশের মানুষ বুঝুক আর না বুঝুক! মক্কাহ চুক্তিতে প্রচুর আগ্রহ এবং সম্ভব হলে আরব সাগর লোহিত সাগর সাতার দিয়ে দুর্গম পাহাড় আর মরুভূমি পায়ে হেটে মক্কাহ যেতে আগ্রহী। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে শুধুমাত্র মক্কাহ না, সমগ্র সৌদি আরবে প্রাপ্ত বয়স্ক কেউ হাফপেন্ট পরে ট্রেনে বাসে এয়ারে ভ্রমণ করতে পারবেন না। সম্ভব না। সম্ভব না বলতে, সম্ভব না।

পরিশিষ্ট: নতুন বাংলাদেশ নতুন স্বাধীন দেশ। মানুষ হাফপেন্ট পরে শুধুমাত্র যাতায়াত না, সম্ভব হলে অফিস আদালতও করতে পারেন। আগামীকাল হয়তো দেখা যাবে কোনো বিয়ে বাড়িতে বর কনে হাফপেন্ট পরে চলে এসেছেন। বর কনের মাতা পিতাও হাফপেন্ট পরে চলে এসেছেন - নতুন ট্রেন্ড। অথবা ইউনিভার্সিটির কোনো শিক্ষক শিক্ষিকা ক্লাসে হাফপেন্ট পরে চলে এসেছেন অথবা ধর্ম প্রচারক। যার যা চয়েজ।







মন্তব্য ৩৪ টি রেটিং +৬/-০

মন্তব্য (৩৪) মন্তব্য লিখুন

১| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৭

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: নতুন বাংলাদেশ নতুন স্বাধীন দেশ। মানুষ হাফপেন্ট পরে শুধুমাত্র যাতায়াত না,
সম্ভব হলে অফিস আদালতও করতে পারেন।

.........................................................................................................
যা ইউরোপে আরও ৩০ বৎসর পূর্বে হাফপ্যান্ট পড়ার চল আছে এবং মেয়েরা
স্কার্ট পড়ে অনায়াসে স্কুল, বাজার ঘাট করছে তা আমাদের এখন নূতন করে
বিতর্ক করতে হচ্ছে ।
অর্থাৎ আমরা সর্বদা চলমান বিশ্ব থেকে ৩০/৪০ বৎসর পিছনে হাঁটছি ।

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:৩২

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



বাংলাদেশের উপকুল অঞ্চলে সাগর পাড়ে এক ভদ্রলোক আমার দিকে তাকিয়ে জানতে চাইলেন - সাগর পাড় একটি ডাবের দাম ২০০ টাকা কেনো হবে? রাজধানী ঢাকায় তো মাত্র ১৫০ টাকা! আমার উত্তর দেওয়া উচিত ছিলো “আপনি ঢাকা গিয়ে ডাব খেয়ে আবার সাগর পাড়ে চলে আসুন। অথবা সাগর পাড়ে আসার সময় ঢাকা হতে দুই হালি ডাব নিয়ে আসবেন”। - আমি কোনো উত্তর দিতে পারিনি। হাসি মুখে তাকিয়ে রইলাম, যেই হাসির অর্থ হা অথবা না দুইটিই হয়।

আপনার মন্তব্য উত্তর - আপনি বাংলাদেশে আছেন। ৯০% মুসলিমের দেশে। আপনি সমাজ পরিবর্তন করতে চাইলে সমাজ পরিবর্তন করুন। আপনিও হাফপেন্ট পড়ুন। দেশে যেই পরিমাণ ধুলোবালি ময়লা তাতে আপনার পা কিছুদিনের মধ্য আলকাতরা মাখা নৌকার কাঠের মতো হওয়ার কথা। - আপনার পোশা্ক আপনার চয়েজ।

২| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



কী আর করা ! কানালোচন না শুনে ধর্মের কাহিনী । দৃষ্টিকটু পোশাক ও দৃষ্টিকটু আচরণ
তারা নিজেরা বুঝবেনা তাদের নীজ আচরণ । এদের তরে কথা বলা এখন শুধুই বিজন
বনে বিচরণ ।
তাই তাদের বিবেকের কাছে প্রশ্ন

কী আর করা—
কানা লোচন ধর্মের কথা শোনে না,
চোখের সামনে সত্য দাঁড়ালেও
সত্যকে সে চেনা না।

পোশাকে যদি বাহার থাকে,
আচরণে কেন নেই লজ্জা?
মানুষ হওয়ার আসল পরিচয়
শুধু কি বাহ্যিক সাজ সজ্জা?

নিজের দেহটি না ডেকে
অন্যের দেহে তীক্ষ্ণ দৃষ্টি
নিজের ঘরে আঁধার রেখে
স্বল্প পোশাকে খোঁজে সৃষ্টি!

মুখে কত নীতি-কথা ঝরে
কাজে তারই উল্টো ছবি
শব্দগুলো বড় জোরালো
বিবেক কেন থাকে নীরবই?

যে পথে সবাই যে ছুটে চলে,
সেই মত পথ চলি সকলেই বলে
জনতার স্রোতে মিশে গেলেই
মুছে কী যাবেনা তা ভুলের ক্ষত?

কথা বলে কী লাভ তবে,
যদি না জাগে তাদের অন্তর
উপদেশ আজ মরুভূমিতে
হারিয়ে যায় নিরন্তর।

তবু আমরা আপনার মতই কথা বলব
যতদিন কণ্ঠে থাকে প্রাণ,
একটি বীজ বিবেকের যদি
জাগায় কোনো মন।

বিজন বনে বিচরণ নয়
চাই আলোর পথের সন্ধান
দৃষ্টিকটু পোশাক আর আচরন
শুদ্ধ করে হোক সমাজের সংস্কার।

সমাজ বদলাবে একদিন নিশ্চয়,
যদি বদলায় দৃষ্টি কটু আচরণ
একটি জাগ্রত বিবেকই পারে
আলোকিত করতে ধরা।

তাই কর্ম হোক মানবতায়
পোশাকে থাক শালীনতা
আচরণে ফুটুক মানুষের
সত্যিকারের মহত্ত্বতা।

কেউ যেন আর না বলে তখন
কীভাবে হবে উত্তরণ?
মানুষ জাগলে পথই খুলবে,
শেষ হবে পথে ঘাটে
এমনতর দৃষ্টিকটু পোশাক
আর দৃষ্টিকটু আচরণ ।

শুভেচ্ছা রইল

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৪

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



ভাই সাহেব,
শালীন অর্থ কি? শালীন নামক এই শব্দের অভিধানে কি আর প্রয়োজন আছে?

আপনার জন্যও অনেক অনেক শুভ কামনা।

৩| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:১৭

অপ্‌সরা বলেছেন: হাফপ্যান্ট শর্টস পরে শপিং বা রেস্টুরেন্ট! এক্কেবারেই জংলী স্বভাব লাগে আমার!!

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:২০

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



শুক্রবার সুপারশপগুলোতে আমার খুব বিরক্ত লাগে। এইসব বুড়াবাম লোকজন যেই পোশাক পরে মনে হয় এরা সারা রাত মাদক সিগারেট আর তাস খেলা নিয়ে পরে ছিলো। অসুস্থ মনের অসুস্থ মানুষ হলে যা হয়।

৪| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:৫৬

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: বর্তমানে আমাদের দেশের মেয়েরা যেখানে,
হাতা কাটা, পেট কাটা, পিঠ কাটা, বগল কাটা জামা পড়ে
সব স্হানে ঘুরতে পারে, সেখানে পুরুষ মানুষ হাফপ্যান্ট পড়বে
এতে সমস্যা কোথায় ?

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:৫৭

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



সমস্যা নেই। যার যা চয়েজ। আমি তাই বলতে চেয়েছি, যার যা চয়েজ। সমস্যা নেই।


৫| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:৩৯

হুমায়রা হারুন বলেছেন: অসাধারণ লিখেছেন।
প্রতিউত্তরগুলোও দারুণ দিয়েছেন। আপনি এতো হিউমার জানেন, আমি জানতাম না।

নর্থ আমেরিকার কথা একটু বলি। এখানকার সাদাদের দেখেছি সাদাদের নিয়ে কটাক্ষ করতে, যখন তারা ছোট থেকে ছোটতর হাফ প্যান্ট পরে বাইরে আসে। আমরা এই কালচারের না ভেবে ভ্রূক্ষেপ না করলেও তারা নিজেদের ছাড়ে না।

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১:৪০

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



আপনি মন্তব্য করার পর, আইন বিষয়ক সামান্য কথা আমি পোস্টে যোগ করেছি।

আইন: আইন হচ্ছে খাদ্যে লবণের পরিমাণের মতো। কমও না বেশিও না। তারপরও খাবারের পাশে লবণের ছোট পট থাকে প্রয়োজনে মানুষ যার যার মতো খাবারে লবণ যোগ করে নেন। এখন খাবার না খেয়ে বা লবণের পরিমাণ না বুঝে তাতে বাড়তি লবণ যোগ করা যায় না। ঠিক তেমনই, নাগরিক জীবন যাপনের গতির সাথে একই গতিতে আইনও চলমান থাকে। তাই যে কোনো সমস্যার আগেই আইনী হস্তক্ষেপ হতে পারে একটি ভুল হস্তক্ষেপ। আইনী হস্তক্ষেপ হতে হবে সমস্যা তৈরির পর। সমস্যা তৈরির আগে না।

উক্ত স্পোর্টসম্যান হাফপেন্ট পরে মেট্রোতে ভ্রমণে নাগরিক জীবনে কোনো সমস্যা হবে কি, হবে না? তার আগেই আইনী হস্তক্ষেপ হচ্ছে এই ঘটনার একটি নমুনা চিত্র।

আপনাকে অশেষ অশেষ ধন্যবাদ।


৬| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৩১

শূন্য সারমর্ম বলেছেন:


হাফপ্যান্ট পড়ে মক্কায় গিয়ে পাথর মারলে শয়তান মরবে না, হাসবে।

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৪৮

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



আপনি একজন প্রাপ্ত বয়স্ক সৌদি বা বিদেশি নাগরিক হিসেবে সৌদি আরবে বাসে ট্রেনে এয়ারে হাফপেন্ট পরে যাতায়াত করতে পারবেন না। dress code directly maintain under public decorum code by royal saudi arabian law.

৭| ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১২:০০

শূন্য সারমর্ম বলেছেন:

সৌদিরা হয়তো পোশাকের পাশাপাশি আমার,আপনাকেও নিয়ন্ত্রণ করে।

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১২:২৩

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



আপনি সঠিক। সৌদি আইনে সৌদি আরবের সকল প্রকার ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করে।


৮| ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৭:১৩

কামাল১৮ বলেছেন: পড়লাম।

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:২৪

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



ভালো করেছেন। আপনার ছোট একটি মতামত দরকার ছিলো। আপনার শরীর স্বাস্থ্য কেমন আছে। সম্ভব হলে জানাবেন।


৯| ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:২২

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: মার্কেট মুর্কেটে প্রায়ই দেখি কতগুলা বেডির সাথে একটা হাবড়া হাফপ্যান্ট পরে চলে আসছে। মেজাজটা এমন খারাপ হয়। এগুলার আবার চুলও লাম্বা থাকে।

পুরুষদের সতর তো হাঁটুর নিচ পর্যন্ত। তাও তো করে না অনেক পুরুষ। তাছাড়া হাফপ্যান্ট পরা দেখলে পুরুষদের বদছুরত লাগে

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৩০

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



বন্যেরা বনে সুন্দর শিশুরা মাতৃক্রোড়ে। বাংলাদেশ ইউরোপ না, আর রাজধানী ঢাকা সাগর পাড়ের কোনো শহরও না। তবে খেলার মাঠ ভিন্ন বিষয়। নারী পুরুষ সকলেরই শালীন পোশাক পরা উচিত তবে আফগানি বোরকা বা জুব্বা পরা যেমন বেমানান, ঠিক তেমনই বডি টাইট ফিটিংস আর হাফপেন্টও বেমানান।

১০| ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৪২

মুনতাসির বলেছেন: শালীনতা নিয়ে আমাদের দেশে একটা সুবিধা আছে। এটা মাপার কোনো যন্ত্র নেই।

থাকলে বিপদ হতো।

ধরুন, একজন নারী বোরকা পরেছেন। অতএব তিনি শালীন। এখন সেই বোরকা যদি এতটাই টাইট এবং বডি-হাগিং হয় যে শরীরের ভূগোল মোটামুটি গুগল ম্যাপের স্যাটেলাইট ভিউয়ের মতো পরিষ্কার, তাতেও সমস্যা নেই। কারণ পোশাকটির নাম বোরকা।

নামেই শালীনতা।

অন্যদিকে একজন পুরুষ লুঙ্গি পরে বাজারে গেছেন। অন্তর্বাস পরার মতো পশ্চিমা ষড়যন্ত্রে তিনি বিশ্বাস করেন না। ফলে বাতাসের দিক, বসার ভঙ্গি এবং লুঙ্গির গণতান্ত্রিক স্বাধীনতার ওপর নির্ভর করে আশপাশের মানুষ এমন কিছু তথ্য পেয়ে যেতে পারেন, যা তারা কখনো জানতে চাননি।

তবু তিনি শালীন।

কারণ তিনি তো লুঙ্গি পরেছেন।

এরপর মসজিদে গেলেন।

নামাজে সামনের মানুষটি সিজদায় গেলেন। পেছনের মুসল্লির সামনে হঠাৎ এমন এক anatomical exhibition শুরু হলো, যার টিকিট তিনি কাটেননি, আগ্রহও প্রকাশ করেননি।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে, শালীন কে?

যিনি শরীর ঢাকার পোশাক পরে শরীরের প্রতিটি বাঁক দৃশ্যমান করে রেখেছেন?

যিনি লুঙ্গি-পায়জামা পরে এমন সব অঙ্গের ক্ষণিক প্রদর্শনী করছেন, যা দেখার কোনো ইচ্ছাই আপনার ছিল না?

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:০৭

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



দৃষ্টিকটু - দেখতে খারাপ, বেমানান বা চোখে লাগার মতো।
অশালীন - শালীনতাবর্জিত, অভদ্রোচিত, অশিষ্ট বা কুরুচিপূর্ণ।

শালীনতা মাপার যন্ত্র হয়তো নেই তবে সমাজের মানুষ শালীন কি আর অশালীন কি বুঝতে পারে। কিন্তু কেউ সমস্যায় জড়াতে চায় না, তাই প্রতিবাদও করতে চায় না। পোশাক একটি সামাজিত বিষয়। সমাজ হতে এর প্রতিবাদ না হলে বা প্রতিবাদ হওয়ার আগে আইনী হস্তক্ষেপ হচ্ছে একটি ভুল পদক্ষেপ।

সমাজে দৃষ্টিকটু ও অশালীন এই দুইটি শব্দে খুব বেশি পার্থক্য নেই। বডি টাইট বোরকা, বডি টাইট পাঞ্জাবী, বডি টাইট শার্ট এইগুলো বাংলাদেশের সমাজে দৃষ্টিকটু ছিলো। এখন সময়ের সাথে সাথে মানুষ চক্ষুলজ্জা’র কারণে কেউ কাউকে কিছু বলেন না। তাই এইসকল জামা কাপড় সহজ ও সাবলিল মনে হলেও যা দৃষ্টিকটু তা দৃষ্টিকটুই। যদি না হতো - আপনি বডি টাইট বোরকা আর মসজিদে লুঙ্গির উদাহরণ দিতেন না। অর্থাৎ এইগুলো দৃষ্টিকটু। সহজ ও সমান কথা।

আপনার সাথে ১০০ তে ১০০ সহমত।

১১| ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৪৩

রাজীব নুর বলেছেন: আমি বাসায় যতক্ষণ থাকি হাফ প্যান্ট পড়েই থাকি। আমার সব গুলো হাফ প্যান্ট হাটুর উপরে থাকে।
হুটহাট হাফ প্যান্ট পরেই বাইরে যাই। দীর্ঘদিনের অভ্যাস।
রাস্তা ঘাটে দুই একজন আমাকে হাফপ্যান্টের জন্য মন্দ কথাও বলেছেন। আমি কানে নিইনি।


আমাদের পাশের বাসায় একলোক বহু বছর ধরে আমেরিকা থাকেন।
উনি প্রায়ই হাফপ্যান্ট পড়ে বাংলাদেশে চলে আসেন।

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:১৬

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



আপনি কি ফুলপেন্ট পুরাতন হয়ে গেলে বা ছিড়ে গেলে হেক্সো করাত দিয়ে কেটে হাফপেন্ট করে নেন এমন কিছু? আমি আমেরিকা ও ইউরোপে দেখেছি পুরাতন ফুল পেন্ট ছেড়া ফুলপেন্ট “করাত / সবজি কাটার চাকু / কেচি” দিয়ে কেটে হাফপেন্ট করে পরছে।

১২| ০১ লা অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:২৪

মামুinসামু বলেছেন: "আমেরিকা ও ইউরোপে দেখেছি পুরাতন ফুল পেন্ট ছেড়া ফুলপেন্ট “করাত / সবজি কাটার চাকু / কেচি” দিয়ে কেটে হাফপেন্ট করে পরছে।" .... আমাদের এখানে কাপড়ের দাম তো অনেক কম, এরকম করে মনে হয় না পরার দরকার পড়ে। আমেরিকা ইউরোপের ন্যাকড়ার দামে এখানে নতুন কাপড় পাওয়া যায়। পানির দামে যেমন ওখানে অনেক কিছু পাওয়া যায় কিছুটা ওইরকম। Happy Blogging. :)

০২ রা অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:৪৫

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



আমাদের দেশে পানির দামে কাপড় পাওয়া যায় তারপরও পেন্ট কেটে হাফপেন্ট করে। পায়ের বাকি কাটা অংশ পাকের ঘরে গরম হাড়ি পাতিল ধরার কাজে ব্যবহার করে। আমাদের দেশের মানুষের অভাবে স্বভাব নষ্ট। স্বভাবে অভাব নষ্ট।

১৩| ০১ লা অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৪৩

ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: আমি গরমের সময়ে প্রবাসে ও বাংলাদেশে সব সময়ই শর্টস পড়েছি এবং পড়ছি। শর্টস পড়ে ঢাকা শহর ঘোরা হয়েছে কেউ কখনো কিছু বলেনি। অবশ্য শীতের সময় ঢাকা কিংবা প্রবাসেও আমি ট্রাউজার পড়ি। পুরো বিষয়টি আমার কাছে ব্যক্তিগত কমফোর্টের বিষয়। কেউ যদি প্রচন্ড গরমেও জ্যাকেট পড়ে থাকেন সেটাও তার ব্যক্তিগত বিষয় বলে আমার মনে হয়। সামু'র দু'একজন ব্লগারের সাথে আমার এলাকায় দেখা হয়েছে তারাও হয়তো আমার শর্টস পড়ার বিষয়টা লক্ষ্য করেছেন।

৯০% মুসলিমদের দেশে সুদ খাওয়া, সরকারি অফিসে ঘুষ আদান-প্রদান, ব্যাংক চুরি বা ভোট চুরি, অন্যায়ভাবে জমি দখল, ফোনের জন্য মানুষ হত্যার মতো অনৈতিক কর্মকান্ড কোনকিছুতেই কারো কোন সমস্যা না থাকলেও শর্টস পড়া নিয়ে মরাল পুলিশিং এর ব্যাপারটা আমার কাছে হাস্যকর মনে হয়েছে। ব্যাপারটা অনেকটাই রাস্তায় পড়ে থাকা অসহায় ও অর্ধ-নগ্ন নারী ভিক্ষুকের অসাড় দেহ দেখে সেটা এড়িয়ে গিয়ে, কলেজ পড়ুয়া মেয়ের টাইট জামা দেখে বাঙালীর কিছু একটা বোধ করার মতোই মনে হয়েছে।

০২ রা অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:৩৯

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



যস্মিন দেশে যদাচার এই কথাটি কি বাংলা ব্যাকরণে পড়েছেন?

হাফপেন্ট সমস্যা না। সমস্যা হয়েছে দুই অদক্ষ টিকটকার পুলিশ আর টিকটকার হাফপেন্ট স্পোর্টসম্যান নিয়ে। সমস্যা আন্দোলন করা। আন্দোলনের কারণে দেশ রসাতলে যাচ্ছে। যে কোনো বিষয় নিয়ে হট্টোগল করে দেশের ক্ষতি করা এখন ট্রেন্ড।

আপনি যে কোনো পোশাক পরতে পারেন, আপনাকে মানানসই হতে হবে এটি জরুরী না। আপনার পছ্ন্দ আপনি যে কোনো পোশাক পরতে পারেন। পোশাক পরার কারণে আইনী হস্তক্ষেপ একটি ভুল পদক্ষেপ। দৃষ্টিকটু পোশাক পরার কারণে আপনি যদি পাবলিক প্লেসে হেস্তনেস্ত হোন, তখন পুলিশ এসে আপনাকে উদ্ধার করবে, যদি সম্ভব হয়! দুই আহাম্মক টিকটকার পুলিশ তা বুঝতে পারেনি। - এই হচ্ছে আমার লেখার সারমর্ম।

১৪| ০১ লা অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:২৬

আলামিন১০৪ বলেছেন: when in rome do as the romans do

০২ রা অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:০১

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



যস্মিন দেশে যদাচার। কি আর করা, পড়ালেখা না করেও মানুষ এখন ফেসবুক ই্উটিউব আইকন।

১৫| ০১ লা অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:৩৪

রাজীব নুর বলেছেন: আমি ফুল প্যান্ট কেটে হাফ প্যান্ট করি না। এগুলো পারি না।

০২ রা অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:৫৮

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



Once upon a Time in Hollywood ফুলপেন্ট কিভাবে কেটে হাফপেন্ট করেছে! ভিডিও দেখেুন। আশা করছি আপনার ভালো লাগবে না।

১৬| ০১ লা অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১:২২

নতুন বলেছেন: আমাদের সমাজে আমরা সম্ভবত অন্যরা কি পরে, করে সেটা নিয়ে বেশি চিন্তা করি।

হাফ প্যান্ট নিয়ে এতো আলোচনার কি দরকার বুঝি না।

পরিবর্তন আসবেই, যুগের সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।

সমাজে ঘুষ খোর দূনিতিবাজদের বিরুদ্ধে কিছু বলেনা, তবে সাধারন মানুষের ছোট খাটো জিনিস নিয়ে চর্চা করতে আমরা পছন্দ করি।

আমাদের সমাজে যেই পুলিশ মরাল পুলিসিং করে থাকে তিনি ও সম্ভবত ঘুষও খেয়ে থাকেন। :|

০২ রা অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:৫০

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



যস্মিন দেশে যদাচার এই কথাটি কি বাংলা ব্যাকরণে পড়েছেন?

হাফপেন্ট সমস্যা না। সমস্যা হয়েছে দুই অদক্ষ টিকটকার পুলিশ আর টিকটকার হাফপেন্ট পরিহিত স্পোর্টসম্যান নিয়ে। সমস্যা আন্দোলন করা। আন্দোলনের কারণে দেশ রসাতলে যাচ্ছে। যে কোনো বিষয় নিয়ে হট্টোগল করে দেশের ক্ষতি করা এখন ট্রেন্ড।

আপনি যে কোনো পোশাক পরতে পারেন, আপনাকে মানানসই হতে হবে এটি জরুরী না। আপনার পছ্ন্দ আপনি যে কোনো পোশাক পরতে পারেন। পোশাক পরার কারণে আইনী হস্তক্ষেপ একটি ভুল পদক্ষেপ। দৃষ্টিকটু পোশাক পরার কারণে আপনি যদি পাবলিক প্লেসে হেস্তনেস্ত হোন, তখন পুলিশ এসে আপনাকে উদ্ধার করবে, যদি সম্ভব হয়! দুই আহাম্মক টিকটকার পুলিশ তা বুঝতে পারেনি। - এই হচ্ছে আমার লেখার সারমর্ম।

ঘুষ, ধর্ম রাজনীতি, মানুষকে ইউজ করা, পাবলিক সিম্পেথি আদায় করা - এই গুলো নিম্ন বুদ্ধির মানুষের কাজ। বাংলাদেশের মতো দেশে মোটমোটি যার জ্ঞান আছে - সে যদি কাঁচা বাজারের এক গলি দিয়ে ঢুকে আরেক গলি দিয়ে বের হয় তাহলে সে ব্যবসায়ী হয়ে বের হতে পারবে। জীবনে তার মানুষের অভিশাপ নিতে হবে না। মানুষকে দান করে করে সে মোটামোটি দাতা হয়ে ইহধাম ত্যাগ করতে পারবে।

আশা করি বুঝতে পেরেছেন।

১৭| ০২ রা অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:০০

নতুন বলেছেন: ঘুষ, ধর্ম রাজনীতি, মানুষকে ইউজ করা, পাবলিক সিম্পেথি আদায় করা - এই গুলো নিম্ন বুদ্ধির মানুষের কাজ। বাংলাদেশের মতো দেশে মোটমোটি যার জ্ঞান আছে - সে যদি কাঁচা বাজারের এক গলি দিয়ে ঢুকে আরেক গলি দিয়ে বের হয় তাহলে সে ব্যবসায়ী হয়ে বের হতে পারবে। জীবনে তার মানুষের অভিশাপ নিতে হবে না।

১০০% সহমত।

বর্তমানে সোসাল মিডিয়ার মানুষের কমেন্ট দেখলেই বোঝা যায় দেশের মানুষের বুদ্ধিবৃত্তির মান কমছে।

০২ রা অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:১৩

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



আপনি এমন একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন যেইখানে প্রতিষ্টানের প্রতিটি কর্মী (জিএম থেকে এক্সিকিউটিভ শেফ, ডিরেক্টর থেকে বেলবয়) তাদের অতিথিকে বেস্ট সার্ভিস দিতে সচেষ্ট থাকেন। অথচ নিজেরা নিজেদের নূন্যতম সার্ভিসটুকু দেন না। একজন আরেক জনের পেছনে লেগে থাকেন, সব সময়। হিলটন, হায়াত, ফোর পয়েন্ট, ওয়েস্টিন, ইন্টারকন, রেডিসন, রোতানা একই অবস্থা। - বিদেশের চাকরিতে মানুষ ভালো নেই।

আর আমাদের দেশের মানুষের মন মানসিকতা জানতে ইউটিউবে ফেসবুকে কমেন্টগুলো পড়তে হবে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.