| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
লেখালেখির সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত©লেখক
প্রশ্ন শালীন কিন্তু তার ভাবটি অশালীন। তারপরও আমরা আদম-হাওয়ার সময়কার পরিস্থিতি ভেবে দেখি।
শুধু তাদের সময়ই নয় বরং হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর আগমনের পূর্বেও আরবে ভাই-বোনের মধ্যে বিয়ের চল ছিল। এখনও অনেক আদিবাসী নিজেদের মধ্যে বিয়ে করে। কাশ্মীরে চাচাত-মামাত-খালাত-ফুপাত ভাই-বোনদের মধ্যে বিয়ে হয়। অনেক খান্দানী পরিবার নিজেদের সম্পদ বে-হাত হয়ে যাবে ভেবে নিজেদের পরিবারের মধ্যেই বিয়ের চল রেখেছেন। তবে চিকিৎসা বিজ্ঞানে বলে, রক্তের সম্পর্ক বিদ্যমান এমন দুইজনের মধ্যে যদি বিয়ে হয় তাহলে বংশানুক্রমে সংক্রমিত হয় এমন রোগ বিস্তার হয় দ্রুত। মানুষের পৃথিবীতে আগমনের পর জীন-বৈচিত্র যতটা না ছিল এখন তার চেয়ে অনেক বেশি। এখন ভাই-বোন বিয়ে হলে পরবর্তী প্রজন্ম লিউকেমিয়া,থ্যালাসেমিয়া সহ আরো নানা জটিল ব্যধিগ্রস্ত হবে।
এসব বিবেচনা করে অনেক আগে থেকেই আমাদের উপর নির্দেশ এসেছে এধরনের সম্পর্ক স্থাপন না করার। সময় স্বল্পতার কারণে তথ্য-উপাত্ত এখানে দিতে পারছি না, আশা করি ক্ষমা করে দেবেন।
মানুষের জীবনের স্বার্থকতা হল পরবর্তী বংশধর রেখে যাওয়া। আর তা করতে গিয়ে আমাদের পূর্ব-পুরুষ আদমসন্তানরা কি করেছেন তা নিয়ে অশালীন বক্তব্য না রেখে নিজে শালীন হই,অপরকেও বিব্রত করা হতে বিরত থাকি।
©somewhere in net ltd.
১|
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ দুপুর ২:৫৮
বল্টু মিয়া বলেছেন: হা বিয়ে হয়েছিলো। ক্লাশ ৮,৯,১০ এর ইসলাম শিক্ষা বইয়ের কোনো এক পৃষ্ঠায় পড়েছিলাম। কিন্তু ঐ জেনারেশন এর পরে ভাই-বোনের বিয়ে অবৈধ ঘোষনা করা হয়।