নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

এখনো জোৎস্নাজলে- শিখিনি সাঁতার

‘অবিশ্বাস’ চিন্তার স্বাধীনতারই নামান্তর।

দ্বিজু

"রঙিন কাফনে মোড়া উৎসুক চোখে ছায়া ছায়া প্রতিবিম্ব দেখি মানুষ দেখি না।।" ভাবতাছি চান্দে যামুগা, হ আর থাকতাম না পিরথিবিত! কয়দিন আগে চানমিয়া যেই খেলাডা দেহাইলো! পুরা সুইয্যের মুখটাই ঢাইক্কা দিল! আবার হেই চান্দের জমি বেইচ্চা কোন বেডা নাকি কুডিপতি! আমি চান্দেই যামুগা।হুঞ্ছি আম্রিকা নাকি চান্দে গেছে ৪০ বছর পার হইয়া গেছে, এহনো লোকাল বাস অয় নাই! পাচফুট বিসা লাগবোনি!

দ্বিজু › বিস্তারিত পোস্টঃ

ভাষার মানচিত্র নাকি মানচিত্রের ভাষা; দুনিয়াব্যাপি কথ্য ও লেখ্য ভাষার রুপ কেন ভিন্ন হয়! [সোহেল হাসান গালিব এবং এস এম রেজাউল করিম সমীপেষ]

২০ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১:০৯

দুরত্বের সৌন্দর্য যারা বোঝেন না, তারা কখনো জানবেন না পৃথিবীর প্রতিটি ভাষাতেই কেন কথ্য আর লেখ্য ভাষার রুপ ভিন্ন ভিন্ন হয়।





ছবিঃ বৃহত্তর বাংলা ভাষাভাষী



এস এম রেজাউল করিম , আপনার তাবৎ লেখায় (http://arts.bdnews24.com/?p=2794) আমি আবেগপূর্ণ ক্ষোভ আর অহেতুক পান্ডিত্য ছাড়া কোনো যুক্তি খূজে পেলাম না।ক্ষমা করবেন।সর্ব প্রথমে- যে ভাষায় লিখেছেন, দয়া করে বলবেন কি বাংলাদেশের মানচিত্রে এ ভাষার অবস্থান কোথায়? মানে ঠিক কোন অঞ্চলের ভাষা এটা? ঢাকা? কুমিল্লা? নোয়াখালি? সিলেটী? আমি ঠিক খুজে পাচ্ছি না। যদি এটা কোনো আঞ্চলিক ভাষা না হয়ে আপনি বা কতিপয় আপনাদের সৃষ্ট ভাষা হয়, যা জোরপূর্বক আপনারা বাঙালী জাতির গলাধঃকরন করানোর চেষ্টা করছেন তাহলে জেনে রাখুন এই অপচেষ্টা কোনোদিনও সফল হবার নয়। আর যদি নেহায়তই বলে বসেন যে- না, এটা আমার কথ্য ভাষা তাহলে শুনুন।



গুড় অনেক খাবারকে মিষ্টতা প্রদান করে সাধারনের জিভের স্বাদ বাড়ায় কিন্ত শুধু গুড় খুব কম মানুষেরই পছন্দের, আর এটা ঠিক স্বাস্থকরও না! কথ্যভাষাও তেমনী এই গুড়েরই মতো যূগে যূগে তা সাহিত্যের শোভা বৃদ্ধি করেছে কিন্তু শুধু কথ্যভাষা সাহিত্যের সাথে সাধারনের দুরত্বই তৈরী করে মাত্র!



ভাষা মিশ্রন নিশ্চয়ই হবে, আমরা অন্যান্য ভাষা থেকে শব্দ নিশ্চয়ই নেব, যেমনটা নেব আঞ্চলিক ভাষা থেকেও কিন্তু এর মানে এই নয় RJ দের ভাষার ব্যবহার এর মতো অন্যান্য ভাষা আমার ভাষাকে কুমিরের মতো গিলে খেতে শুরু করবে!



নৃবৈজ্ঞানিক গবেষণা বলে, প্রতি ২২ কিলোমিটার অন্তর অন্তর মানুষের মুখের ভাষা পরিবর্তিত হয়। তাহলে কি প্রতি ২২ কিলোমিটার অন্তর অন্তর ভিন ভিন্ন সাহিত্যগোষ্ঠী গড়ে উঠবে! যদি গড়ে উঠেও ভেবে দেখেছেন তার ব্যাপ্তি বা স্থায়িত্ব কতোটা হবে?



প্রতিযোগীতার ক্ষেত্র যতটা বড় হয়, এর ফলাফলও ততটা মানুষের কাছে গ্রহনযোগ্য হয়।আমার কানাডিয়ান বন্ধু 'ইয়েন'(native English speaker) ইংলেন্ডে যাওয়ার পর এক ইংরেজ তাকে বলছে- "what are you speaking! try to speak some English"(কি বলছো তুমি! ইংরেজী বলার চেষ্টা করো!)।

কিন্তু এর আগে ওরা যখন ই-মেইলে কথা বলছিল লেখ্যভাষায় তখন কিন্তু কেউ কাউকে বুঝতে কোনো সমস্যা ছিল না! একই ভাবে স্কটিশরা পাশাপাশি দেশ হলেও ওদের কথ্য ইংরেজী ইংরেজদের বোধগম্য নয়! সিঙ্গাপুরের কথ্য ইংরেজীর আলাদা নামই হয়ে গেছে 'সিংলিশ'।

কিন্তু কথ্যভাষার স্বাধীনতার পাশাপাশি লেখ্যভাষার ঐক্যর কারনে ইংরেজীর বিস্তার বাড়ছে, কমছে না! পৃথিবীর তাবৎ সেরা সাহিত্যের ৮০ ভাগই রচিত হচ্ছে হয় ইংরেজীতে অথবা ইংরেজীতে অনুবাদের পরই মিলছে সেরার স্বীকৃতি। একবার কি ভেবে দেখেছেন সয়ং রবীন্দ্রনাথকেও কেন নোবেল পুরষ্কার এর জন্য গীতাঞ্জলী ইংরেজীতে অনুবাদ করতে হয়!





ছবিঃ এর ভিতরেও আছে অনেক বিভাজন



মানুষ এখন বিশ্বগ্রাম এর বাসিন্দা, এখানে গর্তবদ্ধ হয়ে থাকার কোনো সুযোগ নেই।

কুমিল্লা শহর থেকে আমার গ্রামের বাড়ি মাত্র ১২ মাইল পশ্চিমে। অথচ এই ১২ মাইল দুরত্বেই 'যাব-খাব' পরিবর্তিত হয়ে 'যাইতাম-খাইতাম' এবং 'যায়াম-খায়াম' দুটি ভিন্নরুপে আবির্ভুত হয়! এখন আমার গ্রামের ৫ বর্গমাইলের জনগনের দায়িত্ব কে নেবে? সমগ্র বাংলা ভাষাকে অনুবাদ করে 'যাব-খাব' কে 'যায়াম-খায়াম' কে করে দেবে! অথবা এই ৫ বর্গমাইলের ২/৪ জন সাহিত্যিকের 'যায়াম-খায়াম' কে অনুবাদ করে কে সমগ্র বাংলায় পৌছাবে!



আমার কখনোই সিলেট শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া হত না, যদি ইংরেজীর IELTS এর মতো কোনো ISLTS দিয়ে আমাকে পড়তে যেতে হতো! আপনি যে কোলকাতার কথা বলছেন, কোলকাতায়ও কিন্তু কথ্য ও লেখ্য রুপ ভিন্ন!





ছবিঃ সিলেটী ভাষা শিখুন।



কথ্যভাষার এক্সপেরিমেন্ট করছেন, করতেই পারেন! তবে, অভাজনের অভিজ্ঞতার কথা শুনুন আমার নোয়াখালির বন্ধু সালাহ উদ্দিন শুভ্র'র নোয়াখালির ভাষায় লেখা গল্প আরেক নোয়াখালির বন্ধু পড়ে আমাকে বললো- ভালো। আমি আগ্রহ নিয়ে পড়তে গিয়েও পড়তে পারিনি, কারন নোয়াখালির ভাষা আমি বুঝি না। অপেক্ষা করছি যদি কোনোদিন ঐ গল্পের বঙ্গানুবাদ হয়!

আপনাদের কথ্যভাষার লেখা আমাকে এড়িয়ে যেতে হয় কারন আপনার আমার কথ্যভাষা ভিন্ন, পড়ে ঠিক বুঝি না বা আরাম পাই না। আর পড়ার আরাম ছাড়া সাহিত্যের রস-আস্বাদন কি করে সম্ভব!



ভাষা 'এমিবা' না। বিভাজনে এর বিকাশ হয় না বরং মৃত্যু হয়।



[আমার নাম কথ্য ভাষায় যেমন 'মামুন' থেকে 'মামুইন্যা', আমি নিশ্চিত আপনার নামও হয় 'রেজাউইল্লা' বা 'করিম্মা'।

আপনার লেখার মতো নামেরও কথ্যরুপ ব্যবহার করলে আপনার লেখার প্রতি আমার শ্রদ্ধা বাড়তো, কমতো না!]



ফেসবুকে এ লেখা দেয়ার পর সোহেল হাসান গালিব কথ্য ভাষার পক্ষে বলতে গিয়ে তার পাঠ্যপুস্তক সীমাবদ্ধ জ্ঞান দিয়ে আবার লিখলেন( Click This Link)। কথ্যভাষায় লেখার পক্ষে পুথিগত বিদ্যা জাহির করার পর সেকুলারিজম নিয়ে বলে বসলেন- "'সেকুলারিজম। এর প্রাণনাথ হলো ইসলাম-বিদ্বেষ মানে মুসলমানী সংস্কৃতির বিরোধিতা। কারণ ৭১-এ ইসলামের ধুয়া ও ধ্বজা তুলেই নরহত্যা সংঘটিত হয়েছে। ফলে এর মর্মমূলে রয়ে গেছে প্যারানয়াক হিন্দু-মনস্তত্ত্ব।"



আপনার উদ্দ্যেশ্যে বলি-



পাঠ্য পুস্তক কাউকে কি পরিমান পাঠা করে তুলতে পারে তা এ লেখা না পড়লে অজানাই থেকে যেত।

ফারুকী-সৃষ্ট(কেউ কেউ বলছেন তার সাথে আরও কিছু সাঙ্গ-পাঙ্গ কেও এই কৃতিত্ব দিতে) ভাষাকে কি করে বাঙালী জাতির ভাষা বলে চালিয়ে দেয়ার চেষ্টা চলছে দেখলে দূঃখই হয়।

আমি শতবার প্রশ্ন করেছি কথ্যভাষার লড়াই কারীদের আপনি যে ভাষায় লেখার অপচেষ্টা করছেন তা আসলে ঠিক কোন অঞ্চলের ভাষা? ঢাকা? কুমিল্লা? ময়মনসিংহ? সিলেট? কেউ বলতে পারেন নি!

কারন এ ভাষাটার এখনো গড়েই ওঠেনি, এর শেকড় বাকর নিয়ে টানাটানি পরে গেছে।



আপনারা কথায় কথায় বিদ্যাসাগর-রবীন্দ্রনাথ বেচা কেনা করেন, আমার একটা সহজ প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেন না, কেন দুনিয়া ব্যাপি কথ্যভাষা-লেখ্যভাষা ভিন্ন হয়? কেন এটা প্রয়োজনীয়? পারেন না কারন এটা আপনাদের পাঠ্য-পুস্তিকাতে ছিল না। একজন কুপমন্ডুক ফ. মা. যে কি হাইব্রীড এটা না জেনেই হাইব্রিডের বিরোধীতা করেন, বাম-মুখোশ পড়ে হাওয়া ভবন থেকে শুরু করে হিজবুত তাহরির পর্যন্ত ঘনিষ্টতা বজায় রাখেন, তিনি আপনাদেরকে একটা শব্দ শিখিয়েছেন 'ভাষা-ফ্যাসিবাদ'।আর সাথে সাথেই আপনারা লম্ফ-জম্ফ শুরু করে দিলেন, ঝাপিয়ে পড়লেন আপনাদের পাঠ্যপুস্তক নিয়ে বাস্তবতা বিচার ছাড়াই।



নাহ আপনাদের জন্য আমার করুনাই হয়। আপনারা এখনো ফ. মা. এর মতো চালাক হয়ে উঠতে পারেন নি, তা না হলে এক শিয়ালের ডাকে হুক্কা হুয়া করে ওঠার আগে একবার নিজ লাভ খতিয়ে দেখতেন।

মন্তব্য ২১ টি রেটিং +৯/-০

মন্তব্য (২১) মন্তব্য লিখুন

১| ২০ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১:১১

দ্বিজু বলেছেন: ফেসবুক নোটের আলোচনাঃ

Written last Wednesday · Comment · Like
Sajib Chowdhury, Sujan সুজন, Nayef Ahmed Chowdhury and 11 others like this.

Kulada Roy অসাধারণ নোট।
April 15 at 1:22pm ·

Eraesh জোনায়েদ Rayhan চমৎকার!
April 15 at 1:30pm ·

Rubina Khanam সহজ জিনিস সহজে কেন বোঝে না কেউ, এটাই বুঝিনা।
April 15 at 1:37pm ·

শিমুল সালাহ্উদ্দিন Shimul Salahuddin ভালো নোট...আরেকবার পড়ে নেই...
April 15 at 2:10pm ·

Ranadipam Basu ভালো হয়েছে নোটটা।
April 15 at 2:27pm ·

Titas Ekti Nadir Naam নোটটা ভাল হয়েছে।
April 15 at 2:30pm ·

Kazi Mamun আগামীকাল একটা সেমিনার থাকার কারনে আপাতত মন্তব্য'র উত্তর করতে পারছি না। আপনাদের মতামত জানিয়ে যাবেন।
April 15 at 3:10pm ·

Hussain Ah tnx 4 sharing........amader ancholik vasha beche thakuk jug jug...
April 15 at 3:22pm ·

Ripan Chowdhury রিপন্ I never liked tht idea of few new writer & drama directors.

anyway,
Nice Rational points.

Liked the note.
April 15 at 3:35pm ·

Palash Al Mansur মামুন, যে বোঝার, সে এককথায়ই বুঝবে। যে না বোঝার, সে কিছুতেই বুঝবেনা। তোমার যুক্তিগুলো ভালো হয়েছে। তার সাথে আরেকটূ যোগ করি। রেজাউল করিম সাহেবের কথা মতে, যদি এই ভাষা পরীক্ষার খাতায়ও লিখা হয়, তাহলে যদি চট্টগ্রামের কিংবা সিলেটের কোন পরীক্ষার খাতা-টাঙ্গাইল কিংবা গাজীপুরের কোন পরীক্ষকের হাতে পড়ে, তাহলে উপায় কি? উনারা খাতা মুল্যায়ন করবেন কিভাবে? ব্যাপারটা হাস্যকর হলেও সত্যি।

রেজাউল করিম সাহেবের ব্যাখ্যা পড়লাম। উনি বিভাজনে বিশ্বাসী, সার্বজনীনতায় নয়। উনার লেখা পড়ে বিরক্তি লেগেছে।
April 15 at 4:16pm ·

Eraesh জোনায়েদ Rayhan যে যার মত বললে আর লিখবে এবং সব গুলোকে স্বীকৃতি দিতে হবে এরকম কথার কোন যুক্তি আমি দেখি না।
আর সবাই যদি এভাবে আলাদা আলাদা বলতে/লিখতে থাকে তাহলে সবার জন্য একটা করে অভিধান লাগবে। এত অভিধান বানানোর দায়িত্ত্ব কে নেবে!!???

এই যেমন খুশি তেমন বল/লেখ ধরনের ভিত্তিহীন কথাবার্তার চর্চা বন্ধ হলেই ভাল
April 15 at 4:37pm ·

Didarul S. M. Abedin চমৎকার নোট...সহজ জিনিস সহজে কেন কেউ কেউ বোঝেনা, এটাই বুঝিনা
April 15 at 4:39pm ·

Imran Firdaus bhasha manusher mukhe mukhe thake,mukhe mukhe e bhashar jabotiyo poriborton ghotbe kal poromporae etai prakritik niyom kintu ei j poriborton ta ghotse ta nirdharon korte parsi kivabe ,parsi lekkhyo bhashar promito rup thakar karoney ! patanjali er kora ashthadhayi namok byakoron grontho tir kadar er karon tini pray 6000 er audhik shuttro ba niyom ... See Moreer maddhomey sanskrit bhasha k shuttroboddho koresilen.eki kotha bangla bhashar khettre khate rammohoner gourio byakorener dwara... r dekha jae language planning er shofol proyoger maddhomey Malayasia kivabe orthonoitik unnoti shadhon korese .
r eishob khettre moukhik bhashar chaite loikhik rup ti pradhannyo peyeche.
April 15 at 9:24pm ·

Sunjida Shahriah good shot
April 15 at 11:49pm ·

S M Tahmidur Rahman আপনাকে স্বাভাবিক কারনেই এখন আমার হিংসা হয়
April 15 at 11:53pm ·

Hafeej Alok Rahman ভালো লাগলো।
April 16 at 2:26am ·

Kazi Mamun Back Again!
April 16 at 12:24pm ·

Kazi Mamun @Rubina and Didar- bujhe na naki bujhte chai na, etai bujhi na!
April 16 at 12:27pm ·

Kazi Mamun Many Thanks to Jonayed-Kulada Roy-Shimul Salahuddin-Ranadipam Basu-Titas Da-Sunjida Shahriah -Hafeej Alok Rahman and to all who liked this.
April 16 at 12:27pm ·

Kazi Mamun @Hussain- বাংলা'কেই মেরে ফেলার ধান্ধায় আছে ওরা, আঞ্চলিক ভাষা বেচে থাকে কেমনে!
April 16 at 12:28pm ·

Kazi Mamun @Ripan Chowdhury রিপন্- I guess the drama directors success is inspiring writers but they dont understand writings is not all about business, what they made for drama.
April 16 at 12:30pm ·

Kazi Mamun @Palash Al Mansur- আমার ধারনা তারা ঐ ধারনায় বিশ্বাসী যে কিছু করতে না পারলে ভিন্ন কিছু করো! ফারুকী সাহেব নাটক খাওয়াতে পেরেছে-সুতরাং একই ভাষায় সাহিত্যও মানুষ খাবে!
April 16 at 12:31pm ·

Kazi Mamun @Eraesh জোনায়েদ Rayhan- যেমন খুশি লিখুক বলুক...তাদের হাতে মিডিয়া আছে বলে আমাদের কে জোর করে খাওয়ানোর চেষ্টা করা কেনো!
April 16 at 12:32pm ·

Kazi Mamun @Imran Firdaus- চমৎকার মন্তব্য! অনেক ধন্যবাদ!!!
April 16 at 12:34pm ·

Kazi Mamun @S M Tahmidur Rahman- কেন ভাই!! আমি আবার কি করলাম!!!
April 16 at 12:34pm ·

Nayef Ahmed Chowdhury ভাল লাগলো!
April 16 at 2:09pm ·

Faruq Chowdhury আমি যখন প্রথম অসিতে আসি ,ক্লাসে , জবে সবাই hi! মাইট বলে উইশ করত , যে খানেই যাই মাইট বলে । ঘটনা কি ? আই ই এল টি এস করার সময় তো দূরের কথা আমার জীবনে এই এক্সেন্ট (মাইট) শুনি নাই । কারোরে যে জিজ্জাসা করবো ---, পাছে ইন্রেজীতে দূর্বল ভেবে যদি উপহাস করে তাই নেট বই পত্র ঘাটতে থাকলাম । পরে যে শব্দ টা পেলাম সেটা আসলে Mate(মেট)। কিন্তু অসিরা বলে মাইট , স্পেলিং একই । এখন এই মাইট কে যদি Mite লিখে উইশ করে ইংল্যান্ডের কোন বন্ধু কে মেইল করি , আমি সাহিত্যে নুবেল পাবো জানিয়ে একটা বিশাল নোট সে ফেসবুকে লোড করে দিতে পারে :P
April 16 at 2:30pm ·

Eraesh জোনায়েদ Rayhan মামুন , পলাশকে করা মন্তব্যের জন্য বলছি,
৩৫ মিনিট এর একটা নাটক দেখা যায় সেটার ভাষা না বুঝলেও বা ভাল না লাগলেও (আজেবাজে অনেক অখাদ্য ধরনের নাটক/ সিনেমাও অনেক ভাল ব্যাবসা করে, অনেকেই দেখে, আমরাও দেখি!! ) কিন্তু সাহিত্যের বেলায় সেটা হবার সম্ভাবনা কম। পড়তে ভাল না লাগলে কয় জন লোক একটা বই পড়বে?!! তোর কথাই আবার তোকে বলি "পড়ার আরাম ছাড়া সাহিত্যের রস-আস্বাদন কি করে সম্ভব!?"
আর একটা কথা পাড়ায় নতুন রেষ্টুরেন্ট খুললে হয়ত সবাই একবার ঢু মারবে তবে খাবার ভাল না হলে খুব বেশিদিন টিকবে না।তবে মার্কেটিং ভাল হলে আরও কিছুদিন টিকে থাকা যাবে। (ফারুকী সাহেবের রেষ্টুরেন্টে লোক খাওয়া বন্ধ করেছে তাই নতুন মার্কেটিং চলছে!! দ্রুতই ব্যাবসা পরিবর্তনের নোটিশ আসবে আশা করি।)
April 16 at 3:28pm ·

Kazi Mamun @Faruq bhai ei kotha gula kemne oi vasha bisharod der bujhai kon!!
April 16 at 3:40pm ·

Kazi Mamun @Jonayed- Nice example, comparison and comment as always!
April 16 at 3:40pm ·

Rezaul Karim মনু "ভাষার মানচিত্র নাকি মানচিত্রের ভাষা; দুনিয়াব্যাপি কথ্য ও লেখ্য ভাষার রুপ কেন ভিন্ন হয়!"-Kazi Mamun
যেই ভাষায় কহে সেই ভাষায় না লিখলে ভিন্ন হয়। আমার সমীপে আপনার আশ্চয্যি উপস্থাপনের এই হইলো জবাব। আমাকে আপনার আশ্চয্যির মীমাংসক ভাবার জন্য ধন্যবাদ (এই গুরুভার আমার সহ্যাতীত নহে)।
April 16 at 5:54pm ·

Kazi Mamun @Rezaul Karim মনু-
প্রথমতঃ পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আমার বক্তব্য আমি সহজ করে উপস্থাপন করতে পেরেছি আশা করি।
যেই ভাষায় কহে সেই ভাষায় দুনিয়ার কেউই লিখে না, লেখার মূল উদ্দ্যেশ্যে অর্থাৎ পাঠকের বোধগম্যতার জন্য।
মানুষ লিখে কোনো একজন পাঠককে সামনে রেখেই- এ ক্ষেত্রে লেখক কোন ভাষায় কথা বলে তারচেয়ে গুরত্বপূর্ণ লেখাটা পাঠকের জন্য কতোটা আরাম-পাঠ্য এবং বোধযোগ্য এটা।
আর এ কারনেই কথ্যভাষায় লেখার জন্য লড়াই অনর্থক।

ধন্যবাদ আপনাকে।
April 16 at 6:17pm ·

২| ২০ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১:২৭

হাফিজুর রহমান মাসুম বলেছেন: ভালো লেখা কমেন্ট দিয়ে তুলে রাখলাম আলোচনা করার ইচ্ছে আছে।

২০ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ২:০৮

দ্বিজু বলেছেন: onek dhonnobad.

৩| ২০ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১:৪৮

পারভেজ আলম বলেছেন: আপাতত প্রীয়তে রাখলাম। পরে বিস্তারিত আলোচনার ইচ্ছা রাখি। শুধু এইটুকুই বলবো, তথাকথিত কৃত্তিম ভাষার মোকাবেলা করতে গিয়ে নতুন কৃত্তিম ভাষা তৈরি করার মধ্যে কোন নৈতিক শুভর অবস্থান নাই। সাহিত্যের ভাষা পরিবর্তিত হয় আপন গতিতে, সংস্কৃত নির্ভর সাধুর যায়গায় চলিত এসেছে, আমি আশা করি ভবিষ্যতে জনগণের জীবন ঘনিষ্ট হয়েই এই ভাষা আরো পরিবর্তিত হবে। তাই বলে, জেলায় জেলায় যারা আলাদা আলাদা সাহিত্যের ভাষার কথা চিন্তা করেন তারা না বোঝেন সাহিত্য না বোঝেন ভাষার বিকাশ অথবা সমাজ বিবর্তন।
ভবিষ্যত বাঙালি অবশ্যই ফারুকির কবরে থুথু ছুড়ে তার অবদানের প্রতিদান দেবে, সন্দেহ নাই।

২০ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ২:০৮

দ্বিজু বলেছেন: avro ektu somossa korche tai apatoto roman horofe likhchi.

ha ha ha! besh bolechen!
alochona ichcha amio poshon kori.

৪| ২০ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১:৫৪

শ্রীমান বলেছেন: সুন্দর এবং সময়োপযোগী....
ভাষার লেখনির যে সমস্যা চলছে তা নিয়ে একটু ভাবুন
Click This Link

সময় নিন একটু প্লিজ....

২০ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ২:০৭

দ্বিজু বলেছেন: avro ektu somossa korche tai apatoto roman horofe likhchi.

onek dhonnobad apnake, poramorsher jonno.

৫| ২০ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১:৫৫

হুনার মন্দ বলেছেন: আলোচক একজনের ফেসবুক লিংক দিলাম...দ্বিজু...আপনি সরাসরি তার সাথে আলোচনায় যেতে পারেন...আমার মনে হয় আপনাদের জ্ঞান চর্চা তাহলে আমাদের সাহায্যও করতে পারে...আপনার যুক্তিগুলো কি ব্যাখ্যা তারা দেন ..জানার আ্গ্রহ রৈল...

রেজাউল করিমের লিংক...

http://www.facebook.com/rk.manu

২০ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ২:০৩

দ্বিজু বলেছেন: avro ektu somossa korche tai apatoto roman horofe likhchi.

Rezaul Karim saheber ei lekhar por matha mundu chara montobbo ami ekhane diye diyechi (amar prothom comment mane facebook alochonar shesh dikta dekhon)
erpor r tini kono kotha khuje paan ni, ete etai sposto hoy j tini ba tara alochona chan na.

৬| ২০ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১:৫৮

হুনার মন্দ বলেছেন: সোহেল হাসান গালিব'কেও নিশ্চয় রেজাউল করিমের বন্ধু তালিকায় খুঁজে পাবেন...আলোচনাটা দ্বিপাক্ষিকভাবে জমজমাট হবে আশা করছি...

২০ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ২:০৫

দ্বিজু বলেছেন: sohel hasan galib keo ami ei kotha montobbe bolechi, tinio kono uttor den ni!

৭| ২০ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৫:০২

কথক পলাশ বলেছেন: দ্বিজুঃ আমার পূর্বের কমেন্টটাই আবার তুলে দিচ্ছি।

যে বোঝার, সে এককথায়ই বুঝবে। যে না বোঝার, সে কিছুতেই বুঝবেনা। তোমার যুক্তিগুলো ভালো হয়েছে। তার সাথে আরেকটু যোগ করি। রেজাউল করিম সাহেবের কথা মতে, যদি এই ভাষা পরীক্ষার খাতায়ও লিখা হয়, তাহলে যদি চট্টগ্রামের কিংবা সিলেটের কোন পরীক্ষার খাতা-টাঙ্গাইল কিংবা গাজীপুরের কোন পরীক্ষকের হাতে পড়ে, তাহলে উপায় কি? উনারা খাতা মুল্যায়ন করবেন কিভাবে? ব্যাপারটা হাস্যকর হলেও সত্যি।

আর নাটক খাওয়াতে পেরেছে বলেই যে ফারুকী গং সাহিত্য দখল করতে পারবে তা নয়। ওরা যতই চিল্লাক, সাহিত্য তার নিজের ভাষাকে রক্ষা করবেই। নাটক দেখার জন্য কাউকে পরিশ্রম করতে হয়না। কিন্তু ভালো সাহিত্য লিখা কিংবা পড়া-দুটোতেই নিজেকে উজার করে দিতে হয়।

২০ শে এপ্রিল, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪৪

দ্বিজু বলেছেন: হা হা হা! আমিও পুরোনো মন্তব্য-উত্তর দিবো নাকি?

৮| ২০ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৫:০৭

পারভেজ আলম বলেছেন: কথাক পলাশের মন্তব্যে উত্তম জাঝা

২০ শে এপ্রিল, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪৪

দ্বিজু বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

৯| ২০ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৫:২৭

মনু বলেছেন: "...............erpor r tini kono kotha khuje paan ni,
ete etai sposto.........."-দ্বিজু
আমার কথা না বলা কথা খুঁজে না পাওয়ার সমার্থক কিভাবে? সমার্থক ধরার পরে যে স্পপ্ট হওয়া সেইটা সেকেণ্ডারি মনে হওয়া। আপনে টারসিয়ারি মনে হওয়া লোক, আমার লেখার যেই প্রতিক্রিয়া আমার সমীপে দিছেন সেইটায় আপনার ওই টারসিয়ারি মনে হওয়া পাইছি, কোন প্রতিক্রিয়া পাই নাই। শিরোনামে যেই বিস্ময় ছিলো সেইটা নিরসনে দয়া হবার কারণে নিরসনমূলক মন্তব্য করলাম মাত্র। আপনার মনে হওয়া বিষয়ে আমার বক্তব্য নাই, এই ব্যাপারে আমি কথা খুঁজি না। আমি এমনকি এইটাও মনে করি নাই যে, Kazi Mamun ও দ্বিজু এক ব্যক্তি। আমার কাছে উনারা দুইজন, আমি দেখতে পাইতেছি Kazi Mamun-এর লেখা পরিবর্তিত কইরা দ্বিজু লিখতেছে credit না দিয়া।

আমার লেখা যেইখানে প্রকাশিত হইলো সেইটা আলোচনার জায়গা না হইয়া ফেসবুকে আমার আলোচনা করতে হবে কেনো?

২০ শে এপ্রিল, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪২

দ্বিজু বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে, সময় দেয়ার জন্য।
প্রথমেই বলে নেয়া ভালো- দ্বিজু, কাজী মামুনের ডাক নাম।

কথা না বলার ২টা কারন থাকে এক হলো- নিজেকে খুব বেশি বড় মনে করা, দুই- যথোপযুক্ত যুক্তি খুজে না পাওয়া। আপনার ক্ষেত্রে দ্বিতীয়টি ধরে নেয়া হয়তো আমার ভুল হতে পারে, ক্ষমা করবেন।

"আমার লেখা যেইখানে প্রকাশিত হইলো সেইটা আলোচনার জায়গা না হইয়া ফেসবুকে আমার আলোচনা করতে হবে কেনো?"

এর কারন হলো আপনি যেখানে লিখেছেন সেখানে মন্তব্য পছন্দ না হলে মুছে দেয়া হয়। ইতিপূর্বে আমার মন্তব্য মুছে দেয়া হয়েছে।

ভালো থাকুন- আপনাদের ভাষা-বিপ্লব সফল হোক- কে জানে আজ থেকে পঞ্চাশ বছর পর রফিক-সালাম দের পাশে আপনাদের ছবি ঝুলতেও পারে।

১০| ২০ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১১:১৫

সামী মিয়াদাদ বলেছেন: ফেসবুকে নোটটা আগেই পড়েছিলাম। কিন্তু সময়ের অভাবে বা চিন্তার দৈন্যতায় মন্তব্য করা হয়ে উঠেনি। আর ফেসবুক নোটে ৮০০০ বর্ণের অধিক লেখাও যায়না। বিশাল সমস্যা।

কথ্য ভাষায় মানুষের আন্চলিকতা চলে আসে। আমার মতে মানুষের মুখের ভাষা অনেকটা প্রান্জলতার উপর নির্ভর করে। যেমন সিলেটে "রিকশা" শব্দটিকে বলা হয় "রিশকা", "সিলেট" কে বলা হয় "সিলট"। যে যেমন বলে আরাম পায় আর কি। আন্চলিকতাতো আছেই।

কথ্য ভাষায় আমরা নানা অন্চলের ভাষার মিশ্রন ঘটাই। কিন্তু এভাবে লিখতে গেলে তা আর যাই হোক সাহিত্য হবেনা বলেই মনে করি। তবে আমাদের দেশে আন্চলিক ভাষাগুলো কিন্তু নিতান্তই অবহেলিত। মনে পড়ে বেশ আগে এ বিষয়ে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছিলাম।

আর দেশের যে কোন আন্চলিক ভাষা জানাটা কিন্তু খুব খারাপ না। সালাহউদ্দীন শুভ্র ভাইয়ের গল্পটি যদি আপনি নোয়াখালীর ভাষায় পড়তেন তবে হয়তো তার রস-গন্ধ আপনাকে আরো কাছে টানতো। রূপান্তরের পর নিশ্চই গল্পটিতে কিছুটা হলেও বিচ্যুতি ঘটবে।

হাসান আজীজুল হক'র "আগুনপাখি" উপন্যাস টি সম্পূর্ন আন্চলিক ভাষায় লেখা। এতে নিশ্চই এর সাহিত্যমান বিন্দুমাত্র ক্ষুন্ন হয়নি। এখন উক্ত উপন্যাসকে যদি আপনি চলিত শুদ্ধ বাংলায় রুপান্তর করতে যান তবে অবশ্যই সেটা তার জায়গা থেকে বিচ্যুত হবে। সালাহউদ্দীন শুভ্র ভাইয়ের গল্পের জন্যও এটা প্রযোজ্য।

আমরা ইংরেজী কাব্যের বন্গানুবাদ পড়ি। ভাবানুবাদ বলাই ভালো। বা ইংরেজী উপন্যাস বা গল্পের বন্গানুবাদ পড়ি। এতে কিন্তু সাহিত্যের সঠিক রসটা আস্বাদিত হয়না আমাদের দ্বারা। কাজেই সাহিত্যের ভাষা যদি কখনো আন্চলিক ভাষা হয় তবে তা আমাদের ঐ ভাষাতেই পড়া উচিত। পঠনটাকে আয়াস সাধ্য করার জন্য একটা অন্চলের ভাষা না হয় শিখলামই।

সর্বোপরি নোটের সাথে একমত থাকতে পারলাম না। তবে অনেকাংশে একমত। কথ্যরুপ আর লেখ্য রুপে মধ্যে সীমারেখা অবশ্যই থাকবে। তবে কথ্যভাষায় কোন সাহিত্য চর্চা করা যাবেনা এটাই ঠিক মানতে পারলাম না।

যাই হোক আলোচনায় আনার জন্য মামুন ভাইরে ধন্যবাদ।

২০ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১১:৪৯

দ্বিজু বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও।

আসলে আঞ্চলিক ভাষা চর্চার বিরোধী আমি না, কিন্তু আমাদের বিভেদ যেন আমাদের অস্তিত্ত্ব কে বিলীন করে না দেয়।
এ বিষয় নিয়ে ঢাবি'র ইংরেজির অধ্যাপক আশরাফ হোসেন এর লেখাটা পড়তে পারেন-
Click This Link

১১| ২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:৪৮

রাহা বলেছেন: ব্লগে প্রচুর লেখা আসে, ২৪ ঘন্টা জুড়ে । সেই ২৪ ঘন্টার মধ্যে ২ ঘন্টা হয়তো সর্ব সাকু্ল্যে ব্লগে থাকা হয় । সেই ২ ঘন্টায় পৃষ্ঠা উল্টে পাল্টে দেখা হয়, সব লেখা পড়া হয় না । বলতে দ্বিধা নেই লেখার শিরোনাম কিংবা লেখকের নাম দেখে লেখা পড়া হয় । তাই শিরোনামটা গুরুত্বপূর্ণ । তোকে এতো কথা বলার আসল উদ্দেশ্য হলো এই চমৎকার লেখাটা মিস করে গেছি । লেখার শিরোনাম চোখে পড়লে ও আগ্রহ জাগায়নি আর লেখকরে নামও চোখে পড়ে নাই । আর কেনজানি ফেস বুকে কোন ইন্টারেকশনে যেতে ভালো লাগে না ।

২৬ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১:৫৫

দ্বিজু বলেছেন: ভাই আজকাল ব্লগে প্রায় লিখিই না বলতে গেলে, কেন লিখিনা এটা বলতে গেলে কয়েক পৃষ্টা লিখতে হবে। ব্লগে আলোচনা হয় না, হয় অহেতুক টাইম-পাস বা ঝগড়া, মন কষাকষি। ভালো লেখা বা আলোচনা উপযোগী লেখা এখানে তেমন গুরত্ব পায় না। গুরত্ব পায় রসাত্বক ঝগড়া-উপযোগী লেখা।
যেমন ধরুন আমি যদি এখন ধর্ম/নারীবাদ নিয়ে লিখি অতি-উৎসাহীর ভীড় শুরু হয়ে যাবে। কিন্তু আমি যখন ফরহাদ মজহার এর হাইব্রিড বিরোধীতার রহস্য নিয়ে লিখি সেটা নিয়ে কারো আগ্রহ নেই। এই ব্লগে আম্র ঠিক আগের লেখাটা দেখুন- একটি মাত্র মন্তব্য- কারো আলোচনা করার কোনো আগ্রহ নেই, কিন্তু একই লেখা ফেসবুকে লিখলাম, প্রায় ১৫০টি মন্তব্য আলোচনা, অনেক অজানাকে জানা হলো।

বাংলা ব্লগ নিয়ে একটা লেখা লিখবো ভাবছি।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.