নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

৫২ আর ৭১ এর চেতনায় আছি বাধা

সবুজের বুকে লাল, সেতো উড়বেই চিরকাল

ধীবর

সাংবাদিক কলামিস্ট

ধীবর › বিস্তারিত পোস্টঃ

আমার খাদক জীবন ১ - নাস্তা পর্ব (ভোজনরসিকদের জন্য ছবি ব্লগ)

০৫ ই মার্চ, ২০১২ দুপুর ১২:৩৮

ঠান্ডা সর্দিতে স্বাদ বাবাজি উধাও। ইচ্ছা করে দুনিয়া খেতে। কিন্তু ওই যে! মুখে স্বাদ নেই। তাই জিবে ঠেকতেই চরম সুস্বাদু খাদ্যও অখাদ্য হয়ে যাচ্ছে। তাই ভাবলাম খেয়ালি পোলাওই আপাতত চলুক।



খেতে পছন্দ করি বলে, বিয়ের দাওয়াত ছাড়া অন্য কিছু কপালে জোটে না। পোস্ট পড়েই বলুন তো। এটা কি অন্যায় করা হয় না আমার সাথে?



এমনিতে তো আমার কুম্ভকর্নের ঘুম। ১০০ ডেসিবলের ঘুম তাড়ানিয়া শব্দ ছাড়া বিছানা নামক চরম আরামদায়ক চৌকোণা থেকে উঠতে ইচ্ছা করে না।



সেই চোখ অনিচ্ছা সত্ত্বেও খুললেও, শরীর মধ্যাকর্ষন শক্তির আবেশে চললেও, পেট বাবাজির ঘুম ভাঙ্গতে বেশ সময় নেয়। তাই ঘুম থেকে উঠেই নাকে মুখে গোজার অভ্যাস কোনদিনও ছিল না।



তবে একবার যদি পেটের ইঞ্জিল চালু হয়, তাহলে অবশ্য সমস্যা হয় না।



সকালের নাস্তাঃ



(চা যখন প্রধান অনুসঙ্গ)







গ্যাদাকালে নাকি আমি কিছুই খেতে চাইতাম না। (বড় হয়ে অবশ্য পুষিয়ে দিয়েছি)



মায়ের মন বলে কথা। শিশু না খেয়ে থাকলে তার খাওয়া হয়? তার সবচেয়ে পছন্দের নাস্তাই ছিল চা আর টোস্ট বিস্কুট। কৌতুহলবশত তিনি চায়ে ভিজিয়ে টোস্ট বিস্কুট আমার মুখে দিয়েছিলেন। ব্যাস ! যাবে কোথায়? শিশু মজা পেয়ে গেলো। অন্যান্য শিশুরা যখন সকালে দুধ খেতো তখন ওই চায়ে ভেজানো টোস্টই ছিল আমার পছন্দের। চা বিরোধী বাবা অবশ্য এজন্য মায়ের উপর রেগে আগুন।



কিন্তু কি করা? একেবারে অনাহারের চেয়ে যদি ওই একটা বস্তুই শিশুর ক্ষুধা মেটায়, সেই সান্তনায় নিজেকে নিয়ন্ত্রন করতেন বাবা।







এর পর চায়ের মধ্যে কিছু না ডুবিয়ে চা খাওয়া আমার পক্ষ্যে সম্ভব না। তাই টোস্টের সাথে সাথে নোন্তা বিস্কুট,কেক, পাউরুটি, বাকরখানি, বাটারবন, এমনকি ডালপুরি চুবিয়েও চা খাওয়া হয়েছে।







চা যখন প্রধান অনুসঙ্গ নয় !







ছোট বেলায় সবচেয়ে অপছন্দ ছিল লুচি আর ঘি দেয়া সুজির হালুয়া। সেগুলি গেলার পর উগরে দেবার তীব্র বাসনা জাগতো। পিঠে মায়ের লুচি বেলার বেলন পড়ার ভয়ে সংযত হতাম।



তবে অন্তত একটা নাস্তা গন্ধ নাকে আসলেই পেটের ইঞ্জিন চালু হতে দুই মিনিটও লাগতো না। আর ঘুম বাবাজি? সে চোখের নিমিষে উধাও। সেটা হল মায়ের হাতে পরাটা দিয়ে গরুর ভুনা। কি গ্রীস্ম কি শীত যাই হোক না কেন। খান্দানের অভ্যাস, তুলার মত নরম মাংস হলে চলবে না। বেশ খানিকটা শক্ত ভুনা হওয়া চাই। সেই রকমই রান্না করতেন মা।







উমম... তার ঘ্রাণেই প্রায় পুর্ণ ভোজন সম্ভব। রেসিপি চাইলে দিতে পারি। কিন্তু ঝুকি আছে। নিজ হাতে রান্না করা ব্যাচেলাররা খেলে স্বাদের কারনে প্রতিদিন খেতে চাইবেন। সাধ্যে না কুলালে মেজাজ বিগড়ে থাকবে।



বিবাহিত ভাইয়েরা আহ্লাদ করে বৌকে খাওয়াবেন। বৌ মজা পেয়ে রান্নাঘরে নাস্তার দ্বায়িত্ব থেকে মুক্তির অজুহাত পেয়ে যাবেন।



আর বিবাহিত বোনরা জামাইকে খাওয়ালে হেসেল ঠেলতে ঠেলতে জান কালা হয়ে যাবে।



ভাবছেন এইটাই বোধ হয় আমার সবচেয়ে প্রিয় নাস্তা। প্রিয় নাস্তা ঠিকই। কিন্ত প্রিয়র মধ্যে একটি মাত্র।



চলুন, আমার প্রিয় নাস্তা খাবার জন্য স্বপ্নপুরিতে নিয়ে যাই। তবে এই স্বপ্নপুরি খুবই বাস্তব !







আগেই বলেছি আমাকে ঘুম থেকে উঠানো খুব কঠিন কাজ। ফজরের নামাজ পড়েই আধা ঘুমন্ত আমাকে বগলদাবা করে ঢাকার একপ্রান্ত থেকে সোজা চকবাজারে। চারিদিকে আধা আধা আলোর একটা পরিবেশ। লোকজন নেই বললেই চলে। চারিদিকে বাতাস খুব নির্মল পবিত্র স্বচ্ছ। স্বপ্নের মত পরিবেশ বলা চলে।







প্রথম বিরতিতেই চকবাজার শাহি মসজিদের নীচের মাঠা আর মাখনের দোকানে।







হাতের চেটোর সাইজের একদলা মাখন গেলার পর ছোট এক গ্লাস মাখন পেটে চালান। এর মোজেজাটা বুঝেছিলাম আরো অনেকদিন পর।



এর পর প্রধান গন্তব্যে। বাবার হাত ধরে আজব এক মার্কেটের ভেতরে প্রবেশ। অদ্ভুত এক গোলক ধাধা। প্রথমে তো ভয়ই পেয়েছিলাম। আধা অন্ধকার, দুজন মানুষ পার হতে পারবে কিনা সন্দেহ। এমন ঘুপচিতে বাবার হাত ধরে এই মিনিট খানেক পরেই যে গন্ধ নাকে লাগলো, তাতে ঘুম বাবাজি বাপ বাপ করে উধাও।







আহা। পোলাও এর গন্ধ যে এত মোহজাগানীয় হতে পারে, সেটা যে না শুকেছে সে কোনদিনও বুঝতে পারবে না। একটা দোকানের চাতালে শশ্রুমন্ডিত টুপি আর সাদা লুঙ্গি পড়ে বিশাল ডেক নিয়ে বসে আছেন একজন মানুষ। তাকে ঘিরে ছোট ছোট টুলে বেশ কিছু লোক বসা। এনামেলের ছোট ছোট বাটিতে করে গরুর বিরিয়ানি আর কাগজি লেবু গ্রাহকদের দেয়া হচ্ছে। তবে মনে হচ্ছিল না, কেউ একাধিক প্লেট সাবার না করে সেখান থেকে উঠার নাম নিচ্ছে।



বিরিয়ানির গন্ধ তো তেমন, এমন কি বিরিয়ানির মধ্যে যে কাচামরিচ দেয়া আর পাশে কাগজি লেবু, এই দুটার গন্ধও মন ভরিয়ে দিতে ১০০ ভাগ সক্ষম।



জ্বি এটাই আমার সবচেয়ে প্রিয় নাস্তা। কিন্তু যেহেতু সেই সাত সকালে ছাড়া এই বস্তু পাওয়া যায় না, সেহেতু জীবনে হাতে গোনা মাত্র কয়েকবার এটা খাওয়ার সৌভাগ্য হয়েছে। ঘুমের কারণে

প্রিয় বস্তুকে কোরবানি করতে হয়েছে। (দুঃখের ইমো হবে)



আরেকটা কথা ! সকালে বিরিয়ানি ভক্ষণের কথা শুনলে অনেকের ভ্রু কুঞ্চিত হতে পারে। একবার খেয়েই দেখুন। (তবে সেটা বিয়ে বাড়ির বাসি পোলা/রেজালা বা বিরিয়ানি হতে হবে। নতুবা আমার সেই স্বপ্নপুরির সেই বিরিয়ানি। এর পর আর ভ্রু কুঞ্চনের সুযোগই আসবে না।)



এর পড়ে মনে করেন পাউরুটি দিয়ে জ্যাম, রুটি ভাজি, পরোটা ডিম ভাজি, এই সবের কোনকিছুতেই অরুচি নেই।



হ্যা ! শীতে দিনে মা, গোল চাকচাক করে আলু, টমেটো পাচফোড়ন দিয়ে একটা টকঝাল ভাজি করতেন। পরাটা দিয়ে খেতে ঠিক সেই রকম ! রেসিপি চাইলেই পাবেন। কিন্ত ওই যে ! ঝুকি আছে।















পিঠা পুলির কথা কি বলবো? শীতের সকালে গরম গরম ভাপা পিঠা, পুলি পিঠা, পাটিসাপটা। উল্লেখ করার দরকারই নেই।



অনেকে গুড়ের রসে ভিজানো চিতই পিঠা খেতে ভালোবাসেন। সকালে মিস্টিটা ঠিক মুখে রোচে না। তাই সাদা চিতই পিঠা কলিজার তরকারি সহযোগে নাস্তাটাই বেশি কাম্য। না খেলে খেয়ে দেখেন।



এই তো গেলো নাস্তার কথা। বাকি থাকলো দুপুরের খাবার, বিকালের নাস্তা, আর রাতের খাবারের কথা। সে সব না হয় আরেকদিন ! কি বলেন?

মন্তব্য ৪০ টি রেটিং +১৩/-০

মন্তব্য (৪০) মন্তব্য লিখুন

১| ০৫ ই মার্চ, ২০১২ বিকাল ৩:১০

যাযাবরমন বলেছেন: হোটেল টার ঠিকানা ঠিক বুঝলাম না?

০৬ ই মার্চ, ২০১২ রাত ৩:২১

ধীবর বলেছেন: মসজিদের ছবিটা দেখেন। মার্কেটটা ঠিক তার উলটা দিকেই। কিন্তু ঠিক কোন গেট দিয়ে ঢুকবেন, সেটা মনে নেই।

২| ০৫ ই মার্চ, ২০১২ বিকাল ৪:০৭

Observer বলেছেন: +++++

০৬ ই মার্চ, ২০১২ রাত ৩:২২

ধীবর বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই।

৩| ০৫ ই মার্চ, ২০১২ বিকাল ৪:৪৭

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: মাথা নষ্ট !!

০৬ ই মার্চ, ২০১২ রাত ৩:২২

ধীবর বলেছেন: এখনও তো বাকি খাবার বাকি রইলো। এতো অল্পতে মাথা নষ্ট হলে চলবে?

৪| ০৫ ই মার্চ, ২০১২ বিকাল ৪:৫৯

শায়মা বলেছেন: হা হা হা ভাইয়া!!!!!!!!!!!!!


শেষ পর্যন্ত খানা পিনা পোস্ট!!!:P


তবে কাকে দেখে খানাপিনা পোস্টে উৎসাহিত হলে সেটা বলা উচিৎ ছিলো!!!!!!!!!!!!!:P
!!!:P
!!!:P

০৬ ই মার্চ, ২০১২ রাত ৩:৪৪

ধীবর বলেছেন: ইয়ে... মানে তোমার ধারণা যে কাঠখোট্টা লেখে, তাকে দিয়ে অন্য লেখা হবে না? ক্রিকেট/খেলাধুলা এবং গল্প... হ্যা এই অধম দুখানি গল্পও লিখেছিল। পড়নি মনে হয়। ;)

যাকে দেখে খানাপিনার পোস্ট, তার হাতের খাওয়া না খেয়ে কৃতজ্ঞতা স্বীকার করা এই খাদকের পক্ষ্যে সম্ভব না। :)

তুমি যেই ফাকিবাজ, বছরে একদিন (রোজার ঈদ) তাও সাজুগুজু সহযোগ ছাড়া খানাপিনার পোস্ট দাওই না। ঈদের দিন তো খেয়ে পেট ঢোল হয়েই থাকে। তাই খানাপিনার তাৎপর্য কম থাকে। খিক খিক খিক।

যেহেতু পোস্ট পড়েই ফেলেছ, (বাকি সময়ের খাওয়া দাওয়ার পোস্টগুলিও পড়ো) তাই ভাবছি তোমার বাসাতেই গিয়ে ভুড়িভোজন করবো। কি বলো? :)

৫| ০৫ ই মার্চ, ২০১২ বিকাল ৫:০৪

শিশিরের শব্দ বলেছেন: ডালপুরি খেতে ইচ্ছে হচ্ছে 8-| 8-|

০৬ ই মার্চ, ২০১২ রাত ৩:২৯

ধীবর বলেছেন: :( আমার তো দুনিয়া খেতে ইচ্ছা করছে। কিন্তু সাধই আছে শুধু, সাধ্য নেই। :(

৬| ০৫ ই মার্চ, ২০১২ বিকাল ৫:০৭

বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: দারুণ হয়েছে খাবারের বর্ণণা। ঢাকাইয়া মানুষের এটা ঐতিহ্যগত অভ্যাস সকাল বেলায় পোলাও অথবা তেহারী খাওয়া। আমার পছন্দ ছিল পরাটা বা লুচি দিয়ে ভাজি, বুটের ডাল, তন্দুরী দিয়ে নেহারী। কি আর বলব বৃটেনে এগুলোর দেখা মেলা ভার দামের কথা বাদই দিলাম। দেশের মত স্বাদ পাব না। অনেক ধন্যবাদ।

আল্লাহর কাছে দোয়া করি ধীবর ভাই দ্রুত সর্দি-জ্বর হতে সুস্থ হয়ে উঠুন, আমিন!

০৬ ই মার্চ, ২০১২ রাত ৩:৩৪

ধীবর বলেছেন: শুভ কামনার জন্য অনেক ধন্যবাদ বা জি ভাই। না খেতে পেরে আমি শুকিয়ে দড়ি দড়ি হয়ে গেছি।

হু।। প্রবাসে খেয়ে আরাম নেই। অবশ্য বান্নগ্রেজ হয়ে যেতে পারলে, ওই অখাদ্য গিলতে সমস্যা নেই। কিন্তু আমরা কি আর বাংরেজ হতে পারব? ওই দিন নরওয়ের একটা বিশেষ রেসিপি দেখলাম। ভেড়ার মাংস + বাধাকপি + আস্তা গোলমরিচ + ময়দা + লবন, পানি দিয়ে ৪ ঘন্টা সেদ্ধ করে হয়ে গেলো স্পেশাল খাবার। না মস্লা না কিছু।। দেখেই বমি আসছে। কত বদ গন্ধ হবে কে জানে?

৭| ০৫ ই মার্চ, ২০১২ বিকাল ৫:৪৪

স্পেলবাইন্ডার বলেছেন:


খাওয়া- এই একটা বিষয়ে আমার কোন অলসতা নেই। :#)

রেসিপি নিয়ে স্থূল কারচুপি মানি না, মানব না! X(

০৬ ই মার্চ, ২০১২ রাত ৩:৩৫

ধীবর বলেছেন: স্পেল ভাই, আগে বলেন আপনি কোন ক্যাটাগড়ির রিস্ক নিতে চান। খেক খেক !

৮| ০৫ ই মার্চ, ২০১২ বিকাল ৫:৫৩

নোবিতা রিফু বলেছেন: আপনারে মাইনাচ X( খাবার দাবারগুলারে পিলাচ :)

০৬ ই মার্চ, ২০১২ রাত ৩:৩৬

ধীবর বলেছেন: আরে এত জলদি প্লাস মাইনাসের হিসাব কইরেন না ভাই। বাকি গুলি আসতেছে। হেহে।

৯| ০৫ ই মার্চ, ২০১২ রাত ৯:০৯

মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেছেন: জটিল নাস্তারে ভাই !! দুঃখ পুরান ঢাকা থেকে একটু দূরেই থাকি, একটা নিজস্ব হেলিকপ্টার থাকলে মাঝে মাঝে ওখানে নাস্তা করে আসা যেত... :P :P

০৬ ই মার্চ, ২০১২ রাত ৩:৩৭

ধীবর বলেছেন: ওই সমস্যারও সমাধান আছে জহির ভাই। বিয়া না কইরা থাকলে, পুরান ঢাকায় বিয়া করেন। যৌতুক খানাপিনা ইনশাল্লা কুন সমস্যা নাই। দরকার হইলে শশুড় হেলিকপ্টার ভাড়া কইরা নিয়া আসবো। :)

১০| ০৫ ই মার্চ, ২০১২ রাত ৯:২১

েমা আশরাফুল আলম বলেছেন: আপনি একটা খারাপ লোক, পুরাতন দুঃখ মনে করাই দিলেন.
++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++্..............................ইনফিনিটয়

০৬ ই মার্চ, ২০১২ রাত ৩:৪৬

ধীবর বলেছেন: হক কথা। আমি নিজে দুঃখে একলা না মইরা সবাইরে নিয়ে মরতেছি। :ড়

১১| ০৫ ই মার্চ, ২০১২ রাত ১১:৪৯

বড় বিলাই বলেছেন: শুধু নাস্তারই এত আয়োজন! বাকী দিনের খাবারের বর্ণনায় না জানি কী আসবে। আমার ছোটবেলার প্রিয় নাস্তা ছিল গরম গরম ধোঁয়া ওঠা রুটিতে মাখন চিনি মাখিয়ে রোল করে খাওয়া।

০৬ ই মার্চ, ২০১২ রাত ৩:৪৮

ধীবর বলেছেন: জ্বি... ওটাও খাওয়া হয়েছি। শহুরে খাবার দাবার যা আছে, মাশাল্লাহ সবই নিদেনপক্ষ্যে খাওয়া হয়েছে। আরে শুধু নাস্তার আয়োজন দেখেই ভয় পেলে হবে? বাকি তো খাবার লিস্ট পড়েই আছে। চোখ রাখুন। ;)

১২| ০৬ ই মার্চ, ২০১২ রাত ১২:০৩

কলম.বিডি বলেছেন: রাতের বেলা ক্ষুধা লেগে গেলো। আমার আজীবন প্রিয় নাস্তা আলুভাজি আর রুটি। আবশাযা খাওয়ার সময় বই নিয়ে বসি এজন্য যেকোন কিছুই খেতে পারি এখন!

০৬ ই মার্চ, ২০১২ রাত ৩:৪৯

ধীবর বলেছেন: আরে ভাই, আমার তো ঘুমে থাকার সময় ছাড়া সব সময়েই খিদা লাগে। ;)

খালি আলুভাজি রুটি না খেয়ে মাঝে মাঝে এইটা ঐটাও নাস্তা করেন। দুনিয়ার খাওয়া কি আর আখেরাতে পাওয়া যাবে? ;)

১৩| ০৬ ই মার্চ, ২০১২ ভোর ৬:২২

সোহরাব সুমন বলেছেন: আমার এই পোস্ট তাহলে আপনারই জন্যে !

০৬ ই মার্চ, ২০১২ সকাল ১১:৫৪

ধীবর বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই। দেখলাম। কমেন্ট ব্যান তাই মন্তব্য করতে অপারগ।

১৪| ০৬ ই মার্চ, ২০১২ সকাল ৮:১২

নীল-দর্পণ বলেছেন: খাবার দেখলেই শান্তি লাগে :-B

তা রেসিপিটা নিয়া আপ্নে এমুন টালবাহান করতাসেন ক্যা কনত দেহি। তাত্তারি ভালয় ভালয় রেসিপিটা দিয়া দেন কইলাম.... /:) /:)

নইলে..............................................





















:( :(( :((

০৬ ই মার্চ, ২০১২ সকাল ১১:৫১

ধীবর বলেছেন: থাউক ভাই। কান্নাকাটির দরকার নাই। রিস্ক লইতে চান লন। আমার কি?

কসাইয়ের কাছ থেইকা রগ ওয়ালা আধা কেজি মাংস আনবেন। এর পর পাটায় হাল্কা ছ্যাচা দিবেন। দেড় ইঞ্চি দারচিনি, ৪ টা লং ৪টাএলাচি পাটায় বাটবেন। ১ চা চামচ আদা বাটা আর ১/২ চা চামচ রসুন বাটা ওই মসলার সাথে মিক্স করবেন।

এর পর ছ্যাচা মাংসের সাথে ওই মশলা মিশাইয়া সারারাত ফ্রিজে রাখবেন। সকালে ২ টা মাঝারি পিয়াজ বাদামি কইরা তেলে ভাজবেন। সাথে লবন আর ২-৩টা কারামরিচ ফাইরা দিবেন। এর পর মসলায় ভিজানো মাংস দিবেন। অল্প পানি দিয়া ঢাইক্কা ৩০ মিনিট থেইকা ১ ঘন্টা রান্না ক্করবেন। তেল ছাড়লে গরম গরম পরাটার সাথে খাইবেন। হইলো?

১৫| ০৬ ই মার্চ, ২০১২ সকাল ৮:৫৯

নাহিয়ান বিন হোসেন বলেছেন: সকালের নাস্তায় প্রথম পছন্দ হচ্ছে পরোটা আর ভুনা গরুর গোশত! বাসি পোলাওয়ের সাথে বাসি রেজালার যে স্বাদ পাওয়া যায় সকালের নাস্তায় তার কোন তুলনাই নেই! একদম মিহি করে কাটা আলুভাজি আর চালের গুড়ার রুটি এটার কথাও বা ভুলি কিভাবে! এর সাথে বলতে হবে চালের গুড়ার রুটি এবং গরুর ভুঁড়ি ভুনা , এই জিনিস না খেলে জীবন অপূর্ন! হাসের মাংসের সাথে একধরনের রুটি পিঠা ( একদম পাতলা চিতই পিঠার মত ) , গ্রামে গেলে সকালে এই নাস্তা মিস হয় না! ওহ হো, নেহারি আর পরোটা এর স্বাদ কি বর্ননা করা সম্ভব! আসলে সকালের নাস্তায় এগুলো প্রত্যেকটাই আমার এত প্রিয় যে এবং আমি নিজে এতখানিই পেটুক যে , পারলে সবগুলো প্রতিদিন একসাথে খেতে ইচ্ছে করে! B-)) B-))

চমৎকার পোষ্টে নবম প্লাস!

০৬ ই মার্চ, ২০১২ সকাল ১১:৫৩

ধীবর বলেছেন: বুকে আসেন নাহিয়ান ভাই। আর ১০০ প্লাস নেন। পুরা সহমত।

১৬| ০৬ ই মার্চ, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৫২

শায়মা বলেছেন: খানাপিনার গন্ধে সব নিউ( নীলুমনি, ডঃ বড়বিলাই আপুনি) রাধুনীরা এসে হাজির ভাইয়া।:)

০৭ ই মার্চ, ২০১২ সকাল ১০:১৬

ধীবর বলেছেন: হাহাহা... ভালোই তো। রাধুনিরা থাকলে আমার খানাপিনার চিন্তাটা কমে যায়, কি বলো? :)

১৭| ০৬ ই মার্চ, ২০১২ রাত ৮:০৫

সাহাদাত উদরাজী বলেছেন: চলুক...।

০৭ ই মার্চ, ২০১২ সকাল ১০:১৬

ধীবর বলেছেন: ধন্যবাদ সাহাদাত ভাই। নাস্তা পছন্দ হয়েছে তো? ;)

১৮| ০৬ ই মার্চ, ২০১২ রাত ৮:২৬

সোহরাব সুমন বলেছেন: কমেন্ট ব্যান ক্যান ? কই আমার ব্লক এর তালিকায় আপনার নাম নাই !

০৭ ই মার্চ, ২০১২ সকাল ১০:১৮

ধীবর বলেছেন: কমেন্ট ব্যান মানে, কর্তৃপক্ষ্যের ইচ্ছায় আমি কোন পোস্টেই কোন মন্তব্য করতে পারবো না। ব্লক আনব্লকের কোন ব্যাপার নেই এখানে। ধন্যবাদ সুমন ভাই।

১৯| ০৭ ই মার্চ, ২০১২ দুপুর ১২:৩২

গুপ্তঘাতক007 বলেছেন: সকালে পরোটার সাথে গরুর মাংশ অতুলনীয়। ধীবর ভাই গরুর মাংসের ছবি দেইখা আর সামলাইতে পারলাম না,রেসিপিটা কষ্ট কইরা দিয়েন,ইনশাল্লাহ বাইচা থাকলে সামনের উইকেন্ডে ঝাপায়া পরুম B-)!

১২ ই মার্চ, ২০১২ সকাল ১০:৪৩

ধীবর বলেছেন: গুপ্তঘাতক ভাই, অনেক ধন্যবাদ। রেসিপি দিয়ে দিলাম আপনাদের জন্য। উপরে ১৮ নং প্রতিমন্তব্যে দেখুন। আপনার অপারেশন গোস্তভুনা সফল হৌক। তবে দাওয়াত যেন পাই। :)

২০| ০৭ ই মার্চ, ২০১২ বিকাল ৪:৫৭

অনিরূদ্ধ বলেছেন:
আমার ক্যান জানি সকালের খাবারেই যতো অরুচি :(

পরোটা সবজি ডিম দেখলে মনে হয় ব্রেড জেলি হলে ভালো হতো।
আবার ব্রেড জেলি দেখলে মনে হয় পরোটা মাংস হলে ভালো হতো।
মাঝে মাঝে মনে হয় পাতলা সবজি খিচুড়ি খেতে পারলে বেশ হতো।
কিন্তু খিচুড়ির প্লেট সামনে নিয়ে মনে হয় শুটকি ভুনা দিয়ে পানতা ভাত যদি পেতাম!! 8-|

এজন্যে আমার সকালের নাস্তায় কোনও প্রিয় খাবার নেই!

তবে হ্যা- বাসি পোলাও সত্যি অসাধারণ!! :)

১২ ই মার্চ, ২০১২ সকাল ১০:৪৪

ধীবর বলেছেন: হেহেহে অনিরুদ্ধ ভাই। এক কাজ করেন। দুই তিন রকমেরই নাস্তা সামনে রাখবেন। তাহলে যেটা খুশি খেতে পারবেন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.