| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
যারা নাস্তা খাননি, তাদের জন্য
আমার খাদক জীবন ১ নাস্তা পর্ব
যারা দুপুরের খাবার খাননি তাদের জন্য
আমার খাদক জীবন -২ দুপুরের খাবার পর্ব
দুপুর থেকে রাতের খাবারের সময়টা বড় দীর্ঘ। তাই এর ফাকে বিকালের নাস্তা না হলে চলে?
আগের লেখার মতই বর্ষাকালকে স্মরণ করছি। দুপুরে সেই খিচুড়ি আর গরুর মাংসের ঝোল খেয়ে যে বেশ লম্বা দিবা নিদ্রা, তাতে ছেদ পড়তো পিয়াজু ভাজার ঘ্রাণে। সেটা অবশ্য সন্ধ্যার পরই। আমার মা হাল্কা গরম মশলা মিশিয়ে পিয়াজু ভাজতেন। খেতে কাবাবের মত মনে হতো। সাথে পিয়াজ কাচামরিচ আর সরিষার তেল মাখানো মচমচে মুড়ি। এই বস্তু নাস্তায় পেলে ঘুমও পালাতো। পেটও হাল্কা হয়ে যেতো।

শীতের সন্ধ্যায় আরেকটি নাস্তার কথা না বললেই না। তার নাম চাপড়ি। অনেকেই জানেন হয়তো। আতপ চাল বেটে পেস্ট করে তার মধ্যে পিয়াজ কাচামরিচ আর বড় ধৈনাপাতা কেটে তাওয়ার উপর খুব হাল্কা করে শুকনো করে ভাজা হতো। সাথে খাকতো গরু বা খাসির উইন্ড পাইপ মানে গলা, কলিজা আর ফ্যাপরার তেল ছড়ানো
আবার কাঠালের দিনে কাঠালের বিচি ভেজেও নাস্তা চলতো।

বর্ষাকাল দুর অস্ত। তাই অন্যান্য দিন গুলির দিকে তাকাই।
মিস্টির মধ্যে কেক পেস্ট্রি। আর ঝালের মধ্যে আলুপুরি/ডালপুরি, কিমা পুরি্ শিক কাবাব, প্যাটিস। সবই মহল্লার দোকানের কেনা। তবে খেয়ে দারুণ তৃপ্তি হতো। তবে সাইন্স ল্যাবরেটরের মোড়ে একটা কাবাবের দোকান ছিল। সেখানে মুরগির কাবাব আর খাস্তা পরাটা পেলে আর কিচ্ছু চাওয়ার ছিল না।


তবে চকবাজারে খাওয়া দাওয়া নামের একটা রেস্টুরেন্ট ছিল। ওখানে একবারই নান পরাটা আর মুরগির রেজালা খেয়েছিলাম। এখনও চোখ বুজে তার স্বাদ নিতে পারি।
আজকাল তো দামি দামি কত উন্নত স্বাদের কে বিস্কুট পাওয়া যায়।। অথচ চকবাজারের কামাল বেকারির সেই ফ্রট কেকের সেই স্বাদ আর গন্ধের কথা কোনদিন ভুলবার নয়। কেকের প্রতিটা পিসেই -৩টা কিসমিস পাওয়ায় যেতো। মাঝে মাঝে চালকুমড়ার মোরব্বা । সাথে হয় কমলার চোলকার গুড়া বা অরেঞ্জ এসেন্স দেয়া থাকতো। ওই রকম কেক আর খাওয়া সৌভাগ্য্য হয়নি।
![]()
প্যাটিসের ব্যাপারে একই কত্থা। গরুর নাড়িভুড়ি কিমার মত করে রান্না করে, সে দিয়েই তিন কোণা আকৃতির যে গরম গরম প্যাটিস খেতাম, বড় বেকারির দামি প্যাটিস খেয়েও সেই তৃপ্তি পাইনি।
(ছবিতে চিকেন লেখা থাকলেও যেটা খেতাম, সেটা দেখতে এই রকমই, ভিতরে সেই কিমা দেয়া)
কোনদিন যদি বিকেল আর সন্ধ্যাটা স্টেডিয়ামের কাটতো, তাহলে তো কথাই নেই। "তলপেট ভাসাকে লেম্বু" অর্থাৎ কাচা মরিইচ পেয়াজ আর লুবুর রুসদেয়া সেদ্ধ ডাবলি। সিগারেটের প্যাকেট কেটে বানানো চামচে করে অনায়াসেই কত বাটি সাবাড় করেছি তার হিসাব নেই। তাছাড়া কাসুন্দি দেয়া নারিকেলের টুকরা না খেয়ে স্টেডিয়াম ছাড়তাম না ।
সন্ধ্যা গড়িয়ে রাতকে আসতেই হতো। আর রাত এলেই রাতের খাবার।
মাছ মাংস নিয়ে বাবা মায়ের মন্তস্তাত্তিক দন্দে দিনে মাছ জয়ি হলেও রাতে মাংসই জয়ি হতো। তবে ইলিশ, শিং মাছ বা চিংড়ির দোপেয়াজাকে বাবা খুব আনন্দের সাথে গ্রহন করতেন।
তবে রাতে করোল্লা বা শাক বা ভাজি দেয়া হতো না। এব্যাপারে বাবা মায়ের মধ্যে শক্ত ঐক্যমত ছিল। কেন দেয়া হতো না, কোনদিন জিজ্ঞেস করিনি।
আমার খান্দান ভয়াবহ রকমের গরু খাদক। তবে মুরগির ভুনা, খাসির কলিজা বা খাসির মাথার ভুনা, এইসব খুব শখের সাথেই ঘন করতাম আমরা সবাই।
খান্দানের অভ্যাস তো। খাসির নয়, গরুর মাংসের চাপই ছিল আমার সবচেয়ে পছন্দের। সেই মাংস ভাজা তেল ভাতের দিয়ে লেবু চিপরে কাচা মরিচ দিয়ে খেতে অমৃত মনে হতো। অবশ্য পুদিনা পাতা মাংস বা মাংস দিয়ে বাধাকপি শুধু চলতোই না বাসন থেকে ভাতের পরিমান খুব দ্রুত কমে যেতো।

বছরে ২-৩বার যে জিনিসটা খাওয়া পড়তো, সে হল বকের মাংস। অনেক রকম মশলা দিয়ে মা যে রান্নাটা করতেন, তার তুলনা আজও পাইনি।
কোন কোনদিন অবশ্য উদরপুর্তিতে অতৃপ্তি থাকলে, শেষপাতে দুধ কলা চিনি বা দুধ গুড় বা দুধ আম দিয়ে খানিকটা সান্তনা পেতাম।
এত এত্ত ঝালের কথা শুনে মনে করতে পারেন, এই খাদক ব্যাটার খাদ্য তৃষ্ণা অপুর্ণ। কেননা মিস্টির কথা নেই তার খাদ্য তালিকায়।
মিস্টির পাগল বলতে যা বোঝায়, তার শতভাগ গুণ এই অধমের আছে।
শুকনা মিস্টি আমারর পরম অপছন্দের। তাই দোকানের শুকনা মিস্টি যতই ফ্যাশনের রঙ চঙ মাখুক না কেন, ওদিকে আমি ফিরেও তাকাই না।
শুধু ব্যাতিক্রম তিনটা। এক হল মাওয়ার লাড্ডু। দুই মন্সুর (যা বেকারিতে পাওয়া যায়) তিন লাল হালুয়া (নাম লাল হালুয়া হলেও এর রঙ নীল, কমলা বা সবুজ হতে পারে)

অনেকে লাল হালুয়ার কথা নাও জানতে পারেন। ময়দা আর ঘি দিয়ে বানানো এই হালুয়াটা দেখতে জেলোর মত। আর এতে প্রচুর পেস্তা বাদাম কাজু ইত্যাদি ব্যাবহার করা হয়। সহজ লভ্য কিনা বলতে পারবো না।
আহ... এখন রসের মিস্টির হাড়ি খুলে বসি। কালোজাম বা লালমোহন খুব বেশি পছন্দ না আমার। তবে খেতে দিলে কমও খাই না। ![]()
রসগোল্লা। খুব কমন প্রথম পছন্দ সবারই। জ্বি ! যেই সেই দোকানের রসগোল্লায় আমার আগ্রহ নেই। ভাবছেন দামি দোকানের মিস্টি ছাড়া খাই না? এক্কদম উল্টাটা। হিন্দু ময়রার ছোট টঙ্গের মত দোকানে হাল্কা এলাচ দানা দেয়া যে রসগোল্লা আমি খেয়েছি, অধুনা রস বা প্রিমিয়াম অথবা বনফুলের মিস্টি কোন ছাড়?
রসগোল্লার সাথে রোমিও জুলিয়েটের মত জড়িয়ে আছে বলে রসমালাইও আমার মিস্টি ভোগের আরেকটি প্রিয় পদ। তবে মরণচাদের যে রসমালাই আমি খেয়েছি, অতটা মজাদার রসমালাই আমি কুমিল্লার বিখ্যাত রসমালাইয়ের মধ্যেও পাইনি।
![]()
সবচেয়ে বেশি পছন্দ পোড়াবাড়ির চমচম। মিস্টির রাজা মানেই পোড়াবাড়ির চমচম। তবে ঢাকায় সাইনবোর্ড টাঙ্গানো চমচমের দোকান থেকে নয়। টাঙ্গাইল থেকেই আদি পোড়াবাড়ির চমচম আমার প্রথম পছন্দ। তবে আম্বালা সুইটসের কাটা চমচম, বিকল্প হিসাবে উৎরে যেতে পারে।
![]()

আর মিস্টির সাথে যদি দৈ থাকে, তাহলে কয়েকটা অতিরিক্ত মিস্টি আরো বেশি উপভোগ করে খাওয়া যায়।
ঘরে একান্তই যদি মিস্টি না থাকে, তাহলে একমাত্র পছন্দ পুডিং। তবে বছরের বেশ অনেকগুলি দিনই জন্মদিনের দাওয়াত থাকে। তো সেই জন্মদিনের কেকের প্রতি লোভাতুর দৃস্টি কোন ভয়ানক কামাতুরের চেয়ে কম নয়। সফট ক্রিমের না, খানিকটা শক্ত চিনির ক্রিম দেয়া জন্মদিনের কেক সাধ্য থাকলে আমি একলাই সাবাড় করে দেবার ক্ষমতা রাখি। চকলেট কেক অবশ্য আমি এড়িয়ে যাই বা অনুরোধে এঁক পিস চেখে দেখি।
ভাবছেন রাতের খাবারে পোস্টে মিস্টি কেন? কেননা মধ্য সকাল বা অপরাহ্নে মিস্টি অনিয়মিত খাওয়া হলেও, খোদার ৩৬৫ দিন (কয়েকদিন ব্যাতিক্রম হতেই পারে) রাতের খাবারের পর মিস্টি আমার খাওয়া চাই ই চাই।
চোয়াল নাড়ানোর জন্য যে সব জিনিস খাওয়া আমার পছন্দের তার এক নং তালিকায় আছে পনির। কত বিদেশি দামি দামি পনির খাওয়া হয়েছে। কিন্ত নিউমার্কেটে বেতের টুকরিতে নিয়ে বসা মহিষের দুধের তৈরি সেই পনিরের স্বাস কোন কিছু দিয়েই তুলনা করা যায় না।

খেতে পারেন ইচ্ছামত। যতটুকু প্রয়োজন বা তৃপ্তি মিটিয়ে। সেটা সমস্যা না। সমস্যা হল অনেকেই প্রচুর খাবার খেতে জানেন বটে, তবে সেটা শরীর থেকে ঝরিয়ে ফেলতে জানেন না, বা ঝরিয়ে ফেলতে গা করেন না। পরবর্তিতে সেটাই সমস্যা হয়ে রোগ ব ইয়াধির আকারে দেখা দিতে পারে। তাই ইচ্ছামত খান বটে, তবে খেয়াল রাখবেন শরীরচর্চা বা শারিরিক পরিশ্রম হয় এমন কাজ বা খেলাধুলা করে সেটাকে হজম করে ফেলুন। তখন দেখবেন, ইচ্ছা মত খেলেও সেটা শরীরে কোন ক্ষতির কারণ ঘটাবে না।
০৮ ই মার্চ, ২০১২ দুপুর ২:০০
ধীবর বলেছেন: হেহেহে... একটু খিদা লাগা তো ভালো। সুস্বাস্থের লক্ষণ। ![]()
২|
০৮ ই মার্চ, ২০১২ দুপুর ২:০৭
আমি তানভীর বলেছেন: ভাগ্য ভালো একটু আগে খাইয়া আসছি, নইলে তো পুরা পোষ্টই খাইয়া ফেলতাম ![]()
০৮ ই মার্চ, ২০১২ দুপুর ২:৪৫
ধীবর বলেছেন: হাহাহা, বিপদ থেকে বেচে গেলাম। ![]()
৩|
০৮ ই মার্চ, ২০১২ দুপুর ২:১০
ভদ্র পোলা বলেছেন: এখনও চোখ বুজে তার স্বাদ নিতে পারি।
ভাইয়ে কি চউক দিয়া খান নাকি??
আপ্নের ব্লগ পড়ে , ব্লগে কিছু লোল পড়ে গেল , মুছে নিয়েন!!
০৮ ই মার্চ, ২০১২ দুপুর ২:৪৬
ধীবর বলেছেন: যে আসল খাদক সে চোখ নাক মুখ সব কিছু দিয়েই খেতে পারে।
লোল এর চিহ্ন থাক। লোকজন জানুক, খালি আমি একলাই না আপনিও খাদক।। খিক খিক।
৪|
০৮ ই মার্চ, ২০১২ দুপুর ২:১৪
চারু৩২ বলেছেন:
আর সুস্বাস্থ্য
এত খাই মাগার ওজন বাড়ে না
০৮ ই মার্চ, ২০১২ দুপুর ২:৪৭
ধীবর বলেছেন: ডেইলি ইসুব গুল খান। দেখবেন স্বাস্থ্য ভালো হয়ে যাবে।
৫|
০৮ ই মার্চ, ২০১২ দুপুর ২:১৯
রায়হান কবীর বলেছেন: আপনি লাল হালুয়া বলে যেই ছবি দেখালেন ওইটাকে সম্ভবত নেসেস্তার হালুয়াও বলে, সুজি দিয়ে সচ্ছ বা রঙ্গিন হালুয়া। জানি না ঠিক বলছি কিনা।
০৮ ই মার্চ, ২০১২ দুপুর ২:৪৯
ধীবর বলেছেন: সম্ভবত আপনি ঠিক। এটা ময়দা সুজির মিশ্রণে তৈরি বলেই জানি। তবে কি করে এই রকম স্বচ্ছ হয়, সে রহস্য জানা নেই। অনেক ধন্যবাদ রায়হান ভাই।
৬|
০৮ ই মার্চ, ২০১২ দুপুর ২:২৩
শিপু ভাই বলেছেন:
অদ্ভুত।
মনে হচ্ছে প্রায় আমার কথাগুলো আপনিই বলে দিলেন।
+++++++++++++++++
গরম রসগোল্লা ভাল লাগে।
পুডিং, জর্দাও পছন্দের।
০৮ ই মার্চ, ২০১২ দুপুর ২:৫০
ধীবর বলেছেন: হে হে হে... ওয়াইজ মেন থিংক এন্ড ইট এলাইক। ধন্যবাদ শিপু ভাই।
৭|
০৮ ই মার্চ, ২০১২ বিকাল ৩:১৬
অভীষ বলেছেন: জশোরে , লাল হালুয়া কে আমরা মাসকট এর হালুয়া বলি ।খুব্ই মজার। জাফরন দেয় বলে লাল কালার হয়।
০৮ ই মার্চ, ২০১২ বিকাল ৩:২৬
ধীবর বলেছেন: ্পুরান ঢাকায় মাসকটি হালুয়া খেয়েছি। দুইটার টেস্ট দুই রকম। যশোরেরটা খেয়ে দেখতে হবে। অনেক ধন্যবাদ অভীষ ভাই
৮|
০৮ ই মার্চ, ২০১২ বিকাল ৩:২৭
বলশেভিক বলেছেন: apni to boss public.gotokal rate siberian hash bhuna ar bhuna khchuri kheyechi.aha ki rannatai na hoesilo...
০৮ ই মার্চ, ২০১২ বিকাল ৩:৪১
ধীবর বলেছেন: ধন্যবাদ বলশেভিক ভাই। সাইবেরিয়ান হাস পেলেন কই? রান্না যখন বাঙালি স্টাইলে তখন তো কঠিন হবেই। সাথে ভুনা খিচুড়ি, যেন সোনায় সোহাগা।
৯|
০৮ ই মার্চ, ২০১২ বিকাল ৩:৩০
বলশেভিক বলেছেন: lal haluar ashol nam neshestar halua.amma shobe borate banaten:
০৮ ই মার্চ, ২০১২ বিকাল ৩:৪৩
ধীবর বলেছেন: যাক লাল হালুয়া = নেসেস্তার হালুয়া কনফার্ম হইলো। অনেক ধন্যবাদ। সবে বরাতে যে হালুয়র উৎসব, সে কি ভুলার মত?
১০|
০৮ ই মার্চ, ২০১২ বিকাল ৩:৪৮
অহন_৮০ বলেছেন: খাবার গুলা দেখলে তো আর সহ্য করবার পারি না......
১২ ই মার্চ, ২০১২ সকাল ১০:৪৬
ধীবর বলেছেন: অহন ভাই। আসলেও। সহ্য করা সম্ভব না।
১১|
০৮ ই মার্চ, ২০১২ বিকাল ৩:৪৮
জুল ভার্ন বলেছেন: ধীবর ভাই, খাওয়া দাওয়ার পোস্টে হিট দেখলেই বোঝা যায় বাংগালীদের খাদ্য প্রীতি! কাঠাল ভাঙ্গলে যেমন মাছি উড়ে আসে-তেমনই খানাপিনার পোস্ট দেখলেই আমাদের সহখাদক বন্ধুরা ঝাপিয়ে পরে দেখে উজ্জীবিত হই!
চকবাজারে খাওয়া দাওয়া নামের রেস্টুরেন্ট এর খাওয়া আমার অন্যতম প্রিয় রেষ্টুরেন্ট ছিল। ঐ হোটেলের মূল মালিক নন বেংগলী যারা "আলাউদ্দীন সুইট মিট", "আলাদীনস সুইটস" এবং "গুড ফুডস"এর মালিক। এখন মালিকানা বাঙ্গালী। "আলাদীনস সুইটস" এবং "গুড ফুডস" এখন নেই, নেই "খাওয়া দাওয়া" নামক হোটেল রেস্টুরেন্টও! "খাওয়া দাওয়া" হোটেলের অন্যতম বিখ্যাত মেন্যু ছিল "মোরগ মোসাল্লাম", "নান" ও "কবুতর রোস্ট"। ৮৮ সনে 'খাওয়া দাওয়া' সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেয়। সেই কিশোর বয়স থেকেই আমি "খাওয়া দাওয়া" হোটেলের "বান্ধা কাস্টমার" ছিলাম-আহ! সেকি স্বাদ!!!
মাছ খাবারের জন্য বিখ্যাত হোটেলের নাম "কবির হোটেল"। প্রথমে ঐ হোটেলের অবস্থান ছিল সেগুন বাগিচায় ইনকাম ট্যাক্স, এনবির ভবনের কাছেই। ওদের আর একটি শাখাছিল কাকরাইল- বর্তমান রাজমনি সিনেমা হলের দক্ষিন পূর্বে একদন মেইন রোডের পাশেই। ঐ হোটেলের ৯০ পার্সেন্ট খাদকছিল "ঘুষ খোড়"(ঘুষ খানেওয়ালা এবং ঘুষ দেনেওয়ালা)। ঐ দুটো শাখার একটিও এখন নেই। বর্তমানে মালিকানা বদল হয়ে বিজয় নগরে যদিও "কবির হোটেল" আছে কিন্তু সেই ঐতিহ্য নেই।
১২ ই মার্চ, ২০১২ সকাল ১০:৫০
ধীবর বলেছেন: খাদক পাঠকরা আসলে মৌমাছি। তাই মধু দেখে তাদের সম্মানিত পদচারনা। চমৎকার দৃশ্য। যা আমি উপভোগ করছি।
আমিও জানি খাওয়া দাওয়া দোকানটা বন্ধ করে দিয়েছে। এমন একটা চালু হোটেল বন্ধ করার পেছনে ষড়যন্ত্র ছাড়া আর কোন কারণ দেখি না। দোকানটা বন্ধ না করলে আ,ই আর আপনি অভিযান চালাতে পারতাম।
কবির হোটেলে কোনদিন খাইনি। তবে অফিস পাড়ার সব রেস্টুরেন্টের বেশির ভাগ কাস্টমারই সেই রকম। ঘুষ খাদক ও ঘুষ প্রদায়ক। অনেক ধন্যবাদ।
১২|
০৮ ই মার্চ, ২০১২ বিকাল ৩:৫৫
জুল ভার্ন বলেছেন: কিছু কিছু মিস্টির প্রতি আমার বিলক্ষণ দূর্বলতা আছে। তাই যখন যে শহরে যাই মিস্টির দোকানে ঢু মারি। তবে মিস্টির দোকানের/কারখানার পরিবেশ আমি দেখেছি-যা এক কথায় অবর্ণনীয় নোংরা(ওই বিষয়ে একটি পোস্ট দেবো-মিস্টি পছন্দের পাঠক বন্ধুদের সাথে পরিবেশ শেয়ার করার জন্য)! সে কারনে এখন মিস্তির প্রতি আমার আগ্রহ কমে গিয়েছে।তারপরও পরিবেশ পছন্দ হলে মিস্টি কিনি।
ঢাকাসহ দেশের অনেকগুলো শহরে মিষ্টির দোকানে ঢুকেই দেখেছি, মিষ্টির ওপর মাছি বসে আছে। অনেকেই সেই মিষ্টিগুলো কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। নয়তো দোকানে বসে খাচ্ছেন। নিতান্ত নিরুপায় হয়েই অনেক যাচাই-বাছাইয়ের পরেও সেই দুষিত মিস্টি কিনতে আমরা বাধ্য হচ্ছি!
১২ ই মার্চ, ২০১২ সকাল ১০:৫১
ধীবর বলেছেন: জুলভার্ণ ভাই, না দেখে খেলে সবই হালাল। ![]()
১৩|
০৮ ই মার্চ, ২০১২ বিকাল ৩:৫৭
জুল ভার্ন বলেছেন:
ধীবর ভাই, কবি ইকবালের একটা কবিতার শের আছে-যার বাংলা অর্থ হচ্ছে-"যারা খেতে পছন্দ করেন-তারা খুব উদার মনের হয়"!
কবিকে সালাম।
@শিপু, তুমি একজন ভাল খাদক! খাদক হিসেবে তোমার উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করি।
১২ ই মার্চ, ২০১২ সকাল ১০:৫২
ধীবর বলেছেন: কবি ইকবাল যথার্থই বলেছেন। খাদক কেউকে আমি বদ্ধ মনের হতে দেখিনি। আবারও ধন্যবাদ।
১৪|
০৮ ই মার্চ, ২০১২ বিকাল ৪:৩০
বলশেভিক বলেছেন: siberian hash russiar onek dokanei kinte pawa jay.
১২ ই মার্চ, ২০১২ সকাল ১০:৫৪
ধীবর বলেছেন: ওহ... তাহলে আপনি ভলগা পারের বাসিন্দা? মাশাল্লা। আমি তো মনে করেছি শুধু নিক। তা আপনার সাইবেরিয়ান হাসের মাংস সহ অন্যান্য রুশ খাবার নিয়ে একটা পোস্ট দেন ভাই। আমরা দর্শনে অর্ধভোজন করতে পারি তাহলে।
১৫|
০৮ ই মার্চ, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:২৭
বড় বিলাই বলেছেন: আলুপুরি খাই না অনেক দিন। এখন কি কোথাও বানায় না? পাই না কেন?
মিষ্টি জাতীয় খাবার আমার কম পছন্দ। তবে আনন্দ বেকারীর ফ্রুটকেক পেলে অন্য কথা। এখন আপনার পোস্ট দেখে লাল হালুয়া খেতে ইচ্ছা করছে।
১২ ই মার্চ, ২০১২ সকাল ১০:৫৭
ধীবর বলেছেন: নাজিরাবাজার বা আলুবাজারে মনে হয় এখনও আলুপুরি তৈরি হয়। আপনি কোন মহল্লায় থাকেন জানি না। আশে পাশে থাকলে ট্রাই করতে পারেন।
আনন্দ বেকারি যখন প্রথম শুরু করে, তখন টেস্ট আরো অনেক ভালো ছিল। হয়তো এখনো ভালো আছে। আমি যে কেকের কথা বললাম, সেটা কম দামি বেকারির। দামও সস্তা ছিল। কিন্ত টেস্ট? ওই যে বললাম, দামিগুলির চেয়েও বেশি লেগেছে আমার কাছে। লাল হালুয়া এখনও বেচে কিনা জানি না বোন। অনেক ধন্যবাদ।
১৬|
০৮ ই মার্চ, ২০১২ রাত ৮:০৭
ভজঘট বলেছেন: ইসশশিরেরেরে-দুনিয়াতে কতকি খাওনের জিনিশ আছে। এইসব খানা খাদ্য জিনিশ লুলশানের পছন্দনা! ঐ পাডাডায় খালি লুলামী কইরাই জেবন্ডা হ্যাষ কইরা দিল! পাডা হালার জন্য খুবই করুনা হইতাশে!
অরে দোররা মোররা মাইররা, তোবা টোবা পড়াইয়া সমাজে ফিরাইয়া আনোন যায়না?
১২ ই মার্চ, ২০১২ সকাল ১০:৫৮
ধীবর বলেছেন: তা না হয় আনলেন। কিন্ত এই উপলক্ষ্যে খানাপিনায় কি কি আইটেম দিবেন, সেটা আগে আলোচনা করা হৌক। ![]()
১৭|
০৮ ই মার্চ, ২০১২ রাত ৮:৪৫
জোছনার আলো বলেছেন: ভাল লাগল।
১২ ই মার্চ, ২০১২ সকাল ১০:৫৯
ধীবর বলেছেন: )ধন্যবাদ আবারও জোছনার আলো ভাই।
১৮|
০৮ ই মার্চ, ২০১২ রাত ৯:৩৯
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: ধীবর ভাই আমি চকবাজারের খাওয়া দাওয়া এবং আমানিয়া হোটেলের গরুর গোশত ভূনা প্রায়ই খেতাম। সত্যিই স্বাদ অতুলনীয়। ++++++++++ ধন্যবাদ।
১২ ই মার্চ, ২০১২ সকাল ১১:০০
ধীবর বলেছেন: ধন্যবাদ বা জি ভাই। কেন জানি পুরান ঢাকার মোগলাই খাবারের চেয়ে অন্য কোন যায়গার মোগলাই খাওয়া আমার কাছে তেমন সুস্বাদু মনে হয় না। এমনকি লালবাগের হালিম বা বাকরখানির সামনে অন্য কোন যায়গার এই দুইটা আইটেম আমার ভালো লাগে না। আমানিয়া হোটেলটা কই?
১৯|
০৮ ই মার্চ, ২০১২ রাত ১০:২২
শিশিরের শব্দ বলেছেন: রসমালাই খাইতে মন্চায়
১২ ই মার্চ, ২০১২ সকাল ১১:০১
ধীবর বলেছেন: তাহলে এক কাজ করেন ভাই। ৩-৪ কেজি কিনে আনেন। আপনি এক কেজি খান। বাকিটা আমি ম্যানেজ করে নিবো। ![]()
২০|
০৮ ই মার্চ, ২০১২ রাত ১০:৪০
নাহিয়ান বিন হোসেন বলেছেন: আপনে যে কি করেন! একটূ আগেই হেভী খাওয়া দাওয়া দিয়ে আসলাম! পোলাও, রোস্ট, গরু , রুই মাছ , মিষ্টি, ড্রিঙ্কস , আইস্ক্রীম! কিন্তু আপনার পোষ্ট দেখে আবার খিদা পেয়ে গেলো! কি মারাত্বক খাদক আমি! বিশেষ করে গরুর আইটেম আর রসগোল্লার ছবি দেখে তো পুরাই পেট খালি খালি লাগছে!
১২ ই মার্চ, ২০১২ সকাল ১১:০৩
ধীবর বলেছেন: হাহাহা... আসলেও আপনি উচ্চমানের খাদক। অভিনন্দন নাহিয়ান ভাই। কিন্তু এতকিছু একসাথে পেলেন কই? কারো বিয়ে? নাকি রেস্টুরেন্টে দাওয়াত ছিল?
একবার দাওয়াত দিতে পারতেন !
২১|
১৩ ই মার্চ, ২০১২ সকাল ১০:২৯
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: চক বাজার শাহী মসজিদের সূউচ্চ মিনার যে দিকে তার ঠিক দক্ষিণে ১৫-২০ গজ গেলেই চার রাস্তার মোড়। এই মোড়ের দক্ষিণ-পূব কোণটাতেই আমানিয়া হোটেল। আজকে প্রায় বিশ বছর আগে এই হোটেল চালু হয়েছে। ধন্যবাদ।
১৩ ই মার্চ, ২০১২ দুপুর ১২:৫২
ধীবর বলেছেন: ওহ তাই বলুন। দেখে শুনে মনে হচ্ছে পুরান ঢাকায় আপনার বেশ ভালো মত যাওয়া আসা ছিল। ![]()
২২|
১৩ ই মার্চ, ২০১২ দুপুর ১:৩৯
নাহিয়ান বিন হোসেন বলেছেন: ফিস্ট ছিলো হলে
১৫ ই মার্চ, ২০১২ সকাল ৯:২৯
ধীবর বলেছেন: বলেন কি নাহিয়ান ভাই? হলে এত কিছু? ইয়ে !হলে ফিস্টি হলে কি অতিথি নেয়া যায়? ![]()
২৩|
১৫ ই মার্চ, ২০১২ সকাল ৯:৫০
আহমেদ সাব্বির পল্লব বলেছেন: পোড়া বাড়ির চমচম রে...... আমারে করলি দিওয়ানা........
ধীবর ভাই চক্র তো পুর্ণ হয়ে গেল (সকালের নাস্তা থেকে রাতের খাবার) আর কিছু কি দিবেন? যেমন সেহেরী, ইফতারী, পূজা-পার্বণ, ঈদের খাওয়া .....
১৫ ই মার্চ, ২০১২ দুপুর ২:১৭
ধীবর বলেছেন: পল্লব ভাই, অনেক ধন্যবাদ। এর পরে আসবে বিয়ের খাবার। হেহেহে !
২৪|
১৫ ই মার্চ, ২০১২ সকাল ৯:৫৮
বিডি আইডল বলেছেন: আপনার এই পুরা সিরিজটা অফলাইনে পড়ি...অনলাইনে আসলেই পোষ্টে লোল পড়বে তাই :!>
১৫ ই মার্চ, ২০১২ দুপুর ২:১৮
ধীবর বলেছেন: হাহাহা। পড়ুক লোল। এর পরেও খাদ্য খাদক জিন্দাবাদ। কি বলেন?
২৫|
১৫ ই মার্চ, ২০১২ বিকাল ৫:৩৪
নাহিয়ান বিন হোসেন বলেছেন: আমাদের ফিস্ট টা বেশ জম্পেশই হয়! আগে আরো বেশি হতো! কিন্তু হাসিনা আপুর দ্রব্যমূল্যের ঠেলায় পড়ে ইদানিং .......
![]()
১৯ শে মার্চ, ২০১২ বিকাল ৪:১৩
ধীবর বলেছেন: কোন অসুবিধা নেই নাহিয়ান ভাই। যাই দিবে, আমার খেতে কোন সমস্যা নেই। ![]()
২৬|
২৫ শে এপ্রিল, ২০১২ রাত ৯:২৩
গুহামানব বলেছেন: মিস্টির রাজা মানেই পোড়াবাড়ির চমচম
স্যালুট
২৭ শে এপ্রিল, ২০১২ দুপুর ১:০৪
ধীবর বলেছেন: পুর্ণ সহমত গুহামানব ভাই। তাহলে আশা করতেই পারি, আপনি আমাদের পোড়াবাড়ির চমচম খাওয়াচ্ছেন। ![]()
২৭|
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৩ রাত ৯:২৮
নোবিতা রিফু বলেছেন:
©somewhere in net ltd.
১|
০৮ ই মার্চ, ২০১২ দুপুর ১:৫৬
চারু৩২ বলেছেন:
কি শুরু করলেন??
প্রতিদিন শুধু খাওনের পোস্ট। ক্ষুধা লেগে যায় আপনার পোস্ট দেখলে।