| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আসুন উত্তর খুজি
প্রথম পয়েন্ট,
(ক)অবরোধ উপলক্ষে বিভিন্ন জেলা, উপজেলা, বিভাগ পর্যায়ে মহাসমাবেশ হয়েছিল।
(খ)সেই সব মহাসমাবেশে বক্তারা উপস্থিত সবার কাছ থেকে শপথ নিয়েছিলেন, সবাই অবরোধস্থলে দাবী আদায় হওয়া কিংবা শহীদ হওয়া পর্যন্ত অবস্থান নিবেন।
(গ)শপথ অনুযায়ি মাদ্রাসার ছাত্র-আলেম এবং ধর্মপ্রাণ মুসলমান সবাই মানসিক এবং সব রকমের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিলেন অবরোধস্থলে স্থায়ী অবস্থানের।
এখন প্রশ্ন, স্থায়ী অবস্থানে হেফাজতের কর্মীদের এত আগ্রহের কারণ কি?
এটাকে ঠিক কারণ বলা যায় না। বরং তারা বাধ্যই হয়েছিলেন এই রকম কঠিন অবস্থানে যেতে। আর আওয়ামী লীগই এর জন্য সম্পূর্ণরুপে দায়ী।
কারণ,
(ক)৬ই এপ্রিল মহাসমাবেশ শেষে শান্তিপূর্ণভাবে স্থান ত্যাগ করার জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মখা আলমগির হেফাজতে ইসলামকে ধন্যবাদ জানায় এবং সে সহ লীগের আরও কয়েক উচ্ছপদস্থ নেতা হেফাজতের দাবিগুলো গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হবে এমন আশ্বাস দেয়। তখন অনেকেই আশা করেন, লীগের নেতাদের বোধহয় শুভবুদ্ধির উদয় হবে, তারা দাবিগুলো মেনে নিবে। আর দাবিগুলো মেনে নিলে আওয়ামী লীগের সাথে তাদের যে বৈরীপূর্ণ অবস্থান ফতোয়া বিরোধী রায়ের পর থেকে চলে আসছে, সেটাও কেটে যাবে।
(খ)কিন্তু কিছু দিন না যেতেই কয়েক জন মন্ত্রী বলে, হেফাজতের তের দফার কোনটাই মানা হবে না এবং দাবিগুলো নাকি অযৌক্তিক। মনে রাখতে হবে, এই তের দফার মধ্যে রয়েছে, সংবিধানের মূলনীতিতে আল্লাহর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস পুর্নবহাল এবং ইসলামকে নিয়ে কুটুক্তিকারীদের কঠোর শাস্তি বিধান প্রণয়নের মত তুমুল জনপ্রিয় এবং কাদিয়ানীদের অমুসলিম ঘোষণার মত দীর্ঘ দিনের দাবী। সাধারণ কর্মীদের মনোভাব ছিল, সরকার সবগুলো না মানুক কিন্তু এই দাবিগুলো অন্তত মেনে নিবে। কিন্তু কোন দাবী না মানার ঘোষণা দেওয়ায় প্রচণ্ডরূপে ক্ষুদ্ধ হয় হেফাজত কর্মী সহ ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।
(গ)আর এই ক্ষুদ্ধতার পরিমাণ বাড়িয়ে দেওয়ার জন্যই হয়ত লীগের এক বড় নেতা বলে, হেফাজত লেজ গুঁটিয়ে পালিয়েছে। তখন হেফাজতের সামনে উপায় থাকে না, ঈমান ও ইসলামের এই আন্দোলন থেকে পিছু হটার। কথার মাধ্যমে পাল্টা জবাব দেন তখন হেফাজতের নেতারা।
দ্বিতীয় পয়েন্ট
ফজরের পর থেকে শান্তিপূর্ণভাবে অবরোধ শুরু হয় ঢাকার ছয়টি পয়েন্টে। অধিকাংশ হেফাজত কর্মী তখন পর্যন্ত জানত না, ঢাকার বুকে সমাবেশের কথা। অবরোধ শুরুর ছয় থেকে সাত ঘণ্টা ঘোষণা আসে, সমাবেশ শুরু হবে। সবাই যেন শান্তিপূর্ণভাবে মিছিল নিয়ে সমাবেশের দিকে আসেন।
এখানে মূল পয়েন্টটি হচ্ছে, অবরোধে যারা এসেছিলেন, তাদেরকে বলা হয়েছিল অবরোধ স্থলে স্থায়ী অবস্থানের কথা। তাহলে কেন ঢাকার বুকে এই সমাবেশ?
(ক)আল্লামা আহমেদ শফির পক্ষে সম্ভব ছিল না প্রতিটি অবরোধ স্থলে গিয়ে পরবর্তী নির্দেশনা দেওয়া। তাই এই একত্রিত করন।
আল্লামা আহমেদ শফির সমাবেশে না আসার কারণ সম্পর্কে লালবাগ মাদ্রাসার ছাত্রদের সূত্রে যতটুকু জানা যায় তা হল, আল্লামা আহমেদ শফি সাহেব লালবাগ মাদ্রাসা থেকে বের হওয়ার সাথে সাথে গোয়েন্দা বাহিনীর লোকেরা তাকে ঘিরে ফেলে। এই অবস্থায় তাকে গুম করা হতে পারে এমন আশঙ্কায় তাকে মাদ্রাসায় ফিরে যাওয়ার অনুরোধ জানান হেফাজতের নেতারা।
(খ)হেফাজত ইসলাম অবরোধস্থল থেকে অবস্থান ওঠিয়ে নিয়ে ঢাকার ভিতর অবস্থান নিতে চাওয়ার আরেকটি কারণ এই হতে পারে যে, সরকারকে বুঝানো যে হেফাজতের কর্মীরা লেজ গুঁটিয়ে পালায় না। তারা দাবী আদায় করার জন্যই ঢাকায় এসেছে।
এটা ছিল একটি চরম ভুল সিদ্ধান্ত। কারণ, ঢাকার বুকে সমাবেশে সরকারকে যেমন বিপর্যস্ত অবস্থায় ফেলা যাবে আশা করা হয়েছিল, ছয়টি পয়েন্টে অবস্থান নিলে আরও বেশী বিপর্যস্ত হয়ে পড়ত সরকার।
সরকারের পক্ষে অত্যন্ত কষ্টসাধ্য ছিল এতো বিরাট এলাকা জুড়ে আক্রমণ করা এবং আক্রমণ করলেও হেফাজতের নেতা-কর্মীদের জন্য আত্নরক্ষার অসংখ্য জায়গা ছিল।
(গ)হেফাজতের কিছু নেতা আঠার দলীয় জোটের সদস্য। এই হিসাবে একটি তত্ব খুবই প্রতিষ্ঠিত করা গেছে যে হেফাজত সরকার উৎখাত করতে চেয়েছিল। জুনায়েদ বাবুনগরির কথা ধর্তব্য নয়। কারণ যারা জজ মিয়া নাটকটি দেখেছেন, তারা নিশ্চই স্বীকার করবেন, রিমান্ডে যা বলানো হয়, তা মঞ্চে অভিনেতার শেখান বুলি থেকে কোন অংশে কম নয়। পার্থক্য শুধু একজন জীবন বাঁচানোর জন্য বলে, আরেকজন বলে টাকার জন্য।
আর যদি জীবন দিতে প্রস্তুত লাখো মানুষের সংখ্যাধিক্য দেখে আঠার দলের সাথে যুক্ত হেফাজতের কিছু নেতা সত্যই সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করে থাকে, তাহলে সেই প্ল্যানে ভুল ছিল। কারণ তাদের মূল অস্ত্র, জীবন দেওয়ার জন্য প্রস্তুত হেফাজত কর্মীরা। আর শেখ হাসিনা চাইলেই মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে এই সব কর্মীদের নিস্ক্রিয় করে ফেলতে পারত। যেমনটা সে করেছে বিডিআর বিদ্রোহের সময় সাধারণ ক্ষমার ঘোষণা দিয়ে।
তৃতীয় পয়েন্ট
আওয়ামী লীগের নেতারা বলছে, হেফাজতকে মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকায় অবস্থান স্থায়ী করতে দিলে তারা সরকার উৎখাতের চেষ্টা করত।
এখন প্রশ্ন,
(ক)হেফাজতে ইসলামের নেতাদের সেই দিনের যেই কথাগুলো সামনে এনে তারা এই দাবী করছেন, হেফাজতের নেতারা পূর্বেও সেই রকম কথা বলেছেন। তাহলে কেন তাদেরকে ঢাকার ভিতর ঢুকার অনুমতি দিল সরকার?
এমন না যে অবরোধস্থলে কোন রকম সহিংসতা হচ্ছিল যেগুলো থেকে বিরত রাখার জন্য এই অনুমতি।
(খ)হেফাজতে ইসলাম মতিঝিল বানিজ্যিক এলাকায় নয়, বায়তুল মোকাররম এলাকায় সমাবেশ করতে চেয়েছিল। সরকার কেন তাদের মতিঝিলে সমাবেশের অনুমতি দিল?
উল্লেখ্য বিএনপি জোটের আমলে মুক্তাঙ্গনে কওমি মাদ্রাসার ছাত্ররা কওমি সনদের স্বীকৃতির দাবীতে চারদিন অবস্থান ধর্মঘট করেছিল। সেই সময় রাতে অনেকেই বায়তুল মোকাররম মসজিদে অবস্থান করতেন।
(গ)কেন সেদিন লীগের গুণ্ডারা হাউস বিল্ডিংয়ের গাড়িতে আগুন দিল?
উল্লেখ্য যে, হেফাজতের তাণ্ডব বলে যেই সব সেদিন মিডিয়াগুলো যেই সকল ভিডিও প্রকাশ করেছে, দেখলেই বুঝা যায়, তারা কেউ মাদ্রাসার ছাত্র নয়।
(ঘ)কেন সেদিন লীগের গুণ্ডারা অস্ত্র হাতে মহড়া দিয়েছিল?
অবরোধের দিন বিকেলেই কিছু হেফাজত কর্মী যারা নিজের এলাকার লোকদের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিলেন, তারা বাড়িতে যাবার কথা ভাবছিলেন। কিন্তু যাওয়ার পথে রাস্তায় লীগের গুণ্ডারা তাদের মেরে ফেলবে, এই আশংকায় তারা তাদের যাওয়ার চিন্তা ত্যাগ করেন।
তৃতীয় পয়েন্টের প্রশ্নের উত্তরগুলো আপনার বিবেক দ্বারা আপনি নিজেই খোঁজে নিন।
এর পিছনে রয়েছে নির্মম রহাস্য যা চেপে গিয়েছে নিয়ন্ত্রিত/হলুদে মিডিয়া, পা চাঁটা বুদ্দিজীবিরা।
সত্য কখনই চাপা থাকে না। যতই দিন যাক, যতই চেষ্টা করা হোক।
সত্য একদিন বেড়িয়ে আসবেই।
২|
০২ রা জুন, ২০১৩ সকাল ৮:১০
আতা2010 বলেছেন: ৫ মে অবরোধ= শিয়াবে আবু তালেব:
মুসলমানকে করলে অবরোধ তা মিলে যাবে ‘শিয়াবে আবু তালেব’ নামক অবরোধের সাথে যেখানে নবী করিম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও উনার সাহাবীবগণকে ৩ বছর অবরোধ করে রেখেছিল কাফিররা।
হ্যা সরকার যদি কোন দোষ করে, সরকারের থেকে যদি কোন দাবি আদায় করতে হয় তবে সরকারের বাসায় অবরোধ কর, সাধারণ জনগণকে কেন?
অথচ হাদীস শরীফে ইরশাদ হয়েছে, ايذاء المسلم كفر “কোন মুসলমানকে কষ্ট দেয়া কুফরী।
Click This Link
তাই তাদের জন্য ইহকালে লাঞ্ছনা , রিমান্ড , পুলিশের লাথি ঊশঠা , আর পরকালে অপেক্ষা করছে কঠিন জাহান্নমের শাস্তি।
০২ রা জুন, ২০১৩ সকাল ৯:০৪
তবুও আমি বলেছেন: আচ্ছা, মুসলমানদের জন্য বেশী কষ্টকর কোনটা?
প্রিয়নবী(স)কে দেওয়া গালি সহ্য করা, ইসলামবিরোধি কাজকর্ম মেনে নেওয়া নাকি যানবাহন চলাচল আটকে দেওয়া?
রাজারবাগ দরবারের ধর্ম ব্যবসার আলোকে নয়, বাস্তব সত্যের উপর ভিত্তি করে জানতে চাই
৩|
০২ রা জুন, ২০১৩ সকাল ৮:৩৫
হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
আওয়ামীলিগের অফিসে সর্বাত্ত্বক হামলা হয়েছেল, লিগের গুন্ডারা প্রানপন চেষ্টা করতে দেখা গেছে তাদের অফিস বাচাতে। তারা সংখায় কম ছিল, কেউ এলাকার বাইরে যেতে পারেনি।
এই পোষ্টের লেখাটি পড়ুন, কমেন্টের উত্তর সহ
Click This Link
০২ রা জুন, ২০১৩ সকাল ৯:০৭
তবুও আমি বলেছেন: আওয়ামীলিগের অফিসে সর্বাত্ত্বক হামলা হয়েছিল
এই পর্যন্ত যতগুলো ভিডিও আমার সামনে এসেছে, তার একটাতেও এই রকম চোখে পড়েনি। বরং কয়েকটা ভিডিওতে দেখা গেছে, লীগের গুণ্ডারাই আগ বাড়িয়ে হেফাজতের মিছিলে হামলা করেছে।
৪|
০২ রা জুন, ২০১৩ সকাল ৮:৩৬
অগ্নি সারথি বলেছেন: বাইজান হেইদিন সারাডা রাইত মতিঝিলে আটকা আছিলাম। হেপাজইত্যা কি তান্ডব চালাইছে তা আর কাউরে বইলা দেওন লাগবো না। বাল ফালাইতে অখন আইছেন হেপাজতের তাবেদারী চু দাইতে। বলেন ফটিকছড়ির ঘটনা তেও হেপাজত নিষ্পাপ।
এইডা দেহেন, কামে দিব।
০২ রা জুন, ২০১৩ সকাল ৯:০৯
তবুও আমি বলেছেন: যুক্তি-প্রমাণে না পারলেই শুরু হয়ে যায় ইসলামবিদ্বেষিদের মাতৃভাষা(গালিগালাজ)
সমস্যা নাই, আমরা তখন এই সব ব্লগারদের বংশ পরিচয় সম্পর্কে ধারনা পেয়ে যাই।
৫|
০২ রা জুন, ২০১৩ সকাল ৮:৪৩
রোজিনা৪০ বলেছেন: হেফাজতে ইসলাম তো বলছিলো আমাদের দাবী মেনে নিলে আমরা চলে যাব এ ছাড়া অন্য কোন উদ্দেশ্য নিয়ে ঢাকায় আমরা আসিনি সংবাদ সম্মেলনে এ কথা পরিষ্কার বলছিলো।
০২ রা জুন, ২০১৩ সকাল ৯:১৩
তবুও আমি বলেছেন: ধন্যবাদ মন্তব্য করার জন্য
৬|
০২ রা জুন, ২০১৩ সকাল ৮:৫৭
আতা2010 বলেছেন: মুনাফিক
০২ রা জুন, ২০১৩ সকাল ৯:১৪
তবুও আমি বলেছেন: যারা নিজেদের মুসলমান দাবী করে কিন্তু কাজ-কর্মে বিপরীত
৭|
০২ রা জুন, ২০১৩ সকাল ৯:০৭
লিঙ্কনহুসাইন বলেছেন: সফি বলেছিলেন ৫ তারিখে যদি সরকার তাদের সব দাবী না মানে তাহলে সরকারে পতন ঘটিয়ে তারাই সরকার হবেন
শফির সাথে বিএনপির অনেক কানেকশন ছিল সেই জন্যই বেগম জিয়া হাসিনাকে ২৪ ঘন্টার টাইম দিতে গিয়ে বলেছিলে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে সরকার পালানোর সময় পাবেনা ।
০২ রা জুন, ২০১৩ সকাল ৯:১৮
তবুও আমি বলেছেন: মূল প্রসঙ্গ এখানে সরকার পতন নয়, দাবী না মানার ক্ষেত্রে লীগের একগুয়েমি
৮|
০২ রা জুন, ২০১৩ সকাল ৯:০৮
পরিবেশবাদী ঈগলপাখি বলেছেন:
অসাধারন পোস্ট !! এক কথায় অসাধারন বিশ্লেষন।
সরকারের সদিচ্ছা থাকলে আল্লামা হেলিকপ্টার শফির কাছ হইতে হেফাজতিদের গুপ্তকেশ কর্তনের তথ্য সংগ্রহ করে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে। কিন্তু বাকশালী সরকার তাহা না করিয়া, নিরীহ লিল্লা বোর্ডিং এর পুলাপান দের ঢাকা শহরের শান্তিপুর্ন ভাংচুর ও আগুন লাগানোতে বাধা দেয়। এই নিরীহ হেফাজতিরা এক বেলা শান্তিপুর্ন ভাঙ্গাচুরা চালাবে, এটা কি কুন অপরাধ !! এবং রাতের অন্ধকারে মিগ-৪২ টেংক বন্দুক কামান লইয়া ঝাপাইয়া পড়ে, বাকশালীনাস্তিক কুকুরেরা।
আবারো, অসাধারন এক পুস্ট।
পড়তে পড়তে পানি এসে গেল।
তাই
..................
পোস্টে ছ্যাড় ছ্যাড় কইরা মুতে গেলাম
০২ রা জুন, ২০১৩ সকাল ৯:১৮
তবুও আমি বলেছেন: যুক্তি-প্রমাণে না পারলেই শুরু হয়ে যায় ইসলামবিদ্বেষিদের মাতৃভাষা(গালিগালাজ)
সমস্যা নাই, আমরা তখন এই সব ব্লগারদের বংশ পরিচয় সম্পর্কে ধারনা পেয়ে যাই।
৯|
০২ রা জুন, ২০১৩ সকাল ৯:১৮
আতা2010 বলেছেন: নিরীহ লিল্লা বোর্ডিং এর পুলাপানদের ভিক্ষা করায়েই এই কওমি মাদ্রাসার মোল্লারা চলে।
এরা হিন্দু ভারতের প্রোডাক্ট । ওদের মুল আস্তানা মালু ভারতের উত্তর প্রদেশ ।
এরা """"র""""""" এর এজেন্ট
০২ রা জুন, ২০১৩ সকাল ৯:২০
তবুও আমি বলেছেন: মুখ সামলাইয়া কথা বল, আমার ঢাকায় নিজের বাড়ি আছে, আমার সব ভাই-বোন কওমি মাদ্রাসায় পড়ে।
১০|
০২ রা জুন, ২০১৩ সকাল ৯:২৫
লিঙ্কনহুসাইন বলেছেন: শুনেন আপনি যত যুক্তি দেন আর যাই করেন হেফাজত হইছে মাহমুদুর রহমানের সৃষ্টি , আর হেদাজতের আসল উদ্দেশ্য হলো বিএনপির মনের ভাসনা পুরন করা । হেফাজতের সাপোর্ট পেয়ে ছাগলদের যেই দৌড় যাপ দেখলাম তা তো মনে থাকবে অনেক দিন ।
০২ রা জুন, ২০১৩ সকাল ৯:৩১
তবুও আমি বলেছেন: শোন, আমি যদি তোমাদের প্রশ্ন করি, এতদিন পরে তোমরা এই গণজাগরণ মঞ্চ বানাতে গেলে কেন? তাও স্বাধীনতার ৪২ বছর পরে!
তোমরা বলবে, রায় তোমাদের মনের মত না হওয়ায় তোমরা ক্ষোভের থেকে এই কাজটি করেছো। অর্থাৎ, কোন পুর্ব পরিকল্পিত নয়, হঠাৎ সৃস্ট্র ক্ষোভের থেকে এই আন্দোলনের জন্ম।
তেমনি তোমরা যে প্রশ্ন কর, আলেমরা হঠাৎ কেন এই আন্দোলনের ডাক দিল?
সেটার উত্তরও তোমাদের মত, কারণ তারা যখন দেখল, এই বাংলাদেশে ইসলামকে নিয়ে জঘন্য কুটুক্তি করা হয়, তখন যদি তারা প্রতিবাদ না করত, তাহলে বুঝা যেত, তারা আলেম নয়, আলেম নামের কলন্ক, তারা প্রিয়নবী(স) কে ভালোবাসে না।
এখন যদি বল, কেন গণজাগরণ মঞ্চকে এখানে ভরা হল।
কারণ, এই গণজাগরণ মঞ্চ থেকে ইসলামকে নিয়ে কুটুক্তিকারী রাজিবকে মহান বানানোর চেষ্টা করা হয়েছে। তার জানাযায় নারি-পুরুষ সকলে একত্রিত হয়ে অযু ছাড়া গোল হয়ে নামায পরার নামে ফাজলামো করেছে। কোরআন-হাদিসের শিক্ষাকে অন্ধকারের শিক্ষা বলা হয়েছে। সর্বশেষ গনজাগরণ মঞ্চ এবং তোমরা ইসলামকে নিয়ে কুটুক্তিকারীদের মুক্তি চেয়েছো।
১১|
০২ রা জুন, ২০১৩ সকাল ৯:২৮
লিঙ্কনহুসাইন বলেছেন: @ আতা2010 , খবরদার মুখ সামলাইয়া কথা বল , ঢাকায় তাদের বাড়ি আছে গাড়ি আছে তারা ভাই বোন সবাই মাদ্রাসায় পড়ে
০২ রা জুন, ২০১৩ সকাল ৯:৩২
তবুও আমি বলেছেন: যা ইচ্ছা তাই বলবে
১২|
০২ রা জুন, ২০১৩ সকাল ৯:৪৯
মো ঃ আবু সাঈদ বলেছেন: মুসলমানদের জন্য বেশী কষ্টকর কোনটা?
প্রিয়নবী(স)কে দেওয়া গালি সহ্য করা, ইসলামবিরোধি কাজকর্ম মেনে নেওয়া নাকি যানবাহন চলাচল আটকে দেওয়া?...সহমত
আপনার লেখা সুন্দর হয়েছে....
এই বল্গে আমি যখন শাহাবাগে মোমাবাতি জ্বালানোর জন্য বিভিন্ন পোষ্ট আসছিল ,তখন শুধু একটি আহবান জানিয়ে ছিলম যে ,যারা অপরাধী তাদের যেন সঠিক বিচার হয় তার জন্য আল্রাহ কাছে মুনাজত কারা...শুধু এই কারনে আমার পোষ্ট করা বন্ধ করে দিয়েছে ।
তাই ভাই,কেউ গালি দিলে বা অশোভন কথা বলে তার উত্তর না দেওয়াই ভাল....কারন উত্তজিত হলে আপনার মূল কাজেই ব্যহত হবে।
ভাল থাকবেন....
০৩ রা জুন, ২০১৩ সকাল ৯:৩৭
তবুও আমি বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই
সুন্দর মন্তব্য
আপনিও ভালো থাকবেন
১৩|
০২ রা জুন, ২০১৩ সকাল ১০:০১
ৈতয়ব খান বলেছেন: আমরা চাই সত্যটা বেরিয়ে আসুক।
যুগে যুগে মুসলমানদের পরীক্ষা দিয়ে দিয়ে পথ চলতে হয়েছে।
পৃথিবী যতোদিন থাকবে; এ পরীক্ষা ততোদিন থাকবে।
ব্যথিত, ধর্য্যহারা হওয়ার কিছু নেই।
একদিন মানুষ জানবে, বুঝবে ভেতরের অতল রহস্য
০৩ রা জুন, ২০১৩ সকাল ৯:৩৮
তবুও আমি বলেছেন: সহমত
ধন্যবাদ
১৪|
০২ রা জুন, ২০১৩ সকাল ১০:০২
ৈতয়ব খান বলেছেন: আপনার লেখার জন্য ধন্যবাদ।
০৩ রা জুন, ২০১৩ সকাল ৯:৩৯
তবুও আমি বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ
১৫|
০২ রা জুন, ২০১৩ সকাল ১০:০৮
মোমের মানুষ বলেছেন: দিবালকের নিয়ে স্পষ্ট একটি বিষয় যেখানে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন গুলো বলে আসছে, ৫ই মে এর ভয়াল সে কাল রাত্রে যে গনহত্যা চালানো হয়েছিল তা অন্ধকারে রাখতেই বিরোধী মিডিয়াগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, আর পা চাটা মিডিয়াগুলোকেও নীরব রাখা হয়েছে।
উপরে দেখতাছি আতা মার্কা কয়েকটা জাতিয় আবাল এই তিক্ত সত্যটাকে অস্বীকার করতাছে। এগোরে জাতিয় আবলা আর ছাগু পদে নোবেল দেওয়ার জোর সুপারিশ করতাছি
০৩ রা জুন, ২০১৩ সকাল ৯:৩৯
তবুও আমি বলেছেন: এই সব বলদগুলার সাথে কোন কথা বলতে ইচ্ছা করে না
১৬|
০২ রা জুন, ২০১৩ সকাল ১১:০৪
বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: সত্য কখনই চাপা থাকে না। যতই দিন যাক, যতই চেষ্টা করা হোক।
সত্য একদিন বেড়িয়ে আসবেই।
@ ৈতয়ব খান , মোমের মানুষ ধন্যবাদ + সহমত।
ধরে নিলাম কেউ মরেনি। তো পরের দিন ১৪৪ ধারা দিয়েছিল কেন ? !!!!!আতংকিত করে কিছূ সময় জয় করা যায়, সবসময় নয়।
০৩ রা জুন, ২০১৩ সকাল ৯:৪০
তবুও আমি বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই
১৭|
০২ রা জুন, ২০১৩ সকাল ১১:১৬
মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
এই সরকারের মেয়াদ তো বলতে গেলে শেষ।
আগামীতে বিএনপি যদি ক্ষমতায় আসে তাহলে তারা কি হেফাজতের ১৩ দফা মানবে?
তারা কেন কথা দেয় না যে তারা মানবে।
আ.লীগ তো মানবে না এটা বোঝাই যায়।
০৩ রা জুন, ২০১৩ সকাল ৯:৪০
তবুও আমি বলেছেন: আমাদের সংগ্রাম চলবে, তের দফার দাবীতে আমরা মাঠে নেমেছি, তের দফা আদায় হওয়া পর্যন্ত সংগ্রাম করে যাব।
ক্ষমতায় বিএনপি না অন্য কেউ সেটা দেখার সময় নাই
১৮|
০২ রা জুন, ২০১৩ সকাল ১১:৩৩
দখিনা বাতাস বলেছেন: @ মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন ,
খালেদা জিয়া হেফাজতের জন্য এত কিছু করলো, ঢাকাবাসীরে সাহায্য করতে বলল, আর এই ১৩দফা মানবো না? কি কন ভাই? অবশ্যই মানবো।
তবে আসল কথা হইলো, খালেদা জিয়া যখন সরকারে আসবো, তখণ এই রাজাকাররা কেউ জেলে থাকবো না, তারা থাকবো মন্ত্রী। কাজেই রাজাকারের বিচারও থাকবো না, হেফাজতও ১৩ দফার কথা কইবো না। কারন, তাদের মনের আসল গোপন ১৪তম দফা, রাজাকারের বিচার বাতিল কর, এইটার আর দরকার নাই। কাজেই হেফাজতরে তখন মাইরা ফালাইলেও ১৩দফা নিয়া কথা কইতে দেখবেন না, খালেদারও কিছু মানতে হইবোনা।
০৩ রা জুন, ২০১৩ সকাল ৯:৪০
তবুও আমি বলেছেন: আপনি তো ভাই ভালই মাইন্ড রিডার।
তের দফা মানার পরে যদি আমরা শান্ত না হতাম তাহলে আপনার কথায় যুক্তি থাকত।
১৯|
০২ রা জুন, ২০১৩ সকাল ১১:৫৪
জাহি বলেছেন: বিএনপি হেফাজত এর ১৩ দফা মানবে কি মানবে না সেটা আলাদা কথা তবে নাস্তিকদের পশ্চাৎ দেশ দিয়ে যে বাঁশ ভরবে সেটা নিশ্চিত । তো নাস্তিক মামারা প্রস্তুত আছেন তো ।
০৩ রা জুন, ২০১৩ সকাল ৯:৪১
তবুও আমি বলেছেন: মজার কথা তো
২০|
০২ রা জুন, ২০১৩ দুপুর ১২:০৮
আতা2010 বলেছেন: যারা মরছে ওদের মা বাবা কই ? অরা কি জারজ নাকি আহমক সফির অবৈধ সন্তান ??????????????
০৩ রা জুন, ২০১৩ সকাল ৯:৪১
তবুও আমি বলেছেন: ১-অনেকের স্বজনেরা পুলিশি হয়রানির ভয়ে এই বিষয়ে চুপ রয়েছেন।
২-আর যাদের নাম প্রকাশ্যে এসেছে, তাদের নিয়েও খবর ছাপছে দালাল মিডিয়।
তোর ভাষা খারাপ, তাই তোরে ব্লক করলাম
২১|
০২ রা জুন, ২০১৩ দুপুর ১২:৩৫
জহির উদদীন বলেছেন: আতা২০১০ কি কাঠাল পাতা খায়......?
০৩ রা জুন, ২০১৩ সকাল ৯:৪৩
তবুও আমি বলেছেন: কাঁঠাল পাতা খায় কিনা জানি না, তবে ভণ্ড পীরের মুরিদ যেহেতু, গাঞ্জা খায় এটা নিশ্চিত
২২|
০২ রা জুন, ২০১৩ বিকাল ৩:৩৫
মোমের মানুষ বলেছেন: জহির উদদীন@ ছাগিটায় কাঠাল পাতা খেলেও তো একটু ভাল।
তবে ছাগিটায় ছাগলের ল্যাদা খায় আর ল্যাদায়।
০৩ রা জুন, ২০১৩ সকাল ৯:৪৫
তবুও আমি বলেছেন:
২৩|
০২ রা জুন, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৩১
ই এইচ মািনক বলেছেন: কয়েকটা যে পিগু এসেছে তা কি বুঝতে পেরেছেন???
০৩ রা জুন, ২০১৩ সকাল ৯:৪৫
তবুও আমি বলেছেন: ভাই, পিগু কাদের বলে জানি না
২৪|
০২ রা জুন, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৩৩
ই এইচ মািনক বলেছেন: @জহির উদ্দিন যার যেটা খাবার তাকে সেটাই খেতে দিন। আর এটা হয়ত জানেন না যে প্রাণী গু খায় সে প্রানী পাতা খায়না।
০৩ রা জুন, ২০১৩ সকাল ৯:৪৬
তবুও আমি বলেছেন: সাত সকালে আপনাদের কমেন্টগুলো দেখে হাসতেই আছি।
২৫|
০২ রা জুন, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৩৯
ই এইচ মািনক বলেছেন: @লিঙ্কনহুসাইন,
হেফাজত যদি মাহমুদুর রহমানের সৃষ্টি হয় তাহলে এটা আমার আপনার ব্যর্থতা কারন আমি আপনি ব্লগে অনেক খারাপ লেখা আমিও পরেছি আপনিও পরেছেন।কেন আমরা সতর্ক হয়নি???
ব্যক্তি মাহমুদুর কে আপনি অপছন্দ করতে পারেন। কিন্তু জারজ গুলোর লেখা প্রকাশ করার জন্য তাদেরকে ঘৃনা না করে মাহমুদুর কে কেন করেন??????.
এক চোখ নিয়া থাকবেন না।
০৩ রা জুন, ২০১৩ সকাল ৯:৪৭
তবুও আমি বলেছেন: সুন্দর যুক্তি ভাই
ধন্যবাদ
২৬|
০৩ রা জুন, ২০১৩ রাত ১২:১৫
অগ্নি সারথি বলেছেন: পরিবেশবাদী ঈগলপাখি বলেছেন: পোস্টে ছ্যাড় ছ্যাড় কইরা মুতে গেলাম।
০৩ রা জুন, ২০১৩ সকাল ৯:৫৫
তবুও আমি বলেছেন: নিচু লোকের প্রধান হাতিয়ার হচ্ছে অশ্লীল বাক্য
©somewhere in net ltd.
১|
০২ রা জুন, ২০১৩ সকাল ৮:০৭
আতা2010 বলেছেন: হ্যাপাজটেরতো ধূতি একেবারে খুলে দিলাম !
ঢাকাবাসী সবাই কিন্তু কাফির না, বরং অধিকাংশই মুসলমান এবং ধর্মভীরু। অথচ পবিত্র কুরআন শরীফে আছে: “একজনের গুনাহর বোঝা অন্যজন বহন করবে না।” (সূরা আনয়াম/১৬৪)
তাহলে মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলকে কি করে অবরোধ করা যেতে পারে?