নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

তোজি

www.facebook.com/toji.eira

তোজি › বিস্তারিত পোস্টঃ

ধর্ষিত বাংলাদেশ

০৭ ই জুন, ২০১৩ বিকাল ৫:৩৬

[১৮ পিলাস পোস্ট, সাবধানে কনটিনিউ করবেন]



ধর্ষনের কবলে বাংলাদেশ ।



যেখানেই যাই সেখানেই ধর্ষন, যেভাবে দেখি সেভাবেই ধর্ষন, যা দেখি সেই দেখার মাঝে ও ধর্ষন, যা শুনি সেই শোনার মাঝে ও ধর্ষন । হয়তো বা সেটা প্রত্যক্ষভাবে নয়তো বা পরোক্ষভাবে । হয়তো বা কেউ হর্ষকামি ধর্ষনের শিকার নয়তো বা মর্ষকামী শিকার ।



১৪ মাস থেকে সাত বছরের শিশুরা প্রত্যক্ষভাবে শিকার হচ্ছে, এটাকে কি মর্ষকামী ধর্ষনের শিকার বলা যাবে ? হর্ষকামীতা রয়েছে কিন্তু এসব শিশুদের মর্ষকামীতার অনুভতি কি আছে ? না নেই, প্রত্যক্ষ ধর্ষনের জন্য একতরফা অনুভুতি হলেই চলে । একতরফা পেডোফেলিয়ার উদ্রেক ই যথেষ্ট । প্রত্যক্ষ অবৈধ ধর্ষন একজন বিকৃত মস্তিষ্কের মানুষ দ্বারাই ফহটে । আর বিকৃত মস্তিষ্কের লোকজন বাস করে ন্যুডিজম সমাজে । আসলে কি বাংলাদেশে ন্যুডিজম সমাজ ব্যাবস্থা প্রচলিত আছে ! যে ভাবে এই মহামারি ছড়িয়ে পরছে তাতে মনে হচ্ছে আমরা নুডিজম সমাজের ই বাসিন্দা । আমরা আধুনিক সভ্যতায় এসে ন্যুডিজম সমাজ শিকছি ধর্ষন একটি স্বাভাবিক প্রবৃতি মাত্র । প্রত্যক্ষ হর্ষকামী ধর্ষনের প্রত্যক্ষ ভাবে সর্বোচ্চ শাস্তি না হলে এই সমাজ একদিন সত্যি সত্যি ন্যুডিজম সমাজে পরিণত হবে এটা নিস্চিত ।



এবার আসি পরোক্ষ ধর্ষনে,

ধরুন আপনি আপনার গার্লফ্রেন্ডকে নিয়ে একটি পার্কে বসে আছেন । একসময় আপনি পাশে বসা গার্লফ্রেন্ডের হাতটি চেপে ধরলেন আর আপনার গার্লফ্রেন্ড হাতটি ছাড়ার জন্য আস্তে আস্তে ছাড়িয়ে নিতে চাইছে, কিন্তু সে মন থেকে সেটা চাইছে না ।চাইছে না আপনি তার হাতটি ছেড়ে দেন । আর এটাই হল পবিত্র ভালোবাসার পরোক্ষ ধর্ষন ।



ধরেন আপনি আমার সাথে চ্যাট করতে চান না তারপর ও আমি আপনাকে অনর্থক মেসেজ দিয়ে যাচ্ছি । এটা হল আমি দ্বারা আপনাকে ডিজিটাল ধর্ষন ।



এই মহূর্তে আমি একটি টিউশনিতে আছি, স্টুডেন্টকে অংক করতে দিয়ে পোস্টটি লিখছি । এখানে ও আমার দ্বারা আমার স্টুডেন্টের অভিভাবকের আমার প্রতি বিশ্বাসের প্রতি আবিশ্বাস্য ধর্ষন ।





আর রাজনীতিবিদদের দ্বারা যে কতভাবে আমরা ধর্ষনের শিকার হচ্ছি তা নিয়ে আমি একটি বই লিখে ফেলতে পারবো কিন্তু আপনার পড়ার ধৈর্য হবে না বলে লিখলাম না ।

আমরা রাজনৈতিক ধর্ষনের ও শিকার হচ্ছি ।



যাই হোক, আমরা যে কোন দুর্ঘটনায় শাস্তি শাস্তি করি কিন্তু আমরা কখনো ভেবে দেখি না, কোন আইন বা শাস্তির মাধ্যমে দুর্ঘটনা রোধ করা যায় না । দুর্ঘটনা রোধে প্রয়োজন দুর্ঘটনা পুর্ব ব্যাবস্থা ।



একটি শিশু যখন ধর্ষিত হয় তখন শিশুটি একা ধর্ষনের শিকার হয় না, শিকার হয় আমাদের পুরো সমাজ ব্যাবস্থা । তাই সমাজকে ধর্ষনের হাত থেকে বাচতে হলে প্রয়োজন সামাজিক সচেতনতা । প্রয়োজন শিশুদের শারীরিক সীমানা সম্পর্কে সচেতন করা । আমাদের মত তৃতীয় বিশ্বের অভিভাবক এবং শিশুদের মধ্যে যৌন বিষয় সম্পর্কে সেভাবে আলোচনা হয় না তাই আমাদের মত দেশে এই প্রকোপটি বেশি পরিলক্ষিত হয় । অনেক সময় অনেকেই শিশুদের প্রতি দুষ্ট আদর করে থাকে যা শিশুরা বুঝতে পারে না এবং প্রকাশ করতে পারে না ফলে যা হবার তাই হয় । ফলশ্রুতিতে শিশুরা যৌনভীতি রোগ সহ ডিপ্রেশন, হিস্টেরিয়ায় আক্রান্ত হয় ।



সুতরাং, সামাজিক ধর্ষন রোধে প্রয়োজন লিভটুগেদার ( সিচুয়েশন তাই বলে ) , প্রকৃতিগত ধর্ষনে প্রয়োজন মেয়েদের পোষাকের শালীনতা আর শিশু ধর্ষনে সামাজিক সচেতনতা । আর পেডোফেলিয়া মানষিক রোগীদের প্রয়োজন পুনর্বাসনের ব্যাবস্থা করা । প্রত্যক্ষ ধর্ষন রোধে আপাতত এতটুকু প্রয়োজন । আপনার বেশি কিছু জানা থাকলে শেয়ার করতে পারেন ।



প্রত্যক্ষ ধর্ষনে ও এগুলোর প্রয়োজন রয়েছে । রয়েছে সামাজিক মুল্যবোধ, নৈতিকতা, মনুষ্যত্ব, ধর্মীয় অনুশাষন, ধর্মীয় অনুরাগ ইত্যাদি ।



[ প্লিজ উল্টা-পাল্টা কমেন্টস করবেন না, যুক্তি নিয়ে আসুন ]

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.