নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

জঙ্গলে বাঘ লেখাটা আমা ছিলো, জানো তো!?

তড়িৎ বাবু

আমি পথচারী।

তড়িৎ বাবু › বিস্তারিত পোস্টঃ

একজন জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে জনআহাজারীঃ "বিচার পাব কোথায়?"

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৬ রাত ৮:১৩


(দলীয় মনোনয়ন পেতে সর্বস্তরের সাধারন জনতার নামে ছাপানো পোস্টার)


(মাননীয় সিটি মেয়রের ইমেজ ব্যবহার করে দূর্বৃত্ত পরায়ন কাউন্সিলর গোলাম মোহাম্মদ চৌধুরীর ইদ শুভেচ্ছা বিনিময়! সবই মিথ্যাচার??)


(ভিটা উচ্ছেদের সন্ত্রাসে নেতৃত্ব দেয়া বড় ছেলে ইরফানকে সাথে নিয়ে কাউন্সিলরের ভোট প্রার্থনার ফাইল ছবি!)



প্রতিটি নির্বাচনের আগে নির্বাচনী প্রার্থীরা জনগণের হাত-পা ধরে আকুতি জানান। নির্বাচিত হলে জনগনের সেবক হিসেবে জনগণের পাশে থাকার কাঙ্ক্ষিত ওয়াদা করেন। এই প্রার্থীও একই ভাবে ফেরেশতার রুপ ধারন করে পার হন তার নির্বাচনী বৈতরনী! কিন্তু একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচনে বিজয়ী হবার পর পুরো প্রশাসন ও সন্ত্রাসকে এক করে জনগণের ভিটেমাটি দখলে নেমে যান তিনি! জাল দলিল বানিয়ে, জনগণের ভিটেমাটি পর্যন্ত দখলের উদ্দেশ্যে সন্ত্রাস বাহিনী সহযোগে মাঠে নামিয়ে দেন নিজের তিন পুত্রকেও!

এই জনপ্রতিনিধি হলেন চট্টগ্রামের ৩৮ নং ওর্য়াড কাউন্সিলর গোলাম মোহাম্মদ চৌধুরী। নির্বাচনের আগে কথা ছিলো এলাকার সন্ত্রাস প্রতিরোধ করবেন তিনি! হবেন জনগনের সত্যিকার প্রতিনিধি! আর, নির্বাচনের পরই সন্ত্রাসের সেবা গ্রহণে ব্যাস্ত হয়ে গেলেন! সন্ত্রাস লালন করে হলেন জনগণের শত্রু!




(সকাল হতেই বিপুল সন্ত্রাসীর বাড়ি ঘিরে অবস্থানের প্রকাশ্য দৃশ্য। যেখানে কোন আইনের বালাই নাই!)



(বাড়ির ভেতর হামলার মুহুর্তে কাউন্সিলরের ভাড়া করা জঘন্য হিজড়া সন্ত্রাসীদের একজন।)



ঘটনা গত ৩১ শে মার্চ তারিখের। চট্টগ্রাম সাকিন দক্ষিন মধ্যম হালিশহরে অবস্থিত ওয়াশিল চৌধুরীর বাড়িতে অচমকা প্রায় ৩০০ জন সশ্রস্ত্র সন্ত্রাসী হাজির! সকাল ৯ ঘটিকায় এলাকাজুড়ে এত স্বশস্ত্র সন্ত্রাসির উপস্থিতি দেখে ভড়কে যান সেখানকার বসবাসকারী সাধারন মানুষ। সাথে ভাড়া করা একদল হিজড়ার চূড়ান্ত অসভ্যতা দেখে প্রতিবাদে আগত মানুষও ন্যূনতম সম্মান নিয়ে সরে পড়ছেন! হকিষ্টিক, রড, ক্রিস, চাপাতি I বিপুল পরিমান দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে শুরু হলো সন্ত্রাস-হিজড়ার যৌথ তান্ডব!



(সন্ত্রাসী বাহিনী কর্তৃক মূল গেট ভেঙ্গে বাড়িতে প্রবেশের মুহুর্ত!)


ঘটনাস্থলে খোদ উপস্থিত নির্বাচিত কাউন্সিলর গোলাম মোহাম্মদ চৌধুরীর তিন পুত্র ইরফান, ইমন ও ফাহিম! ফিল্মি স্টাইলে পুরো তান্ডবলীলার নেতৃত্বে তারা। আচমকা এই সন্ত্রাসের কাছে জিম্মি হয়ে পড়া নীরিহ মালিক ও তার পরিবারের আত্মচিৎকার সত্বেও অসহায় প্রতিবেশীরা! যেন একটি মগের মুল্লুক! বিস্ময়কর ভাবে এই ঘটনাস্থলের ঠিক পাশেই দাঁড়িয়ে থাকা দুই দুইটি গাড়ি ভর্তি পুলিশ যেন আগে থেকেই বুঝিয়ে দিচ্ছে, তাদেরকে কষ্ট করে খবর দেয়ারও প্রয়োজন নেই। খোদ বন্দর থানাই অপরাধীদের পক্ষে অবস্থান জানান দিতে আগ্রহী! সকাল থেকে দিনভর সন্ত্রাসী তান্ডবে মোতাহের আহাম্মদ চৌধুরীর পৈত্রিক বসত বাড়ি ও বাড়ির মূল ফটক ধ্বংস করার পাশাপাশি বাড়ির সীমানা প্রাচীর উপড়ে ফেলা এবং নালিশী সম্পদে অবস্থিত দোকানঘর, অফিস রুম ও ভাড়াটিয়াদের ঘরে ব্যাপক ভাংচুর ঘটানো হল! ভাংচুরের পর পুরো এলাকা সন্ত্রাসী দিয়ে ঘিরে ফেলে রাজমিস্ত্রি ভাড়া করে এনে সম্পুর্ণ স্থান ঘিরে উঁচু দেওয়াল নির্মাণ করে দয়ো হল। দখলদারের দেয়াল আগ্রাসনে বাদ পড়লো না এতদনি বসবাস করে আসা বাড়িগুলোর চালাচলের পথটুকুও! কটেে দেয়া হলো গ্যাস সংযোগ।



সন্ত্রাসী বেষ্টিত হয়ে সেকান্দার মেম্বারের (লাল চিহ্নিত) হামলার দৃশ্য!


(অবৈধ দখলে কেন নিষেধ করবেন এই নারী? দলবদ্ধ হয়ে নারীর শ্লীলতাহানির মুহুর্ত! এরা কি মানুষ??)


(প্রাচীর নির্মান করে চলাচলের পথটুকুও বন্ধ করে দেয়া হল!)


প্রাথমিক অবস্থায় সন্ত্রাসীদেরকে বাঁধা দিতে গেলে কমিশনার কর্তৃক নিয়োজিত সন্ত্রাসীরা তার তিন পুত্রের নেতৃত্বে একজোগে ঝাঁপিয়ে পড়ে মোতাহের আহাম্মদ চৌধুরী, তার স্ত্রী আয়েশা বেগম এবং দুই কন্যা ফারজানা আক্তার ও ফারহানা আক্তারের ওপর। নারী সদস্যদের ওপর ঘটানো হয় বর্বর শ্লীলতাহানি! আইনের দোহাই, সুষ্ঠু মামলা দায়ের এবং বিচার লাভের অধিকার স্মরন করিয়ে বারবার তাদেরকে বিরত হতে আহ্বান করলেও কোন তোয়াক্কা নাই! যেন আজ আইন পর্যন্ত, সন্ত্রাসের কেনা গোলাম হয়ে গেছে! এরই মাঝে উপর্যুপরি হকিষ্টিক, রড দিয়ে তাদেরকে আঘাত করে আহত করে তারা! এই সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত বিপুল পরিমান প্রত্যক্ষদর্শী লোকজনকে এইসব অপরাধের ন্যুনতম স্বাক্ষী দিতেও নিষেধ করে শাসায় কাউন্সিলরের তিন ছেলে!



(বসবাসকারী পরিবাররের মহিলা সদস্যদের ওপর লেলিয়ে দেয়া সন্ত্রাসী ও হিজড়াদের যৌথ আক্রমণের ভিডিও চিত্র! কাউন্সিলরের মেঝছেলে ইমনের (লাল গেঞ্জি পরিহিত) নেতৃত্বে শ্লীলতাহানির ভিডিও দৃশ্য। সব অমানবতাকেও হার মানায়!)


(বসবাসকারী পরিবারটিকে বের করে দিয়ে শ্রমিক ভাড়া করে প্রাচীর নির্মানের আগে ইট আনয়নের দৃশ্য!)


(এই সেই সীমানা প্রাচীর!!! ক্ষমতা লাভের পর সন্ত্রাসীদের দিয়ে ঘর ভেঙ্গে এভাবে একটা প্রাচীর নির্মান করলেই জনগণের বসত দখল করে নেয়া যায়!!!????)


সারাদিন তান্ডব চালিয়ে গেলেও উপস্থিত বন্দর থানা পুলিশ এই নির্বাচিত প্রতিনিধি ও তার সন্ত্রাসীদের পক্ষে মৌন অবস্থানে দাঁড়িয়ে থাকে। অসহায় মানুষের আহাজারিতে তারা সামান্যও মানবতাবোধ কিংবা অন্তত আইনী দ্বায়িত্ব নিয়েও এগিয়ে আসেনি। সকাল থেকে উপস্থিত পুলিশ বাহিনী ছাড়াও অন্যান্য আইন শৃংখলা বাহিনীর সাথে যোগাযোগ করেও লাভ হলনা! উপরন্তু একটি বসত বাড়ি তসরুপ করে, প্রাচীর নির্মান করে পুরো বাড়িকে দখল করা এবং ঐ বসত বাড়ির গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে চলে যাবার সময় সন্ত্রাসীরা পরিবারটিকে ঐ এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার হুমকি প্রদান করে। অন্যথায় সকলকে জানে মেরে ফেলা হবে বলে হুমকি দিয়ে চলে যায়!

এর আগে, এমন একটি আক্রমণের আশংকায় বেশ কিছুদিন থেকেই সংশ্লিষ্ট থানায় খবর দেয়া হলেও স্পষ্ট ভাষায় তারা কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে তাদের অপারগতা প্রকাশ করে! একটি নাগরিক রাষ্ট্রে প্রকাশ্য দিবালোকে নাগরিক অধিকার ধ্বংস করে আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করার মাধ্যমে নির্বাচিত কাউন্সিলরের এহেন সন্ত্রাসের কী জবাব হতে পারে প্রিয় ব্লগারগন? জনতার সম্মিলিত শক্তির জাগরন ঘটানোর জন্য, এই অপরাধের বিরুদ্ধে ব্লগার ও এক্টিভিস্টদের সচেতন সহায়তাই পারে একটি দূর্বৃত্বপনার সুষ্ঠ তদন্ত ও ন্যায় বিচারে প্রশাসনকে বাধ্য করতে!

ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও সাধারন জনতা হিসেবে আইনী অধিকার লাভের গ্যারান্টি দিতে প্রশাসন যখন সম্পূর্ণ ব্যার্থ! যখন দূর্বৃত্ত জনপ্রতিনিধির কাছে আত্মসমর্পন করেছে পুরো প্রশাসন যন্ত্র, ঠিক তখনই জনতার সহয়তায় জনতার শক্তির কাছেই, ভিটে থেকে উচ্ছেদকৃত অসহায় পরিবারটি সাহায্যের আশা করছে!!


(চট্টগ্রামের আরো দশটি সাধারন পরিবারের মতই সাধারন দিনের দৃশ্য ছিলো এমন! আজ সবই যেন অতীত হয়ে গেলো!!!)


(ইতিপূর্বে ৯ আগস্ট ২০১৫ তারিখে সিটি কর্পোরেশনে দায়েরকৃত অভিযোগের কপি।)


নিচে এই ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তিদের নাম উল্লেখ করা হল-

১. ৩৮ নং ওর্য়াড কাউন্সিলর গোলাম মোহাম্মদ চৌধুরী
২. কাউন্সিলর পুত্র সাখাওয়াত চৌধুরী ইরফান
৩. কাউন্সিলর পুত্র ইফতেকার চৌধুরী ইমন
৪. কাউন্সিলর পুত্র ফাহিম
৫. সাজ্জাদ কবির, পতিাঃ মরহুম মোঃ শরফি
৫. ইমরুল চৌধুরী ইমন, পিতা: ইউসুফ চৌধুরী
৬. কাউন্সিলরের দারোয়ান আলমাস
৭. সাকিল, পিতা: নুরুল ইসলাম
৮. খোরশেদ, পিতা: ইসহাক চৌধুরী
৯. শাহিন, পিতা: নেছার আহমদ
১০. রাশেদ, পিতা: জাকির হোসেন
১১. জুয়েল, পিতা: ইমাম শরীফ
১২. সাব্বির, পিতা: নুর মোহাম্মদ
১৩. নিহাত, পিতা: শামসুল হুদা
১৪. নজরুল ইসলাম বাচ্চু, পিতা:
১৫. সেকান্দার (মেম্বার, ৩৮ নং ওর্য়াড)
১৬. মান্নান (কর্মচারী, ৩৮ নং ওর্য়াড অফিস)



চট্টগ্রাম ইপিজেড হতে এই দূঃচরিত্রের কাউন্সিলর গোলাম মোহাম্মাদ চৌধুরী কর্তৃক, দূর্ধর্ষ চুরির রিপোর্ট! (১১ মার্চ ২০১১ সালে দৈনিক পূর্বকোণ পত্রিকায় প্রকাশিত)।


আশা করি, আইনের অধিকার লাভের মত মৌলিক অধিকার রক্ষায় অনলাইন ব্লগার ও একটিভিস্টগণ সম্মিলিত ঐক্য সৃষ্টি করবেন! সেই সাথে মিডিয়া ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কর্তা ব্যাক্তিরা বিষয়টির আশু সমাধানের দিকে নজর দেবেন! এক দূর্বৃত্ত জনপ্রতিনিধির সন্ত্রাস থেকে নাগরিক হিসেবে একটি পরিবারের ভিটে মাটিতে বসবাসের অধিকারকে স্বীকৃতি দেবেন!

আর কোন পরিবার যেন এভাবে গৃহহীন না হয়! জনতার প্রতিনিধিরা হোক জনতার প্রকৃত বন্ধু, শত্রু নয়, দূর্বৃত্ত নয়!!

মন্তব্য ১১ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (১১) মন্তব্য লিখুন

১| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৬ রাত ৮:৩১

চাঁদগাজী বলেছেন:


ইউনিয়ন কাউন্সিল বাদ দেয়ার দরকার; কমিশনারের স্হলে সরকারী এডমিনিস্ট্রটর নিযুক্ত করার দরকার।
আর সন্ত্রাসীদের তালিকা রাখার দরকার।

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৬ রাত ৮:৪০

তড়িৎ বাবু বলেছেন: ব্লগটি পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ সম্মানিত ব্লগার চাঁদগাজী সাহেব। এই মুহুর্তে এই অসহায় পরিবারটি আর কী করতে পারে? এদের দাঁড়ানোর যায়গাটুকু কেড়ে নেয়ার ষড়যন্ত্র হচ্ছে!!

২| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৬ রাত ৮:৩২

মারুফ তারেক বলেছেন: কী কব ভাউ?

বাংলাদেশে এগুলো সাধারণ ঘটনা :(

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৬ রাত ৮:৪১

তড়িৎ বাবু বলেছেন: জনগন হিসেবে আমাদের কি কিছুই করার নেই? পরিবারটি কি প্রকাশ্যে ভিটাহার হয়েও শেষ পর্যন্ত পথে নামবে?

৩| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৬ রাত ৯:৩৭

বিজন রয় বলেছেন: এটাই আমাদের দেশ।

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৫:৩৪

তড়িৎ বাবু বলেছেন: :((

৪| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১০:০০

প্রবাসী ভাবুক বলেছেন: সরকারি দলের কাউন্সিলর বলে কথা। এটা তো আপনি একটা ঘটনা উল্লেখ করার সাহস পেলেন। দেশের সব প্রান্তেই এসব দলীয় গুণ্ডাদের দৌরাত্যে মানুষদের আতঙ্কে বসবাস করতে হয়। প্রতিবাদ তো দূরের ব্যাপার কারও কাছে অভিযোগ করতে গেলেও কঠিন বিপদ নেমে আসে।

যাই হোক এই ঘটনাটির সুষ্ঠু বিচার দাবী করছি।

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৫:৩৬

তড়িৎ বাবু বলেছেন: সাধারন মানুষ যাবে কোথায়??

সাহসী দাবীর জন্য অনেক ধন্যবাদ।

৫| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৩:০৬

আব্দুল্যাহ বলেছেন: কি বলব সেটাই বুঝে পাচ্ছি না

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৫:৩৫

তড়িৎ বাবু বলেছেন: :((

৬| ০৯ ই এপ্রিল, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:১১

একাকি দুশমন বলেছেন: সবই দাদা দীদির কৃপা। ঐ পরিবারটি সম্ভবত রাজাকার। নইলে এখানে চেতনা দন্ডায়মাণ হবার কোন কারণই নেই।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.