| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ত্রিনিত্রি
আমি প্রায় প্রায়ই হারিয়ে যাই, এর কারণ রোমান্টিকতা নয়, অলসতা। প্রবল আলস্যবোধের কারণে মাঝে মাঝে নিজেকেই নিজের খুঁজতে ইচ্ছে হয় না।
![]()
বাংলা সাহিত্যের যুগ অনুযায়ী আধুনিককাল শুরু হয়েছে ১৮০১ সাল থেকে। তবে গ্রামীনফোন ডিজুস সিম বেশ আগে আনলেও ডিজুস যুগ হিসেবে একটা যুগের সূচনা খুব বেশীদিনের নয়। বছর দুই ধরে এই যুগের নাম হয়ত আড্ডা মাতাচ্ছে, তার বেশী তো অবশ্যই নয়। তা এই যুগে ঢাকা শহরে বৃষ্টি হোক বা না হোক, বন্যায় শহর তলিয়ে যায় যায় অবস্থা; আর তা হচ্ছে প্রেমের বন্যা। হায়রে প্রেম; সবার এমনি সন্দেহ বাতিক হয়েছে যে ছেলে মেয়ে মাইল খানেক দূরত্বে হাঁটলেও সবার সন্দেহ, টেলিপ্যাথির মাধ্যমে নির্ঘাত প্রেম চলছে।
ফাস্ট ফুডের দোকানগুলি সব কানায় কানায় ভরা। এত টাকা কি করে এদের পকেটে আসে; আল্লাহ মালুম।
আজকাল আবার গ্রুপ ডেটিং স্টার্ট হয়েছে। চমৎকার জিনিস সন্দেহ নাই। ডেটিং এর ডেটিং হলো, সাথে আড্ডাবাজীও হলো। ধানমন্ডির ক্যাফে ম্যাংগো আমার অত্যন্ত প্রিয় একটি জায়গা। তো এক ভর দুপুরে আমি আর আমার আরেক বন্ধু রাক্ষসের ক্ষুধা নিয়ে সেখানে গিয়েছি। খেতে খেতে দেখলাম আমাদের সবচেয়ে প্রিয় আড্ডাবাজীর জায়গায় গ্রুপ ডেটিং এ এসেছে ৪ জোড়া ছেলেমেয়ে। সকলেই অত্যন্ত ইসমার্ট। ভূট্টা ক্ষেত আমাদের দুইজনকে দেখে তারা কয়েকবার তাচ্ছিল্যভরা দৃষ্টি নিক্ষেপ করলো।![]()
ছেলেদের কয়েকজনের চুল কাঁধ ছুই ছুই; এবং দুইজনকে দেখে রীতিমত বয়স্ক লাগলো। তিনটা বাজতেই মেয়েগুলো একে একে লাইন ধরে বাথরুমে যাওয়া শুরু করলো। বাথরুম থেকে বের হবার পরে আমরা মোটামোটি হার্ট অ্যাটাক করলাম।![]()
একটা মেয়ে কেও আর চেনার কোন উপায় নাই। তাদের জিন্স এবং টপস নাই হয়ে কোথা থেকে যেন ধূসর আর সাদা রঙের স্কুল ড্রেস চলে এসেছে। কারো কারো চুল দুই বেনী হয়ে ঝুলছে। একজনের তো দেখলাম নাকের ডগায় গোলাপী রঙের বাবু বাবু চশমাও চলে এসেছে। তখন আমরা বুঝলাম, বাচ্চাগুলি খুব বেশী হলে ক্লাস সেভেন কিংবা এইটে পড়ে। ড্রেস আপের কারণে আগে বুঝি নাই। স্কুল ফাঁকি দিয়ে এই কাহিনী। এখন বাসায় যাবার সময়, তাই গেট আপ চেঞ্জ। চমৎকার ডিজুস পোলাপাইন যা হোক।![]()
আগেই শুনেছিলাম লাউঞ্জে স্কুল-কলেজের পোলাপাইনের জ্বালায় বসার উপায় নাই। এরপরেও কিছুদিন আগে নেড়া হয়ে বেল তলায় গেলাম।
সেদিন চলছিলো আমাদের মেগা আড্ডাবাজী। ঘুরতে ঘুরতে ধানমন্ডির কেএফসি তে ঢুকতে গিয়ে কি মনে করে আমার এক বন্ধু বায়না ধরলো এইচটুও লাউঞ্জে যাবে। আমি বারবার বললাম, আর ২ বছর আগে হইলেও ঢোকা যাইতো। এখন তা ঠিক হবে না। এরপরেও ওদের পিছু পিছু গেলাম। ঢুকেই প্রথমে মিউজিকের শব্দে পায়ের পাতা থেকে মাথার তালু পর্যন্ত একটা নাড়া খাইলো। চোখ বন্ধ করে ধাতস্থ হবার চেষ্টা চালালাম। এবারে চোখ খুললাম। সে কি, এইখানে এত ধূমা কিসের?
আরেকটু হইলেই চেঁচিয়ে দিয়েছিলাম প্রায়, “আগুন আগুন”।
তা দেখলাম সেই ধূম্রজাল মানুষের মুখ থেকে আসছে। ওরে কি ধূমা। হাত দিয়া সরায়ে কোনমতে ঢুকেই সামনে যে আসন ফাঁকা দেখলাম, চারজনে কোন দিকে না তাকিয়ে বসে পড়লাম। আমার গাধা বন্ধু একটা চিৎকার দিলো, “ত্রিনিত্রি, তুই কি আমার কথা শুনিস?” আমি অবাক হয়ে দেখলাম মাত্র এক হাত দূরে বসা আমার বন্ধুর কথা শুনতে আমার এত কষ্ট। এক দিকে মিউজিক; আরেকদিকে সিগারেট আর সীসার ধূমা। সবাই চক্ষু বিস্ফোরিত করে আমাদের দেখছে। ক্যাপ্রি আর থ্রি কোয়ার্টারের মাঝে আমরা বড়ই বেমানান। এক বন্ধু পরে এসেছে পাঞ্জাবী। আশে পাশের ছেলে ছোকড়া এতই অবাক হয়েছে যে ঘুরে ঘুরে তাকে দেখছে। এইখানে আড্ডা মারা অসম্ভব। ৪ মিনিটের মাঝে মানে মানে করে উঠে গেলাম।
এক নজরে যা বুঝলাম,এদের মাঝে ৪০ ভাগ স্কুলের ছাত্র ছাত্রী। তবে মেয়েদের সাথে যারা আছে; সবাই কিন্তু সমবয়সী না। কয়েকজনকে দেখে আমার ভার্সিটির শেষ বর্ষের ছাত্র বলে মনে হলো। মন্তব্য নিস্প্রোয়জন।
১বছর আগেও পহেলা বৈশাখ মানেই বন্ধুদের সাথে আড্ডাবাজী; সকাল ৬টায় উঠে রমনায় গমন। গত ৫ বছরে প্রথম বারের মত এইবার আমি পহেলা বৈশাখে বের হইনাই; কারণ ২/৩ জন আমার মত অভাগা ছাড়া কেউই সময় দিতে পারেনাই বিভিন্ন কারণে।তা ৩ জনে কি পহেলা বৈশাখ হয়?
এর আগের বারের কথা মনে পড়লো; কি বিচিত্র সাজসজ্জ্বা করেই না র্যালি করেছিলাম! টিভি তো বটেই পেপারেও ছবি এসেছিলো সবার। তা এখনকার ডিজুস ট্রেন্ড অনু্যায়ী সকালেই বয়ফ্রেন্ডদের সাথে বেরিয়ে যেতে হবে; এর পর অনুষ্ঠান যতক্ষন চলে আরকি। তা হোক; ব্যাপার মন্দ নয়। বছরের প্রথম দিন প্রেম না করলে যদি প্রেম কমে যায়?![]()
ঘোর কলি কালেও এই রিস্ক নেয়া যেতে পারে; ডিজুস কালে সম্ভব নয়।![]()
কিন্তু এই কি ট্রেন্ড আসিলো দেশে যে একুশে ফেব্রুয়ারীতেও ছেলে মেয়ে সাদা-কালো কাপড় পড়ে গোলাপ হাতে বাহির হয়?![]()
ঘটনা প্রথম টের পাই দুই বছর আগে। একুশে ফেব্রুয়ারীতে আমি সচরাচর বের হইনা। জীবনে একবার ফুল দিতে গিয়ে যেই ঝামেলায় পড়েছিলাম; জন্মের তরে সখ মিটে গেছে। সারাদিন আমি শহীদ মিনারের গান শুনি; এই হচ্ছে কাজ। তা দুই বছর আগে আমার খালা হঠাৎ ফোন করে বললো, “এখনি বাসায় আয়। ছুটির দিন; রান্না করতেছি”। রাস্তা তো সব দিকে বন্ধ; তারপরেও আমি হেঁটেই বের হলাম। পাক্কা দুই ঘন্টা লাগলো ভার্সিটি এলাকা থেকে ধানমন্ডি যেতে। কিন্তু চারপাশ দেখে আমি ঠাওর করতে পারলুম না, এ কি শোক দিবস? নাকি সাদা-কালো ভ্যালেনটাইন দিবস? গোলাপ সকালে কেনা হয়েছিলো শহীদ মিনারে দেবার জন্যই; আমি নিঃসন্দেহ। ভুলে বুঝি মিনার ছুঁইয়ে তা এখন শোভা বাড়াচ্ছে প্রেমিকার হস্তযুগলের। আমি সবকিছুর মাঝেই ভালো দিক খোঁজার চেষ্টা করি। ২১শে ফেব্রুয়ারীতে সারাদিন বাইরে থাকার কারণে সকলেরই কম বেশী দেশের ইতিহাস সম্পর্কে জানা হচ্ছে; তাই বা মন্দ কি?
বিশ্বকাপ উপলক্ষে ঢাকায় ব্রায়ান অ্যাডামস এসেছিলেন, তা নিশ্চই সকলের জানা। আমি তার অন্ধ ভক্ত বললে ভুল হবে, কারণ তার গান আমার কিশোরীবেলার ভালোবাসা। ক্লাস এইটে আমি স্ক্রাপ বুকে “জীবনের তিনটি ইচ্ছা” তে লিখেছিলাম,
১। বিএসবি ব্যান্ডের নিক কার্টার কে একখানি পত্র লেখা
২। ডিজনীল্যান্ডে যাওয়া
৩। ব্রায়ান অ্যাডামসের অন্তত একটি গান তার সামনে বসে শোনা।
এক নংটির ইচ্ছা ইন্টারেই মরে গিয়েছিলো; দুই নংএর আশা এখনো ছাড়ি নাই; আর তিন নং পূর্ন হয়েছে। কি কঠিন শ্রম দিয়ে আমি চীন মৈত্রী সম্মেলনের তার একক বেয়ার বোনস কনসার্টের টিকেট আমি জোগাড় করেছিলাম; সে শুনলে হয়ত উনি নিজেই টিকেট পাঠিয়ে দিতেন।
আমার বন্ধুবর্গ আর বড় ভাইয়া আপুরা তো বটেই, ওয়ার্ডের দুইজন রুগীও অত্যন্ত চিন্তিত ছিলো আমি টিকেট পাই কি না পাই।সবার শ্রমের ফসল টিকেটটি পাওয়ার পরে সবার মুখে যুদ্ধজয়ের হাসি। আগের দিন বিশ্বকাপ উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে গ্যালারি থেকে চেহারা কিছুই বুঝিনি; তাই পরের দিন আমি বিকাল ৫টা থেকে চীন মৈত্রীর সামনে দাঁড়ানো; যাতে ঠিক সিটটি দখল করতে পারি। লাইনে দাঁড়ানোর কিছু পরেই একটু টেনশনে পড়লাম। আমি বাংলাদেশেই আছি তো, না্কি কানাডায় এসেছি কনসার্ট দেখতে?
যদি দেশেই থাকি; তবে আমার বন্ধু ছাড়া কেউ আমার সাথে বাংলায় কথা বলে না কেন?
আশে পাশের সবার পোশাক, কথা বার্তা শুনে কিছুক্ষনের মাঝেই মনে হতে থাকলো আমি অবাঞ্চিত এখানে। সামনে যান, পাশের সিটটি কি খালি- এরকম সাধারণ কথাও সবাই ইংরেজীতে বলছে। ঘাড়ত্যাড়া হয়ে বাংলায় উত্তর দিতেই সবার চোখে তাচ্ছিল্য। আমরা এতই হীনমন্মতায় ভুগি যে ব্রায়ান অ্যাডামসের কনসার্টে এসেছি বলে বাংলা বলা ভুলে গেছি। এবং সবাই সেটাই স্বাভাবিক ধরে নিচ্ছে। তাদের মনের দীনতা দেখে আমাদের লজ্জায় মাথা নীচু হয়।
সেদিন আমার কাজিন বলছিলো যে তার বান্ধবী সম্প্রতি মোটা হয়ে যাওয়ায় তার ডিজুস বয়ফ্রেন্ড তাকে ডাম্প করেছে। বেচারী মেয়েটি এখন জিমে ভর্তি হয়েছে যাতে আর এজাতীয় কথা শুনতে না হয়। মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়লেও আমি এত অবাক হতাম না। আজকাল কি প্রেম এভাবে ভাঙ্গে নাকি?
ছয়/সাত মাস একটা গার্লফেন্ড থাকলেই সবার প্রাণ আইডাই। একজনের সাথে আর কত? একেকজনের তিনটা করে সিম। একটাতে স্টেবল গার্লফ্রেন্ড; আর দুইটাতে টাংকিবাজী। চমৎকার ব্যবস্থা; আর এতে উৎসাহ দেবার জন্য তো মোবাইল কোম্পানি গুলো দুই পায়ে খাড়া! এসব স্বাভাবিক কবে হলো?
তা বেশ কিছুদিন আগে আমার এক বন্ধু বলছিলো তাকে নাকি একটি মেয়ে প্রপোজ করেছে। সুখের কথা; আমিও বিগলিত হই। কিন্তু পরের কথাতেই মুখ শুকিয়ে গেলো। মেয়ে বলেছে, সে প্রেম করতে পারবে; কিন্তু বিয়ে করতে পারবে না। কেন?
কারণ বিয়ের জন্য সে আরেকজনকে আগেই হ্যাঁ বলেছে। তা সে ছেলে গেছে বিদেশ; তাই এই পার্ট টাইম বয়ফ্রেন্ড যোগাড়। আমি ভয়ে ভয়ে জিজ্ঞেস করলাম, “তা তোমার কি মত?” বন্ধু দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললো, “ আমি যদি একাই হতাম, তাও তো হইতো। মেয়ে তো মোবাইল কার্ড ভরে দেবার জন্য ফোনেও আরেকজনের সাথে প্রেম আছে”। আমি থতমত খাইলাম। “মেয়ে কি নিজেই এসব বলেছে?” “হু, আর না বললেও তো জানাই যেতো। আমার ভার্সিটির না?”
অর্থাৎ আজকাল কেউ দোষ স্বীকারেও কুন্ঠিত না। দোষ সবাইকে বলে বেড়ালেই যে তা শুদ্ধ হয় না; সেও কি সবাই ভুলেছে নাকি? ভুলতেই পারে; যে দেশে সরকার ঘোষনা দিয়ে মানুষকে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেয়, খুনীরা অবলীলায় ক্ষমা পায়, সেখানে আর কি আশা করবো আমরা!
যা হোক, প্রেমের নিন্দা করা আমার এই পোস্টের লক্ষ্য নয়। প্রেম মহান ব্যাপার; সে না থাকলে ৮০ ভাগ সাহিত্য রাস্তায় গড়াগড়ি খেতো। প্রেম কামনা করে না; এমন মানুষ তাবৎ দুনিয়াতে নেই। তবে প্রেম ব্যাপারটা কি সেটা নিয়েই এখন ঘোরতর সন্দেহ লেগেছে।
বাঙালির হয়ত অনেক ভালো দিক আছে; তবে তার সবচেয়ে খারাপ দিক হচ্ছে অন্যদের ভালো আচরণগুলিকে ভুলে খারাপ আচরণগুলি নিজেদের করে নেয়া। একারণেই ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ইংরেজদের কর্মদক্ষতা গুণটি না আমল করে সেই যুগে বিশ্বাসঘাতকতা আর চৌর্যবৃত্তি দোষ অনেকেই দ্রুত আমল করেছিলো। আর এখন পাশ্চাত্যের শিক্ষা, সময়ানুবর্তিতা আর শ্রম দেয়ার মানসিকতাকে আমরা দূরে ঠেলে তাদের ভঙ্গুর সমাজ ব্যবস্থা তথা উছরিংখল সংস্কৃতিকে বুকে ধারণ করার জন্য সবাই প্রাণপণ চেষ্টা করছি। ইংরেজী সাহিত্যের চমৎকার বইগুলি কারো পড়ার ধৈর্য নেই; তবে প্লে বয় ম্যাগাজিন দেখার আগ্রহের কমতি নেই। বিদেশী মন ছুঁয়ে যাওয়া গানগুলি শোনার নাম নেই; অশ্লীল মিউজিক ভিডিও দেখার জন্য ইউটিউবে সারাদিন বসে থাকে। এসবের জন্য আমি বাবা-মাকেই দায়ী করি। তারা যদি ছোটবেলা থেকেই বাচ্চাকে ঠিকমত সময় না দেয়, খারাপকে না বলতে না শেখায়, বুঝতে চেষ্টা না করে, তবে স্কুল ফাঁকি দিয়ে ক্লাস সিক্সের বাচ্চা ধানমন্ডি লেক আর সাইবার ক্যাফেতে বসে থাকবে বইকি। তবে আমি সেইসব ভার্সিটি পড়ুয়া তরুনের মানসিকতা নিয়ে সন্দিহান।
কি করে তারা স্কুলের বাচ্চাদের প্রেমে পড়ে এবং তাদেরকে নিয়ে বাইরে যায়; সত্যি আমার মাথায় আসে না। টি শার্ট কিনতে গেলে তাদের প্রথম পছন্দ চে গুয়েভারা আর ভাষা আন্দোলন- অথচ বাচ্চা একটি মেয়েকে স্কুল ফাঁকি দিতে শেখানোতে তাদের আগ্রহের কমতি নেই। শিক্ষিত ছাত্রের এই যদি হয় রুচী; তবে কি দরকার এমন শিক্ষার? আমি এমন বাচ্চা কেও চিনি; যে বাংলায় লেখা বই বুঝতেই পারে না; ইংরেজীতেই সারাক্ষন কথা বলে। আহা, তাদের বাবা-মার কি গৌরব। আমি তাকিয়ে থাকি।
ভ্যালেনটাইন্স ডে নাকি দেশে প্রবর্তন করেছে শফিক রেহমানের যায় যায় দিন। ১৪ই ফেব্রুয়ারীতে আমাদের দেশের এক করুণ ইতিহাসও আছে পড়েছিলাম। তা সেই ইতিহাস টেনে আমি ভ্যালেনটাইন্স দিবসকে মন্দ বলবো না। সবকিছুর একটা দিবস আছে; ভালোবাসার তবে থাকবে না কেন? বিশেষ একটি দিন, যে দিনে সবাই তার প্রিয়জনকে জানাবে যে তার জন্য আছে তার বুক ভরা ভালোবাসা। শুধু মরে যাবার ভয়ে সে বুক চিড়ে দেখাতে পারছে না। মা দিবস পালন করা শুরু হয়েছে বেশীদিন নয়। আমি এমন একটি মেয়েকে জানি যে মা দিবসে অতি কষ্টে লজ্জা ভেঙ্গে মাকে বলেছে “মা আমি তোমায় ভালোবাসি”। মা অশ্রু টলমলে চোখে বলেছে, “বোকা মেয়ে; তা আমি জানি”। সুতরাং সব কিছুর দিবস থাকুক। সাথে “নিজেকে জানো” দিবস ও থাকুক। এই দিবসে অন্তত মানুষ একবারের জন্য হলেও ভাববে, সে কে, কি তার সংস্কৃতি, এবং তার মূল্যবোধ কতটুকু।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৮:০৩
ত্রিনিত্রি বলেছেন: পড়লে প্লাস পেতাম কিনা সন্দেহ! তাই আগে প্লাস টা ব্যাগে ভরি।
অনেক ধন্যবাদ।
২|
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৮:০৮
প্রজন্ম৮৬ বলেছেন: ত্রিনিত্রি, পোস্ট পড়ে আপনার কথা ভেবে উদ্বিগ্ন হলাম।
এগুলো দেখে দেখে এবং এসব নিয়ে ভেবে একটা জিনিসই পেয়েছি, হতাশা।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৮:২৪
ত্রিনিত্রি বলেছেন: আমি পুরোপুরি হতাশ নই। কারন এটা থেকে বের হয়ে আসার জন্য একটু সচেতনতা দরকার। বাবা-মা একটু সতর্ক হতলেই এ থেকে বেরিয়ে আসা সম্ভব।
৩|
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৮:১১
dream111rocks বলেছেন: চমৎকার লেখা।।
পোষ্টে উত্তম ঝাঝা।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৮:২৫
ত্রিনিত্রি বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
৪|
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৮:১১
অ্যামাটার বলেছেন: দেশ আগায়া যাইতেছে।
আর নিজেরে পুরাই সম্রাট অশোকের দাদাশ্বশুর লাগতেছে: |
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৮:২৮
ত্রিনিত্রি বলেছেন: ভাই এই কি কমেন্ট দিলেন!!! আমারো তো নিজেকে এখন প্রাচীন আমলের বুড়ি লাগতেছে!
৫|
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৮:১৬
পাহাড়ের কান্না বলেছেন: এত কইরা বলি পোলাপাইন চিপা চাপা কম খুঁজো। কে শুনে কার কথা
। চিন্তা করছি একদিন ডিজ্যুস গেট-আপ নিয়া সীসা টানতে ঢুকুম। দেখমু পোলাপাইন এইটাতে কি মজা পায়।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৮:৩৭
ত্রিনিত্রি বলেছেন: হু, ঠিক বলেছেন। সবাইকে আপনার ব্লগের লিঙ্ক দিয়ে দিবো, উপরে লেখা, "প্রত্যেক যুবক যুবতির বিয়ে করা ফরয", কাচ্চাবাচার প্রেম নিয়ে তো লেখা নাই!! সুতরাং ওইটা বাদ। হাহাহাহা।
ভাই ঢুইকেন না, কিনা কি হয়!! আমরা আপনার কবিতা মিস করতে চাই না।
৬|
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৮:১৮
মেলবোর্ন বলেছেন: পরতে গিয়ে হাপাইতে লাগছিলাম পরে বুঝলাম এই ডিজুসের যুগে তাল মিলাতে নাপাইরা কবেযে বুরো হয়ে গেছি খেয়ালই করি নাই.. আহ আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম...ওহ ব্রায়ান এডামস আর মইকেল লানস টু রক আর বিএস বি মাথার ভিতর কত্তযে ঘুরছে একটাই লাভ হইছে তা হইল আইএলটিএস এ ৬.৫ পাওয়া। যাউকগা অফযাই আসল কথা পোস্টে প্লাস।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৮:৩৯
ত্রিনিত্রি বলেছেন: এইটারো প্লাস পয়েন্ট আছে, এইসব সহ্য করতে পারলে আপনি সবই সগ্য করতে পারবেন।
ঠিক, মাইকেল লার্ন্স টু রক! আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম!
অনেক ধন্যবাদ।
৭|
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৮:২০
একরামুল হক শামীম বলেছেন: লেখাটা ভালো লাগলো।
এই বিষয়গুলা ভাবি, কিন্তু লেখা লেখবো করে আর লেখা হয়নি।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৮:৩৯
ত্রিনিত্রি বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
৮|
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৮:২৪
পরিবেশবাদী ঈগলপাখি বলেছেন:
সেম কাহিনি হইল কালকে সন্ধ্যার পর
অফিস শেষে সব কলিগ মিলে গেলাম গুলশান ১ এর কে এফ সি, উদ্দেশ্য ছিল মুলত সামনের মাসে একটা ট্রিপ প্ল্যান করব সেটার আলোচনা। ইয়া আল্লাহ, কেএফসি তে ঢুকতে গিয়েই প্রথমেই মনে হইল, আমরা ভিন গ্রহের প্রানী হিসাবে ঢুক্লাম নাকি ??? সারাদিন অফিস করে আসছি, টায়ার্ড তো বটেই, গায়ে সাধারন শার্ট প্যান্ট, এর মধ্যে আশেপাশের চিড়িয়া গুলা দেখে দৃড় সন্দেহ হতে লাগল এই জায়গা আলুচনার উপযোগী কিনা!! আমার এক ফ্রেন্ড+ কলিগ, এম্নিতে সে কখনো মেকাপ ফেকাপ নিয়ে চিন্তিত দেখি নাই, আতেল টাইপ, সে পর্যন্ত উশখুশ করতে লাগল" ইশশশ, আগে তো জানতাম না এজকেই কেএফসিতে আসব সবাই, তাইলে তো একটু মেকাপ দিতাম !!" সিনিয়ার আপুরাও সব যে উতসাহে কেএফসি তে আসছিলাম সেরকম মিয়ায়ে গেল, সবচেয়ে মজার ব্যাপার হল আশেপাশে যত ঠুশঠাশ ভুল এক্সেন্ট এ ইংরেজি বলা পুলাপান দেখতেসিলাম, এগুলার ম্যাক্সিমাম ই দেখা গেল স্কুল লেভেলের বাচ্চা !!! স্কুল লেভেলের কয়েকটা বাচ্চা মেয়ের মুখের আলচনার বিষয় শুনেও ইয়া মাবুদ ইয়া মাবুদ বললাম !!!!!!!!!
দেখা গেল, পুরা ২য় তলায় এক আমরাই খাবার আশা মাত্র ঝাপিয়ে পড়ে খেয়ে দিলাম দৌড়, আশেপাশের পুলাপান কারো কাছেই খাওয়া দাওয়া টা উপলক্ষ ছিল না ।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৮:৪৫
ত্রিনিত্রি বলেছেন: গুলশান কেএফসি তে যাওয়া পড়ে না, আমার বোনের জন্মদিন ছিলো ১২ তারিখ। তো আমি রাত ৯টা পর্যন্ত ডিউটি দিয়ে ভাবলাম, বোনের জন্য একটু খাবার নিয়ে যাই। ধানমন্ডি কেএফসিতে গিয়ে পুরাই তব্দা। রাত পৌণে দশটায়দীর্ঘ লাইন। আমি অতি কষ্টে চিপা দিয়ে ঢুক্তে পারলাম, আমার পিছে দরজার বাইরেও লাইন দাঁড়িয়ে গেলো। আমার পিছের মেয়েটি আমার দিকে অদ্ভুত দৃষ্টি দিলো। লাইনে ৩০ মিনিট দাঁড়িয়ে সবার চমৎকার সাজ পোষাক এবং স্টাইল দেখতে দেখতে আমি লজ্জায় শুধু ঘড়ির দিকে তাকিয়ে রইলাম। হায়, অপমান জনক ৩০টি মিনিট।
তাও কেএফসি চলে, উপরের এইচটুও লাউঞ্জে ঢুকলে কান্দন আসবে দুঃখে। আমি আর মরলেও ঢুকতেছিনা।
৯|
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৮:২৫
মেঘের দেশে বলেছেন: পুরা ডিজুস পোস্ট
একটা কথা মিস হয়ে গেছে মনে হয় হিন্দিতে কথা বলা কিংবা মেসেজ দিতে না পারাটাও অনেক ক্ষেতি এখন।
ডিজুস আসার পর একটা জেনারেশন থেকে এখন পর্যন্ত ম্যাক্সিমামই বাহুল্য স্মার্টনেসে ভুগে।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৮:৪৯
ত্রিনিত্রি বলেছেন: ভাই, আর কি বলবো, আমার ৪ বছরের কাজিনের ফ্লুয়েন্ট হিন্দি শুনলে টাশকি খাবেন! আমরা আগে বাংলা শব্দ খুঁজে না পেলে ইংরেজী শব্দ দিয়ে বুঝতে চেষ্টা করতাম, আর এরা এখন বাংলাটাকে রিপ্লেস করে হিন্দি দিয়ে।
হিন্দি সিরিয়ালের কথা আর না বলি। এর অত্যাচারে অনেকের জীবনই দুর্বিসয়। অবশ্য আমার না, আমাদের বাসায় কেউ দেখে না।
১০|
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৮:২৫
মোঃ নিজাম বলেছেন: আপনার মত অতিরিক্ত চিন্তার ভোজাটা মাথায় নিতে পারিনা বলেই এই পোস্টে যুৎসই কোন মন্তব্য করতে পারলাম না।
ডিজুজদের কথা আর কি বলব? এই বিষয়ে লেখা লেখি করে এই ব্লগে অন্তত ৫ জনকে চিনি যারা উম্মাদ ডিজুজ কর্তৃক মানষিক রোগী উপাদি পেয়েছেন।
বিপরীত মেরুতে আছেন দেখে- আশাবাদী হই।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৮:৫১
ত্রিনিত্রি বলেছেন: আমি ভাই আগের দিনের মানুষ। বিপরীত মেরুতে তো থাকবই। বলেন কি, মানসিক রোগী?
চিন্তায় ফেললেন!
অনেক ধন্যবাদ।
১১|
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৮:২৬
রেজোওয়ানা বলেছেন: Tomar lakhata atoi chomotkar hoyache, je mobail tahai log in korlam sata bolte. . . . .
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৮:৫২
ত্রিনিত্রি বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ আপু। মোবাইল থেকে কমেন্ট করা একটা বিরক্তিকর কাজ। সেজন্য আপনাকে আরো স্পেশাল ধইন্যা!
১২|
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৮:২৭
সহ্চর বলেছেন: বিবেক এক জিনিষ, যা এখনকার পোলাপাইন গুলার মধ্যে একদম ই নাই।
আরও অবাক করা ব্যাপার হল-মান্যতা ও দিন দিন কমে যাচ্ছে।
পাবলিক প্লেসে এমন সব কাজ করে যে নিজের ই লজ্জা লাগে কিন্তু তারা নির্বিকার।
আশার কথা একটাই দেশে দিন দিন প্রেম বাড়ছে।
নজরুল সাহেবের "প্রেমে ধরো হাত মম" সত্যি হচ্ছে।
+++
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৮:৫৪
ত্রিনিত্রি বলেছেন: সেদিন একটা ছবি পেয়েছিলাম, কিন্তু লিঙ্ক না থাকায় এখন দিতে পারছি না। জিয়া উদ্যানের একটা ছবি। আমার বিশ্বাস করতে অনেক সময় লেগেছে যে এটা বাংলাদেশ।
অনেক ধন্যবাদ। তবে প্রেম একটু বেশীই বাড়ছে!!!
১৩|
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৮:৩০
এবার তোরা মানুষ হ বলেছেন: একেবারে সাধাসিধা প্রতিদিনের কথা .অথচ একবারো এভাবে ভাবি না...ভালো লাগছে..সাথে মনটা ও খারাপ লাগছে....একদিন হয়তো সবাই ফিরতে চাইবে...সময় কি থাকবে তখন...
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৮:৫৬
ত্রিনিত্রি বলেছেন: ফিরতে চাইলেই সময় থাকবে। ইয়াবা আর সীসা নিয়ে কিছু বলতে পারছি না, কারন শরীরের যে ভগ্ন দশা এগুলো করে, দেরী করে ফিরতে চাইলেও ফিরতে পারবে কিনা; বা ফিরলেও বাঁচতে পারবে কিনা ডাউট আছে। কিন্তু চেষ্টা করলে কিইই না হয়!
১৪|
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৮:৩৮
একাকী বালক বলেছেন: পড়ার সময় ভাবছিলাম মন্তব্যে যা লিখব তা আপনিই লিখে ফেলছেন
" বাবা মা বাচ্চাদের সময় দিচ্ছে না। "
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৮:৫৮
ত্রিনিত্রি বলেছেন: মূল সমস্যা আমার এটাই মনে হয়। আমাদের বাবা-মা আমাদের যথেষ্ট সময় দিয়েছেন, এখনো প্রতি বছর অবশ্যই আমাদের কোথাও না কোথাও ঘুরতে নিয়ে যান। বাবা-মা সতর্ক হলেই এসব এড়ানো সম্ভব অনেকখানি।
পুরোটা না, কারন ঐ যে হিন্দি চ্যানেল! এটা রুখবে কে!
১৫|
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৮:৫১
বৃষ্টি ভেজা সকাল ১১ বলেছেন: আমি যদি এক্কান পার্ট টাইম পেরেম করবার পারতাম
পাকাভাই আমারেও লগে নিয়েন কইলাম
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৯:০০
ত্রিনিত্রি বলেছেন: বলেন তো আমার বন্ধুরে জিগাই ঐ মেয়ে এখনো ফাঁকা আছে নাকি! বলব?
হুহ, এক রাবণে বাচি না তাতে আবার দোসর সুগ্রীব!
১৬|
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৮:৫৫
মেঘের দেশে বলেছেন: আমার কাজিনের কথা শুনেন । ৪জন আছে একই বছরে জন্ম। ৭ বছর তাদের। তারা যখন একসাথে হয় তখন হিন্দি ছাড়া কথা বলে না। আমার বাপে একবার জিগাইছিলো জ্বররের হিন্দি কি ?? একজনে ভুল কইছিলো বাকিরা শুধরাইয়া দিছে
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৯:০২
ত্রিনিত্রি বলেছেন: জ্বরের হিন্দি কি! এখন তো আমার মাথায় এই প্রশ্ন ঢুকায় দিলেন! দেখি আম্মুরে জিগায়ে, সে পারে নাকি!
১৭|
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৮:৫৭
ইষ্টিকুটুম বলেছেন: সুতরাং সব কিছুর দিবস থাকুক। সাথে “নিজেকে জানো” দিবস ও থাকুক। এই দিবসে অন্তত মানুষ একবারের জন্য হলেও ভাববে, সে কে, কি তার সংস্কৃতি, এবং তার মূল্যবোধ কতটুকু।
.....হুম, একেবারে মন্দ বলোনি!!
প্রথমে ঢুকেছিলাম 'গুগল ক্রোম' দিয়ে তোমার পোস্টে। সেখানে কিছু কিছু বাংলা দেখাই যাচ্ছিলোনা। তাই সেই লিঙ্ক কপি পেস্ট করে খুব দ্রুত আবারো এলাম তোমার এই পোস্টে।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৯:০৫
ত্রিনিত্রি বলেছেন: আমি মজিলাতেই আছি। ক্রোম আমার অনেক ঝামেলা করে।
অনেক ধন্যবাদ।
১৮|
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৮:৫৮
রোবট ভিশন বলেছেন: এইসব বিভিন্ন টুকরো টুকরো কাহিনী পড়ে আমি রীতিমত টাস্কিত... বাংলাদেশ দেখি অনেক অনেক এগিয়ে গেছে... এখনতো ঢাকা যাইতেই ভুয় লাগে...
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৯:০৬
ত্রিনিত্রি বলেছেন: এটা কি আগানো না পেছানো সে নিয়ে বিস্তর সন্দেহ আছে!! তা আপনি ঢাকায় নাই?? আছেন কই?
অনেক দিন পর আমার ব্লগে। স্বাগতম!
১৯|
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৯:০৬
পড়শী বলেছেন: কেউ যদি তার শেকড়ের খোঁজ না জানে, সে কখনো মাথা উঁচু করে বেঁচে থাকতে পারে না। সারাজীবন অন্যের অনুকরণ করে, খুব সাময়িক কিছুদিন স্থুল আনন্দের মধ্যে থেকে, অবশেষে হতাশাগ্রস্থ হয়ে পড়ে। তারপর নেশা হয় এদের আশ্রয়। পরিশেষে একটা সম্ভাবনাময় জীবনের করুন মৃত্যু। অথচ, সঠিক পরিচর্যা পেলে এরাই হয়তো একদিন পাস্তুর, নিউটন, তেরেসা, ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল হতো, কে বলতে পারে।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৯:১২
ত্রিনিত্রি বলেছেন: অনেক কঠিন কথা বলেছেন, কিন্তু সত্য।
অনেক ধন্যবাদ।
২০|
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৯:১০
বৃষ্টি ভেজা সকাল ১১ বলেছেন: ওহ তোমাকেতো এক্টা কথা বলা হয়নি,
আমার এক আত্মীয়া, পড়ে ক্লাস ৬ষ্ট শ্রেণীতে। সে নাকি একদিন আমর ছোটভাইকে বলে, ভাইয়া আপনাকে আামার বান্ধবীর বয়ফ্রেন্ডের মতো
লাগে।
ভেবে দেখো কিরাম ডিজুস পুলাপাইন
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৯:১৪
ত্রিনিত্রি বলেছেন: ভয়াবহ! সিক্সে পড়ে, তার আবার বয়ফ্রেন্ড। তাইলে খেলাধূলাটা করবে কখন!
২১|
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৯:১১
বৃষ্টি ভেজা সকাল ১১ বলেছেন: ওই মর্ছি, আপনাকে তুমি কয়া ফেলাইছি
স্যরি
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৯:১৬
ত্রিনিত্রি বলেছেন: টেনশন নিয়েন না, এই অপরাধে আমি আপনাকে ইঞ্জেকশন দিবো না। হাহাহাহা।
২২|
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৯:১২
ফয়সাল তূর্য বলেছেন:
সুতরাং সব কিছুর দিবস থাকুক। সাথে “নিজেকে জানো” দিবস ও থাকুক। এই দিবসে অন্তত মানুষ একবারের জন্য হলেও ভাববে, সে কে, কি তার সংস্কৃতি, এবং তার মূল্যবোধ কতটুকু।
সহমত
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৯:৩১
ত্রিনিত্রি বলেছেন: ধন্যবাদ।
২৩|
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৯:২১
শায়মা বলেছেন: হা হা আপুনি কদিন আগে আমি পিজাহাটে গেছিলাম।
আমাদের পাশের টেবলে দুই দুই চারজন ছেলে আর মেয়ে।
একটু পর তাদের পাশে এসে বসলো এক ৫/৬ বছরের বাচ্চা আর তার মা।
ঐ ৪জন ছেলেমেয়ে মহা চিল্লাচিল্লি করে ওভার স্মার্টনেস দেখায় ওদের যত ভাব ভালোবাসা আছে তা বুঝি নিজের বাড়িতেই বসে বলছে এমনি করে বলা বলি মানে চিল্লাচিল্লি করছিলো। আর মাঝে মধ্যে ...... .....
এই বাচ্চা আর তার মা এসে পাশের টেবলে বসার পরও তাদের সবার সামনেই অভদ্রের মত ....... ........ বন্ধ হলোনা। বাচ্চাটা ওদের ...... ......... দেখ হঠাৎ হা হা হা হা করে অট্ট হাসি দিয়ে বলে উঠলো আম্মু দেখেো ওরা কি করে!!!
বাচ্চার মা বাচ্চাকে এক মহা ধমক দিয়ে হাত ধরে উঠায় নিয়ে গিয়ে দূরের টেবলে গিয়ে বসলো।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৯:৫৪
ত্রিনিত্রি বলেছেন: পাবলিক ম্যানার বলে যে একটা ব্যাপার ছিলো, সেটা কি ডিকশনারি থেকে উঠে গেছে নাকি? বোধহয় আপু, কারন সবাই সবকিছু এত শো অফ করতে ব্যস্ত......
আপনার অভিজ্ঞতায় হাসবো না কাঁদবো বুঝতে পারলাম না!
অনেক ধন্যবাদ আপু।
২৪|
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৯:২২
রোবট ভিশন বলেছেন: কিছু কলেজের ডিজুস ফাজিল পুলাপাইন ইসমার্টের উত্তেজনায় ফেসবুক স্টাটাসে শুধুই হিন্দীতে ফোনেটিক ভাবে লিখে... আমি ডিরেক্টলি, ইনডিরেক্টলি অনেক বার বলার পরেও কোন পরিবর্তন নেই... যেমন একটা উদাহরণ দিই, আমি এরকম একজনের স্টাটাসের মন্তব্য লিখেছি, হিন্দী বুঝি না, একটু বাংলায় লিখ। সে উত্তর দেয়, ও আল্লাহ আপনি হিন্দী বুঝেন না? আমি আর কথা না বাড়িয়ে আস্তে করে সরে আছি। আমি যাদের কথা বলতেছি, তারা বেশির ভাগের বয়স ১৫ থেকে ১৮ বছর। আর উদাহরন দিলাম আমার ঢাকায় কলেজ পড়ুয়া আমার এক কাজিনের...
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৯:৫৮
ত্রিনিত্রি বলেছেন: ফেসবুকে একটা পেজ আছে, "আমরা যারা হিন্দিতে স্ট্যাটাস দেয় তাদের স্ট্যাটাসে লাইক দিই না বা হাইড করেই দেই" এই জাতীয়। আপনার কাজিনকে ঐ পেজের লিঙ্কটা পাঠান। হাহাহা।
আমি হিন্দিতে লেখা কোন স্ট্যাটাসের ধারে কাছে দিয়েও যাই না, কারন ঐখানে কমেন্ট করা মানে বিশাল ক্যাচাল। ওইসব স্ট্যাটে আহা উহু করার মত বহুত পাবলিক আছে। সুতরাং মানে মানে সরে পড়াই ভালো।
২৫|
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৯:২৪
নিমতিতা বলেছেন: সালাম ওস্তাদ।
ভালো লিখছেন, সবাই মডার্ন হতে চায়, তাতেও হয় না, আল্ট্রা মডার্ন হওয়া চাই। নিজেকে আলাদা করার সর্বনাশা চিন্তা গ্রাস করেছে সবাইকে। জীবন যাপনের লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে ফাস্টফুড, ডিসপোজেবল প্রেম, মোবাইলে কথা বলা...
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৯:৫৯
ত্রিনিত্রি বলেছেন: একদম নিমতিতা সত্য কথা বলেছেন!
অনেক ধন্যবাদ।
২৬|
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৯:২৫
বৃষ্টি ভেজা সকাল ১১ বলেছেন: বড় বাচাঁ বাঁচলাম, ইঞ্জেকশন আমার ডর করে
আরে খেলবে কি?? ওরা এখন যা চিন্তা ভাবনা করে তা আমরা ইন্টারেও করিনাই
৭ম শ্রেণীতে পড়ে মেয়ে গেছে ফয়েজলেকে ডেটিং করতে , শুনেতো আমি অক্কা যাইতেছিলাম
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১০:০১
ত্রিনিত্রি বলেছেন: অক্কা যাইয়েন না, ক্লাস ফাইভ গেলেও এখন অক্কা যাবার সময় নাই!
২৭|
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৯:৪৫
জলমেঘ বলেছেন: লেখাটা অনেক অনে......... অনেক ভালো লাগলো। এখন ব্যপারটাই এরকম; নিজের সংস্কৃতি ধারণ করে চলা মানেই কাঁচা ভুট্টার ক্ষ্যাত।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১০:০৪
ত্রিনিত্রি বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ জলমেঘ।
২৮|
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৯:৪৬
কান্টি টুটুল বলেছেন: সুতরাং সব কিছুর দিবস থাকুক। সাথে “নিজেকে জানো” দিবস ও থাকুক। এই দিবসে অন্তত মানুষ একবারের জন্য হলেও ভাববে, সে কে, কি তার সংস্কৃতি, এবং তার মূল্যবোধ কতটুকু।
.......সাথে নিজের কোন দোষ,অপরাধ,ভুল বা দূর্বলতার কথা সংসাহস নিয়ে আপন সঙ্গি / সঙ্গিনীর কাছে স্বীকার করে-খারাপ সবকিছু পেছনে ফেলে ভালমানুষ হয়ে সামনে এগিয়ে যাবে।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১০:০৬
ত্রিনিত্রি বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
২৯|
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৯:৪৭
অণুজীব বলেছেন: ১৫ তম ভালো লাগা
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১০:০৭
ত্রিনিত্রি বলেছেন: ধন্যবাদ। আপনার নিকটা আমার কাছে খুবই ব্যাপক লাগে। সবসময়েই মাইক্রোবায়লজীর কথা মনে করিয়ে দেন! ![]()
৩০|
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৯:৫৫
নিপাট গর্দভ বলেছেন: এর হাত থেকে পরিত্রাণ পেতে দেশে জারি করতে হবে কওমি শাসন, আল্লাহর পথে হাঁটতে হবে। এর অন্যথা করলে ধিস্কাউউউউউউউউ
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১০:১০
ত্রিনিত্রি বলেছেন: আল্লাহর পথে হাঁটা খুবই ভালো কথা। তবে লক্ষ্য রাখতে হবে যেন তা চরমপন্থা না হয়ে যায়।
ধন্যবাদ।
৩১|
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৯:৫৫
অক্টোপাস পল বলেছেন: খারাপ লাগে যে আমিও 'ডিজুস' যুগের।
ত্রিনিত্রি কী ঢাবিতে পড়েন?
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১০:১২
ত্রিনিত্রি বলেছেন: খারাপ লাগার কি আছে? ডিজুস যুগের হলেই যে ডিজুস হতে হবে, তা তো নয়!
না, আমি ঢাকা মেডিকেলের।
৩২|
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১০:০০
শশী হিমু বলেছেন: একটু দেরিতে আসলাম!
পুরাটা পোস্ট খুব মনোযোগ দিয়া পড়লাম!
পুরাই উরাক তারাক বর্ণনা দিছেন ডিজুস যুগের!
এইযে আমি ''উরাক তারাক'' কইলাম এইটাও আমার মনেহয় একটা ডিজুস শব্দ।
এইরকম আরও অনেক শব্দ আছে আপু, জেগুলা শুনলে আমার মাথা ঘুরায়। মানে তো বুঝিই না, ভালো কইলো নাকি খারাপ কইল তাও বুঝিনা। কিছু কিছু কথা শুনলে আবার মনেহয় অশ্লিল গালি দিলো!!
ক্যান রে ভাই, এতোসুন্দর ১ টা ভাষা পাইছি আমরা, কত ভালো ভালো শব্দ আছে! ওইগুলা শিখতে কি দোষ??
আমিও আপনার সাথে একমত। দোষ আসলে অভিবাবকদের, তারা যতটা না সাহিত্য চর্চায় সন্তানদের উতসাহিত করে তার চাইতে বেশি একাডেমিক পড়ালেখার চাপ দেয়! কাজেই বাংলার বিশাল শব্দ ভান্ডারের দসাথে পরিচিত হতে পারে না!
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১০:২১
ত্রিনিত্রি বলেছেন: কিন্তু উরাক-তারাক শব্দটাকে যে ভালু পেলুম!!! জটিল তো! উরাক তারাক! গুড গুড, কেউ আমারে ভুট্টা খেত কইলে আমি তারে উরাক-তারাক দিয়ে ঘায়েল করে দিবো। মুহাহাহা।
তোমারে একটা মেয়ের গল্প বলি; যাকে আমার ছোট বোন পড়ায়। সে আমার বোনের কাছে পড়ে, আমার কাজিনও তার ফিজিক্স শিক্ষিকা, এরপরে সে আবার আরো ৪ জনের কাছে পড়ে। স্কুলে তো যায়ই, আবার ছবি আঁকার স্কুলেও যায়। ডাক্তার হবে তো, বায়লজীর ছবি যাতে ঠিক ঠাক আঁকতে পারে। এখন বলো, সে যদি উরাক তারাক না বলে, সে কি করতে পারে? সে যদি স্কুল না পালায় তবে পালাবে কে? মেয়েটাকে তার বাবা-মা একদন্ড শান্তি দিচ্ছে কি? আর আমি ক্লাস এইটের বৃত্তি পরীক্ষার আগেরদিনো তিন গোয়েন্দা পড়ছি; আম্মু কিছুই বলে নাই। ভাবি, মাত্র ১০ বছরের ব্যবধানে এই কি পার্থক্য!!!
৩৩|
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১০:০২
আকাশ চৌধুরী বলেছেন: পোষ্টে সুন্দর হয়েছে । প্রিয়তে নিলাম ।
আচ্ছা, ব্লগের বেশির ভাগ মেয়ের পেশা কি ডাক্তার ?
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১০:২৭
ত্রিনিত্রি বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
তা তো জানি না, আমি তো ৪/৫ জন ছাড়া ডাক্তার দেখিনা। হয়ত চিনিনা।
৩৪|
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১০:০৬
কাউসার রুশো বলেছেন: অষ্টাদশতম পিলাচ
কখনও কারো পোস্টে পুত্তুম পিলাচ দিতে পারলুম না।
বড়ই আফসুস
![]()
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১০:৩১
ত্রিনিত্রি বলেছেন: হিহিহি, আমি আপনার ব্লগে দিতে পারছি না একবার? তবে, ব্যাপারটা বড়ই কষ্টের!! কারন পড়ে আসতে আস্তে কেউনা কেউ দিয়ে ফেলে!
অনেক ধন্যবাদ।
৩৫|
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১০:০৯
পুরাতন বলেছেন: আমাদের বাবা মা রাই বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে দায়ী ![]()
২০+
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১০:৩৩
ত্রিনিত্রি বলেছেন:
৩৬|
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১০:১০
শশী হিমু বলেছেন: এইটা কে বলছিলেন খুব এটা ভালো মানের লেখা না??
খুব চমৎকার ১ টা লেখা লিখেছেন আপু!
রেটিং সিস্টেম টা থাকলে ১০/১০ দিলাম। যেহেতু নাই তাই ১০ টা ঝাঝা!!
ক্যাফে ম্যাঙ্গ আমারও খুব পছন্দের যায়গা! কিন্তু এখন যা দেখি গেলে তাতে নিজেকে বেমানান লাগে। সীসা লাউঞ্জে বছির দুএক আগে একবার গেছিলাম তখনও ভালো ছিল, কিন্তু ৬ মাস আগে একবার গিয়ে ১৫ মিনিটের বেশি থাকতে পারিনাই।
আমার ক্ষেত্রে সমস্যা খুব বেশি হয়, সবাই যায় গ্রুপ ধরে কিন্তু আমি এখন বেশির ভাগ জায়গায় একাই যাই, তাই ডিজুস পোলাপাইনের কাম কাজ দখেলে মনেহয় এই যায়গা আমার জন্য না, আমি ননেহয় অন্য কোন গ্রহে চইলা আইলাম। আমি উচ্ছিষ্ট নাকি তারা সেটা নিয়ে সন্দিহান হই।
সব শেষে আনার কথার সাতে এমত।
সব কিছুর দিবস থাকুক। সাথে “নিজেকে জানো” দিবস ও থাকুক। এই দিবসে অন্তত মানুষ একবারের জন্য হলেও ভাববে, সে কে, কি তার সংস্কৃতি, এবং তার মূল্যবোধ কতটুকু।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১০:৩৬
ত্রিনিত্রি বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ শশী। ক্যাফে ম্যাঙ্গ আমারো খুব প্রিয় জায়গা। আমি আগে প্রায়ই একাই যাইতাম, চমৎকার একটা সিডি চালাতো ওরা, ভায়োলিন আর এমনি মিউজিকের। একটা কোল্ড কফি নিয়ে ম্যাগাজিনগুলা পড়তাম। ওরা আবার সব ম্যাগাজিন রাখে কিনা!! হাহাহা।
অনেক দিন যাই না, এত ব্যস্ত সময় যায়। এখন আবার যেতে ইচ্ছে হচ্ছে।
হ্যাঁ, এইটা একটা বড় সমস্যা। দেখবা, ইচ্ছা না থাকলেই গ্রুপ যেখানে যেতে চায়, সেখানে যেতে হয়। আমাদের ক্ষেত্রে সুবিধা হচ্ছে, আমার গ্রুপ আমারই মতন। সুতরাং নো টেনশন!
৩৭|
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১০:১২
পাগলমন২০১১ বলেছেন: আগেই পড়েছি।
কাকে কী বলছেন? চোরে না শুনে ধর্মের কাহিনী। দেশে ডিজিটাল হাওয়া বইছে।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১০:৪০
ত্রিনিত্রি বলেছেন:
যা বলেছেন। তবে, সবই সচেতনতার অভাব। এখনকার বাচ্চা কাচ্চাদের বাবা-মা রা কেন যেন অনেক টাকা দেয়। আমাদের তো ৫টাকাও দিতো না। সালামির টাকা কিভাবে খরচ করলাম সেটাও আবার বলতে হতো বাসায় এসে।
৩৮|
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১০:১৩
ইকরি বলেছেন: কটঠিন পোষ্ট...হইচই পোষ্ট...
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১০:৪৪
ত্রিনিত্রি বলেছেন: আপনার প্রোপিকটা কি থ্রি ইডিয়টস থেকে নেয়া?
অনেক ধন্যবাদ।
৩৯|
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১০:২১
রাইসুল জুহালা বলেছেন: লেখাটা চমৎকার লাগল। প্রিয় রম্যলেখিকার কাছ থেকে এরকম সিরিয়াস একটা লেখা পেয়ে আরও ভাল লাগছে।
যে কথা অন্য এক প্রসঙ্গে অন্য এক পোস্টে গতকালই বলছিলাম - আমরা জাতিগতভাবে একটা ট্রানসিশন পিরিয়ডের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি। আমরা আমাদের সংকীর্নতাগুলিকে পেছনে ঠেলে পাশ্চাত্যের মুক্ত সমাজের দিকে যেতে চাই, যেটা ভাল। কিন্তু নতুন নতুন দেখছি বলে সেই মুক্ত সমাজের ভেতরে না ঢুকে বাহ্যিক খোলসকে ধারন করছি। আমরা অ্যারেঞ্জড ম্যারেজের ধারনা থেকে বের হয়ে পশ্চিমের মত বিয়েপূর্ব প্রেম, ভালবাসায় অভ্যস্ত হতে চাচ্ছি, কিন্তু তাদের মত খাঁটি প্রেমময় সম্পর্ক অনুশীলনের বদলে অবাধ মেলামেশাটা নিচ্ছি। এই পর্যায়ে এটাই বোধহয় হওয়ার কথা। আমি নিশ্চিত ২০-৩০ বছর পর এই ঝোঁকটা কেটে যাবে, পুরো ব্যাপারটা একটা সিস্টেমের মধ্যে আসবে।
অনেক ধন্যবাদ এ ধরনের একটা টপিক নিয়ে লেখার জন্য।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১১:১৫
ত্রিনিত্রি বলেছেন: ঠিক বলেছেন। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, আমাদের কিছু মূল্যবোধ কখনোই পরিবর্তন হবে না। এবং তারচেয়েও বড় কথা আমরা বাঙালি, আমাদের জিনগত কিছু সমস্যা রয়েছে। সবকিছুরই মধ্যম পন্থা ভালো। টেকনোলজি আড্যাপ্ট করাতা যতটা সহজ, মানসিকতা ততটাই কঠিন।
বাঙালি বলেই একটু কনফিউশন, ২০ বছরে সিস্টমে আসবে নাকি আরো উলটে পালটে যাবে!!
অনেক অনেক ধন্যবাদ জুহালা ভাই।
৪০|
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১০:২৫
সাকিন উল আলম ইভান বলেছেন: পড়ে মনে হল এখন ও সভ্য আছি অসভ্য হয় নি
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৩৩
ত্রিনিত্রি বলেছেন: আসে পাশে অসভ্য হওয়াই যদি ট্রেন্ড হয়, তখন???
৪১|
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১০:২৭
মাহবু১৫৪ বলেছেন: অনেক বড় লেখা!!!!
কিছুটা পড়েছি আর বাকিটা প্রিয়তে রেখে দিয়েছি। পরে বাকিটা পড়ে নেবো।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৩৫
ত্রিনিত্রি বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। ইশ, আপনি কখনোই আমার কোন লেখা একবারে পড়তে পারেন না, আমার লেখার সাইজের জন্য আমি আসলেই দুঃখিত। ইনশাল্লাহ লিখতে লিখতে কম বাক্যে মনের ভাব প্রকাশ করে ফেলতে পারবো!
৪২|
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১০:৩৬
শশী হিমু বলেছেন: মেয়েটার গল্প শুনে খারাপ লাগছিল, যখন বলেন ছবি আঁকার ক্লাসে যায় তখন একটু স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছিলাম এই ভেবে যে যাক তাও তো ছবি আঁকার ক্লাসে যায়, সুকুমারবৃত্তির চর্চা করে, কিন্তু পরে এটা কি বলেন?
বায়োলজির ছবি যেন ভালো আঁকতে তার জন্য এই ব্যাবস্থা!!
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৩৮
ত্রিনিত্রি বলেছেন: সুকুমার বৃত্তি ভালো, কিন্তু যদি সেটা জোর করে হয়, তবে এর চেয়ে ভয়ানক আর কিছু হতে পারে না। যারা ভুক্তভুগি তারাই জানে!!
৪৩|
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১১:০২
মাধুকরী বলেছেন: ধানমন্ডি ক্যাফে ম্যাঙ্গ স্মোক জোন অসাম ! মাথার উপর কাক কবুতর , এই ঢাকা শহরে কই পামু !! কবে যে মাথায় কি ফালাইয়া দেয়, তয় ডক্টরস ক্যান্টিন প্রবেশ মুখের সুগন্ধ থেকে ভালা
:প
যাওজ্ঞা, দুই একটা জায়গা ছাড়া সহমত , তয় ঐ কথাডা তাবৎ পুলা মাইয়া কেন বুঝেনা , '' আজকাল কেউ দোষ স্বীকারেও কুন্ঠিত না। দোষ সবাইকে বলে বেড়ালেই যে তা শুদ্ধ হয় না; সেও কি সবাই ভুলেছে নাকি? ''
পড়ে ভাল লাগল !
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৪০
ত্রিনিত্রি বলেছেন: স্মোক জোন নিয়ে কিছুই কই নাই ভাই, ঐখানে তো আর যাবার দরকার পড়ে না। ঐটা আপনার টেনশন। হাহাহা।
অনেক ধন্যবাদ।
৪৪|
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১১:১১
জয় রাজ খান বলেছেন: সবি ডিজুসের লীলা খেলা!!
জয়তু ডিজুস :-<
দেখি একদিন সময় কইরা সীসা টাইনা আমু,,নাইলে সবাই ওল্ড বলবে।
পোষ্টে পিলাচ
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৪১
ত্রিনিত্রি বলেছেন: টানতে গেলে ডিজুস কাউরে নিয়ে যাইয়েন সাথে। নাইলে কি হবে কে জানে।
![]()
অনেক ধন্যবাদ।
৪৫|
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৩০
মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেছেন: বরাবরের মতই অসাধারণ !! একেবারে একটা বার্ণিং ইস্যু নিয়ে লিখেছেন... উত্তরণের উপায় নিয়ে কিছু ভেবেছেন??
একটু গভীরভাবে ভাববেন...
++++++
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৪৯
ত্রিনিত্রি বলেছেন: উত্তরনের উপায় তো খুবই সিম্পল।
১। বাবা-মা কে বাচ্চাদের পর্যাপ্ত সময় দিতে হবে। তাদের কোনটা ভালো কোনটা খারাপ বুঝাতে হবে।
২। কার সাথে বাচ্চা মিশছে কড়া নজর রাখতে হবে।
৩। প্রয়োজনের অতিরিক্ত টাকা দেয়া যাবে না।
৪। অবশ্যই ছোটবেলা থেকেই বই পড়তে দিতে হবে; যাতে তার ভালো পার্সোনালিটি গ্রো করে।
৫। চাকরিজীবীদের পক্ষে যেহেতু সম্ভব না সবসময় বাসায় থাকা, সেজন্য সপ্তাহে একদিন অবশ্যই বাচ্চাকে নিয়ে বাইরে যেতে হবে, অথবা বাসায় গল্প, খেলা এইসব করতে হবে। যেকোন বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে হবে।
৬। ব্যক্তিগত ভাবে আমি ইন্টার পাশ করার আগে পোলাপাইনকে মোবাইল দেয়া পছন্দ করিনা। কিন্তু যেহেতু পরিস্থিতি ভালো না, এই কারনে যদি মোবাইল দিতেই হয়, অবশ্যই পোস্ট পেইড; যাতে বিল তুলে বাবা-মা বুঝতে পারেন যে বাচ্চা কতটা সময় ব্যয় করছে ফোনে।
ইত্যাদি ইত্যাদি। মূল কথা, ছোট বেলা থেকেই পার্সোনালিটি গ্রো করাতে হবে। এতে বড় হয়ে নিজেরাই ওসব করবে না।
৪৬|
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৪০
সায়েম মুন বলেছেন: কালে কালে আর কত দ্যাখবো আল্লাহ মালুম
সামনে যে কোন জমানা আসতেছে
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৫১
ত্রিনিত্রি বলেছেন: সায়েম ভাই, আপনার কমেন্ট পড়ে হেসে ফেললাম। নিজেকে আসলেই এখন বয়স্ক মনে হচ্ছে। হাহাহাহাহা।
৪৭|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১২:০১
বড় বিলাই বলেছেন: কী আর বলব, এসব দেখে কিছু বলারও সাহস পাই না। সেকেলে মানুষ, কী বলতে কী বলব, এই সবতো বুঝিই না। তার চেয়ে চোখ বন্ধ করে চুপ করে বসে থাকি।
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১২:১৩
ত্রিনিত্রি বলেছেন: আপু, ঐ সীসা, সিগারেট আর ইয়াবা মাঝে না থাকলে হয়ত আমিও জেনারেশন গ্যাপ বলে চুপ করে থাকতাম, কিন্তু এই সর্বনেশে ব্যাপারগুলো নাক গলানোতে চুপ করে থাকা যাচ্ছে না ।
৪৮|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১২:০৯
ইশতিয়াক আহমেদ চয়ন বলেছেন: এইভ২ও তে আর জীবনেও যাব না কানে ধরছিলাম !! পোষ্ট পড়ে কিছু বলার নেই। একেবারে বাস্তব সত্য। ++++
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১২:১৫
ত্রিনিত্রি বলেছেন: একবার গিয়ে দেখতে পারো!! তোমার ভাগ্য ভালো থাকলে হয়ত নরমালই থাকবে। ভাগ্য ভালো থাকার সম্ভাবনা কম, কিন্তু মিরাকেল বলেও তো একটা শব্দ আছে!!
৪৯|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৩৭
সুদীপ্ত কর বলেছেন: আফসুস... ডিজুস হইতে পারলাম না। হইতে চাইওনা।
পড়ার সময় মনে হল অনেক বড়সড় একটা কমেন্ট করব। লিখতে গিয়ে ভুলে গেসি।
অনেক ভাল হইসে। নিজের ভেতরটা এখনো নষ্ট হয়নাই বলে আনন্দিত।
++ + শোকেস
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১:৩৮
ত্রিনিত্রি বলেছেন: ডিজুসের কিন্তু কিছু ভালো দিকও আছে। পোলাপাইন অনেক স্মার্ট, সব পরিবেশে চমৎকারভাবে নিজেকে তুলে ধরে। আমাদের অনেকের মাঝেই এই ব্যাপার চরমভাবে অনুপস্থিত।
অনেক ধন্যবাদ।
৫০|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৪২
ইশতিয়াক আহমেদ চয়ন বলেছেন: গিয়েছিলাম একবার প্রথমদিকে !! শিক্ষা হয়েছিল। আইসক্রিম দিয়েছিল পোলারের গলে যাওয়া আর দাম কত নিয়েছইল বললাম না। ক্লাসলেস জায়গা !!
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১:৩৯
ত্রিনিত্রি বলেছেন: ক্লাস লেস হয়ত না, হাহাহা, কি বলো! গলে যাওয়া আইস্ক্রিম?? তাহলে রেগে যাওয়া স্বাভাবিক!
৫১|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৫৬
পাহাড়ের কান্না বলেছেন: কাচ্চাবাচার প্রেম ! এইটা আবার কেমন প্রেম :-& হবে হয়তো কোন ডিজ্যুসদের প্রেম
সীসা টাইনা কেউ মারা গেছে শুনিনাই। তয় মনে হয় সীসা টানলে ভাবের কবিতা লেখতে পারুম। অনেক দিন ভাব আসেনা
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১:৪৩
ত্রিনিত্রি বলেছেন: সীসা টেনে তো একদিনে মরবেন না, ধীরে ধীরে। হাহাহা, মানে কাচ্চাবাচ্চার প্রেম মানে, এই পিচ্চি পাচ্চাদের প্রেম আরকি!
আর ভাব দরকার নাই, ভাব ছাড়াই যা লিখছেন, ভাব আসলে দুনিয়া তোলপাড় হয়ে যাবে।
৫২|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১:০৩
অচেনা রাজ্যের রাজা বলেছেন: এক বন্ধুর সাথে একবার সীসা বারে গেছিলাম। গিয়ে দেখি পোলা-মাইয়া দুইজনেই একসাথে টানতেছে। পোলা আগে টান দেয় এরপর মাইয়া টান দেয়। এরাই নাকি আবার ভালোবাসা-বাসি করে!
অবাক হই এই সব ডিজুস মার্কা পোলাদের প্রেম করা দেখলে।
একপাশে জেনিফার থাকলে আরেক পাশে রাখে সামিয়ারে। এক গাড়িতে করেই ঘুরে বেড়ায় চিপাচাপার সন্ধানে। চিপাচাপা পাইলে দেরি করে না কিছুতেই!
এসব বলছি কারণ এর বাস্তব উদাহরণ আমার কয়েকটা ফ্রেন্ড
বাপের টাকা কিভাবে হালাল করা যায় তা এদের কাছ থেকে শিখতে হবে!!
তাদের বয়সী হওয়া সত্ত্বেও কেন যে ডিজুস হইতে পারি না
ডিজুস হইতে না পারার লজ্জা অনেক পীড়া দেয়!!
পোষ্টে ১০০০০০০০ পিলাচ.....
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১:৪৫
ত্রিনিত্রি বলেছেন: ভাই, ওই পীড়া নিয়েই থাকো; ডিজুস হইয়া কাজ নাই। তাইলে এই পোস্ট পড়লে তোমার গায়ে লাগতো, যে তোমারে নিয়ে লেখা হইছে।
বাপ পয়সা এত দেয় কেন! এইটা আমার বার্নিং প্রশ্ন! বাপ তো জানেই যে ছেলে মেয়ে পয়সা পাইলে এইসবই করবে।
সীসা লাউঞ্জ জটিল জায়গা, গেলে আসলেই মাথা ঘুরাবে। কিন্তু প্রব্লেম হচ্ছে, ঢুকা যাচ্ছে না। নিজেকে খ্যাত খ্যাত লাগে।
৫৩|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১:০৪
ফেরারী... বলেছেন: বরাবরের মতই অসাধারণ !!
ডিজুস যুগ তো গ্যাছেগা সেই কবেই !! ভাগ্যিস আপনি ফ্যান্টাসি বা নন্দনের ওয়াটার কিংডমে যান নাই !!
এখন চলছে জেনারেশন Y
সনাক্তকারী চিহ্নঃ উক্ত যুগের ছেলে ও মেয়েরা প্যান্ট এতই নিচে পরে যে তাদের পিছনের Y টা পুরাই দৃশ্যমান
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১:৪৮
ত্রিনিত্রি বলেছেন: ওয়াটার কিংডমে তো গেছিলাম, শেষ গেছি ২০১০ এর এপ্রিলে। তবে সন্ধ্যার ডিসকো পার্টিতে কখনো যাই নাই। সবসময় আম্মু খালা কাজিনদের সাথে গেছি তো।
আপনি সবসময় চমকপ্রদ কিছু তথ্য দেন!!! যেমন আমার বিসিএস পোস্টে আজদাবিয়া ব্যাপারটা কি জানায়ে গেছিলেন, এখন ওয়াই সনাক্তকারী জানায় গেলেন!!! আপনাকে ব্যাপক ধইন্যা!!!
৫৪|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১:১০
অচেনা রাজ্যের রাজা বলেছেন: ৩৪তম পিলাচ.......
প্রফ পিক কেমন হইছে আপু ??
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১:৪৯
ত্রিনিত্রি বলেছেন: সেরাম!!!!!!!!!!!! আমি এইটা প্রপিক চাই,
কি ব্যবস্থা কও দেখি।
৫৫|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১:১৩
শিশিরের বিন্দু বলেছেন: আপু নতুন করে আরও একটা জিনিস বলি এটা নতুন শুরু হয়েছে না পুরান তা জানিনা তবে আমার জন্য একদম নতুন, আমার এক বান্ধবী বলতেছে যাবি? আমি জিজ্ঞেস করলাম কোথায়? অ বলে লেকে। আমি বললাম এই ভর দুপুরে কেন যাবি? অ বলল ওর বিএফ আসবে। তো আমি বললাম সেখানে আমি কেন যাবো? অ বলে আরে তুই তো যাবি ফ্রেন্দেটিংএ । হা হা হা
আর বলনা আপু এরা যে কত অদ্ভুত জিনিস বের করছে।
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১:৫১
ত্রিনিত্রি বলেছেন: ফ্রেন্দেটিং শব্দটা নতুন, গ্রুপ ডেটিং মানে তো জোড়া জোড়া। ফ্রেন্দেটিং মানে কি ফ্রেন্ডের বয়ফ্রেন্ডের সাথে ডেটিং নাকি? হায় হায়।
এবার সত্যি ভয় পাইলাম!
৫৬|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১:১৬
অচেনা রাজ্যের রাজা বলেছেন: @শিশিরের বিন্দুঃ ফ্রেন্দেটিং কিতা ?? :-&
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১:৫৩
ত্রিনিত্রি বলেছেন: আমিও জানতে আগ্রহী!
৫৭|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১:৪৪
নীরব 009 বলেছেন: আজকের পোষ্টে অন্য রুপে আবির্ভূত হয়েছেন। আপনার কথার সাথে আমি সহমত। আপনি যে বিষয়গুলো তুলে এনেছেন ঠিক ঠিক সেই বিষয়গুলো নিয়ে আমি কথা বলেছি বিভিন্ন আড্ডায়। আমারও ঠিক একি কথা কোথায় যাচ্ছে সবাই? আমরা ভালটা গ্রহণ করি না কিন্তু খারাপটা গ্রহণ না করলে স্মার্ট ও হতে পারি না। সেলুকাস!!!!
৩৭ তম ভাললাগা রইলো। ভাল থাকুন। ও আচ্ছা, আজকের এই পোস্ট পড়তে গিয়ে মনে হল কোন পত্রিকায় কলাম পড়ছি।
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১:৫৫
ত্রিনিত্রি বলেছেন: পত্রিকার কথায় মনে হইলো, আমার ব্লগে একজন কমেন্ট করে জানতে চেয়েছিলেন সিলেটের আঞ্চলিক পত্রিকা বা ম্যাগাজিন, এগুলোর অনলাইন ভার্সন আছে নাকি, লিঙ্ক চান। থাকলে একটু জানিও তো, উনাকে জানিয়ে দেবো।
সেটাই, সেলুকাস!!!
৫৮|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১:৫২
অচেনা রাজ্যের রাজা বলেছেন: খ্যাত খ্যাত হইতে চাই না ডিজুস হইতে চাই....আম্মা আমি ডিজুস হমু আমারে টেকা দাউ
@নীরব ভাই আপ্নে আজকে এইডা কি কইলেন ?
আমার নাকি বাংলাদেশের রাস্তাঘাট ভালু লাগে না....বিরোধী দলীয় ষড়যন্ত্রের জন্য আপনারে মাইনাচ....
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১:৫৬
ত্রিনিত্রি বলেছেন: আমার কি বয়স আছে ডিজুস হবার?? থাকলে আমিও টাকা চাই, আমিও ডিজুস হবো।
উরাক তারাক ডিজুস। হাহাহা।
৫৯|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১:৫৫
অচেনা রাজ্যের রাজা বলেছেন: আপনার ফেবুর ইনবক্স দেখেন আপু.....
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১:৫৮
ত্রিনিত্রি বলেছেন: দেখলাম!!! থ্যাঙ্কু থ্যাঙ্কু। কিন্তু, তোমার সাথে মিলে যাবে তো। দেখো তো এই সাইনের হয় কিনা।
এইটা।
৬০|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ২:০৩
রুদ্রপ্রতাপ বলেছেন:
কি কমু?
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ২:২৬
ত্রিনিত্রি বলেছেন: তা তো জানি না।
৬১|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ২:১৬
নীরব 009 বলেছেন: ভাবসিলাম আমরাই ডিজুস পোলাপান, অহন দেহি সেরের উপ্রে সোয়া সের আছে।
রাজা লিঙ্ক জানে। ও লেখা পাঠায়। আমি বলে দিচ্ছি।
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ২:৩৭
ত্রিনিত্রি বলেছেন: আর লোক হাসাইয়ো না, তোমরা ডিজুস পুলাপাইন হইলে এরা কি??? একটা কাহিনী বলি শোনো।
আমাদের এক ভাইয়া হাসপাতালে অ্যাডমিশন ডিউটি করতেছে, নাইট। রাত সাড়ে তিনটা/ চারটার দিকে ৫টা ছেলে আসছে, একজন পুরা দুর্বল, অস্থির। সবার হাতে কানে মাকড়ি, থ্রি কোয়ার্টার পরা। গলায় গোলাপি মালা। তো ছেলে এসে বলে, "গেলুম গেলুম" করতেছে। ভাইয়া তাড়াতাড়ি বললো, হ্যা, সমস্যা কি? ছেলে বললো, "সারা রাত মোবাইলে কথা বলে আমার এখন দুর্বল লাগতেছে"।
বোঝো!!! কেমন লাগে! রাত ৪টার সময় এইসব ফাইজলামি!!!! এইসব হচ্ছে ডিজুস পুলাপাইন। ভাইয়া একটা স্যালাইন ওর্ডার দিতেই ১ ঘন্টার মাঝে পালায়ে গেলো।
৬২|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ২:১৯
রেজওয়ান তানিম বলেছেন: হাসি চাপাইয়া রাখন দুস্কর
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ২:৩৯
ত্রিনিত্রি বলেছেন: তাহলে হাসো!! হাসা তো সবসময়েই ভালু!!
৬৩|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ২:৩৬
অচেনা রাজ্যের রাজা বলেছেন: ইংরেজি পত্রিকা-- সিলেট টুডে
বাংলা পত্রিকা-- সিলেট সিফডিয়া
দৈনিক সিলেট
আরো কয়েকটা আছে তবে অনলাইনে এগুলাই বেশী চলে।
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১১:০০
ত্রিনিত্রি বলেছেন: ধইন্যা!!!!
৬৪|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ২:৩৭
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১১:০৩
ত্রিনিত্রি বলেছেন: বাহ, অনেক গুলা তো দেখি আছে!!
৬৫|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ২:৪৪
নীরব 009 বলেছেন: হা হা হা
![]()
ফোনে আমার কখনোই কেউ ছিল না কথা বলার আর এই রোগ আমাকে ধরতে পারে নাই কখনো। মাঝে মাঝে আমার মোবাইল জিনিসটা এতো বিরক্ত লাগতো যে মোবাইল বন্ধ করে ব্যাগে রেখে দিতাম। পরে বাড়িতে ঝাড়ি খাওয়ার পর আর এই কাম করি না।
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১১:০৬
ত্রিনিত্রি বলেছেন: আগে মোবাইলে গেম খেলতে ব্যাপুক ভালু পাইতাম, এখনো পাই। হাহাহা। হুম, মোবাইল বন্ধ থাকলে সবার আগে আম্মু চিল্লাফাল্লা করে।
৬৬|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৩:০০
হিবিজিবি বলেছেন: যে সব টুকরা টুকরা কাহিনীর বর্ননা পেলাম... এরপর খালি ভাবতেই আছি দেশ কি আগাইছে না পিছাইছে!! এসবের পরিনতি কি, কোন কূল কিনারা পাই না!!
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১১:০৭
ত্রিনিত্রি বলেছেন: দেশ আগানো পিছানো না, আসলে আমাদের মূল্যবোধের জায়গাটা একটু উলট পালট হয়ে গেছে। আর নতুন কিছু সঠিক ভাবে গ্রহন অনেকেই করতে পারছে না, এই হচ্ছে সমস্যা।
৬৭|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৩:২৯
বাংলার পোলা বলেছেন: আজদাবিয়া পোষ্ট.....
অফটপিক....লিখিত এর প্রস্তুতি কেমন হলো?
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১১:০৮
ত্রিনিত্রি বলেছেন: যা তা! এখনো বাংলাদেশই শেষ করতে পারিনাই, সীমানা পেরিয়ে বিদেশী খবরে কবে যাবো আল্লাহ জানে।
৬৮|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ ভোর ৪:২৪
অনিরূদ্ধ বলেছেন:
মজা করে কিছু বলতে পারছিনা কারণ বিষয়গুলো খুবই উদ্বেগের...
জীবনের কোনও পর্যায়েই আমাদের নিজেদের শেকড় ভুলে যাওয়া উচিত না। আমি নিজে দেশের সেরা এমন একটা কলেজে পড়েছি যেখানে বেশিরভাগই বিত্তবানদের সন্তানেরা লেখাপড়া করে। কলেজে ভর্তি হয়েই ছেলেদের কাঁধছোঁয়া চুল আর কোমড় পিছলানো প্যান্ট এর দিকে অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকি। আরো নিচে তাকিয়ে দেখি পায়ের নিচ দিয়ে প্যান্ট ঢুকে মাটির সঙ্গে মাখামাখি। ওদের কথাবার্তা, গল্পের টপিক, আড্ডা দেয়ার জায়গা, মেয়েদের সঙ্গে মেলামেশার ভঙ্গি সবই আমার থেকে ভিন্ন ছিলো, আর অবশ্যই ছিলো লোভনীয় আকর্ষনীয়। কিন্তু নিজের অরিজিন টা ভুলে কখনো সেগুলো এ্যাডপ্ট করতে পারিনি। ধানমন্ডির মতো অভিজাত আধুনিক এলাকায় ৪টা বছর পড়াশোনা করেছি, তবুও পারিবারিক মুল্যবোধ সবসময় সভ্যতার চাদর হয়ে আমাকে আগলে রেখেছে অসভ্যতা থেকে। আমি জানি আমি একা নই, এবং এখনো বিশ্বাস করি আমাদের মতো সেকেলে মানুষদের দলই সংখ্যায় ভারী।
তবু নিজের খুব পছন্দের ছোটভাইদের যখন দেখি বডি বিল্ডিং করে অ্যাব ডেভেলপ করেও প্যান্ট পিছলে পড়ে, রাতদিন উঠতে বসতে কানে হেডফোন লাগিয়ে রাখে, সামনে পড়লে "হেই ব্রো", "আরে বস!" বলে গায়ের উপড় আছড়ে পড়তে চায় তখন কষে চটকনা মারতে ইচ্ছে করে, আবার করুণাও হয় ওদের জন্য। এদের মধ্যে কারো মা স্কুল টিচার, কারো বাবা প্যারালাইসড, কারো বাবা সামান্য চাকুরীজীবী। অথচ ওদের চলাফেরা এমন!
শীসা মোটেও খারাপ জিনিস না, অনেকগুলো ফ্লেভারে পাওয়া যায়, রুট বিয়ার টার স্বাদ পানসে ফালতু, পুলসাইড ছাড়া ডিজে জমেনা, হুইসকির চেয়ে ভদকায় নেশা বেশি- আমার এগুলো এসব মধ্যবিত্ত ঘরের সন্তানদের মুখে শোনা! ধানমন্ডি গুলশানের উচ্চবিত্তের সন্তানদের কথা তো আপনি বললেনই। একই সঙ্গে মা আর মেয়ে মার্কেটে গ্যাছে, মা' বোরখা পড়া আর মেয়ে জিন্স আর টপস- এরকম দৃশ্য আজকাল হরহামেশাই দেখি।
আসল সমস্যা ওটাই। আমরা সবাই একটু ভিন্নস্রোতে নিজের গা ভাসিয়ে দেই গন্তব্য না জেনেই। আমরা অন্ধ হয়ে অনুকরণ করি নিজের শেকড় ভুলেই।
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১১:১৩
ত্রিনিত্রি বলেছেন: আমরা সবাই একটু ভিন্নস্রোতে নিজের গা ভাসিয়ে দেই গন্তব্য না জেনেই। আমরা অন্ধ হয়ে অনুকরণ করি নিজের শেকড় ভুলেই।
শেষ দুইটা লাইনেই সব বলে দিলেন। আসলে, আমরা কিন্তু আমাদের দায় এড়াতে পারিনা। আমার ছোট ভাই বোন এসব কেন করবে? নিশ্চই ভালো গাইড করতে পারিনি। খারাপ হবার উপকরন ৫ বছর আগের চেয়ে এখন অবশ্যই আরো বেশী পরিমানে চারপাশ ছড়িয়ে আছে। কিন্তু আমাদেরো সতর্ক হওয়া দরকার ছিলো বইকি। তবে এখনো সময় তো শেষ হয়নি, সুতরাং আশাবাদী।
আরেকটা কথা না বললেই না, বাচ্চা কাচ্চাদের হাতে এত টাকা আসে কি করে? অভিভাবকরা অনেকেই অবৈধভাবে উপার্জন করে বলেই টাকার মায়া লাগে না, অনেকেই অবুঝের মত ১৭ বছরের ছেলের হাতে ক্রেডিট কার্ড তুলে দিয়ে তার বারটা বাজান, এর দায় কি অই ছেলের? মোটেই না, তার পরিবারের দোষ।
অনেক ধন্যবাদ।
৬৯|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ ভোর ৫:২৪
কামরুল হাসান শািহ বলেছেন: ডিজুসরা ভালই আছে। তাদের এক নদীর জলে পিপাসা মিটে না, আমাদের যত জ্বাল অন্য নদীর জল মুখেই রোচে না
আপনে ঐ সব ডেটিং প্লেসে কি করেন????
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১১:১৬
ত্রিনিত্রি বলেছেন: ও মা, পোস্টেই তো বললাম কি করি!! আড্ডাইতে গেছিলাম, নিজের সম্পর্কে ধারনা ছিলো উঁচা। এমনে খ্যাত প্রমাণিত হবো বুঝলে কি আর ঢুকি!
পোস্টটা দিলাম যাতে আমার মত খ্যাতরা আর ভুল না করে। হাহাহা।
না আসলে তারা ভালো নেই, সত্যই ভালো নেই। অসম্ভব কনফিউজ তারা। কনফিউশন নিয়ে কেউ ভালো থাকে না, শুধু ভালো থাকার অভিনয়ই করতে হয়।
৭০|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ সকাল ৭:৫০
রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী বলেছেন: ভাই ক্যাফে ম্যাঙ্গো, এইচটুও এইগুলা কি? এইগুলাতে খাইতে গেলে কি লুঙ্গি পইরা ঢুকা যায়? আইচ্ছা লুঙ্গি বাদ দিলাম, প্যান্ট শার্ট পইরা পায়ে রুপসা স্যান্ডেল থাকলে কি এইসব জায়গায় ঢুকা যায়?
একসময় বাঙ্গালী বাবুরা ধুতি অফিসে চাকরি করতে যাইত, দুপুরের খাবার হিসাবে টিফিন ক্যারিয়ারে ভাত নিয়া যাইত। আমাগোর দেশে কোন কোন অফিসে লুঙ্গি পইরা ঢুকা যায়? ছোট থাকতে মায়ে মাথায় সরিষার তেল দিয়া জুবজুবা কইরা চুল আচড়াইয়া দিত। কানের কাছ দিয়া তেল বাইয়া বাইয়া পড়ত। এহন যদি তেল মাথায় দিয়া চাকরির ইন্টারভিও দিবার যাই তাইলে কি আমারে ক্ষ্যাত কইব?
বার্গার যখন আসবে তখন বার্গারের সাথে বার্গারের লোকজনের সংস্কৃতিও আসবে। মানুষ যখন সময় বাচানির জন্য ফার্ষ্টফুডের দিকে ঝুকবে তখন সময় উপভোগের জন্য পার্টটাইম বয়ফ্রেন্ডও খুজবে। তাও ভালা লুকাছাপা কৈরা ভন্ডের মত প্রাতারণার পিরীত করে না কেউ, যা করে সরাসরি কইয়াই করে।
ডিজুস এমনে এমনে আসে নাই। ব্রিটিশরা যখন আসছিল তখন শার্ট প্যান্ট পইরাই আসছিল। কিন্তু তারপরেও বাঙ্গালী বাবুরা ধুতি পইরাই লালমুখো সাহেবের কোম্পানিতে চাকরি করত। কেউ তখন শার্ট প্যান্টের দিকে ঝুকে নাই। মোঘলরা আইসা এই অঞ্চলের মানুষের সাথে মিশে গেছে। সবাই নিজ নিজ সভ্যতা নিয়া আসছিল, উপমহাদেশীয় সভ্যতাতে পরিবর্তন, পরিমার্জন করছে, উপমহাদেশের সংস্কৃতিরে বর্ধিত করছে কিন্তু ধ্বংস করতে পারে নাই। কে না আসছে এই অঞ্চলে? পর্তুগীজ, পার্সিয়ান, তুর্কি, ব্রিটিশ, সারা দুনিয়া হুমড়ি খাইয়া পড়ছে এই অঞ্চলে। আমাদের কেউ কেউ বাঙ্গালী বাবুরা কাটাচামুচ দিয়া খাবার খাইছে, শার্ট প্যান্ট পইরা সাহেব হৈছে, কিন্তু তারা সমাজে ম্লেচ্ছ সংস্কৃতির গ্রাহক হিসাবে উপহাসিত হইছে। সমস্যা হৈছে যখন আমরা প্রাচ্যের লোকজন যখন পাশ্চাত্যে যাওয়া শুরু করলাম। দেশে বইয়া ধুতি পইরা কলেজে যাওয়া যায়, কিন্তু লন্ডনের কলেজে কি আর ধুতি পইরা যাইয়া শান্তি লাগে? শুরু হৈল প্যান্ট শার্ট পরা। পরে একসময় এইটা গ্রহনযোগ্যতা পাইয়া গেল। প্যান্ট শার্ট তো খারাপ কিছু না। সেই সময়ের ইংরেজীতে বিএ পাশ জমিদারের পুলাও রাগ সঙ্গীত শুনত, কারণ সে তার নিজের সভ্যতার উপর নির্ভরশীল ছিল। পশ্চিমের সভ্যতা বা বিজ্ঞান না থাকলেও তার চলত। কিন্তু উন্নত সভ্যতা অনুন্নত সভ্যতার জায়গা দখল করে নেয়। কোকাকোলা লেবুর গুড়ের সরবতের জায়গা দখল করে নিয়েছে, কারণ তার সভ্যতা উন্নত (লেবুর সরবত বানাইতে হাত খাটানি লাগে, কোকাকোলা হয় যন্ত্রে, খাটাখাটনির কিছু নাই, কিনবেন আর খাইবেন)। আমরা আমাদের সভ্যতাকে নিজেরা উন্নত করতে পারি নাই। আমাদের রাস্তাঘাট ভাঙ্গা, ব্রিজ নাই, বিদ্যুত উতপাদনের ক্ষমতা নাই। পশ্চিমারা পরমাণু ভাইঙ্গা বিদ্যুত উতপাদন করে, চান্দে রকেট পাঠায়। এতদিন পশ্চিম থিকা লোকজন আমাদের শস্য শ্যামলা উর্বর ভুমিতে আসছে, এখন আমরা তাদের বিজ্ঞানময়, প্রযুক্তি-উর্বর জমিতে পাড়ি দিতাছি। তারা আসছে সম্পদ নিতে, আমাদের সভ্যতায় অভিবাসন করার জন্য না। আমরা যাচ্ছি তাদের সভ্যতায় অভিবাসন করতে। আর এইখানেই লাইগা গেল প্যাচ!
এইবার স্কুলে পড়া মাধ্যমিক সামাজিক বিজ্ঞান বইয়ের ওই কথাডা মনে করেন। নর্ডিক জাতি রোমান সভ্যতা ধ্বংস করে দিয়েছিল কিন্তু তাদের ভাষা, আইন অর্থাত সংস্কৃতি গ্রহন করেছিল। কোকাকোলা লেবুর শরবতের জায়গা দখল করে নিবে, কিন্তু মেহমান আসলে যে মেহমানরে কোন মিষ্টি পানীয় দিয়া আপ্যায়ন করতে হয় সেইটা ঠিকই থাকবে। ভারতীয় বা বাংলাদেশী মেধাবী ছেলেরা তার অতিরিক্ত মেধা দিয়া আমেরিকা যাইয়া একজন আমেরিকান মেধাবীরে সরাইয়া তার জায়গা দখল কইরা নিবে কিন্তু বার্গার তারে খাইতেই হবে, সে আজ হোক কাল হোক। আমরা আমাদের নিজেদের সভ্যতা নিজেরা গড়ে তুলতে পারি নাই। পদার্থ, গণিত আমরা নিজেদের ভাষায় অনুবাদ কইরা আবাল বৃদ্ধ বনিতা শিশু সবার জন্য উন্মুক্ত করতে পারি নাই। আমরা সভ্যতা শিখতে যাইয়া সংস্কৃতি শিখছি। পদার্থবিজ্ঞান(সভ্যতা) শিখার জন্য ইংরেজী(সংস্কৃতি) ভাষা শিখছি। সভ্যতা দখল করতে যাইয়া সংস্কৃতির প্যাচে পইড়া গেছি। এইখানে দখলদারী পাশ্চাত্যের সভ্যতার, কিন্তু দখলদার কিন্তু পাশ্চাত্যের লোকজন না, দখলদার হৈলাম আমরা। পশ্চিমারা কিন্তু তাদের সভ্যতা নিয়া ব্রিটিশদের মত এইখানে আসতাছে না, বরং আমরাই ব্রিটিশদের কাছে যাইতাছি। যাইয়া যাইয়া তাদের সংস্কৃতি গ্রহন করতাছি, নিজেদের ছেলেমেয়েদের মধ্যেও সেই সংস্কৃতি ছড়াইয়া পড়তাছে। আমরা যদি নিজেদের সভ্যতা নিজেরা তৈরী করতে পারতাম তাহলে আজকে এই অবস্থা হত না। অথবা পশ্চিমারা যদি তাদের সভ্যতা এইখানে আইনা কায়েম করত, তাহলেও এইসব হৈত না। গ্রামের একজন লুঙ্গি পড়া কৃষক যে লাঙ্গল দিয়া জমি চাষ করে, তারে যদি আপনি উন্নত প্রযুক্তির ট্রাক্টর ধরাইয়া দেন, সে লুঙ্গি পইরাই ট্রাক্টর চালাইব। কিন্তু তার ছেলেও লুঙ্গি পইরা বাপের কাজে সাহাজ্য করব। কিন্তু সেই ছেলে যখন ঢাকায় আসব বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে তখন সে প্যান্ট পইরাই ক্লাসে যাইব। এইখানে সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের কিছু নাই। উন্নত বিশ্বের সাথে পাল্লা দিতে যাইয়া নিজের দেশকে উন্নত না কইরা যখন সরাসরি উন্নত দেশেই যাইয়া আস্তানা গড়তে হয়, তখন সেই দেশের সংস্কৃতি গ্রহন করতেই হবে। বাংলাদেশকে আমরা বাংলাদেশ নয় বরং পশ্চিমের একটা অংশ বানাইয়া ফেলছি। ফলে এইখানকার রীতিনীতি সংস্কৃতি পশ্চিমের মতই হবে। এইটা বাচ্চার দোষও না, বাচ্চার বাবা মায়ের দোষও না, দোষ আমাদের পশ্চাতপদতার। হিন্দি চ্যানেল কতগুলি ছিল আর বাংলা চ্যানেল কতগুলি ছিল? কলকাতার লোকেরা এন্টেনা ঘুরাইয়া বাংলাদেশের নাটক দেখত। বিপুল বিক্রমে এন্টেনা ঠিক কইরা বাংলাদেশের সাথে আধা ঘন্টার সময় হিসাব কইরা বিশাল আয়োজন কইরা বাড়ীর সবাই বাংলা নাটক দেখত পশ্চিমবঙ্গের গ্রামগুলোতে। আমার নিজের চোখে দেখা। আজিজুল হাকিমের নাটক সবাই মুগ্ধ হইয়া দেখতাছে। কিন্তু এন্টেনা ছাড়াইয়া যখন ডিস আইসা গেল তখন কিন্তু বাংলা আর হিন্দি সমান প্রযুক্তিগত দক্ষতা লাভ করল না। বাংলা পইরা রইল এন্টেনায় আর হিন্দি উইঠা গেল ডিসে। উন্নত সভ্যতা অনুন্নত সভ্যতার জাগয়া দখল করল। হলিউডের স্পেশাল ইফেক্ট ফরাসী সেলুলয়েডকে ছাড়াইয়া যাবেই। কিছু করার নাই। একসময় ইন্টারনেট যখন আরও সহজলভ্য হবে, কাগজের পত্রিকার অবস্থা আরও শোচনীয় হবে। তখন পত্রিকায় শুশীল ভাষার বদলে আমার এই আধা খেচড়া ভুলভাল কথ্য বাংলার মন্তব্যই জায়গা দখল করে নিবে। সেলুলয়েডের দাগপড়া ফিতায় বানানি মান্নার একশ্যানের গাজাখুরী বাংলা ছবির যায়গায় ডিজিটাল কম্পিউটারের ইফেক্টে বানানি গাজাখুরী তীর ধনুক দিয়া মিলিটারি এয়ারক্রাফট ধ্বংস করা এভাটার বেশী জনপ্রিয় হৈব, এইটাই স্বাভাবিক।
আমরা কি খুব ভাল বাঙ্গাল? আমি ডিজুসদের গালি দিব কোন অধিকারে? আমি শার্ট প্যান্ট পরি, লেবুর শরবত না খাইয়া কোকাকোলার ২ লিটার বোতল খাইতাছি আর এই কমেন্ট লিখতাছি। আপনার স্ক্রাপ বুকে জীবনের তিনটি ইচ্ছা তে লিখছেন
১। বিএসবি ব্যান্ডের নিক কার্টার কে একখানি পত্র লেখা
২। ডিজনীল্যান্ডে যাওয়া
৩। ব্রায়ান অ্যাডামসের অন্তত একটি গান তার সামনে বসে শোনা।
এই তিনটা ইচ্ছার কোন আমেরিকানরে দেখাইয়া যদি কই, "কওতো দেখি এইরকম তিনটা ইচ্ছা পোষণ করা বাচ্চাটা কোন দেশের?"-তাহলে সে কি ঘুনাক্ষরেও অনুমান করতে পারবে বাচ্চাটা উপমহাদেশের একটা বাচ্চা?
আপনি আমি আধা বাঙ্গাল, আমাগোর ছোট ভাইবোন ২৫% বাঙ্গাল, তার ছোটডা ব্রায়ানের কনসার্টে যাইয়া ইংরেজী ছাড়া কথা কয় না।
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১১:২৯
ত্রিনিত্রি বলেছেন: জটিল বলেছেন!!! সহমত। তবে দুই এক জায়গায় একটু কথা ছি্লো!
উন্নত সভ্যতা অবশ্যই নিতে হবে, কিন্তু সাথে যে তাদের খারাপ গুণগুলো--সেসবও কি নিতে হবে? সেসব এড়ানো কি উচিত নয়? এটা ঠিক, মোটা দাগে আপনার কথাই ঠিক, যে সবল দুর্বলের জায়গা নেবেই। কিন্তু সবসময় এটাই স্বাভাবিক না। স্বাভাবিক হওয়া উচিতও না। যেটা আপনাকে ধীরে ধীরে ধ্বংসের দিকে টানবে, সেটা সবল হলেও আমাদের দরকার বাধা হয়ে দাঁড়ানোর।
বাঙ্গালিত্ব নিয়ে আসলে আমি কথা বলিনাই, আর আমি আসলে মান্ধাত্বা আমলের প্রথাও ধরে রাখার পক্ষপাতি নই। পৃথিবী বদলাবে, সাথে আমরা না বদলালে ক্ষতি আমাদেরই হবে। কিন্তু আমি বলছিলাম কিছু অসুস্থ ট্রেন্ড নিয়ে যেটা দিন কে দিন স্বাভাবিক হতে চলেছে-- এবং এক নজরেই যেটা বলা যায় যে এর পরিনতি কখনো শুভ হবে না। উপমহাদেশের বাচ্চা হলেই কি তার স্বপ্নরাজ্য কুতুব মিনার আর রবীন্দ্রসংগীত প্রিয় হতে হবে? টিন এজাররা চাকচিক্যতেই আকৃষ্ট হবে সেটাই স্বাভাবিক -- কিন্তু কোথায় মার্জিন টানতে হবে, সেটা দেখতে হবে তার অভিভাবককে।
আমি লেখার কোথাও ডিজুস যুগকে দোষ দেইনি, তারাও হয়ত পরিস্থিতির শিকার। কিন্তু তার পরিবার দায় এড়াতে পারে না। সে যাতে পরিস্থিতির শিকার না হয়, দেখার দায়িত্ব ছিলো তার পরিবারের, অথবা আমাদের। কারন আমাদের ছোট ভাইবোনই এসব করছে। আমরা আমাদের দায়িত্ব পালনে অক্ষম, তাই এই ট্রেন্ড এখন জায়গা দখল করছে।
অনেক ধন্যবাদ চমৎকার একটা কমেন্টের জন্য।
৭১|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:৪২
সমুদ্র কন্যা বলেছেন: শুনো প্রতিদিন সকাল আটটা থেকে দুপুর দুইটা পর্যন্ত এইসব ডিজুস পোলাপানের কাহিনী দেখি আর অতি কষ্টে সামলানোর চেষ্টা করে যাই। আমার ক্লাস থ্রি'র বাচ্চাগুলো একজন আরেকজনের ব্যাপারে এমনই স্পর্শকাতর যে রোজই আমাকে তাদের সিট চেঞ্জ করতে হয়। তারপরেও ঝামেলা লেগেই থাকে। আর ফাইভ পার হয়ে গেলেতো তারা ধরা-ছোঁয়ার বাইরে চলে গেল। স্কুল ড্রেস না পরার সুযোগ যদি কোনরকমে পায় তাহলে আমাদেরই চোখ বন্ধ করে রাখতে হয়। কি আর করবো বল? বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে দেশতো এগিয়ে যাবেই ![]()
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৩৭
ত্রিনিত্রি বলেছেন: হাহাহা, আপনি বাচ্চা কাচ্চার শিক্ষিকা নাকি! আহারে, আপনার তো অনেক কষ্ট! বাচ্চা কাচ্চা সামলানো মুখের কথা না!
আসলে আপু, সবাই জানি কেমন হয়ে গেছে। বাবা-মাও তেমন গা করে না, বাচ্চা কি করে কি না করে। আর সবাই কেন যেন বড় হবার প্রতিযোগিতায় ব্যস্ত। কেন ক্লাস ফাইভের একটা বাচ্চা মেয়ে জিন্স আর কনভার্স পড়ে কিউট হয়ে না থেকে হাই হিলের সাথে তেড়াবেড়া কাপড় পড়ে, এইটাই আমার মাথায় ঢোকে না। এর জন্য দায়ী মিডিয়া!! আমার কাজিনকে দেখেই বুঝি, যে হিন্দি টিভিতে যা দেখায়, সেইরকম কাপড়ই তার লাগবে, তা যতই অদ্ভুত হোক না কেন। অভিভাবককেও মাঝে মাঝে না দেখার ভান করতে হয়, কারন এরা বড়ই অস্থির। কখন কি করে বসে তার ঠিক নাই।
সবারই হাত পা বাঁধা।
৭২|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:৫০
অনিরূদ্ধ বলেছেন:
রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী ভাইএর মন্তব্যটা অসাধারণ ভালো লাগলো!
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৪০
ত্রিনিত্রি বলেছেন: যাকে বলে কড়া কিছু সত্য কথা!
৭৩|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ বিকাল ৩:১৯
নরকের দেবদূত বলেছেন: পোস্টে প্লাস , রাজ ভাইয়ের কমেন্টে প্লাস।
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৪৪
ত্রিনিত্রি বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ
৭৪|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ বিকাল ৩:২২
সরলতা বলেছেন: ভয়াবহ লেখা! কিন্রু ডিজুস পোলাপানের এই লেখা পড়ার টাইম নাই। তাদের টাইম আছে লাউঞ্জে বসে সীসা খাওয়ার।
আমার এক ফ্রেন্ড আমাকে একবার বলল ঈদের দিন তার স্কুলের ক্লাসমেটদের নিয়ে রাইফেল স্কয়ারে খেতে যাবে। কাজেই আমার বাসায় এবার আসা হবেনা আমি চোখ মুখ কুচকিয়ে বললাম, ঈদের দিনে বাইরে খাওয়ার দরকার কি, বাড়িতে এত খাওয়ার থাকতে? আমার বন্ধুটি বলল, আরে এইসব হচ্ছে ভাবজ। "!
ভাবজ দেখতে দেখতে তব্দা খেয়ে যাচ্ছি। আপু, একটা জিনিস লিখতে ভুলে গেছ, এখন অনেকে নাকে, কানে, পেটে দশ বারটা ফুটা করে দুল পরে ঘুরে বেড়ায়। এইটা নাকি ইসটাইল!
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৫৩
ত্রিনিত্রি বলেছেন: হাহাহা, ভাবজ শব্দটাও কিন্তু অনেক ভাবজের।
যেটা দৃষ্টিকটু না সেটা স্টাইল হলে মন্দ না। নাকে কানে ফাইন, কিন্তু জিহবায় দুল পড়া স্বাস্থ্যের জন্য ভয়ানক ক্ষতিকর। এবং ভুরুতে দুল পড়লে দেখতে বেশ ভয়ংকর লাগে। সুতরাং, দেখতে ভালো লাগছে কিনা সেটাই বড় ফ্যাক্টর। খামোখা গা ভাসিয়ে ফুটা করলেই তো আর হবে না!!
তারুন্যের ধর্মই হচ্ছে নতুনকে কাছে টানা, কিন্তু ভালো-মন্দের প্রভেদ বুঝতে হবে, যেটা আমরা অনেক সময়েই পারছি না। এটাই সমস্যা।
৭৫|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ বিকাল ৩:৪৬
হাসান মাহবুব বলেছেন: অনেক নতুন কিছু জানলাম। ![]()
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১২:০২
ত্রিনিত্রি বলেছেন:
৭৬|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ বিকাল ৩:৫৬
তাসনোভা আফরিন বলেছেন: হা হা হা অনেক হাসলাম।
আমার এক পিচ্চি কাজিন আমাকে বলে আপু তোমার মোবইলটা দাওতো একটু। বল্লাম কেন। মোবাইল নিয়ে অনেক ঘেটেগুটে বলে আপু তোমার কোন মেসেজ সেইভ করা নাই??? বল্লাম কেন?? বল্লো আামার বয়ফ্রেন্ডকে মেসেজ দিতে চাইছিলাম নব বর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে । আমিতো শুনে আকাশ থেকে পড়লাম মনে হয়। বলে কি মেয়ে।
পড়ে কোন ক্লাসে জানেন?? মাত্র ৬মে
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১২:১০
ত্রিনিত্রি বলেছেন: বাপ্রে! তবে, একটা প্রশ্ন। বেচারা জানে তো, যে বয়ফ্রেন্ড মানে কি? এটা নিয়েও সন্দেহ আছে!!!!!
তবে কাহিনি গম্ভীর।!!
৭৭|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ বিকাল ৪:১২
হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালা বলেছেন: আমার এক বন্ধু ডিজুসের কর্তা (ব্র্যান্ড ম্যানেজার) লেভেলের। তার মুখ নিঃসৃত বহুল আলোচিত বাণী হচ্ছে,
পোলাপান আকাম কুকাম করবো, আর দোষ হইবো আমগো !
আসলেইতো ওদের দোষ কি ?
ডিজুসের ফ্রি অফার কি এখনও আছে নাকি?
বহুবছর সিমটা এই ঠাণ্ডার দেশে ফ্রিজ হয়ে পড়ে আছে ।
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১২:১৬
ত্রিনিত্রি বলেছেন: কি জ্বালা!! আকাম কুকাম তো পুলাপাইন বুঝে না বুঝে করবেই, ওদের উৎসাহ দিয়ে ব্যাপারটা নরমাল করা কি ঠিক? তবে ডিজুসের কর্তার দোষ নাই, সে দেখছে বিজনেস। সমাজ নিয়া তার মাথা ব্যথা নাই। এই যুগে সেটা না থাকাই স্বাভাবিক, ভালো মানুষ কবে ভাত পাইছে?
যা লিখলাম, এই মনোভাবের জন্যই আমাদের যত সমস্যা!
৭৮|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৯:০৫
লজ্জাবতী বলেছেন:
ভয়াবহ
এই সমস্যার সমাধান করতে হলে প্রথমত পরিবার দ্বিতীয়ত স্কুলের পরিবেশ তৃতীয়ত ছেলে-মেয়েদের লাইফ স্টাইলকে লক্ষ্য করতে হবে।
আমি মনে করি প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ার আগেই সেলফোন এবং ইন্টারনেট ব্যবহার করতে দেয়া উচিৎ না। না বুঝেই কম বয়সীরা অনেক খারাপ জিনিসের সাথে পরিচিত হয় এবং পরবর্তীতে সে ঐগুলোতে অভ্যস্ত হয়ে যায়।
আসলে প্রধান সমস্যা কি এখনকার ছেলে মেয়েরা খেলাধূলা করে না মাঠের মুক্ত বাতাসের সাথে এদের পরিচিতি নেই। পারিবারিক বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে না। তার বদলে হচ্ছে ইন্টারনেট বন্ধুত্ব কম্পিউটারে খেলা। বই পড়ার অভ্যাস কম যাদেরবা আছে তাদেরও আবার ই-বুক। কি হয় বাবা দুটি পয়সা খরচ করে বই কিনলে?
আমাদের সময় আমারা টিএন্ডটি/ ল্যান্ড ফোনে সবার সাথে যোগাযোগ করতাম। ফলে আমাদের বন্ধুদের সবারই পরিবারের সাথে পরিচয় গড়ে ওঠেছিলো। বাবা-মারা জানত কার সাথে মিশছি।
আমরা বন্ধুর বাসায় গেলে বাসায় বলে যেতাম ওমুক সময় ফিরব, দেরী হলে বাসায় ফোন করতাম বা ঐ বাসায় ফোনে খবর নিত। একটা বিশ্বাস ছিলো বাবা-মা এবং ছেলে-মেয়েদের মধ্যে। এখন সে সেতুবন্ধন ভেঙ্গে যাচ্ছে। সেলফোনে যদিও খবর নেয়া হয় তাও মিথ্যা বলা, ধরা কি যায়।
আর এখন রাতভর কথা ম্যাসেজ কি করে কে জানে জানতে পারে যে তার আদরের সন্তান রসাতলে যাচ্ছে।
আমরা কেন টেকনোলজির খারাপ দিকটাই গ্রহন করবো ভালো কোন দিক কি আমরা খুঁজে নিতে জানিনা।
আরো একটা সমস্যা আমাদের বাবা-মা আমাদের এই নেট-সেলফোন সর্বোপরি ডিজিটালাইজেশনের সাথে খুব বেশি পরিচিত নন বলে তাদেরকে বোকা বানিয়ে চোখের সামনেই হয়ত অনেক কিছু চলে।
আশা করি আমাদের পরের জেনারেশন আমাদের বোকা বানাতে পারবে না, আমরাই তাদের সঠিক দিকনির্দেশনা দেব।
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১২:১৭
ত্রিনিত্রি বলেছেন: চমৎকার কমেন্ট। অনেক ধন্যবাদ। সহমত।
৭৯|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৯:১৯
জন ঢাকা বলেছেন: আপু বরাবরের মতই অসাধারন লিখেছ।
ডিজুস যুগে নিজেকে বড়ই বেমানান লাগে।
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১২:১৮
ত্রিনিত্রি বলেছেন: বেমানান হবো না, ব্যাপার এমন করতে হবে যাতে ওই সব সীসা খাওয়া আর স্কুল পালিয়ে বড়দের সাথে ডেটিং এ যাওয়াটাই বেমানান হয়।
অনেক ধন্যবাদ।
৮০|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৩২
নীল-দর্পণ বলেছেন: বরাবরে মতই ভাল লেগেছে ভয়াবহ সত্যি কথাগুলো ![]()
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৪২
ত্রিনিত্রি বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপু।
৮১|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ২:৪২
বিলুপ্ত বৃশ্চিক বলেছেন: উপরে আপনার একটা কমেন্ট ও আপনার পোস্ট পড়েই কমেন্টটা না করে পারলাম না।ছোটবেলা থেকে বাসার পরিবেশ থেকেই এসবের সৃষ্টি।ছোটকালে একটা বাচ্চার বইয়ের ওজন যখন তার নিজের ওজনের চেয়ে বেড়ে যায় তখন একটা তার মানসিক বিকাশটা কেমন হবে সেটা ভাববার বিষয় আসলে।যার মনে সারাদিন শান্তি নেই,নিজেকে দেওয়ার মত সময় নেই সে একটু বড় হয়ে এভাবেই আর দশজনের দেখাদেখি ডিজুস হওয়ার দিকেই পা বাড়াবে।সমস্যার শুরু কিন্তু সেই ছোটবেলা থেকেই।আপনি বললেন না,পরীক্ষার আগের রাতে তিন গোয়েন্দা পড়েছেন,বাবা মা কিছু বলেননি।নিজেকে সময় দিতে পেরেছেন সেই সময়।আমি নিজের কথা বলি।আমার এসএসসি পর্যন্ত বেশিরভাগ সময় কেটেছে খেলার মাঠে।সারাদিন ক্রিকেট খেলেছি,এমন অনেক দিন গেছে দুপুরে খিদা লাগতো বলে বাসায় গিয়েছি শুধু।বাবা মা বাধা দেয়নি।টিচাররা অভিযোগ করেছে অতিরিক্ত খেলা নিয়ে।আব্বু আম্মু বকেনি।একটা ঘটনা মনে পড়ে গেল।সেভেনে পড়ি বোধহয়,২ দিন পর ক্যাডেট কলেজে ভর্তি পরীক্ষা।বিকালে আমাদের টুর্নামেন্টের সেমিফাইনাল চলছে।আব্বু যেতে নিষেধ করেছে,মন খারাপ করে ছিলাম।বন্ধুরা ডাকতে আসলেও গেলাম না।শেষে আব্বু নিজেই যেতে বললো।ঐ ম্যাচ খুব খারাপ অবস্থা থেকে জিতিয়ে বাসায় এসেছি।ক্যাডেট কলেজে রিটেনেই বাদ গেছি।তবে ঐ যে বাদ গেছি, আমি মনে করি সেটাই আমার জীবনের একটা প্লাস পয়েন্ট।কোন ধরাবাধা নিয়মে কখনও থাকি নি,বাবা মা জোর করে কিছু করতে বাধ্য করেননি।পড়াশোনা করেছি নিজের ইচ্ছামত।স্কুলে সেকেন্ড হইনি কখনও।বাবা মায়ের সাপোর্ট যে কত বড় সন্তানের জীবনে সেটা আজকের এই ডিজুসদের বাবা মা দের অবশ্যপাঠ্য।ছোটবেলায় আম্মু চাইত ছেলেকে ডাক্তার বানাবে।আমি এতই বান্দর, নাইনে উঠে বায়োলজিই বাদ দিয়ে দিলাম,সাবজেক্টটা ভালো লাগতো না একেবারেই, সিদ্ধান্ত নিয়ে নিলাম ইজ্ঞিনিয়ারিং লাইনে যাব।আম্মু স্কুলে বায়োলজি পড়াতো, সেই আম্মুই আমাকে পুরোপুরি সাপোর্ট দিল, একবারও বলেনি যে তোমার ভবিষ্যত পড়াশোনার একটা দিক কিন্তু পুরো শেষ করে ফেললে তুমি।আমি তো জানতাম আমি পথে যাচ্ছি আমি।বাবা মায়ের এই সাপোর্টের জন্যই আজ দেশের একটা নামকরা প্রতিষ্ঠানে আসার সৌভাগ্য হয়েছে।
আজকে যখন একটা স্কুলপড়ুয়া স্টুডেন্টকে পড়াতে যাই, তার ব্যস্ততার কোন শেষ নেই।স্কুল,কোচিং,বাসায় বইয়ের সমপরিমান টিচার সবমিলে তার নিজেকে দেয়ার মত সময়ই নেই।বাবা মায়েরা যদি জোর করে শুরুতেই বাচ্চার মনকে বিগড়ে দেন ইচ্ছামত তবে দুদিন পর একটা ডিজুসই পয়দা হবে পরিবার ও পরিবেশের প্রভাবে।স্কুল পালিয়ে যে মেয়ে আজ বসুন্ধরা ফুড কোর্টে বয়ফ্রেন্ড নিয়ে ডেটিং দিচ্ছে কিংবা যে ছেলে বাপের পয়সার ঐ লাউন্জে সীসা টেনে বেড়াচ্ছে তাদের জন্য দায়টা তাদের চেয়ে তাদের পরিবারের লোকজনেরই বেশি।যেখানে পারিবারিক বন্ধন যত শক্তিশালী সেখানে কোন সদস্যের বিপথগামি হওয়ার সম্ভাবনা ততই কম।
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১০:২৪
ত্রিনিত্রি বলেছেন: ঠিক, এই কথাগুলোই বলতে চাই।
পারিবারিক বন্ধন সুদৃঢ হলে, এবং পরিবার সৎ হলে এসব কিছুই হয় না।
৮২|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ সকাল ১০:২৭
রোবট ভিশন বলেছেন: আচ্ছা, একটা প্রশ্ন কারন বাংলাদেশে নতুন আসছি অনেক দিন পরে, আর ঢাকা শহরেও অনেক দিন যাই নাই, সিসা এক্সাক্টলি কি জিনিস? অনেক যাইগাই দেখলাম লেখা আছে... একদিন কোন এক পত্রিকায় পড়েছিলাম এইটা নিয়ে... ঢাকা তে নাকি অনেক প্রচলন শুরু হয়েছে...
এরকম প্রশ্ন করলাম, হইত আমি এই বাংলাদেশের ডিজুস যুগে বেমানান তাই...
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১০:২৯
ত্রিনিত্রি বলেছেন: সীসা হচ্ছে ঐ জমিদার আমলের তামাক সেবন করার মত একটা ব্যাপার। গড়াগড়া ধরনের। কিন্তু সবাই আগে জানতো যে এটা ক্ষতিকর কিছু না, কারন এতে অনেক ফ্লেভার দেয়া থাকে। চকোলেট, ভ্যানিলা। অর্থাৎ ফ্লেভারের ধোঁয়া। কিন্তু পরবর্তীতে জানা যায় যে এতে মাদক দ্রব্য মেশানো থাকে, এই কারনে বার বার যেতে যেতে সবার একটা নেশা ধরে যায়। এবং সীসা যে ক্ষতিকর না এটাও সত্য নয়।
এই ট্রেন্ড কি করে আসছে জানি না, আমি জানছি অনেক পরে। এক বন্ধুর জন্মদিনে এক লাউঞ্জে আমাদের সবার দাওয়াত ছিলো। সেখানে ছেলে মেয়েদের শুয়ে শুয়ে এরকম টানতে দেখে প্রথম জানতাম যে এটার নাম সীসা।
৮৩|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:৫২
গ্যাব্রিয়েল সুমন বলেছেন: দোষ সবাইকে বলে বেড়ালেই যে তা শুদ্ধ হয় না; সেও কি সবাই ভুলেছে নাকি? ভুলতেই পারে; যে দেশে সরকার ঘোষনা দিয়ে মানুষকে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেয়, খুনীরা অবলীলায় ক্ষমা পায়, সেখানে আর কি আশা করবো আমরা!
এই পর্যন্ত পড়লাম। চমৎকার লেখা।
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১০:৩০
ত্রিনিত্রি বলেছেন: ইশ, লেখার সাইজ আর ছোট হয় না। কি করি।
অনেক ধন্যবাদ।
৮৪|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ বিকাল ৩:২০
নিস্তব্ধ বিস্ময় বলেছেন: হায়রে কপাল, ঢাকা শহর আসলাম ছয় বছর কিন্তু এখনো কিছুই শিখলাম না। খ্যাতের সেই শুকনা বেগুন হয়ে থাকলাম।
ডিজুস হইতে মুঞ্চায়, সামনের বছর বিদেশে গেলে গিয়ে না আবার অজ্ঞান হয়ে যাই।
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১০:৩৪
ত্রিনিত্রি বলেছেন: বিদেশ গেলে অজ্ঞান হবেন না, কারন আপনি জানেন যে তাদের সংস্কৃতি ঐরকম; এবং তাদের জীবন যাপনের ধরন আলাদা। এখানে অজ্ঞান হচ্ছি, কারন এসব আমরা এক্সপেক্ট করিনি।
সুতরাং নিশ্চিন্তে থাকুন!!
অনেক ধন্যবাদ।
৮৫|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ বিকাল ৩:৪৭
একাকী বালক বলেছেন: রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী ভাই চমৎকার কমেন্ট করেছেন। চমৎকার। একটা এলিট ব্লগেও দেখলাম এই পোষ্টটা। কিন্তু আপনার মত কমেন্ট দেখলাম না। সামুর মজা এই জায়গাতেই। অনেক ধরনের পয়েন্ট অফ ভিউ পাওয়া যায়।
ধন্যবাদ রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী ভাই।
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১০:৩৬
ত্রিনিত্রি বলেছেন: এলিট ব্লগে সবাই কমেন্ট করে না। আমি নিজেও কমেন্ট করার আগে তিনবার ভাবি, কারন ভয় ভয় লাগে। সামুতে বাক স্বাধীনতা থাকায় মজাও অনেক, আবার ড্রব্যাক ও অনেক।
এই কারনেই গালাগালি বা ক্যাচালও সামুতে বেশী। কঠিন মডারেশনের কারনে ওখানে এজাতীয় কিছু নাই।
তবে, সামু সামুই। এর তুলনা নাই। এত ভ্যারাইটির পোস্ট অন্য কোন ব্লগে আসে না; সামুতে পাওয়া যায় না এমন কিছু নাই।
৮৬|
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১:১৭
রিয়েল ডেমোন বলেছেন: আপনারে আমি খুঁজিয়া বেড়াই....
আর কত? এইবার ক্ষ্যান্ত দেন আপা
০৭ ই অক্টোবর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৫০
ত্রিনিত্রি বলেছেন: কেম্নে দেই??? যতদিন রবে প্রান, ইয়ে.। লাইনটা যেন কি?? (মাথা চুলকানোর ইমো)
৮৭|
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১:১৮
রিয়েল ডেমোন বলেছেন: পোষ্ট তো পুরাই ডিজুস!!!
ভুট্টা ক্ষ্যাত
০৭ ই অক্টোবর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৫১
ত্রিনিত্রি বলেছেন: এমনে ডাইরেক্ট কইয়া দিলা?
৮৮|
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৮:০৯
টিনটিন` বলেছেন: নাউ ইটস ট্রু
এভরিথিং আই ডু
আই ডু ইট ফর ইউ
০৭ ই অক্টোবর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৫১
ত্রিনিত্রি বলেছেন: কি হইলো ভাই আপনার!!! এত খুশী?
৮৯|
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১:২২
কথক পলাশ বলেছেন: রাজ্জাক-শাবানা আঙ্কেল আন্টির বাদাম প্রেমই ভালো আছিলো। ধুমা-শিশা-পিতল কিছুই ছিলো না। দেশের পাব্লিকরে আইন কইরা ছায়াছন্দ দেখানো উচিত। তাইলে যদি রোমান্সের শিল্পগুণটা বোঝে! ধুমা মিশ্রিত পিজা খাইয়া বাথরুমেই দৌড়াবো, নাকি প্রেম করবো! এইগুলারে ধইরা থাপ্রানো উচিত।
০৭ ই অক্টোবর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৫২
ত্রিনিত্রি বলেছেন: আহহারে, রাজ্জাক শাবানা আন্টির প্রেম দেখতেই পারলুম না। পুরা সময় তো খেলা আর পড়া তেই গেলুগা। এখন নতুন কইরা দেখতে মন চায়!
৯০|
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৩:০৪
আকাশটালাল বলেছেন:
০৭ ই অক্টোবর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৫৬
ত্রিনিত্রি বলেছেন: আপনার আবার কি হইলো?
৯১|
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৩:২৬
সুপান্থ সুরাহী বলেছেন:
সুন্দর একটা সচেতনতামুলক পোস্ট...
আমি যেদিন প্রথম সিসার কথা শুনছিলাম...সেদিনই বলছিলাম এটা মাদকের আরেক হাট...
বন্ধুরা বলেছিল তুই শুধু নেগেটিথ চিন্তা করিস...
০৭ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ৮:০১
ত্রিনিত্রি বলেছেন: নেগেটিভ চিন্তাটাই এখন সত্য হয়ে গেছে!!!
৯২|
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ ভোর ৫:০৫
নিয়ম ভাঙার কারিগর বলেছেন: আজকালকার পোলাপানগুলারে দেইখা আমার এখন নিজেরে মঙ্গল গ্রহের বাসিন্দা মনে হয়!
০৭ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ৮:০৭
ত্রিনিত্রি বলেছেন: তাও মঙ্গল একটু চিনা পরিচয়ের মাঝে আছে। মানে অ্যাট লিস্ট ঐখানে রোবট টোবট গেছে, লাল মাটির ছবি তবি দেখছি। দুইদিন পর বৃহস্পতির বাসিন্দা মনে হবে। হাহাহা।
৯৩|
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ বিকাল ৪:১১
পুচকে ফড়িং বলেছেন:
সরি আপু, অনেক দেরী করে এই লেখাটা পড়লাম। পড়লে মন আর মেজাজ দুটোই খারাপ হবে বুঝেছিলাম বলেই।
আপনার সাবলীল লেখনীতে সব সময় অটো প্লাস।।
০৭ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ৮:০৮
ত্রিনিত্রি বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। এবং এত দেরী করে রিপ্লাই দেয়ার জন্য সরি।
৯৪|
২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ বিকাল ৫:০৯
টুকিঝা বলেছেন: অনেক বড় লেখা, কিন্তু পড়তে এতটুকুনও কষ্ট হলনা। অনেক সুন্দর আর ভাল লাগল।
০৭ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ৮:১২
ত্রিনিত্রি বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
৯৫|
২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ বিকাল ৫:১৯
বিতর্কিত উন্মাদ মানব বলেছেন: দুঃখ আমার "এযুগের পোলাপান" হয়েও এগুলা হজম হয় না। ত্রিনিতি আপু অনেক ভালো লিখেছেন।
০৭ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ৮:২০
ত্রিনিত্রি বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
৯৬|
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:৩৫
মধুমিতা বলেছেন: মনযোগ দিয়ে পড়লাম। অনেক অনেক সত্য কথা। আফসুস কোথায় যাচ্ছি আমরা !!
০৭ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ৮:২৩
ত্রিনিত্রি বলেছেন:
৯৭|
২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ সকাল ১১:৩৯
মনিরুল ইসলাম বাবু বলেছেন: যুগের পাগলা হাওয়া দারুণ ফুটিয়ে তুলেছেন
০৭ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ৮:৩০
ত্রিনিত্রি বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
৯৮|
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:২৯
বিদ্রোহ_বাবু বলেছেন: সুন্দর পোষ্ট ।
০৭ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ৮:৩৫
ত্রিনিত্রি বলেছেন: ধন্যবাদ পড়ার জন্য।
৯৯|
০৭ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ৮:২০
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: লেখা পড়ে ধন্যবাদ দেয়ার জন্য লগ ইন করতেই হল!
০৭ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ৮:৩৬
ত্রিনিত্রি বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।
১০০|
১০ ই অক্টোবর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৪১
বৃষ্টি ভেজা সকাল ১১ বলেছেন: নতুন পুষ্টু নাই কেনুগো
১০ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ৮:০৬
ত্রিনিত্রি বলেছেন: আপনাদের গুলি পড়ি যে, এই জন্য নাই।
১০১|
১০ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ৮:৩৭
নস্টালজিক বলেছেন: সুপার্ব!
১১ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ১১:৫১
ত্রিনিত্রি বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
১০২|
১০ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ৯:২২
মাহী ফ্লোরা বলেছেন: কেমন আছেন আপু?![]()
১২ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ১২:৩১
ত্রিনিত্রি বলেছেন: এই তো আপু, ভালো!! আপনি কেমন আছেন?
১০৩|
১০ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ৯:২৪
ইচ্ছে বলেছেন: দারুন লিখেছেন, একটানে সব মন্তব্য সহ শেষ করলাম...
রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী খুব সুন্দর বি্শ্লেষন করেছেন।
আমি তার সাথে একটু যোগ করছি,
সময়ের সাথে সাথে সব কিছুই পরিবর্তন হয়। আমার দাদা দাদী বা নানা নানী যে ভাবে বা সংস্কৃতিতে বড় হয়েছেন তা তারা তাদের সন্তান দের দিতে চেয়েছেন, যতই তারা চেষ্টা করেছেননা কেন আমার বাবা মা বা চাচা মামারা সবাই এক রকম সংস্কৃতিমনা হননি। যারা একটু বেশি আধুনিক হয়েছেন তাদের ক্ষেত্রে সবার মন্তব্য ছিল ছেলে পেলে উচ্ছন্নে গিয়েছে। এর পরবর্তি জেনারেষন মানে আমরা যখন বড় হয়েছি আমাদের সতন্ত্র মত দেয়ার মত মানসিকতা তৈরি হয়েছে তুলনামুলক ভাবে আমাদের আগের জেনারেষন থেকে অনেক আগে। আমি বলছিনা আমরা যেটা ভাল মনে করেছি বা আমাদের আগের জেনারেষন তাদের ক্ষেত্রে যেটা ভাল মনে করেছে সেটা ঠিক বা বেঠিক। আমার পয়েন্টটা হল পরিবর্তনের সময়কালের কমে আসা আর পরিবর্তনের মাত্রা ক্রমে। আগে(৩০-৪০ বছর পুর্বে) ১৫ - ২৫ বছরে এক জেনারেষন পরিবর্তন হত, এখন ৭ - ১০ বছরে এক জেনারেষন পরিবর্তন হয়,
১০৪|
১০ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ৯:৩৬
ইচ্ছে বলেছেন: দারুন লিখেছেন, একটানে সব মন্তব্য সহ শেষ করলাম...
রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী খুব সুন্দর বি্শ্লেষন করেছেন।
আমি তার সাথে একটু যোগ করছি,
সময়ের সাথে সাথে সব কিছুই পরিবর্তন হয়। আমার দাদা দাদী বা নানা নানী যে ভাবে বা সংস্কৃতিতে বড় হয়েছেন তা তারা তাদের সন্তান দের দিতে চেয়েছেন, যতই তারা চেষ্টা করেছেননা কেন আমার বাবা মা বা চাচা মামারা সবাই এক রকম সংস্কৃতিমনা হননি। যারা একটু বেশি আধুনিক হয়েছেন তাদের ক্ষেত্রে সবার মন্তব্য ছিল ছেলে পেলে উচ্ছন্নে গিয়েছে।
এর পরবর্তি জেনারেষন মানে আমরা যখন বড় হয়েছি আমাদের সতন্ত্র মত দেয়ার মত মানসিকতা তৈরি হয়েছে তুলনামুলক ভাবে আমাদের আগের জেনারেষন থেকে অনেক আগে।
আমি বলছিনা আমরা যেটা ভাল মনে করেছি বা আমাদের আগের জেনারেষন তাদের ক্ষেত্রে যেটা ভাল মনে করেছে সেটা ঠিক বা বেঠিক। আমার পয়েন্টটা হল পরিবর্তনের সময়কালের কমে আসা আর পরিবর্তনের মাত্রা ক্রমেই বেড়ে চলা।
এই ডিজুস ছেলে মেয়েদের দেখলে আমার দুঃক্ষই লাগে তবে তার সাথে নিজেকে আবার মনে করিয়ে দেই যে এরাই সময়ের সাথে এই ডিজুস লাইফ স্টাইল থেকে বের হয়ে আসবে। কারন আমি বিশ্বাষ করি এক জনে ব্যাক্তির মদ্ধে যদি কোন কিছু করার ক্ষমতা থেকে থাকে তাহলে তা কোন না কোন সময় ঠিকই বের হয়ে আসে, আর কারো যদি কোন সুপ্ত প্রতিভা নাই থাকে তাহলে হাজার চেষ্টা করেও তাকে মানুষ করা যাবে না সে ডিজুসই
থেকে যাবে।
আমি মনে হয় উল্টো পাল্টা অনেক কিছু বলে ফেল্লাম, আশকরি এই আবোল তাবোলের মদ্ধে থেকে বুঝতে পারবেন কি বলতে চেয়েছি...
১২ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ১:১৮
ত্রিনিত্রি বলেছেন: বুঝতে পেরেছি,এবং সহমত জ্ঞাপন করছি। আসলে আপনি যা বলেছেন তা আমারও মনের কথা। উদাহরন স্বরূপ বলি, ডিজুস জেনারেশনের কথা বলতে গিয়ে অনেকে কাপড় চোপড়, ঢং ঢাং এসব নিয়েও টানাটানি শুরু করে দেয়। অনেকেই চেঁচায়, আমার আম্মা নানী তো এসব করতো না, এদের এসব করতে হয় কেন? তারা এটা ভুলে যায়, যে ঐ জেনারেশনে যদি এসব করা নর্মাল হতো, তবে তারাও করতো। ঐ জেনারেশনে যদি ফ্যাশন আসতো জিন্স, তাহলে তারাও তাইই পড়তো।
আমার পোস্টের মূল বক্তব্য হচ্ছে সেইসব অভ্যাস যেগুলো আসলেই নেতিবাচক। সীসা, স্কুল ফাঁকি দেয়া, একের অধিক গার্লফেন্ড রাখা, ভালো করে না বুঝেই অন্ধের মত বাজে সংস্কৃতি অনুসরন করা--এসব। আর একটা ব্যাপার খুব অবাক লাগে, আপনি খেয়াল করেছেন কিনা জানি না। মেয়েদের কাছে লুকস সমসময়েই গুরুত্বপূর্ন। নিজেকে সুন্দর দেখাতে কে না চায়। তবে, আমরা যখন কিশোরি ছিলাম, তখন আম্মু বা বড় আপুরাও সবসময় আমাদের বলতো, "মন সুন্দর কর"। ইন্টারে ওঠার আগে মনে হয় লিপস্টিকও ছিলো না তেমন কারো, কিন্তু এখন ক্লাস থ্রী ফোরের বাচ্চাদের সাজ দেখলে হতভম্ভ লাগে। তাদের বাচ্চাসুলভ স্বাভাবিক সৌন্দর্য ঢাকা পড়ে অযাচিত সব মেকাপে।
আমি সরাসরি এসবের জন্য দায়ী করি স্কুল এবং বাবা মাকে। কারন এসব শিক্ষা পরিবার থেকে আসে।
যা হোক, আমিও কি বলতে কোথায় চলে যাচ্ছি ঠিক নাই। অনেক ধন্যবাদ পোস্ট পড়ার জন্য।
১০৫|
১১ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ১:৪৬
আশরাফুল ইসলাম দূর্জয় বলেছেন:
প্রিয় ব্লগারের পোস্ট।
প্রথমঃত মন্তব্য......
তারপর পড়া শুরু হবে ![]()
১২ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ১:২০
ত্রিনিত্রি বলেছেন: :#> :#> :#> :#> :#>
১০৬|
২৬ শে অক্টোবর, ২০১১ ভোর ৪:০৯
জামিল আহমেদ জামি বলেছেন: লাউঞ্জ কি আপু? :-& :-& :-&
২৬ শে অক্টোবর, ২০১১ বিকাল ৩:৪৩
ত্রিনিত্রি বলেছেন: খাবার দোকান, সাথে ধূমপান ফ্রি।
১০৭|
২৬ শে অক্টোবর, ২০১১ বিকাল ৩:৫৩
মামুণ বলেছেন: হমম । আমাগো অবস্তা আসলেই খারাপ ।
৩০ শে অক্টোবর, ২০১১ রাত ৯:২৮
ত্রিনিত্রি বলেছেন:
১০৮|
২৯ শে অক্টোবর, ২০১১ রাত ২:৪২
মেঘেরদেশ বলেছেন: কমেন্ট এ সব চলে আসছে তাই নতুন করে কিছু বলছি না,খুব ভাল একটা ব্যাপার লিখেছেন।ধন্যবাদ![]()
৩০ শে অক্টোবর, ২০১১ রাত ৯:৩৭
ত্রিনিত্রি বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ!
১০৯|
২১ শে নভেম্বর, ২০১১ বিকাল ৪:২৭
অহন_৮০ বলেছেন: অনেক দিন পড় আপনার লেখা পড়লাম.++++++++++++. খুব ভালো লিখসেন. তবে ব্রায়ান এড্যামস্ এর কনসার্ট টা দেখতে পাড়ি নাই...
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১:৩২
ত্রিনিত্রি বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাই।
১১০|
২৮ শে নভেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:২৬
ইকরি বলেছেন: আপনার প্রোপিকটা কি থ্রি ইডিয়টস থেকে নেয়া?
কেমনে বুঝলেন?অনেকেই দেখে আর মাথা চাপড়ায়,বলে ইশ...কইযে দেখেসি,কিন্তু মনে করতে পারেনা।হ্যা,থ্রি ইডিয়টস থেকে...
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১:৩৩
ত্রিনিত্রি বলেছেন:
![]()
এখন নিজেই কিন্তুক মনে করতে পারতেছিনা, কারন আপনার প্রোপিক চেঞ্জ!
১১১|
২৮ শে নভেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:২৮
মঈনউদ্দিন বলেছেন: দারুন চমৎকার হয়েছে
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১:৩৪
ত্রিনিত্রি বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
১১২|
৩০ শে নভেম্বর, ২০১১ সকাল ৭:৪৯
rashu905 বলেছেন: মচৎকার লেখা । পুরাই ঢিংকা চিকা । সিলেটে আছি ভাল আছি , এইসব থেকে দূরে আছি । ঢাকা কি আসলেই বসবাসের উপযোগীতা হারাচ্ছে ! ? ইশ আমি কেন আরো ১০/১৫ বছর পরে আইলাম না দুনিয়ায়
তাইলে এইগুলাই নরমাল লাগতো
সুন্দর লেখার জন্য আবারও ১০ অন ১০ রেটিং
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১:৩৫
ত্রিনিত্রি বলেছেন: ১০/১৫ বছর পর আইলে কপাল যে চাপড়াইতে হবে, সেটাও বুঝতে পারতেন না! আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করেন! ![]()
অনেক ধন্যবাদ।
১১৩|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:৪২
অতি সাধারন বলেছেন: চ্রম লেখা আপু।
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১১:০৪
ত্রিনিত্রি বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাই।
১১৪|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ৮:৫৫
আহমাদ জাদীদ বলেছেন: আমার বয়স তেমন বেশি না......এই ডিজুসদের মতই......বাট এই লেখাটার হিসাবমতে আমি বুড়ো
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১১:০৭
ত্রিনিত্রি বলেছেন: না না, এত সকালে বুড়ো হলে চলবে কেম্নে!
আর ছুটি সবসময়ই শ্যাষ হয়, আপনার প্রোপিক দেখে মন খারাপ হয়ে গেলো।
১১৫|
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ২:০৩
এম. মিজানুর রহমান সোহেল বলেছেন:
০৮ ই জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১২:৪৮
ত্রিনিত্রি বলেছেন: ওয়াও! থ্যাঙ্কস! জোস তো!
১১৬|
১০ ই জানুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৪:২৩
স্বপ্নচারী সুমন বলেছেন: আপু, আপনার ফ্রেন্ড রা যদি লাউঞ্জে যেতে পারে,তাহলে অন্নরা গেছে প্রব্লেম কি? তাদের মাথায় যে চিন্তাটা এসেছে, এটাই কি বেশি না ! এমন অনেকেও আছে যারা এখনো যায়নি। আর বয়ফ্রেন্ড গার্লফ্রেন্ড ব্যাপার গুলা না টানলেই ভাল হত।
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ২:০৩
ত্রিনিত্রি বলেছেন: ভাই, না টাইনা যে উপায় নাই! কারন লাউঞ্জে যাচ্ছে আন্ডার ১৮ ছেলে মেয়ে। ভার্সিটির পুলাপাইন কি করতেছে সেটা নিয়ে মাথা না ঘামালেও চলে, কিন্তু ১২/১৩ বছর বয়সী একটা ছেলে বা মেয়েকে সীসা হাতে দেখলে একটু মাথায় চিন্তা আসে বই কি।
অনেক ধন্যবাদ।
১১৭|
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ দুপুর ১২:২৯
ইউসুফ খান বলেছেন: অনেক দেরিতে পরলেও- পড়া হলো অসাধারন একটা পোস্ট।অনেক কমেন্টের মাঝে এই কমেন্ট হারিয়ে যাবে তবে,এই পোস্ট থেকে যে শিক্ষাটা পেয়েছি সেটা চাইলেও হারাবে না। ++++++++
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ২:০৪
ত্রিনিত্রি বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
১১৮|
১৬ ই জুলাই, ২০১২ সকাল ১১:৫৬
ৈহমনতী বলেছেন: সবটাই ঠিক আপুনি।আমরাই হয়ত ডিজুস হইবার পারলাম না।তাই এখনও শুনতে হয় আমরা ব্যাকডেটেড
আমি তাতেও খুশি
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৪:৪৬
ত্রিনিত্রি বলেছেন: আমিও খুশী
১১৯|
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ৯:৫৪
অপ্র্রকাশিত বলেছেন: ব্যাপুক পোষ্ট.......
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৪:৪৬
ত্রিনিত্রি বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
১২০|
২৭ শে এপ্রিল, ২০১৩ রাত ৮:১১
রক্তাক্ত সাগর বলেছেন: অবস্থা দেখিয়া ভীত ... ডিজুস বাংলাদেশ ![]()
সুন্দর পোস্ট ![]()
০৯ ই জুন, ২০১৩ ভোর ৬:০৯
ত্রিনিত্রি বলেছেন: ধন্যবাদ ![]()
১২১|
০৯ ই জুন, ২০১৩ ভোর ৬:২৩
রিফাত হোসেন বলেছেন: ত্রিনিত্রি !! সুন্দর নাম । ![]()
০৯ ই জুন, ২০১৩ ভোর ৬:২৯
ত্রিনিত্রি বলেছেন: ধন্যবাদ! মুহম্মদ জাফর ইকবালকেও ধন্যবাদ, তার ত্রিনিত্রি রাশিমালা থেকে নামটি অনেক কাল আগে তাকে না বলেই ধার করেছিলাম, অনেকদিন ধরে ইউজ করার জন্য এখন আমার হয়ে গেছে।
১২২|
০৯ ই জুন, ২০১৩ সকাল ৭:০৬
বটের ফল বলেছেন: খুব ভালো লিখেছেন। অনেক ভালো লাগলো।
চারিত্রিক এবং মুল্যবোধের এই অবক্ষয় এখন চারিদিকে। খুব খারাপ লাগে।
আসলে আমাদের পরিবার ব্যবস্থাটা ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আধুনিকতার নামে প্রতিনিয়ত নেমে যাচ্ছি অতলে!!!!
ভালো থাকবেন। পোষ্ট প্লাসা্য়িত।
০৯ ই জুন, ২০১৩ দুপুর ১:২৯
ত্রিনিত্রি বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাই।
©somewhere in net ltd.
১|
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৫৭
পাগলমন২০১১ বলেছেন: পত্তম পিলাচ