নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সাহাদাত উদরাজী\'র আমন্ত্রণ! নানান বিষয়ে লিখি, নানান ব্লগে! নিজকে একজন প্রকৃত ব্লগার মনে করি! তবে রান্না ভালবাসি এবং প্রবাসে থাকার কারনে জীবনের অনেক বেশী অভিজ্ঞতা হয়েছে, যা প্রকাশ করেই ফেলি - \'গল্প ও রান্না\' সাইটে! https://udrajirannaghor.wordpress.com/

সাহাদাত উদরাজী

[email protected] ০১৯১১৩৮০৭২৮গল্প ও রান্না udrajirannaghor.wordpress.comপ্লে স্টোরে ‘গল্প ও রান্না’ এন্ড্রয়েড এপ্লিকেশন! আনন্দ সংবাদ! বাংলা রেসিপি নিয়ে এই প্রথম প্লে স্টোরে এন্ড্রয়েড এপ্লিকেশন! ‘গল্প ও রান্না’ এখন Play Store এ Apps হিসাবে আপনার হাতের কাছে। নেট কানেশন বা WiFi জোনে থেকে Play Store এ যেয়ে golpo o ranna বা “Golpo O Ranna” বা “com.udraji.rannaghor” লিখে সার্চ করলেই পেয়ে যাবেন। খুব সহজেই আপনি আপনার এন্ড্রয়েড মোবাইলে ‘গল্প ও রান্না’র আইকন ইন্সটল করে নিতে পারেন। ফলে আপনাকে আর মোবাইলে আমাদের সাইট দেখতে লিঙ্ক বা কোন ব্রাউজার ব্যবহার করতে হবে না। নেট কানেশন বা ওয়াইফাই জোনে থাকলেই আপনি ওয়ান ক্লিকেই গল্প ও রান্না দেখতে পাবেন।

সাহাদাত উদরাজী › বিস্তারিত পোস্টঃ

আত্মকথার পর্ব!

০৫ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:৫৮

কয়েক মিনিট আগে স্বামী স্ত্রী মিলে দুপুরের খাবার খেলাম, জুম্মার নামাজ পড়ে এসে ছেলেরা খেয়েছে, আমরা দেরী করেই খেলাম। আজকের মেনু ছিলো আলু ভর্তা, পাতলা ডাল আর ঝাল গরুর গোশত, আচার যার ইচ্ছা। আমি খাবার খেতে খুব একটা কথা এখন আর বলি না, স্ত্রীর সাথে অনেকেই নানান কথা বলেন, আমি আমরা ২৮ বছরে পড়েছি, আমার কথা মুলত ফুরিয়ে গেছে, আর কি বা বাকী থাকতে পারে, অন্তত আমার আর নেই! তাছাড়া এই বয়সে এসে দেখি, কথা বললেই গন্ডগোল বাড়ে, তিন কথার পরে উঠে টাকার কথা, উঠে অতীতের নানান অপচয়, উঠে নানান ভুলভ্রান্তি। ফলে স্ত্রীর সাথে কম কথাই এখন ভাল, টাকার মেশিনের মত নিজেকে এটিএম বানিয়ে নিয়েছি, ব্যস, লাইফ বিউটিফুল, যতদিন পারি সার্ভিস দিয়েই যাব! একদিন নষ্ট, আর রিপেয়ার হব না!

যাই হোক, এই সব আজাইর‍্যা প্যাচাল, যে কারনে এই কথা গুলো লিখলাম, তা হচ্ছে আজ খেতে বসে বার বার চিন্তা হচ্ছিলো, আজ থেকে বছর ১০/১২ মধ্যে আমাদের যে কোন একজন বা দুইজনেই পরপারে চলে যেতে পারি! এটাই দুনিয়ার সেরা সত্য, মৃত্যু! এই যে এত এত রং রুপ রহস্য করে দুনিয়াতে থাকলাম, সবই মিছে, মিছে! যে আগে চলে যাব, আর যে বেঁচে থাকবো সেটাই মনে বাজছিলো! একজন চলে গেলেও আরেকজন হয়ত এই টেবিলেই একাকি খেতে বসবো, হাসবো, টিভি দেখবো, মোবাইল চালাবো! অদ্ভুত, এমন কি, একজন চলে গেলে আরেকজন বিয়েও করতে পারি এবং এই টেবিলে সেই মানুষটার সাথেও খেতে পারি! হোয়াট এ থিঙ্ক! আমি আমার স্ত্রীকে পারমিশন দিয়েছি, আমি মরে গেলে সে যেন আবার বিবাহ করে, আমার কোন আপত্তি নেই! তবে তিনি আমাকে এই বিষয়ে তেমন কিছু বলেন নাই, তবে গণউত্তর, স্ত্রী মারা গেলে স্বামীরাতো বিয়ে করেই! আমি অবশ্য আর বিবাহে যাব না, আমার অনেক অভিজ্ঞতা হয়েছে!

একটা সত্য অনেকদিন ধরে আপনাদের বলবো বলবো করে বলা হয় না, আমি আমাদের বন্ধুদের সহ একবার ভাঙ্গাতে বেড়াতে গিয়েছিলাম, ভাঙ্গা রেল ষ্টেশনে নেমে অনেকদুর হেঁটে যাচ্ছিলাম, একটা ছোট খালের উপরে পুল, পদ্মা ব্রীজে উঠার রাস্তায়, পুলের নিচে বেশ গভীর এবং খালের পাশে গাছপালা, দিনের বেলাতেও গা ছমছম করার অবস্থা, এই পুলের নিচেই দেখি বেশ কয়েকজন তরুণ, চুল এলোমেলো, কাঁচা কালো দাঁড়ি সবার, পাগল বেসে, খুপড়ি বানিয়েছে, জিজ্ঞেস করলাম, তারা বলল তারা সেখানেই থাকে তাদের ঘরবাড়ি নেই। পরনে মলিন কাপড়, হয়ত নেশাও করে, পেলে খায় না পেলে শুয়ে থাকে, অনেকটা শহরের পথশিশুরা যেমন! উন্নত বিশ্ব এই রকম গৃহহীন এডিক্টেড আছে, প্রচুর ভিডিও দেখি মেরিকা, জাপান, বৃটেন, কানাডার ভাংকুভার ইত্যাদিতে। কিন্তু আমি আজো সেই পাগল রুপি যুবকদের ভুলতে পারি না!

আমি মুলত জীবনের মায়া সেই দিন থেকেই হারিয়েছি, সেই থেকে কাউকেই আর আপন মনে হয় না, আমি থাকলেও কি, না থাকলেও কি!

মন্তব্য ১ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ০৫ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪১

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: স্ত্রী মারা গেলে স্বামীরাতো বিয়ে করেই!
..................................................................
এমন কোন বিধান নেই যে বিয়ে করতেই হবে ।
ভালোবাসা বেঁচে থাকে অন্তরে , তাই বহু পুরুষ তার
সঙ্গীনির ভালোবাসা ভুলতে না পেরে একাই জীবন যাপন করেছেন ।
বরং মেয়েরা সমাজে স্বামী মারা গেলে একা জীবন যাপন কষ্টকর হয়
নানান রকম অত্যাচার, অভিযোগ আর দূর্ণামের মাঝে বাচঁতে হয় ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.