| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সাহাদাত উদরাজী
[email protected] ০১৯১১৩৮০৭২৮গল্প ও রান্না udrajirannaghor.wordpress.comপ্লে স্টোরে ‘গল্প ও রান্না’ এন্ড্রয়েড এপ্লিকেশন! আনন্দ সংবাদ! বাংলা রেসিপি নিয়ে এই প্রথম প্লে স্টোরে এন্ড্রয়েড এপ্লিকেশন! ‘গল্প ও রান্না’ এখন Play Store এ Apps হিসাবে আপনার হাতের কাছে। নেট কানেশন বা WiFi জোনে থেকে Play Store এ যেয়ে golpo o ranna বা “Golpo O Ranna” বা “com.udraji.rannaghor” লিখে সার্চ করলেই পেয়ে যাবেন। খুব সহজেই আপনি আপনার এন্ড্রয়েড মোবাইলে ‘গল্প ও রান্না’র আইকন ইন্সটল করে নিতে পারেন। ফলে আপনাকে আর মোবাইলে আমাদের সাইট দেখতে লিঙ্ক বা কোন ব্রাউজার ব্যবহার করতে হবে না। নেট কানেশন বা ওয়াইফাই জোনে থাকলেই আপনি ওয়ান ক্লিকেই গল্প ও রান্না দেখতে পাবেন।
সরকারের যে কোন বড় সিধান্ত গুলো কেমন হওয়া উচিত! বহুবার বলেছি, যারা আমার সাথে আছেন তারা নিশ্চয় দেখেছেন। সরকার যে কোন সিধান্ত দেবার আগে তার হাতে গবেষণা পত্র (কোন শিক্ষক বা রিলেটিভ ব্যক্তি বা কমিটি দিয়ে তার মন্দ ভাল দিক গুলো তুলে নিতে হয়) থাকতে হয়, কি কারনে সরকার এমন সিধান্ত নিচ্ছে তা গবেষণা পত্রে উল্লেখ থাকতে হয় এবং সিধান্তের বিপরীতে যখন কথা উঠে, তখন সরকার এই গবেষণা পত্র দেখাতে হয়। মন চাইলো আর কোন সিধান্ত দিয়ে দিলো তা কখনো হতে পারে না বা উচিত নয়। বর্তমান সরকার আসার পরে ভেবেছিলাম, এই সরকার অন্তত এই দিক গুলো বুঝবে এবং সিধান্ত জানানোর পরে সেই গবেষণা পত্রের পজেটিভ দিক গুলো আগেই জানিতে দিবে। না কিছুই হচ্ছে না! দুঃখিত!
যাই হোক, সরকারের সিধান্ত দেয়া বা জানানোর পরে আরো কিছু বিষয় থাকে। যেমন দিন তারিখ বেঁধে দিতে হয় যে, এই দিন থেকে এই বিষয় কার্য্যকর করা হবে, মানুষকে সময় দিয়ে জানাতে হয়। এটা সাধারন ভদ্রতা বা দেশের মানুষের প্রতি সাধারন মমত্ববোধ।
অতি সম্প্রতিকালের দুইটা বিষয় উল্লেখ করছি, সরকার ট্রাফিক সিগন্যালে এআই ক্যামেরা বসিয়েছে, বেশ ভাল ব্যাপার এবং এটাই উচিত। কিন্তু বসিয়েই ঘন্টাখানেক থেকে মামলা দেয়া শুরু করছে, যা সরকারের অন্যায় বটেই। ক্যামেরা বসিয়ে অন্তত ১ মাস যারা আইন ভংগ করছে তাদের মোবাইলে মেসেজ বা সতর্ক করা দরকার ছিলো যে, আপনি আইন ভংগ করছেন। তা হলে জনগণের মেসিভ অংশ বুঝে যেত এবং তারা সতর্ক হত বা পরে আইন ভংগ করলে জরিমানা দিতে তার দুঃখ লাগত না বা এই প্রসেসকে ভুল বুঝতো না!
কয়েক দিন আগে একই কায়দায় মেট্রোরেলের স্টেশন থেকে দোকানপাঠ গুলো কথা ছাড়া ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে পরিস্কার করে দিল বা দিচ্ছে। হ্যাঁ, অবশ্যই কারোই উচিত না এমন সব জায়গাতে দোকান পাঠ বসিয়ে দেয়া। কিন্তু সরকারের উচিত ছিলো দিন কয়েক আগে মাইকিং করা যে, এত তারিখ থেকে কাউকে এমন ব্যবসা করতে দেয়া হবে না, বা অমুক তারিখের পরে যার দোকানপাঠ থাকবে তা সরকার ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিবে এবং জায়গা পরিস্কার করবে। দুঃখের সঙ্গে দেখলাম হঠাত একদিন এসেই সব বুলদোজার দিয়ে ভেঙ্গে পরিস্কার করা হচ্ছে। দেখলাম আপেল আঙ্গুর পিষে ফেলতে, দেখলাম চায়ের পাত্র নষ্ট করতে! আফসোস! অথচ আগে ওয়ার্নিং থাকলে অনেকেই তাদের দোকান মালামাল সরিয়ে নিত, পুজির বাক্স নিয়ে দূরে সরে যেত! এই যে একজন দরিদ্র মানুষের ব্যবসার দোকান, হাঁড়িপাতিল সহ পুঁজি নষ্ট হল, এতে কার কি লাভ হল! সেই দরিদ্র ব্যক্তিরই গেল, সার্বিক ক্ষতি জনগণের বটেই! যার এই সামান্য টং সেটাপ গেল সেই কি কখনো এই সরকারকে ভালবাসবে? সে কি আরো অনেকে নিয়ে সরকারের বিরোধীতা করবে না, সুযোগ পেলে কি রাস্তায় নামবে না!
আসলে এখন আর বলতে ইচ্ছা হয় না, সরকার সভ্য না হলে জনগণ সভ্য হয় কি করে? সরকার সভ্য হলে সেই ঢেউ জনগণের গায়ে লাগে, জনগণ সভ্য হতে বাধ্য হয় বা হয়ে যায়, যেমন রাস্তা থাকলে মানুষ কখনো আলু ক্ষেতের মধ্য দিয়ে হাটে না! বার বার মনে প্রশ্ন জাগে, দরিদ্র মানুষ গুলোর দিকে চেয়েও কি সরকার কোনদিন সভ্য হবে না, সভ্য সিধান্ত নিবে না।
(সরকার তার অধিনস্ত্য প্রতিষ্ঠান গুলোকে কি কোনদিন সভ্য করবে না! আগের ভুল বা হালেই কি দেশ চলবে?) - বাক স্বাধীনতার আলোকে লেখা, ভাল না লাগলে ইগ্নোর করতে পারেন, আর বুঝে গেলে লিখতে পারেন।

১১ ই জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৯
সাহাদাত উদরাজী বলেছেন: আপনার এই মনোভাব স্বৈরাচারীর মত, এগুলো দিন কয়েক টিকে, আবার যা হবার তা হয়ে যায়! পারবেন তো শুধু দরিদ্র মানুষের সাথে, দরিদ্র মানুষের বুকে লাথি দেয়া সবাই পারে।
অন্তত ২৪ ঘন্টা সময় দিয়েও তো এমন করা যেত! আপনি ধনীদের কাতারে ফলে আপনার কাছে ক্ষতি কোন ব্যাপার নয়! হাসিনার পরাজয়ে এমন চিন্তা ছিলো, কেন সারা দেশের মানুষ রাস্তায় নেমেছিল, একটু খুঁজে দেখবেন। সরকার সভ্য হলে মানুষ এমনিতেই সভ্য হয়ে যায়। মানুষ অন্যায় কেন করে, কখনো ভেবেছেন? চাইলেও আপনি অন্যায় করবেন না, কেন?
©somewhere in net ltd.
১|
১১ ই জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৯
রাজীব নুর বলেছেন: যা করলে মানুষের উপকার হবে, সরকারের তাই করা উচিৎ।
মেট্রোরেলের সিড়ির নিচ থেকে দোকানপাট উঠিয়ে ভালো কাজ করেছে।
এআই ক্যামেরা বসিয়ে ভালো করেছে। লোকজন নিয়ম কানুন মানছে।