| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ডিজিটাল মুবিন
.যে যা দেয় তা ফিরিয়ে দেই।সে যদি হয় ভালোবাসা,তবে ভালোবাসা,অবহেলা হলে অবহেলা,কষ্ট হলে কষ্ট... এ নীতি থেকে আজ পর্যন্ত বিচ্যুত হইনি,হতে দেবো না..... At the doorway of my life I feel the pain but feel no shame And what I've got I keep inside Some things have changed but I'm still the same
বিষয় বস্তু আলোচনা করার আগে আগে একটা মুভির কথা আপনাদের মনে করিয়ে দিতে চাই
মুভি BACK TO THE FUTURE এর Michael J. Fox কে আপনারা শুন্যে হোভার বোর্ড এ ভেসে থাকতে নিশ্চই দেখেছেন।দেখতে সেটা অনেকটা স্কেট বোর্ডের মত (যদিও রাস্তা্য না চলে বাতাসে ভেসে চলে যান্ত্রিক কোন পাখা ছাড়াই।বাস্তবে এরকম হোভার বোর্ড পাওয়া কি আদৌ সম্ভব???
নিউটনিয়ান বিজ্ঞনে দেখলে অসম্ভবই মনে হয়।মজাটা এখানেই বিজ্ঞনীরা দেখিয়েছেন সুপার কন্ডাকটর দিয়ে এ ধরনের হোভার বোর্ড সহজেই তৈরি করা যায়।
ব্যাপারটি বুঝতে হলে আমাদের সুপার কন্ডাকটরের কিছু সাধারন বৈশিষ্ট্য জানতে হবে
অবশ্য সুপার কন্ডাকটর কেন এধরনের বৈশিষ্ট্য দেয় তার আজো কোনো ব্যাখ্যা কেউ দিতে পারেনি,
(আপনারা কেউ জেনে থাকলে আমারে একটু কইয়া দিয়েন কথাদিলাম নোবেল পাওয়াইয়া দিমু।কসম ![]()
![]()
)
নির্দিষ্ট কিছু পদার্থ আছে যাদের ক্রমাগত ঠান্ডা করতে করতে পরমশুন্য তাপমাত্রার একদম কাছে নিয়ে গেলেই তারা সুপার কন্ডাকটর হয়ে যায় ।সুপার কন্ডাকটিভিটির আবিষ্কার কর্তার নাম Heike Onnes 1911.
(প্রায় ১০০ বছর হইয়া গেল এইটা কেন হয় কেউ কইতে পারলনা আফসুস ![]()
![]()
![]()
)
আচ্ছা যা বলছিলাম এ জাতীয় পদার্থকে যথেষ্ট পরিমানে ঠান্ডা করলে (কেউ আবার ফ্রিজে রাইখা ঠান্ডা করার চিন্তা কইরেন![]()
না সবচেয়ে গরম!!! সুপার কন্ডাকটর পাইতে হইলেও -১৩৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস লাগব ) উনারা পুরা ভদ্র হইয়া যায়।তেনাগ মধ্যে দিয়া তখন কারেন্ট দিয়া দিলে উনারা মাথা গরম না কইরাই তা এক যায়গা থেকে আরেক যায়গাতে লইয়া যায়।তামার তারের মত মাথা গরম করেনা। বস্তুত ঠান্ডা করলে সুপার কন্ডাকটরের অনু গুলো শান্ত হবার কারনে রেজিস্টেন্স অনেক কমে গিয়ে শু্ন্যের কাছাকাছি চলে যায় এবং বিদ্যুৎ পরিবহনে এতে তামার তারের মত কোন তাপ বের হয়না,এনা্র্জি লস হয় না ।
এবার সুপার কন্ডাকটরের একটা আজব বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে বলব।সুপার কন্ডাকটরের একটা কমন বৈশিষ্ট্য হল Meissner Effect । মনে করেন আপনে একটা সুপার কন্ডাকটর পেলেন ,এর উপরে একটা চুম্বক রাখলেই দেখবেন তা কোনো অদৃশ্য বলের কারনে ভেসে আছে মানে মাধ্যাকর্ষন না করে বিকর্ষন করছে !!! আপনাদের মনে প্রশ্ন হতে পারে সুপার কন্ডাকটর আর চুম্বক যদি একই মেরু তৈরি করে তবেতো বিকর্ষণ করারই কথা ,কিন্তু আপনাদের জ্ঞাতার্থে বলছি চুম্বকটি উত্তর মেরু হোক আর দক্ষিণ মেরু হোক দু ক্ষেত্রেই বিকর্ষন করবে ।
এখেত্রে সুপার কন্ডাকটর নিজে কোন আগের চুম্বকটির একটি মিরর ইমেজে পরিনত হয় (বিপরীত মেরু না ) ফলে পুরো সুপার কন্ডাকটরটি চুম্বকটিকে বিকর্ষন করে সব দিক দিয়ে এমনকি চুম্বকের উত্তর ও দক্ষিন সব মেরু দিয়ে
এখেত্রে যা হয় তাহল চুম্বকের চুম্বক ক্ষেত্র সুপার কন্ডাকটরের সাথে কোন আবেশ তৈরি করে না বরং সব দিক থেকে বিকর্ষিত হয় ।
সুপার কন্ডাকটরের সাথে চুম্বকের এই ধর্মটি ব্যাবহার করে অদুর ভবিষ্যতে হয়তো BACK TO THE FUTURE এ দেখানো শুন্যে ভাসমান হোভার বোর্ড বিজ্ঞানীরা তৈরি করেও ফেলতে পারেন।
১৭ ই মার্চ, ২০১১ সকাল ১১:২৯
ডিজিটাল মুবিন বলেছেন: বিকর্ষণ হবে।
ধরেন সুপারকন্ডাটর দিয়ে একটা পাত্র বানালেন। ছোট ছোট অনেক গুলো দন্ড চুম্বক এনে পাত্রে রেখে দিলে তারা সবাই ঐ পাত্রে ভেসে থাকবে পাত্রের তল স্পর্শ করবেনা।
২|
১৭ ই মার্চ, ২০১১ রাত ৩:২২
স্বল্পজ্ঞানী বলেছেন: ইন্টারেস্টিং !!
১৭ ই মার্চ, ২০১১ সকাল ১১:৫৭
ডিজিটাল মুবিন বলেছেন: আসলেই ইন্টারেস্টিং
৩|
১৭ ই মার্চ, ২০১১ সকাল ৭:৫৫
রাতুলবিডি বলেছেন: ঠান্ডা বরফ বলেছেন: লেখক বলেছেন "চুম্বকটির একটি মিরর ইমেজে পরিনত হয় "।
যদি ২ মেরুর ২টা চুম্বক সুপার কন্ডাকটরের কাছে আনা হয় তাহলে কি হবে
- অথবা ৩ টা ?
উত্তর মেরু , মাঝামাঝি, আর দক্ষিণ মেরু ?
৪|
১৭ ই মার্চ, ২০১১ সকাল ৮:০১
আম-আঁটির ভেঁপু বলেছেন: হুমমম। ভালো লিখেছেন। কিন্তু, এইটাকে মাধ্যাকর্ষণ বলের বিপরীত বল বলে হিট বাড়ানোর চেষ্টা করলেন কেন? এইটা তো মাধ্যা'বি'কর্ষণ বল না। এইটা হইলো তড়িৎচুম্বকীয় (ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক) বল।
সুপারকন্ডাকটিভিটির ব্যাখ্যা কি আসলেই নেই? তাপমাত্রার কমার সাথে পদার্থের রোধ (রেসিসট্যান্স) কমতে থাকে, কেলভিন তাপমাত্রার সমানুপাতিক হারে। কেন সেটা হয়- সেটার ব্যাখ্যা খুবই সাদামাটা। তাপমাত্রা কমলে ইলেক্ট্রনের গতিশক্তি হ্রাস পায়। ফলে র্যানডম মোশন বা এলোমেলো গতি কমে আসে। ফলে, রোধ কমে। রোধ কমলে এনার্জি লস কম হয়। তাহলে, তাপমাত্রা ১৩৮ কেলভিন বা তারও নীচে নামালে ধীরে ধীরে তার রোধ প্রায় নগন্য হয়ে যাবে। এই ব্যাখ্যা কি যথেষ্ট নয়? (আসলে আমি ব্যাপারটা ভালো জানিনা, তাই আরো বিস্তারিত জানতে চাইছি)
ভালো পোস্ট। ধন্যবাদ।
১৭ ই মার্চ, ২০১১ সকাল ১১:৩৯
ডিজিটাল মুবিন বলেছেন: বলেছেন: সুপারকন্ডাকটিভিটির ব্যাখ্যা কি আসলেই নেই?
আসলেই নেই।এপর্যন্ত যে কয়টা ব্যাখ্যা এসেছে তা কোনোনা কোনো পর্যায়ে সুপারকন্ডাকটিভিটির কিছু ক্যারেকটারিস্টিক্স (এক্সপেরিমেন্টালি পাওয়া ) এর ব্যাখ্যা দেয়াতে ব্যর্থ হয়েছে তাই পেপার গুলো আজ অবদি ওয়েল গ্রান্টেড হয়নি ।
এইটা হইলো তড়িৎচুম্বকীয় (ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক) বল।
এইটা নিয়া সায়েন্টিস্টরা অনেকেই সন্দিহান।কেননা তড়িৎচুম্বকীয় বলের অনেক ল্য ই সুপারকন্ডাকটরে ভায়লেট হয়।যার কিছু ব্যাখ্যা কোয়ান্টাম মেকানিক্স দিয়ে দেয়া গেলেো পরিপূর্ণ ব্যাখ্যা দেয়া যায়না।
তাই এখন এন্টি গ্রাভিটি দিয়ে এর ব্যাখ্যা করার চেষ্টা চলছে । ( সেকারনেই শিরোনামে মাধ্যাবিকর্ষণ দেয়া )
৫|
১৭ ই মার্চ, ২০১১ সকাল ৮:০৪
আম-আঁটির ভেঁপু বলেছেন: যারা দুই-তিন মেরুর কম্বিনেশন নিয়ে চিন্তা করছেন, তাদের জন্য:
এক জায়গায় এক সাথে তো দুইটা মেরু থাকতে পারেনা। পাশাপাশি থাকবে, তাইনা? তাহলে উত্তর মেরু বরাবর দক্ষিণ মেরু, আর দক্ষিণ মেরু বরাবর উত্তর মেরু সৃষ্টি হবে। আর এদের মাঝামাঝি স্থানে দুর্বল বা নগণ্য চুম্বকক্ষেত্র সৃষ্টি হতে পারে, আবার একেবারে কোনো নিরপেক্ষও হতে পারে।
৬|
১৭ ই মার্চ, ২০১১ সকাল ১১:৫১
ডিজিটাল মুবিন বলেছেন: আম-আঁটির ভেঁপু বলেছেন: তাপমাত্রার কমার সাথে পদার্থের রোধ (রেসিসট্যান্স) কমতে থাকে, কেলভিন তাপমাত্রার সমানুপাতিক হারে। কেন সেটা হয়- সেটার ব্যাখ্যা খুবই সাদামাটা। তাপমাত্রা কমলে ইলেক্ট্রনের গতিশক্তি হ্রাস পায়। ফলে র্যানডম মোশন বা এলোমেলো গতি কমে আসে। ফলে, রোধ কমে। রোধ কমলে এনার্জি লস কম হয়। তাহলে, তাপমাত্রা ১৩৮ কেলভিন বা তারও নীচে নামালে ধীরে ধীরে তার রোধ প্রায় নগন্য হয়ে যাবে। এই ব্যাখ্যা কি যথেষ্ট নয়?
না নয় কারন এটা দিয়ে সাধারন ভাবে ব্যাখ্যা করা গেলেও ক্রিটিকাল টেম্পারেচারে সুপারকন্ডাকটরের ইনফাইনাইট কন্ডাকটিভিটি ব্যাখ্যা করা যায় না।
In a weak applied field, a superconductor "expels" nearly all magnetic flux. It does this by setting up electric currents near its surface. The magnetic field of these surface currents cancels the applied magnetic field within the bulk of the superconductor. As the field expulsion, or cancellation, does not change with time, the currents producing this effect (called persistent currents) do not decay with time. Therefore the conductivity can be thought of as infinite: a superconductor
Any perfect conductor will prevent any change to magnetic flux passing through its surface at zero resistance (সাধারন তামার তারের রেজিস্ট্যান্স শুন্য হলে যা হবে )
Meissner effect is distinct from this,This effect cannot be explained by infinite conductivity alone. Its explanation is more complex and was first given in the London equations by the brothers Fritz and Heinz London.
বিস্তারিত জানতে
৭|
১৭ ই মার্চ, ২০১১ দুপুর ১২:১২
ডিজিটাল মুবিন বলেছেন:
৮|
১৭ ই মার্চ, ২০১১ দুপুর ১২:৫৫
ডিজিটাল মুবিন বলেছেন: anti-gravity নিয়ে ব্যাখ্যা পাবেন এখানে
৯|
১৭ ই মার্চ, ২০১১ দুপুর ২:০৯
আমি কেহই না বলেছেন: কেউ আবার ফ্রিজে রাইখা ঠান্ডা করার চিন্তা কইরেন![]()
না
১০|
১৭ ই মার্চ, ২০১১ রাত ১১:৪২
আম-আঁটির ভেঁপু বলেছেন: thanks for the explanations. my field way outside superconductivity or condensed matter. I learnt these stuff in undergrad (e.g. Cooper's pair, London's eqns, etc) but did a very good job in forgetting all of those right after the exam. yeah, it's very interesting.
©somewhere in net ltd.
১|
১৭ ই মার্চ, ২০১১ রাত ৩:১৮
ঠান্ডা বরফ বলেছেন: লেখক বলেছেন "চুম্বকটির একটি মিরর ইমেজে পরিনত হয় "।
যদি ২ মেরুর ২টা চুম্বক সুপার কন্ডাকটরের কাছে আনা হয় তাহলে কি হবে?