নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ভাঙ্গাকুলা

আহমেদ নিশো

আসসালামু আলাইকুম।

আহমেদ নিশো › বিস্তারিত পোস্টঃ

গাদ্দাফির যৌনাচার!

২৬ শে আগস্ট, ২০১৩ বিকাল ৫:২৭

লিবিয়ার সাবেক নেতা কর্নেল মোয়াম্মার গাদ্দাফি স্কুলছাত্রীদের অপহরণ করে এনে যৌনদাসী হিসেবে নিজের আস্তানায় রাখতেন বলে তার ওপর প্রকাশিত একটি বইয়ে উল্লেখ করা হয়েছে।



লিবিবার সাবেক এ লৌহ মানবের নির্যাতনের শিকার উপকূলীয় সিরতে শহরের স্কুলছাত্রী সোরায়া (ছদ্মনাম)। ১৫ বছর বয়সে তাকে অপহরণ করে ত্রিপোলির বাইরে একটি দুর্গে পাঁচ বছর আটক রাখা হয়।



তিনি বলেছেন, তাকে প্রায় নিয়মিতভাবে ধর্ষণ, মারধর ও অত্যাচার করা হত। তার মতো অন্য মেয়ে ও ছেলেরাও গাদ্দাফির নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন।



‘গাদ্দাফির হারেম: এক তরুণ নারী ও লিবিয়ার ক্ষমতার অপব্যবহারের গল্প’ (গাদ্দাফি’স হারেম : দ্য স্টোরি অব এ ইয়াং উইমেন অ্যান্ড দ্য অ্যাবিউজ অব পাওয়ার ইন লিবিয়া) নামের একটি বইয়ে উঠে এসেছে গাদ্দাফির যৌনলোলুপ চরিত্র!



২০০৪ সালে সিরতে শহরে সফরের সময় গাদ্দাফিকে ফুলের তোড়া দিয়ে ‘সম্মান’ জানানোর দায়িত্ব পড়েছিল সোরায়ার। ওই অনুষ্ঠানেই ৮ সন্তানের বাবা গাদ্দাফির চোখ পড়ে সোরায়ার ওপর।



২০০৯ সালে সোরায়াকে মুক্তি দেন গাদ্দাফি। কিন্তু বিবাহ বহির্ভূতভাবে অন্য পুরুষের সঙ্গে যৌনকর্মে লিপ্ত হওয়ায় তার পরিবারের জন্য তিনি লজ্জার ব্যাপার। ২০১১ সালে গৃহযুদ্ধে গাদ্দাফি নিহত হওয়ার পর নিজেকে মুক্ত মনে করেন সোরায়া।



ফরাসি লা মঁদের সাংবাদিক অ্যানিক কোজেনের বইটির এক লাখেরও বেশি কপি এরই মধ্যে বিক্রি হয়ে গেছে। গত বছর ফরাসি ভাষায় প্রকাশিত বইটির ইংরেজি সংস্করণ প্রকাশের কাজ চলছে। আগামী মাসে এর ইংরেজি সংস্করণ প্রকাশ হতে পারে।



কোজেন আরও বলেছেন, তার যেসব নারী দেহরক্ষী ছিল, তারা আসলে অস্ত্র সম্পর্কে জ্ঞানহীন উপপত্নী ছিল তার।



গাদ্দাফির দুর্গে মেয়েদের সরবরাহকারী এক নারীর সাক্ষাৎকার ছাপানো হয়েছে বইটিতে।



অ্যানিক কোজেন বলেছেন, শুধু মেয়েরাই নয়, পুরুষ ও ছেলেরাও গাদ্দাফির নির্লজ্জ আচরণ থেকে রেহাই পাননি। এমনকি তার দেশে সফরত তারকা, সাংবাদিক ও বিদেশি কর্মকর্তাদের স্ত্রীদেরও ‘প্রস্তাব’ দিতেন গাদ্দাফি।

২০১২ সালে সিরিয়ার গৃহযুদ্ধে নিহত সানডে টাইমসের সাংবাদিক ম্যারি কোলভিনকেও গাদ্দাফির পক্ষ থেকে প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল বলে জানা যায়। গাদ্দাফির সাক্ষাৎকার নেয়ার জন্য ত্রিপোলি সফরে তার রক্ত পরীক্ষা করার জন্য সুঁচ নিয়ে এসেছিলেন এক নার্স । কিন্তু রক্ত দিতে অস্বীকৃতি জানান কোলভিন।



কোনো নারীর সঙ্গে যৌনকর্মে লিপ্ত হওয়ার আগে তার রক্ত পরীক্ষা করে নিতে গাদ্দাফি



সুত্র

মন্তব্য ৯ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৯) মন্তব্য লিখুন

১| ২৬ শে আগস্ট, ২০১৩ বিকাল ৫:৩০

খাটাস বলেছেন: তিনি ই জেনারেল আলাদিন।

২| ২৬ শে আগস্ট, ২০১৩ বিকাল ৫:৩৪

শাহরিয়ার খান রোজেন বলেছেন: সবাই নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের কাটতি বাড়াতে ব্যস্ত।

৩| ২৬ শে আগস্ট, ২০১৩ বিকাল ৫:৪৮

টুনা বলেছেন: হারামীর বাচ্চা ফরাসীরা এবং পশ্চিমারা গাদ্দাফী জীবিত থাকতে এসব খবর কেন প্রচার করেনি? গাদ্দাফী স্বৈরশাষক ছিল। আর তাকে স্বৈরশাষক বানিয়েছিল পশ্চিমারা। প্রয়োজন ফুরিয়ে যাবার পর খতম করেও আশ মিটেনি। এখন চরিত্র হননে লিপ্ত। X( X( X(

আরবের শেখরাও মাস্তি করে কিন্তু হাড্ডি মিলে বলে সবাই ফেরেশতা। যখন পতিত হবে তখন শয়তান। পশ্চিমারাই সব শয়তানের জনক।

৪| ২৬ শে আগস্ট, ২০১৩ বিকাল ৫:৪৯

আহলান বলেছেন: ধ্বংসের পিছনে এসব কারণও দায়ী ... হয়তো বা ...

৫| ২৬ শে আগস্ট, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:১৪

গরম কফি বলেছেন: খাটাস বলেছেন: তিনি ই জেনারেল আলাদিন।

৬| ২৬ শে আগস্ট, ২০১৩ রাত ৯:৫৯

এস এইচ খান বলেছেন: টুনা বলেছেন: হারামীর বাচ্চা ফরাসীরা এবং পশ্চিমারা গাদ্দাফী জীবিত থাকতে এসব খবর কেন প্রচার করেনি? গাদ্দাফী স্বৈরশাষক ছিল। আর তাকে স্বৈরশাষক বানিয়েছিল পশ্চিমারা। প্রয়োজন ফুরিয়ে যাবার পর খতম করেও আশ মিটেনি। এখন চরিত্র হননে লিপ্ত। X( X( X(

আরবের শেখরাও মাস্তি করে কিন্তু হাড্ডি মিলে বলে সবাই ফেরেশতা। যখন পতিত হবে তখন শয়তান। পশ্চিমারাই সব শয়তানের জনক।

==চমৎকার বলেছেন টুনা! শুনেছি ইসরাইলের দালালরা এখন বাংলাদেশেও ঘুর ঘুর করে ;)

৭| ২৬ শে আগস্ট, ২০১৩ রাত ১১:০২

সানড্যান্স বলেছেন: জুম্বাঙ্গলা ডটকমের নিউজ। বাকি নিউজ গুলার হেডিং দেখেন!!!
শালার অনলাইন নিউজ পোর্টাল্গুলা পারেও!!

৮| ২৬ শে আগস্ট, ২০১৩ রাত ১১:০৬

বিডি আইডল বলেছেন: মরা গাদ্দাফী কি করতো না করতো সেই গুলা নিয়া এইসব চটি বই পশ্চিমা লোকজন ভালোই খাবে

৯| ২৭ শে আগস্ট, ২০১৩ সকাল ১০:৪০

একাকি উনমন বলেছেন: লিবিয়া কে সোমালিয়ার মত ভিখ্হুক না বানানো পর্যন্ত তো পশ্চিমা সব্য জাতিগুলো থামবেনা, তাই গাদ্দাফি কে মেরে ফেলেও ওদের আশ মেটেনি, আবার যাতে দ্বিতীয় গাদ্দাফির মত নতুন নেতা তৈরী হতে না পারে সেকারণেই এই তত্পরতা চলছে রে ভাই।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.