| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ওয়ালিউর রহমান টুটুল
একজন প্রোএক্টিভ নিরীহ টাইপের মানুষ যে অহংকার কিংবা খামোখা শো-অফ করাকে প্রতিবন্ধী মানসিকতা বলে মনে করে। আরশি নগরের পড়শির খোঁজে নিরন্তর পেরেশান। ভাবতে ভাল লাগে একদা গ্রাম্য সহজ সরল সাদামাটা জীবনযাত্রা। নিজে যেমন সত্য বলাতে অকপট তেমনি যারা ভনিতার আশ্রয় গ্রহন করে তাদেরকে তীব্র ঘৃণা করি। গল্প, কবিতা, স্মৃতি বিজড়িত ঘটনাগুলোকে আপন মনের মাধুরী মিশিয়ে লিখতে ভাল লাগে।
আজো আমার রাতের আকাশ মেঘে মেঘে ঢাকা
চাঁদ কে কোথাও পাই না খুঁজে লাগছে সবই ফাঁকা
উদাস মনে ভাবছি বসে আঁধার রাতের মাঝে
অতীত দিনের স্বপ্নগুলো যতন রঙিন ভাজে।
দুরন্ত সেই শৈশবেরই মধুর দিনের স্মৃতি
অবিরত দৌড় ঝাপে পাড়া বেড়ানোর রীতি
স্কুলের পথে গাছের ডালে হরহামেশা চড়া
ফলের গাছের প্রতি ছিল গভীর টানে ভরা।
সন্ধা রাতে ঘরের দাওয়ায় সব বয়সী মিলে
পড়তো পুথি, গল্প গাঁথা মমতা ভরা দীলে।
ভাদ্র-আশ্বিন শেষ শুরুতে শুকনা বিলে গিয়ে
তারিখ করে মাছ ধরিতাম ঝাকি-খালুই দিয়ে।
ভরা বর্ষায় জোসনা রাতে নৌকা বহর করে
দল বেধে সব চলে যেতাম তিতাস নদীর চরে।
ধু ধু চরে অথৈ জলে, গ্রাম থেকে বেশ দুরে
চউরা হাসের মাংশ ভুনা ভাতের সাথে জুড়ে
তৃপ্তি নিয়ে আহার করে স্বগীয় সুখ ভোগে
রাত্রি শেষে যাত্রী বেশে ফেরা একইযোগে।
কোথায় গেল সোনালী দিন আর পাবোনা জানি
ওসব দিনের স্মৃতি নিয়েই ঝরাবো চোখের পানি||
©somewhere in net ltd.