| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ধ্বনি ও বর্ণ প্রকরণ
প্রিয় শিক্ষার্থীরা, আজ বাংলা ২য় পত্রের ব্যাকরণ অংশের ‘ধ্বনি ও প্রকরণ’ নিয়ে আলোচনা করব।
ধ্বনি কীভাবে তৈরি হয়: মানুষ তার মনের ভাব প্রকাশের জন্য কথা বলে। মানুষের ‘কথা’ হলো অর্থযুক্ত কিছু ধ্বনি। কথা বলতে গেলে মানুষের মুখ দিয়ে যেসব ধ্বনি বের হয় তার অবশ্যই অর্থ থাকতে হবে। অর্থযুক্ত ধ্বনিই হলো শব্দ। শব্দ দিয়ে তৈরি করা হয় বাক্য। বাক্যের মাধ্যমে মনের ভাব পূর্ণরূপে প্রকাশ পায়। আর তখন তার নাম হয় ভাষা।
ভাষা বা মানুষের কথা কতগুলো ধ্বনির সমষ্টি। ধ্বনিগুলো বের হয় মুখ দিয়ে, কিন্তু ধ্বনির মূল উৎস হলো ফুসফুস। ফুসফুসের কাজ মানুষের শ্বাস-প্রশ্বাস নেওয়া ও ছাড়া। সে কারণে ফুসফুস থেকে বাতাস বাইরে বের হয়ে আসে। বাতাস বের হওয়ার সময় মুখে ধ্বনির সৃষ্টি হয়। ফুসফুস থেকে বাতাস গলনালি, মুখ, নাক দিয়ে বাইরে বেরিয়ে আসে। মুখে যে ধ্বনি উচ্চারিত হয় তার পেছনে কাজ করে ফুসফুস থেকে বেরিয়ে আসা বাতাস। ফুসফুস থেকে বাতাস স্বরতন্ত্রীর মাধ্যমে বেরিয়ে আসার সময় মুখের বিভিন্ন জায়গায় ঘষা লাগে। ফলে মুখে নানা ধরনের ধ্বনির সৃষ্টি হয়। বাগ্যন্ত্রের সঙ্গে ফুসফুস থেকে বেরিয়ে আসা বাতাসের স্পর্শের দ্বারা ধ্বনির সৃষ্টি হয়ে থাকে। ধ্বনি ফুসফুস থেকে আসে না, ফুসফুস থেকে আসে বাতাস আর এই বাতাসের আঘাতেই তৈরি হয় ধ্বনি। ধ্বনি তৈরির জন্য সহায়তা করে বাগ্যন্ত্র। বাগ্যন্ত্রের বিভিন্ন অংশের নাম অনুসারে ধ্বনি বা বর্ণের নামকরণ করা হয়েছে। যেমন:
বাগ্যন্ত্র অন্য নাম ধ্বনি বা বর্ণের নাম
নাক নাসিকা নাসিক্য বর্ণ
তালু - তালব্য বর্ণ
জিভ জিহ্বা জিহ্বামূলীয় বর্ণ
মাড়ির একটি অংশ মূর্ধা মূর্ধন্য বর্ণ
দাঁত দন্ত দন্ত্যবর্ণ
ঠোঁট ওষ্ঠ ওষ্ঠ্যবর্ণ
স্বরধ্বনি ও ব্যঞ্জনধ্বনির সংজ্ঞা এবং উদাহরণ:
ধ্বনি: মানুষের মনের ভাব প্রকাশের জন্য বাকপ্রত্যঙ্গের সাহায্যে উচ্চারিত আওয়াজকে ধ্বনি বলে। অর্থাৎ বাগ্যন্ত্র ও ফুসফুসতাড়িত বাতাসে মিলে যেসব আওয়াজ হয়, তার নাম ধ্বনি। তবে ভাষার ক্ষেত্রে এ ধ্বনিকে অর্থযুক্ত হতে হয়।
ফুসফুস থেকে আগত বাতাস গলনালি, মুখবিবর বা নাক দিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার সময় মুখের বিভিন্ন জায়গায় ঘষা বা আঘাত লাগে। এই ঘষা লাগার জায়গা, ধরন ও পরিমাণ বিভিন্ন ধ্বনির সৃষ্টি করে। লক্ষ করা যায়, কোনো কোনো ধ্বনির উচ্চারণে ফুসফুসতাড়িত বাতাস সোজা বাধা না পেয়ে বেরিয়ে যায়। আবার কখনো কখনো বাতাস মুখের নানা জায়গায় বাধা পায়। বাধার এই পার্থক্যের দিক থেকে ধ্বনিকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যেমন: ১. স্বরধ্বনি ২. ব্যঞ্জনধ্বনি
স্বরধ্বনি: যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময় ফুসফুসতাড়িত বাতাস বেরিয়ে যেতে মুখের কোথাও কোনো বাধা পায় না তাকে স্বরধ্বনি বলে। যেমন: অ, আ, ই, ঈ ইত্যাদি।
ব্যঞ্জনধ্বনি: যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময় ফুসফুসতাড়িত বাতাস বেরিয়ে যেতে মুখের কোথাও না কোথাও বাধা পায় তাকে ব্যঞ্জনধ্বনি বলে। যেমন: ক, খ, গ, ঘ ইত্যাদি।
বর্ণ: যেসব ধ্বনি মুখ দিয়ে উচ্চারিত হয়, সেসব কানে শোনা যায়। কিন্তু মনের ভাব প্রকাশের জন্য ধ্বনিগুলোকে লেখাও যায়। লেখার জন্য একেকটি ধ্বনির একেকটি প্রতীক ব্যবহার করা হয়। প্রতীকগুলোর নাম দেওয়া হয়েছে বর্ণ।
মোটকথা, যেসব প্রতীকচিহ্ন দিয়ে ধ্বনি নির্দেশ করা হয় তাকে বর্ণ বলে। যেমন: অ, ক ইত্যাদি। বর্ণগুলো ধ্বনি নির্দেশক চিহ্ন বা প্রতীক। প্রকারভেদে ধ্বনির মতো বর্ণকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন: স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জনবর্ণ।
বাংলা বর্ণমালা:
বাংলা বর্ণমালায় মোট ৫১টি বর্ণ রয়েছে। এগুলোর মধ্যে স্বরবর্ণের সংখ্যা ১১টি: অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, এ, ঐ, ও, ঔ।
ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা ৪০টি: ক, খ, গ, ঘ, ঙ, চ, ছ, জ, ঝ, ঞ, ট, ঠ, ড, ঢ, ণ, ত, থ, দ, ধ, ন, প, ফ, ব, ভ, ম, য, র, ল, ব (অন্তস্থ-ব) শ, ষ, স, হ, ড়, ঢ়, য়, ৎ (খণ্ড ত), ং (অনুস্বার), ঃ (বিসর্গ) এবং ঁ (চন্দ্রবিন্দু)।
স্বরধ্বনির উচ্চারণ স্থান:
ধ্বনি উচ্চারণ স্থান উচ্চারণ স্থান
অনুসারে নাম
অ, আ কণ্ঠ কণ্ঠ্য ধ্বনি
ই, ঈ তালু তালব্য ধ্বনি
উ, ঊ ঠোঁট বা ওষ্ঠ ওষ্ঠ্য ধ্বনি
ঋ মূর্ধা মূর্ধন্য ধ্বনি
এ, ঐ কণ্ঠ ও তালু কণ্ঠতালব্য ধ্বনি
ও, ঔ কণ্ঠ ও ওষ্ঠ কণ্ঠোষ্ঠ্য ধ্বনি
উচ্চারণ অনুসারে স্বরধ্বনিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। কোনোটা উচ্চারণে কম, কোনোটা উচ্চারণে বেশি সময় লাগে। যেসব স্বরধ্বনি উচ্চারণে কম সময় লাগে সেগুলোকে হ্রস্বস্বর বলে। যেমন: বাংলা ভাষায় অ, ই, উ এবং ঋ হ্রস্বস্বর বলে পরিচিত। যেসব স্বরধ্বনি উচ্চারণে একটু বেশি সময় লাগে সেগুলোকে দীর্ঘস্বর বলা হয়। যেমন—বাংলা ভাষায় আ, ঈ, ঊ, এ, ঐ, ও এবং ঔ দীর্ঘস্বর বলে পরিচিত। তবে কথা বলার সময় এই কম-বেশির সঠিক হিসাব পাওয়া যায় না। একই স্বর স্থানবিশেষে হ্রস্ব বা দীর্ঘ হতে পারে। যেমন:
হ্রস্ব উচ্চারণ দীর্ঘ উচ্চারণ
অ-জলা অ-জল
আ-পাতা আ-পান
ই-ইলিশ ই-দিন
ঈ-নামী ঈ-মীন
এ-বেলা এ-বেল
# ব্যঞ্জনধ্বনির উচ্চারণ স্থান ও রীতি এবং প্রকারভেদ
উচ্চারণ স্থান অনুসারে ব্যঞ্জনধ্বনির নাম উল্লেখ করা হলো:
ধ্বনি উচ্চারণ স্থান উচ্চারণ স্থান অনুসারে নাম
ক, খ, গ, ঘ, ঙ, হ গলা বা কণ্ঠ বা জিহ্বামূল কণ্ঠ বা জিহ্বামূলীয় ধ্বনি
চ, ছ, জ, ঝ, ঞ, য়, শ তালু তালব্য ধ্বনি
ট, ঠ, ড, ঢ, ণ, র, ড়, ঢ়, ষ মূর্ধা মূর্ধণ্য ধ্বনি
ত, থ, দ, ধ, ন, ল, স দাঁত দন্ত্যধ্বনি
প, ফ, ব, ভ, ম ঠোঁট ওষ্ঠ্যধ্বনি
লক্ষ করি: সংস্কৃত ভাষার ব্যাকরণের অনুসরণে ণ-এর উচ্চারণ স্থানকে মূর্ধা বলা হয়। প্রকৃতপক্ষে বাংলা ভাষায় ণ-এর উচ্চারণ ন-এর মতই (দন্ত উচ্চারণ)। তবে ট, ঠ, ড, ঢ-এর আগে সংযুক্ত হলে এর উচ্চারণ স্থানকে মূর্ধা বলা যায়। অন্যত্র ন-এর দন্ত উচ্চারণই হয়।
কেবল শব্দের ব্যুৎপত্তির জন্য বানানে ণ রক্ষিত হয়েছে। ব্যঞ্জনধ্বনির উচ্চারণের মধ্যে নানা রকম বৈচিত্র্য দেখা যায়। এই বৈচিত্র্যের জন্য ব্যঞ্জনধ্বনিগুলো বিভিন্ন শ্রেণীতে ভাগ করা হয়েছে। যেমন:
স্পর্শ বা স্পৃষ্ট ব্যঞ্জনধ্বনি: যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় জিভ মুখের বিভিন্ন অংশ এবং এক ঠোঁট আরেক ঠোঁটকে স্পর্শ করে, তাকে স্পর্শ বা স্পৃষ্টধ্বনি বলা হয়। যেমন: ক থেকে ম পর্যন্ত ২৫টি ব্যঞ্জনধ্বনি স্পর্শ বা স্পৃষ্ট ব্যঞ্জনবর্ণ বলে বিবেচিত। কণ্ঠ, তালু, মূর্ধা, দাঁত ও ঠোঁট—এই পাঁচটি উচ্চরণ স্থানের জন্য স্পর্শবর্ণগুলোকে পাঁচটি বর্গ বা শ্রেণীতে ভাগ করা হয়েছে। এদের প্রথম বর্ণের নাম অনুসারে বর্গের নাম নির্দেশ করা হয়। যেমন:
ক-বর্গ ক, খ, গ, ঘ, ঙ
চ-বর্গ চ, ছ, জ, ঝ, ঞ
ট-বর্গ ট, ঠ, ড, ঢ, ণ
ত-বর্গ ত, থ, দ, ধ, ন
প-বর্গ প, ফ, ব, ভ, ম
নাসিক্য ধ্বনি: একপ্রকার ধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাস মুখের সঙ্গে নাক দিয়েও বের হয় বলে এগুলোকে নাসিক্য ধ্বনি বলা হয়। বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের ঙ, ঞ, ণ, ন, ম—এই পাঁচটি নাসিক্য বর্ণ।
অল্পপ্রাণ ও মহাপ্রাণ ধ্বনি: উচ্চারণের সময় ফুসফুসের বাতাস কখনো কম, কখনো বেশি বের হয়। এই কম-বেশির জন্য ব্যঞ্জনধ্বনিকে যথাক্রমে অল্পপ্রাণ ধ্বনি ও মহাপ্রাণ ধ্বনি—এই দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
বাংলা অল্পপ্রাণ বর্ণ: প্রত্যেক বর্গের প্রথম ও তৃতীয় বর্ণ উচ্চারণের সময় বাতাস কম বের হয় বলে এগুলোকে অল্পপ্রাণ বর্ণ বলে। অর্থাৎ বর্গীয় অল্পপ্রাণ বর্ণগুলো হলো—ক, গ, চ, জ, ট, ড, ত, দ, প, ব, ঙ, ঞ, ণ, ন, ম, য, র, ল ও ড়।
বাংলা মহাপ্রাণ বর্ণ: প্রত্যেক বর্গে দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ উচ্চারণকালে বাতাস বেশি বের হয় বলে এগুলোকে মহাপ্রাণ বর্ণ বলে। বর্গীয় মহাপ্রাণ বর্ণগুলো হলো—খ, ঘ, ছ, ঝ, ঠ, ঢ, থ, ধ, ফ, ভ। এ ছাড়া শ, ষ, স, হ ও ঢ মহাপ্রাণ বর্ণ।
স্বরতন্ত্রী কম্পনের দিক থেকে ব্যঞ্জনধ্বনিগুলো দুই ভাগে ভাগ করা যায়। ১. ঘোষধ্বনি ২. অঘোষধ্বনি।
ঘোষধ্বনি: যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী কাঁপে, সেগুলোকে ঘোষধ্বনি বলে। প্রতি বর্গের তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম বর্ণ এই শ্রেণীতে পড়ে।
যেমন: গ, ঘ, ঙ, জ, ঝ, ঞ, ড, ঢ, ণ, দ, ধ, ন, ব, ভ, ম এবং য, ল, ব ও হ ঘোষবর্ণ।
অঘোষধ্বনি: যে ধ্বনি উচ্চারণকালে স্বরতন্ত্রী কাঁপে না, তাকে অঘোষধ্বনি বলে।
বাংলা অঘোষ ব্যঞ্জনবর্ণগুলো হচ্ছে— ক, খ, চ, ছ, ট, ঠ, ত, থ, প, ফ এবং শ, ষ, স।
উষ্মধ্বনি: উষ্ম বা শ্বাস যতক্ষণ থাকে, ততক্ষণ যেসব বর্ণ উচ্চারণ করা যায়, সেগুলোকে উষ্মধ্বনি বলে। বাংলা ভাষায় উষ্মবর্ণগুলো হচ্ছে—শ, ষ, স, হ।
অন্তঃস্থধ্বনি: বর্ণমালায় স্পর্শবর্ণ ও উষ্মবর্ণের মধ্যে স্থান পেয়েছে বলে য, র, এবং ল—এ বর্ণগুলোকে বলা হয় অন্তঃস্থ বর্ণ।
সংযুক্ত ব্যঞ্জনধ্বনি: যেখানে পাশাপাশি দুটি ব্যঞ্জনধ্বনি থাকে এবং তাদের মধ্যে কোনো স্বরধ্বনি থাকে না, সেগুলোর মিলিত রূপকে সংযুক্ত ব্যঞ্জনধ্বনি বলে। দুটি বর্ণ যোগ করার সময় অনেক ক্ষেত্রেই এদের আকার বদলে যায়। যেমন:
ঞ + চ = ঞ্চ ঞ + জ = ঞ্জ
ক + ষ = ক্ষ জ + ঞ = জ্ঞ
হ + ম = হ্ম ত + ম = ত্ম
মৌলিক ও যৌগিক স্বরধ্বনি: গঠন বিচারে স্বরধ্বনিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
১. মৌলিক স্বরধ্বনি ও ২. যৌগিক স্বরধ্বনি।
মৌলিক স্বরধ্বনি: একটি মাত্র মূল স্বরধ্বনিকে মৌলিক স্বরধ্বনি বলে। মৌলিক স্বরধ্বনি সাতটি।
যেমন: অ, আ, ই, উ, এ এ্যা, ও। এগুলোকে বিশ্লেষণ করে ভাগ করা যায় না।
লক্ষ করি— বাংলা ভাষায় ‘এ্যা’ ধ্বনিটি আছে, কিন্তু তার জন্য কোনো বর্ণ নেই।
যৌগিক স্বরধ্বনি: পাশাপাশি দুটি স্বরধ্বনি তাড়াতাড়ি এবং এক প্রয়াসে উচ্চারণের ফলে তা একটি যুক্ত ধ্বনিতে রূপ নিলে তাকে যৌগিক স্বরধ্বনি বলে।
যেমন: অ + ই = অই, অ + উ = অউ ইত্যাদি। এসব ধ্বনিকে দ্বিস্বর, সন্ধিস্বর বা যৌগিক স্বরও বলা হয়ে থাকে। বাংলা ভাষায় দুটি যৌগিক স্বরধ্বনিকে একক বর্ণে রূপদান করা হয়েছে। এগুলো হচ্ছে অ + ই = ঐ, অ + উ = ঔ। বাংলা বর্ণমালায় ঐ এবং ঔ এ দুটি যৌগিক বর্ণকে মৌলিক বর্ণের মতো স্থান দেওয়া হয়েছে।
কিন্তু বাংলা যৌগিক স্বরধ্বনি মাত্র দুটিই নয়, পঁচিশটি। যেমন:
অ + ও = অও - লও
অ + এ = অয় - নয়
আ + ই = আই - গাই
আ + এ = আয় - খায়
আ + উ = আউ - হাউ
ই + ই = ইই - দিই
ই + উ = ইউ - মিউ
ই + ও = ইও - নিও
উ + ই = উই - ছুঁই
উ + ও = উও - কুয়ো
এ + ই = এই - সেই
এ + উ = এউ - কেউ
ও + ই = ওই - মই
ও + ও = ওও - ধোও
এ্যা + এ = এ্যায় - দ্যায়
এ্যা + ও = এ্যা - ম্যাও।
©somewhere in net ltd.