| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে,
ان الله طيب يحب الطيبات .
অর্থাৎ- “মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র, তিনি পবিত্রতা বা হালালকেই পছন্দ করেন।”
যিলহজ্জ মাসের ১০, ১১, ১২ এই তিনদিন যাদের নিকট নিছাব পরিমাণ অর্থ সম্পদ বা স্বর্ণালঙ্কার থাকবে তাদের উপর কুরবানী ওয়াজিব হবে। তবে অবশ্যই উক্ত নেছাব হালাল টাকার হতে হবে।
হারাম পন্থায় উপার্জিত যেমন, সুদ-ঘুষ, দুর্নীতি, কালোবাজারি বা অন্য কোনো হারাম পন্থায় উপার্জিত সম্পদ যদি নেছাব পরিমাণও হয় তবুও তার উপর কুরবানী ওয়াজিব হবে না এবং সে টাকা দিয়ে কুরবানী করলেও তার কুরবানী হবে না।
তাই যদি কেউ ৫০,০০০ টাকা দিয়ে একটি পশু কুরবানী দেয়, আর তাতে যদি ১টি টাকাও হারাম থাকে তাহলে পুরো কুরবানীই বাতিল হয়ে যাবে। অনুরূপ ৭ জনে মিলে কুরবানী দিলো তার মধ্যে ১ জনের টাকা যদি হারাম হয় তাহলে ৭ জনের কুরবানীই বাতিল হয়ে যাবে।
তাই সকলের দায়িত্ব ও কতর্ব্য হবে, হালালভাবে উপার্জিত টাকা দিয়ে কুরবানী করা।
২|
০৫ ই নভেম্বর, ২০১১ বিকাল ৩:৩৭
ঢাকা থেকে বলেছেন: হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে,
ان الله طيب يحب الطيبات .
অর্থাৎ- “মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র, তিনি পবিত্রতা বা হালালকেই পছন্দ করেন।”
৩|
০৫ ই নভেম্বর, ২০১১ বিকাল ৩:৪৩
জিসান শা ইকরাম বলেছেন:
এমন কুরাবানী লোক দেখানো। প্রদর্শনীর মত।
সহমত ।
৪|
০৫ ই নভেম্বর, ২০১১ বিকাল ৩:৫০
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: হাদীস বাদে কোরবানী কোরআনের কোন জায়গায় আছে সেটি ভালো করে দেখুন। কোরআন যে কোরবানীর কথা বলেছে সেটি হলো কাদের জন্য। সূরা আল বাক্বারাহ ১৯৬ আয়াতে আল্লাহ বলেনঃ
وَأَتِمُّواْ الْحَجَّ وَالْعُمْرَةَ لِلّهِ فَإِنْ أُحْصِرْتُمْ فَمَا اسْتَيْسَرَ مِنَ الْهَدْيِ وَلاَ تَحْلِقُواْ رُؤُوسَكُمْ حَتَّى يَبْلُغَ الْهَدْيُ مَحِلَّهُ فَمَن كَانَ مِنكُم مَّرِيضاً أَوْ بِهِ أَذًى مِّن رَّأْسِهِ فَفِدْيَةٌ مِّن صِيَامٍ أَوْ صَدَقَةٍ أَوْ نُسُكٍ فَإِذَا أَمِنتُمْ فَمَن تَمَتَّعَ بِالْعُمْرَةِ إِلَى الْحَجِّ فَمَا اسْتَيْسَرَ مِنَ الْهَدْيِ فَمَن لَّمْ يَجِدْ فَصِيَامُ ثَلاثَةِ أَيَّامٍ فِي الْحَجِّ وَسَبْعَةٍ إِذَا رَجَعْتُمْ تِلْكَ عَشَرَةٌ كَامِلَةٌ ذَلِكَ لِمَن لَّمْ يَكُنْ أَهْلُهُ حَاضِرِي الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ وَاتَّقُواْ اللّهَ وَاعْلَمُواْ أَنَّ اللّهَ شَدِيدُ الْعِقَابِ
অর্থঃ আর তোমরা আল্লাহর উদ্দেশ্যে হজ্জ্ব ওমরাহ পরিপূর্ণ ভাবে পালন কর। যদি তোমরা বাধা প্রাপ্ত হও, তাহলে কোরবানীর জন্য যাকিছু সহজলভ্য, তাই তোমাদের উপর ধার্য। আর তোমরা ততক্ষণ পর্যন্ত মাথা মুন্ডন করবে না, যতক্ষণ না কোরবাণী যথাস্থানে পৌছে যাবে। যারা তোমাদের মধ্যে অসুস্থ হয়ে পড়বে কিংবা মাথায় যদি কোন কষ্ট থাকে, তাহলে তার পরিবর্তে রোজা করবে কিংবা খয়রাত দেবে অথবা কুরবানী করবে। আর তোমাদের মধ্যে যারা হজ্জ্ব ওমরাহ একত্রে একই সাথে পালন করতে চাও, তবে যাকিছু সহজলভ্য, তা দিয়ে কুরবানী করাই তার উপর কর্তব্য। বস্তুতঃ যারা কোরবানীর পশু পাবে না, তারা হজ্জ্বের দিনগুলোর মধ্যে রোজা রাখবে তিনটি আর সাতটি রোযা রাখবে ফিরে যাবার পর। এভাবে দশটি রোযা পূর্ণ হয়ে যাবে। এ নির্দেশটি তাদের জন্য, যাদের পরিবার পরিজন মসজিদুল হারামের আশে-পাশে বসবাস করে না। আর আল্লাহকে ভয় করতে থাক। সন্দেহাতীতভাবে জেনো যে, আল্লাহর আযাব বড়ই কঠিন।
এই হলো কোরবানীর বিধান কিন্তু হাদীসের যে কোরবানী সেটা কিভাবে এলো বুঝলাম না।
০৬ ই নভেম্বর, ২০১১ ভোর ৪:৩৮
দুর্ধর্ষ বলেছেন: আপনি কি বলতে চাইছেন, বুঝলাম না। সুরা আল-কাওছার পড়ুন আরেকবার অর্থসহকারে
৫|
০৫ ই নভেম্বর, ২০১১ বিকাল ৩:৫৬
আবিরে রাঙ্গানো বলেছেন: অনুরূপ ৭ জনে মিলে কুরবানী দিলো তার মধ্যে ১ জনের টাকা যদি হারাম হয় তাহলে ৭ জনের কুরবানীই বাতিল হয়ে যাবে।এইটা আপনাকে কে বলেছে?? কথাটি আন্দাজে হয়ে গেল না?? বাকী ৬ জনের কোরবানী কেন হারাম হবে?? ওরা কি জানে যে ঐ একজনের টাকা হারাম??
০৫ ই নভেম্বর, ২০১১ বিকাল ৪:০০
দুর্ধর্ষ বলেছেন: এজন্য কুরবানী ভাগে দেওয়ার আগে জিজ্ঞাসা করে নিতে হবে যে, প্রত্যেক কুরবানীদাতার টাকা হালাল কিনা। যদি কেউ মিথ্যা বলে হারাম টাকা দেয়, তবে তার বাদে সকলের কুরবানী আদায় হবে। কিন্তু, যদি জিজ্ঞাসা করা না হয়, তবে কেউ হারাম টাকা দিলে কারও কুরবানী আদায় হবে না
৬|
০৫ ই নভেম্বর, ২০১১ বিকাল ৪:০২
বিদ্রোহী কান্ডারী বলেছেন: @আবিরে রাঙ্গানোঃ অনুরূপ ৭ জনে মিলে কুরবানী দিলো তার মধ্যে ১ জনের টাকা যদি হারাম হয় তাহলে ৭ জনের কুরবানীই বাতিল হয়ে যাবে।
একথাটি সত্য। আমাদের হুজুরও একই কথা বলেছে। এটা বলা হয়েছে যাতে সৎ ব্যাক্তিরা অসৎ ব্যাক্তিদের সাথে কুরবানী না দেয় এবং অসৎ ব্যাক্তিরা হালাল উপার্জন না থাকায় লজ্জায় অনুশোচনা করে।
৭|
০৫ ই নভেম্বর, ২০১১ বিকাল ৪:১২
আবিরে রাঙ্গানো বলেছেন: @ লেখক এবং বিদ্রোহী কান্ডারী
বুঝতে পেরেছি, সেটি তো ঠিক আছে। এখন ঐ একটি লোককে জিজ্ঞাসা করার পরে যদি বলে তার টাকা হালাল, কিন্তু আসলে হালাল না। তাহলে কি হবে? এই মাসআলা জানার পরে কেউ নিশ্চয় জেনেশুনে ঐরকম ঘুষখোর লোকদের সাথে কোরবানী দিবে না। কিন্তু অনেকে তো থেকে যায় মানুষের অজান্তেই হারাম উপার্জন করে।
আরেকটি কথা বাংলাদেশে হারাম উপায়ে টাকা উপার্জন করে এমন অনেকে আছে, আমার মনে হয় ঢাকা শহরে ৬০-৭০% লোক এটি করে। ধরুন আমি একলাখ টাকা ঘুষ খাইলাম, কিন্তু কোরবানী দিলাম আমার হালাল উপায়ে অর্জিত বেতনের টাকা দিয়ে, সেক্ষেত্রে কি হবে? জানার জন্য.......
০৫ ই নভেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:৪৫
দুর্ধর্ষ বলেছেন: যদি নিশ্চিত জানা থাকে যে, কারো উপার্জন হারাম টাকায়, তবে তার সাথে কুরবানী দেওয়া যাবে না। যদি মিথ্যা বলে হারাম টাকা হালাল বলে দেয়, তবে বাকী সবার কুরবানী হয়ে যাবে। শুধু হারামখোরের কুরবানীটা হবে না।
আপনি বলেছেন, "ধরুন আমি একলাখ টাকা ঘুষ খাইলাম, কিন্তু কোরবানী দিলাম আমার হালাল উপায়ে অর্জিত বেতনের টাকা দিয়ে, সেক্ষেত্রে কি হবে?"। এর সঠিক জবাব দেওয়ার উপযুক্ত আমি নই। তবে, (আমার ধারণা মতে) ঘুষের টাকা বা হারাম টাকা বাদে অন্য হালাল টাকায় কুরবানী দিলে সেক্ষেত্রে তো কুরবানী কবুল হওয়ার কথা। আরও নিশ্চিত হওয়ার জন্য কোন মুত্তাকী আলিমের নিকট জিজ্ঞাসা করতে পারেন
৮|
০৫ ই নভেম্বর, ২০১১ বিকাল ৫:০৯
বোরহান উদদীন বলেছেন:
ঘুষের টাকায় কোরবানি দিলে এমন ও হতে পারে।
৯|
০৬ ই নভেম্বর, ২০১১ রাত ২:০৪
বিদ্রোহী কান্ডারী বলেছেন: ধরুন আমি একলাখ টাকা ঘুষ খাইলাম, কিন্তু কোরবানী দিলাম আমার হালাল উপায়ে অর্জিত বেতনের টাকা দিয়ে, সেক্ষেত্রে কি হবে?
এক্ষেত্রে কুরবানী হবে।
©somewhere in net ltd.
১|
০৫ ই নভেম্বর, ২০১১ বিকাল ৩:৩৭
ঢাকা থেকে বলেছেন: হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে,
ان الله طيب يحب الطيبات .
অর্থাৎ- “মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র, তিনি পবিত্রতা বা হালালকেই পছন্দ করেন।”