নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

লেখা অনুমতি ছাড়া প্রকাশ করা যাবে না।

একজন ইউনুস খান বেঁচে থাকতে চান গণ মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণের আন্তরিক প্রচেষ্টা এবং উদ্যেগ গ্রহণের মাঝে।

ইউনুস খান

অন্যায়ের প্রতিবাদ করে লাশ হতেও আপত্ত নাই। শুধু মিনতি লাশটা যেন শেয়াল-কুকুরে না খেয়ে ফেলে, আমার মা-বাবার কাছে যেন পৌছে দেয়া হয়।

ইউনুস খান › বিস্তারিত পোস্টঃ

জ্বিনদের জানাযায়!! একটি সত্যি ঘটনা অবলম্বনে ছোট গল্প।

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:২৭

হাসান বেগ একজন সরকারী কর্মকর্তা। ফ্যামিলি প্ল্যানিংয়ের একজন পরিদর্শক। মাসিক মিটিংয়ে অংশগ্রহণ করতে থানা স্বাস্থ্য অফিসে এসেছেন। মিটিং শুরু হতে হতে দুপুর পার হয়ে গেলো। হাসান সাহেব কর্মকর্তাদের আচরণে খুব বিরক্ত। সময় জ্ঞান নেই মনে মনে বিরবির করে বললো। আসলে হাসান সাহেবরই বা কি দোষ। থানা সদর থেকে প্রায় ২১ কি.মি. দূরে হাসান সাহেবের বাড়ি। যদিওবা বাসে সবটা রাস্তা যাওয়া যেতো তাহলও সমস্যা ছিলোনা। কিন্তু ৭ কি.মি. বাসে আর বাকিটা পথ সাইকেলে যেতে হবে। তাই সন্ধা হবার আগে যত তারাতারি সম্ভব রওনা হওয়া যায় ততই ভালো।



কিন্তু কি দুর্ভাগ্য মিটিং শেষ হলো মাগরিবেরও প্রায় ১ ঘন্টা পর। হাসান সাহেব পড়িমরি করে বের হতে যাবে এমন সময় থানার স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাক দিলেন। প্রচন্ড বিরক্তবোধ করলেও হাসান সাহেব যতটুকু সম্ভব মুখে হাসি রেখে ঘুরে দাঁড়ালেন। থানা কর্মকর্তা ইশারায় তার রুমে যাওয়ার জন্য বললো। হাসান সাহেব পিছু পিছু রুমে যেতেই কর্মকর্তা তাকে বসতে বললেন। প্রায় দেড় ঘন্টা বিভিন্নরকম কথা-বার্তা বলে হাসান সাহেবকে বিদায় দিলেন।



বাসস্ট্যান্ডে এসে দেখে কোন বাসই নেই। ঘড়িতে তখন ৯ টা ছুঁই ছুঁই। মফস্বল শহরগুলোতে এটা একটা সমস্যা। ৮ টার পরে কোন বাসই ছাড়তে চায়না। মোটামুটি ৮/১০ জন লোক এক জায়গায় জড়ো হয়েছে যাওয়ার উদ্দেশ্যে। কিন্তু কোন যানবহন না পেলেতো সমস্যা। এমন সময় একটি ট্যাম্পু এগিয়ে আসলো। এই লোকগুলিকে একটি নির্দিষ্ট গন্তব্য পর্যন্ত ডাবল ভাড়ায় পৌছে দিতে রাজী হলো।



টেম্পুতে বসে হাসান সাহেব খুবই দুশ্চিন্তা করতে লাগলো। এই পথটা না হয় টেম্পুতে সবার সাথে চলে যাওয়া যাবে। বাকি পথটুকু কেমনে একা একা যাবে। গ্রামের দিকেতো ৮ টা বাজতেই ভূতুরে নিরবতা সৃষ্টি হয়ে যায়। হাসান সাহেব মনে মনে কিছুটা ভয় পেতে লাগলো।



হাসান সাহেব টেম্পু থেকে নির্দিষ্ট গন্তব্যে নেমে কোনার চা-পানের দোকানটার দিকে পা বাড়ালো। হাসান সাহেব থানা সদরে আসলে উনার সাইকেলটা কোনার ঐ চা-পানের দোকানে রেখে যায়। দোকানদার হেকমত আলী খুবই সজ্জন ব্যাক্তি। যে কেউ উনার দোকানের কাছে সাইকেল, রিক্সা রেখে যায়। উনি দোকানের পাশাপাশি এগুলোও নজড় রাখে। বিনিময়ে কারো কাছ থেকে কিছু নেয়না। সবাই উনার দোকানে চা-পান খেয়ে যায়। এই যা.....। হাসান সাহেবকে দেখে হেকমত আলী দেরী হওয়ার কারন জিজ্ঞাসা করলো। হাসান সাহেব কারন বলতেই পাশে দোকানের সামনের বেন্চিতে বসা একটি লোক বলে উঠলো সরকারী উধ্বস্তন কর্মকর্তাদের সময় জ্ঞান বলে কিছু নেই। হাসান সাহেবও সায় জানালো।



চার কাপে চিনি, দুধ দিতে দিতে হেকমত আলী বার কয়েকবার হাসান সাহেবকে আজ রাতে থেকে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করলো। হাসান সাহেব বেশী রাত হওয়াতে ভয় পেলেও বললো নারে ভাই থাকা যাবে না। বাড়িতে স্ত্রী-সন্তানরা দুশ্চিন্তা করবে। হেকমত আলীও মেনে নিলো। তখনতো আর মোবাইলের কোন ব্যাপার-স্যাপার ছিলোনা।



হাসান সাহেব একটি পান মুখে দিয়ে সাইকেল নিয়ে রওনা হলো গ্রামের উদ্দেশ্যে। আকাশে চাঁদ দেখে হাসান সাহেব খুবই খুশী হলো। যাক চাদেঁর আলোয় ভালোভাবে যাওয়া যাবে। গ্রামের নির্জন রাস্তা। গাছের ফাঁক দিয়ে চাঁদের আলোয় অদ্ভুধ এক আলো-আধাঁরের মায়াজাল বিছিয়ে রেখেছে রাস্তায়। পথ যেতে যেতে হাসান সাহেব একটা অদ্ভুধ একটা জিনিস আবিষ্কার করলো। রাতের বেলা গাছের নিচে একটু ভাপঁসা গরম ভাব থাকে। ডানের মোড়ের জঙ্গলটায় হঠাৎ রুপালী একটা আভা চোখে পড়লো। হাসান সাহেব কি কিছুটা চমকিত! সাইকেলের বেল দিতে দিতে হাসান সাহেব ডানের মোড়টা ঘুরলো। হাসান সাহেব মনে মনে একটু হাসলো। ডানের মোড়ে আসলে একটা বড় পুকুর আছে যেটায় চাদেঁর আলো পড়ে রুপালী একটা আভা তৈরী করেছে। পুকুরের মাঝখানে একটা সাদা হাঁস একলা ভাসছে।



সামনেই কর্ফুলা গোরস্থান। হাসান সাহেব আবার গোরস্থানকে ভয় পায়না। যদিও এ গোরস্থান নিয়ে অনেক কথা প্রচলিত আছে।



হাসান সাহেব আবার সাইকেলে বেল বাজাচ্ছে। রাস্তায় কেউ নেই তবুও হাসান সাহেব সাইকেলে ইচ্ছে করে বেল বাজাচ্ছে। গোরস্থানের মাঝখানের তেতুঁলগাছটা দেখা যাচ্ছে। কিছু মানুষের ফিসঁফাঁস কথা শোনা যাচ্ছে। হাসান সাহেব লক্ষ্য করলো গোরস্থানটার শেষ দিকে কিছু মানুষ লাইন ধরে দাঁড়িয়ে আছে। সামনে একটা লাশ। হাসান সাহেব ভাবলো কেউ হয়তো মারা গেছে সেটার জানাযা হচ্ছে। হাসান সাহেব সাইকেলটাকে রাস্তায় একটা গাছে হেলান দিয়ে জানাযায় শরীক হলো। আসসালামু ওয়ালাইকুম বলে বাম দিকে তাকাতেই দেখলো আশে পাশে কেউ নাই। শুধু সামনে লাশটা পড়ে আছে। হাসান সাহেব ঢলে পড়লো।

মন্তব্য ৫২ টি রেটিং +২৩/-৩

মন্তব্য (৫২) মন্তব্য লিখুন

১| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:৩৬

জাহাজী পোলা বলেছেন: ভুতের গল্প ভালা পাই, ভালো লাগছে! :|

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১:২৪

ইউনুস খান বলেছেন: ধন্যবাদ জাহাজী পোলা। ভালো থাকুন শুভকামনা রইলো।

২| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:৩৭

বাদ দেন বলেছেন: ভাল লাগ্ল না

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১:২৫

ইউনুস খান বলেছেন: লেখক হিসাবে সে ব্যার্থতা আমার। স্যরি। ভালো থাকুন শুভ কামনা রইলো।

৩| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:৩৯

ত্রিভুজ বলেছেন: মৃত মানুষ ভয়ংকর কিভাবে হয়? জীবিত মানুষ মৃত মানুষ থেকে বেশি ভয়ংকর... অন্ধকারে আমি ভূতের ভয় পাই না কিন্তু ছিনতাইকারী বা মলম পার্টির ভয় আছে। :)

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১:২৬

ইউনুস খান বলেছেন: ছিনতাইকারী বা মলম পার্টিরে কে না ভয় পাই :P

ধন্যবাদ পড়ার জন্য।

৪| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:৪৪

নাজমুল আহমেদ বলেছেন: ভাল্লাগলো :)

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:৪৫

ইউনুস খান বলেছেন: ভালো লাগার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ। ভালো থাকুন সবসময়।

৫| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:৪৬

ৃৃৃশান্ত বলেছেন: ভাল্লাগলো ।

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:৪৬

ইউনুস খান বলেছেন: ভালো লাগার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ। ভালো থাকুন সবসময়।

৬| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১:২১

এস.কে.ফয়সাল আলম বলেছেন: এইটা তো পড়লাম.. এখন কি আমার ভয় পাইতে হইব ?
পুরো ঘরে কিন্তু আমি একা-ই আছি আজ রাতে !

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১:১১

ইউনুস খান বলেছেন: নারে ভাই ভয় পাওয়ার দরকার নাই। পড়ছেন যে এইটায় বেশী। আবার মন্তব্যও করছেন।

শুভকামনা রইলো।

৭| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১:৩৮

হাম্বা বলেছেন: ত্রিভুজ বলেছেন: মৃত মানুষ ভয়ংকর কিভাবে হয়? জীবিত মানুষ মৃত মানুষ থেকে বেশি ভয়ংকর... অন্ধকারে আমি ভূতের ভয় পাই না কিন্তু ছিনতাইকারী বা মলম পার্টির ভয় আছে। :)

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১:২৬

ইউনুস খান বলেছেন: ছিনতাইকারী বা মলম পার্টির ভয় আমারও আছে।

হাম্বা ভাই পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

৮| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১:৫১

নীল ভোমরা বলেছেন:
গল্পটা ভালই হইছে! তয় এই গপ্প সত্যি হয় ক্যামনে?!

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১:৩০

ইউনুস খান বলেছেন: ধন্যবাদ পড়ার জন্য। আমি হাসান বেগের মুখ থেকেই এই ঘটনাটা লিখছি। উনি এটা সত্য বলেই দাবি করছে।

৯| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১০ ভোর ৪:০৩

ফারহান আহমেদ বলেছেন: ত্রিভুজ বলেছেন: মৃত মানুষ ভয়ংকর কিভাবে হয়? জীবিত মানুষ মৃত মানুষ থেকে বেশি ভয়ংকর... অন্ধকারে আমি ভূতের ভয় পাই না কিন্তু ছিনতাইকারী বা মলম পার্টির ভয় আছে। :

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১:৩৭

ইউনুস খান বলেছেন: ছিনতাইকারী বা মলম পার্টির ভয় আমারও আছে।
ফারহান ভাই পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

১০| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ১০:২০

মেহেদী_বিএনসিসি বলেছেন: শেষ দিকে এসে ধুম করে সমাপ্তি....... :( :( কেমন যেন মিললোনা।

০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:৫১

ইউনুস খান বলেছেন: কিছুটা তাড়াহুরা ছিলো। অফিসে বসে বসে লিখছিলাম :)

১১| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:৫৭

ছিন্ন পত্র বলেছেন: ভালো লাগলো

০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:৫৪

ইউনুস খান বলেছেন: ধন্যবাদ পড়ার জন্য। ভালো থাকুন।

১২| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ১২:২৩

স্পেলবাইন্ডার বলেছেন: ভুই পাইছি। B:-)

তবে গ্রামের মানুষ কিন্তু এত ভয় পায় না। আমাদের গ্রামের অঞ্চলের মানুষ রাতবিরাতে হাট-বাজার থেকে একা অন্ধকারে বাড়ি ফেরে। অথচ এই আমি গভীর রাতে ঘর থেকে একা বের হলেই ভয়ে চুপসে যাই :(

২১ শে ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৫:২৩

ইউনুস খান বলেছেন: আমাদের বাড়ির পিছনে একটা চর আছে। ঐখানকার পিচ্চি পোলাপাইনরা রাতের বেলা বাজার থেকে বাড়িতে যেতো। আমি অবাক হইতাম।

ধন্যবাদ স্পেল ভাই।

১৩| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ১২:৪৫

রাফাত সাদাত বলেছেন: একই ধরনের একটি অভিজ্ঞতা আমার গ্রেট গ্র্যান্ডফাদারের ক্ষেত্রে ঘটেছিল। একই রকম কিন্তু মসজিদের ভেতরে। সেইম জ্বীন কেস! সালাম ফিরিয়ে উনি দেখলেন কেউ নাই আশেপাশে!

২২ শে ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:৪১

ইউনুস খান বলেছেন: হুমম অদ্ভুধ ব্যাপার। পড়ার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ। ভালো থাকুন। শুভকামনা রইলো।

১৪| ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১:১৯

মজারু বলেছেন: গল্প ভালো হইছে! তবে হাসান সাহেবের নাম এভাবে বার বার এতবার বলার কি দরকার ছিল, হাসান সাহেবের নাম কিছু কমাইয়া দিলে সুখপাঠ্য হইতো!

পন্ডিতির জন্য কিছু মনে নিয়েন না!

২২ শে ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:৪৩

ইউনুস খান বলেছেন: হ্যাঁ পারফেক্ট সমালোচনা হইছে। আমি আপনার মন্তব্য পড়েই আবার রিভিশান দিলাম এই মাত্র। হাসান সাহেবের নামটা বারবার আসায় কিছুটা দৃষ্টিকটুই লাগছে। স্যরি।

পড়ার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ। সেই সমালোচনার জন্য ডাবল প্লাস। ভালো থাকুন। শুভকামনা রইলো।

১৫| ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১:৩০

বাউন্ডুলে রুবেল বলেছেন: জাহাজী পোলা বলেছেন: ভুতের গল্প ভালা পাই, ভালো লাগছে! :|

২২ শে ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:৪৭

ইউনুস খান বলেছেন: আরে রুবেল ভাই!!

ভূতের গল্প ভালো পান জেনে আশায় বুক বাঁধলাম। পাঠক বাড়লো ;)

ভালো থাকুন। শুভকামনা রইলো।

১৬| ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:২৫

রেজোওয়ানা বলেছেন: জম্পেস হয়েছে, তবে ফিনিশিংটা একটু তারাতারি হয়ে গেলো না?

তারপরও সবকিছু মিলে জটিল!!

২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:৩২

ইউনুস খান বলেছেন: অফিসে বইসা বইসা লিখছিলাম। রিভিশানও দেই নাই। শেষ করার তাড়া ছিলো। স্যরি আপু।

ভালো থাকুন। শুভকামনা রইলো।

১৭| ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৮:০৪

জুন বলেছেন: গল্পটা ভালোই লাগলো
তবে মজারু র সাথে আমি একমত। বার বার হাসান সাহেব কানে লাগছে ...

২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:৩৪

ইউনুস খান বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ। সেই সমালোচনার জন্য ডাবল প্লাস। ভালো থাকুন। শুভকামনা রইলো।

১৮| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:২৯

রোদঁশী বলেছেন: ভালো লাগলো...আপনার ভৌতিক গল্পের আমি অন্ধভক্ত।আরো লেখা চাই

২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:৩৬

ইউনুস খান বলেছেন: ধন্যবাদ ভালো লাগার জন্য এবং পড়ার জন্য।

ভালো থাকুন। শুভকামনা।

১৯| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ১১:০৭

তাশফিকাল বলেছেন: হ, আমিও বলি গল্প ভাল হইছে। কিন্তু আসল কথা হল ইউনুস খানের গল্পের যে স্ট্যান্ডার্ড, সে হিসাবে কি গল্পটা একটু লো কোয়ালিটির হয়নি? ভাইসাহেব আপনি আমাদের জন্য আরো গল্প লিখবেন এবং...
প্লিজ একটু যত্ন করে লিখিয়েন!

০৩ রা জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:৫২

ইউনুস খান বলেছেন: সমালোচনা মাথা পেতে নিচ্ছে। সামনে নিশ্চয় স্ট্যান্ডার্ডের দিকে আরো গুরুত্ব দিবো। আশা করি ভালো আছেন। ভালো থাকুন শুভকামনা রইলো।

২০| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ১১:২১

অ আ বলেছেন: জটিল হইছে

০৩ রা জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:৫৮

ইউনুস খান বলেছেন: ধন্যবাদ। ভালো থাকুন শুভকামনা রইলো।

২১| ০৭ ই জানুয়ারি, ২০১১ বিকাল ৪:৩৭

হুমায়রা হারুন বলেছেন: অনেকদিন পর একটা ভুতের গল্প পেলাম।
+++++++++

০৭ ই জানুয়ারি, ২০১১ বিকাল ৫:০৮

ইউনুস খান বলেছেন: ধন্যবাদ পড়ার জন্য। ভালো থাকুন। শুভকামনা রইলো।

২২| ০৭ ই জানুয়ারি, ২০১১ বিকাল ৫:২২

বাবুই চড়ুই বলেছেন: ভূত আমার বুইঝা চলে :P
এক্টা জ্বীন তাবে' করার বড় হাউশ আছিলো......

০৭ ই জানুয়ারি, ২০১১ বিকাল ৫:৩৬

ইউনুস খান বলেছেন: :P:P:P

২৩| ০৭ ই জানুয়ারি, ২০১১ বিকাল ৫:৪৫

সৈয়দা আমিনা ফারহিন বলেছেন: মজা লাগল বেশ.... !!

০৮ ই জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:৫৫

ইউনুস খান বলেছেন: স্বাগতম আমার ব্লগে।

ধন্যবাদ ভালো থাকুন।

২৪| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:৩৯

নীল বেদনা বলেছেন:
ভালু লাগলো। গল্পটা টানটান হইছে। :):):)

২০ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:০০

ইউনুস খান বলেছেন: ধন্যবাদ। ভালো থাকুন।

২৫| ১৭ ই মার্চ, ২০১১ রাত ৮:১২

আমিনুল ইসলাম বলেছেন: কাহিনী বুঝি নাই। কার লাশ? অন্ধকারে লাশ দেখতে পেয়ে ঢলে পড়ার কী আছে? :-/

২০ শে মার্চ, ২০১১ বিকাল ৪:৪৭

ইউনুস খান বলেছেন: হে হে হে গায়েবী লাশ!! আর গায়েবী মানুষ। তাই ভয়ে হাসান সাহেব ঢলে পড়ছিলো।

ধন্যবাদ আমিনুল অনেক দিন পর আমার ভৌতিক পোস্ট পড়ার জন্য।

২৬| ১৯ শে মার্চ, ২০১১ রাত ১:০৪

তমাল গূরু বলেছেন: ইউনুচ ভাই আফনের এই ভুত গুলানতো পল্লীবিদ্যুত আর মোবাইলের ঠেলায় দেশ ছাইড়া পালায়া গেছে...বড়ই আপচোষের বিশয়...

২০ শে মার্চ, ২০১১ বিকাল ৪:৫০

ইউনুস খান বলেছেন: হেই জন্যইতো নতুন করে আর ভূতের দেখা পায়না আর ভূতের লিখাও লিখি না :P

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.