নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি গর্বিত। কারণ আমি বাংলাদেশী

মোঃ জোবায়ের

উড়তে চাই পাখির মত......

মোঃ জোবায়ের › বিস্তারিত পোস্টঃ

কোটা পদ্ধতি এবং আমরা যারা সাধারণ...

১০ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১২:২০

কাল দেখলাম সোনালী ব্যাংকে প্রায় ৪০০জনের মত সিনিয়র অফিসার পদে লোকবল নিয়েোগ করবে। কিন্তু এতে অংশগ্রহন করতে পারবে শুধুমাত্র মুক্তিযোদ্ধা কোটায় যারা আছেন তারা। শুধু এটা কেন ৩২তম স্পেশাল বিসিএসএসও ছিল নারী এবং মুক্তিযোদ্ধা কোটার জন্য। আর বিভিন্ন নিয়োগেও থাকে এসব কোটা। তাহলে আমরা যারা কোন কোটায় নাই মানে সাধারণ আমরা কি করব। তাহলে একটা কথা বলে দিলেই তো হয় বাংলাদেশে শুধুমাত্র তারাই থাকতে পারবে যাদের মুক্তিযোদ্ধা কোটা আছে। আর এসব কোটা পদ্ধতি দেখে মনে হচ্ছে যেন যারা মুক্তিযুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছেন তারা শর্ত দিয়েছিলেন তাদেরকে মুক্তিযোদ্ধা কোটা দিতে হবে। কি অদ্ভুত। আসলেই সাধারণ বা নিরপেক্ষ থাকাটাই হচ্ছে সবচেয়ে বড় অভিশাপ এবং এটাই আমাদের অপরাধ।

মন্তব্য ১০ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (১০) মন্তব্য লিখুন

১| ১০ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১২:২৭

মনে নাই বলেছেন: কোটার বিরুদ্ধে কথা বলবেন না, কিছু বললে উনারা মাইন্ড করেন।

তবে সর্বসাকূল্যে ৫-১০% এর মত কোঠা থাকতে পারে, কিন্তু ১০০% কোঠা হলে কেম্নে চলবে!!!

২| ১০ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১২:৪০

ফয়সাল রকি বলেছেন: সহমত।

৩| ১০ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১২:৪০

গন্ধহীন দুর্গন্ধ বলেছেন: ভাই বইসা থাকলে চলবে না কথা কইতে হইব। আমরা মুক্তিযোদ্ধার পরাপাইন না বইলা যে আমাগো বাঁশ দিবো...... এটা কি বন্ধ হইতে পারে না?

আসুন আমরা শুরু করি, দেশে কোঠা তুলে দিয়া চাকরিতে গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার জন্য কাজ করি।।

আমার বিশ্বাস অন্তত ৯০% মানুষ সাড়া দিবে...।

১০ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১:২৯

মোঃ জোবায়ের বলেছেন: সহমত

৪| ১০ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১২:৪৪

বুদ্ধির ঢেঁকি বলেছেন: দেশ স্বাধীন করেছে যারা,ভোগের অধিকার তো তাদেরই পাগলা। :)

এই বাল সরকার কিন্তু ঘরে ঘরে চাকরি দিতে চেয়েছিল............তাদের কথাও কিন্তু রেখেছে............ঘরে ঘরে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও তাদের ১৪ পুরুষ.........কথাটা উহ্য ছিল।

কোটার গুষ্টি কিলাই

সোনালী ব্যাঙ্কে সিনিয়র অফিসার/আফিসার পদে ৩২ বছরের মুক্তিযোদ্ধা আবেদন করতে পারবে...............

৫| ১০ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১২:৪৬

*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: এইসব কোঠা পদ্ধতি আসলে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান এবং সাধারণ মানুষের কাছে মুক্তিযোদ্ধাদের গ্রহনযোগ্যতা নষ্ট করছে। মুক্তিযোদ্ধাদের একটি সুবিধাবাদী শ্রেণীতে ফেলে ভবিষ্যত প্রজন্মের কাছে এইসব বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ব্যাপারে একটি নেগেটিভ ধারণা তৈরী করছে। ব্যাপারটা খুবই দুঃখ জনক এবং লজ্জাজনক। আজকে অনেক ছেলেপিলে আছে যারা তাদের বাবার মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় দিতে সংকোচ বোধ করে খালি এইসব কোঠা ভিত্তিক সুবিধার কারণে। আজকে একজন মুক্তিযোদ্ধার ছেলে মেয়ে যদি নিজ যোগ্যতায়ও একটা ভালো চাকুরী পায় বা একটা ভালো কিছু করে তবুও সাধারণ মানুষের ভাবনার ধরনটা থাকে যে বাপ মুক্তিযোদ্ধা তাই কোঠা আছে চাকুরী পাইছে, কোঠা আছে ভারসিটিতে এডমিশন নিছে এমন। যেখানে মুক্তিযোদ্ধাদের সত্যিকার যোগ্য সন্তানদের পারসোনালিটি ও ব্যাক্তি যোগ্যতা সাধারণের ধরতব্যের মধ্যে আসেনা।

১০ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১:৩০

মোঃ জোবায়ের বলেছেন: সত্যিকার অর্থেই কোটা পদ্ধতির মাধ্যমে আমরা কিন্তু তাদেরকে ছোটই করছি। এবং বার বার বুঝিয়ে দিচ্ছি যে তারা আলাদা তাদেরকে করুন করা হচ্ছে। আসলেই এটা রুখতে হবে।

৬| ১০ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১২:৫৭

আদার ব্যাপারি বলেছেন: Mukti joddha der sontan der jodi subidha ditei hoy tobe tader lekhaporar jabotio khoroc sorkar free kore dik, mashe mashe upojukto vata dik, proyojone sontan, nati-puti sobai k vata dik, kintu desher important jaygay evabe upojukto der bonchito kora thik hosse na.

৭| ১০ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১:২১

গন্ধহীন দুর্গন্ধ বলেছেন: ভাই হেই দিন বেশিদিন দূরে না। কিছু দিন পর নিয়ম হইব আমরা তাদের পরার খরচ দিবো কিন্তু চাকরি করবে তারা... কি মজা তাইনা@ আদার ব্যাপারী

৮| ১০ ই আগস্ট, ২০১২ ভোর ৫:২১

সক্রিয় বলেছেন: মুক্তিযোদ্ধা kota ka koilo aigula bakshal kota.ja hambba leg korbo hai paibo

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.