নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

জীবন কেবলই ফুরিয়ে যায়।

মোঃ মাইদুল সরকার

একদিন জীবন শেষ হয়ে যাবে তবুও অনেক কিছু করার সাধ জাগে..............

মোঃ মাইদুল সরকার › বিস্তারিত পোস্টঃ

ঝড়ে পড়া কৃষ্ণচূড়া ও একটি পোষ্টের পিছনের গল্প।

২৪ শে মে, ২০২৩ রাত ৮:১১



আজকে থেমে থেমে প্রচন্ড বৃষ্টি হচ্ছে চট্টগ্রামে। বৃহস্পতিবার বা শুক্রবারে বাড়িতে যাব। মা বলেছেন কয়েক রকমের মাছ কিনে নিয়ে যেতে। অফিস শেষ করে বের হলাম । মাথায় মাছের চিন্তা ঘুরপাক খাচ্ছে। টিপটপ বৃষ্টি পড়ছেই। ছাতা হাতে টি এন্ড টি কলোনি মাছ বাজারে গেলাম। বড় সাইজের একটি রুই ও চিংড়ি মাছ কিনলাম।


মা আরো বলেছেন বাবার জন্য কম কাটাওয়ালা মাছ নিতে। কারণ কাঁটাওয়ালা মাছ এখন আর তিনি খেতে পারেন না, পছন্দ ও করেন না। বাসার পথ ধরলাম। হাজীপাড়া পৌঁছতেই দেখি কৃষ্ণচূড়া গাছ থেকে ঝরে পড়ে আছে কৃষ্ণচূড়া ফুল। অনেক মানুষ হেটে যাচ্ছে আমি ফুলটা কুড়িয়ে ব্যাগে ভরে নিলাম।


বাসায় বাবু ও তার মা নেই। বাবুর নানা অসুস্থ হয় তাকে দেখতে গিয়েছে সাথে আম জাম আর কাঁঠাল খাওয়ার আমন্ত্রণ পেয়েছে। মাছ প্রসেসিং করে ফ্রিজে রেখে বিস্কুট খেয়ে আসর নামাজ পড়ে আবার চৌমুহনী মাছ বাজারে গেলাম। এখানে পেলাম বড় বাইম মাছ আর সাগরের টাইল্লা মাছ। মাছ নিয়ে ফিরতেই মাগরিবের আজান হয়ে গেল। মাছ ধরা শেষ করি ফ্রিজে রেখে মাগরিবের নামাজ পড়ে কি নাস্তা খাওয়া যায় ভাবছি। এর মধ্যে ডিম সিদ্ধ হয়ে গেল। চা বানানোর চিন্তাটা বাদ দিলাম। দুধ গরম করে তাতে এক চামচ চিনি দিয়ে নামিয়ে নিয়ে এবার মুড়ি নিয়ে বসলাম। একমুঠো মুড়ি দুধের ছিটিয়ে দিয়ে চামচ দিয়ে তুলে খাচ্ছি। কৃষ্ণচূড়ার ছবিটা নিয়ে এর মধ্যে ফেসবুকে পোস্ট করে ফেললাম।

ফাগুনের বনে বনে ফুটিয়েছিলে আগুনের মতন
বৈশাখী ঝড়ে ঝরে গেলে কৃষ্ণচূড়া তুমি কে করবে যতন।

আবার এক মুড়ি দুধের মধ্য দিয়ে চামচ দিয়ে খেয়ে নিলাম এভাবে দুধ শেষ হওয়ার আগে মুড়ি খেতে থাকলো। কিভাবে খাওয়াটা আমার কাছে বেশ ভালই লাগে। খেতে খেতে ভাবলাম ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছি এ বিষয়টা নিয়ে ব্লগ একটা পোস্ট দেই। পোস্ট দিতে দিতেই ভাবলাম পিছনের গল্পটাও তুলে ধরি। এখন এশারের আজান হচ্ছে চারিদিকে। নামাজ শেষে ব্লগে সময় দিব ।সবাই ব্লগের সাথেই থাকুন।

মন্তব্য ২৭ টি রেটিং +৫/-০

মন্তব্য (২৭) মন্তব্য লিখুন

১| ২৪ শে মে, ২০২৩ রাত ৮:৪১

শায়মা বলেছেন: হা হা মজার লেখা... মানে মন থেকে এলো তাই লিখলে।

২৪ শে মে, ২০২৩ রাত ১০:৩৯

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: একদম ঠিক বলেছেন ধন্যবাদ আপু।

২| ২৪ শে মে, ২০২৩ রাত ৮:৫১

মোহাম্মদ গোফরান বলেছেন: এভাবেই প্রতিদিন একটি করে গল্প তৈরী হোক।

২৪ শে মে, ২০২৩ রাত ১০:৪০

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: আমাদের সবার জীবনেই এভাবে গল্প তৈরি হচ্ছে। ধন্যবাদ ভাই।

৩| ২৪ শে মে, ২০২৩ রাত ৯:১৮

আমি সাজিদ বলেছেন: টাইল্লা মাছ কখনও খাই নাই। সাগরের মাছ নিশ্চয়ই সুস্বাদু হবে। ছোটবেলায় দুধে মুড়ি দিয়ে খেতাম। অনেকদিন এইভাবে খাওয়া হয় না। ট্রাই করা লাগবে আবার। কৃষ্ণচূড়া ফুল বেশ ভালো লাগে।

২৪ শে মে, ২০২৩ রাত ১০:৪২

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: ছবি দিলাম হয়তো চিনতে পারবেন। এ মাছটা সুস্বাদু। ধন্যবাদ ভাই। গরম গরম দুধ মুড়ি আসলেই অন্যরকম লাগে।

৪| ২৪ শে মে, ২০২৩ রাত ৯:৩০

রাজীব নুর বলেছেন: শিরোনামটা ঠিক করুণ।
ঝুড়ে হবে না। হবে ঝরে পড়া।

২৪ শে মে, ২০২৩ রাত ১০:৫৫

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: ঠিক করে দিয়েছি রাজীব দা ধন্যবাদ।

৫| ২৪ শে মে, ২০২৩ রাত ১০:৪১

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:

৬| ২৪ শে মে, ২০২৩ রাত ১০:৪৭

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: আপনি কৃষ্ণচূড়া ফুল পছন্দ করেন তাই কৃষ্ণচূড়া নিয়ে একটা গান দিলাম।

শুভ্র দেব - কৃষ্ণচূড়া ছায়ে ছায়ে

একই ধরণের আরেকটা ফুল আছে যেটার নাম রাধাচূড়া। দেখতে অনেকটা এক রকম।

২৪ শে মে, ২০২৩ রাত ১১:০২

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই। কৃষ্ণচূড়া রাধাচূড়া ও কনকচূড়া দেখতে কিছুটা এক হলেও গাছ দেখে চেনা যায়।

৭| ২৪ শে মে, ২০২৩ রাত ১১:৩৭

স্মৃতিভুক বলেছেন: ছবি দেখে মনে হলো 'লাক্ষা' মাছ।

২৫ শে মে, ২০২৩ দুপুর ১:০৭

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
এটা ত্যাইল্লা মাছ লাক্ষ্যা মাছের সাথে মিল আছে। ধন্যবাদ।

৮| ২৫ শে মে, ২০২৩ সকাল ৮:৪০

শেরজা তপন বলেছেন: মাছ কি আপনিই ধোয়া-কাটা করলেন? বড় করিৎকর্মা লোক আপনি!! টাইল্ল্যা মাছ আমি চিনতাম না। ছবি দেখে বুঝলাম। চিংড়ি ওখানে কত করে কেজি?

দু'জায়গায় টাইপো পেলাম। বাক্যটা বুঝতে অসুবিধা হচ্ছে- ঠিক করে দিয়েন;
মাছ ধরা শেষ করি ফ্রিজে রেখে
এভাবে দুধ শেষ হওয়ার আগে মুড়ি খেতে থাকলো।

২৫ শে মে, ২০২৩ দুপুর ১:১০

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
চিংড়ি ৬৫০ থেকে ১২০০টা পর্যন্ত কেজি। ওহো এটা হবে মাছ ধোয়া শেষ করে ফ্রিজে রাখি। এভাবে দুধ শেষ হওয়ার আগে মুড়ি খেতে থাকলাম।

ধন্যবাদ।

৯| ২৫ শে মে, ২০২৩ সকাল ১১:২৮

শাওন আহমাদ বলেছেন: কৃষ্ণচূড়া আমার পছন্দের ফুল গুলোর একটি। অফিসে আসার পথে বাসের জানালা দিয়ে কৃষ্ণচূড়া দেখি। আপনার লেখা পড়ে ভালো লাগলো। আমি চট্টগ্রামের মানুষদের ভীষণ হিংসে কই। তারা একসাথে সমুদ্র আর পাহাড় দখল করে রেখেছে অথচ ঢাকায় দালান,মানুষ আর দূষণে ভরা।

০৪ ঠা জুন, ২০২৩ সকাল ১১:৪৬

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
হ্যা ভাই চট্টগ্রামের মানুষের ভাগ্য ভাল সাগর, পাহাড়, বনে ইচ্ছে হলেই ছুটে যেতে পারে। ধন্যবাদ।

১০| ২৫ শে মে, ২০২৩ দুপুর ১২:১৮

রানার ব্লগ বলেছেন: আপনি চট্রগ্রাম থাকেন । এক সময় আমিও ছিলাম । প্রকৃতির কোলে গড়ে ওঠা এক নিঝুম শহর । আমার ছেলেবেলার একটা মাঝারি সাইজের সময় কেটেছে কাপ্তাই, পতেঙ্গা, শিপিয়ার্ড, মাইচপারা মেরিন ইঞ্জিনিয়ার ব্যারাক এরিয়াতে ।

০৪ ঠা জুন, ২০২৩ সকাল ১১:৪৮

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
আপনার স্মৃতিচারনমূলক পোস্ট পড়েই বুঝেছি আপনি চট্টগ্রামে ছিলেন একসময়। সাগর, পাহাড়, বন সব মিলে এখানে ভালই সময় কাটে। ধন্যবাদ।

১১| ২৫ শে মে, ২০২৩ দুপুর ১:৫৫

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন:
- কৃষ্ণচূড়া আর দুধ মুড়ি আমারও পছন্দ।

০৪ ঠা জুন, ২০২৩ সকাল ১১:৪৮

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: সমমনা একজনকে পেলাম। ধন্যবাদ।

১২| ২৫ শে মে, ২০২৩ দুপুর ২:১১

রাজীব নুর বলেছেন: ধন্যবাদ। ভালো থাকুন।

০৪ ঠা জুন, ২০২৩ সকাল ১১:৪৯

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
আপনিও ভাল থাকুন।

১৩| ২৫ শে মে, ২০২৩ সন্ধ্যা ৭:৪৫

মোহামমদ কামরুজজামান বলেছেন: ভাই আমাদের বিদ্যালয়ের সামনে ও সীমানাতে একসময় অনেকগুলি কৃষ্ণচূড়া গাছ ছিল ।

ঝড়ের পরে যখন গাছের নীচে লালে লাল হয়ে অসংখ্য ফুল পড়ে থাকত তখন কি যে ভাল লাগত - তা বলার নয়।

০৪ ঠা জুন, ২০২৩ সকাল ১১:৪৯

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
সে দৃশ্য দেখতে অবশ্যই ভাললাগতো। ধন্যবাদ স্মৃতি শেয়ার করায়।

১৪| ২৭ শে মে, ২০২৩ দুপুর ১:১৮

জটিল ভাই বলেছেন:
ফেইসবুকের লিংকটা পোস্টে এ্যাড করে দিলে অনেকেই লাইক-কমেন্ট করে বহুত ফায়দা হাসিলের সুযোগ পেতো =p~

০৪ ঠা জুন, ২০২৩ সকাল ১১:৫০

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
কি দরকার ভাই এত লাইক, কমেন্ট দিয়ে। ধন্যবাদ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.