নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মঞ্জুর চৌধুরী

আমি ঝন্ঝা, আমি ঘূর্ণি, আমি পথ-সমূখে যাহা পাই যাই চূর্ণি’। আমি নৃত্য-পাগল ছন্দ, আমি আপনার তালে নেচে যাই, আমি মুক্ত জীবনানন্দ। আমি হাম্বার, আমি ছায়ানট, আমি হিন্দোল, আমি চল-চঞ্চল, ঠমকি’ ছমকি’ পথে যেতে যেতে চকিতে চমকি’ ফিং দিয়া দিই তিন দোল; আমি চপলা-চপল হিন্দোল। আমি তাই করি ভাই যখন চাহে এ মন যা, করি শত্রুর সাথে গলাগলি, ধরি মৃত্যুর সাথে পান্জা, আমি উন্মাদ, আমি ঝন্ঝা! আমি মহামারী আমি ভীতি এ ধরিত্রীর; আমি শাসন-ত্রাসন, সংহার আমি উষ্ন চির-অধীর! বল বীর - আমি চির উন্নত শির!

মঞ্জুর চৌধুরী › বিস্তারিত পোস্টঃ

"ওর হিজাব শরিয়তি ছিল না, কাজেই ওকে ধর্ষণ হালাল।"

৩০ শে মার্চ, ২০১৬ রাত ১:২২

শুরু করি একটা প্র্যাকটিকাল উদাহরণ দিয়ে।
কিছুদিন আগে একজন নাস্তিক ব্লগার কোপ খেয়েছিলেন। দেশ বরাবরের মতই দুইভাগে ভাগ হয়ে গেল। একদল মানুষ খুনের বিপক্ষে, আরেকদল পক্ষে। যারা পক্ষে তাদের দাবি, আল্লাহ এবং নবীজিকে (সঃ) অপমান করেছে, তাই ওকে কুপিয়ে মারা হয়েছে। তার যে শাস্তি প্রাপ্য সে তাই পেয়েছে। এন্ড অফ স্টোরি।
আমি কোপাকুপির বিরুদ্ধে বলেছিলাম।
এবং বরাবরের মতই আমি নবীজির (সঃ) জীবন থেকেই অনেক উদাহরণ টেনেছিলাম। যেমন একবার তিনি (সঃ) কাবা ঘরে সিজদাহ দিয়েছিলেন, এবং আবু জাহেল তার সাঙ্গ পাঙ্গ নিয়ে তাঁর শরীরের উপর মৃত-পঁচা-গলা-দুর্গন্ধময় পশুর নাড়িভুড়ি ঢেলে দিয়ে মজা নিচ্ছিল।
কোন এক ব্লগারের শব্দবিষ্ঠা নিক্ষেপের চেয়ে সেটা কী আরও অনেক অনেক গর্হিত অপরাধ নয়?
সাহাবীরা তখন কী করেছিলেন? ফাতিমাকে (রাঃ) ডেকে এনেছিলেন। মেয়েটি তখনও নিতান্তই শিশু। কাঁদতে কাঁদতে বাবার শরীর থেকে ময়লা পরিষ্কার করছিল। আর কাফেররা সে দৃশ্য দেখে হাসছিল।
প্রত্যুত্তরে তিনি কী করেছিলেন? একটা গালি পর্যন্ত দেননি। আল্লাহর কাছে দোয়া করেছিলেন। "প্রফেশনালকে" সিচুয়েশন হ্যান্ডেল করতে দিয়েছিলেন।
তায়েফের ঘটনা আমরা সবাই জানি। তিনি ভেবেছিলেন মক্কা থেকে সেখানে ধর্মপ্রচার হয়তো সহজ হবে। উল্টো ওরা তাঁকে পাথর মারতে মারতে অজ্ঞান করে দিল। তারপর তাঁর জ্ঞান ফেরা পর্যন্ত অপেক্ষা করলো। জ্ঞান ফিরলে আবার পাথর মারতে শুরু করবে। নাহলেতো তিনি ব্যথা টের পাবেন না।
তিনি আবারও আল্লাহর কাছে অনুরোধ করেছিলেন, "এদের জ্ঞান দাও আল্লাহ....এদের ক্ষমা কর।"
এবং যে মক্কাবাসী তাঁর প্রানের শত্রু ছিল। তাঁকে এবং তাঁর সাহাবীদের প্রাণে মেরে ফেলতে এমন কোন কুকর্ম নাই যা তারা করতে বাকি রেখেছিল - তাদের হাতেই শহীদ হয়েছিলেন নবীজির প্রিয় থেকে প্রিয়তম সব সাহাবিগণ, নিঃস্ব অবস্থায় দেশত্যাগে বাধ্য হয়েছিলেন প্রায় সকলেই - সেই মক্কাবাসীদের একদম হাতের মুঠোয় পেয়েও তিনি বলেছিলেন, "আজ তোমাদের ক্ষমা করা হলো।"
এমনকি মুনাফেক সর্দার আব্দুল্লাহ ইবনে উবাই ইবনে সালুলের কবরে নেমে তিনি নিজে তার লাশ দাফন করেছিলেন। জানাজা পড়েছিলেন। উমার (রাঃ) যখন বলেন, "আপনাকে না আল্লাহ নিষেধ করেছিলেন ওদের জন্য ক্ষমা না চাইতে, তাহলে এখন কেন দোয়া করছেন?"
তিনি জবাবে বলেছিলেন, "আল্লাহ বলেছেন ওদের জন্য সত্তুরবার দোয়া চাইলেও তিনি আমার দোয়া কবুল করবেন না। আমি একাত্তুরবার দোয়া করে দেখতে চাই।"
এই ছিলেন আমাদের নবী। সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম।
যাকে আল্লাহ নিজে মানবের মধ্যে শ্রেষ্ঠ ঘোষণা করেছেন, তাঁকে অপমান করে সাধ্য কার?
কিন্তু না, তাঁর সম্পর্কে অজ্ঞ কেউ উল্টাপাল্টা কমেন্ট করলেই আমরা কল্লা ফলানোকে জায়েজ ঘোষণা দিয়ে দেই। কা'ব বিন আশরাফের উদাহরণ টানে। আমি আস্ত মক্কা শহর টেনে আনলাম, তারা সেই কা'ব এবং দুইটা দাসীর উদাহরণে আটকে থাকে।
যাই হোক, যা বলতে কথা শুরু করেছিলাম সেটাই শেষ করি।
তা এইরকমই এমন এক ছোট ভাইকে আমি চিনি যে জিহাদী জোসে বলিয়ান হয়ে ফেসবুকে ঝড় তুলেছিল। "অবশ্যই এই সমস্ত কাফের, নাস্তিক, মুনাফেকদের দাঁত ভাঙ্গা জবাব দিতে হবে। সোজা আঙ্গুলে ঘি না উঠলে আঙ্গুল বাঁকা করতে হবে। নাস্তিকের ফাঁসি চাই।" - এই ছিল মূল বাণী।
তা কয়েকদিন পরেই একই অভিযোগে তাঁর অতি ঘনিষ্ঠ এক বন্ধু নিহত হলেন। তখন বেচারার পুরাই সুর পাল্টে গেল।
"ইসলাম শান্তির ধর্ম। এই ধর্মকে যারা কলুষিত করেছে তাদের ফাঁসি চাই।"
কথা হচ্ছে, আমাদের নিজেদের সাথে কোন দুর্ঘটনা না ঘটা পর্যন্ত আমরা সেটা উপলব্ধিই করতে পারিনা। সেটা কারোর কল্লা কাটা হোক, কিংবা ধর্ষণ।
যেমন তনুর ধর্ষণ নিয়ে এখন ফেসবুকে নোংরা মানুষেরা গন্ধ ছড়াতে শুরু করেছে। তাদের অনেক যুক্তি আছে, তবে সবচেয়ে বিরক্তিকর যেটা তা হচ্ছে, "মেয়েটা পর্দা করলেও কতটা শরীয়ত মোতাবেক পর্দা করেছে সেটা প্রশ্ন সাপেক্ষ। একজন হিজাবি মেয়ে কী কখনও নাটক করে? রাতে একা বের হয়? এইটা হয়? ঐটা হয়?" - মানে ঘুরিয়ে প্যাচিয়ে দোষ মেয়েটারই। আহাম্মকগুলিকে যতই বুঝানো হোক না কেন ধর্ষণ চিন্তাটাই মানসিকতায়, তারা বুঝাতে চায়, মেয়েটারই দোষ। মানে তাদের সামনে কোন মেয়ে যদি "বেপর্দা" হয়ে চলা ফেরা করে, তার মানে তারা তাঁকে ধর্ষণ করতে চাইবে। তার মানে পর্দা করা যাদের উপর ফরজ না, মানে হিন্দুসহ অন্যান্য ধর্মের মেয়েরা, তারা কেউই ওদের থেকে নিরাপদ নয়।
কারো কারো আবার ব্যপারটা পার্সোনাল। যেহেতু "শাহবাগিরা" তনু হত্যার বিচার চেয়েছে, এবং ওরা নাস্তিক, কাজেই আমাদের সেটার বিরোধিতা করতেই হবে।
"তনু হত্যার জন্য মানব বন্ধন হলো, ৮০০ কোটি টাকা চুরি থেকে শুরু করে আদমের (আঃ) গন্ধম ফল খাওয়ার জন্য হলো না কেন?" পর্যন্ত সব কভার করতে হবে।
এদের অবস্থা হয়েছে আমার ঐ ছোট ভাইটার মতন - যার নিজের ঘনিষ্টজনদের সাথে এমন দুর্ঘটনা না ঘটা পর্যন্ত ওদের মনোভাব বদলাবে না। যখন তাদের মা-বোন এইসবের শিকার হবে, তখন বলবে, "ধর্ষকের ফাঁসি চাই। আমার মাতো বেপর্দা ছিলেন না, আমার বোনতো "
সানি লিওনকে আমি দশ ফুট দূর থেকে দেখেছি। এখানে একটা অনুষ্ঠানে আমাদের রেডিও ছিল মিডিয়া পার্টনার। কই, বিশ্বখ্যাত পর্ন তারকাকে তখনতো আমার ধর্ষণ করতে ইচ্ছা হয়নি।
আমার অফিসে মেয়েরা হাঁটুর উপরে স্কার্ট পরে আসে। বিশ্ববিদ্যালয়ে যুবতী মেয়েরা হাফ প্যান্ট করে ক্লাস করতে আসতো। অ্যামেরিকান মেয়েদের কেন জানি আমার বেশ সুন্দরী বলেই মনে হয়। বাঙ্গালি ছেলেগুলির মাথা ঘুরিয়ে দেয়ার মতন রূপ, দৈহিক সৌন্দর্য্য অবশ্যই তাঁদের আছে। কই, একবারওতো ইচ্ছা করেনি ওদের পাশে গিয়ে শরীরের বিশেষ বিশেষ স্থানে হাতাহাতি করতে।
আমাকে নেকাবওয়ালা বোরখা পরিহিতা একাধিক মহিলা তাঁদের অভিজ্ঞতা বলতে গিয়ে বলেছেন যে ভিড়ের মধ্যে তাঁদের শরীরে বাংলার বীরপুরুষেরা বহুবার হাত দিয়েছে। গাউছিয়া, নিউমার্কেটের মতন "মহিলা ঘনবসতি" পূর্ণ এলাকা থেকে শুরু করে যেকোন পাবলিক প্লেসে। সাথে স্বামী, ভাই, পুত্র থাকার পরেও। এমনকি নিজের ঘরেও, নিজের চাচা-মামা-এমনকি একটি বিশেষ ক্ষেত্রে নিজের বাবার হাত থেকেও তাঁরা মুক্ত নন।
চোখ খুলেন বাংলার আঁতেল সমাজ। কতদিন আর কাকের মতন চোখ বন্ধ সব সত্যকে অস্বীকার করে যাবেন?
এইটা কমন সেন্স যে যেই পারভার্টের চোখে এক্সরে মেশিন ফিট করা আছে, সেই চোখ ওড়নার নিচ দিয়ে যেমন বুক দেখে, তেমনি বোরখার নিচ দিয়েও বুক খুঁজে নেয়। পর্দা করা অবশ্যই উচিৎ, আল্লাহর নির্দেশ - কিন্তু আল্লাহ তারও আগে পুরুষদের নির্দেশ দিয়েছেন দৃষ্টি নত করতে। যেই ফকিরনিরা তনু মেয়েটার হিজাব নিয়ে ফতোয়াবাজি করছে, সেই ফকিরনিগুলো যেন আগে ধর্ষকদের চক্ষু নত করার ব্যপারটা মিমাংসা করে তারপর এগোয়।
এনিওয়েজ, এইসব মহাজ্ঞানী ব্যক্তিদের উদ্দেশ্যে নবীজির জীবনী থেকে একটি ঘটনা তুলে দেই। যদি তাদের সুবুদ্ধির উদয় ঘটে! জানি কঠিন, তবুও আশা করতে দোষ কোথায়?
নবীজি (সঃ) তখন মাত্র মদিনায় গেছেন। মুসলিমদের নিয়ে তিনি একটি আলাদা রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি। মদিনার অধিবাসী ইহুদি গোত্রদের সাথে তিনি চুক্তিও সই করে ফেলেছেন।
"তোমরা তোমাদের মতন থাকবে, আমরা আমাদের মতন থাকবো। তবে মদিনায় যদি বাইরের কোন শত্রুপক্ষ আক্রমন করে, তবে এক হয়ে লড়বো।"
বনু কায়নুকাহ গোত্রের বাজারে এক মুসলিম নারী বাজার করতে যান। তাঁর সাথে বাজারের এক ইহুদি ব্যবসায়ী অশালীন আচরন করে। মুসলিম মহিলাকে কৌশলে পুরা বাজারের সামনে ন্যাংটা করে হাসি মজা করতে থাকে।
বাজারে উপস্থিত এক সাহাবী তখন বাংলার এইসব মহাজ্ঞানী আঁতেলদের মতন এত জ্ঞানী ছিলেন না, তিনি নিজের মুসলিম বোনের অসম্মান সহ্য করতে না পেরে নিজের তলোয়ার দিয়ে সেই লম্পটের মাথা ফেলে দেন।
ইহুদিরাও তখন একত্র হয়ে সেই সাহাবীকে হত্যা করে।
আমাদের নবীজির(সঃ) কানে খবর আসলে তিনি খোঁজ নেননি মুসলিম নারীটা কী পর্দা করেছিল, নাকি বেপর্দা ছিল। তিনি দেখেছেন যে এক নারীর ইজ্জতে হাত দেয়া হয়েছে এবং তাঁর সম্মান রক্ষা করতে যাওয়া সাহাবীকে হত্যা করা হয়েছে।
তিনি মুসলিম বাহিনী নিয়ে বনু কায়্নুকাহ দূর্গ ঘেরাও করেন, এবং তাদের মদিনা থেকে বিতাড়িত করেন।
তুমি ইসলাম শিখাতে এসেছো? নবীর থেকে বেশি শিখে বসে আছো?
কথা হচ্ছে আজাইরা বিষয় নিয়ে বকর বকর করলে শুধু মুখের গন্ধই ছড়ায়, লাভের লাভ কিছু হয় না। অন্যায়কে অন্যায় বলতে শেখাটাই ইসলামের প্রধান শিক্ষা। আসেন, প্রথমে সেটা শিখি, তারপরে বিস্তারিত শেখা যাবে।

মন্তব্য ২১ টি রেটিং +৬/-০

মন্তব্য (২১) মন্তব্য লিখুন

১| ৩০ শে মার্চ, ২০১৬ রাত ২:১৭

রিফাত হোসেন বলেছেন: +

৩১ শে মার্চ, ২০১৬ রাত ২:৫৭

মঞ্জুর চৌধুরী বলেছেন: :)

২| ৩০ শে মার্চ, ২০১৬ রাত ২:২৪

চিন্তক মাস্টারদা বলেছেন: +++

৩১ শে মার্চ, ২০১৬ রাত ২:৫৭

মঞ্জুর চৌধুরী বলেছেন: :) :)

৩| ৩০ শে মার্চ, ২০১৬ রাত ২:৫৫

মশার কয়েল বলেছেন: যে ধর্ষক,সে ধর্ষন করবেই ৷ সেটা হিজাব পরিহিতা কেউ হোক অথবা বেপর্দা কেউ হোক ৷ ইন্ডিয়াতে নাকি পুরুষরাও ধর্ষনের শিকার হয় ৷ পুরুষদেরও কি হিজাব পড়তে হবে :P ?তবে হিজাব পড়িহিতাদের চেয়ে বেপর্দান নারীরাই ধর্ষকদের বেশী আকর্ষনে পড়ে ৷ তার মানে এই নয় যে হিজাব পরিহিতাদের নাগালে পেলে তারা ছেড়ে দেবে ৷ বড় কথা মানসিকতা ৷ পুরুষদের মানসিকতা ৷ যেটা নারীর প্রতি সম্মানস্বরূপ হতে হবে ৷ হিজাব যেমন দরকার ,তার চেয়েও বেশী জরুরী পুরুষের মানসিকতার পরিবর্তন ৷ তবে একটা কথা হচ্ছে, যারা ধর্ষন করে তাদের মনুষ্যত্ব নেই ৷ তাই তাদের মানসিকতার পরিবর্তন হবে বলে আমার মনে হয় না ৷ এজন্য শক্তিশালী এবং কার্যকর আইন দরকার ৷

৩১ শে মার্চ, ২০১৬ রাত ২:৫৭

মঞ্জুর চৌধুরী বলেছেন: সহমত ভাই

৪| ৩০ শে মার্চ, ২০১৬ সকাল ৭:১৩

জহিরুলহকবাপি বলেছেন: ভালো পোষ্ট। অনেক কিছু জানলাম। সম্ভব হলে রেফারেন্সবই গুলোর নাম বা লিংক দিয়েন । আরও পড়ার ইচ্ছা। ধন্যবাদ।

৩১ শে মার্চ, ২০১৬ রাত ২:৫৫

মঞ্জুর চৌধুরী বলেছেন: ভাই নবীজির (সঃ) যেকোন ভাল সিরাত গ্রন্থে এসব পাবেন। তবে সহজ হবে যদি আপনি ড. ইয়াসির ক্বাদীর সিরাতের উপর লেকচার সিরিজটা দেখেন। ১০০% অথেন্টিক এবং একশো ঘন্টারও বেশি ডিটেইলে কভার করা হয়েছে সিরিজটি। ইউটিউবে আছে

৫| ৩০ শে মার্চ, ২০১৬ সকাল ৯:১১

রাজু বলেছেন: অনেক ভালো লাগলো.....

৩১ শে মার্চ, ২০১৬ রাত ২:৫৭

মঞ্জুর চৌধুরী বলেছেন: ধন্যবাদ!

৬| ৩০ শে মার্চ, ২০১৬ সকাল ৯:২৫

টয়ম্যান বলেছেন: মধ্যপ্রদেশে গরুকে ধর্ষণের অভিযোগে মদ্যপ প্রৌঢ় গ্রেপ্তার - See more at: Click This Link

৭| ৩০ শে মার্চ, ২০১৬ সকাল ৯:৫৩

বাংলার জামিনদার বলেছেন: খলের নাইকো ছলের অভাব। একটাই সমাধান, যারা ধর্ষন করবে বা সাফাই গাইবে, তাদের মেশিন কেটে দাও। তাহলে আর একটাও খারাপ কথা বলবেনা।

৩১ শে মার্চ, ২০১৬ রাত ২:৫৭

মঞ্জুর চৌধুরী বলেছেন: হাহা। ভুল বলেন নাই

৮| ৩০ শে মার্চ, ২০১৬ দুপুর ২:৩৩

একাকী পর্যটক বলেছেন: যুগোপযুগী লেখা ..........আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর আদর্শ সঠিক ভাবে মেনে চললে অনেক সমস্যার সমাধান এম্নিতেই হতো...উদাহরণ চমৎকার হয়েছে পোষ্টে+++

৩১ শে মার্চ, ২০১৬ রাত ২:৫৮

মঞ্জুর চৌধুরী বলেছেন: ধন্যবাদ! সহমত

৯| ৩০ শে মার্চ, ২০১৬ বিকাল ৫:৪৪

ফজল উশ শিহাব বলেছেন: সুন্দর +

৩১ শে মার্চ, ২০১৬ রাত ২:৫৬

মঞ্জুর চৌধুরী বলেছেন: ধন্যবাদ!

১০| ৩০ শে মার্চ, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:০১

আকদেনিজ বলেছেন: আমি কুপাকুপিরও বিরুদ্ধে আবার আল্লাহ এবং তার রাসূল (সঃ)-এর অবমাননারও বিরুদ্ধে।

৩১ শে মার্চ, ২০১৬ রাত ২:৫৬

মঞ্জুর চৌধুরী বলেছেন: আমিও।

১১| ৩১ শে মার্চ, ২০১৬ রাত ৩:০২

সায়েল বলেছেন: কবে যে মানসিকতার পরিবর্তন হবে! :(

১২| ৩১ শে মার্চ, ২০১৬ সকাল ১১:৫৩

শাহজালাল হাওলাদার বলেছেন: ধর্ষণ কোন অবস্থাতেই হালাল হতে পারে না। তবে হিজাব বা বোরকায় উল্লেখযোগ্য আকর্ষণ না থাকাই ভাল।
]

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.