নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

তুমি কেমন করে গান করো হে গুনী, আমি অবাক হয়ে শুনি, কেবল শুনি ।।

ঠাকুরমাহমুদ

sometimes blue sometimes white sometimes black even red, even golden ! yes dear - its me - i am sky ! color your life, than your life will be colorful

ঠাকুরমাহমুদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

রক্তাক্ত ফিলিস্তিন: হামাসের অবস্থান

২৭ শে অক্টোবর, ২০২৩ বিকাল ৪:২৯



ট্রায়াল - ১

ফিলিস্তিনে হাজার হাজার নিরপরাধ শিশু কিশোর নিহত। আহত হয়েছেন আরোও হাজার হাজার। যার সঠিক পরিসংখ্যান আমাদের পক্ষে কখনো কোনোদিনও জানা সম্ভব নয়। আমাদের গণতান্ত্রিক দেশে একটি লঞ্চডুবি হলে একটি ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটলে কখনো মৃতের সঠিক পরিসংখ্যান জানা সম্ভব হয় না! সেইখানে ফিলিস্তিনে কি পরিমাণ নিরপরাধ শিশু হত্যা হয়েছেন, কি পরিমাণ শিশু আহত হয়েছেন তা কিভাবে জানা সম্ভব? (কেমন নিরপরাধ? - ৩ বছরের শিশু থেকে ৯ বছরের শিশু। যাদের পক্ষে দেশদ্রোহ, বিদ্রোহ অথবা জঙ্গিবাদের মতো বা অস্ত্র হাতে কোনো প্রকার অপরাধ করা সম্ভব নয়)

আমরা bbc, cnn, dw, reuters নিউজের মাধ্যমে জানতে পেরেছি ফিলিস্তিনের বিদ্রোহী দল / জঙ্গিদল হামাস ইসরায়েলের শান্তিপূর্ণ অনুষ্ঠানে আক্রমণ করেছেন। (এই বিষয়ে আমি পরবর্তীতে লিখবো)

২০২৩ সন। এই বছরে ফিলিস্তিন নিয়ে এটিই আমার প্রথম লেখা। আজ আমি অনেক কিছু লিখবো না। আমি খুবই সামান্য, সহজ সরল একটি মাত্র প্রশ্ন রেখে আজকের লেখা সমাপ্ত করবো। আজ যেই সকল নিরপরাধ শিশু নিহত হয়েছেন, ফিলিস্তিনে তাঁদের আত্মীয় পরিজন আছেন, কোনো না কোনোভাবে হয়তো বেঁচে থাকবেন। আজ যেই সকল নিরপরাধ শিশু আহত হয়েছেন, গুরুতর আহত হয়েছেন তাঁদেরও কেউ কেউ এই দুঃসহ জীবন নিয়ে কোনো না কোনোভাবে হয়তো বেঁচে থাকবেন। একদিন তাঁরা কিশোর হবেন, যুবক হবেন। আজ থেকে দশ বারো বছর পর যদি এই শিশুগুলো কিশোর বয়সে যুবক বয়সে ইসরায়েলের কোনো শান্তিপপূর্ণ অনুষ্ঠানে তথা বিবাহ অনুষ্ঠান অথবা মুমূর্ষু রোগীর হাসপাতালে এমনকি মৃত্যুবাড়িতে সশস্ত্র আক্রমণ করেন, আত্মঘাতী হামলা করেন। তাহলে কি আমরা আজকের নিহত শিশুদের দুঃসহ জীবনযাপনকারী পরিবার পরিজনকে ও আজকের আহত শিশুদের তখন জঙ্গি বলবো অথবা জঙ্গি আক্রমণ বলবো?

আমি সহজ সরল প্রশ্ন করেছি। আমি আশা করছি, যারা যারা মন্তব্য করবেন তারাও সহজ সরল উত্তর দিবেন।














মন্তব্য ৪৪ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (৪৪) মন্তব্য লিখুন

১| ২৭ শে অক্টোবর, ২০২৩ বিকাল ৪:৩৯

সোনাগাজী বলেছেন:


আজ অবধি ১২ হাজার শিশু-কিশোর আহত হয়েছে, এই সংখ্যা আরো বাড়বে; এরা বড় হলে, তাদের সমাজ, তাদের পিতামাতা ও তাদের নেতৃত্বকে অনুসরণ করবে।
যদি ফিলিস্তিন দেশ প্রতিষ্ঠা হয়, এসব শিশু-কিশোরেরা নতুন সমাজ ব্যবস্হায়, নতুন কিছু খুঁজে নিবে; এরা বর্তমান বৃত্ত থেকে বেরিয়ে যাবে।

২৭ শে অক্টোবর, ২০২৩ বিকাল ৪:৫৩

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




যেই সকল শিশু নিহত হয়েছেন তাঁদের মাতাপিতা ভাইবোন ইসরায়েলের এই বর্বর আক্রমণ ভুলে যাবেন?


২| ২৭ শে অক্টোবর, ২০২৩ বিকাল ৫:০১

সোনাগাজী বলেছেন:


লেখক বলেছেন: যেই সকল শিশু নিহত হয়েছেন তাঁদের মাতাপিতা ভাইবোন ইসরায়েলের এই বর্বর আক্রমণ ভুলে যাবেন?

-ভুলার কথা নয়; কিন্তু ইসরায়েলের আক্রমণটা কেন হলো, সেটা দি এনালাইসিস করে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারে, তারা ফিলিস্তিনীদের জন্য দেশ আনতে পারবে; না'হয় আজকের বৃত্তের মাঝে আটকা পড়বে।

২৭ শে অক্টোবর, ২০২৩ বিকাল ৫:০৮

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



আজকের বৃত্তের মাঝেই আটকে থাকবে। কখনও সাইকেলের গতি বৃদ্ধি হবে কখনো গতি কমবে। এর বাইরে আপাতত কিছু নজরে আসছে না। পরবর্তী পোস্টে আমি আরোও কিছু লিখবো এই বিষয়ে।

৩| ২৭ শে অক্টোবর, ২০২৩ বিকাল ৫:১৪

নূর আলম হিরণ বলেছেন: এই শিশুগুলো কিশোর বয়সে যুবক বয়সে ইসরায়েলের কোনো শান্তিপপূর্ণ অনুষ্ঠানে তথা বিবাহ অনুষ্ঠান অথবা মুমূর্ষু রোগীর হাসপাতালে এমনকি মৃত্যুবাড়িতে সশস্ত্র আক্রমণ করেন, আত্মঘাতী হামলা করেন। তাহলে কি আমরা আজকের নিহত শিশুদের দুঃসহ জীবনযাপনকারী পরিবার পরিজনকে ও আজকের আহত শিশুদের তখন জঙ্গি বলবো অথবা জঙ্গি আক্রমণ বলবো?
উত্তর দিতে পারছিনা তবে আরেকটি প্রশ্ন করতে পারি,
সে হামলায় যে শিশু গুলি আহত হবে, তারা বড় হয়ে আবার এই মানুষগুলিকে গুলি করে মারলে সেই শিশু গুলিকে কি বলবেন?

২৭ শে অক্টোবর, ২০২৩ সন্ধ্যা ৬:২৭

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




আপনার প্রশ্নটি সত্যর সত্যকে হার মানায়। এই প্রশ্নটি আমি ভেবে রেখেছি আগামী পোস্টে লিখবো ভেবে। এটি এখন একটি চলমান প্রক্রিয়া বা সাইকেলে রূপান্তরিত হয়েছে মনে হচ্ছে। এটি সেই কবে চালু হয়েছে বলা মুশকিল তবে এর যে আপাতত শেষ নেই তা পরিস্কার।


৪| ২৭ শে অক্টোবর, ২০২৩ বিকাল ৫:৩০

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:



রাসুলুল্লাহ (সা) এবং তাঁর সাহাবীরা যখন অত্যচারিত হয়েছিলেন, তখন তাঁরা এক শহর ছেড়ে আরেক শহরে চলে গিয়েছিলেন। তারপরে, শক্তিশালী হয়ে পাল্টা মার দিয়েছিলেন।

এই ঘটনা থেকে ফিলিস্তিনীরা কি কিছু শিক্ষা নিতে পারেন?

২৭ শে অক্টোবর, ২০২৩ সন্ধ্যা ৬:৩০

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



ফিলিস্তিনিরা যাবে কোথায়? আপনি তো বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের থাকতে দিয়েছেন। ফিলিস্তিনিদের থাকতে দিতে পারতেন। ফিলিস্তিনিদের থাকতে দিলে হয়তো বা নোবেল পুরস্কার পেলেও পেয়ে যেতে পারতেন।


৫| ২৭ শে অক্টোবর, ২০২৩ সন্ধ্যা ৬:১২

আমি নই বলেছেন: একদম মনের কথাগুলোই বলেছেন। এখন যারা সেল্ফ ডিফেন্সের জন্য অকুপাইড অন্চলে আঘাত করেছে হয়ত তারাই ২০১১-২০১৪ বা আগে শিশু ছিল। বাস্তবতা হল এভাবেই চলতে থাকবে। একমাত্র সমধান হানাদারদের আন্তর্জাতিক আইন মানতে বাধ্য করা । তবে মানবতা, আন্তর্জাতিক আইন এগুলোয় আর বিশ্বাস নেই, এগুলো পুথির কথা মাত্র।

২৭ শে অক্টোবর, ২০২৩ সন্ধ্যা ৬:৩৩

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



আপনি ঠিকই ধরেছেন। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া - চলছে এইভাবেই। আমরা যতোই এটিকে রাজনৈতিক বা ভৌগলিক দ্বন্দ্ব বলি না কেনো! - আদতে এটি মুসলিম ও অমুসলিম দ্বন্দ্ব। আমি বিস্তারিত লিখবো এই বিষয়ে।


৬| ২৭ শে অক্টোবর, ২০২৩ সন্ধ্যা ৬:২৩

সোনাগাজী বলেছেন:



@আমি নই ,

ফিলিস্তিনের পক্ষে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সংস্হা কোনটা, হামাস, নাকি ফাতাহ-পিএলও? ২০১৪ সালের আক্রমণ ফাতাহ-পিএলও'এর কিশোরেরাও দেখেছে, তাদের কারণে ১০/১২ হাজার ফিলিস্তিনী প্রাণ হারায়নি; আপনার ভেতর জীবিত হামাস থাকায়, আপনার সঠিক ভাবনাচিন্তা লোপ পেয়েছে।

২৭ শে অক্টোবর, ২০২৩ সন্ধ্যা ৬:৩৪

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



আপনি ভুল করছেন। আমি নই এর মন্তব্য এইখানে ১০০ ভাগ সঠিক। আপনি ফিলিস্তিনি হলে কি করতেন?


৭| ২৭ শে অক্টোবর, ২০২৩ সন্ধ্যা ৬:৩২

কামাল১৮ বলেছেন: ভুলে না গেলে ভুল করবে।প্রতিশোধ চিন্তা মাথায় রেখে বেড়ে উঠলে বড় হবে কিন্তু মানুষ হবে না।

২৭ শে অক্টোবর, ২০২৩ সন্ধ্যা ৬:৩৬

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



কিছু সময়ের জন্য ধরে নিলাম মানুষ হবে না। কিন্তু আপনি তো মানুষ? - আপনি এই অবস্থায় থাকলে আপনি ফিলিস্তিনি হলে কি করতেন?


৮| ২৭ শে অক্টোবর, ২০২৩ সন্ধ্যা ৬:৫৬

সোনাগাজী বলেছেন:



লেখক বলেছেন: আপনি ভুল করছেন। আমি নই এর মন্তব্য এইখানে ১০০ ভাগ সঠিক। আপনি ফিলিস্তিনি হলে কি করতেন?

-আমি ফিলিস্তিনী হলে পিএলও'কে সাপোর্ট করতাম; পিএলও'কে সাহায্য করতাম যাতে ১৯৯৩ সালের চুক্তি অনুসারে ফিলিস্তিন ভুমি ফেরত পায়।

প্রশ্ন: আপনি ফিলিস্তিনি হলে কি করতেন?

২৭ শে অক্টোবর, ২০২৩ সন্ধ্যা ৭:১৬

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



ইসরায়েলের দ্বারা ফিলিস্তিনি হত্যা আজ নতুন নয়। লক্ষ লক্ষ ফিলিস্তিনি হত্যা হয়েছে যার পরিসংখ্যান পৃথিবীর কোনে দলিলে নেই। আমার নিরপরাধ আত্মীয় পরিজন হত্যা হয়েছে। আত্মীয় পরিজন মাতাপিতা সন্তান হত্যা হওয়ার যেই ভয়ংকর ব্যাথা - তা আপনি অনুভব করতে পারছেন না।

আপনি ফিলিস্তিন ও ইসরায়েল নিয়ে গত কিছুদিনে যতো সহজ স্টেটমেন্ট দিয়েছেন - বাস্তব তা নয়। এইখানে সহজ কিছু হচ্ছে না। আমজনতা বোঝার বাইরে, তাই সকলেই অদৃশ্য হামাসকে শত্রু ও মিত্র ভেবে পোস্ট, মন্তব্য ও প্রতিমন্তব্য করে যাচ্ছে।

ইসরায়েল দ্বারা পাল্টা আক্রমণের পেছনে হামাসের আক্রমণ একটি সাজানো আক্রমণ। যাতে করে ইসরায়েল ফিলিস্তিনকে আক্রমণ করতে পারে। - (আমি সময় সুযোগ করে বিস্তারিত লিখবো)

***নভেম্বর নাগাদ মার্কিন ডলারের সূচক দফায় দফায় বাড়বে।*** কিছু বুঝতে পেরেছেন?

২৭ শে অক্টোবর, ২০২৩ সন্ধ্যা ৭:১৮

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



আমি ফিলিস্তিনি হলে চীনের কাছে, উত্তর কোরিয়ার কাছে, ইরানের কাছে ও রাশিয়ার কাছে সাহায্যে চাইতাম।


৯| ২৭ শে অক্টোবর, ২০২৩ সন্ধ্যা ৭:৪৯

শ্রাবণধারা বলেছেন: একজন দাগী আসামী, মানুষ হত্যাকারী বা আই এস জঙ্গিও তার নরহত্যা বা সন্ত্রাসী কার্যকলাপের জন্য শৈশবে, কৈশোরে, অতীতে প্রবল নির্যাতন, জাতিবিদ্বেষ বা বঞ্চনাকে তার কাজের ন্যায্যতার পক্ষে যুক্তি হিসেবে দার করায়। এগুলো যদি যুক্তিযুক্ত হতো তাহলে পৃথিবীতে বিচার ব্যবস্থা বলে কিছু থাকতো না।

২৭ শে অক্টোবর, ২০২৩ সন্ধ্যা ৭:৫৩

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



ফিলিস্তিন ও ইসরায়েলের আক্রমণ পাল্টা আক্রমণে কি প্রমাণ হয় পৃথিবীতে বিচার ব্যবস্থা আছে?


১০| ২৭ শে অক্টোবর, ২০২৩ রাত ৮:০৫

নিমো বলেছেন: আমি যদি আজ ব্লগে ঘাপটি মেরে থাকা পাকি পন্থীর বাড়িতে গিয়ে হামলা করি, সেটা কি সঠিক হবে ? আপনি যে যুক্তি দিচ্ছেন, এই একই যুক্তি দিয়েই ইসরায়েল দেশ হিসাবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে।

২৭ শে অক্টোবর, ২০২৩ রাত ৮:১৯

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



এটি শুধু সাধারণ একটি যুক্তি না। একটি পরিক্ষিত সত্য। এই সত্যকে অর্থাৎ ইসরায়েল ফিলিস্তিন যুদ্ধ কেউ, কোনো রাষ্ট্র বন্ধ করছে না। আপনাকে ছোট একটি ব্যাখা দিচ্ছি।

ঢাকায় পকেটমার ছিনতাইকারীদের দল আছে। এলাকা ভিত্তিক দল। এইসকল এলাকার দল আবার রসুনের কোয়ার মতো একে অপরের সাথে যুক্ত। আপনি যেকোনো এলাকায় ছিনতাই হবেন পকেটমার হবেন তখন আপনি একা যদি পকেটমারকে ছিনতাইকারীকে ধরেন তাহলে বড় ধরনের বিপদে পড়ে যেতে পারেন। কারণ তাদের দলের লোক এসে আপনাকে আক্রমণ করে দিবে।

এখন ফিলিস্তিনের পক্ষ হয়ে ইরান যদি আসে, তখন আর ইসরায়েল ফিলিস্তিন যুদ্ধ থাকবে না। আমেরিকা ইরান যুদ্ধ লেগে যাবে। অর্থাৎ ইঁদুর মারার কল ফিট করা আছে। হারামখোর আমেরিকা এই ইঁদুর মারা কলে ফিলিস্তিন সমর্থন করা যে কোনো মুসলিম দেশকে আক্রমণ করে দিবে। - আশা করি আপনাকে কিছুটা হলেও বুঝাতে পেরেছি। দ্বন্দ্ব নামক ঘুড্ডির নাটাই অনেক দূরে।

১১| ২৭ শে অক্টোবর, ২০২৩ রাত ৮:০৮

অর্ক বলেছেন: কেমন কথা বলেন ভাই! দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মিত্র শক্তির আক্রমণে জাপান, জার্মানির বহু নিরপরাধ শিশুকিশোর সিভিলিয়ান হতাহত হয়েছে। সব যুদ্ধেই হয়। জানা কথা। পরবর্তীতে সত্য প্রতিষ্ঠিত হয়। সভ্য দায়িত্বশীল আধুনিক মানুষেরা সম্মিলিতভাবে পৃথিবীকে এগিয়ে নিয়ে যায়। জার্মানিতে নাজি স্বৈরশাসন, ইহুদি হলোকাস্ট এসবের পক্ষে কথা বলাও অপরাধ। আপনার কথাগুলো অবান্তর। হামাসের মতো বর্বর জঙ্গি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে প্রশ্রয় দেয়ার পরিণাম তাদের ভোগ করতে হচ্ছে। পশ্চিম তীরের মানুষ প্রশ্রয় দেয়নি, সেখানে সমস্যা নেই। এটা যুদ্ধ। ইসরায়েল ঘোষণা দিয়ে যুদ্ধ করছে। জানি না কিছু বোঝাতে পারলাম কিনা।

ধন্যবাদ।

২৭ শে অক্টোবর, ২০২৩ রাত ৮:৩০

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



আপনি আপনার বক্তব্য আমাকে বোঝাতে পেরেছেন। এবং যা বোঝাতে চেয়েছেন তাও বুঝতে পেরেছি। আপনি হয়তো লক্ষ্য করেছেন পোস্টের শুরুতে ট্রায়াল - ১ লেখা আছে। অর্থাৎ এই পোস্টের পক্ষে বিপক্ষে আমি ট্রায়াল - ২, ৩, ৪ বক্তব্য রাখবো। আপনি না বললেও আমি বক্তব্য দিবো।

আমরা bbc, cnn, dw, reuters নিউজের মাধ্যমে জানতে পেরেছি ফিলিস্তিনের বিদ্রোহী দল / জঙ্গিদল হামাস ইসরায়েলের শান্তিপূর্ণ অনুষ্ঠানে আক্রমণ করেছেন। যেইখানে ফিলিস্তিন ইসরায়েলের হাতের তালুতে বসবাস করে। প্রতিদিন মৃত্যু আতঙ্কে বসবাস করে সেইখানে হামাস কিভাবে তৈরি হয়? তারা অস্ত্র প্যারা ট্রিইনিং কোন দেশে নিয়েছে? হাতের তালুতে থেকে হামাস তৈরি হয়েছে? আকাশ পথে উড়ে এসে ইসরায়েল আক্রমণ করেছে ফিলিস্তিনি মূর্খ জঙ্গিদল! - আপনার বিশ্বাস হয়?

bbc, cnn, dw, reuters তারা ইসরায়েলের পক্ষে কথা বলবে নাকি ফিলিস্তিনের পক্ষে কথা বলবে? ১০ নং মন্তব্যের প্রতিমন্তব্য পড়ার জন্য অনুরোধ রইলো।

আপনাকেও ধন্যবাদ।

১২| ২৭ শে অক্টোবর, ২০২৩ রাত ৮:১৩

কামাল১৮ বলেছেন: আমি আর যাই করতাম নিরীহ লোকদের হত্যা করতাম না।যেটা করছে ইসলামী জঙ্গিরা।

২৭ শে অক্টোবর, ২০২৩ রাত ৮:৫৩

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করা সহ অপরাধীও আপনি বিনা বিচারে হত্যা করতে পারেন না। জঙ্গি আল কায়েদা ওসামা বিন লাদেন সাদ্দাম হোসেন এরা মার্কিন যুক্তরাষ্টের অর্থায়নে তৈরি হয়েছে।



১৩| ২৭ শে অক্টোবর, ২০২৩ রাত ৮:২৫

শ্রাবণধারা বলেছেন: জী জনাব, বিচার ব্যবস্থা বলে পৃথিবীতে একটা বিষয় আছে। প্রতিবছর লক্ষ লক্ষ ছেলেমেয়ে আইন বিষয়ে ডিগ্রি নিচ্ছে। আইন আদালত, বিচারপতি সবই আছে। আইন কেন সকলের জন্য সমান নয় এবং কেন আইন প্রয়োগকারী প্রতিষ্ঠানগুলো অকার্যকর এটাই আলোচনার বিষয়, গানের অনুষ্ঠানে হামাসের হামলার ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠা নয়।

ইসরাইল নির্বিচারে মানুষ হত্যা করছে, তার বিচার করার জন্য কোন আইনই তাকে থামতে বা বিচারের কাঠগড়ায় দাড় করাতে পারছে না। এর মানে এই নয় যে সব নৈতিক ধারণার ভিত্তিতে "আইন" তৈরি হয়, সেগুলোই সঠিক নয়।

২৭ শে অক্টোবর, ২০২৩ রাত ৮:৪৭

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




ইসরায়েল ফিলিস্তিনের দ্বন্দ্ব, রাজনীতি, যুদ্ধ এইগুলো খুব সহজ হিসাব না। আবার খুবই সহজ হিসাব অর্থাৎ এইগুলো হাই অফিসিয়াল ডিপ্লোমেট কাজ কারবার হলেও সূত্র গুলো বাংলাদেশের বস্তির সূত্র। এই যুদ্ধে যেই সূত্র এপ্লিকেশন করা হয়েছে তা হচ্ছে বাংলাদেশের বস্তির সূত্র। দুর্ভাগ্যবশত অথবা সৌভাগ্যবশত বাংলাদেশের বস্তির মানুষের সাথে আমার কাজ করার সুযোগ হয়েছে। আইন নিয়ে আমি অতি সামান্য কিছু পড়ালেখা ও কাজ করেছি।

এখন ফিলিস্তিন ও ইসরায়েল যুদ্ধে যে কোনো মুসলিম দেশ উদাহরণ “ইরান” এগিয়ে যাবে সেইখানে আর ফিলিস্তিন ইসরায়েল যুদ্ধ থাকবে না। সেইখানে যুক্তরাষ্ট্র ইরান যুদ্ধ লেগে যাবে।

বাদবাকী, আমি মন্তব্য ১০ ও ১১ এর প্রতিমন্তব্যে বলেছি। আশা করি আপনাকে বুঝাতে পেরেছি। আপনি ইসরায়েলের বাসিন্দা নন আমিও ফিলিস্তিনি নই। তারপরও যদি আপনার জানার থাকে প্লিজ জানাবেন, আমি আমার চেষ্টামতো ব্যাখ্যা দিয়ে উত্তর দিবো।

১৪| ২৭ শে অক্টোবর, ২০২৩ রাত ৮:২৭

জ্যাক স্মিথ বলেছেন: তাহলে কি এই জঙ্গি জঙ্গি খেলা কোনদিনই বন্ধ হবে না? হামাসের আক্রমণে নিহত ইসরাইলীদের সন্তানরাও তো বড় হয়ে ফিলিস্তিনে হামলা চালাবে? আর আমাদের মুক্তিযুদ্ধে অনেকেই বাবা-মা হরিয়েছেন তারা কি তাহলে পাকিস্তানিদের যেখানে পাবে সেখানেই আক্রমন চালাবে?

২৭ শে অক্টোবর, ২০২৩ রাত ৯:২৮

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



৫২ বছর পরেও পাকিস্তানিদের সাথে আমাদের সম্পর্ক কেমন? রাজাকার আলবদর আলশামস আমরা এখনও কাদের বলে থাকি। রক্তের বিনিময় ভয়ংকর। এইগুলো মুখের কথা না। মানবিক, মানবতার জয় - এইসব একপ্রকার জোকস।

মন্তব্য নং - ১০, ১১ ও ১৩ এর প্রতিমন্তব্যে আমি কিছুটা বিস্তারিত বলতে চেষ্টা করেছি। আশা করি আপনি আমার ব্যাখা পড়ে কম বেশী বুঝতে পারবেন।

আর কিছু জানার থাকলে প্রশ্ন করুন। আমি ব্যাখ্যা দিবো। আগামী পোস্ট ট্রায়াল -২ তে আরোও কিছু তথ্য লিখবো।

২৮ শে অক্টোবর, ২০২৩ রাত ১২:৫০

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



আমার কেনো জানি মনে হচ্ছে আমার আগামী পোস্ট পড়ে আপনি হয়তো আরো কিছু তথ্য খুব ভালো বুঝতে পারবেন। প্লিজ অপেক্ষা করুন। আমাকে লেখার সুযোগ দিন।

*** বেকুব হামাসের প্রতিনিধিও জানেনা কোন হামাস ইসরায়েল আক্রমণ করেছে! রাশিয়া তাঁদের তলব করেছে এই তথ্য জানার জন্যই। দেখা যাক, কি খবর আপডেট হয়। সমস্যা হচ্ছে এতোগুলো হত্যার দায়ভার এখন হামাস নিক আর ইসরায়েল, নিহত মানুষ তো আর ফিরে আসবেন না। আর গুরুতর আহত মানুষও আর আগের জীবন ফিরে পাবেন না।

১৫| ২৭ শে অক্টোবর, ২০২৩ রাত ৮:৩০

মাহমুদুর রহমান সুজন বলেছেন: এই পৃথিবীর মানুষগুলো বড্ড দ্বিচারী, আপনার পোষ্টে যতজন যুক্তি আওড়াতে আসবেন তাদের দেখবেন সবাই মানবিক বুলি আওড়াবে কৌশলে শোষকদের সাপোর্ট করে যাবে আর বলবে নির্যাতিতরা এমন করেই মরবে, ওদের মরা উচিৎ!

২৭ শে অক্টোবর, ২০২৩ রাত ৯:২৮

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



এমন এক অবস্থা হয়েছে। এই যুদ্ধ যে বা যেই দেশ থামাতে যাবে তার সাথে আমেরিকার যুদ্ধ বেঁধে যাবে। আগামী পোস্ট ট্রায়াল - ২ তে আমি আরাও কিছু তথ্য নিয়ে লিখবো।

মন্তব্য নং - ১০, ১১ ও ১৩ এর প্রতিমন্তব্যে আমি কিছুটা বিস্তারিত বলতে চেষ্টা করেছি। আশা করি আপনি আমার ব্যাখা পড়ে কম বেশী বুঝতে পারবেন।



১৬| ২৭ শে অক্টোবর, ২০২৩ রাত ৮:৩৮

আমি নই বলেছেন: অর্ক বলেছেন: পশ্চিম তীরের মানুষ প্রশ্রয় দেয়নি, সেখানে সমস্যা নেই।

মানুষ অন্ধ হলেতো কিছুই বলার নেই। জনাব, ৭ অক্টোবরের আগের কয়েক সপ্তাহে পশ্চিম তীরে ২০০+ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করা হয়েছে। ২০০ মানুষকে হত্যা করা যদি কোনো সমস্যাই না হয় তাহলে আপনি কতটা বিবেকবান সেটাতো বোঝাই যাচ্ছে।

২৭ শে অক্টোবর, ২০২৩ রাত ৯:৩৮

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



ইসরায়েলের এই আক্রমণ - এটি পূর্ব পরিকল্পিত আক্রমণ। হামাস কোনো বিষয় না। হামাস বলে এইখানে কিছু নেই। অকারণ অযথা হামাসকে চিহ্নিত করা হয়েছে। ফিলিস্তিন ইসরায়েলের হাতের তালুতে বসবাস করে এইখানে হামাস কিভাবে তৈরি হবে? অতি সাধারণ প্রশ্ন।

১৭| ২৭ শে অক্টোবর, ২০২৩ রাত ৯:০০

নিমো বলেছেন: লেখক বলেছেন: আমেরিকা ইরান যুদ্ধ লেগে যাবে।
সেটা এমনিতেও লাগবে।এর জন্য ফিলিস্তিন বা মুসলিমের প্রয়োজন নাই। আমেরিকা আদতে রোমান সাম্রাজ্যকেই ধারণ করে, আর গ্রীস, রোমান, পারস্য এগুলো প্রাচীন আমল থেকেই দ্বন্দ্বে লিপ্ত। আমরা যতই বিশ্বায়নের আলাপ দেই না কেন, প্রাচ্য-পশ্চিমের দ্বন্দ্ব এত সহজে মেটার নয়। ভালো থাকুন।

২৭ শে অক্টোবর, ২০২৩ রাত ৯:৩৩

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



মন্তব্য নং - ১০, ১১ ও ১৩ এর প্রতিমন্তব্যে আমি কিছুটা বিস্তারিত বলতে চেষ্টা করেছি। আশা করি আপনি আমার ব্যাখা পড়ে কম বেশী বুঝতে পারবেন।

আগামী পোস্ট ট্রায়াল - ২ তে আমি আরোও কিছু তথ্য লিখবো। আশা করি আপনাকে পাবো।

ধন্যবাদ।

১৮| ২৭ শে অক্টোবর, ২০২৩ রাত ১০:১৯

বিষাদ সময় বলেছেন: ইসরায়েল দ্বারা পাল্টা আক্রমণের পেছনে হামাসের আক্রমণ একটি সাজানো আক্রমণ। যাতে করে ইসরায়েল ফিলিস্তিনকে আক্রমণ করতে পারে। - (আমি সময় সুযোগ করে বিস্তারিত লিখবো)

এ ধরণের কল্পিত বিশ্বাসের কারণেই আজ আমাদেের মত মুসলিমদের এই অবস্থা। এ কথার পরিপ্রেক্ষিতে আপনি যদি ১০০১ টা প্রমাণও হাজির করেন তাও তা বিশ্বাসযোগ্য হবে না। কারণ আপনার এই বক্তব্য ইহুদি বা খ্রিস্টনদের বেসিক কিছু পলিসিকে ভায়োলেট করে।

এখনকার শিশুরা যদি বুদ্ধিমান হয় তবে হামাসে কখনও যাবে না। আর যদি নির্বোধ হয় তবে যাবে। নিজেদের সুসংগঠিত না করে শুধু শুধু কেউটে সাপের লেজে পা দিলে কি হয় তা শিশুরা বুঝতে পারছে। এখনকার যে কোন শিশুর বড় হয়ে প্রথম চিন্তা থাকা উচিত নিজেদের শক্তি বাড়ানো এবং সংগঠিত হওয়া। ইসরাইলিরা হাজার বছর মার খেয়ে খেয়ে তারপর আজকের এ অবস্থানে এসেছে। তারা যদি এ অবস্থানে আসার আগেই নিজের গায়ে বোমা লাগিয়ে যেখানে সেখেনে হামলা করাতো তাহলে আজ তাদের দশা ফিলিস্তিনিদের মত থাকতো। যে কোন কাজ করতে হয় মাথা খাটিয়ে প্রতিশোধের নেশায় উন্মক্ত হয়ে না। ধন্যবাদ।

২৭ শে অক্টোবর, ২০২৩ রাত ১০:৩৯

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



আরব বসন্ত কে বা কারা গঠিত করেছে, মিডিয়া মার্কেটিং কে বা কারা করেছে? আরব বসন্তে কে বা কারা লাভবান হয়েছে। ইরাক, লিবিয়া, সিরিয়া ইয়েমেন, বর্তমানে ইরান? কে বা কারা আক্রমণ করতে চাচ্ছে, কেনো?

ইহুদি আর খ্রিষ্টানদের কোনো পলিসি ভায়োলেট করে না, কখনো করবেও না। ইসরায়েলের হাতের তালুতে বসবাস করে ফিলিস্তিন। ফিলিস্তিনের মূর্খ মানুষ তাঁরা প্যারাগ্লাইডার জাম্প ট্রেইনিং কোথায় কোন দেশে নিয়েছে? কিভাবে সম্ভব? প্রশিক্ষণ ছাড়া আপনি একটি কাগজের ঘুড্ডি উড়াতে পারবেন? কি মনে হয়?

যাদের কিছু নেই, তাদের কিছু নেই। কি জন্ম আর কি মৃত্যু আর কি প্রতিশোধ। এই হচ্ছে ফিলিস্তিন। ফিলিস্তিনের নিরপরাধ নিহত মানুষের প্রতি সমবেদনা।

আপনাকেও ধন্যবাদ।

১৯| ২৭ শে অক্টোবর, ২০২৩ রাত ১১:১৭

বিষাদ সময় বলেছেন: ফিলিস্তিনের নিরপরাধ নিহত মানুষের প্রতি আমারও সমবেদনা। মূল কথা হওয়া উচিত যে কোন নিপরাধ মানুষকে হত্যা করা হোক না কেন তা নিন্দনীয়।

আমি অঙ্জ মানুষ দু তিনটি পয়েন্ট শুধু উল্লেখ করবো-
১. প্রত্যেক ইহুদির কাছে তাদের একজন স্বজাতির জীবন অত্যন্ত মূল্যবান। তারা নিজেদের হাজার বাদ দিলাম শত শত নাগরিকের জীবন সামান্য অজুহাত সৃষ্টির জন্য কখনও বিপন্ন করবে না।
২. ফিলিস্তিন আক্রমণ করার জন্য ইসরাইলের সামান্য অজুহাত হলেই চলতো এক্ষেত্রে কয়েকটা কারখান বা বিল্ডিং এ রকেট ছুড়ে ধব্ংস করাটাই এ অজুহাত সষ্টির জন্য যথেষ্ট ছিল।
৩. একটা রাষ্ট্রের অভ্যন্তরে্ এ ধরণের একটা আক্রমণ চালাতে (নাটকও যদি হয়) দেয়া উন্নত কোন রাষ্ট্র কল্পনায়ও আনবে না।

রেড স্কয়ার এর উপর দিয়ে নাকি একটা পাখিও উড়ে যেতে পারে না। তারপরও সবার অজান্তে বিমান ল্যান্ড করে। পেন্টাগনের সিকিউরিটি সিস্টেম হ্যাক হয় । কাজেই অস্বাভাবিক কিছু হলেই নাটক মনে করাটা ঠিক না। ধন্যবাদ।

২৮ শে অক্টোবর, ২০২৩ রাত ১২:১০

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



ইসরায়েলীরা ফিলিস্তিনিদের দীর্ঘদিন ধরে হত্যা করছে। ফিলিস্তিনিরাও কিছু ইহুদি / ইসরায়েলী হত্যা করেছে। কিন্তু মূল টার্গেট এইখানে ফিলিস্তিন না। ফিলিস্তিন আগে পরে ইসরায়েলীরা দখলে নিবে। ফিলিস্তিনি হবে নিজ ভূখন্ডে যাযাবর রিফিউজি। ইসরায়েল ফিলিস্তিন যুদ্ধে আরব দেশ, ইরান সহ যেকোনো দেশ জড়ানো বিপদজনক।

উন্নত রাষ্ট্র অনেক অনেক কিছু করে। যা জানার মতো জ্ঞানের পরিধি আমার ও আপনার মতো সাধারণ মানুষের নেই।

পেন্টাগন কখনো হ্যাক হয়েছে বিষয়টি আমার কাছে সিনেমার গল্প মনে হয়। সত্য মিথ্যা জানি না। নিউজ মিডিয়া সিনেমা অনেক কিছু তৈরি করে যা বাস্তব সত্য নয়। যাইহোক, হতে পারে, আবার নাও হতে পারে। জানা নেই এই বিষয়ে।

ধন্যবাদ।

২৮ শে অক্টোবর, ২০২৩ রাত ১২:৪৯

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



আমরা বাংলাদেশী মানুষ জাতি হিসেবে কিছুটা বা বেশ ইমোশনাল জাতি। ফিলিস্তিন ইসরায়েল যুদ্ধে আমরা সবাই কম বেশী মর্মাহত। দুঃখ পাচ্ছি, কষ্ট পাচ্ছি। আপনি আমার মন্তব্য পড়ে হাসছেন ভালো কথা। দুঃখের দিন সবাই হাসতে পারেন না। আপনি হাসছেন হাসুন। পৃথিবীর প্রতিটি যুদ্ধে প্রত্যক্ষ্য বা পরোক্ষাভাবে যুক্তরাষ্ট্র জড়িত থাকে। যুদ্ধের কারণে ডলারের সূচক নেমে গিয়েছে এমন তথ্য আমার জানা নেই, আপনার জানা থাকলে জানাবেন প্লিজ। যতোটুকু জানি - ডলারের দাম বেড়েছে, জালানী তৈলের দাম বেড়েছে, কেরোসিন তৈলের দাম বেড়েছে। লবনের দাম বেড়েছে। খাদ্যদ্রব্যের দাম বেড়েছে।

ইরাক যুদ্ধে আমেরিকার কি হয়েছে কতো লোন ধার দেনা হয়েছে সত্য মিথ্যা কিছুই জানি না। তবে ইরাক শেষ। আগামী ১০০ বছর পরেও ১৯৯০ সনের ইরাক হতে পারবে না। ইরাকের যেই সকল মানুষের বাসাবাড়িতে বাংলাদেশী মানুষ হাউজ ড্রাইভার ছিলো, সেই সকল ইরাকি পরিবার এখন রাস্তাঘাটে রিলিফের রুটি আর আটার জন্য তপ্ত রোদে ট্রাকের পেছনে দৌড়ায়। - এটি ব্লগের গল্প নয়। সত্য ঘটনা।

গাজী সাহেবের পোস্টে এই ধরণের ভারী মন্তব্য আসলে ঠিক নয়। গাজী সাহেবের স্মৃতিশক্তি ১৫ মিনিট। অনেকটা গজনী নামক হিন্দি সিনেমায় আমির খানের অভিনয়ের মতো।

ধন্যবাদ।

২০| ২৮ শে অক্টোবর, ২০২৩ দুপুর ১২:৩১

মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: @বিষাদ সময়ঃ

নিজেদের সুসংগঠিত না করে শুধু শুধু কেউটে সাপের লেজে পা দিলে কি হয় তা শিশুরা বুঝতে পারছে।

হামাস প্রথমত একটা সমাজ সেবা দানকারী স্বে্চ্ছা শ্রমের মাধ্যমে কাজ করা সংগঠন। এদের সবাই ফিলিস্তিনী আদিবাসী, ভুমিপু্ত্র। তারা থেকে উড়ে এসে জুড়ে বসা কোন উদ্বাস্তু না, যেমনটা হলো ইউরোপিয় ইহুদিরা। সুতরাং সব ফিলিস্তিনীরা হামাস নয় কিন্তু সব হামাসই ফিলিস্তিনী।

অন্যদিকে ইউরোপ থেকে উড়ে এসে জুড়ে বসা তথাকথিত ইহুদি বেসামরিক মানুষেরা প্রত্যেকেই সামরিক প্রশিক্ষন প্রাপ্ত। মাত্র ১২ ঘন্টা বার এরও কম নোটিশে এরা স্বসস্ত্র হয়ে প্রান সংহারী সৈনিকে রূপান্তরিত হয়। আর যখন এদের ভূমিকা অবৈধ দখলদার বসতি স্হাপনকারীর হয়, তখন এরা সর্বদাই অস্ত্র বহন করে। এসব অস্ত্রধারী বেসামরিক (?) ইহুদিরা যে কি, তা হাড়ে হাড়ে উপলব্ধি করছে পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনীরা।

পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনীরা তো অনেক জ্ঞানী। গাজার ফিলিস্তিনীদের মতো মূর্খ (আপনারা তাই ভাবেন) নয়। তারা গাজার ফিলিস্তিনীদের মতো স্বসস্ত্র আন্দোলন করে কেউটে সাপের লেজে পা দেয় না। কিন্তু তাই বলে কেউটে সাপ কি ছেড়ে দেয়? ফলাফল হলো এই যে পশ্চিম তীরে,

/এখনও কোন কারন ছাড়াই গুলি করে ফিলিস্তিনী বেসামরিক মানুষকে কেউটে সাপে মেরে ফেলে।
/১০ বছর বয়সী ফিলিস্তিনী শিশু থেকে শুরু করে যাকে খুশি তাকেই তারা ধরে নিয়ে জেলে পুরছে।
/ইসরাইলি সরকারের প্রতক্ষ্য সহযোগিতায় সমানে ফিলিস্তিনীদের জমি বসতি স্হাপনকারীরা জোর করে কেড়ে নিয়ে যাচ্ছে। (যা সর্বশেষ অসলো চু্ক্তির সরাসরি লংঘন।)

নিজেদের সুসংগঠিত বলতে আপনি কি বুঝাতে চাইছেন? ইসরাইলিরা কি কোন পথ খোলা রেখেছে যে ফিলিস্তিনীরা সে পথ অনুসরন করে নিজেদের সুসংগঠিত করবে? নিরস্ত্র হলেও ইসরাইলিরা তার সম্মান রাখছে না উল্টো চুক্তির বরখেলাপ করছে। তাহলে আপনিই বলেন কিভাবে তারা নিজেদের সুসংগঠিত করবে? ৫০, ৬০, ৭০ দশকের মত বাকি আরব দেশগুলো কি এখন ফিলিস্তিনীদের জন্য লড়বে?

বাপ দাদার জমি জীবনের চাইতেও মূল্যবান। এই জমি একবার হাতছাড়া হলে আর ফেরত পাওয়া যাবে না, এটা ফিলিস্তিনী ছোট শিশুও বোঝে যা আপনাদের মত মানসকিতার মানুষ বোঝে না। জীবন বিসর্জন দিয়ে হলেও যদি জমি রক্ষা করা যায় তবে তার সুফল ভোগ করবে পরবর্তী ফিলিস্তিনী প্রজন্ম।

২১| ২৮ শে অক্টোবর, ২০২৩ রাত ১১:৩৪

রাজীব নুর বলেছেন: আপনারা ইজরাইল ফিলিস্তিন নিয়ে অনেক জানেন।
আমি কিছুই জানি না। এজন্য চুপ আছি।

২৯ শে অক্টোবর, ২০২৩ রাত ১২:৪৪

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



বোঝজ্ঞান হওয়ার পর থেকে ইসরায়েল ফিলিস্তিনির যুদ্ধ রেডিও খবরের কাগজ তারপর সাদাকালো টিভিতে দেখছি। এই যুদ্ধ তো আজকে কালকের যুদ্ধ না। লক্ষ লক্ষ ফিলিস্তিনি হত্যা হয়েছে হয়তো বা কোটিও হতে পারে। জানি না।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.