| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ওয়াদুদ সোহেল মোল্লা
Founder & Editor-in-Chief: priyobarishal.com | Journalist | Construction & Real Estate Expert

সকালবেলা ঘুম থেকে উঠেই কান্নার আওয়াজ কিংবা গাড়ির হর্নে মেজাজটা পিত্তি জ্বলে যায়। মনে হয়, এই শহরে কি শান্তিতে একটু পা ফেলার জায়গা নেই? ৫৮ বর্গকিলোমিটারের ছোট্ট একটা জায়গা, অথচ মানুষ গাদাগাদি করে বাস করছে প্রায় আট লাখ। রাস্তাঘাট যা আছে, তা তো ব্রিটিশ আমলের মতো সরু। তার ওপর যোগ হয়েছে হাজার হাজার ব্যাটারিচালিত রিকশা আর হলুদ অটোরিকশার রাজত্ব।
রাস্তায় নামলেই মনে হয় জীবনটা হাতের মুঠোয় নিয়ে ঘুরছি। চালকদের কোনো ট্রেনিং নেই, ব্রেক ঠিকমতো কাজ করে কি না কে জানে! বিআরটিএ-র কর্তাব্যক্তিরা বলছেন, শহরে নাকি প্রায় ২৮ হাজার অবৈধ থ্রি-হুইলার দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। ভাবা যায়? একটা সিটির প্রায় অর্ধেক বাহনই অবৈধ! প্রতিদিন ঘটছে দুর্ঘটনা, মানুষ আহত হচ্ছে, কেউ কেউ প্রাণও হারাচ্ছে।
সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো, প্রশাসন যখনই একটু পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করতে যায়, তখনই নাকি কোনো এক রাজনৈতিক দলের অদৃশ্য হাত এসে সব ওলটপালট করে দেয়। রাজনৈতিক নেতারাই যদি এই অনিয়মের পক্ষে দাঁড়ান, তবে সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে? আমরা কি একটু মুক্ত বাতাসে বাঁচতে পারব না? নাকি এই যানজট আর বিশৃঙ্খলাই আমাদের ভাগ্যে লেখা হয়ে গেছে? প্রশ্নটা আজ সবার কাছেই রইল।
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৬:৪২
ওয়াদুদ সোহেল মোল্লা বলেছেন: একদম ঠিক বলেছেন ভাই। শুধু ট্রাফিক পুলিশ নয়, পুরো সিস্টেমটাই যেন একটা শৃঙ্খলার বাইরে চলে গেছে। এভাবেই চলতে থাকলে শহরটা একসময় পুরোপুরি অচল হয়ে পড়বে। সময় থাকতেই আমাদের এ নিয়ে কথা বলা উচিত। ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
©somewhere in net ltd.
১|
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১২:১২
অধীতি বলেছেন: ভোট একটা ফ্যাক্ট; ভোট পাবার জন্যই এরকম। দুর্ণীতি আরেকটা ফ্যাক্ট; এদের থেকে নেওয়া চাঁদা দিয়েই চলে রানৈতিক ক্যারিয়ার।