| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
কাজী ফাতেমা ছবি
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। লেখকের অনুমতি ব্যতীত যে কোন কবিতা, গল্প, ছড়া, ছবি পোস্ট করা হতে বিরত থাকবেন।
জানুয়ারী শেষের পথে। নতুন বাড়ীতে একমাস হয়ে গেল। এখনো গুছানো হয়নি। প্রতিদিনের নিয়ম কানুন অনেকটা পাল্টে গেছে। সকালে অফিসে আসার সময় এত তাড়াহুড়া বাপরে বাপ। রেডি হয়েও কাজ করি। ঘর ঝাড়ু দিয়ে আসি। তবুও কাজের শেষ নাই। একটা সংসার যে কত কাজ। মেয়েরা এই বিষয়টা ভালো বুঝে। বাংলাদেশের ছেলেরা মেয়েদের কাজে সাহায্য কম করে। হয়তো কেউ কেউ একটু বেশী করে। কিন্তু বেশীর ভাগই হেল্প করে না। আমি পড়ছি দুই নাম্বারে। মানে এরা মেয়েদের কাজকে হেলা করে। বলে ছেইড়ান্তের কাজ ছেড়াইন্তে করতো ক্যারে। ইগোতে লাগে। তবুও তাসীনের বাপ অনেকটা হেল্প করে। মোটামুটি হেল্প। আমরা যে কাজ করি এসব কাজকে ছেলেরা কাজই মনে করে না। ১২৮০ বর্গফুটের একটা বড় রুম ঝাড়ু দিতে গিয়ে দেখি হাত ব্যথা হয়ে যায়। ডুপ্লেক্স করাতে দুই তলাতে বড় রুম সহ ৬ টা রুম। তাছাড়া রান্নাঘরতো আছেই। রান্নাঘর পরিস্কার করতে গিয়ে প্রতিদিনই ১২টা বেজে যায়। ঘুমোতে যাই সাড়ে বারোটায়। এখনো হেল্পার রাখিনি অগুছালো ঘর বলে। ঘর গুছানো বা পরিস্কার না করলেও কেউ কিছু বলার নাই। কিন্তু নিজের কাছেই খারাপ লাগে, নতুন বাড়ী অপরিস্কার থাকলে।তাই প্রচুর কষ্ট করি রোজ। চাকুরী না থাকলে ধীরে ধীরে সব করা যেতো।
ভোরে উঠি-সাড় পাঁচটায়-রান্না শেষে হাঁটি, হেঁটে এসে আবারও কাজ, ছেলের টিফিন রেডি সহ বেডাদের খানা খাদ্য, নিজের খাওয়া উফ কী যে পেরেশানি সারাটা দিন। আগের মত মোবাইলে বসতে পারি না। অফিসে এসে হাফ ছেড়ে বাঁচি। অফিসটাই যেন রেস্টের জায়গা। ঘুম মাত্র ৫ ঘন্টা হয়। ভোটের মৌসুম রাস্তায় যানজট প্রায়ই লেগে থাকে। কী যে দূর্ভোগ রাস্তাঘাটে অলিগলিতে।
এই কথাগুলো সামিয়া ইতির- আমার মনের কথাও এটা।
”এভাবে একদিন আমরা থামব। রাস্তার ধারে দাঁড়াব একা খুব নিরবে। কথা বলব না, বুঝবো সেদিন; জীবনের সব সুখ খুব গোছানো জায়গায় থাকে না। কিছু সুখ ছড়ানো থাকে। কিছু তৃপ্তি দেরিতে আসে। সেদিন হয়তো নিজের কাছে আর এতটা দুঃখী থাকব না। নিজের পাশেই একটু সুখী হয়ে বসে থাকব।”
আসলে কিছু তৃপ্তি দেরীতে আসে আবার একেবারও আসে না। আমার তৃপ্তি দেরীতেও আসবে না। কারণ আমার পাশে সমমনা কেউ নেই। যার বা যাদের কাছে কারণে অকারণে দরকারী অদরকারী কথা অকপটে বলতে পারবো। আমি অন্যরকম মানুষ। মনে হাজার সুখ ছড়ানো-কিন্তু সুখগুলো গুছিয়ে দেয় না কেউ, গুছিয়ে দেয়ার মত মন নেই এখানে কারো। আমার পাশে যারা আছে তাদের সাথে আমার মেপে মেপে কথা বলতে হয়। একটা কথা বা আবদার নিয়ে তাদের কাছ থেকে দশবার ফেরত আসি-বলবো-নাকি বলবো না; বললে কী হবে- মন খারাপ হবে নিশ্চয় এমন করতে করতে জীবনের ২৫ বছর কেটে গেল। আর সময় হবে না আর সময় আসবে না আমার হয়ে। অনর্গল কথা বলার মত সঙ্গী পাওয়া মুশকিল। যারা কথায় কথায় ভুল ধরে - কথার উত্তর দিলে তর্ক বলে - তাদের সাথে আমার খুব কম কথা হয় অথচ কতটাই আপন লোকগুলো। এর চেয়ে আপন হয়ে কেউ আসার সুযোগ বা সময়ও নেই। এই অতৃপ্তি নিয়েই পরপারে জমাবো পাড়ি। হয়তো বিধাতা আমার জন্য পরপারে কল্যাণকর কিছু রেখেছেন সেই আশায় তাঁকে ডেকে ডেকে, শুদ্ধ থেকে জীবন পথে হেঁটে যাচ্ছি অবিরত।
====================================================================
২৭ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:১৮
কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: আকাইমা তো আকাইমা , তোরা নিজেরারে নিয়া বিজি থাক্ । অন্যের পিছনে লাগস ক্যারে। এরা দিনের তারাও গুইনা শেষ করতে পারে না দেখি
ছোট জায়গা তো তাই ডুপ্লেক্স, কিন্তু কষ্ট বেশী। কিছু আনতে মনে না থাকলে , আবার সিঁড়ি বাইয়া উঠতে হয়, আবার নামতে হয়। বয়স বাড়লে এই টানা হ্যাচড়া আর পারমু না
সময়ের জন্য পরিস্কার রাখা যাচ্ছে না
ফেসবুকের পোক এর মত.... কারো কারো খোঁচা মন্দ লাগে না আবার কারো খোঁচা সহ্য হয় না। কিত্তাম
থ্যাংকিউ সো মাচ। দাওয়াত রইলো বাড়ীতে
২|
২৭ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:১৫
সৈয়দ মোজাদ্দাদ আল হাসানাত বলেছেন: লেখা আর কবিতা পড়ে হাসি পাচ্ছে খুব।
৩|
২৭ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:২০
বাজ ৩ বলেছেন: আপনার নতুন বাড়ির জন্য অনেক অনেক দোয়া এবং শুভকামনা রইলো,আর কবিতা সুন্দর হয়েছে,হাসতে হাসতে অবস্তা টাইট
৪|
২৭ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:২১
বাজ ৩ বলেছেন: রাজীব নূরের মাথা অর্ধেক ভালো
৫|
২৭ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:৩০
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
আপার ভক্ত হলে ভারত যাবে কেন রাজীব ভাই! উনি একজন খাঁটি দেশপ্রেমিক।
আপনি যে ভাষায় ছড়াটা লিখেছেন, তা শব্দের অপচয়।
মনমেজাজ ভালো না থাকলে, কাঁদুন। মন হাল্কা হবে।
কিন্তু, শব্দের অপব্যবহার করে বিশ্রী ছড়া উৎপাদন আপনার নিজের জন্যেই ক্ষতিকর।
এতে আপনি নিজে আরও অসুস্থ্য হয়ে যাবেন।
রাজীব ভাই উনার পরের পোস্টেই আপনার কাছে ক্ষমা চেয়ে বসতে পারেন। তখন ব্লগাররা শুধু আপনার কদর্য ভাষা প্রয়োগ মনে রাখবেন।
৬|
২৭ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৩
সামিয়া বলেছেন: আপু আপনার লেখায় আমার কোটেশন ব্যবহারে খুশি হয়েছি, মাশাআল্লাহ আপু অনেক বড় বাড়ি আপনার তবে মেইনটেনেন্স এর জন্য অবশ্যই দুজন হেল্পার দরকার আপনার, এভাবে একা এত খাটাখাটনি করে অসুস্থ হয়ে পড়লে তো বিপদ, ঘড় গোছানোর জন্য অন্তত ছুটা বুয়া নিয়ে নিন এখুনি, কোথায় কি রাখবেন ওদের সাথে সাথে থেকে করিয়ে নিবেন। আরেকটি কথা মানসিক স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে মন খুলে কথা বলা দরকার। আপনার তো আপু আমাকে দরকার আমি বুঝতে পারছি, কারন আমার সাথে যারা কথা বলে সবাই অনেক শান্তি পায়, আমি যখন কোন বান্ধবীর সাথে দেখা করি তখন ওরা বলে তোকে পছন্দ করেনা এমন মানুষ পৃথিবীতে নেই, এটা অবশ্য ওরা ভালোবেসে বলে, ইয়ে সরি নিজের প্রসংসা করে ফেলছি। ![]()
৭|
২৭ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৫:৩১
বাজ ৩ বলেছেন: পোস্টটি নিয়ে লম্বা চওড়া একটি মন্তব্য করার ইচ্ছা ছিলো,কিন্ত যতটুকু না বললে হয়না,তা হলো-
প্রিয় আপা,আপনার পোস্টের ভাব এবং স্রোত আবেগ থেকে নির্গত হলেও,ইহা বিপদসীমার ০.৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে,পোস্টটি সরিয়ে ফেলার জন্য বিবেচনা করতে পারেন।বাকিটা আপনার ইচ্্ছা
২৭ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫০
কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: বদ গুলারে নিয়া লেখা মুছে দিছি। হইছে?
৮|
২৭ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:৩২
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: হয়তো বিধাতা আমার জন্য পরপারে কল্যাণকর কিছু রেখেছেন
............................................................................................
আমাদের হুজুররা বলেন এপারে কাজর্কমর ফল ওপারে গিয়ে ভোগ
করতে হবে । যারা ধর্ম মানেন তাদের এই ফ্রেমে আসতেই হবে ।
যারা নাস্তিক তারা খুব ভালো আছে , খাও দাও ফুর্তি কর কোন চিন্তা নাই ।
তবে একটা বিষয় আমাকে প্রতিদিন ভাবায়,
জাপানে তাদের কোন ধর্ম পালন করতে দেখি নাই, কিন্ত অত্যন্ত সৎ
আমরা মুসলিম তবে অসৎ আর মিথ্যাবাদী, এটাই আমাদের বর্তমান
পরিচয়, যে কারনে বিদেশী দূতাবাস সমূহ ভিসা দেওয়া বন্ধ করে দিচ্ছে ।
৯|
২৭ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:২৭
বাজ ৩ বলেছেন: জী মুছে দিয়ে ভালো হয়েছে আমার মতে,আমার পূর্বের মন্তব্যগুলাও মুছে দেন আপু,কারন এগুলো এখন অর্থহীন
©somewhere in net ltd.
১|
২৭ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:১৪
ভুয়া মফিজ বলেছেন: রানু আর চাগার কথা বাদ দ্যান। উহারা আলোচনায় থাকার জন্যই এইসব করে। বাস্তব জীবনে আকাইম্যা মানুষরাই সোশ্যাল মিডিয়াতে আইসা রাজা-উজীর মারে!!! উহাদেরকে রাইতের তারা গোনার আনন্দ পাইতে দ্যান।

কথা হইলো.........আপনের বাড়ি যে ডুপ্লেক্স এইটা সবাই জাইনা গেলো। ভবিষ্যতে এইটা নিয়া খোচা খাওনের জন্য তৈরী থাইকেন।