| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
কলিমুদ্দি দফাদার
“ঘুরছি আমি কোন প্রেমের ই ঘুর্নিপাকে, ইশারাতে শিষ দিয়ে কে ডাকে যে আমাকে”
দেশ এখন অর্থনৈতিক সংকটে বিপর্যস্ত। ব্যাংকে তারল্য সংকট, টাকার অবমূল্যায়ন, অর্থ পাচারসহ নানা বহুমুখী সমস্যার সম্মুখীন। ইউনূস সরকার দেশীয় ব্যাংকগুলো থেকে ঋণ নিয়ে কোনোভাবে জোড়াতালি দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেছে। দেশ চালাতে অর্থের প্রয়োজন। বিএনপি সরকারের হাতে পর্যাপ্ত অর্থ নেই, তাই ব্যাংকে রাখা অর্থের ওপর ডিউটি-ট্যাক্স, হুন্ডা-বাইক, অটোরিকশাসহ নানা অযাচিত খাতে কর বসানো হচ্ছে। এর ফলে জনমনে বিরূপ প্রভাব পড়ছে এবং সরাসরি মানুষের জীবনযাত্রা ব্যহত হচ্ছে।
একটি দেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধার ও বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। এর সঙ্গে জড়িত দেশের অবকাঠামো উন্নয়ন, অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিতকরণের মতো মৌলিক বিষয়গুলো। বর্তমান সময়ে বাংলাদেশে এই সংকট মোকাবিলা করা প্রায় অসম্ভব বলে মনে হচ্ছে।
আমার মতে, সাময়িক সমাধান হিসেবে দেশে মদ্যপানের দোকান ও বারগুলোর বৈধতা দেওয়া এবং অনলাইন বেটিং সাইটগুলোর লাইসেন্স উন্মুক্ত করে ফেলা যেতে পারে। মদ্যপান, ক্যাসিনো ও জুয়ার সঙ্গে পর্যটন শিল্প জড়িত। তাই আশা করা যায়, বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা বাড়বে, দেশীয় পর্যটন স্পটগুলো আরও সমৃদ্ধ হবে এবং সরকারি কোষাগারে অতিরিক্ত অর্থ জমবে।অন্যদিকে ইয়াবাসহ মাদকের প্রভাবে ইতোমধ্যেই সামাজিক অস্থিরতা চরমে পৌঁছেছে। তাই সরকারের উচিত মাদকের বিরুদ্ধে আরও কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে শুধুমাত্র মদ্যপানীয়কে সহজকরণ করা।
০১ লা জুন, ২০২৬ রাত ১১:১৪
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
মদ্যপান-ক্যসিনোর জন্য মানুষ ভিন্ন দেশে যায়? বিশ্বের সবচেয়ে বেশী ভ্রমনকৃত দেশ ও শহরগুলোতে মদের বার- ক্যাসিনো আছে নাকি নাই? সৌদির মতো দেশ শরিয়া, ধর্মীয় বিধি-নিষেধ পাশে রেখে কেন কনসার্ট বা বার, ক্যাসিনো, রিসোর্ট রেখে আলাদা পর্যটন কেন্দ্র বানাচ্ছে?
অপ্রতুল পর্যটক অবান্ধব যোগাযোগ ব্যবস্থা, শ্রীলঙ্কা, নেপালের যোগাযোগ ব্যাবস্থা বাংলাদেশ থেকে ভালো নাকি খারাপ সেখানে এতো পর্যটক কেন?
২|
০১ লা জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:৫৮
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: সব দোষ শেখ হাসিনার ।
০১ লা জুন, ২০২৬ রাত ১০:৪৮
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
শেখ হাসিনার সাথে একটু সূদির নামটা ও যোগ করেন.....
৩|
০১ লা জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৪
মাথা পাগলা বলেছেন: মধুচক্রের সাজেশনটা বাদ পড়ে গেসে।
০১ লা জুন, ২০২৬ রাত ১০:৫০
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
আরো একটু খোলাসা কইরা বলেন। সব মাথার উপর দিয়ে যাইতেছে।
৪|
০১ লা জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৭
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
পর্যটক বাড়াতে পর্যটন স্থানগুলোতে নিরাপত্তা বাড়াতে হবে।
আর, সাদা চামড়া দেখলে বাজে ভাবে তাকানোটা বন্ধ করতে হবে।
০১ লা জুন, ২০২৬ রাত ১১:০৬
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
পর্যটন সেক্টর একটি ইকোসিস্টেম চলে। ধরেন কেউ সারারাত নিরাপদে এক লাখ ডলার ক্যাশ নিয়ে চলাফেরা করলো মাগার মনোরঞ্জনের জন্য কিছু পাইলো না তখন পর্যটক আসবে?
৫|
০১ লা জুন, ২০২৬ রাত ৮:৫৬
রাসেল বলেছেন: মুখে মিষ্টি মিষ্টি কথা এবং দুর্নীতিতে সেরা হওয়া দেশ "টেকসই অর্থনীতি" পাবে; হাসি, কান্না ও লজ্জা হয়।
০১ লা জুন, ২০২৬ রাত ১১:০৯
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
দেশে স্বর্গীয় সূরা আনার ব্যবস্থা করেন সব ঠিক হইয়া যাইবো.....
©somewhere in net ltd.
১|
০১ লা জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:২৫
আলামিন১০৪ বলেছেন: এই দেশে মদ সহজলভ্য করলে পর্যটক বাড়বে বলে আপনার ধারনা?
মদ্যপান-ক্যসিনোর জন্য মানুষ ভিন্ন দেশে যায়?
বাংলাদেশ পর্যটকদের জন্য অনুকুল নয়। অপ্রতুল পর্যটক অবান্ধব যোগাযোগ ব্যবস্থা, পাশে একই রকম কৃষ্টি-সংস্কৃতিসমৃদ্ধ বৃহৎ দেশ থাকতে বাংলাদেশে বর্হিবিশ্বের কেউ আসতে চায় না।