নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অপ্রিয়বক্তা।

অন্তর্জাল পরিব্রাজক

অসাধারণ নই, সাধারণ এক মানুষ।

অন্তর্জাল পরিব্রাজক › বিস্তারিত পোস্টঃ

হাসিনা কি সত্যি প্রত্যাবর্তন করবেন?

০৫ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:৫৩




নানা খবর আর প্রচার প্রোপাগান্ডা শুরু হয়েছে পতিত স্বৈরাচার হাসিনার দেশে প্রত্যাবর্তন নিয়ে। রাজপথে এর কোনও উল্লেখযোগ্য প্রভাব না থাকলেও অনলাইনে আওয়ামী লিগারদের প্রচার প্রোপাগান্ডা আর ভারত সরকারের কর্মকাণ্ড সে ধরণের বড় কিছুর ইঙ্গিত দিতে চাচ্ছে। কথা হচ্ছে তারা কি সত্যি ফিরে আসবে দেশে?
২৪ এর গণঅভ্যুত্থানের পর ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসা এবং তারপর ফের বিএনপির ক্ষমতায় আরোহণ নানা বিতর্কে যে ভরা তাতে কোনও সন্দেহ নেই। একদিক দিয়ে বিচার করলে বাংলাদেশে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশ যেভাবে বিনষ্ট হয়েছে তাতে করে অভ্যুত্থানের পর সহসাই সব কিছু এক্কেবারে ঠিকঠাক হয়ে যাবে এই নিশ্চয়তা কিন্তু কখনোই ছিল না। অনেকে হয়তো প্রশ্ন করতে পারেন তাহলে এই অভ্যুত্থান করে কি লাভ হলো! অনেকে এমনও বলতে পারে যে তাহলে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা থেকে হঠিয়ে লাভ কি হল। অনেকে আবার নানা জাস্টিফিকেশনও দাঁড় করাতে পারেন যে এর চেয়ে আওয়ামী লীগই ভালো ছিল বা হয়তো টিপিক্যাল আওয়ামী লীগের দালালদের মতো তাদের পক্ষেই ওকালতি করতে আসতে পারে। যাই হোক না কেন, কথা হচ্ছে এদেশের যে বুর্জোয়া শাসনব্যবস্থা দীর্ঘ একটা সময় ধরে বিকাশ লাভ করেছে তার মধ্যে নানা দিক থেকে বহু ধরণের গুরুতর ত্রুটি বিচ্যুতি আছে। বিশেষ করে রাজনৈতিকভাবে গণতন্ত্র চর্চার অভাব, প্রচণ্ড মাত্রার দুর্নীতি ( তা যে দলই ক্ষমতায় আসুক না কেন), দুর্নীতি ও দুর্নীতিবাজদের নানাভাবে প্রশ্রয়দান, লুটপাট, মিথ্যাচার এবং দেশের স্বার্থবিরোধী নানা কাজ কারবার যেগুলো প্রত্যেকটি সরকারই করেছে এবং আজও করছে। এগুলোই এদেশের এইসব শাসকগোষ্ঠীর শ্রেণীচরিত্র। এর জন্য ঠিক নির্দিষ্ট কোনও দলকে সেভাবে দায়ী করা না গেলেও দায়টা আসলে আওয়ামী লীগ, বি এন পি, জামায়াত, জাতীয় পার্টিসহ এদেশের শাসকশ্রেণীরই ঘাড়ে বর্তায় কারণ এরাই আজ পর্যন্ত শাসন ক্ষমতায় এসেছে এবং দেশ শাসন করেছে। যখন যারা ক্ষমতায় ছিল দুর্নীতি – লুটপাট – সন্ত্রাস- বিদেশী সাম্রাজ্যবাদী শক্তির পদলেহন করে ক্ষমতায় আসা ও টিকে থাকার যে একটা ভয়ংকর রাজনৈতিক দুষ্টচক্রের সৃষ্টি করেছে এরা সুদীর্ঘ সময় ধরে দেশের রাষ্ট্রযন্ত্রের ভেতরে, তাতে করে যে কোনও একটা সরকার পরিবর্তন হলেই সব ঠিক হয়ে যাবে এটা কখনোই বলা যায় না। দেশের “সিস্টেম”টাই দাঁড়িয়ে গেছে এমন। এ ধরণের পরিস্থিতির আমূল পরিবর্তন আনতে দরকার বিপ্লবের, যেটি এদেশে কখনো হয়নি। প্রসঙ্গত উল্লেখযোগ্য যে বিগত জুলাই গণঅভ্যুত্থান কিন্তু সত্যিকার অর্থে কোনও বিপ্লব ছিল না। যদিও অনেকে একে বিপ্লব নামে অভিহিত করেন কিন্তু একে আসলে কোনও বিপ্লব বলা যায় না, কারণ এতে দীর্ঘ সময় ধরে দেশের ঘাড়ে জগদ্দল পাথরের মতো চেপে বসা একটা স্বৈরতান্ত্রিক সরকারের পতন ঘটেছে, কিন্তু দেশের যে রাষ্ট্রব্যবস্থা, তার কোনও উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয় নি। সত্যিকারের বিপ্লব হলে দেশের রাষ্ট্রব্যবস্থার খোলনলচে সবই বদলে যেত, যেটা হয় নি। এটা ছিল একটা ব্যাপক গণঅভ্যুত্থান। কিন্তু অনেকে একে যেরকম ব্যর্থ বলতে চান, এটা সেরকম কিছু নয়। বরং এটা ছিল একটা সফল গণঅভ্যুত্থান, যাতে অত্যাচারী আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটেছে। এই গণ আন্দোলনের উদ্দেশ্য সেটাই ছিল। যাই হোক, এখন ঐ যে বললাম যে এটা যেহেতু সত্যিকার অর্থে কোনও বিপ্লব নয়, তাই যে পুরাতন তথাকথিত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা চালু ছিল সেটাই আবারো পুনর্বহাল হয়েছে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতাচ্যুত করার মাধ্যমে।
এখন কথা হচ্ছে এই যে একটা রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে উঠেছে আমাদের, এই রাষ্ট্রব্যবস্থা পুরোটাই নানা রকমের দুর্নীতি, লুটপাট আর বিদেশী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলোর আঁতাতে, প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মদদের ওপর ভিত্তি করে দাঁড়িয়ে আছে। যার কারণে এই রাষ্ট্রব্যবস্থায় মানুষের প্রাপ্তির পরিমাণটা কম। এক দুর্নীতিগ্রস্ত সরকার বিদায় নেবে তো আরেক দুর্নীতিগ্রস্ত সরকার ক্ষমতায় জুড়ে বসবে। আওয়ামী লীগের আমলে কি ভয়াবহ দুর্নীতি হয়েছে সেটার কথা আর নতুন করে নাই বা বললাম, ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকার আর বর্তমান বিএনপি সরকারও সেই একই দুর্নীতিই করে খাচ্ছে।
এর প্রধান কারণ কি?
এর প্রধান কারণ এদেশের রাষ্ট্রব্যবস্থা, যার শাসকগোষ্ঠীর শ্রেণী চরিত্রের কথা একটু আগেই বললাম। এহেন রাষ্ট্রব্যবস্থায় দিনশেষে মানুষের প্রাপ্তি কমই থাকে।
যে কাজগুলো আওয়ামী লীগ দীর্ঘ সময় ধরে চালিয়ে গেছে , আজ বিএনপিকেও ক্ষমতায় এসে প্রায় সে ধরণের কাজগুলোই করতে দেখা যাচ্ছে। জামাত বা এনসিপি ক্ষমতায় আসলেও এর উল্লেখযোগ্য কোনও পার্থক্য থাকত না।
এখন কথা হচ্ছে আওয়ামী লীগ দীর্ঘ সময় ধরে ক্ষমতায় থাকতে গিয়ে প্রশাসনের সব জায়গায় নিজেদের লোক বসিয়ে আর ভারতের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মদদে এমন এক রাষ্ট্রব্যবস্থা কায়েম করেছিলো যে তারা যে কখনো ক্ষমতাচ্যুত হতে পারে এটা তারা ভাবতে পারে নি। হয়তো ভাবতে পারে নি ভারতও। যে কারণে ক্ষমতা হারানোর দুবছর পার হলেও এখনো পাগলপ্রায় দশা তাদের।
আওয়ামী লীগ ক্ষমতা হারানোর সাথে সাম্রাজ্যবাদী ভু-রাজনৈতিক খেলার সম্পর্ক খুবই নিবিড়। সেই খেলায় ভারত আপাতত ব্যাকফুটে। হাসিনা এবং তার অনেক কাছের সাঙ্গপাঙ্গরা কতো বড় ক্রিমিন্যাল সেটা বিশ্বের অন্যান্য দেশও যে জানেনা এমনটা নয়। তারা ঠিকই জানে। যার কারণে তাদের এক ভারত ছাড়া অন্য কোনও দেশ এসাইলম দিতে চায়নি শেষ পর্যন্ত। ক্ষমতা ছাড়ার পর ভারতের আশ্রয়ে থেকে হাসিনা আর তার আওয়ামী লীগ যেভাবে দিনের পর দিন নানা কথাবার্তা বলেছে, বিবৃতি দিয়েছে আর অন্যায্য আপত্তিকর নানা জিনিস বলে এসেছে লাগাতারভাবে তাতে এখন হাসিনা ভারতের জন্যও গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। হতে পারে সেজন্য ভারতও চাচ্ছে তাদের ঘাড়ে থেকে নামাতে। দুনিয়ার অন্য কোনও দেশ এদের আর নেবে না বা এসাইলম দিতে চাইবে না, সুতরাং ভারত বোধ করি এদের ফের বাংলাদেশেই ঠেলে পাঠাতে চাইছে, বোঝা নামাতে চাইছে আর এটিকে আওয়ামী প্রচার প্রোপাগান্ডা সেটিকে বীরোচিত প্রত্যাবর্তন বলে কিছু একটা বোঝাতে চাইছে। ক্ষমতার স্বার্থে ক্ষমতার খাতিরে আওয়ামী লীগ আর তাদের সমর্থকরা যে কতো বড় নির্লজ্জ হতে পারে এটা হচ্ছে তার একটা প্রমাণ। আবার এদিকে এটাও হতে পারে যে হাসিনাকে দেশে ফেরত পাঠানো ভারতেরই একটি অপকৌশল, বাংলাদেশে তাদের হারানো ফুটহোল্ড ফিরে পেতে। এখন সেটা ভারত সত্যিই করতে পারে কি না বা ভারতের মদদপুষ্ট হয়ে হাসিনা আবার ক্ষমতা ফিরে পায় কি না সেটা দেখার বিষয়।

এদিকে আওয়ামী লিগারদের আরেকটি শ্রেণীচরিত্র না বললেই নয়। সেটি হল চূড়ান্ত নির্লজ্জতার যে চরিত্র । দেশের মানুষের ওপর ভয়াবহ সমস্ত অন্যায় অত্যাচার আর দেশের স্বার্থ ভারতীয় সাম্রাজ্যবাদের হাতে বিকিয়ে দিয়ে অবশেষে গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতা হারানোর পর থেকে আওয়ামী লীগ আর তাদের সমর্থকেরা তাদের নানা বক্তব্যে তাদের দায় সম্পূর্ণ অস্বীকার করে যে চূড়ান্ত রকমের বেহায়াপনা প্রদর্শন করে এসেছে আর আজও আসছে সেটা বলার বাইরে। এর সাথে যুক্ত হয়েছে ভারতীয় নানা গণমাধ্যমের প্রোপাগান্ডা। এক জুলাই অভ্যুত্থানের সময় তারা তাদের পুলিশ বাহিনী দিয়ে আন্দোলনকারীদের ওপর লাগাতার হত্যাকাণ্ড চালিয়ে আসলেও এখন তারা পুলিশের ওপর নাকি গণহত্যা হয়েছে, ছাত্রলীগকে দিয়ে পুলিশের সহায়তায় দমন পীড়ন, খুন খারাবী করার পরও, এতো বড় হত্যাযজ্ঞ চালানোর পরও এসব কথাবার্তা চালিয়ে জাস্ট ভিকটিম কার্ড প্লে করার চেষ্টাটাই করে যাচ্ছে আওয়ামী লিগাররা। ক্ষমতায় থাকতে বিরোধী শিবিরের ওপর চূড়ান্ত দমন পীড়ন থেকে শুরু করে দেশের গণতন্ত্র ভয়াবহ রকমের ক্ষতিগ্রস্ত করা, অকথ্য দুর্নীতি, ভারতীয় সাম্রাজ্যবাদের কাছে দেশের স্বার্থ বিকিয়ে দেয়া, তাদের অপরাধ যেন কেউ প্রকাশ করতে না পারে আর তারা যাই বলুক তার বিরুদ্ধে যেন কেউ কিছু বলতে না পারে তার জন্য “আইসিটি অ্যাকট” এর মতো কালাকানুন পাশ করা, গণতন্ত্রের টুঁটি চেপে ধরা, ভয়াবহ লুটপাট করে দেশের সম্পদ বিদেশে পাচার করাসহ হেন কোনও অপরাধ নেই যেটা করা থেকে তারা বিরত থেকেছে। আর তারপরও বিন্দুমাত্র অনুশোচনা নেই, বরং সব দায় “ইউনুসের মেটিকুলাস ডিজাইন” আর “জামাত শিবিরের ষড়যন্ত্র” এসব বলতে বলতে ভিকটিম কার্ড প্লে করে নিজেদের সমস্ত অপরাধ জাস্টিফাই করার চেষ্টাটাই করে যাচ্ছে আওয়ামী লিগাররা। দেখাতে চাচ্ছে যেন তারা নিজেরা যেন কতো বড় ভিকটিম, যেখানে আসল ভিকটিম ছিল এদেশের জনসাধারণ। একসময় জাতীয় পার্টির এরশাদকে বলা হতো বিশ্ববেহায়া। কিন্তু বেহায়াপনায় আওয়ামী লীগ আর তাদের সমর্থকেরা যে এরশাদকেও বহুগুণে ছাড়িয়ে গেছে সেটা বলাই বাহুল্য।

মন্তব্য ১২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১২) মন্তব্য লিখুন

১| ০৫ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:২৪

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: শেখ হাসিনা ফিরলে লীগ দল হিসাব আবার দাড়িয়ে যাবে । এটা আওয়ামী লীগ বিরোধীদের কাছে ভালো লাগবে না । জামায়াত বিরোধী দল হিসাবে জাপার থেকেও অবস্থা খারাপ । সে হিসাবে লীগ ফিরলে প্রধান বিরোধী দল তারাই হবে । যদি সাধারণ মানুষের চোখে বিষয়টি দেখেন শেখ হাসিনা কিংবা লীগের প্রত্যাবর্তনে তাদের কিছুই যায় আসে না । সাধারণ মানুষ যা দেখার সেটা দেখে ফেলেছে । লীগের কাছ থেকে নতুন কিছু পাওয়ার নেই । ভারতের আচরণ খুব ইন্টারেস্টিং ; একবার বলছে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যক্রম তারা এলাউ করবে না । আবার শেখ হাসিনাকে নিয়ে কোন এক বেসরকারি সংস্থা নাকি ভারতের মাটিতে অনুষ্ঠান করবে । ভারত সরকারের এটা আটকানোর ক্ষমতা নেই । ভারত বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের টিকে থাকা নিয়ে কতটা ডেসপারেট সেটা বুঝা যায় । যতই ভারত দিনে দিনে বড়ো হোক বাংলাদেশের রাজনীতিতে তাদের নাক গলানো যাবে না । এর পিছে রয়েছে লীগ বিরোধী দলের পাকিস্তানের সাথে পিরিতি । ইহা নিয়ে দেশপ্রেমিক সাধারণ মানুষের মাঝে বেশি বেশি আলোচনা হওয়া উচিত । :-B

০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:২৮

অন্তর্জাল পরিব্রাজক বলেছেন: ভারত এতো সহজে তাদের হারানো ফুটহোল্ড ছেড়ে দেবে না। এটা তারা যে কোনও মূল্যে ধরে রাখার বা ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করবেই। আমাদের বাংলাদেশটা আসলে ভারত আর পাকিস্তানের একটা অঘোষিত ব্যাটল গ্রাউন্ড। দুদেশেরই যার যার পক্ষের রাজনৈতিক শক্তি এখানে খেলা করছে। এই ভারত-পাকিস্তানের চক্র থেকে স্বাধীনতার পর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশী পার হয়ে গেলেও এদেশ বেরিয়ে আসতে পারে নি। এর একটা প্রধান কারণ এদেশের রাজনৈতিক ময়দানে সত্যিকার অর্থে কোনও জাতীয়তাবাদী শক্তি নেই। যেগুলো আছে প্রায় সবই স্যুডো জাতীয়তাবাদী বা ভুয়া জাতীয়তাবাদী শক্তি, যাদের নিজের দেশের প্রতি কোনও ডেডিকেসি নেই। এটার ফল হাড়ে হাড়ে ভুগছে এদেশ। ভবিষ্যতেও ভুগতেই থাকবে।

২| ০৫ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:৫২

বিষক্ষয়রিটার্নস বলেছেন: খুনি হাসিনা আসবে
ফাঁসিতে ঝুলবে

০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৩০

অন্তর্জাল পরিব্রাজক বলেছেন: দেখা যাক।

৩| ০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৯:৫৪

রাজীব নুর বলেছেন: আপনি আওয়ামীলীগ পছন্দ করেন না।
এটাই স্বাভাবিক।

তবে শেখ হাসিনা আসবেন। দেরি হোক, যায়নি সময়।

০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৩৩

অন্তর্জাল পরিব্রাজক বলেছেন: হ্যাঁ, আসতেই পারেন। তাতে তার অপরাধ, কলঙ্ক আর সীমাহীন নির্লজ্জতার পরিমাণ যেমন তিল পরিমাণ কমে না তেমনি তার সমর্থকদেরও কোনও নির্লজ্জতা ঢাকা পড়ে না।

৪| ০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১১:০১

অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য বলেছেন: ৫ আগস্ট পরবর্তীতে একটা বছর যদি চুপ থাকত আওয়ামী লীগ, তাদেরই লাভ হতো। অন্তর্বর্তী সরকার, বিএনপি, জামায়াত যে সব উল্টিয়ে ফেলবে তা গত দুই বছরে বোঝা গেছে। জনগণই আওয়ামী লীগকে ফিরিয়ে আনত।

০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১১:০৮

অন্তর্জাল পরিব্রাজক বলেছেন: দুঃখিত, মোটেই একমত হতে পারলাম না আপনার সাথে। হাসিনার আমল এদেশে কি করে গেছে তার দগদগে ঘা এখনো রয়ে গেছে। এতো সহজে মানুষ সেগুলো ভুলে যাবে না। আওয়ামী লীগ চুপ থাকলেও তাতে কোনও ফায়দা হতো না।

৫| ০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১১:১১

অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য বলেছেন: লেখক বলেছেন: দুঃখিত, মোটেই একমত হতে পারলাম না আপনার সাথে। হাসিনার আমল এদেশে কি করে গেছে তার দগদগে ঘা এখনো রয়ে গেছে। এতো সহজে মানুষ সেগুলো ভুলে যাবে না। আওয়ামী লীগ চুপ থাকলেও তাতে কোনও ফায়দা হতো না। মানুষ বিদ্যুৎ পায় না, গ্যাস পায় না, নেই নিরাপত্তা। এমন সরকার আগে কখনও ছিল? ১, ২, ৩, ৪ অমুকের - মার এমন দুয়োধ্বনি কোনো সরকার কখনও শোনেছে?

০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১১:১৮

অন্তর্জাল পরিব্রাজক বলেছেন: দেখুন, যে সঙ্কটগুলোর কথা বলছেন এগুলো তৈরি হওয়ার ভিত্তি আওয়ামী লীগ সরকারই তৈরি করে গিয়েছিল। আওয়ামী লীগ আমলেও বিদ্যুৎ নিয়ে গ্যাস নিয়ে সঙ্কট ছিল । তবে অন্তর্বর্তী সরকার নিজেদের ব্যর্থতায় সেই সংকটগুলোর কোনও প্রতিকার করে যেতে পারে নি। সেটা পারছে না আজকের ক্ষমতাসীন বিএনপি সরকারও।

৬| ০৭ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১:৫৭

মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: লীগ বিরোধী বলে লীগের একমাত্র বিকল্প কেবল স্বাধীনতা বিরোধীরাই এমনটা ভাবা আসলে স্বপ্নে বিরিয়ানী খাওয়ার মত বিষয়।

ইসলামের আর্দশের জলাঞ্জলি দিয়ে কেবল ধর্মের চেতনা নিয়ে বানিজ্য করে কিন্তু পাকিস্তান টিকেনি। ইসলামী আদর্শ প্রকৃতই ধারন করলে, মুসলিম ভাতৃত্ত্বের বন্ধনে আবদ্ধ থাকলে ভৌগলিক দুরত্বও কোন সমস্যাই ছিলো না। ধর্ম নিয়ে এমনই বাড় বাড়ন্ত রাজনীতি হয়েছে যে ইসলামের আদর্শই শতভাগ গায়েব হয়ে গেছে। ঐ জায়গা দখল করেছিলো পাঞ্জাবী জাত্যাভিমান। ঐ পাঞ্জাবীদের জাত্যাভিমানের কারনেই তথাকথিত মুসলিম ভাতৃত্ত্বের অন্তঃসার শূন্যতা উপলব্ধি করে, তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের মানুষজনও বাধ্য হয়েছিলো নিজের বাঙ্গালী জাতিসত্তা নিয়ে ভাবতে।

এই জনপদে রাজনীতিতে ইসলামের আর্দশ সেই ৪৭ এও ছিলো না। এই ২০২৬ এও নেই। তাই দলের সাথে "ইসলাম" শব্দ থাকলেই সেই দল আল্লাহর মনোনিত, সেই দল ঐশ্বরিক কিছু একটা এমনটা ভাবা দিবাস্বপ্ন। ইসলামকে অস্ত্র বানিয়ে, ধর্মের চেতনার বানিজ্য করে মানুষকে manipulate করার কৌশল দলটা ৮৫ বছর প্রয়োগ করে আসছে কিন্তু...............আমরা সবাই জানি।

৭| ০৭ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ২:৩১

মাথা পাগলা বলেছেন: দেশের জনগণ যদি মনে "আগেই তো ভালো ছিলাম", তাহলে জনগণই শেখ হাসিনাকে ফিরাবে। ফেসবুকে নিউজ দেখি রাতে মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য দেখা গেছে, সকালে গিয়ে দেখা যায় আর নেই, কারা যেন সরিয়ে ফেলেছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. কাবেরী গায়েনকে বহিস্কার করা হয়েছে। অপরাধ তিনি "মুক্তিযুদ্ধে নারীর অবদান" বিষয়ে পিএইচডি করেছেন। একইভাবে ৭১ - এ আলবদররা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের হত্যা করে জাতিকে মেধাশূন্য করার চেষ্টা করেছিল। সেনাপ্রধানও মেধাশূন্য করার প্রস্তাবনা দিয়েছেন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.