| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সৈয়দ কুতুব
নিজের অজ্ঞতা নিজের কাছে যতই ধরা পড়ছে প্রচলিত বিশ্বাসের প্রতি ততই অবিশ্বাস জন্মাছে!
ঢাকার রাজপথে আজ এক নতুন কুশীলবের আবির্ভাব ঘটলো। নাম তার ‘বাংলাদেশ আজাদ পার্টি’। এই নামের কোনো রাজনৈতিক অস্তিত্বের কথা দেশের আমজনতা না জানলেও, হঠাৎ এক রাতে তারা ‘অবৈধ পুশ-ইন’ আর ‘ভারতীয় আধিপত্যবাদের’ তীব্র বেদনায় নীল হয়ে ভারতীয় দূতাবাস অভিমুখে এক মিছিল নিয়ে রওনা দিল। ভুঁইফোড় এই সংগঠনের হঠাৎ এমন দেশপ্রেম দেখে রাজনীতি সচেতন মানুষের মনে খটকা লাগাটাই স্বাভাবিক। আরো গভীরে গিয়ে বোঝা গেলো, এটা আসলে জামায়াতের আরেকটা নতুন দোকান।
আজাদ পার্টির আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানের অতিথি তালিকা দেখলেই বোঝা যায় এটি আসলে জামায়াতের হয়েই কাজ করবে। ফ্রন্টলাইনে জামায়াত নেতা ব্যারিস্টার এ এস এম শাহরিয়ার কবির, সাথে এলডিপির কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির রাশেদ প্রধান। এই রাশেদ প্রধান আবার আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা শফিউল আলম প্রধানের ছেলে, যিনি এখন জামায়াতের খাতায় নাম লিখিয়েছেন এবং কট্টর ভারত-বিরোধী হিসেবে পরিচিত। প্রশ্ন হলো, ঠিক আজ রাতেই কেন তাঁরা ভারতীয় দূতাবাস অভিমুখে ছুটলেন?
যখনই কোনো না কোনো উপলক্ষে ভারতীয় দূতাবাসের দিকে মিছিল হয়, তখনই বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে একটা নতুন টানাপোড়েন তৈরি হয়। কয়েকদিন আগে জাহেদ উর রহমানের ঘটনার কারণে বাংলাদেশ-ভারত মেরুকরণ আরও বেড়েছিল, কিন্তু তখনও এই ধরনের কোনো মিছিল দেখা যায়নি। আজাদ পার্টি বলছে, পুশ-ইন এবং ভারতীয় আধিপত্যবাদের প্রতিবাদেই তারা দূতাবাসের দিকে গেছে। কিন্তু ভারত ঠিক এখন কোথায় আধিপত্য দেখাচ্ছে? ভারত তো এখন তার নিজের ঘর নিয়ে ব্যস্ত। বরং এর পেছনের আসল কারণ মনে হয় তারেক রহমানের আসন্ন বিদেশ সফর।
তারেক রহমান যেন ভারত সফরে না যান, তার জন্য পিনাকী থেকে শুরু করে ডানপন্থী মহল একযোগে লেখালেখি শুরু করেছে। খবর ছিল, তারেক রহমান প্রথমেই ভারত সফরে যেতে পারেন, কারণ ভারতের লোকসভার স্পিকার নিজে এসে তাঁকে আমন্ত্রণ জানিয়ে গিয়েছিলেন। ঠিক বিদেশ সফরের আগেই জাহেদ উর রহমানের ঘটনা পিনাকী গোষ্ঠীকে ভারত-বিরোধিতার আরও বড়ো সুযোগ করে দিয়েছে।
এই প্রেক্ষাপটে পাকিস্তানের ভূমিকাও আলাদাভাবে চোখে পড়ে। পাকিস্তানের হাইকমিশনার তারেক রহমানের বিদেশ সফরের ঠিক আগে জামাত নেতাদের সাথে দেখা করেছেন, এবং তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহদি আমিনের সাথেও দেখা করেছেন। মাহদি আমিনকে নিয়ে খোদ বিএনপির ভেতরেই সন্দেহ আছে, কারণ তিনি তাঁর ব্যক্তিগত সচিব হিসেবে একজন জামাত সমর্থককে নিয়োগ দিয়েছেন। পাকিস্তান কখনোই চাইবে না বাংলাদেশ ভারতের সাথে একটা ভালো গঙ্গার পানি চুক্তি করুক; এই ইস্যু থেকে পাকিস্তান নিজে কোনো সুবিধা পাবে না। তার চেয়ে বাংলাদেশ আর ভারতের সম্পর্ক দিনে দিনে খারাপ হলেই পাকিস্তানের লাভ বেশি।
এর মধ্যেই সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে , তারেক রহমান মালয়েশিয়া যাচ্ছেন এস আলমের পাচার করা টাকা দেশে ফেরত আনার জন্য। এটা কি একজন প্রধানমন্ত্রীর কাজ? আর চীনে যাবেন প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত চুক্তি করতে। বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর আধুনিকায়নের লক্ষ্যে চীনের তৈরি বিশটি জে-টেন সিই মাল্টিরোল ফাইটার জেট ক্রয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। দুই দশমিক দুই বিলিয়ন মার্কিন ডলারের এই বিশাল প্রতিরক্ষা চুক্তিটিকে নয়াদিল্লি কেবল একটি সাধারণ সামরিক কেনাকাটা হিসেবে দেখছে না, বরং এটিকে ভারতের চারপাশে চীনের সামরিক বেষ্টনী বা কৌশলগত ঘেরাওয়ের অংশ হিসেবে বিবেচনা করছে। এটা যদি সত্যি হয়, তাহলে চীনের দীর্ঘদিনের লবিং সার্থক হলো বলতে হবে, কারণ জামাত, বিএনপি, শিবির, ছাত্রদল- সবাইকেই চীন তার দেশে গণহারে ভ্রমণ করিয়েছে।
আমেরিকান সাম্রাজ্যবাদ বিরোধীরা এখন কোথায়? যারা দাবি করে আমেরিকার সাথে সরকারের এমন একটা চুক্তি হয়েছে যেখানে নাকি লেখা আছে চীনের সাথে আর কোনো নতুন চুক্তি করা যাবে না; অথচ বিএনপি সরকার নিজে থেকেই যাচ্ছে চীন থেকে যুদ্ধবিমান কিনতে। ভুয়া ফুটেজ-খোর জাতীয়তাবাদীরা এখন ঘুমিয়ে আছেন। চীনকে আনোয়ারায় অর্থনৈতিক অঞ্চল দেওয়ার বিষয়টিও ইতিমধ্যে একনেকে অনুমোদন হয়ে গেছে। সত্যি বলতে, এই সিদ্ধান্তটা অনেকটাই অর্থহীন, কারণ দেশে ইতিমধ্যে যে কয়টা অর্থনৈতিক অঞ্চল আছে সেগুলোতেই নতুন কোনো বিনিয়োগের দেখা মিলছে না। অথচ এর ঠিক দশ দিন আগেই একনেক থেকে এই প্রকল্পটি বাদ দেওয়া হয়েছিল, এবং জাহেদ উর রহমানের ঘটনার পরপরই আবার এটি পাস হয়ে যায়।
এদিকে মোল্লারা নতুন করে ফুটবল খেলা নিয়ে উৎপাত শুরু করেছেন। ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার সমর্থকদের তারা ইসলাম থেকে বিচ্যুত বলছেন, খেলা না দেখতে ফতোয়াও দিচ্ছেন। সবাই যখন ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার পতাকা লাগাচ্ছে, তখন দাবি করা হচ্ছে যে যাত্রাবাড়ীতে কেউ একজন কালেমা লেখা পতাকা নামিয়ে ফেলেছে; প্রতিবাদে দেশজুড়ে কালেমার পতাকা টানানোর একটা মিশনে নেমেছেন তারা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আবার আওয়ামী লীগ প্রচার শুরু করছে যে দেশে আইএসআইএস ঢুকে গেছে, হামাস ঢুকে গেছে। অন্যদিকে বিএনপি-ঘনিষ্ঠ ডানপন্থী মহল, যারা মোল্লাদের এই বাড়াবাড়ির সমালোচনা করছেন, তারা বলছেন এসব আসলে ভারত আর আওয়ামী লীগের চক্রান্ত। সবকিছুকে জড়িয়ে ফেলা হচ্ছে তারেক রহমানের ভারত সফরে না যাওয়ার প্রশ্নের সাথে।
সীমান্ত সমস্যা তো আজ নতুন নয়; বছরের পর বছর ধরে এই সমস্যা চলছে। তাহলে এই ভুঁইফোড় ‘আজাদ পার্টি’র হঠাৎ আজ মাঝরাতে কেন হুঁশ হলো? কেন তারা ভারতীয় দূতাবাসের দিকে মার্চ করতে গেল? উত্তরটা স্পষ্ট: এদের নিজস্ব কোনো এজেন্ডা নেই। এদেরকে মাঠে নামানো হয়েছে একটা নির্দিষ্ট অ্যাসাইনমেন্ট দিয়ে, যাতে সীমান্তে উত্তেজনা ছড়ানো যায়, দিল্লির সাথে ঢাকার সম্পর্ক আরও উতপ্ত করা যায়, এবং তারেক রহমানের ভারত সফর চিরদিনের মতো ভেস্তে দেওয়া যায়।
Bangladesh’s Proposed J-10CE Fighter Deal Triggers Indian Alarm Over Expanding Chinese Strategic Encirclement-ডিফেন্স সিকিউরিটি এশিয়া
২০ শে জুন, ২০২৬ সকাল ১০:৫৮
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আজাদ মাজাদ কে মাঠে নামিয়েছে জামাত;এদের টারগেট হলো তারেক রহমান যাতে কোনোভাবেই ভারত না যান । কারণ মালয়শিয়া আর চায়নার পর ভারত সফর যেতে পারেন তিনি । আগেই একটা ভেজাল লাগিয়ে দিলাম আর কি ।
২|
২০ শে জুন, ২০২৬ ভোর ৪:০৫
শ্রাবণধারা বলেছেন: আমি তো প্রথমে ভেবেছিলাম এই আজাদ পার্টি আওয়ামী লীগের কারসাজি হতে পারে। কিন্তু আপনি লিখেছেন এটা জামাতের লোকদের এবং পাকিস্তানী স্বার্থরক্ষাকারী দল।
তারেক রহমান ভারতে গেলে সব চেয়ে বেশি অখুশি হবার কথা আওয়ামী লীগের, কারন হাসিনা ও তার সেবাদাসগুলোর সাথে ভারতের স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক। সে হিসেবে আওয়ামী লীগের লোকেরা চাইতেই পারেন তাদের ভারত-স্বামী যেন পর নারী বা পুরুষের সাথে কোন প্রকার সম্পর্ক না রাখে।
২০ শে জুন, ২০২৬ সকাল ১০:৫৬
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আওয়ামী লীগ হিন্দু সম্প্রদায়ের একাংশকে মাঠে নামিয়েছে, আর জামায়াত সামনে এনেছে আজাদ পার্টিকে। আওয়ামী লীগের মূল চিন্তা এখন রাজনীতিতে প্রত্যাবর্তন, বাস্তবতা হলো—তারা ফিরল কি ফিরল না, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে আগের মতো আগ্রহ নেই। বিএনপি ভারত সফরে গেলে আওয়ামী লীগেরই লাভ হতো। ‘ভারতের দালাল’ তকমা তখন শুধু তাদের একার কাঁধে থাকত না, আর জামায়াতও বিএনপির বিরুদ্ধে সেই প্রচারণা চালানোর সুযোগ পেত। কিন্তু বিএনপি শেষ পর্যন্ত সফর থেকে সরে এসেছে। এ বছরই কেন পাকিস্তানের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক, চীন থেকে যুদ্ধবিমান ক্রয় এসব পদক্ষেপ নিতে হবে? বাংলাদেশের কি ফারাক্কা চুক্তির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত নয়? শুধু গোয়েন্দা সহযোগিতা বা অস্ত্র কেনাই তো সব সমস্যার সমাধান নয়। পররাষ্ট্রনীতিতে সবার প্রতি সমান দৃষ্টি ও জাতীয় স্বার্থই হওয়া উচিত প্রধান বিবেচনা।
৩|
২০ শে জুন, ২০২৬ সকাল ৮:৩১
মাথা পাগলা বলেছেন: এসব পরিস্থিতিতে তারেক রহমান ভারত গেলে মোদি দেখা না করে অসম্মান করার সম্ভাবনা বেশী, পানি চুক্তিতেও সমস্যা হবে। বাংলাদেশীদের জন্য ভারতের টুরিস্ট ভিসা এখনো বন্ধ, ভারতের অ্যাগেইনস্টে বাংলাদেশের কোন লেভারেজ আছে? বাংলাদেশে ভারতের হাই কমিশন বন্ধ করে দিলে কি হবে? এসব কর্মকান্ডে অন্য দেশগুলো বাংলাদেশ নিয়ে নেতিবাচক মনোভাব দেখাবে। আ*ল বর্বব হুজুগে জাতি এগুলা বুঝবে? পাবলিকলি দেশদ্রোহী কথা বলার জন্য শাহরিয়ার কবিরকে জেলে ঢুকানো হচ্ছে না কেন? কেউ তার নামে মামলা দিচ্ছে না কেন?
মোল্লারা স্যাকরাইন উৎসব বন্ধ করে দিয়েছে। পুরান ঢাকায় হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে স্যাকরাইনে সবাই পার্টি করতো।
২০ শে জুন, ২০২৬ সকাল ১০:৪৬
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: একদিকে আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ হিন্দু সংগঠনগুলোর মাঠে নামা, অন্যদিকে ভারতীয় দূতাবাসের সামনে বিজেপিবিরোধী বিক্ষোদুই পক্ষেরই এই হঠাৎ তৎপরতা ঘটনাপ্রবাহকে সন্দেহের চোখে দেখার যথেষ্ট কারণ তৈরি করছে।
৪|
২০ শে জুন, ২০২৬ সকাল ৯:৩৮
কাঁউটাল বলেছেন: ইন্ডিয়ার গোয়ার মধ্যে একটু চুলকানি হইলেই তার এদেশীয় দোসরদের নর্তন কুর্দন আরম্ভ হয়। এই পোষ্ট তার প্রমান।
২০ শে জুন, ২০২৬ সকাল ১০:৪৩
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনি রাজনীতি সম্পর্কে তেমন কিছুই বোঝেন না। শুধু চটুল ও মুখরোচক কথা বলে ‘আমি কী হনু রে’ ধরনের জাহির করার চেষ্টা করবেন না।
৫|
২০ শে জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২৫
কাঁউটাল বলেছেন: লেখক বলেছেন: আপনি রাজনীতি সম্পর্কে তেমন কিছুই বোঝেন না। শুধু চটুল ও মুখরোচক কথা বলে ‘আমি কী হনু রে’ ধরনের জাহির করার চেষ্টা করবেন না।
রাগ করলেন নাকি?
![]()
২০ শে জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৩৪
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনার কথায় আমি রাগ করি না । ![]()
৬|
২০ শে জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৩৫
রাজীব নুর বলেছেন: জামাত দেশে একটা অরাজকতা করতে চাচ্ছে।
২০ শে জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৮
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: জামায়াত অরাজকতা করতে চায় কিনা শিউর না ; তারা এখন ক্ষমতায় । তবে আওয়ামী লীগ কিছু একটা করতে চায় । ![]()
৭|
২০ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:০২
কাঁউটাল বলেছেন: আপনাদের "পভুপাদ মুদির দেশ ভঁড়ৎ" নেতানিয়াহুর আন্ডারওয়্যারের ভিতরে ঢুকে শেষ রক্ষা করতে পারবে তো? ট্রাম্প কিন্তু ইরান থেকে উইথড্র করতেছে। এপস্টিন ফাইলের মেয়াদ উত্তির্ন হয়ে গেছে বোধ হয়। তুলসি গ্যাবার্ডও নাই। সব ধুতি কেমন যেন খুলে খুলে পড়ে যাচ্ছে।
ভঁড়ৎের গোয়া যত উম্মুক্ত হবে, বাঁশের কদর তত বাড়তে থাকবে।
২০ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:০৮
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: গোয়ার প্রতি আপনার এত টান কেন? ব্যাপারটা কিন্তু বেশ সন্দেহজনক! ![]()
৮|
২০ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৭
কাঁউটাল বলেছেন: টান মুলতঃ নিচের এই জিনিস ভঁড়তের গোয়ার মধ্যে ঢুকানোর প্রতি। যাতে উহা হাগা মুতা করে পরিবেশ দুষন করতে না পারে।

২০ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫১
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ঠিক আছে, চেষ্টা করে দেখুন। যদি ভারতের হাগা-মুতা বন্ধ করতে পারেন।
৯|
২০ শে জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৩২
নতুন বলেছেন: জামাত দেশের ঝামেলা তৌরির জন্য সব রকমের চেস্টাই করবে।
বিএনপির জন্য ভুল করার রাস্তা তৌরি করবে, আর সেই ভুল করলেই সেটা নিয়ে বড় আন্দলনে নামবে।
২০ শে জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪১
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: জামায়াত চায় না তারেক রহমান ভারত সফর করুক; চায়না বারবার তাদের নিজ দেশে নিয়েছে জামায়াত-শিবির কে যাতে বড়ো কোনো ডিল করতে রাজি হয় সরকার । এখানে বাইরের দেশের মদদ ও আছে । এদিকে আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের রাজনীতিতে ফিরে আসার একটা সুযোগ খুজতেসে । দুইটা মিলিয়ে হাওয়া গরম হয়ে উঠেছে । তারেক রহমান আজকেও বলেছেন , সবার সাথেই মানিয়ে চলতে চায় সরকার । বুঝা গেছে চায়না সফর নিয়ে বেশ ঝামেলায় পড়তে হয়েছে তাকে ।
©somewhere in net ltd.
১|
২০ শে জুন, ২০২৬ রাত ৩:১৬
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: নূতন বতলে পুরাতন মদ !
..........................................................
বাংলাদেশে এই খেলা ঘুরে ফিরে আসবে ।
রাজনৈতিক মার প্যাচঁ চলবে , যিনি বা যাহারা বিদেশী
ডোনারের দৃষ্টি আকর্ষন করতে পারবে, বিনিময়ে মিলবে
ডলার এবং বিদেশী ভিসা , যার পেছনে থাকবে কোন এক
নূতন ডীপ ষ্ট্যাট এর চালবাজি ।
....................................................................................
‘বাংলাদেশ আজাদ পার্টি’ কোন নূতন কাহানী নয়, যারা আছে
তারা বিগত নির্বাচনে জনগনের ভোট পায় নাই, তাই জল ঘোলা
করে মৎস্য শিকারে নেমেছে ।