| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
নতুন নকিব
যবে উৎপীড়িতের ক্রন্দল-রোল আকাশে বাতাসে ধ্বনিবে না, অত্যাচারীর খড়্গ কৃপাণ ভীম রণ-ভূমে রণিবে না- বিদ্রোহী রন-ক্লান্ত। আমি সেই দিন হব শান্ত।
বিদায়, বিদায় প্রিয় যুক্তিবাদী
পীরজাদা আলহাজ্ব মাওলানা মীর মো. হাবিবুর রহমান যুক্তিবাদী। ছবি: সংগৃহীত
মানুষের জীবনে কিছু কণ্ঠ থাকে, যেগুলো শুধু শব্দ নয়; হৃদয়ের ভেতরে ঢুকে আলো জ্বালিয়ে দেয়। বাংলার ইসলামী অঙ্গনে এমনই এক আলোকিত কণ্ঠ নীরব হয়ে গেল। পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে পরপারের পথে যাত্রা করে চলে গেলেন প্রখ্যাত ইসলামী বক্তা । ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
আমাদের সময়, বিশেষ করে আমাদের ছাত্রজীবনে, ৮০, ৯০ দশকের দিকে ইসলামী বক্তাদের মধ্যে যাঁরা গভীর প্রভাব ফেলেছিলেন, তাঁদের মধ্যে উজ্জ্বল দুই নক্ষত্রের একজন ছিলেন আল্লামা সাঈদি রহ., আর অন্যজন মাওলানা মীর হাবিবুর রহমান যুক্তিবাদী। তাঁদের হৃদয়স্পর্শী বয়ান শুনে বহু তরুণের হৃদয়ে ঈমানের আলো জ্বলে উঠেছিল। পথভোলা হাজারো মানুষ পেয়েছিলেন পথের দিশা।
গত মঙ্গলবার ৩ মার্চ ২০২৬ সকাল পৌনে আটটার দিকে রাজধানীর Evercare Hospital Dhaka-এ চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন মাওলানা যুক্তিবাদী। তাঁর ইন্তেকালের সংবাদ ছড়িয়ে পড়তেই অসংখ্য মানুষ শোকাহত হয়ে পড়েন। যেন ইসলামী বয়ানের এক পরিচিত কণ্ঠ হঠাৎ করেই থেমে গেল।
১৯৪৭ সালে -এ জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তাঁর পিতা ছিলেন ছারছিনা পীর সাহেবের একজন খলিফা। ছোটবেলা থেকেই তিনি ধর্মীয় পরিবেশে বেড়ে ওঠেন।
নিজ গ্রামে প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করে থেকে ১৯৬৩ সালে দাখিল ও ১৯৬৫ সালে আলিম পাস করেন। এরপর থেকে ১৯৬৭ সালে ফাজিল সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে থেকে কামিল ডিগ্রি অর্জনের মাধ্যমে তাঁর শিক্ষাজীবন শেষ হয়।
তবে তাঁর প্রকৃত পরিচয় ছিল ওয়াজের মঞ্চে। গ্রাম থেকে শহর, অলি-গলি থেকে বিশাল ময়দান, সর্বত্র শোনা গেছে তাঁর সুললিত ও দরাজ কণ্ঠ। কুরআন, হাদিস, নবী-রাসূল, সাহাবি ও আওলিয়ায়ে কেরামের জীবনী তিনি এমন আবেগ ও যুক্তির সঙ্গে উপস্থাপন করতেন যে শ্রোতারা মুগ্ধ হয়ে শুনতেন।
তিনি শুধু বাংলাদেশের মঞ্চেই সীমাবদ্ধ ছিলেন না। ইসলাম প্রচারের উদ্দেশ্যে সফর করেছেন যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ফ্রান্স, ইতালি, জার্মানি, মালয়েশিয়া, সৌদি আরব, কুয়েত, কাতার, সিঙ্গাপুরসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে।
ওয়াজ মাহফিলের হাজারো ব্যস্ততার মাঝেও তিনি লিখেছেন বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বই। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ইসলামে নারীর মর্যাদা, ধর্ম ও ইবাদত, মুক্তির সহজ পথ, রাসুলে খোদা (সা), মক্কাতে রাসুল (সা), মদিনাতে রাসুল (সা) এবং শানে রাসুল (সা)। এসব গ্রন্থের মাধ্যমে তিনি ইসলামের শিক্ষা মানুষের কাছে সহজভাবে তুলে ধরেছেন।
মানুষ তাঁকে কেন যুক্তিবাদী বলত? কারণ তাঁর বক্তব্যে ছিল আবেগের সঙ্গে যুক্তির শক্তিশালী সমন্বয়। তিনি শুধু হৃদয় স্পর্শ করতেন না, মানুষের চিন্তাকেও জাগিয়ে তুলতেন। তাই আজও “যুক্তিবাদী” শব্দটি উচ্চারিত হলে অনেকের মনে ভেসে ওঠে তাঁরই মুখ।
আজ তাঁর কণ্ঠ থেমে গেছে, কিন্তু তাঁর বয়ান, তাঁর চিন্তা, তাঁর দাওয়াত বহু মানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকবে।
হে আল্লাহ, আপনি তাঁকে ক্ষমা করুন। তাঁর কবরকে জান্নাতের বাগান বানিয়ে দিন এবং তাঁকে জান্নাতুল ফিরদাউস দান করুন।
আমিন।
যুক্তিবাদীর হৃদয় ছোঁয়া কিছু বক্তব্য-
০৯ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৬
নতুন নকিব বলেছেন:
আপনি সবসময়ই নিজেকে কুরআন এবং ধর্মের বিপক্ষে মনে করার কারণ কী?
২|
০৯ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:১৯
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: সেকালে আমিও তাঁর ওয়াজ মাহফিলে অংশগ্রহণ করতাম। আপনার পোষ্টের সাথে সহমত।
০৯ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৫
নতুন নকিব বলেছেন:
জাজাকুমুল্লাহু খাইরান, প্রিয় কবি ভাই।
৩|
০৯ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ২:৪১
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
এই বিখ্যাত ইসলামী ব্যক্তিত্বের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করছি , ইন্না লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজেউন ।
উনার প্রতি যথাযথ সন্মান প্রদর্শন পুর্বক বিনয়ের সহিত এই পোস্টে থাকা তাঁর লেখা একটি পুস্তকের
শিরোনাম নিয়ে কিঞ্চিত আলোচনা আপনার সাথে শেয়ার করছি যাতে সবচেয়ে উত্তম যৌক্তিক বিষয়টি
নিয়ে আমরা চিন্তা ভাবনা করতে পারি ।
সবিনয়ে উল্লেখ করতে চাই এখানে ইউকেতে মসজিদ ভিত্তিক একটি ইসলামী সংগঠনের সাধারন সম্পাদক
হিসাবে দায়ীত্ব পালন করায় দেশি বিদেশী অনেক বিখ্যাত আলেম ওলামার উপস্থিতিতে ইসলামী আলোচনা
সভা/মজলিস আয়োজন করা , উপস্থিত থাকা কিংবা ক্ষেত্র বিশেষে অনেকের অনুরূধে কিছু কথা বলার সুযোগ
পেয়ে থাকায় কিছু কিছু বিষয়ে দর্শকদের কাছ হতে প্রশ্ন বাক্য শুনা যায়।সেখানে রাসুলে খোদা ও খোদা হাফেজ
কথামালার সঠিক ব্যবহার নিয়েও ইয়ং মুসলিমদের কাছ হতেও প্রশ্নের সন্মুখীন হতে হয় ।
তাই যেহেতু অনেক ইসলামী স্কলারদের আলোচনায় রাসুলে খোদা (স.) শব্দদয় ব্যাবহারে একটু ভিন্ন মত
থাকার বিষয় লক্ষ্যগোচর হয়েছে সে সাথে এ প্রজন্মের ইয়ং অনেক মুসলিমদের মধ্য থেকে রাসুলে খোদা ও
খোদা হাফেজ শব্দদয় ব্যবহারে কিছু প্রশ্নের উদ্ভব হয়েছে তাই বিষয়টি নিয়ে আপনার মত একজন ইসলামী
স্কলারের সাথে একটু বিষদ আলোচনা/মতামত শেয়ারের জন্য একটি তাগিদ অনুভব করছি ।
এবার আসা যাক মুল আলোচনায় ।
অলোচ্য পুস্তক শিরোনামটি হল প্রয়াত ইসলামী লেখক মীর হাবিবুর রহমান এর লেখা “ রাসুলে খোদা ( স.)“
প্রথমেই রাসুলে খোদা (স.) কথাটির অর্থ ও এর ইসলামী দৃষ্টিকোণ বোঝার জন্য কয়েকটি বিষয় পরিষ্কার ভাবে
অনুধাবনের প্রয়োজন বোধ করছি ।
রাসুলে খোদা শব্দের অর্থ সম্পর্কে বলা হয় রাসুল হলেন প্রেরিত বার্তাবাহক , খোদা শব্দের অর্থ হল আল্লাহ
(ফারসি শব্দ যার অর্থ হল স্রস্টা, প্রভু)।সুতরাং রাসুলে খোদা অর্থ হলো আল্লাহর রাসুল বা Messenger of
God। এটি মূলত ফারসি/উর্দু ভাষার একটি প্রকাশভঙ্গি।
ইসলামে যে অর্থটি বোঝানো হয় তা কুরআনের ভাষায় হলো মোহাম্মদ রাসূলুল্লাহ (رسول الله) অর্থাৎ আল্লাহর রাসুল।
এখন কথা হল রাসুলে খোদা ( স.) বলা ইসলামীভাবে কি যুক্তিযুক্ত? ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে মূল বিষয় হলো
অর্থ ঠিক আছে কি না। যদি রাসুলে খোদা দ্বারা বোঝানো হয় আল্লাহর রাসুল (Allah’s Messenger), তাহলে
এর অর্থ শিরক বা ভুল নয়। কারণ কুরআনে বলা হয়েছে মুহাম্মদ আল্লাহর রাসুল। সুরা আল ফাতহ এর ২৯ নং
আয়াতের শুরুতে বলা হয়েছে مُحَمَّدٌ رَّسُوۡلُ اللّٰهِ অর্থ মোহাম্মদ আল্লাহর রাসুল ।
এখন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো কোন শব্দ ব্যবহার করা উত্তম? অনেক ইসলামী আলেমদের মতে সবচেয়ে উত্তম ও
সুন্নাহসম্মত শব্দ হলো রাসূলুল্লাহ (স.)/ নবীজি (স.)/মুহাম্মদ (স.)কারণ এগুলো কুরআন ও হাদিসের ভাষা।
খোদা শব্দ নিয়ে কিছু আলেমের আপত্তির মুল কারণ হল খোদা শব্দটি ফারসি, কুরআনের শব্দ নয়। কখনো কখনো
অন্য ধর্মেও খোদা শব্দ ব্যবহার হয় ।তাই তারা বলেন আল্লাহ শব্দ ব্যবহার করাই উত্তম।
তাই মুল কথা হল রাসুলে খোদা (স.) অর্থগতভাবে ভুল নয়, এটি আল্লাহর রাসুল বোঝায়।
তবে রাসূলুল্লাহ (স.) বলা আরও শুদ্ধ ও উত্তম
এখন আসা যাক খোদা হাফেজ থেকে আল্লাহ হাফেজ বলার প্রবণতা কেন বেড়েছে। প্রথমেই জানা যাক এর
পেছনে ভাষা, ইতিহাস ও ধর্মীয় চিন্তার কি পরিবর্তন কাজ করেছে।
খোদা হাফেজ শব্দটির ঐতিহাসিক ব্যবহার হল খোদা হাফেজ ফারসি ভাষা থেকে এসেছে।
খোদা হলেন প্রভু/স্রষ্টা । হাফেজ ফারসি শব্দ অর্থ হল, রক্ষাকারী অর্থাত স্রষ্টা আপনাকে রক্ষা করুন।
মধ্যযুগে যখন ফারসি ছিল ভারতীয় উপমহাদেশের প্রশাসনিক ও সাহিত্যিক ভাষা, তখন মুসলমানরা
বিদায় সম্ভাষণে খোদা হাফেজ বলতেন।বিশেষ করে মুঘল আমলে এই শব্দটি খুব জনপ্রিয় হয়ে যায়।
পক্ষান্তরে ইসলামের মূল ভাষা আরবি, ইসলামের মূল ধর্মগ্রন্থ কোরান আরবি ভাষায় নাযিল হয়েছে।
এবং ইসলামে আল্লাহর নির্দিষ্ট নাম হলো আল্লাহ। এই কারণে অনেক আলেম মনে করেন আল্লাহর জন্য
আল্লাহ শব্দ ব্যবহার করাই উত্তম।
২০শ শতকের মাঝামাঝি থেকে মুসলিম সমাজে একটি প্রবণতা দেখা যায় তা হল ধর্মীয় পরিভাষা আরবি
অনুযায়ী ব্যবহার করে ইসলামি পরিচয়কে আরও স্পষ্ট করা।এ কারণে অনেক মুসলমান বলতে শুরু করেন
আল্লাহ হাফেজ অর্থ আল্লাহ আপনাকে রক্ষা করুন।
বিশেষ করে ১৯৮০ এর দশকে পাকিস্তানে ইসলামীকরণ নীতির সময় সরকারী মিডিয়া ও সমাজে খোদা হাফেজ
কে আল্লাহ হাফেজ পরিবর্তন জনপ্রিয় হয়।এরপর বাংলাদেশ ও ভারতেও এই প্রবণতা ছড়িয়ে পড়ে।
এখন কথা হল ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে কোনটি সঠিক? আলেমদের মধ্যে সাধারণভাবে তিনটি মত দেখা যায়:
উভয়টিই অর্থগতভাবে ঠিক কারণ খোদা মানেও স্রষ্টা।
আল্লাহ হাফেজ উত্তম কারণ এতে সরাসরি আল্লাহর নাম ব্যবহার হয়।
আরবি দোয়া সবচেয়ে উত্তম যেমন আসসালামু আলাইকুম যা নবীর সুন্নাহ।
আর এটি শিখিয়েছেন আমাদের রাসুল হযরত মোহাম্মদ (স.) ।
তাই বর্তমানে মুসলমানরা অনেক সময় আল্লাহ হাফেজ বলতে বেশী পছন্দ করেন কারণ এটি কোরানের
ভাষায় ইসলামের মূল শব্দ আল্লাহএর সাথে সরাসরি সম্পর্কিত।
উপরের অলোচনা হতে তাই বুঝা যায় খোদা হাফেজ এর স্থলে আল্লাহ হাফেজ এবং রাসুলে খোদা(স.)
থেকে রাসূলুল্লাহ(স.) বলা আরো শুদ্ধ ও উত্তম ।
শুভেচ্ছা রইল
০৯ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৫
নতুন নকিব বলেছেন:
প্রিয় ড. এম. এ. আলী ভাই,
আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই এত সুন্দর, পরিমিত ও তথ্যসমৃদ্ধ একটি বিশ্লেষণমূলক মন্তব্য শেয়ার করার জন্য। অত্যন্ত সম্মানজনক ভঙ্গিতে বিষয়টির ভাষাগত, ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় দিকগুলো যে ভাবে তুলে ধরেছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।
আপনার আলোচনায় যে বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়েছে, তা হলো- অর্থগত দিক থেকে “রাসুলে খোদা (স.)” বা “খোদা হাফেজ” ভুল নয়, তবে কুরআন ও সুন্নাহর ভাষার সাথে অধিক সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়ায় “রাসূলুল্লাহ (স.)” ও “আল্লাহ হাফেজ” ব্যবহার করাকে অনেক আলেম অধিক উত্তম বলে মনে করেন। এই সূক্ষ্ম পার্থক্যটি আপনি অত্যন্ত যুক্তিপূর্ণভাবে তুলে ধরেছেন।
এ ধরনের মার্জিত ও যুক্তিনির্ভর আলোচনা আমাদের তরুণ প্রজন্মের মধ্যকার অনেক প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পেতে সহায়ক হবে বলে বিশ্বাস করি।
আপনার মূল্যবান মতামত ও অভিজ্ঞতা শেয়ার করার জন্য আবারও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। আল্লাহ তাআলা আপনাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন।
শুভেচ্ছা ও দোয়া রইল।
৪|
১০ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৩:৪০
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
ইন্না লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজেউন
৫|
১০ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৩:৪৩
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
শ্রদ্ধেয় এম, এ, আলী ভাই,
“খোদা হাফেজ” ও 'আল্লাহ্ হাফেজ' শব্দ প্রয়োগ বিষয়ে বিষদ আলোচনার জন্যে ধন্যবাদ নিরন্তর।
আমার জিজ্ঞাসা, বিদায় নেওয়ার সময়ে নবীজি নিজে কি বলতেন? তিনি “খোদা হাফেজ” বলতেন নাকি 'আল্লাহ্ হাফেজ'?
©somewhere in net ltd.
১|
০৯ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ১০:২৩
রাজীব নুর বলেছেন: একজন ধার্মিক ব্যাক্তি আর কি যুক্তি দিবেন??
তার যুক্তি হবে কোরআন আর হাদিস দ্বারা। অর্থ্যাত লজিকহীন যুক্তি। কিন্তু মুখের কথায় চিড়া ভিজে না।