| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
অপলক
তত্ত্ব, তথ্য ও অনুভূতি ভাগাভাগি করা আমার অভিপ্রায়। কারও যদি ইচ্ছে হয় তবে যে কেউ আমার এই ব্লগের যে কোন কিছু নিজের সংগ্রহে রাখতে পারে।
দেশের কমপক্ষে ৬ টি জেলায় উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা বাতিল ও স্থগিতের জন্যে আন্দোলনে নেমেছে। এরা হল লীগ সরকরারের শিক্ষা ব্যবস্থায় বেড়ে ওঠা তরুন তরুনী, যারা পড়ালেখা না করেই পরীক্ষা হলে যেত, আর উচ্চ মহলের নির্দেশণার কোন ক্রমে সি বা বি গ্রেডে পাশ করত।
যারা সারা বছর পড়াশোনা করে, তারা কখনই বলে না পরীক্ষা পিছিয়ে যাক বা পরীক্ষার রুটিন খুব খারাপ। যে পরীক্ষা পিছিয়ে যায় সেটা তাদের জন্যে যন্ত্রনার, রেজাল্ট খারাপ হয়। কিন্তু যারা সারা বছর পড়ে না, তাদের কাছে ১ সপ্তাহ পেছালে খোদার রহমত মনে হয়। আমি নিজেই সকালে একটা এবং একই দিন বিকেলে অন্য পরীক্ষা দিয়েছি HSC তে। আবার মাস্টার্সে ৪২ দিনে ৪৬টা পরীক্ষা দিয়েছি একটানা।
আজ টিভি তে কোন ভাল কলেজের শিক্ষার্থীদের দেখিনি, কোন মার্দাসা বোর্ডের শিক্ষার্থীদের দেখিনি। যাদের দেখলাম, তাদের চেহারা সুরত আর ভাষা শুনে মনেই হয়েছে, গাঁজা খোর, নেশা খোর বা টিকটকার এরা। ভাল শিক্ষার্থী হলে ১২ ঘন্টা রাজপথে থেকে সময় নষ্ট করত না। তাদের হয়ে সেই সময়টা নষ্ট করত তাদের বাবা মা। অথবা শিক্ষক মহোদয় নিজেরাই ছাত্রদের পক্ষে বোর্ডে খবর পাঠাত।
যেসব জেলায় বন্যা এসেছে, সরকার তাদের পরীক্ষা স্থগিত করেছে। ঢাকার কয়েকটা এলাকার পানির অসুবিধার জন্যে তো পুরো ঢাকা বোর্ডের পরীক্ষা বাতিল করার প্রশ্নই আসে না।
এরপর পরীক্ষার প্রশ্নপত্র নাকি কঠিন হয়েছে, সেলেবাসের বাইরে হয়েছে। প্রশ্ন সব সময়ই কঠিন হয়। যদি সারা বছর বই খোলা না হয়, তাহলে কোনটা সেলেবাসের ভেতরে / বাইরে বুঝবে কি করে?
আসলে শিক্ষা মন্ত্রী নকলের ব্যপারে কড়াকড়ি করেছেন। খাতায় কোন গ্রেসের নির্দেশনা থাকবে না বলেছেন, সেই সব ভয় থেকেই কিছু গুটি কয়েক শিক্ষার্থী পরীক্ষার পরিবেশ নষ্ট করতে এসেছে। আর আমাদের হলুদ মিডিয়া এক চামুচ চিনিকে বিশাল বড় হাওয়াই মিঠা বানিয়ে ফেলেছে।
আমি শিক্ষা মন্ত্রী এহসানুল হক মিলন কে সাধুবাদ জানাই। একজন অবিভাবক হিসেবে আমি আপনার পদক্ষেপের সাথে সহমত পোশন করছি। আপনি থামবেন না।
একটা দেশকে পঙ্গু করতে হলে, তার শিক্ষা ববস্থ্যাকে সবার আগে পঙ্গু করতে হয়। এখানে তেমন একটা ষড়যন্ত্রও চলছে বলে অনুভব করছি।
প্রায় ১৩ লাখ (১২,৭০,৫৮৩) পরীক্ষার্থীর কাছে ১০ হাজার পরীক্ষার্থীর আন্দোলনে কোন যায় আসে না। ওরা ১ মাস পরে পরীক্ষায় বসলেও ফেল করবে। আশাকরি, দেশের জাতীয় শিক্ষাবোর্ড এবং বুদ্ধিজীবীরা উপযুক্ত ও সঠিক সিদ্ধান্ত নিবেন।
১৫ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১২:৪০
অপলক বলেছেন: সোনামনিরা যে হারে টিকটক বানায়, সে হারে পড়ার টেবিলে বসে না। আরও ৬ মাস সময় দিলেও ওরা এরকমই কিছু একটা করত।
২|
১৫ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১২:১৩
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: এরা হল লীগ সরকরারের শিক্ষা ব্যবস্থায় বেড়ে ওঠা তরুন তরুনী,
যারা পড়ালেখা না করেই পরীক্ষা হলে যেত, আর উচ্চ মহলের নির্দেশণার
কোন ক্রমে সি বা বি গ্রেডে পাশ করত।
...............................................................................................
একই অবস্হা কি আমরা ইন্ট্রীম সরকারের সময় দেখি নাই ??
বাস্তবতা হলো শিক্ষার্থীরা সুস্হভাবে পড়াশোনা করবে, ব্যবসায়ীরা নির্ভয়ে
ব্যবসা করবে , চাকুরীজিবি কোন প্রকার আতন্ক বা মব কালচার দেখবেনা
এমন সুম্হ সুন্দর পরিবেশ দেশে বিরাজ না করলে; বিশৃঙ্খলা দেখা দিবে ।
..................................................................................................
শিক্ষার্থীর ভালো পড়াশুনার জন্য সুস্হ ও সুন্দর পরিবেশ দিতে হবে যা
আমরা দিতে ব্যর্থ হয়েছি ।
১৫ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১২:৪১
অপলক বলেছেন: খুব গুরুত্বপূর্ন কথা বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ
"শিক্ষার্থীরা সুস্হভাবে পড়াশোনা করবে, ব্যবসায়ীরা নির্ভয়ে ব্যবসা করবে , চাকুরীজিবি কোন প্রকার আতন্ক বা মব কালচার দেখবেনা। এমন সুম্হ সুন্দর পরিবেশ দেশে বিরাজ না করলে; বিশৃঙ্খলা দেখা দিবে ।
..................................................................................................
শিক্ষার্থীর ভালো পড়াশুনার জন্য সুস্হ ও সুন্দর পরিবেশ দিতে হবে যা আমরা দিতে ব্যর্থ হয়েছি ।"
৩|
১৫ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১২:৪৪
শূন্য সারমর্ম বলেছেন:
প্রতিটি শিক্ষার্থী একজন মিলন।
©somewhere in net ltd.
১|
১৪ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১১:৪৯
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ফুল সিলেবাসে এবার প্রথম করোনার পর পরীক্ষা হইতেসে । আরো গ্যাপ দিয়ে এক্সাম নেয়া দরকার ছিলো। সোনামনিদের গত দুই বছর তেমন পড়ালেখা হয় নি।