নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি সাদামাটা মানুষ। ভালবাসার কাঙ্গাল। অল্পতেই তুষ্ট। সবাই আমাকে ঠকায়, তবুও শুরুতে সবাইকে সৎ ভাবি। ভেবেই নেই, এই মানুষটা হয়ত ঠকাবেনা। তারপরেও দিনশেষে আমি আমার মত...

অপলক

তত্ত্ব, তথ্য ও অনুভূতি ভাগাভাগি করা আমার অভিপ্রায়। কারও যদি ইচ্ছে হয় তবে যে কেউ আমার এই ব্লগের যে কোন কিছু নিজের সংগ্রহে রাখতে পারে।

অপলক › বিস্তারিত পোস্টঃ

জানের বদলে জান: ব্যাপারটায় প্রতিহিংসার ফ্লেভার মেশানো

১৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:৩৬

ইসলামে কি বলা আছে সেটা নিয়ে আলোচনা করতে চাই না। দেশের আইনে কি আছে সেটাও না। ইংরেজীতে দুটো শব্দ আছে: Equality (Sameness: সমতা) এবং Equity (Fairness: নায্যতা)।




একটা অপ্রাপ্ত বয়স্ক মানুষ অপর কোন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দ্বারা নিগৃহীত হলে বা খুন হলে আনুসঙ্গিক ব্যাপারগুলো মাথায় রেখে বিচার করা উচিত। সবার জন্যে একই বিচার বেমানান।

আজ পত্রিকায় এসেছে ফরিদপুরে আট বছরের শিশুকে ধর্ষণ, যুবকের মৃত্যুদণ্ড। ঐ ৮ বছরের মেয়েটি কিন্তু মারা যায়নি, কিন্তু যুবকটিকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে। মেয়েটি বড় হয়ে ঠিকই ঘর সংসার করবে বা জীবনকে উপভোগ করবে। কিন্তু যুবকটির জীবন অধ্যায় জীবনের মাঝ খানে হঠাৎ শেষ। এটা ছোট অপরাধে অনেক বড় শাস্তি। ছোট অবরাধ এজন্যেই বললাম, মেয়েটি হয়ত দু্ চার বছরের মধ্যে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবে, কিন্তু ছেলেটি নয়। সেই ছেলেটি পরিবারের একমাত্র উপর্জনক্ষম ব্যক্তি। তার অনুপস্থিতিতে পরিবারটির কি হতে পারে !!! মেয়েটি যে সাবালিকা হবার সাথে সাথে নিজেকে পুতপবিত্র রাখতো, তারও কোন নিশ্চয়তা নেই। যুবক বয়সে ছেলেটি যে ভুল করেছে, তার প্রায়শ্চিত্ব করার সুযোগ দেয়া যেত অন্য ভাবে।

সেটা হতে পারত, যাবৎ জীবন স্বশ্রম কারাদন্ড। অথবা, ছেলেটি মুক্ত অবস্থায় থাকবে যাতে মেয়েটির ১৮ বছর পর্যন্ত সমস্ত খরচ বহন করবে এবং প্রাপ্তবয়স্ক হলে বিয়ে না হলে নিজেই স্ত্রী হিসেবে গ্রহন করতে বাধ্য থাকবে এবং দ্বিতীয় স্ত্রী গ্রহন করতে পারবে না। একই সাথে তার এনআইডি তে নোট থাকবে, Rapist. এটা একটা উদাহরন মাত্র। আরও কঠিন কিছু হতে পারে। কিন্তু জীবন একেবারে শেষ করে দেয়া যায় না।



একটা ৮ বছরের বাচ্চা কলেরা, ডেঙ্গু বা অন্য অসুখে যে কোন সময় মারাও যেতে পারে। আবার ২৫ বছরের ছেলেটি যতটা কর্মক্ষম বা উৎপাদনমুখী অর্থনীতির বিচারে, সে পর্যায়ে যেতে মেয়েটির ১৭ বছর অপেক্ষা করতে হবে। তাও সমপার্যায়ের হবে কি না নিশ্চয়তা নেই। মেয়েটি বেঁচে থাকলে মাকে মা বলে ডাকতে পারবে, কিন্তু ছেলেটি তখন ছবি হয়ে থাকবে। মা তখন ছেলের গলায় মা ডাক শুনবে না। যে আঁচলে চোখের পানি মুছবে, সে আঁচলে ছেলের ছবির ফ্রেম মুছবে।

বাস্তবতা হল, একটি ধর্ষনের বিপরীতে মৃত্যুদন্ড শব্দটা শুনে মেয়ের পরিবার, আমাদের এলোমেলো সমাজের সবাই খুশি। কিন্তু আমরা ভাবি না, এটা বা এ ধরনের বিচার অসম - অনায্য বিচার। আমি প্রতিহিংসার ফ্লেভার দেখতে পাই... দেখতে পাই বিচারের ভারসাম্যহীনতা।

খবরের লিঙ্ক: ফরিদপুরে আট বছরের শিশুকে ধর্ষণ, যুবকের মৃত্যুদণ্ড

মন্তব্য ২৪ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (২৪) মন্তব্য লিখুন

১| ১৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:৪৮

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন:



অপলক, আপনার লেখাটি পড়লাম। একটি সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন। অপরাধের শাস্তি নির্ধারণে সমতা (Equality) এবং ন্যায্যতার (Equity) পার্থক্য তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। তবে আপনার আলোচনার কয়েকটি জায়গায় ভিন্নভাবে ভাবার অবকাশ রয়েছে বলে মনে করি।

প্রথমেই বলতে চাই, আট বছরের একটি শিশুর ওপর যৌন নির্যাতন কোনো সাধারণ অপরাধ নয়। একটি শিশু শারীরিক, মানসিক ও সামাজিকভাবে অত্যন্ত অসহায় অবস্থায় থাকে। তার সম্মতি দেওয়ার মতো পরিপক্বতা নেই, নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষমতাও সীমিত। একজন প্রাপ্তবয়স্ক বা যুবক যখন সেই অসহায়ত্বের সুযোগ নেয়, তখন সেটি শুধু একটি ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপরাধ নয়; এটি শিশুর নিরাপত্তা, মর্যাদা ও মৌলিক অধিকারের ওপর গুরুতর আঘাত। তাই এ ধরনের অপরাধের বিচার করতে গিয়ে অপরাধীর ভবিষ্যৎ ও পরিবারের দুরবস্থার পাশাপাশি ভুক্তভোগী শিশুর অধিকার ও দীর্ঘমেয়াদি মানসিক ক্ষতির বিষয়টিকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে।

আপনি বলেছেন, মেয়েটি মারা যায়নি, অথচ যুবকটির মৃত্যুদণ্ড হয়েছে। এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন আছে: কোনো অপরাধের শিকার ব্যক্তি বেঁচে আছেন বলেই কি সেই অপরাধের গুরুত্ব কমে যায়? মৃত্যু না ঘটলেও যৌন নির্যাতন একজন শিশুর মনে গভীর ট্রমা, ভয়, নিরাপত্তাহীনতা ও দীর্ঘমেয়াদি মানসিক সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। ভুক্তভোগী ভবিষ্যতে স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারবেন কি না, সেটিও বাইরে থেকে নিশ্চিত করে বলা যায় না। কয়েক বছর পর তিনি স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবেন—এমন অনুমান যেমন নিশ্চিত নয়, তেমনি তাঁর জীবন অবশ্যই ধ্বংস হয়ে যাবে—এমন সিদ্ধান্তও আগাম দেওয়া যায় না। প্রত্যেক ভুক্তভোগীর অভিজ্ঞতা আলাদা।

আপনার লেখার আরেকটি বক্তব্য হলো, যুবকটি পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। এটি অবশ্যই মানবিক বিবেচনার বিষয়। একজন দণ্ডিত ব্যক্তির অনুপস্থিতিতে তাঁর মা-বাবা, স্ত্রী, সন্তান বা অন্য নির্ভরশীল সদস্যরা কষ্টে পড়তে পারেন। কিন্তু এখানে পাল্টা প্রশ্নও রয়েছে: অপরাধীর পরিবারের আর্থিক দুরবস্থার দায় কি ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারকে বহন করতে হবে? অপরাধী পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি হলেই কি তার অপরাধের শাস্তি কমে যাওয়া উচিত? আমার মতে, পারিবারিক পরিস্থিতি বিবেচনার যোগ্য হলেও সেটি অপরাধের গুরুত্ব ও ভুক্তভোগীর অধিকারের বিকল্প হতে পারে না। রাষ্ট্রের দায়িত্ব হওয়া উচিত অপরাধীর নির্ভরশীল নিরপরাধ সদস্যদের জন্য সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা।

আপনি Equality ও Equity-র যে পার্থক্য তুলে ধরেছেন, সেটি আলোচনার যোগ্য। সমতা মানে সবার ক্ষেত্রে একই নিয়ম প্রয়োগ করা; আর ন্যায্যতা মানে প্রাসঙ্গিক পার্থক্যগুলো বিবেচনা করে সুবিচার নিশ্চিত করা। তবে ন্যায্যতা মানে অপরাধীর প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়া মাত্র নয়। ন্যায্যতার কেন্দ্রে থাকতে হবে অপরাধের প্রকৃতি, অপরাধীর দায়, ভুক্তভোগীর ক্ষতি, সাক্ষ্যপ্রমাণ, প্রযোজ্য আইন এবং শাস্তির আনুপাতিকতা। একই সঙ্গে অভিযুক্তের আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার ও নিরপেক্ষ বিচার নিশ্চিত করাও ন্যায্যতার অপরিহার্য অংশ।

আপনি বিকল্প হিসেবে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডের কথা বলেছেন। এ ধরনের বিকল্প নিয়ে আলোচনা করা যায়। তবে শাস্তির উদ্দেশ্য শুধু অপরাধীকে কষ্ট দেওয়া নয়; সমাজকে সুরক্ষা দেওয়া, ভবিষ্যৎ অপরাধ প্রতিরোধ করা, অপরাধের জন্য জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং সম্ভব হলে অপরাধীর সংশোধনের সুযোগ সৃষ্টি করাও এর অংশ। মৃত্যুদণ্ডের কার্যকারিতা নিয়ে যেমন বিতর্ক রয়েছে, তেমনি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের কার্যকারিতা, ব্যয়, অপরাধীর পুনর্বাসন এবং সমাজের নিরাপত্তা নিয়েও যুক্তিনির্ভর আলোচনা প্রয়োজন। কোনো একটি শাস্তিকে যথাযথ বিশ্লেষণ ছাড়াই সব ক্ষেত্রে সর্বোত্তম বলা যায় না।

তবে আপনার প্রস্তাবের একটি জায়গায় আমার গুরুতর আপত্তি আছে। আপনি বলেছেন, অপরাধীকে মুক্ত রেখে মেয়েটির ১৮ বছর পর্যন্ত খরচ বহন করানো, পরে বিয়ে না হলে মেয়েটিকে স্ত্রী হিসেবে গ্রহণে বাধ্য করা এবং দ্বিতীয় বিয়ে নিষিদ্ধ করার মতো ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে। এখানে শিশুর অধিকার ও সম্মতির প্রশ্নটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ধর্ষণের শিকার শিশুকে অপরাধীর সঙ্গে ভবিষ্যতে বিয়ের সম্পর্কে বাধ্য করা কোনোভাবেই ন্যায়বিচারের গ্রহণযোগ্য বিকল্প হতে পারে না। এতে ভুক্তভোগীর ওপর নতুন করে মানসিক চাপ সৃষ্টি হতে পারে এবং অপরাধীর সঙ্গে তার অনাকাঙ্ক্ষিত সম্পর্ক বজায় রাখার ঝুঁকি তৈরি হয়। অপরাধীর অর্থনৈতিক দায় থাকলে তা আইনসম্মত ক্ষতিপূরণ বা ভুক্তভোগীর পুনর্বাসনের মাধ্যমে বিবেচনা করা যেতে পারে; কিন্তু বিয়ে কোনো শাস্তি, ক্ষতিপূরণ বা অপরাধের সমাধান নয়।

আরও একটি বিষয় হলো, ধর্ষণের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়া, অভিযুক্তের অপরাধের মাত্রা নির্ধারণ এবং শাস্তি ঘোষণার মধ্যে বিচারিক প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ ধাপ রয়েছে। সংবাদে প্রকাশিত সংক্ষিপ্ত বিবরণ পড়ে আমরা পুরো মামলার সাক্ষ্যপ্রমাণ, আদালতের যুক্তি কিংবা প্রযোজ্য আইনের সবকিছু জানি না। তাই নির্দিষ্ট রায়টি ন্যায্য না অন্যায্য, তা মূল্যায়নের আগে পূর্ণাঙ্গ রায় ও মামলার প্রাসঙ্গিক তথ্য জানা প্রয়োজন। মৃত্যুদণ্ডের বিরোধিতা করতে হলেও যুক্তি ও প্রমাণের ভিত্তিতে করা উচিত; আবার মৃত্যুদণ্ডের পক্ষে অবস্থান নিলেও শুধু জনরোষ বা প্রতিশোধের আকাঙ্ক্ষাকে যথেষ্ট কারণ মনে করা উচিত নয়।

আমার কাছে ন্যায়বিচারের অর্থ প্রতিহিংসা নয়, আবার অপরাধীর ভবিষ্যতের কথা ভেবে ভুক্তভোগীর কষ্টকে ছোট করে দেখাও নয়। ন্যায়বিচার এমন একটি প্রক্রিয়া, যেখানে অপরাধের গুরুত্ব যথাযথভাবে স্বীকৃত হবে, নিরপরাধ কেউ শাস্তি পাবে না, অপরাধ প্রমাণিত হলে অপরাধী জবাবদিহির আওতায় আসবে এবং ভুক্তভোগী প্রয়োজনীয় সুরক্ষা, চিকিৎসা, মানসিক সহায়তা ও পুনর্বাসন পাবেন।

সবশেষে বলি, অপরাধীর জীবন যেমন মূল্যবান, তেমনি ভুক্তভোগী শিশুর জীবন, মর্যাদা ও ভবিষ্যৎও সমান মূল্যবান। অপরাধীর পরিবারের কান্না আমাদের মানবিক হতে শেখায়; কিন্তু সেই মানবিকতা যেন নির্যাতিত শিশুর যন্ত্রণা উপেক্ষা না করে। আবার শিশুর প্রতি সহমর্মিতা যেন বিচারপ্রক্রিয়াকে প্রতিহিংসার পথে পরিচালিত না করে। এই দুই বিপরীত ঝুঁকির মাঝখানে প্রমাণভিত্তিক, নিরপেক্ষ ও ন্যায়সংগত বিচারই হওয়া উচিত আমাদের লক্ষ্য।

আপনার সঙ্গে আমার মতপার্থক্য থাকতে পারে, কিন্তু বিষয়টি নিয়ে আলোচনা প্রয়োজন। কারণ একটি সভ্য সমাজের পরিচয় শুধু অপরাধীকে কত কঠোর শাস্তি দেওয়া হলো, তা দিয়ে নির্ধারিত হয় না; বরং নিরপরাধের অধিকার রক্ষা, ভুক্তভোগীর পাশে দাঁড়ানো এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে সমাজ কতটা দায়িত্বশীল, তা দিয়েও নির্ধারিত হয়।

২| ১৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৯:০০

মাথা পাগলা বলেছেন: লেখক বলেছেনঃ ছেলেটি মুক্ত অবস্থায় থাকবে যাতে মেয়েটির ১৮ বছর পর্যন্ত সমস্ত খরচ বহন করবে এবং প্রাপ্তবয়স্ক হলে বিয়ে না হলে নিজেই স্ত্রী হিসেবে গ্রহন করতে বাধ্য থাকব।


মেয়েটি যে সাবালিকা হবার সাথে সাথে নিজেকে পুতপবিত্র রাখতো, তারও কোন নিশ্চয়তা নেই।


মেয়েদেরকে কি মানুষ হিসেবে গন্য করেন না?

কুৎসিত চিন্তা-ভাবনা - ওয়াক থু!

১৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৯:১৫

অপলক বলেছেন: পাগলামো করিস না... যে ছেলেটার ফাসি হল, নিজেকে বসা তার জায়গায়। তোর মায়ের কথা ভাব একবার।

আমি তো কেবল একটা উদাহরন তুলে ধরেছি। বাস্তবতা আরও জঘন্য। অপ্রাসঙ্গিক একটা কথা বলি, বেসরকারী জরিপ অনুযায়ী ০.০৩% ঢাকার মানুষ লিভটুগেদার করে। আর ২৩% এর বেশি ছেলেমেয়ের অবৈধ মেলামেশা করে।

৩| ১৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৯:০৮

নতুন বলেছেন: আজ পত্রিকায় এসেছে ফরিদপুরে আট বছরের শিশুকে ধর্ষণ, যুবকের মৃত্যুদণ্ড। ঐ ৮ বছরের মেয়েটি কিন্তু মারা যায়নি, কিন্তু যুবকটিকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে। মেয়েটি বড় হয়ে ঠিকই ঘর সংসার করবে বা জীবনকে উপভোগ করবে। কিন্তু যুবকটির জীবন অধ্যায় জীবনের মাঝ খানে হঠাৎ শেষ। এটা ছোট অপরাধে অনেক বড় শাস্তি। ছোট অবরাধ এজন্যেই বললাম, মেয়েটি হয়ত দু্ চার বছরের মধ্যে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবে, কিন্তু ছেলেটি নয়।

একটা মেয়ে কে ধর্ষনের স্বীকার হওয়াকে ছোট অপরাধ হিসেবে নিচ্ছেন? :|

একটা নারী আমাদের সমাজে ধর্ষিতা হলে তাদের জীবনে কত কি অভিঙ্গতার মাঝে যেতে হয়?
তাকে কেউ জেনে শুনে বিয়ে করবে? যদিও বিয়ে করে তার মেয়ে কে জেনে শুনে বিয়ে করবে?

অনেক নারীই জীবিত মানুষের মতনই বাকী জীবন কাটায় কিন্তু সাভাবিক জীবন কাটাতে পারেনা।


ছেলেটি মুক্ত অবস্থায় থাকবে যাতে মেয়েটির ১৮ বছর পর্যন্ত সমস্ত খরচ বহন করবে এবং প্রাপ্তবয়স্ক হলে বিয়ে না হলে নিজেই স্ত্রী হিসেবে গ্রহন করতে বাধ্য থাকবে এবং দ্বিতীয় স্ত্রী গ্রহন করতে পারবে না।

এই দুজন স্বামী স্ত্রী হিসেবে সুখে শান্তিতে বসবাস করতে থাকবে?

ঐ ছেলে তার জীবনের সকল কস্টের জন্য ঐ মেয়েকেই দায়ী করবে।
এ মেয়ে তার সারা জীবন স্বামীর অবহেলার পাত্র হিসেবেই জীবন জাপন করবে। এবং প্রতিরাতেই ধর্ষনের কথা মনে করবে।

ঐ ছেলের ফাসী হবেনা, উপরের আদালত তাকে যাবতজীবনই দেবে। বরং এ ছেলে বের হয়ে কুমারী মেয়ে বিয়ে করবে, সংসার করবে, বন্ধুদের সাথে জেলে কি কি করেছে তার গল্প করবে।

আর ঐ নারী সারা জীবন মানুষিক ভাবে কস্টে জীবন জাপন করবে। :|

১৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৯:২৪

অপলক বলেছেন: হয়ত... :(

৪| ১৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৯:৪৮

এল গ্যাস্ত্রিকো ডি প্রবলেমো বলেছেন: ৮ বছরের মেয়েকে ধর্ষণ ছোট অপরাধ! এই ছাগী কয় কী!

১৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:২৪

অপলক বলেছেন: গ্যাসট্রিকের রুগিরা বায়ূবানে শেরা হয়। পেটের অবস্থা নিয়ে তাদের দৌড়াদৌড়ির শেষ নেই। তাই তাদের অপরাধে মাত্রা সম্বন্ধে সাধারন জ্ঞান থাকার কথা না।

৫| ১৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:২৪

ভুয়া মফিজ বলেছেন: যুবকের যদি শেষ পর্যন্ত মৃত্যুদন্ড হয়, তাহলে খুবই ভালো। নয়তো একদিন এই ব্যাটা জেল থেকে বের হয়ে আবার ধর্ষণ করবে.........যদি সময় সুযোগ পায়।

অপরদিকে মেয়েটা যেই ট্রমার মধ্যে দিয়ে সারাজীবন যাবে, সেটা মৃত্যুর চাইতেও ভয়াবহ। মেয়েটি বড় হয়ে ঠিকই ঘর সংসার করবে বা জীবনকে উপভোগ করবে.........এতো নিশ্চিত হচ্ছেন কিভাবে? ট্রমার মধ্যে থেকে জীবনকে কিভাবে উপভোগ করে, আমার জানা নাই। লিভ টুগেদারের যেই উদাহরন দিলেন সেটাও অবান্তর। সেখানে কোন ধর্ষণ হয় না, কাজেই ট্রমার ব্যাপারও নাই।

সেই ছেলেটি পরিবারের একমাত্র উপর্জনক্ষম ব্যক্তি। এটা কেমন যুক্তি বুঝলাম না। একমাত্র উপার্জন করা মানুষ বলে তার বড় অপরাধের জন্য লঘু শাস্তি দিতে হবে? আমাদের ধর্মে বুঝে-শুনেই এই পাপের জন্য বড় শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে.........নয়তো ধর্ষকেরা কোন না কোন অজুহাতে বেচে যাবে। তাছাড়া সমাজে দৃষ্টান্ত স্থাপনেরও প্রয়োজন আছে।

১৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:১৮

অপলক বলেছেন: হয়ত... ঠিক বলেছেন।

চীনে ধর্ষনের মত অপরাধকে ভিন্ন ভিন্ন মাত্রায় বিভক্ত করে শাস্তি দেয়া হয়। কিন্তু একক ধর্ষনের কারনে মৃত্যুদন্ড নেই। বর্তমানে ধর্ষকদের বিশেষ ওষূধ প্রয়োগে ৫ বা ১০ বছর মেয়াদে যৌন আকাঙ্কা নিবৃত্ত করে রাখা হয় কিছু ক্ষেত্রে, যাতে তারা সমাজে আবার অবরাধ না করতে পারে। আবার মুসলিম দেশে ব্রুনায়ে পাথর ছুরে মারা হয় বা কোন কোন ক্ষেত্রে যৌনাঙ্গ কেটে ফেলা হয় অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী।

বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (MD) সায়েম সোবহান আনভীরের বিরুদ্ধে ৯ টা রেপের সাক্ষ্য আছে, এর মধ্যে মুনিয়াকে ধর্ষনের পর হত্যাকান্ডের কেস আদালতে আছে। বাংলাদেশের আইন কিছুই করতে পারেনি, পারবেও না। আইনের যত খবরদারি শুধু গরীবের ঘাড়ে। পারলে আনভীরের বিচার করে দেখান।

৬| ১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:০৯

মাথা পাগলা বলেছেন: সুযোগ পেলে আপনি নিজেও ধর্ষন করবেন। তারপর নিজের মুক্তির জন্য এইসব গাবেজ যুক্তি দিবেন।

১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:০১

অপলক বলেছেন: সবাই কে নিজের মত ভাবেন কেন? ব্যক্তি আর্কমনের চেয়ে ভাল হত, যদি অপরাধের মাত্রা অনুয়ায়ী বিচার হচ্ছে কি না, সেই প্রেক্ষাপট নিয়ে আলোচনা করতেন।

৭| ১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:২৪

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: এটা বা এ ধরনের বিচার অসম - অনায্য বিচার। আমি প্রতিহিংসার
ফ্লেভার দেখতে পাই... দেখতে পাই বিচারের ভারসাম্যহীনতা।

..........................................................................................
আপনার মাথার ভারসাম্য ঠিক করেন !
কেন সে অন্যকে ধর্ষন করবে, তার পক্ষে সাফাই গাইছেন ।
আজ আপনার পরিবারের কারও সাথে হয় , তখন ১০ বার ফাঁসি চাইবেন ।
..............................................................................................
বেসরকারী জরিপ অনুযায়ী ০.০৩% ঢাকার মানুষ লিভটুগেদার করে।
আর ২৩% এর বেশি ছেলেমেয়ের অবৈধ মেলামেশা করে।

তাতে আপনার জ্বালা ধরছে কেন ? যার যা পাপ সে ভোগ করবে ,
সারা বিশ্ব আজ এইসব অনাচারে ভরে গেছে কয়টা আপনি ঠেকাতে চান !
নিজ চরকায় তেল দিন ভালো থাকুন ।

১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:৪০

অপলক বলেছেন: কেন সে অন্যকে ধর্ষন করবে, তার পক্ষে সাফাই গাইছেন ।আজ আপনার পরিবারের কারও সাথে হয় , তখন ১০ বার ফাঁসি চাইবেন <<< হয়ত ঠিক বলেছেন। আল্লাহ আমার বা আপনার কারও পরিবারেই এই দুর্ঘটনার শীকার না করুন। আমিন।

তাতে আপনার জ্বালা ধরছে কেন ? যার যা পাপ সে ভোগ করবে , সারা বিশ্ব আজ এইসব অনাচারে ভরে গেছে কয়টা আপনি ঠেকাতে চান !
<<<ডা. ইউনুসের অপকর্ম বা ভুল সিদ্ধান্তের জন্যে আপনার যেমন গা জ্বালা করে। যেকোন অপরাধ দেখলে আমারও গা জ্বালা করে। মুক্ত মঞ্চ বা কথা বলার স্বাধীনতার অংশ হিসেবে তাই কথাগুলো এখানে শেয়ার করি। আপনি কি জানেন, দেশে বহু দম্পতি আছে যেখানে Marital rape হচ্ছে, সেখানে কিন্তু আমরা মাথা ঘামাই না। ভারতে Marital rape এর জন্যে কমপক্ষে ৩টি আইন আছে। আমার সোনার বাংলায় Marital rape এর জন্যে কোন আইন নেই। যা আছে সেটা হাস্যকার। যেমন: স্ত্রীর বয়স যদি ১৩ বছরের কম না হয়, তবে স্বামী কর্তৃক স্ত্রীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করা ধর্ষণ বলে গণ্য হবে না।
বাংলাদেশে বিয়ের বৈধ্য বয়স নারীর জন্যে ১৮, তাহলে ১৩ বছর বলা হল কেন? মানে ১৮ বছরের নীচে হলে সেই বিয়ে তো শুরুতেইি অবৈধ্। অথবা ১৩-১৭ বছর বয়সের বিয়েও কি বৈধ? সেখানে এই আইনের কার্যকারীতা কি? এর অর্থ Marital rape এ বাঙ্গালী নারীরা আমার মেয়ে - বোন বা কাছের কেউ কখনই বিচার পাবে না। হয় মরতে হবে , না হয় নির্যাতন সহ্য করতে হবে। এমন কি হয় না, প্রাপ্তবয়স্ক নারীকে ক্ষমতাবানরা বা সন্ত্রাসীরা তুলে নিয়ে বিয়ে করছে? বা নেশা করে স্বামী অনিচ্ছা স্বত্বেও স্ত্রীকে বিছানায় যেতে জোর করছে?

ভয়ঙ্কর কথা হল, ইসলামেও Marital rape এর বিচার নেই। বরং ইসলাম স্ত্রী জাতিকে ভয় দেখাচ্ছে এভাবে: “যদি কোনো ব্যক্তি নিজ স্ত্রীকে বিছানায় (সহবাসের জন্য) ডাকে এবং সে তা অস্বীকার করে, অতঃপর স্বামী রাগান্বিত অবস্থায় রাত কাটায়, তাহলে ফেরেশতারা সকাল হওয়া পর্যন্ত সেই স্ত্রীর ওপর অভিশাপ (লানত) দিতে থাকেন।” (সহীহ বুখারী, হাদীস নং- ৫১৯৩; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং- ১৪৩৬)

নারী জাতিরা সত্যিই অসহায়। বাবা মার জোরা জুরিতে হয়ত বিয়ে করে। রাত হলে স্বামীর জোরাজুরিতে বিছানায় যায়। সন্তান গর্ভধারন না করতে চাইলেও আপনজনদের চাপে গর্ভধারন করতে হয়। আবার সে সন্তান মানুষ না হলে, মায়ের দোষ/পেটের দোষ, মানুষের মত মানুষ করতে পারেনি তাই। শেষে যদি তার ছেলেটি ধর্ষক হয়, তবে সেই মাকে নীরবে কাঁদতে হয়, এক গাদা অপামন মাথায় নিয়ে বাঁচতে হয়। আমরা সেন্টিমেন্টাল জাতি, হুজুগে বাঙ্গালী, ভাইরাল বাঙ্গালী। অবান্তর অনেক কিছু নিয়ে লাফালাফি করি, কিন্তু যেখানটায় দরকার, সেখানে নীরব।

৮| ১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৭:৫২

মিরোরডডল বলেছেন:




ঐ ৮ বছরের মেয়েটি কিন্তু মারা যায়নি, কিন্তু যুবকটিকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে।

মনে হচ্ছে মারা গেলে ভালো হতো।
মেয়েটি মারা যায়নি এটা এখন তার অপরাধ।

এটা ছোট অপরাধে অনেক বড় শাস্তি।

ধর্ষণকে যার কাছে ছোট অপরাধ মনে হয়, এরপর তার বাকি লেখাটুকু পড়ার ইচ্ছা হয়না। Shame!!

মেয়েটি যে সাবালিকা হবার সাথে সাথে নিজেকে পুতপবিত্র রাখতো, তারও কোন নিশ্চয়তা নেই।

তাই নাহ?
যেমন এটার নিশ্চয়তা নেই যে পোষ্টদাতা হয়তো একজন পারভার্ট, রেপিষ্ট,
who knows? নিশ্চয়তা নেইতো, হতেও পারে।
হয়তো সে কখনও এমন অপরাধ করেছে, আর সেই কারণেই আজ একজন ধর্ষককে সমর্থন করছে।

একটা আট বছরের বাচ্চা ধর্ষণ হয়েছে, অনুমান করে নেয়া এই মেয়ে বড় হয়ে খারাপও হতে পারে, তাই আজকে তার ধর্ষককে সমর্থন জানানো, তার পক্ষে কথা বলা, তার শাস্তি কমিয়ে দেয়া।
What a shit argument!

প্রাপ্তবয়স্ক হলে বিয়ে না হলে নিজেই স্ত্রী হিসেবে গ্রহন করতে বাধ্য থাকবে

তার মানে শুধু ধর্ষণই যথেষ্ট না, তার বাকি জীবনটাও ধ্বংস করে দেওয়া চাই।

are you out of your mind???
what made you think this victim and her family will accept a rapist as a life partner?

এখানেও ধর্ষকের সাপোর্ট নেয়া হচ্ছে।
ধর্ষক জানার পর এই ছেলের যদি বিয়ে না হয়, বাকি জীবন যেনো ভিকটিমকে লাইফটাইম ভিকটিম হিসেবে চালিয়ে নিতে পারে তার ব্যবস্থা করা।
What a disgusting thinking!!!

দেখতে পাই বিচারের ভারসাম্যহীনতা।

man, you're sick.
you need treatment for thought disorder.
Good luck!!!

১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:৫৪

অপলক বলেছেন: আপনি নিতান্তই গড়পরতা মানুষ। গভীর চিন্তা আপনার মন্তব্যে পেলাম না। সম্ভবত আপনি নিজেও নারী। তাই মন্তব্যে ভীষণ আবেগ।

আপনি আমাকে sick বলে ফেললেন। টিট্রমেন্ট নিতে বললেন। হতেই পারে, নিজের মুখ দেখতে হলে আয়না তো লাগেই। আপনার মন্তব্যে নিজেকে দেখতে পাই। আশাকরি, আপনি আমার সবগুলো কমেন্টের রিল্পায় অংশ পড়বেন, ভাববেন।

সত্যি কথা হল, বাংলাদেশে অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী সব বিচার হয় না। আইনের বহু ফাক ফোকর আছে। আবার এলিট শ্রেনীর অপরাধের বিচার রাষ্ট্র নিজেই করে না। ভুক্তভোগী না হওয়া পর্যন্ত আপনি বুঝবেন না, দেশে বিচার ব্যবস্থার কি করুন অবস্থা।

Good luck!!!

৯| ১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:১০

মিরোরডডল বলেছেন:




মৃত্যুদণ্ড শুধু রায় হলে হবে না, সেটাকে জনমঞ্চে এক্সিকিউট করতে হবে, যেন মানুষ দেখে শিক্ষা নেয়।

আর যারা সুপ্ত গুপ্ত সাধারণ মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে আছে যে ধর্ষক, ধর্ষকের সাপোর্টার, এই মন মানসিকতার মানুষ, তাদের সন্ধান পেলে জনমঞ্চে পুরুষাঙ্গ কেটে নেয়া উচিত to keep our girls safe.

কারণ নিশ্চয়তা নেইতো কাল আবার তারা কোন শিশুকে ধর্ষণ করবে না!
ঠিক যেমন নিশ্চয়তা নেই পোষ্টে উল্লেখিত ধর্ষিত বাচ্চাটা বড় হয়ে পুতঃপবিত্র হবে কিনা!


১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:১৯

অপলক বলেছেন: মৃত্যুদণ্ড শুধু রায় হলে হবে না, সেটাকে জনমঞ্চে এক্সিকিউট করতে হবে, যেন মানুষ দেখে শিক্ষা নেয়।

লোক দেখানো কাজ কখনই ভাল কিছু বয়ে আনে না। আইনের শাষন প্রতিষ্ঠা করতে হবে, অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী বিচার করতে হবে। যাতে উভয় পক্ষ সন্তুষ্ট থাকে। নয়ত প্রতিশোষ পরায়ন হয়ে উঠতে পারে অপরাধী পক্ষ। পাকিস্তান বা আফগানিস্তানে যেমনটা হয়। সেখানে মসজিদে বা মার্কেটে গিয়ে সুইসাইড বোম ফাটায়, অনেক কারনের মধ্যে এই অসম বা অনায্য বিচারের শীকার হওয়া বা বিচার না পাওয়া।

মানুষের জীবন অমূল্য। Sexual Abuse হলেই একটা মানুষের জীবন প্রদীপ নিভে ফেলতে হবে, সেটা আমি মনে করি না। মনে রাখবেন, Sexual Abuse শুধু পুরুষরাই করে না, নারীরাও করে। পুরুষতান্ত্রিক সমাজ হওয়ায় সমাজ সেটা গ্রাহ্য করে না বা প্রকাশ হয় না।

আপনি জনমঞ্চে পুরুষাঙ্গ কাটার কথা বলেছেন, নারী নিজেই অপরাধী হলে তার কি কাটবেন? এসব ইমম্যাচিউর চিন্তাভাবনা। ধরেই নিলাম, পুরুষাঙ্গ কাটা হল, কিন্তু এরপর কি হবে জানেন? নতুন অপরাধীরা ভিক্টিমকে আর বেচেই রাখবে না, মানে কোন প্রমান রাখবেই না। আপনি কি চান না ভিক্টিম মেয়েটা বেঁচে থাক? অন্য কোন দেশে বা সমাজে গিয়ে সে স্বাভাবিক সুন্দর জীবন পাক বা সংসার করুক? ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা হোক?

কাজেই অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী বিচার করতে হবে। যাতে উভয় পক্ষ সন্তুষ্ট থাকে। আমার ধর্ষকের টপিকস্ নিয়ে ২ বছর আগে আরও ২ টা পোস্ট আছে। সেখানে অনেক কিছু বলা আছে। আগ্রহ থাকলে দেখে আসবেন।

ধন্যবাদ।

১০| ১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:০১

ভুয়া মফিজ বলেছেন: পারলে আনভীরের বিচার করে দেখান। আরে আমার যদি সেই ক্ষমতা থাকতো, বহু আগেই আমি আনভীরকে লটকায়ে দিতাম.............তার আগে অবশ্য কয়েক বছরের জন্য খোজা করতাম। এই ব্যাপারে ব্লগার শের শায়েরী ছিলেন বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের, উনাকে চিনেন বোধহয়!!!

চীন, ব্রুনাই বা অন্যদেশে কি করে দেখে লাভ নাই। প্রত্যেকটা দেশ তার সামাজিক, রাজনৈতিক আর ধর্মীয় বিষয় মাথায় রাখে আইন প্রনয়নের সময়ে। দেশের মানুষ কতোটা অপরাধপ্রবণ সেটাও বিবেচনা করা হয়। তবে আমাদের মতো তৃতীয় বিশ্বের দেশে ক্ষমতা, টাকা-পয়সা আর সামাজিক প্রভাব বিচারকে প্রভাবিত করে বলাই বাহুল্য। সেই জন্য আনভীর কুকাম করেও সদর্পে বাইরে ঘুরে বেড়ায়; হাসিনার মতো একজন সিরিয়াল কিলারকে দেশের সেনাবাহিনী সসন্মানে বিদেশে পাচার করে দেয়। এইসব ক্ষেত্রে কবি সরব হতে পারে না একেবারেই, নীরবই থাকে!!!!!

আপনি যেই পয়েন্টটা সামনে আনার চেষ্টা করছেন, তা বুঝতে পারছি; তবে আপনার ওয়ে অফ আর্টিকুলেশানে কিঞ্চিৎ সমস্যা আছে!!! :)

১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:২৮

অপলক বলেছেন: যা বলেছেন, সেরকম আমিও ভাবি। কবি অনেক ক্ষেত্রেই নিরব, বাকরুদ্ধ, বধির অথবা অন্ধ।
ধন্যবাদ মফিজ ভাই।



Way / Manner of Articulation: এটা আমি স্বীকার করছি। আমার দক্ষতার অভাব আছে। প্রমান পুরো ব্লগ জুড়েই আছে। B:-)

১১| ১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:৩৪

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ছেলেটার মৃত্যুদণ্ড দেয়া ঠিক হবে না। কমপক্ষে ৩০ বছর কারাদণ্ড হওয়া উচিত। কারণ সে একজন শিশু ধর্ষক। এই ঘটনার ট্রমা শিশুটির আজীবন থেকে যেতে পারে। শিশুদের ওপর যৌন নির্যাতন অত্যন্ত গুরুতর অপরাধ। শিশুটির মানসিক সহায়তা প্রয়োজন।

৩০ বছর জেল খাটার পর বেঁচে থাকলে ছেলেটা সমাজে ফিরে স্বাভাবিকভাবে জীবনযাপন করতে পারে। বাংলাদেশে অনেক বড় বড় অপরাধী জেল থেকে বের হয়ে এখন বিয়েশাদী করে সংসার করছে। যেমন চট্টগ্রামের একাধিক হত্যা মামলার আসামি শিবির ক্যাডার নাসির। প্রায় ৬০ বছর বয়সে জুলাইয়ের কোটা আন্দোলনের পর জামিনে বের হয়ে বিয়ে করে সংসার করছে।

আপনি যেভাবে লিখেছেন, তাতে অনেকের কাছে আপনাকে পারভার্ট মনে হতে পারে। কলকাতার বাংলায় এ ধরনের ঘটনা নিয়ে একটি সিনেমা হয়েছিল, ‘আমি আসব ফিরে’। যদিও ছবিটা আপনার বয়স ও রুচির সঙ্গে কতটা মেলে জানি না, তবু দেখে নিতে পারেন।

ছেলেটা কেন এমন ধর্ষক হয়ে উঠল, সেটাও জানা দরকার। তার বয়সও খুব বেশি নয়। তার পারিবারিক কোনো সমস্যা আছে কি না, সে নিজেও ছোটবেলায় মানসিক বা যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছিল কি না, রাতদিন পর্নোগ্রাফি নিয়ে পড়ে থাকে কি না কিংবা মাদক নেয় কি না, এসব বিষয়ও অনুসন্ধান করা প্রয়োজন। এগুলোর কোনোটিই অপরাধের অজুহাত হতে পারে না। তবে অপরাধের পেছনের কারণগুলো বোঝা ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে সাহায্য করতে পারে।

দুর্ভাগ্যজনকভাবে বাংলাদেশে এসব বিষয়ে গবেষণা কম। পরীমণির জন্মদিন নিয়ে গবেষণা বেশি।

১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৪

অপলক বলেছেন: বিজ্ঞ আদালত কে আমি সম্মান করি। ছেলেটিকে মৃত্যুদন্ড দেয়া ঠিক কি বেঠিক সেটা আদালতের সিদ্ধান্ত। আদালতের উচিত পক্ষপাতদুষ্ট রায় না দেয়া এবং অবরাধের মাত্রা বিবেচনায় না এনে রায় না দেয়া।

‘আমি আসব ফিরে’<< সিনেমাটা দেখিনি। দেখব ভাবছি। ধন্যবাদ।

দুর্ভাগ্যজনকভাবে বাংলাদেশে এসব বিষয়ে গবেষণা কম। পরীমণির জন্মদিন নিয়ে গবেষণা বেশি।
আমরা সেন্টিমেন্টাল জাতি, হুজুগে বাঙ্গালী, ভাইরাল প্রিয় বাঙ্গালী। অবান্তর অনেক কিছু নিয়ে লাফালাফি করি, কিন্তু যেখানটায় দরকার, সেখানে নীরব।

১২| ১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৪

হাসান মাহবুব বলেছেন: সামুর ইতিহাসের অন্যতম ন্যাক্কারজনক একটা পোস্ট। এখন তো মডারেশন বলে কিছু নাই। লেখেন যা মঞ্চায়।

১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৩

অপলক বলেছেন: ধুর! সত্যকে এত ভয় কেন?

আপনি সিংহ হয়ে ঘুমিয়ে থাকেন, সেটা আপনার রুচি। আমি কুত্তা হয়ে ঘেউ ঘেউ করব মানুষকে সর্তক করতে, এটা আমার রুচি। সামুর মডারেশন বোর্ডকে অযথা দোষারোপ করবেন না। পারলে টপিকসটার পক্ষে বিপক্ষে যুক্তি দেখান।

আমার এই ব্লগে একটাও অশালীন শব্দ নেই, বা কাউকে খারাপ কাজ করতে উৎসাহিত করছি না।

১৩| ১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:৪৬

মিরোরডডল বলেছেন:




হাসান মাহবুব বলেছেন: সামুর ইতিহাসের অন্যতম ন্যাক্কারজনক একটা পোস্ট।

I strongly agree with you.

একটা ছোট শিশু বাচ্চা যে ধর্ষিত হয়েছে, সে নাকি কবে বড় হয়ে পুতপবিত্র নাও হতে পারে, সেই কারণে যে ধর্ষক, পোষ্টদাতার চোখে সে এতোটাই পুতপবিত্র যে লেখক তার প্রতি মানবিকতা দেখাচ্ছে, তার বিচার কমাতে বলছে।

শুধু তাই না, ধর্ষকের সাথে ধর্ষিতার বিয়ের কথা বলছে।
ভাবা যায় কোন মগজ থেকে এসব কথা বের হতে পারে!!!

লেখক যে একজন নারীবিদ্বেষী এটা আগেই প্রমাণিত,
এই লেখক অতীতে নারীদের উচ্চশিক্ষা নাকি অর্থের অপচয় এই বিষয়ে পোষ্ট দিয়েছে।

I cant believe my eyes!!
সামুর অবস্থা এখন এতো খারাপ যে এরকম একটা ডিজগাস্টিং পোষ্ট প্রথম পাতায় জায়গা করে নেয়।
যেখানে ইনিয়ে বিনিয়ে পোষ্ট এবং প্রতিমন্তব্যে একজন ধর্ষককে সমর্থন করে যাচ্ছে।
এটা দেখা বাকি ছিলো।


আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.