| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মীরজাফর ইউনুসের ভাগ্য ভালো যে, যে মানুষটা জেএফকে তে তাকে মৌখিকভাবে হেনস্তা করেছে তার যায়গায় শা**য়া মা**য়া হাদী থাকলে কি হতো? আসল কথা হলো মীরজাফরদের জীবনের শেষ অধ্যায় এমনই, ব্যাতিক্রম ছাড়া। শেষ বয়সে ইউনুস যদি ৯০ এর সেই বিচারপতি শাহাবুদ্দিনের মতো ভূমিকার রাখতো তবে বাংলাদেশের মানুষ তাকে আমৃত্যু শ্রদ্ধা করতো। কিন্তু না। সে বরং তার একান্তই নিজ স্বার্থ স্বিদ্ধির জন্য, ৫ ই আগষ্ট পরবর্তী সময়ে দ্বায়িত্ব পালনকালে, দেশের স্বার্থ বিকিয়ে এমন সব পদক্ষেপ নিয়েছিলো যে কারনে মানুষ তাকে তার মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তাড়া করে বেড়াবে।
/UNICEF ইউনুসের হামের টিকা নিয়ে খামখেয়ালিপনা করা নিয়ে বারংবার সতর্ক করেছিলো। পাত্তাই দেয়নি। ফলাফলঃ এখন সরকারী হিসেবেই ১২০০ শিশু হামে মৃত। আর এর বিপরীতে জাতিসংঘের অনুমান করা জুlie আন্দোলনে নিহত ১৪০০ জন ব্যাক্তি (এর মধ্যে পুলিশ, লীগের কর্মীও ছিলো...) সংখ্যা সরকারী গেজেটে ৮০০+ এ নামলো। আর এখন শোনা যায়, এর মধ্যে ৪০০+ শহীদই নাকি জীবিত ফেরত এসেছে। মাঝে কথিত জুile শহীদ ও জুlie আহতের জন্য বিভিন্ন সময়ে দফায় দফায় ক্ষতিপূরন বানিজ্য হয়েছে। ১২০০ শিশু মারার বন্দবস্তকারীরা যখন জুlie শহীদের কথা বলে তা এখন আমাদের ফাপা বুলি ছাড়া আর কিছুই না।
জুlie জঙ্গী আন্দোলনে অস্বাভাবিক মৃত্যুর শিকার, নিহত মানুষগুলোর কোন প্রকার ময়না তদন্ত হয়নি। এখন এদের মধ্যে ক জন পুলিশের গুলিতে নিহত হলো আর ক জন জঙ্গীদের গুলিতেই মরলো তা কিন্তু এখনও অমিমাংসিত। উদাহরনস্বরূপ, আনসার একাডেমীর মুল গেটে জুlie বিক্ষোভকারীদের ছোড়া গুলিতে আহত আনসার প্রহরীকে সিএম এইচে নাওয়ার পর সেখানকার ডাক্তার নিঃসন্দেহ হয়েছিলো যে সেই বুলেট ছিলো ৭.৬২ এম এম ক্যালিবারের। যে জুlie বিক্ষোভকারীর হাতে ৭.৬২ এম এম ক্যালিবারের বুলেট ব্যাবহার উপযোগী অস্ত্র আসে, তখন সে কি আর বৈষম্য/ফ্যাসিস্ট বিরোধী আন্দোলনকারী? সে তো আপাদমস্তক জুlie জঙ্গী।
কাফনের কাপড় মুড়ে কলাগাছ দাফন করে নাকি গনকবর বানানো হয়েছে। আয়নাঘরও তৈরি করা হয়েছে ৫ ই আগষ্টের অনেক পরে, অনেক যত্ন নিয়ে, meticulously design করে । মানে দেখাইলো মুরগী, খাওয়াইলো ডাইল। আয়নাঘরের কেচ্ছা সহ গোটা জুlie আন্দোলনটাই আসলে "আয়নাবাজি"।
/ইউনুস ক্ষমতা নেয়ার প্রথম আড়াই মাসেই বিদ্যুত উৎপাদন বিষয়ক হাসিনা সরকারের ৩৭ প্রকল্প বাতিল করেছিলো দূর্নীতির অভিযোগে যার মধ্যে ৩২ টি প্রকল্পই ছিলো সোলার বিদ্যুত প্রকল্প। দূর্নীতির অভিযোগ তুলেই সামিট গ্রুপের LNG FSRU চুক্তি যা চূরান্ত পর্যায়ে ছিলো তা বাতিল করেছিলো কিন্তু এর বিপরীতের স্বচ্ছতার নজির স্হাপন করে সে নতুন কোন চুক্তিই করেনি। আজ শিল্প কারখানা সহ সাধারন মানুষ যে বিদ্যুত সংকটে ভুগছে তার জন্য সরাসরি দায়ী এই বাটপার ইউনুস।
/আর দুষ্টুরাষ্ট্রের সাথে তার শাসন আমলের শেষ সপ্তাহে তড়িঘড়ি করে করা Reciprocal Agreement এর কুফল এখন বাংলাদেশ ভোগ করছে। কার্যতঃ দেশের চূড়ান্ত স্বিদ্ধান্ত এখন আসে বারিধারার একটা দূতাবাস (বা এই যুগের নীলকুঠি) থেকে। আমাদের তৈরি পোষাক খাত, ওষুধ শিল্প, ডেইরি/পোল্ট্রি শিল্পের ধ্বংশের শুরু এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।
/এদেশের জিডিপি এখন ৩.৬ আর ২০২৭ এ আই এম এফের forecast অনুযায়ী তা দাড়াবে ৩.২ এ যা হবে গত ৩৮ বছরে সর্বনিম্ন। আর তার ওপর জুlie আন্দোলনের সময়, গনভবনের প্রবেশ পথে পুলিশের স্থাপন করা ব্যারিকেড তুলে দেয়া বিদাতমুক্ত ও দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীর জাতিসংঘের চৌকিদারি আর দেশের অভ্যন্তরে ঠিকাদারী সব শ্যাষ। আর দুবেলা করে ভাত খেতে হবে না এই ভেতো বাহিনীর।
দেশের সাথে যে মীরজাফরি ইউনুস করেছে এবং তার ফলাফল স্বরূপ শুধু মাত্র যে আর্থিক ক্ষতি এখনও বাংলাদেশ বয়ে চলেছে, তাতে গ্রামীণকে কেবল নিলামে তুললেই হবে না, এর প্রতিটি স্থাপনার প্রতিটি ইট খুলে নিয়ে বাংলাদেশের অপূরনীয় ক্ষতির যতটুকু সম্ভব তার পূরন করার ব্যাপারে পদক্ষেপ নিতে হবে।
/Measles outbreak - Interim govt changed vaccine procurement despite Unicef warning: Science report
/Beyond Awami rule, interim decisions worsened Bangladesh’s energy crunch
/IMF sees Bangladesh's FY27 growth to fall 38-year low to 3.2%, inflation to rise to 10.9%
/মার্কিন চুক্তির খপ্পরে দেশের ওষুধশিল্প: ২০ টাকার ওষুধ হবে ৫০০, কাঁচামাল আমদানিতেও খড়গ
২|
১৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:০৩
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: মীরজাফরের সাথে ইউনুস সাহেবের কোনো রিলেশন নাই । সরকারের সাথে উনার আগে থেকেই ঝামেলা চলছিলো। দেশের প্রতি উনার টান সেভাবে কখনো দেখিনি। ঘরে শত্রু বিভীষণরাই হলো লীগের প্রকৃত মীরজাফর । আরাফাত, প্রভাস আমিন , যে ছেলেটা মুক্তিযোদ্ধা কোটা বহালের দাবিতে রীট করে আদালতে । ![]()
৩|
১৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫৭
রাসেল বলেছেন: আমরা দালালি করতে পছন্দ করি, ভালো পাই।
©somewhere in net ltd.
১|
১৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:০৯
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: দুষ্টুরাষ্ট্রের সাথে তার শাসন আমলের শেষ সপ্তাহে তড়িঘড়ি করে করা
Reciprocal Agreement এর কুফল এখন বাংলাদেশ ভোগ করছে।
..........................................................................
এ নিয়ে যখন সংসদে কথা বলতে দিচ্ছেনা
তাহলে পরিনতি কার ভোগ করা উচিৎ ???