| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আহমেদ রুহুল আমিন
“ কাউকে জ্ঞান বিতরণের আগে জেনে নিও যে তার মধ্যে সেই জ্ঞানের পিপাসা আছে কি-না। অন্যথায় এ ধরণের জ্ঞান বিতরণ করা হবে এক ধরণের জবরদস্তি। জন্তুর সাথে জবরদস্তি করা যায়, মানুষের সাথে নয়। হিউম্যান উইল রিভল্ট ।”- আহমদ ছফা ।
রাস্ট্র' যখন ঠিক করে দেয়-
নাগরিক কে - কি খাবে,
নিজের মতো-কী ভাবতে পারে
যে মননে স্বাধীনভাবে..!
'সেক্যুলার ভারত' 'ধর্মের' নামে
রাস্ট্রনীতির ফাঁদে পড়ে,
ভন্ডামী আর মুর্খামিতে
মানবতা আজ কেঁদে মরে ।
বিন্দু থেকে বৃত্ত হয় - জানি
বরং বৃত্ত থেকে বিন্দুর,
দেশটা যখন ভারতবর্ষ-
মোদি ও অমিত - শুভেন্দুর।
'মসজিদে আজ মন্দির' মিলে
ইতিহাসে দেয় স্বীকৃতি ,
'রাম- রহিমে'র আবাসভুমি
'সেক্যুলার' হয় বিকৃতি।
অধুনা বিশ্বের জ্ঞান-বিজ্ঞানে
'চাণক্যে' মানেনা নীতি-কথা,
'সোনাতনী' কেবল গেরুয়া বসনে
'ধর্ম' নামেতেই রীতি-প্রথা ।
বর্ণ-শ্রেণীতে ভাগাভাগী আর
মানবতা লুটে হিন্দুর,
দেশটা যখন ভারতবর্ষ-
মোদি ও অমিত - শুভেন্দুর।
এই পৃথিবী সব মানুষের
ঈশ্বরের যতো সৃষ্টি- দান ,
'সবার উপরে মানুষ সত্য'
'মানবতায়' সমান দৃষ্টিদান ।
স্রষ্টার দেয়া বৃষ্টি সমানে
উর্বর জমিন বর্ষনে,
'কাটাতারে' কী মানবতাবোধ
ভাগ হবে যা কর্ষনে... ?
সব জল আজ গ্রাস করে একা-
'গঙা, তিস্তা আর সিন্ধুর',
দেশটা যখন ভারতবর্ষ-
মোদি ও অমিত - শুভেন্দুর।
--------------------
** ভারতের চাণক্যনীতি ও আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গি :
১. রাষ্ট্রের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব :
চাণক্য অনেক ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতাকে ব্যক্তির অধিকার থেকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন।
আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গি: আজকের গণতন্ত্রে রাষ্ট্রের পাশাপাশি নাগরিকের মৌলিক অধিকারও সমান গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়।
২. ব্যাপক গুপ্তচর ব্যবস্থার সমর্থন :
চাণক্য শাসকদের জন্য বিস্তৃত গুপ্তচর নেটওয়ার্ক ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন।
আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গি: নিরাপত্তার জন্য গোয়েন্দা সংস্থা থাকলেও নাগরিকের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা (privacy) একটি গুরুত্বপূর্ণ মানবাধিকার হিসেবে স্বীকৃত।
৩. রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে কঠোর কৌশল :
কিছু ক্ষেত্রে প্রতিপক্ষকে দুর্বল করার জন্য গোপন কৌশল, বিভ্রান্তি সৃষ্টি বা কূটচাল ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।
আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গি: গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা সাধারণত আইন, নির্বাচন ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হওয়া উচিত বলে ধরা হয়।
৪. শাসকের কেন্দ্রীয় ক্ষমতা :
চাণক্যের চিন্তায় রাজা ছিলেন রাষ্ট্রের প্রধান কেন্দ্র।
আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গি: আজ অধিকাংশ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে ক্ষমতার বিভাজন (বিচার বিভাগ, আইনসভা, নির্বাহী বিভাগ) গুরুত্বপূর্ণ নীতি।
৫. সামাজিক কাঠামো :
চাণক্যের যুগে সমাজ ছিল শ্রেণি ও বর্ণভিত্তিক।
আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গি: বর্তমান মানবাধিকার ধারণা সকল মানুষের সমান মর্যাদা ও অধিকারের উপর জোর দেয়।
তবে এটাও মনে রাখা দরকার যে চাণক্যকে তাঁর সময়ের প্রেক্ষাপটে বিচার করা উচিত। তিনি মূলত আদর্শবাদী দার্শনিকের চেয়ে একজন বাস্তববাদী রাষ্ট্রকৌশলবিদ ছিলেন। অনেক গবেষক তাঁকে প্রাচ্যের "রাষ্ট্রনীতি ও কৌশলগত চিন্তার গুরু" হিসেবে দেখেন, যেমন ইউরোপে Niccolò Machiavelli-কে দেখা হয়।
সংক্ষেপে, চাণক্যনীতির সঙ্গে আধুনিক মূল্যবোধের প্রধান পার্থক্য হলো:
চাণক্য: রাষ্ট্রের শক্তি ও স্থিতিশীলতা আগে।
আধুনিক গণতন্ত্র: রাষ্ট্রের নিরাপত্তার পাশাপাশি নাগরিকের অধিকার, স্বাধীনতা ও আইনের শাসনও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
এই কারণেই চাণক্যনীতির কিছু অংশ আজও প্রশংসিত, আবার কিছু অংশ নিয়ে বিতর্কও রয়েছে।
--------------------------
তথ্য সূত্র : গুগল সহায়তা ।
ফটোকার্টেসী : ব্যাক্তিগত ও অন্তর্জাল।

©somewhere in net ltd.
১|
৩১ শে মে, ২০২৬ রাত ৯:০৭
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: রাস্ট্রনীতির ফাঁদে পড়ে, ভন্ডামী আর মুর্খামিতে মানবতা আজ কেঁদে মরে ।
..........................................................................................................
রাজনীতির কুটিল চালে,
মানবতা আজ বন্দি।
মুর্খ আর ওই ভণ্ড মিলে,
আঁটছে শুধুই ফন্দি!
শোষণ এবং মিথ্যে চাদরে,হারায় সত্যের আলো,
ন্যায্য দাবি হারিয়ে গেছে,
চারদিকে তাই আকাশ নিকশ কালো।
সিংহাসনের লোভের ঘোরে,
পিষছে সাধারণের প্রাণ,
কাগজে-কলমে শাসন চলে,
মানুষের অসম্মান।
ফাঁদের তরে আটক জীবন,
মুক্তি লাগি খোঁজে মন,
ভণ্ডামির এই রাজত্বে আজ,
কেঁদে মরছে সর্বজন!!