| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মহাজাগতিক চিন্তা
একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।

সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ৪৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৩। পৃথিবীতে অহংকার প্রকাশ এবং কূট ষড়যন্ত্রের কারণে (অকল্যাণ)।কূট ষড়যন্ত্র এর আহলকে(এর সাথে সংযুক্ত সকল ব্যক্তি) পরিবেষ্ঠন করে। তবে কি এরা অপেক্ষা করছে পূর্ববর্তীদের সুন্নতের? কিন্তু তুমি আল্লাহর সুন্নাতে কখনও কোন পরিবর্তন পাবে না এবং আল্লাহর সুন্নতে কোন ব্যতিক্রমও দেখবে না।
সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতাম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে তাঁর পথ হতে বিচ্ছিন্ন করবে। এভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিলেন যেন তোমরা সাবধান হও।
সূরা: ৯ তাওবা, ১২২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২২। আর মু’মিনদের এটাও উচিৎ নয় যে (জিহাদের জন্য) সবাই একত্রে বের হয়ে পড়বে। সুতরাং এমন কেন করা হয় না যে, তাদের প্রত্যেক বড় দল হতে এক একটি ছোট দল (জিহাদে) বের হয় যাতে অবশিষ্ট লোক ফিকাহ (দীনের গভীর জ্ঞান) অর্জন করতে থাকে। আর যাতে তারা নিজ কওমকে ভয় প্রদর্শন করে, যাতে তারা সাবধান হয়।
সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৫ ও ৬৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৫। হে নবি! মু’মিন দিগকে যুদ্ধের জন্য উদ্বুদ্ধ কর। তোমাদের মধ্যে কুড়িজন ধৈর্যশীল থাকলে তারা দুইশতজনের উপর বিজয়ী হবে।তোমাদের মধ্যে একশত জন থাকলে এক হাজার কাফিরের উপর জয়ী হবে।কারণ তারা বোধশক্তিহীন সম্প্রদায়।
৬৬। আল্লাহ এখন তোমাদের ভার লাঘব করলেন।তিনিতো অবগত আছেন যে তোমাদের মধ্যে দূর্বলতা আছে।সুতরাং তোমাদের মধ্যে একশত জন ধৈর্যশীল থাকলে তারা দুইশতজন উপর বিজয়ী হবে।তোমাদের মধ্যে এক হাজার থাকলে আল্লাহর অনুমতিক্রমে তারা দুই হাজারের উপর বিজয়ী হবে।আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে রয়েছেন।
সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬০ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬০। তোমরা তাদের মোকাবেলার জন্য যথাসাধ্য শক্তি ও অশ্ব-বাহিনী প্রস্তত রাখবে। এর দ্বারা তোমরা সন্ত্রস্ত রাখবে আল্লাহর শত্রুকে, তোমাদের শত্রুকে, এছাড়া অন্যদেরকে যাদের সম্পর্কে তোমরা জাননা, আল্লাহ জানেন।আল্লাহর পথে তোমরা যা ব্যয় করবে এর পূর্ণ প্রতিদান তোমাদেরকে দেওয়া হবে এবং তোমাদের প্রতি জুলুম করা হবে না।
সূরাঃ ২ বাকারা, ৩০নং আয়াতের অনুবাদ-
৩০। আর যখন আপনার প্রতিপালক ফেরেশতাগণকে বললেন, নিশ্চয়ই আমি পৃথিবীতে খলিফা সৃষ্টি করব। তারা বলল, আপনি কি পৃথিবীতে এমন কাউকে সৃষ্টি করবেন যে, তারা তাতে বিবাদে লিপ্ত হবে এবং রক্তপাত করবে।আর আমরাই তো আপনার তাসবিহ পাঠ করছি এবং আপনারই হামদ বা প্রশংসা করছি। আর আপনার পবিত্রতা ঘোষণা করছি।তিনি বললেন-তোমরা যা জান না নিশ্চয়ই আমি তা’ ভালো করে জানি।
সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৩। ঐসব রাসূলদের আমরা তাদের কোন জনের উপর কোন জনকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি। তাদের মধ্যে কোন জনের সঙ্গে আল্লাহ কথা বলেছেন।আর কোন জনকে উচ্চ মর্যাদায় উন্নীত করেছেন। আর আমরা মরিয়ম পুত্র ঈসাকে প্রকাশ্য মুজেযা দান করেছি। আর তাকে পবিত্র আত্মা দ্বারা সাহায্য করেছি।আর আল্লাহ ইচ্ছা করলে নবিগণের পরবর্তী লোকেরা পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু তারা পরস্পর ইখতিলাফ (মতভেদ) করেছিল।তাতে তাদের কিছু লোক মুমিন এবং কিছু লোক কাফের হয়ে গেল। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তারা পরস্পর যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু আল্লাহ যা ইচ্ছা তাই করে থাকেন।
সূরাঃ ২ বাকারা, ২৮৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৮৬। আল্লাহ কারো উপর এমন কোন কষ্ট দায়ক দায়িত্ব অর্পণ করেন না যা তার সাধ্যাতীত।সে ভাল যা উপার্জন করে তার প্রতিফল তার। সে মন্দ যা উপার্জন করে তার প্রতিফল তার। হে আমাদের প্রতিপালক যদি আমরা ভুলে যাই অথবা আমাদের ত্রুটি হয় তবে আমাদেরকে পাকড়াও করো না। হে আমাদের প্রতিপালক আমাদের পূর্ববর্তিগণের উপর যেমন গুরু দায়িত্ব অর্পণ করেছিলে আমাদের উপর তেমন দায়িত্ব অর্পণ করবেন না।হে আমাদের প্রতিপালক এমন ভার আমাদের উপর অর্পণ করবেন না যা বহন করার শক্তি আমাদের নেই।আমাদের পাপ মোছন করুন, আমাদেরকে ক্ষমা করুন, আমাদের প্রতি দয়া করুন, আপনিই আমাদের অভিভাবক। সুতরাং কাফির সম্প্রদায়ের উপর আমাদেরকে জয়যুক্ত করুন।
* আল্লাহর সুন্নাত অভিন্ন ফিকাহ শিক্ষার মাধ্যমে এক তৃতীয়াংশ জনতাকে এমনভাবে তৈরী করা যেন তারা শত্রু মোকাবেলায় যুদ্ধের ময়দান ছেড়ে না পালায় এবং শত্রুকে সন্ত্রস্ত রাখার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা খেলাফত টিকে থাকা ও প্রতিষ্ঠার পদ্ধতি। এ পদ্ধতি মেনেই রাসূল (সা.) আল্লাহর খেলাফত প্রতিষ্ঠিত করেছেন। সাহাবায়ে কেরাম (রা.) খেলাফত টিকিয়ে রাখার ব্যবস্থা না করায় তাঁরা ফেরেশতার কথা বাস্তব প্রমাণ করে নিজেদের মধ্যে বিবাদে লিপ্ত হন এবং রক্তপাত ঘটান। হযরত মুয়াবিয়া (রা.) যখন দেখলেন খেলাফত আর সম্ভব নয় তখন তিনি রাজতন্ত্র চালু করলেন। খেলাফত প্রতিষ্ঠার পদ্ধতি না মেনে হযরত ইমাম হোসেন (রা.) খেলাফত প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করলে প্রতিপক্ষ তাঁর মাথাকেটে বাদশা ইয়াজিদকে উপহার দেয়। হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে যুবায়ের (রা.) খেলাফত প্রতিষ্ঠিত করে খেলাফত টিকিয়ে রাখার ব্যবস্থা না করায় তাঁর সেনাদল বাদশাহের সেনাদলের মোকাবেলা না করে যুদ্ধের ময়দান ছেড়ে পালিয়ে যায়, তখন বাদশা আব্দুল মালেকের সেনাপতি হাজ্জাজ বিন ইউসুফের সেনা দল খলিফা হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে যুবায়েরকে (রা.) হত্যা করে তাঁর লাশ মক্কার রাজপথে ঝুলিয়ে রাখে। এরপর মুসলিম বিশ্বে রাজতন্ত্র চলে তেরশ বছর। এখনও সৌদি আরবে রাজতন্ত্র চালু আছে।একদা মাওলানা মওদূদীর মাথায় খেলাফত প্রতিষ্ঠার চিন্তা আসে। তাঁর দল খেলাফত প্রতিষ্ঠার পদ্ধতি না মানায় তারা শত বছরের প্রচেষ্টার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে কোন সাফল্য ছাড়াই। অন্য যাদের মাথায় খেলাফত প্রতিষ্ঠার চিন্তা আসছে তারাও খেলাফত প্রতিষ্ঠার পদ্ধতি না মেনেই চেষ্টা করে যাচ্ছে এবং তাদেরও কোন সাফল্য নাই। আল্লাহর সার্থকতা হলো তিনি খেলাফতের কিছুটা নমুনা দেখেছেন এবং তিনি এর কিছুটা প্রচেষ্টা দেখেছেন। তিনি হয়ত বলবেন এর জন্যই আমি খলিফা সৃষ্ট করেছি যা তোমরা জানতে না।
©somewhere in net ltd.
১|
৩১ শে মে, ২০২৬ সকাল ১১:৪৯
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: আর কখনো ফিরবেও না।