নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মানব মঙ্গল আমার একান্ত কাম্য

মহাজাগতিক চিন্তা

একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।

মহাজাগতিক চিন্তা › বিস্তারিত পোস্টঃ

বাংলাদেশের সবচেয়ে যোগ্য ইসলামী নেতা কে?

২৭ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:০০



সূরাঃ ৬২ জুমুআ, ২ নং আয়াতের অনুবাদ।
২। তিনিই উম্মীদের মধ্যে একজন রাসুল পাঠিয়েছেন তাদের মধ্য হতে, যে তাদের নিকট আবৃত করে তাঁর আয়াত সমূহ; তাদেরকে পবিত্র করে এবং শিক্ষা দেয় কিতাব ও হিকমত; এর আগে তো এরা ছিল ঘোর বিভ্রান্তিতে।

সূরাঃ ২ বাকারা, ২৬৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৬৯। তিনি যাকে ইচ্ছা হিকমাত দান করেন। আর যাকে হিকমাত দান করা হয় এর ফলে সে নিশ্চয়ই প্রচুর কল্যাণ লাভ করে।মূলত জ্ঞানী ব্যক্তিরা ছাড়া কেউই বুঝতে পারে না।

সূরাঃ ২ বাকারা, ১৪৩ নং আয়াতের অনুবাদ
১৪৩। এইভাবে আমি তোমাদিগকে এক মধ্যমপন্থী উম্মতরূপে প্রতিষ্ঠিত করেছি।যাতে তোমরা মানব জাতির জন্য সাক্ষীস্বরূপ এবং রাসূল তোমাদের জন্য সাক্ষীস্বরূপ হতে পারেন।তুমি এ যাবত যে কিবলা অনুসরন করতেছিলে উহা আমরা এ এ উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত করে ছিলাম যাতে আমরা জানতে পারি কে রাসূলের অনুসরন করে আর কে ফিরে যায়? আল্লাহ যাদেরকে সৎপথে পরিচালিত করেছেন তারা ছাড়া অন্যদের নিকট এটা (সৎপথ)কঠিন।তোমাদের ঈমানকে ব্যর্থ করে দিবেন আল্লাহ এমন নন।আল্লাহ মানুষদের প্রতি স্নেহশীল-দয়াদ্র।

* ইসলামের প্রধান নেতা মহানবির (সা.) কিতাব ও হিকমাতের জ্ঞান ছিল। মহানবির (সা.) ব্যবসায়, পশুপালন, সামরিক ও চিকিৎসা হিকমাতের জ্ঞান ছিল। তাঁর স্ত্রী উম্মুল মুমিনিন হযরত খাদিজার (রা.) ব্যবসায় হিকমাত ছিল।কিতাব ও হিকমাতের জ্ঞান মধ্যম হলেও চলে। এরকম একমাত্র জুটি ডা. শফিকুর রহমান ও ডা. আমেনা শফিক। হিকমাতের জ্ঞানের সাথে তাঁদের মাঝারি মানের কিতাবের জ্ঞান রয়েছে। আল্লাহ কিতাবের জ্ঞানের থেকে হিকমাতের বেশী গুরুত্ব দেওয়ায় যেসব নেতার কিতাবের জ্ঞান আছে, কিন্তু হিকমাতের জ্ঞান নাই। সেজন্য তারা ইসলামী নেতৃত্বের অযোগ্য। ডা. শফিক ক্ষমতা পেলে শরিয়া আইন চালু না করার কথা বলেছেন। তাঁর কথা অসংগত নয়। কারণ শরিয়া কায়েমে রাসূলের (সা.) সামরিক বাহিনী ও প্রশাসন কিতাবের জ্ঞান সম্পন্ন ছিলেন। ডা. শফিক ক্ষমতা পেলে যে সামরিক বাহিনী ও প্রশাসন পাবেন তাদের কিতাবের জ্ঞান সন্তোষ জনক পর্যায়ে নাই। ক্ষমতা পেয়েই শরিয়া আইন কায়েম সম্ভব নয় বলেই ডা. শফিক শরিয়া আইন কায়েম না করার কথা বলেছেন। ইসলামের বেশী জ্ঞানী আবার অনুসরন যোগ্য নন।

সূরাঃ ১৮ কাহফ, ৬০ থেকে ৮২ আয়াতের অনুবাদ-
৬০।যখন মূসা তাঁর সংগীকে বলেছিল, দুই সমুদ্রের সংগমস্থলে না পৌঁছে আমি থামব না অথবা আমি যুগ যুগ ধরে চলতে থাকব।
৬১।তারা উভয়ে যখন দুই সমুদ্রের সংগমস্থলে পৌঁছল তারা নিজেদের মৎসের কথা ভুলেগেল।উহা সুড়ংগের মত নিজের পথ করে সমূদ্রে নেমে গেল।
৬২। যখন তারা আরো অগ্রসর হলো মূসা তার সংগীকে বলল আমাদের নাস্তা নিয়ে আস।আমরা তো আমাদের সফরে ক্লান্ত হয়ে পড়েছি।
৬৩। সে বলল, আপনি কি দেখেছেন? যখন আমরা শিলাখন্ডে বিশ্রাম নিতে ছিলাম তখন আমি মৎসের কথা ভুলে গিয়ে ছিলাম! শয়তান উহার কথা বলতে ভুলিয়ে দিয়েছিল।মৎসটি বিস্ময়করভাবে সমূদ্রে নিজের পথ করে নেমে গেল।
৬৪। মূসা বলল, আমরা তো সেই স্থানটিই খুঁজতেছিলাম।অতঃপর তারা নিজেদের পদচিহ্ন ধরে ফিরে চলল।
৬৫। অতঃপর তারা সাক্ষাৎ পেল আমাদের বান্দাদের মধ্যে একজনের।যাকে আমরা আমাদের নিকট হতে অনুগ্রহ দান করে ছিলাম এবং আমরা তাকে আমাদের নিকট হতে শিক্ষা দিয়ে ছিলাম এক বিশেষ জ্ঞান।
৬৬। মূসা তাকে বলল, সত্য পথের যে জ্ঞান আপনাকে দান করা হয়েছে তা’ হতে আমাকে শিক্ষা দিবেন এ শর্তে আমি আপনার অনুসরন করব কি?
৬৭। সে বলল, আপনি কিছুতেই আমার সাথে ধৈর্য ধরে থাকতে পারবেন না।
৬৮। যে বিষয় আপনার জ্ঞানায়ত্ত নয় সে বিষয়ে আপনি ধৈর্য ধরবেন কেমন করে?
৬৯। মূসা বলল, আল্লাহ চাইলে আপনি আমাকে ধৈর্যশীল পাবেন এবং আপনার কোন আদেশ আমি অমান্য করব না।
৭০। সে বলল, যেহেতু আপনি আমার অনুসরন করবেনই তবে কোন বিষয়ে আমাকে প্রশ্ন করবেন না, যতক্ষণ না আমি সে সম্বন্ধে আপনাকে কিছু বলি।
৭১।অতঃপর উভয়ে চলতে লাগল। পরে যখন তারা নৌকায় চড়লো সে ইহা ফুটো করে দিল।মূসা বলল, আপনি কি আরোহীদিগকে নিমজ্জিত করে দেবার জন্য উহা ফুটো করলেন? আপনিতো গুরুতর অন্যায় কাজ করলেন।
৭২। সে বলল, আমি কি বলিনি যে আপনি আমার সাথে ধৈর্য ধরতে পারবেন না?
৭৩। মূসা বলল, আমার ভুলের জন্য আমাকে অপরাধী করবেন না এবং আমার বিষয়ে অত্যাধিক কঠোরতা অবলম্বন করবেন না।
৭৪। অতঃপর উভয়ে চলতে লাগল।চলতে চলতে ইহাদের সাথে এক বালকের সাক্ষাত হলে সে উহাকে হত্যা করল। তখন মূসা বলল, আপনি এক নিস্পাপ জীবন নাশ করলেন হত্যার অপরাধ ছাড়াই। আপনিতো এক গুরুতর অন্যায় কাজ করলেন।
৭৫।সে বলল, আমি কি বলিনি যে আপনি আমার সাথে ধৈর্য ধরতে পারবেন না?
৭৬।মূসা বলল, এরপর যদি আমি আপনাকে কোন বিষয়ে জিজ্ঞাস করি তবে আপনি আমাকে সংগে রাখবেন না।আমার ওযর-আপত্তি চূড়ান্ত হয়েছে।
৭৭।অতঃপর উভয়ে চলতে লাগল।চলতে চলতে তারা এক জনপদের অধিবাসীদের নিকট পৌঁছে তাদের নিকট খাদ্য চাইল।কিন্তু তারা তাদের মেহমানদারী করতে অস্বীকার করল। অতঃপর তারা এক পতনোন্মুখ দেয়াল দেখতে পেল এবং সে উহা সুদৃঢ় করে দিল।মূসা বলল, আপনিতো ইচ্ছা করলে এর জন্য পারিশ্রমিক গ্রহণ করতে পারতেন।
৭৮। সে বলল, এখানেই আপনার এবং আমার মধ্যে সম্পর্কছেদ হলো।যে বিষয়ে আপনি ধৈর্য ধারণ করতে পারেননি আমি তার তাৎপর্য ব্যাখ্যা করছি।
৭৯।নৌকাটির ব্যাপার-এটা ছিল কতিপয় দরিদ্র ব্যক্তির, উহারা সমূদ্রে জীবিকা অন্বেষণ করত। আমি নৌকাটিতে ত্রুটিযুক্ত করতে ইচ্ছা করলাম। কারণ উহাদের সম্মুখে ছিল এক রাজা, যে বল প্রয়োগে নৌকা সকল ছিনিয়ে নিত।
৮০। আর বালকটি, তার পিতামাতা ছিল মু’মিন। আমি আশংকা করলাম যে সে বিদ্রোহাচরণ ও কূফুরি দ্বারা তাদেরকে বিব্রত করবে।
৮১। অতঃপর আমি চেয়েছি যে তাদের প্রতিপালক যেন তাদেরকে তার পরিবর্তে এক সন্তান দান করেন। যে হবে পবিত্রতায় উত্তম এবং ভক্তিতে ঘনিষ্ঠ।
৮২। আর ঐ দেয়ালটি ছিল নগরবাসী দুই পিতৃহীন বালকের।যার নীচে রয়েছে তাদের গুপ্তধন।আর তাদের পিতাছিল সালেহ বা সৎকর্মপরায়ন।সুতরাং আপনার প্রতিপালক দয়া পরবশ হয়ে ইচ্ছা করলেন যে তারা বয়ঃপ্রাপ্ত হয়ে তাদের ধনভান্ডার উদ্ধার করুক।আমি নিজ হতে কিছু করিনি। আপনি যে বিষয়ে ধৈর্য ধরতে অপারগ হয়েছিলেন এটা তার ব্যাখ্যা।

* সূরা কাহায়ের ৬৭ নং আয়াতে বেশী জ্ঞানী হযরত মুসাকে (আ.) বললেন, আপনি কিছুতেই আমার সাথে ধৈর্য ধরে থাকতে পারবেন না। আমাদের দেশে যাঁরা কিতাবের বেশী জ্ঞানী তাঁদের সাথে কেউ কিছুতেই ধৈর্য ধরে থাকতে পারে না। সেজন্য হেফাজতের এক দল গেল বিএনপির সাথে, এক দল গেলে জামায়াতের সাথে এবং একদল গেল চরমোনাইয়ের সাথে। এদের মত বেশী জ্ঞানীরাও এদের সাথে ধৈর্য ধরে থাকতে পারে না।

সূরাঃ ১৬ নাহল, ১২৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২৫।ডাক তোমার রবের পথে, হিকমাত ও উত্তম ওয়াজের মাধ্যমে। আর তাদের সাথে তর্ক কর উত্তম পন্থায়। নিশ্চয়ই তোমার রব খুব জানেন কে তাঁর পথ ছেড়ে পথভ্রষ্ট হয়। আর তিনি খুব জানেন কোন সব লোক হেদায়াত প্রাপ্ত।

* আল্লাহ তাঁর পথে ডাকতে হিকমাতের শর্ত আরোপ করেছেন। হযরত আদমের (আ.) ছিল কৃষি হিকমাত। হযরত নুহের (আ.) ছিল কাঠের কাজের হিকমাত। হযরত ইদ্রিসের (আ.) ছিল সেলাই হিকমাত। হযরত ইব্রাহীমের (আ.) ছিল ভাস্কার্য হিকমাত। হযরত মুছার (আ.) ছিল পশুপালন হিকমাত। হযরত ইউসুফের (আ.) ছিল স্থাপত্য হিকমাত। হযরত দাউদের (আ.) ছিল প্রকৌশল হিকমাত। হযরত সুলায়মানের (আ.) ছিল অবোধ প্রাণীর ভাষা বুঝার হিকমাত। আমাদের মহানবির (সা.) ছিল ব্যবসায়, পশুপালন, সামরিক ও চিকিৎসা হিকমাত। হিকমাতের জ্ঞান ছাড়া কিতাবের জ্ঞান কল্যাণকর নয় বলেই আল্লাহ আগে হিকমাত দিয়ে পরে কিতাব দিয়েছেন।সুতরাং শুধু কিতাবের জ্ঞানধারীর জ্ঞান মূলত কল্যাণকর কিছু নয়। এরা তাদের জ্ঞানের চেয়ে চিৎকার বেশী দেয় এবং তাতে তারা অবোধ জনতার বাহবা পায়। হযরত খিজিরের (আ.) জ্ঞান ছিল অনেক তবে তিনি নেতা ছিলেন না। হযরত মুসার (আ.) জ্ঞান কম থাকলেও তিনি নেতা ছিলেন। সুতরাং বস্তা ভরা কিতাবের জ্ঞান মূলত নেতৃতের কোন যোগ্যতা নয়।

মন্তব্য ১৬ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১৬) মন্তব্য লিখুন

১| ২৭ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:০৪

কিরকুট বলেছেন: ইসলামি নেতা আবার কি? ব্যাপারটা কি হিন্দুদের ব্রাহ্মণদের মতো?

বাংলাদেশে বর্তমানে যারা নিজেদের নেতা মনে করে ভাংগা ঢোল পেটাচ্ছে তারা সব গুলা অসভ্য বাটপার।

২৭ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:৩৫

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: আপনার অভিযোগ ভিত্তিহীন নয় বিধায় বিরোধীতা করছি না। আমি মন্দের ভালোদের বিষয়ে লিখেছি।

২| ২৭ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:০৬

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: ইসলামের বেশী জ্ঞানী আবার অনুসরন যোগ্য নন।

....................................................................................
দেশে কোন ইসলামী দল নেই ,
যারা আছে , স্বার্থের কারনে শুধুমাত্র ইসলামী পোষাক পড়েছে ।
আর জরূরু কথা হলো যে ,
গনতন্ত্রর ভোটে শরিয়া আইন প্রয়োগ করা যায়না ।

২৭ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:৩৩

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: আপনার অভিযোগ অমূলক নয়। যারা নিজেদেরকে ইসলামী দল দাবী করছে আমি তাদের কথা বলছি।

৩| ২৭ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:১৬

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: হযরত মুসার (আ.) জ্ঞান কম থাকলেও তিনি নেতা ছিলেন। এটা আপনি কি বললেন ?

মুসা (আ.)-এর ছিল শরীয়তের জ্ঞান, আর খিজির (আ.)-কে দেওয়া হয়েছিল বিশেষ গোপন বা হাকিকি জ্ঞান। নেতৃত্ব কেবল গায়ের জোরে হয় না। একজন নেতা হিসেবে বনী ইসরাইলকে ফেরাউনের দাসত্ব থেকে মুক্ত করার জন্য যে প্রজ্ঞা, ধৈর্য এবং বুদ্ধিমত্তার প্রয়োজন ছিল, তা হযরত মুসা (আ.)-এর ছিলো । বনী ইসরাইল সম্প্রদায়ের মতো একটি কঠিন এবং অবাধ্য জাতিকে বছরের পর বছর পরিচালনা করা কোনো সাধারণ মানুষের কাজ ছিল না। আল্লাহ তাঁকে তাওরাত দান করেছিলেন, যা ছিল তৎকালীন সময়ের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান ও আইন। তিনি ছিলেন একজন রাষ্ট্রনায়ক এবং সেনাপতি। মিশরের দাসত্ব থেকে একটি পুরো জাতিকে বের করে নিয়ে আসা এবং মরুভূমিতে দীর্ঘ সময় তাদের শৃঙ্খলা বজায় রাখা তাঁর অতুলনীয় নেতৃত্বের প্রমাণ।

২৭ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:৩২

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: টোটাল জ্ঞান হযরত খিজিরের (আ) বেশী থাকার কথা বলা হয়েছে। আপনার মন্তব্য সুন্দর তবে এ ক্ষেত্রে আমার হিসাব ভিন্ন। আপনার মন্তব্যের জবাব দিতে আমাকে আস্ত একটা পোষ্ট লিখতে হবে। সেটা এখন সম্ভব নয়। সময় পেলে পরে দেখব।

৪| ২৭ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:৩১

কলাবাগান১ বলেছেন: পৃথিবী যেখানে খুজে সবচেয়ে শিক্ষিত, দক্ষ, উন্নত মননশীল ব্যক্তদের কে (নেতা বানানোর জন্য), সেখানে অশিক্ষিত জাতিরাই নেতা খুজে ধর্মের জ্ঞান এর ভিত্তিতে

২৭ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৭:২৬

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন:


হাবলিল্লাহ বা আল্লাহর দড়ি কি?

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৩। তোমরা একত্রে আল্লাহর রজ্জু দৃঢ়ভাবে ধর! আর বিচ্ছিন্ন হবে না। তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ স্মরণ কর।যখন তোমরা শত্রু ছিলে তখন তিনি তোমাদের অন্তরে প্রীতি সঞ্চার করেছেন, ফলে তাঁর দয়ায় তোমরা পরস্পর ভাই হয়ে গেলে।তোমরাতো অগ্নি কুন্ডের প্রান্তে ছিলে, আল্লাহ উহা হতে তোমাদেরকে রক্ষা করেছেন। এভাবে আল্লাহ তোমাদের জন্য তাঁর নিদর্শনসমূহ স্পষ্টভাবে বিবৃতকরেন যাতে তোমরা সৎপথ পেতে পার।

সূরাঃ ৬২ জুমুআ, ২ নং থেকে ৪ নং আয়াতের অনুবাদ।
২। তিনিই উম্মীদের মধ্যে একজন রাসুল পাঠিয়েছেন তাদের মধ্য হতে, যে তাদের নিকট আবৃত করে তাঁর আয়াত সমূহ; তাদেরকে পবিত্র করে এবং শিক্ষা দেয় কিতাব ও হিকমাত; এর আগে তো এরা ছিল ঘোর বিভ্রান্তিতে।
৩। আর তাদের আখারিনের (অন্যান্য) জন্যও যারা এখনো তাদের সহিত মিলিত হয়নি। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৪। ওটা আল্লাহরই অনুগ্রহ, যাকে ইচ্ছা তিনি ওটা দান করেন। আর আল্লাহ তো মহা অনুগ্রহশীল।

সূরা: ৯ তাওবা, ১২২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২২। আর মু’মিনদের এটাও উচিৎ নয় যে (জিহাদের জন্য) সবাই একত্রে বের হয়ে পড়বে। সুতরাং এমন কেন করা হয় না যে, তাদের প্রত্যেক বড় দল হতে এক একটি ছোট দল (জিহাদে) বের হয় যাতে অবশিষ্ট লোক ফিকাহ (দীনের গভীর জ্ঞান) অর্জন করতে থাকে। আর যাতে তারা নিজ কওমকে ভয় প্রদর্শন করে, যাতে তারা সাবধান হয়।

সূরাঃ ২ বাকারা, ১২৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২৪। আর যখন তোমার প্রতিপালক ইব্রাহীমকে কয়েকটি বাক্য (কালিমাত) দ্বারা পরীক্ষা করেছিলেন, পরে সে তা পূর্ণ করেছিল; তিনি বললেন নিশ্চয়ই আমি তোমাকে মানব জাতির ইমাম বানাব; সে বলেছিল আমার বংশধরগণ হতেও; তিনি বলেছিলেন, আমার প্রতিশ্রুতি জালেমদের প্রতি প্রযোজ্য হবে না।

সূরাঃ ৪ নিসা, ৫৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫৯। হে মুমিনগণ! যদি তোমরা আল্লাহ ও আখিরাতে বিশ্বাস কর তবে তোমরা (ইতায়াত) আনুগত্য কর আল্লাহর, আর (ইতায়াত) আনুগত্য কর রাসুলের, আর যারা তোমাদের মধ্যে আমির।কোন বিষয়ে তোমাদের মধ্যে বিরোধ দেখাদিলে উহা উপস্থাপিত কর আল্লাহ ও রাসুলের নিকট। ওটা উত্তম এবং পরিনামে ভাল।

সূরাঃ ৪২ শূরা, ৩৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৮।যারা তাদের রবের ডাকে সাড়া দেয়। সালাত কায়েম করে। নিজেদের মধ্যে শুরার (পরামর্শের) মাধ্যমে নিজেদের কাজ সম্পাদন করে। আর আমরা তাদেরকে যে রিযিক দিয়েছি তা’ হতে ব্যয় করে।

সূরাঃ ৯ তাওবা, ১১৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
১১৯। হে মুমিনগণ! আল্লাহকে ভয় কর এবং সাদেকীনদের (সত্যবাদী) সাথে থাক।

* রাসূলের (সা.) উম্মী অনুসারী সাহাবায়ে কেরাম (রা.)। তাঁরা কিতাব ও সামরিক হিকমাত সম্পন্ন ছিলেন। রাসূল (সা.) ছিলেন, পশুপালন, ব্যবসায়, সামরিক ও চিকিৎসা হিকমাত ও কিতাবের জ্ঞান সম্পন্ন। হযরত ওসমান (রা.) ছিলেন, ব্যবসায় ও সামরিক হিকমাত ও কিতাবের জ্ঞান সম্পন্ন। ইমাম আবু হানিফা (র.) ছিলেন, ব্যবসায় ও কিতাবের জ্ঞান সম্পন্ন। ইমাম আবু ইউসুফ (র.)ছিলেন বিচারিক হিকমাত ও কিতাবের জ্ঞান সম্পন্ন। হারুনুর রশিদ ছিলেন সামরিক হিকমাত ও কিতাবের জ্ঞান সম্পন্ন। পাঁচ জনের প্রথম জন রাসূল (সা.)। দ্বিতীয় জন আমির। তৃতীয় জন ফকিহ। চতুর্থ জন আদিল।পঞ্চম জন আমির। প্রথম জন রাসূল (সা.)। দ্বিতীয় জন উম্মী। অবশিষ্ট তিনজন আখারিন। পাঁচ জনই শুরা প্রধান। প্রথম জন রেসালাতের শুরা প্রধান। দ্বিতীয় জন ইমারাতের শুরা প্রধান। তৃতীয় জন ফিকাহাতের শুরা প্রধান। চতুর্থ জন আদালতের শুরা প্রধান। পঞ্চম জন ইমারতের শুরা প্রধান। প্রথম জন উপস্থাপন করেছেন অলিখিত কোরআন ও ফিকাহ। দ্বিতীয় জন উপস্থাপন করেছেন লিখিত কোরআন। তৃতীয় জন উপস্থাপন করেছেন লিখিত ফিকাহ। চতুর্থ জন জন লিখিত ফিকাহের পরিশোধক। পঞ্চম জন লিখিত ফিকাহের অনুমোদক। প্রথম, দ্বিতীয় ও পঞ্চম জন ইব্রাহীম (আ.) বংশিয় বিশ্ব ইমাম। প্রথম জন রাসূল (সা.)। দ্বিতীয় ও পঞ্চম জন আমির। পাঁচ জন একসূত্রে গাঁথা। সেইটা হলো হাবলিল্লাহ বা আল্লাহর দড়ি। যা ছেড়ে দিলেই জাহান্নাম। হাবলিল্লাহ বিষয়ে আমি সত্য বলে থাকলে এ বিষয়ে আমার সাথে থাকা সকল মুসলিমের জন্য ফরজ।

৫| ২৭ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:১৭

রাজীব নুর বলেছেন: ইসলামি নেতা দিয়ে হবে না।
আমাদের দরকার একজন শিক্ষিত নেতা। পরিশ্রমী নেতা। সত্যিকারের নেতা। ভালো মানুষ নেতা।

২৭ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:০৭

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: ইসলামপন্থীদের জন্য ইসলামী নেতা লাগবে। এদের অনেকে হুদাই উগ্রবাদী। এরা দেশকে বিপদের দিকে ঠেলে দেয়। সেজন্য ইসলাম পন্থীদের সঠিক নেতা চিনার দরকার আছে। এটা দেশের জন্য লাভ জনক। দুষ্ট দল জেমবির দুষ্টা নেতারা অনেক অকাজ করেছে। রাষ্ট্রকে এদের পিছনে অনেক সময় ব্যয় করতে হয়েছে।

৬| ২৭ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:৩৩

নতুন বলেছেন: বর্তমানে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ইসলামী নেতা একজন ডাক্তার।

উনি সাধারন লাইনে পড়াশুনা এবং ডাক্তারী পড়ার পাশাপাশি ইসলামী জ্ঞান অর্জনের জন্য পড়াশুনা করে গভীর ইসলামী প্রজ্ঞা হাসিল করেছেন।

২৭ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:১২

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: হিকমাতের জ্ঞান ছাড়া ইসলামের জ্ঞান অনেক ক্ষেত্রে বিপজ্জনক হয়ে থাকে। আল্লাহর নিয়ম আগে হিকমাতের জ্ঞান অর্জন করে পরে ইসলামের জ্ঞান অর্জন করবে। ইসলামপন্থীরা সব কিছু ভুলভাল পদ্ধতিতে করে বিধায় তাদের উন্নতি নাই এবং তারা দেশ ও জাতির জন্য ভালো কিছু করতে পারছে না।

৭| ২৭ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪

অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য বলেছেন: মামুনুল হক আছে তো।

২৭ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:১৫

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: তাঁর কি হিকমাতের জ্ঞান আছে? আল্লাহ আগে হিকমাতের জ্ঞান হাসিল করে পরে ইসলামের জ্ঞান হাসিল করতে বলেছেন। এরা কিতাবের জ্ঞান হাসিল করে পরে আর হিকমাতের জ্ঞান হাসিল করে না। এরা খুব চিৎকার করে জানান দেয় যে এরা আসলে জ্ঞানী হতে পারেনি।

৮| ২৭ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৬

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:




শরীয়া আইন প্রয়োগ করতে শরীয়া আইন জানা বিচার বিভাগ, সামরিক বাহিনী আর প্রশাসন দরকার। বাংলাদেশ কি একদিনে এতো মানুষ নিয়োগ দিতে পারবে?

২৭ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: শরিয়া আইন হঠাৎ করে জারি করার মত কোন আইন নয়। এর জন্য যে জনবল দরকার তার কিছুই এখন বাংলাদেশে নাই।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.