| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মহাজাগতিক চিন্তা
একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।
জল পড়ে পাতা নড়ে- বলেছেন কবি
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শৈশব বেলায়,
বালক মতিত্বে তাঁর কাব্যের ভেলায়
প্রাথমিক আরোহন কি চমৎকার!
যে হয় সে হয় মূর্ত সাফল্যের ছবি
শুরু থেকে। তার যাত্রা জীবন মেলায়
রাজকিয় হয়ে থাকে। হেলায়-খেলায়
সে থাকে না কোন দিন অবাধ্য দূর্বার!
বিশ্বমঞ্চে মাতৃভাষা করে সম্মানিত
কবিগুরু করেছেন সুমহান কাজ
সেজন্য বাঙ্গালী মনে তিনি সমাদৃত
সাহিত্যের চেতনার দীপ্ত মহারাজ।
শুরু থেকে শেষ তাঁর সকল উত্তম
তাঁর লেখা যত পড়ি লাগে মনোরম।
# কবিতা প্রকৃতি: অন্তমিল সনেট
# অন্তমিল: কখখগ কখখগ ঘঙঘঙ চচ
বি.দ্র- আমারে বেশির ভাগ সনেট এ অন্তমিলেই লেখা হয়।
০৫ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১:৪৯
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: আপনার মন্তব্যটি আমার পছন্দ হয় নাই। তথাপি আপনি মনে কষ্ট পাবেন ভেবে মুছি নাই। ধর্ম কি আরো সাহিত্য পড়তে মানা করেছে?
২|
০৫ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১:৪০
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
ধন্যবাদ, রবিন্দ্রনাথকে নৈবদ্ধ হিসাবে লেখা আপনার সনেট কবিতা যতার্থ হয়েছে । বলতেই হয় অপুর্ব।
রবিন্দ্রনাথের সনেট বিষয়ে শাহেরুল ইসলাম শাহ এর লেখা হতে চয়নকৃত লেখার অংশবিশেষ দিয়েই বলি-
মধুসূদনের পরবর্তী কালে বাংলা সনেটের ক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাম উল্লেখ করতে হয়। যদিও রবীন্দ্রনাথ
এ বিষয়ে খুব বেশি মনোযোগ প্রদান করেননি তবুও তার সনেট চর্চা নেহাত কম নয়। তিনি প্রায় ২৮৮ টি
চতুর্দশপদী কবিতা রচনা করেছেন। এর মধ্যে ৭৬ টিতে সনেটসুলভ মিলবিন্যাস লক্ষ্য করা যায়।
সনেটের রূপ নির্মাণের ক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিয়ত পরিবর্তনশীল এক শিল্পী। সনেটের মিলবিন্যাস, পংক্তি
দৈর্ঘ্য নিয়ে নানা সময় তিনি নতুনত্ব সৃষ্টি করেছেন। নানারকম পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে সনেটের রূপ নির্মাণে
অভিনবত্ব সৃষ্টি ছাড়াও রবীন্দ্রনাথের একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হল, সনেট কবিতায় সুরারোপ করে গানে পরিণত
করা। পাশ্চাত্যে সনেট গান হিসেবে গাওয়া হতো। মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে সনেটের প্রবর্তন করলেও
তাতে সুরারোপ করেন নি। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরই প্রথম এই দৃষ্টান্ত দেখান।
"কড়ি ও কোমল" কাব্যগ্রন্থের 'গান রচনা' ও 'হৃদয় আকাশ', "মানসী" কাব্যগ্রন্থের 'তবু' সনেটটির নাম উল্লেখ
করা যায়।
রবীন্দ্রনাথ প্রেত্রাকীয় ও শেক্সপীড়ীয় দুই রীতিতেই সনেট রচনায় দক্ষতা দেখিয়েছেন। তার 'প্রাণ' কবিতায়
শেক্সপীড়ীয় রীতি লক্ষ্য করা যায়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রেত্রাকীয় বা শেক্সপীড়ীয় কোন রীতিই তেমন গ্রহণ
করেননি। তিনি সনেট রচনার ক্ষেত্রে স্বকীয়তা ও বৈচিত্র্যের পরিচয় রেখেছেন। তার সনেটের মূল বিষয় 'প্রেম'।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার বেশিরভাগ সনেট/চতুর্দশপদী কবিতাই ১৪মাত্রার অক্ষরবৃত্ত ছন্দেই লিখেছেন। নীচে
রবীন্দ্রনাথের "কড়ি ও কোমল" কাব্যগ্রন্থের ছোট ফুল কবিতাটির সনেট গঠণশৈলী তুলে দেয়া হল, আপনার
লেখা সনেট কবিতাটির সাথে মিল দেখানোর জন্য ।
ছোট ফুল
আমি শুধু মালা গাঁথি | ছোটো ছোটো ফুলে, ক
সে ফুল শুকায়ে যায় | কথায় কথায়! খ
তাই যদি, তাই হোক, | দুঃখ নাহি তায়— খ
তুলিব কুসুম আমি | অনন্তের কূলে। ক
যারা থাকে অন্ধকারে, | পাষাণ-কারায়, খ
আমার এ মালা যদি | লহে গলে তুলে, ক
নিমেষের তরে তারা | যদি সুখ পায়, খ
নিষ্ঠুর বন্ধনব্যথা | যদি যায় ভুলে! ক
ক্ষুদ্র ফুল, আপনার | সৌরভের সনে গ
নিয়ে আসে স্বাধীনতা, | গভীর আশ্বাস— ঘ
মনে আনে রবিকর | নিমেষস্বপনে, গ
মনে আনে সমুদ্রের | উদার বাতাস। ঘ
ক্ষুদ্র ফুল দেখে যদি | কারো পড়ে মনে গ
বৃহৎ জগৎ, আর | বৃহৎ আকাশ! ঘ
রবিন্দ্রনাথের প্রতি রইল শ্রদ্ধাঞ্জলি
আপনার প্রতি শুভেচ্ছা রইল
০৫ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ২:০০
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: আপনার মন্তব্য গুলো চমৎকার হয়। ব্লগে আর কারো মন্তব্য আপনার মত নয়। সে দিক থেকে আপরি ইউনিক। আমার প্রতি মন্তব্য বেশী বড় হয় না।
৩|
০৫ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৫:১০
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনি নিজেই একজন ইউনিক মানুষ ; ইসলামিক লেখক সাথে কবিতা লিখেন । আমার দেখা ১ম আলেম ।
©somewhere in net ltd.
১|
০৫ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১:১২
রাজীব নুর বলেছেন: কবি গুরু যতই ভালো হোক, সে হিন্দু। বিধর্মী। তার গল্প কবিতা পড়লেও আল্লাহপাক হয়তো গুনাহ দিবেন।