নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

একজন সুখী মানুষ, স্রষ্টার অপার ক্ষমা ও করুণাধন্য, তাই স্রষ্টার প্রতি শ্রদ্ধাবনত।

খায়রুল আহসান

অবসরে আছি। কিছু কিছু লেখালেখির মাধ্যমে অবসর জীবনটাকে উপভোগ করার চেষ্টা করছি। কিছু সমাজকল্যানমূলক কর্মকান্ডেও জড়িত আছি। মাঝে মাঝে এদিক সেদিকে ভ্রমণেও বের হই। জীবনে কারো বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ করিনি, এখন তো করার প্রশ্নই আসে না। জীবন যা দিয়েছে, তার জন্য স্রষ্টার কাছে ভক্তিভরে কৃতজ্ঞতা জানাই। যা কিছু চেয়েও পাইনি, এখন বুঝি, তা পাবার কথা ছিলনা। তাই না পাওয়ার কোন বেদনা নেই।

খায়রুল আহসান › বিস্তারিত পোস্টঃ

“সূয্যি মামা জাগার আগে উঠবো আমি জেগে” (দিনলিপি, ছবিব্লগ)

০৪ ঠা মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৫

সাত সকালে কুউউ-কুউউ করে ডেকে চলা সঙ্গীহীন কোকিলটাকে কি আপনারা দেখতে পাচ্ছেন?
ঢাকা
২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, সকাল ০৭-০৫

"সূয্যি মামা জাগার আগে উঠবো আমি জেগে" -- নিজ শিশুর মুখে একথা শুনে মানব শিশুর মায়েরা সাধারণতঃ কপট রাগত স্বরে এমন প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে থাকেনঃ "হয়নি সকাল, ঘুমোও এখন- মা বলবেন রেগে"!
কিন্তু পাখিরা? না, বোধকরি পক্ষীশিশুর মায়েরা একথা কখনো বলে না। কারণ, তারা নিজেরাই সূয্যি মামা জাগার অনেক আগেই নীড় ছেড়ে খাদ্যের সন্ধানে বের হয়ে আসে। তার প্রমাণ নিচের এই প্রথম ছবিটা।
তখন সময় ভোর ০৬-০৩। সূর্য উঠতে তখনও ২৬ মিনিট বাকি। দূরের বিলবোর্ডে তখনও নিয়ন বাতি জ্বলছে। এরই মধ্যে এক জোড়া পাখি নিকটস্থ গাছ-গাছালির নীড় ছেড়ে সামনের ছয় তালা দালানের কার্নিশে এসে বসলো। ছবি তোলার জন্য সেলফোনটা হাতে নিতে নিতে একটা ফুরুৎ করে উড়ে চলে গেল।
সোশ্যাল মিডিয়াতে এই ছবিসহ প্রকাশিত আমার একটি পোস্ট পড়ে একজন অনুজ নাবিক বন্ধু নিম্নলিখিত মন্তব্যটি করেছেনঃ
“প্রতিদিন সূর্যোদয়ের আগে তিন ধরনের আভা (twilight) সৃষ্টি হয়। সূর্য যখন হরাইজন থেকে ১৮° নিচে থাকে তখন এটাকে বলে astronomical dawn, যখন এটা ১২° তে আসে, তখন হয় nautical twilight, সবশেষে Morning twilight হয় যখন সূর্য দিগন্তের ৬°নিচে থাকে। রমজানের সেহেরির শেষ সময় নির্ধারণ করা হয় astronomical dawn এর সময়, যখন খালি চোখে আমরা চারদিকে অন্ধকার দেখি। কিন্তু, পাখিরা astronomical dawn সবার আগে টের পায় বলেই ওদের ঘুম সবার আগে ভাঙে। এইজন্যই প্রতিদিন সূর্যোদয়ের সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে astronomical dawn এর সাথেই ওদের ঘুম ভেঙে যায়। প্রতিদিন আপনি খুব লক্ষ্য করলে এটা পরিষ্কার বুঝতে পারবেন। এদের এই টাইমিং এক সেকেন্ডও এদিক ওদিক হয় না। এটা আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা।
সাগরে চলমান অবস্থায় এইসবের ক্যালকুলেশন করে সূর্যোদয়ের সময় sun bearing এর সাথে জাহাজের জাইরো কম্পাস চেক করতে হতো মর্নিং ওয়াচে ডিউটি করার সময়। তবে, পাখির ডানা ঝাপটানোর বাস্তব অভিজ্ঞতা হয়েছে সিডনিতে আসার পর। আমি সিডনি এয়ার পোর্টে প্রায় সাড়ে ছয় বছর সকাল বিকাল শিফটে চাকরি করেছি। ভোর পাঁচটার মর্নিং শিফটের জন্য আমাকে সাড়ে তিনটায় বিছানা ছেড়ে টয়লেটে যেতাম। ঠিক astronomical dawn এর সাথে সাথেই বাথরুমের খোলা জানালা দিয়ে বাইরে অন্ধকারেই একঝাঁক চড়ুই জাতীয় পাখির ডানা ঝাপটানোর আওয়াজ শুনতাম। মজার ব্যাপার হচ্ছে, পরদিন যদি ২/৩ মিনিট আগে বা পরে সূর্যোদয় হয়, তখন এদের ডানা ঝাপটানোর আওয়াজও ঘড়ি ধরে ২ /৩ মিনিট আগে পরে শোনা যেত”।
morning twilight এর তিনটে স্তরের এত চমৎকার ব্যাখ্যা পড়ে আমার যেমন জ্ঞানবৃদ্ধি ঘটেছে, তেমনি হয়তো ঘটেছে/ঘটবে অনেক পাঠকেরও।

হাস্যময়ী, লাস্যময়ী ফুলঃ
বাংলাদেশের শীত-বসন্ত ঋতু দুটো পুষ্পবিলাসের ঋতু। এ সময়ে নানা রঙের ফুলের সমাহার বাড়ির অলিন্দ, চিলেকোঠা, ছাদ, বাসার সামনের ও পেছনের ক্ষুদ্র বাগান, মহাসড়কের মধ্যবর্তী সড়ক-দ্বীপ, পার্কের হাঁটাপথে চলার আশেপাশের জায়গা, কবরস্থানের আইল ও অব্যবহৃত স্থান, হাসপাতাল প্রাঙ্গণ এমন কি পথপার্শ্বের পরিত্যক্ত জায়গা, ইত্যাদিকে সুশোভিত করে। বিশেষ করে ডালিয়া, গাঁদা, সূর্যমুখি ইত্যাদি ফুল তাদের চারিপাশ রঙিন করে রাখে। দৈনন্দিন চলার পথে দেখা এমনই কিছু ফুলের ও অন্যান্য দৃশ্যের কয়েকটা ছবি দিলাম।

মাছির দিবানিদ্রাঃ
মাছিরা আবার নিদ্রা যায় নাকি? পথ চলতে চলতে এমনই একটা দৃশ্য দেখলামঃ গাছগাছালির মাঝ দিয়ে টেনে যাওয়া একটি তারের নিচে অনেক ঝুলন্ত মাছি ঘুমিয়ে আছে। কিন্তু তারের নিচে উল্টো ঝুলে পা উপরে এবং পিঠ নিচের দিকে রেখে ঘুমাচ্ছে কেন? কে জানে, এর মধ্যে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির কোন রহস্য আছে কিনা! নিউটন আজ বেঁচে থাকলে হয়তো তা আমাদের জানাতে পারতেন। যারা ল্যাপটপে এ লেখাটা পড়ছেন, তারা ছবিটা যুম করে মাছিগুলোকে দেখতে পারবেন কিনা জানিনা, তবে যারা সেলফোনে দেখছেন, তারা আশাকরি অবশ্যই পারবেন।

বিড়ালের দিবানিদ্রাঃ
বিড়াল একটি শান্তিপ্রিয়, সুখকামী, ঘুমকাতুরে নিরীহ প্রাণী। পথে যেতে যেতে দেখি, একটা বিড়াল শত শোরগোলের মধ্যেও পরম সুখে মাটিতে শুয়ে দিবানিদ্রা যাচ্ছে। ভেবেছিলাম, ছবি তোলার জন্য আমি তার কাছে গেলে হয়তো তার ঘুম ভেঙে যাবে। কিন্তু নাহ, তা ভাঙলো না, সে ঘুমিয়েই থাকলো।

চারিদিকে আমের বোল, ফুলঝুরি নয় যেন বোলঝুরি!
এবারে চারিদিকে যেখানেই আম গাছ চোখে পড়ছে, সেখানেই দেখছি শাখে শাখে ফুলঝুরি নয় যেন বোলঝুরি! বাসার সামনের সড়কের উল্টো পার্শ্বে আমার প্রতিবেশির লাগানো আম গাছেও দেখছি অসংখ্য বোল এসেছে। তবে একজন পথিক জানালো, যে বছরে বোল বেশি আসে, সে বছরে আম বেশি হয় না। কে জানে!


ঢাকা
০৪ মার্চ ২০২৬
শব্দ সংখ্যাঃ ৬২৬

(সময় সুযোগ মত ধীরে ধীরে আরও কিছু ছবি সংযোজন করার আশা রাখি। আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত “খোকার সাধ” কবিতাটি এখানে সংযোজন করার লোভ সংবরণ করতে পারলাম না। কবিতাটি আমরা সবাই ছোটবেলায় পড়েছি। কবিতাটি পড়ে আপনাদের কার কী মনে হয়েছিল, সে কথাটি মন্তব্যে উল্লেখ করে যেতে পারেন)

খোকার সাধ
কাজী নজরুল ইসলাম

আমি হবো সকাল বেলার পাখি
সবার আগে কুসম-বাগে উঠবো আমি ডাকি।
সূয্যি মামা জাগার আগে উঠবো আমি জেগে,
‘হয়নি সকাল, ঘুমো এখন’–মা বলবেন রেগে।
বলবো আমি, ‘আলসে মেয়ে ঘুমিয়ে তুমি থাকো,
হয়নি সকাল–তাই বলে কি সকাল হবে নাকো!
আমরা যদি না জাগি মা কেমনে সকাল হবে?
তোমার ছেলে উঠলে গো মা রাত পোহাবে তবে!’


ঊষা দিদির ওঠার আগে উঠবো পাহাড়-চূড়ে,
দেখবো নিচে ঘুমায় শহর শীতের কাঁথা মুড়ে,
ঘুমায় সাগর বালুচরে নদীর মোহনায়,
বলবো আমি, ‘ভোর হলো যে, সাগর ছুটে আয়!’
ঝর্ণা-মাসি বলবে হাসি, ‘খোকন এলি নাকি?’
বলবো আমি, ‘নইকো খোকন, ঘুম-জাগানো পাখি!’
ফুলের বনে ফুল ফোটাবো, অন্ধকারে আলো,
সূয্যিমামা বলবে উঠে, ‘খোকন, ছিলে ভালো?’


বলবো, ‘মামা, কথা কওয়ার নাইকো সময় আর,
তোমার আলোর রথ চালিয়ে ভাঙো ঘুমের দ্বার।’
রবির আগে চলবো আমি ঘুম-ভাঙা গান গেয়ে,
জাগবে সাগর, পাহাড় নদী, ঘুমের ছেলে-মেয়ে!


এক জোড়া পাখি নিকটস্থ গাছ-গাছালির নীড় ছেড়ে সামনের ছয় তালা দালানের কার্নিশে এসে বসলো। ছবি তোলার জন্য সেলফোনটা হাতে নিতে নিতে একটা ফুরুৎ করে উড়ে চলে গেল।
ঢাকা
০২ মার্চ ২০২৬, ভোর ০৬-০৩


দূরের বিলবোর্ডে তখনও নিয়ন বাতি জ্বলছে।
ঢাকা
০২ মার্চ ২০২৬, ভোর ০৬-০৩

গাছগাছালির মাঝ দিয়ে টেনে যাওয়া একটি তারের নিচে অনেক ঝুলন্ত মাছি ঘুমিয়ে আছে। কিন্তু তারের নিচে উল্টো ঝুলে পা উপরে এবং পিঠ নিচের দিকে রেখে ঘুমাচ্ছে কেন?
ঢাকা
২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, বেলা ১৪-০৪


রোদের মাঝে একাকী দাঁড়িয়ে....
ঢাকা
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, বেলা ১২৩৩


পথে যেতে যেতে দেখি, একটা বিড়াল শত শোরগোলের মধ্যেও পরম সুখে দিবানিদ্রা যাচ্ছে।
ঢাকা
০৪ মার্চ ২০২৬, বেলা ১৩ঃ৪৭

ধূসর অট্টালিকার মাঝে এক চিলতে শ্যামলিমা। ...
ঢাকা
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, বেলা ১২-৩৩


সুখী পরিবার, যূথবদ্ধ।
ঢাকা
০৪ মার্চ ২০২৬, বেলা ১৩ঃ৪৪


ঝাউগাছের নিচে গাঁদাফুলের চারা...
ঢাকা
২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, বেলা ১৫-০৩

সামনের সড়কের উল্টো পার্শ্বে প্রতিবেশির লাগানো আম গাছেও দেখছি অসংখ্য বোল এসেছে।
ঢাকা
১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, সকাল ০৬-৩৬


স্নিগ্ধতা....
ঢাকা
১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, সকাল ০৮-৩৬


চলার পথে দেখা....
ঢাকা
১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, দুপুর ১৩-৫১


প্রয়াতের প্রতি ভালোবাসা....
ঢাকা ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, দুপুর ১৪-৫০


"ঢেকে রাখে যেমন কুসুম,
পাপড়ির আবডালে ফসলের ঘুম!"

চলার পথে দেখা......
ঢাকা
১৮ মার্চ ২০২৬, দুপুর ১৩-৪৩

মন্তব্য ২৭ টি রেটিং +৯/-০

মন্তব্য (২৭) মন্তব্য লিখুন

১| ০৪ ঠা মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৫:৪০

মায়াস্পর্শ বলেছেন: প্রথম এবং শেষ ছবি শুধু দেখা যাচ্ছে।
বাকিগুলো নেই।
আশা করছি এডিট করে আবার পোস্ট করবেন।

০৫ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:৫১

খায়রুল আহসান বলেছেন: আরও কয়েকটা ছবি দিয়েছি, আশা করছি আরও কয়েকটা দেব। কেন যেন ছবি আপলোড করতে ভীষণ কষ্ট হচ্ছে, কারণ অনেক সময় নিচ্ছে। রোযা রমজানের দিনে এতটা সময় তো হাতে পাওয়া যায় না।
সম্ভব হলে আরেকবার ঘুরে গিয়ে জানাবেন।

২| ০৪ ঠা মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫৭

কাছের-মানুষ বলেছেন: সূর্যের তিন ধরনের আভা এবং পাখিদের তা বুঝতে পারার ক্ষমতা সত্যিই আশ্চর্য! আসলে এই পৃথিবীতে প্রতিটি প্রাণীরই নিজস্ব কিছু ক্ষমতা আছে, যা আবার অন্য প্রাণীদের নেই। মানুষ আসলে অনেকটাই “ব্লাইন্ড”। আমাদের দেখার রেইঞ্জ মাত্র ৪০০ থেকে ৭০০ ন্যানোমিটার। এর কম বা বেশি আমরা দেখতে পারি না। এর বাইরে আরো কত কিছু ঘটে যাচ্ছে চোখের সামনে, কিন্তু আমরা তা দেখছি না!

পাখিরা দেখতে পারে প্রায় ৩০০–৭০০ ন্যানোমিটার পর্যন্ত। সাপ আমাদের মতো ৪০০-৭০০ ন্যানোমিটার রেইঞ্জে দেখতে পারে, পাশাপাশি থার্মাল রেইঞ্জেও দেখতে পারে। অর্থাৎ তারা রাতেও দেখতে পারে। প্রাণী বা কোনো বস্তুর থেকে যে ক্ষুদ্র তাপ বের হয়, সেটা শুধু থার্মাল রেইঞ্জেই ধরা যায়, তাই সাপ সেটা দেখতে পারে অনেক দূর থেকে।

মন্তব্যটি মনে হয় খুব বেশী প্রাসঙ্গিক হোল না!!

আমার নিজেরও সকালে উঠতে ভালো লাগে। পোস্টটি যখন পড়ছি, আমাদের এখানেও অনেক সকাল। চারদিকে পাহাড়ঘেরা পরিবেশে আমার অফিসের আট তলায় বসে মন্তব্যটি লেখছি। আরেকটু পর ক্লাসে যাব, ছেলেমেয়েদের পরীক্ষা নিচ্ছি।

পোস্টটি ভালো লাগল। কবিতাটিও পড়ে ভালো লাগল।

০৯ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৮

খায়রুল আহসান বলেছেন: "এর বাইরে আরো কত কিছু ঘটে যাচ্ছে চোখের সামনে, কিন্তু আমরা তা দেখছি না!" - তাই তো!

আল্লাহতা'লার সৃষ্ট অসংখ্য প্রজাতির মধ্যে পাখিরা আমার ভীষণ প্রিয়। সব মিলিয়ে এদের মত এত নিরীহ (ইনোসেন্ট), এত সুন্দর আর এত বুদ্ধিমান প্রজাতি খুব কমই আছে। পিঁপড়েদের মত এরাও প্রকৃতির পূর্বাভাস মানুষের অনেক আগেই ধরতে পারে।

"মন্তব্যটি মনে হয় খুব বেশী প্রাসঙ্গিক হোল না" - সাপ একটি ভয়ঙ্কর প্রাণী। রাতের বেলায় সাপের দৃষ্টি সম্পর্কিত তথ্যটি জেনে ইতোমধ্যেই একজন ব্লগার ভয়ে পেয়ে গেছেন (১১ নং মন্তব্য)!

"ছেলেমেয়েদের পরীক্ষা নিচ্ছি" - আপনার ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে কোন বাংলাদেশি বা বাঙালি আছে কি? ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে কোন দেশের ছাত্রছাত্রীরা বেশি মেধাবী?

"পোস্টটি ভালো লাগল। কবিতাটিও পড়ে ভালো লাগল" -- অনেক ধন্যবাদ। ছোটবেলায় আমরা যে কবিতাটি পড়েছিলাম, তার চেয়ে এখানে উল্লেখিত কবিতাটি একটু বেশি দীর্ঘ। মনে পড়ে, এ জন্যই আমাদের পাঠ্য কবিতাটির নিচে "ঈষৎ সংক্ষেপিত" কথাটি লিখা থাকতো।

৩| ০৪ ঠা মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫৯

নজসু বলেছেন:



আস সালামু আলাইকুম।
আপনার দরদমাখা লেখা পড়তে গেলেই আমার মনটা ভরে যায়। কি সুন্দর শব্দের গাঁথুনি!

ভোরের পাখিদের জাগরণ, মাছির দিবানিদ্রা, বিড়ালের নিশ্চিন্ত ঘুম, আর আমের বোল প্রতিটি দৃশ্যকে আমি অনুভব করতে পারছি যেন। আপনার মমতা আর পর্যবেক্ষণশক্তি আসলেই অসাধারণ। আপনার নাবিক বন্ধুর ব্যাখ্যাটি অত্যন্ত তথ্যবহুল ও চমৎকার। একজন নগন্য পাঠক হিসেবে আমিও নতুন কিছু জানতে পারলাম প্রিয় ভাই।

কাজী নজরুল ইসলামের খোকার সাধ কবিতাটি যুক্ত করায় আপনার লেখাটি আরও পূর্ণতা পেলো যেন। ছবিগুলো অসাধারণ হয়েছে। হলুদ ফুলটাই চোখ রাঙিয়ে দিচ্ছে। অসাধারণ! আচ্ছা, উল্টো ঝুলে আসলেই ওরা কীভাবে ঘুমাচ্ছে? কখনও এর কারণ খুঁজে পেলে জানাবেন আশা করি।

খোকার সাধ কবিতাটি আপনার মতো আমাদের অনেকের শৈশবস্মৃতির অংশ। তবে, আমাকে এখনও পড়তে হয়, স্কুলে বাচ্চাদের পড়াতে হয়। আমি এখনও ঐ কচিকাঁচাদের সাথে খোকার সাধে শৈশবেই আছি। :)

অসাধারণ সুন্দর একটা লেখা পাঠ করলাম। সাথে সুন্দর পাঁচটি ছবি। সামনে আরও ছবি সংযোজনের অপেক্ষায় রইলাম।

পরিশেষে, অনেক অনেক দোয়া আপনার এবং আপনার পরিবারের সকলের প্রতি। ভালো থাকবেন।

১১ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১২:০৫

খায়রুল আহসান বলেছেন: আপনি একজন চমৎকার পাঠক; যেমনই উদার তেমনই মনযোগী। একজন পাঠক হিসেবে আপনি বেশ ভালোভাবে বুঝেন, ইতিবাচক মন্তব্য দিয়ে কী করে একজন লেখককে উৎসাহিত করতে হয়। হয়তো শিক্ষকতা পেশার সাথে জড়িত আছেন বলেই এটা আরও ভালোভাবে বুঝেন। আর সে জন্যেই আপনার সংবেদনশীল মন দিয়ে আপনি অতি সহজেই লেখকের অনুভূতিগুলোর সাথে একাত্ম হতে পেরেছেন।

আপনি মন্তব্য করে চলে যাবার পর আরও কিছু ছবি যোগ করেছি। আমার এ প্রতিমন্তব্যটি যদি দেখতে আসেন, আশাকরি তখন নতুন সংযোজিত ছবিগুলোও দেখে যাবেন।

"খোকার সাধ" কবিতাটি আমরা যখন পড়েছিলাম, তখন এখানে উল্লেখিত কবিতাটির চেয়ে কয়েকটি স্তবক কম পড়েছি। সেজন্যেই কবিতার নিচে "ঈষৎ সংক্ষেপিত" লিখা থাকতো।

৪| ০৪ ঠা মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৯

শেরজা তপন বলেছেন: আপনার অনুজ নাবিক বন্ধুর সুর্যযোদয়ের আগে তিন ধরনের আভার বিবরণ ও এর সাথে তাল মিলিয়ে পাখিদের কুঞ্জন বিষয়টার চমতকাআর ব্যাখ্যা জেনে আপ্লুত হলাম।
আপনি ভাল আছেন নিশ্চিত। পুরো লেখাটাই চমৎকার ।
ভাল থাকুন নিরন্তর!

১১ ই মার্চ, ২০২৬ ভোর ৬:২৫

খায়রুল আহসান বলেছেন: আপনি আপনার ব্যবসায়িক ব্যস্ততা পরিহার করে আমার এ পোস্টটা পড়ে গেলেন, এবং সুন্দর একটা মন্তব্যও করে গেলেন, সেজন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
জ্বী, আলহামদুলিল্লাহ, আমি ভালো আছি। আশাকরি আপনিও কুশলেই আছেন।

৫| ০৪ ঠা মার্চ, ২০২৬ রাত ৮:১৪

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



আপনার এই দিনলিপিটি একাধারে স্মৃতিমেদুর, পর্যবেক্ষণনির্ভর এবং সহজ সাবলীল ভাষায় রচিত একটি
অনুভব-আখ্যান। খুব সাধারণ দৈনন্দিন দৃশ্য ভোরের পাখি, ফুল, মাছি, বিড়াল, আমের বোল এসবের মধ্য
থেকে এক ধরনের নীরব সৌন্দর্য তুলে ধরেছেন। এতে কৃত্রিম আবেগ নেই; বরং ধীর স্থির দেখার অভ্যাস ও
প্রকৃতির সঙ্গে নিবিড় সংযোগের অভ্যাসটি ধরে রেখেছেন দেখে ভাল লাগল বিশেষ করে মাছির দিবনিদ্রার
বিষয়টি ।

মাছির দিবানিদ্রার বিষয়টি জীববিজ্ঞানের দৃষ্টিতে একটি আগ্রহজনক আচরণগত প্রক্রিয়া। সাধারণত আমরা
মাছিকে অত্যন্ত সক্রিয় ও চঞ্চল প্রাণী হিসেবে দেখি, কিন্তু বাস্তবে তারাও নির্দিষ্ট সময় বিশ্রাম গ্রহণ করে। কিন্তু
এই সময়টা ক্যমেরায় বন্দি করা খুব একটা সহজ কাজ নয় । কথন তাকে ঘুমন্ত অবস্থায় পাওয়া যাবে সে
সময়টির জন্য বেশ গভীর ও লম্বা সময় হাতে নিয়ে পর্যবেক্ষন প্রয়োজন ।বিশেষ করে গৃহস্থালী মাছি
সূর্যালোকপূর্ণ দিনে অধিক সক্রিয় থাকে এবং রাতে তুলনামূলক বিশ্রামে যায়। তবে দিনের মধ্যভাগে, বিশেষত
অতিরিক্ত তাপমাত্রা বা খাদ্যাভাবের সময়, তারা সাময়িক স্থির অবস্থায় থাকে যাকে দিবানিদ্রা বা অল্পকালীন
বিশ্রাম বলা যায়।

বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা গেছে, মাছির দেহে একটি জৈবঘড়ি কাজ করে, যা আলোর তীব্রতা ও তাপমাত্রার
উপর নির্ভরশীল। দিবানিদ্রার সময় তারা সাধারণত দেয়াল, ছাদ বা ছায়াযুক্ত স্থানে স্থির হয়ে বসে থাকে। এ
সময় তাদের বিপাকীয় কার্যকলাপ কমে যায়, শক্তি সঞ্চয় হয় এবং স্নায়ুতন্ত্র আংশিক বিশ্রাম পায়।এই বিশ্রাম
আচরণ তাদের টিকে থাকার কৌশলের অংশ, কারণ অবিরাম উড্ডয়ন বিপুল শক্তি ব্যয় করে। তাই দিবানিদ্রা
মাছির শক্তি সংরক্ষণ ও পরিবেশগত চাপ মোকাবিলার একটি প্রাকৃতিক উপায়।সংক্ষেপে বলা যায়, মাছির
দিবানিদ্রা হলো তাদের জৈবঘড়ি-নিয়ন্ত্রিত, স্বল্পমেয়াদি বিশ্রাম প্রক্রিয়া, যা পরিবেশের সঙ্গে অভিযোজনের
এক সূক্ষ্ম উদাহরণ আর আপনি অত্যন্ত দক্ষতার সাথে তা করেছেন পর্যবেক্ষন , তারপর আমাদের কাছে
করেছেন উপস্থাপন।

লেখাটির শুরুর অংশে শিশুকণ্ঠে উচ্চারিত সূয্যি মামা জাগার আগে… পঙ্‌ক্তিটি স্বতঃস্ফূর্তভাবেই আমাদেরকেও
নিয়েযায় কাজী নজরুল ইসলাম এর খোকার সাধ-এর আবহে। কবিতার উদ্ধৃতি শুধু নস্টালজিয়া তৈরি করেনি,
বরং পুরো লেখার ভোরবেলার অনুভূতির সঙ্গে একটি সার্থক সেতুবন্ধন তৈরি করেছেন। বিশেষত পাখির
জাগরণ প্রসঙ্গে অনুজ নাবিক বন্ধুর twilight সংক্রান্ত বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাটি লেখাটিকে তথ্যবহুল ও চিন্তনপ্রবণ
করেছে। এতে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক তথ্যের সংমিশ্রণ ঘটেছে, যা ামাদের জ্ঞানবৃদ্ধির
পাশাপাশি কৌতূহলও জাগায়।হাস্যময়ী, লাস্যময়ী ফুল অংশে ঋতুভিত্তিক প্রকৃতিবর্ণনা রঙিন হলেও ভাষা
সংযত। কাব্যিকতা আছে, তবে তা ভারী হয়ে ওঠেনি। মাছির দিবানিদ্রা ও বিড়ালের দিবানিদ্রা অংশে
প্রশ্নমুখর দৃষ্টিভঙ্গি এবং হালকা রসবোধ লেখাটিকে প্রাণবন্ত করেছে। বিশেষ করে নিউটনের প্রসঙ্গ টেনে
আনা একটি মৃদু হাস্যরস সৃষ্টি করেছে, যা ভাবনার পাশাপাশি আমাদেরকে আনন্দও দেয়।

দিনলিপিতে থাকা বিভিন্ন পর্যবেক্ষণ আলাদা আলাদা অনুচ্ছেদে উপস্থাপিত হলেও তাদের মধ্যে অন্তর্গত
ভাবসংযোগটাও বেশ স্পষ্ট। শেষাংশে কাজী নজরুলের কবিতার পূর্ণ সংযোজন আবেগঘন হয়েছে ,
তবে তার পরিমাণ কিছুটা সংক্ষেপিত হলে মূল দিনলিপির নিজস্ব কণ্ঠ আরও জোরালো হয়ে উঠত বলে
প্রতিয়মান হয়।

তবে সব মিলিয়ে, ছবি ব্লগটি প্রকৃতি নিরীক্ষণ ও শৈশবস্মৃতির এক আন্তরিক দলিল। আপনার দৃষ্টিশক্তি শুধু
দেখার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং দেখার ভেতর দিয়ে ভাবেন এবং আমাদেরও ভাবতে আহ্বান জানান , তারই
প্রেক্ষিতে মাছির দিবা নিদ্রার বিষয়ে আরো জানার কৌতুহল সৃষ্টি হয়েছে।সেই তাগিদেই মাছি নিয়ে অর্জিত
তথ্যটুকু পুর্বেই বলে দিয়েছি ।

সব দিক থেকে এটি কেবল ছবি ব্লগ নয়, বরং জীবন ও প্রকৃতির সূক্ষ্ম সুর শোনার এক আমন্ত্রণ।
এত সুন্দর বিবিধ ভাবনা ও ছবিসম্বলিত পোস্টটির জন্য আপনার প্রতি এই ফাগুনে রইল

ড.এম এ আলীর আম্রমুকলীয় শুভেচ্ছা

১১ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৬

খায়রুল আহসান বলেছেন: একটি ছোট্ট, সামান্য পোস্টকেও এতটা নিবিড় ও গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করে লেখকের প্রয়াসকে এতটা মহিমান্বিত করা, তা কেবল আপনার মত একজন বিদগ্ধ ও উদার পাঠকের পক্ষেই সম্ভব। আমি অভিভূত।
"প্রকৃতির সঙ্গে নিবিড় সংযোগের অভ্যাসটি ধরে রেখেছেন দেখে ভাল লাগল বিশেষ করে মাছির দিবনিদ্রার
বিষয়টি"
- আমাদের মাসজিদের উত্তর পাশেই একটা বিরাট পুকুর আছে। প্রতি ওয়াক্ত নামাযের পর শরীর ও মন ভালো থাকলে আমি সাধারণতঃ পুকুরের চারপাশে দুই একটা চক্কর দিয়ে বাড়ি ফিরি। এটা আমাকে ভীষণ আনন্দ দেয়, মন খারাপ থাকলে ভালো করে দেয়। নাগরিক সভ্যতার ইট পাথরের অট্টালিকার ঘনত্বের মাঝে কোনরকমে রক্ষা করা এই এক চিলতে প্রকৃতি আমাদেরকে সত্যিকারের অক্সিজেন সরবরাহের পাশাপাশি বুক ভরে শ্বাস নেয়ার সুযোগ দেয়।
"মাছির দিবানিদ্রার বিষয়টি জীববিজ্ঞানের দৃষ্টিতে একটি আগ্রহজনক আচরণগত প্রক্রিয়া" - এই প্রক্রিয়াটি এত চমৎকারভাবে পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ করার জন্য ধন্যবাদ। সেদিন যোহরের নামাজের পর পুকুর পাড়ে হাঁটার সময় হঠাং করেই একটি তারের উপর উল্টো হয়ে শুয়ে থাকা মাছির সারি আমার নজরে পড়ে। সাথে সাথে ছবি তুলে নেই, কিন্তু ছবিগুলো পরিস্কার হয়নি। এখন আবার যোহরের নামাযের সময় হয়ে এলো। পরে আবার আপনার মন্তব্যের বাকি অংশে ফিরে আসবো, ইন শা আল্লাহ।
ড.এম এ আলীর আম্রমুকুলীয় শুভেচ্ছার জন্য পুরো গাছের মুকুলের সংখ্যাসম ধন্যবাদ। :)

১১ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৩:১০

খায়রুল আহসান বলেছেন: "শেষাংশে কাজী নজরুলের কবিতার পূর্ণ সংযোজন আবেগঘন হয়েছে , তবে তার পরিমাণ কিছুটা সংক্ষেপিত হলে মূল দিনলিপির নিজস্ব কণ্ঠ আরও জোরালো হয়ে উঠত বলে প্রতিয়মান হয়" - "খোকার সাধ" শিরোনামে যে কবিতাটি আমরা পড়েছিলাম, সেটা এখানে উল্লেখিত কবিতাটির চেয়ে কয়েকটি স্তবক কম ছিল। সেজন্যে কবিতাটির নিচে "ঈষৎ সংক্ষেপিত" লিখা থাকতো। এতদিন পর গুগলে সার্চ দিয়ে পুরো কবিতাটিই পেলাম, যা সচরাচর পাওয়া যায় না। সেজন্য পুরো কবিতাটিই অখণ্ডিত অবস্থায় সংযোজন করেছি।

"সব দিক থেকে এটি কেবল ছবি ব্লগ নয়, বরং জীবন ও প্রকৃতির সূক্ষ্ম সুর শোনার এক আমন্ত্রণ" - অশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা, এমন সুন্দর এবং প্রশংসামূলক একটি কাব্যিক মন্তব্যের জন্য।

৬| ০৪ ঠা মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:২৯

জ্যাক স্মিথ বলেছেন: প্রকৃতিই হচ্ছে সবচেয়ে বড় ঘড়ি, আমি ঘুম থেকে উঠে বলতে পারি এখন কয়টা বাজে ১০/২০ মিনিট এদিক সেদিক হয়। উত্তরবঙ্গে এক বয়স্ক ব্যক্তি আছে যিনি শুধু সূর্য দেখে প্রায় নির্ভূল টাইম বলে দিতে পারেন।

১১ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ২:৫১

খায়রুল আহসান বলেছেন: "প্রকৃতিই হচ্ছে সবচেয়ে বড় ঘড়ি" - জ্বী।
"উত্তরবঙ্গে এক বয়স্ক ব্যক্তি আছে যিনি শুধু সূর্য দেখে প্রায় নির্ভূল টাইম বলে দিতে পারেন" - আগেকার লোকেরা অনেকেই তাদের গভীর পর্যবেক্ষণ শক্তির মাধ্যমে এভাবে সূর্য দেখে প্রায় নির্ভুলভাবে (ভুল বানানটা দেখে নেবেন) সময় বলে দিতে পারতেন।

৭| ০৫ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১:২৬

রাজীব নুর বলেছেন: সহজ সরল সুন্দর লেখা।

১১ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৮

খায়রুল আহসান বলেছেন: ধন্যবাদ, মন্তব্যে প্রীত হ'লাম।

৮| ০৫ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ২:১৬

রাজীব নুর বলেছেন: অবসর সময় কি করে পার করতে হয় সেটা আপনার কাছ থেকে শেখা উচিৎ।

১১ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:৫৭

খায়রুল আহসান বলেছেন: তাই নাকি? বাহ, জেনে খুব খুশি হ'লাম। অনেক ধন্যবাদ।

৯| ০৭ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১২:৩১

শায়মা বলেছেন: আমি সব ছবি দেখতে পেয়েছি।

তবে আমেল বোল নিয়ে একটা গান আছে। বোল এর চাইতে সুন্দর একটা নাম আছে। মঞ্জরী।

গানও আছে- মঞ্জরী ও মঞ্জরী আমের মঞ্জরী.....

১৩ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ১১:২২

খায়রুল আহসান বলেছেন: "আমি সব ছবি দেখতে পেয়েছি" - গুড, গুড।
গানের লিঙ্কটির জন্য অশেষ ধন্যবাদ। আগেও বহুবার শুনেছি, আবারও শুনলাম।

১০| ০৭ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১:৫৪

নীল-দর্পণ বলেছেন: কয়েকদিন আগে সেহরির সময়ে উঠে অন্ধকার থাকতেই পাখির কিচরমিচির শুনে একটু অবাক লেগেছে এই ভেবে যে আলো ফোটার আগেই ডাকছে! আপনার এই লেখা পড়ে কারন জানতে পারলাম।

ছবিগুলো বেশ ভালো লাগল।

পাখির কথা আসায় একটু বলি, আমাদের কিচেন হুডের পাইপের ভেতরে এক চড়ুই দম্পতি বাসা করেছে, সম্ভবত বাচ্চাও ফুটিয়েছে। ওদের জন্যে অনেকদিন হুড বন্ধ করে রেখেছি। সারাক্ষণ কিচিরমিচির করে দেখে আমি বলি ওরা হচ্ছে অবসরে যাওয়া দম্পতি, কাজ নাই তাই ঝগড়া করে । :p ওদের কিচিরমিচির শুনে আমার মস্তিষ্ক কিচিরমিচির অনুবাদ করে গল্প বানিয়েফেলে। ভেবেছি একদিন লিখবো সেই গল্প।

১৩ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:১৮

খায়রুল আহসান বলেছেন: বছর কয়েক আগে আমি অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে এক রমজান মাস কাটিয়েছিলাম, মেজো ছেলের আতিথ্যে। সেখানে আমার শয়ন কক্ষের জানালার কাছেই একটা গাছ ছিল, সেখানে রাতে অনেক পাখি থাকতো। ভোরে সেহেরির সময় হলেই পাখিদের ডাকাডাকি শুনতে পেতাম। এখন যেখানে আছি, সেখানেও ধারে কাছে কিছু গাছগাছালি আছে। এখানেও শুনতে পাই। আপনার মত আমিও সেই নাবিক বন্ধুর লেখা মন্তব্য পড়ে কারণটা জানতে পারলাম।

"ছবিগুলো বেশ ভালো লাগল" - অনেক ধন্যবাদ।

"ভেবেছি একদিন লিখবো সেই গল্প" অবশ্যই। কল্পনাপ্রসূত সেই গল্পটি নিশ্চয়ই অনেক মজার হবে! আমাদের কিচেনহুডেও পাখি বাসা বেঁধেছিল। বন্ধ ছিল অনেকদিন।

১১| ০৭ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১:৫৭

নীল-দর্পণ বলেছেন: ২নং মন্তব্য পড়ে মনে হচ্ছে না পড়লেই ভালো হতো! আমি সাপকে প্রচন্ড ভয়পাই তার উপর জানতে পারলাম রাতেও অনেক দূরে দেখতে পায়। কী ভয়ানক কথা!

১৮ ই মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪০

খায়রুল আহসান বলেছেন: সাপকে আমিও ভয় পাই। সাপ রাতের বেলায় মানুষ ও অন্যান্য প্রাণীর দেহ থেকে বিকীরিত তাপের সাহায্যে অনেকদূর পর্যন্ত দেখতে পায়, এ তথ্যটি আমার আগে জানা ছিল না। এখন জেনে ভয়টা আরও বেড়ে গেল।

১২| ১১ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:০৬

কাছের-মানুষ বলেছেন: আপনার ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে কোন বাংলাদেশি বা বাঙালি আছে কি? ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে কোন দেশের ছাত্রছাত্রীরা বেশি মেধাবী?
হ্যা, আমার ক্লাসেই বাংলাদেশী ষ্টুডেন্ট আছে। আমার দেখা মতে, আমাদের বাংলাদেশের ষ্টুডেন্টরা মেধাবী, সব চেয়ে মেধাবী কোন দেশের ছাত্রছাত্রী, এটা বলা কঠিন, তবে ওভারল আমাদের সাউথ এশিয়ান যেমন বাংলাদেশ এবং ইন্ডিয়া এই অঞ্চলের ছাত্রছাত্রীরা অনেক মেধাবী অন্যান্য দেশের তুলনায়।

১৯ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ১০:৫২

খায়রুল আহসান বলেছেন: "আমার দেখা মতে, আমাদের বাংলাদেশের ষ্টুডেন্টরা মেধাবী" - জেনে খুব ভালো লাগল।
বিদেশে থাকলে স্বভাবের পরিবর্তনের কারণে অনেকটা স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ হয়ে যায় ডিসিপ্লিন বা শৃঙ্খলাবোধ। কিন্তু দেশের অনেক ছেলেরা মেধাবী হলেও ডিসিপ্লিনের অভাবে তারা অনেক সময় কাঙ্খিত লক্ষ্য অর্জনে পিছিয়ে পড়ে।

নতুন জবে আপনার জন্য শুভকামনা রইলো। আপনি সাফল্যের শিখরে আরোহণ করুন!

পবিত্র ঈদুল ফিতর এর অগ্রিম শুভেচ্ছা!

১৩| ১৯ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ৮:১৬

নজসু বলেছেন:



জ্বী প্রিয় ভাই, আপনি নতুন ছবি দিয়েছেন কিনা সেটা আমি প্রায় প্রায়ই নতুন চেক করে গেছি।
অপূর্ব সুন্দর! সুন্দর ছবি!

১৯ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:০০

খায়রুল আহসান বলেছেন: পুনরায় এসে আবারও মন্তব্য রেখে যাওয়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
ছবির প্রশংসায় প্রীত হ'লাম। +

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.